পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

ডিপ্লোমা ভর্তি পরীক্ষা-২০২৫ এর প্রশ্নপত্র। স্পেশাল এটেনশন  #২০ নং এবং ৫৯, ৬৬ সহ বেশিরভাগ প্রশ্ন।আর এরাই বিএসসি ইঞ্জিনিয়...
29/08/2025

ডিপ্লোমা ভর্তি পরীক্ষা-২০২৫ এর প্রশ্নপত্র।
স্পেশাল এটেনশন #২০ নং এবং ৫৯, ৬৬ সহ বেশিরভাগ প্রশ্ন।

আর এরাই বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের চেয়ে নিজেদের জ্ঞানী ভাবে!

10/03/2025

আমরা যখন ছাত্র ছিলাম তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ছিল ৩ বছরের আর মাস্টার্স ছিল ১ বছরের কোর্স। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৯৯ সালে যোগদানের কয়েক বছর পর হঠাৎ একদিন শুনি ৪ বছরের অনার্স ডিগ্রী চালু হচ্ছে। কোন আলাপ নাই, কোন সার্ভে নাই। প্রভাবশালী শিক্ষকরা ভাবলো আর করে ফেললো। আমাদের সব কিছুই এমন হয়। যাহোক ৪ বছরের অনার্স করার উদ্দেশ্য ছিল ওটাই হবে টার্মিনাল ডিগ্রী। অর্থাৎ অনার্স শেষে প্রায় সবাই চাকুরীতে চলে যাবে। যারা একাডেমিয়াতে থাকবে বা অন্য কোন বিশেষ প্রয়োজনে যারা মাস্টার্স করতে ইচ্ছুক তারা ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে মাস্টার্সে ভর্তি হবে। এইটা করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক সংকট বেশ অনেকটা কেটে যাবে। এছাড়া শিক্ষার্থীরাও অযথা সময় অপচয় না করে দ্রুত কর্ম জীবনে ঢুকে যেতে পারবে। আমার অভিজ্ঞতা বলে বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থীই মাস্টার্স করে আবাসিক হলে প্রায় ফ্রি থাকার জন্য। তারা মাস্টার্সের ক্লাস ঠিক মত করে না। অনেকেই চাকুরী করে। এইরকম হাফ হার্টেড বা কোয়ার্টার হার্টেড মন নিয়ে কি লেখাপড়া হয়?

মাস্টার্স হওয়া উচিত বিশেষায়িত কোর্স। শুধু মাত্র যারা মোটিভেটেড তারা নিজেদের যোগ্যতার যথাযোগ্য প্রমান দিয়ে মাস্টার্স করবে। বিসিএস থেকে শুরু করে সমস্ত সাধারণ চাকুরীর বিজ্ঞপ্তিতে ৪ বছরের অনার্স পাশ চাওয়া উচিত সেখানে মাস্টার্স থাকলে প্রেফারেন্স দেওয়া হবে এইরকম বিজ্ঞপ্তি দেওয়া যাবে না। শুধু এই কাজটা করলে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের আবাসিক সংকট অনেক কেটে যাবে। তাছাড়া বাংলাদেশের কোন কলেজে মাস্টার্স পড়ানোর অনুমতি থাকা উচিত না। মাস্টার্স ডিগ্রী দিতে অবশ্যই থিসিস থাকতে হবে। থিসিস করাতে হলে গবেষনায় যুক্ত এমন শিক্ষক থাকতে হবে যা আমাদের কলেজগুলোতে নাই। তাই কলেজগুলোতে কেবল মাত্র ৪ বছরের অনার্স রাখুন আর সাথে ৩ বছরের ডিগ্রীপাস্ কোর্স রাখুন। সকল কলেজে যেখানে অনার্স থাকবে সেখানে এইচএসসি থাকতে পারে না। পৃথিবীর কোথাও নাই। শুধু এই কাজগুলো করুন দেখবেন দেশের উচ্চ শিক্ষার মান অনেকটা বদলে যাবে।

উচ্চশিক্ষার কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য আমার প্রস্তাব
১. চার বছর মেয়াদি অনার্সকে টার্মিনাল ডিগ্রি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা:
সরকারি ও বেসরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে চার বছরের অনার্স ডিগ্রিকে চূড়ান্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে উল্লেখ করতে হবে। মাস্টার্স বাধ্যতামূলক না রেখে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া যেতে পারে।

২. বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের আবাসিক সংকট নিরসন:

মাস্টার্সে ভর্তির জন্য কঠোর নির্বাচনী প্রক্রিয়া চালু করতে হবে। শুধুমাত্র গবেষণার জন্য উৎসাহী ও যোগ্য শিক্ষার্থীদের মাস্টার্সে ভর্তি করতে হবে। মাস্টার্সকে ‘পে-ইন’ প্রোগ্রাম হিসেবে গড়ে তুললে অযথা হলে থাকার প্রবণতা কমবে।

৩. কলেজ পর্যায়ে মাস্টার্স বন্ধ করা:

বাংলাদেশের কলেজগুলোতে মাস্টার্স প্রোগ্রামের অনুমোদন থাকা উচিত নয়। মাস্টার্সে গবেষণা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত, যা কলেজ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় কারণ সেখানে প্রয়োজনীয় গবেষক-শিক্ষক নেই। কলেজগুলোতে শুধুমাত্র তিন বছরের ডিগ্রি পাস এবং চার বছরের অনার্স কোর্স রাখা উচিত।

৪. এইচএসসি ও অনার্স একই প্রতিষ্ঠানে নয়:

পৃথিবীর কোথাও একই প্রতিষ্ঠানে উচ্চ মাধ্যমিক এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয় না। কলেজগুলোতে যদি অনার্স থাকে, তবে সেখানে এইচএসসি পাঠদান বন্ধ করতে হবে।

৫. যোগ্য শিক্ষক সংকট দূর করা:

যেখানেই অনার্স পড়ানো হবে সেখানে পিএইচডি ডিগ্রী হওয়া উচিত শিক্ষক হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতা। শিক্ষকের সংখ্যা ও মান বৃদ্ধিতে ব্যবস্থা নেওয়া।

জীবন অনেক মূল্যবান। এই মূল্যবান সময় শুধু আবাসিক হলে থাকার জন্য বা "আমি বেকার না" ও কথাটি মানুষকে বলার জন্য যে মাস্টার্সে ভর্তি হওয়া জীবনের অপচয় এবং সঠিক মানুষকে মাস্টার্স পড়া থেকে বঞ্চিত করা হয়।

© Kamrul Hasan Mamun

22/02/2025

"সত্যি কথা বলতে, আমি অবাক হই নাই। ক্ষমতার লোভে অমানুষ হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা তো নতুন না। কী আশা করছিলেন? এরা অন্যরকম হবে? অসম্ভব!

কথায় কথায় ইতিহাসে ছাত্ররাজনীতির কল্যাণকর অবদানের মূলা দিয়ে আপনারা ক্যাম্পাসে এই সন্ত্রাস জায়েজ করার চেষ্টা করেন। হাসি পায়।

কল্যাণের জন্য যখন ছাত্ররা রাস্তায় নামে, অধিকার আদায়ের জন্য যখন ছাত্ররা আন্দোলন করে, ফ্যাসিস্ট তাড়াইতে ছাত্ররা যখন জীবন দেয় - ঐটা ছাত্র হিসেবে, মানুষ হিসেবেই দেয়; সেখানে কোনো ছাত্ররাজনীতির ব্যানার থাকে না, ব্যানার লাগে না।

ছাত্ররাজনীতির ব্যানার লাগে আপনাদের মতো ভয়ংকর লোভী ক্রিমিনালদের। আপনাদের স্বার্থে আঘাত লাগলে আপনারা পাওয়ার অ্যাবিউজ করে অমানুষের মতো অ্যাটাক করতে এক বিন্দু দ্বিধাবোধ করেন না।

আমি অবাক হই নাই ছাত্রদলের এই সন্ত্রাসী রূপ দেখে। আমি অবাক হই নাই মেরুদণ্ডহীন ভিসিকে দেখে। আমি অবাক হই নাই ক্লিকবেইট ভিউ-অ্যাডিক্ট মিডিয়ার মিথ্যাচার দেখে। আমি একদমই অবাক হই নাই, একটা অ্যালামনাই গ্রুপের হুট করে বোবা হয়ে যাওয়া এবং চরম হিপোক্রিসি দেখে।

কারণ সব আজীবন এমনই ছিলো। আজীবন। কখনো লীগ, কখনো দল। কখনো হেলমেট, কখনো রামদা। কখনো এই ভিসি, কখনো ঐ ভিসি। কখনো এই পত্রিকা, কখনো ঐ পত্রিকা। নামটাই আলাদা, বাকি সব এক।

অবাক লাগে না। কিন্তু আক্ষেপ হয়। প্রতিবার আমাদেরকে একটা না একটা মনস্টারই চুজ করতে হয়। লেসার এভিলকে ফেরেশতা মানতে হয়। এভিলরা শুধু পালাক্রমে লেসার আর গ্রেটার হয়, কখনো মানুষ হয় না।"

21/01/2025

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রেজাউল করিম সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বলেন: "শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মাত্র কয়েক বছরে দেশকে পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। তাঁর সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান এর নেতৃত্বে তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আমাদের পথ চলতে হবে। তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করে আমরা দেশকে সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব। বাংলাদেশকে ঘুষ ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।"

আওয়ামীলীগের ১৪ বছরের শাসনামলে নিয়োগকৃত ভিসি আর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ভিসির কথাবার্তায় কোন পার্থক্য দেখেন? তারাওতো বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে এইভাবেই কথা বলতো। এইসব বলে বলেই দেশকে তোষামোদির রাজ্যে পরিণত করেছিলেন। এখনো আমরা সেই একই পথে হাটছি। আসলে যেই লাউ সেই কদুই। অধ্যাপক ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হয়েছেন শুনে বড় খুশি হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম সরকার হবে নির্দলীয়। ভেবেছিলাম রাজনৈতিক দলগুলো অন্তত কয়েক বছর চুপ থেকে এই সরকারকে শান্তিতে দেশ চালাতে দিবে। ভেবেছিলাম এই সরকারের আমলে নির্দলীয় এবং একাডেমিক্যাললি যোগ্যদের ভিসি হিযাবে নিয়োগ দিবে যারা কোন দলের বা নেতার তোষামোদি করবে না।

যেখানে স্বয়ং ভিসি দলীয় পরিচয়ে নিয়োগ পায় সেখানে শিক্ষক ও ছাত্র রাজনীতি কিভাবে বন্ধ হবে? অথচ ২৪ এর অভ্যুথানের মূল স্পিরিট ছিল দলীয় রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস।

© Kamrul Hasan Mamun

আমরা যখন ছাত্র ছিলাম আমাদের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্ল্যাক বোর্ড আর চক ব্যবহার করা হতো। চকগুলো এতই নিম্নমানের ছিল ...
12/01/2025

আমরা যখন ছাত্র ছিলাম আমাদের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্ল্যাক বোর্ড আর চক ব্যবহার করা হতো। চকগুলো এতই নিম্নমানের ছিল যে'লিখতে গেলে প্রচুর ডাস্ট হতো। আর সেই ডাস্ট নাক ঢুকতো, কালো চুল চকের গুড়ায় সাদা হয়ে যেত। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন পার করে শিক্ষকতা জীবনের শুরুও চক আর ব্ল্যাক বোর্ডে। তখন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় চালু হলো। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলোতে ব্যাপক হারে হোয়াইট বোর্ড আর বোর্ড মার্কারের প্রচলন শুরু হলো। এর ছোয়া আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েও একটু একটু করে লাগতে শুরু করলো। একসময় সকল ব্ল্যাক বোর্ড বদলে গিয়ে হোয়াইট বোর্ড আর বোর্ড মার্কারে ছেয়ে গেল।

অথচ বিশ্বের অনেক বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়েও চক বোর্ড রয়ে গেল। বরং তারা মনো লেয়ার থেকে মাল্টি লেয়ার বোর্ড বানালো। কালো বোর্ডের বদলে সবুজ বোর্ড-এ ক্লাস নেওয়া শুরু করলো। আর ডাস্ট-ফ্রি চকতো ওরা অনেক অনেক আগে থেকেই ব্যবহার করছিল। আমাদের দেশি চক কোম্পানিগুলো কখনোই ডাস্ট ফ্রি চক বানাতে শুরুই করলো না। অথচ আমরা পারতাম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ডাস্ট-ফ্রি চক বানাতে। ডাস্ট-ফ্রি চক না বানিয়ে আমরা সরাসরি হোয়াইট বোর্ড মার্কারে চলে গিয়ে বিদেশ থেকে আমদানি নির্ভর হয়ে গেলাম। ডাস্ট ফ্রি চকও বানাতে পারলাম না, বোর্ড মার্কারও বানাতে পারলাম না।

আমরা যে বিদেশ থেকে বোর্ড মার্কারগুলো আমদানি করছি এইগুলো এক দিকে যেমন দামি অন্যদিকে এইগুলো পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর। কোথায় যাচ্ছে এই বোর্ড মার্কারগুলো? আমাদের নদী নালা খাল বিলে গিয়ে পরিবেশ নষ্ট করছে। এর বদলে আমরা যদি দেশেই ডাস্ট-ফ্রি ভালো মানের চক বানাতে পারতাম তাহলে একদিকে যেমন অর্থ সাশ্রয় হতো অন্যদিকে পরিবেশ ফ্রেন্ডলিও হতো। তাছাড়া বোর্ডে চক দিয়ে লিখলে ক্লাসগুলো ধীরগতিতে আগায়। আর মাল্টি লেয়ার্ড বোর্ড হলে লেখাগুলো মুছতে হয় না। যেকোন সময় পূর্বের লেখাগুলো টেনে নামিয়ে দেখানো যায়। সব কিছুতেই অতি স্মার্ট হওয়া ভালো না।

আমরা স্মার্ট হতে গিয়ে পাওয়ার পয়েন্টে ক্লাস নেই। পাওয়ার পয়েন্ট কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাহায্যকারী হিসাবে থাকতেই পারে তবে মূল ক্লাস অবশ্যই বোর্ডে লিখে হতে হবে। এতে শিক্ষককে ড্রাইভ করবে ধীরে যেতে এবং শিক্ষার্থীকে সাহায্য করবে লেকচার গ্রহণে যথেষ্ট সময় পেতে। আমরা এখনো ডাস্ট-ফ্রি চক, মাল্টি লেয়ার্ড বোর্ড বানাতে পারলাম না? আমরা পারিটা কি?

© কামরুল হাসান মামুন

26/11/2024
24/11/2024

কথাটা হয়তো সবার পছন্দ হবে না, তবে বাস্তবতা হলো, আমাদের মতো গরীব দেশ চাইলেই দুনিয়ার সব বিষয়ে বিশ্বমানের গবেষণা শুরু করতে পারবে না।

২০ কোটি মানুষের দেশের রিজার্ভ হলো ২০ বিলিয়ন ডলার মাত্র। আর সৌদি আরবের বেস্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউস্টের (KAUST) এন্ডোর্সেমন্টই হলো ২০ বিলিয়ন ডলার।

আমাদের দেশে ভালো মানের গবেষণা শুরু করতে হবে বাজার যাচাই করে। উদাহরণ সরূপ, সরকার যদি মহাকাশ বিজ্ঞানের উপর এখন ৫০০ কোটি টাকা খরচ করে, সেটা দেশের বাজারে কোন কাজেই আসবে না আপাতত। একে, ৫০০ কোটি টাকা এই গবেষণার জন‍্য কিছুই না। দ্বিতীয়ত এই ফিল্ডে লোকাল পিএইচডি’রা কাজ করবে কোথায়? এর turnaround কতোটুকু হবে?

ঠিক একই টাকা যদি, সেমিকন্ডাকটর ফিল্ডে গবেষণার জন‍্য ঢালে, তাহলে, এক বছরের ট্রেইনিং কোর্স অফার করলেও অনেকে সেটা শেষ করে ভালো চাকরি পাবে। দেশে রেভিনিউ আসবে।

সরকারের উচিত প্রায়োরিটি বেইজড রিসার্চ ফিল্ড সিলেক্ট করা। এগ্রিকালচার, ফার্মাসিউটিক‍্যাল, ফুড প্রোডাকশন এন্ড সেইফটি, সেমিকন্ডাটর, পোশাকশিল্প ইত‍্যাদি আরো কিছু ফিল্ড যে ফিল্ডে যথারীতি দেশে একটা বড়ো বাজার আছে।

দেশের অর্থনীতিকে আরো চাঙ্গা করা যাবে। এবং যেখানে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানও টাকা ঢালবে যদি দেখে যে তাদের শিল্পেরও লাভ হবে। প্লাস, এসব ফিল্ডে লোকাল স্কিলড মানুষ তৈরি করলে, তারা দেশেই ভালো চাকরি পাবে। এভাবে অনেকগুলো বিষয় স্টাডি করে ফোকাস করা উচিত।

বাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস‍্য রেখে যদি গবেষণায় ফোকাস করা যায়, তাহলে এক্সিসটিং শিল্পগুলো আরো বিকশিত হবে। আরো রেভিনিউ আসবে। সেই রেভিনিউ তখন অন‍্যান‍্য ফিল্ডের রিসার্চ এণ্ড ডিভেলপমেন্টে খরচ করা যাবে।

আপনি খেয়াল করে দেখেন, নব্বইয়ের দশকে, সারা দেশে বিবিএ-এমবিএ একটা হৈ-চৈ শুরু হলো। কারণ হালো প্রাইভেট ব‍্যাংকিং ও কর্পোরেট চাকরির বিকাশ। দেশের সব প্রাইভেট বিশ্ববিদ‍্যালয় শুরুই করতো বিবিএ-এমবিও আর কম্পিউটার সাইন্স দিয়ে।

গবেষণার দুইটা মোটা উদ্দেশ‍্য থাকে। এক. জ্ঞান সৃষ্টি।
দুই. জ্ঞান সৃষ্টির মধ‍্য দিয়ে লোকালি স্কিলড মানুষ তৈরি করা।

গরীব দেশ শুধুমাত্র জ্ঞান তৈরির লক্ষ‍্য গবেষণা করতে পারে না। আর্থিক সীমাবদ্ধতার জন‍্য। তাকে বরং ফোকাস করতে হয়, যে গবেষণার মধ‍্য দিয়ে জ্ঞান, স্কিল ও রেভিনিউ তৈরি করা যায়, সেটার প্রতি।

আপনাদের মতামত কি?

তিতুমীর কলেজকে তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তর করে বাকি ৬ কলেজকে তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার জোর দাবি জানাচ্ছি...
20/11/2024

তিতুমীর কলেজকে তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তর করে বাকি ৬ কলেজকে তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার জোর দাবি জানাচ্ছি
না হলে,
ইউসুফ সরকারকে এর চরম মূল্য দিতে হবে

It's Loud & Clear😴

19/11/2024

আমি ছাত্রলীগ, শিবির, ছাত্রদল বুঝি না। দেশের সব পাবলিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, দাসত্বের ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে আমি। এই অবস্থান আজকের না। বহু বছরের।

সমাজের একটা সংকট কালে, তরুণরা সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এর জন‍্য দলীয় ছাত্ররাজনীতি লাগে না। এটা একটা স্বাভাবিক বিষয়।

দলীয় ছাত্ররাজনীতির চর্চা না থাকলেও তরুণরা ভাষা আন্দোলনে, মুক্তিযুদ্ধে, নব্বইয়ের গণঅভ‍্যুত্থানে, চব্বিশের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তো। এসব আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, তারা সবাই ছাত্রও না। আবার অনেকে ছাত্র হলেও, সবাই দলীয় ছাত্ররাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন না।

প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে তো রাজনীতি নাই। তাইলে সেখানের স্টুডেন্টরা কেন জুলাইয়ে রাস্তায় নামলো? প্রাণ দিলো? স্কুলের বাচ্চারা কেন সড়ক আন্দোলন করলো?

জাতীয় নেতা তৈরির জন‍্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দলীয় ছাত্ররাজনীতি লাগে না। এটা একটা দীর্ঘদিনের প্রচলিত সস্তা ও ভুল বয়ান। ড. ইউনূস কোন কালে ছাত্ররাজনীতি করেছিলো? তাকে তো ছাত্ররা ঠিকই প্রধানমন্ত্রী-সম পদে বসালো।

দলীয় ছাত্ররাজনীতি থাকলে তরুণরা কোন না কোন ভাবে দলের দাস হয়ে উঠে। কর্মে নয়তো চিন্তায়। দেশের চেয়ে দল বড়ো হয় তাদের কাছে। পড়াশুনা, জ্ঞান-গবেষণা থেকে ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়ে। দলের দাস হয়ে যায় বলেই নিজ সরকারের অন‍্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে না। তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ কোথাও না কোথাও দলকে ঘিরেই হয়। অল্প বয়সে রাজনীতির হাওয়া গায়ে লাগিয়ে অনেকেই হয়ে উঠে দানব।

৫৩ বছর ধরে বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির উপহার হলো ছাত্র খুন। অন্তত ২০০ শিক্ষার্থীর লাশ। ক‍্যাম্পাসে মারামারি। হল দখল। চাঁদাবাজি। সেশনজট। শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি। গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বড়ো বড়ো বক্তব‍্য! —এগুলো বলে শেষ করা যাবে না। বিনিময়ে বাংলাদেশ কিছুই পায়নি। কয়জন ছাত্রনেতা জাতীয় পর্যায়ে নেতা হয়ে দেশকে উদ্ধার করেছে? হিসাব দিন!

ছাত্ররাজনীতির সাথে যারা জড়িত, তারা শুধু নিজের ক্ষতি করে না। অন‍্যদের ক্ষতি করে। তাদের গুতাগুতিতে অসংখ‍্য ছেলে-মেয়ে সেশনজটে পড়ে। স্টুডেন্টরা মুক্তভাবে মাথা উঁচু রেখে শিক্ষাজীবন শেষ করতে পারে না। বহু স্টুডেন্ট ট্রমাটাইজড হয়ে যায়। উচ্চশিক্ষা ছেড়ে দেয়।

ছাত্ররাজনীতির কারণে প্রতিষ্ঠানে অযোগ‍্য শিক্ষক নিয়োগ হয়। বাণিজ‍্য হয়। দলীয় শিক্ষক নিয়োগ হয়। শিক্ষকরাও নেতা হওয়ার দৌঁড় প্রতিযোগিতায় ব‍্যস্ত থাকে। উচ্চশিক্ষায় দক্ষিণ এশিয়াতেও আমরা তলানিতে! ফলে দেশ জুড়ে আগাছার মতো গজিয়ে উঠেছে সহ-সভাপতির পাল! এদেরকে নেতারা ব‍্যবহার করে টিস‍্যু পেপারের মতো।

ছাত্র সংসদ অবশ‍্যই রাখা যাবে। কিন্তু ছাত্র সংসদ তো কোন মুরুব্বি দলের সাথে সম্পৃক্ত থাকবে না। ছাত্র সংসদের সাথে কোন মুরুব্বিরও সম্পর্ক থাকবে না। কোন নেতার সম্পর্ক থাকবে না। এক প্রতিষ্ঠানের ছাত্র সংসদের সাথে অন‍্য সংসদের কোন লিঁয়াজো, কিংবা জোট থাকবে না। ছাত্র সংসদ কাজ করবে নিজের প্রতিষ্ঠানের ছাত্রদের জন‍্য। সরকারের জন‍্য না। ছাত্র সংসদ থাকবে কিন্তু কোন হুকুমের রাজনীতি থাকবে না। কোন রাজনৈতিক আর্দশের প্রচার-প্রসার চলবে না। স্টুডেন্টদেরকে কোন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে বাধ‍্য করা যাবে না। ছাত্র সংসদ নির্দ্বিধায় সরকারের সমালোচনা করবে। এটাই হলো বিশ্ববিদ‍্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি।

আর স্কুল-কলেজে তো কোন প্রকার রাজনীতিই থাকবে না—একদম হারাম! সেটা শিশু-কিশোর বয়স। সে বয়স হলো শিক্ষক ও পিতা-মাতার কথা মতো চলা। শুধু পড়াশুনা নিয়ে থাকা। আজকে কিশোর গ‍্যাং, ইয়াবা, পড়াশুনার প্রতি অনীহা, বাটপারি এগুলো বেড়েছে শুধুমাত্র অটোপাশ আর ৯৫% পাশের কারণে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেধা যাচাইয়ে, দুধ আর ঘি’র দাম সমান করে ফেলেছি আমরা। স্কুলের ছাত্ররাও নেতামি দেখায়! এতোই নোংরা সমাজ গড়েছি।

দলীয় রাজনীতির জন‍্য মাঠ আছে। রাস্তা আছে। পুরো দেশ পড়ে আছে। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ছেড়ে দিতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোন রাজনীতি চলবে না। গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কোন রাজনীতি চলবে না। এগুলো করে জংলীরা। অসভ‍্যরা। যারা দেশকে কিছু দিতে চায় না। যারা শুধু ছাত্রদের ব‍্যবহার করে দলকে বাঁচিয়ে রাখতে চায়। দল ভারী করতে চায়। এই অসভ‍্যরাও তাদের যোগ‍্য সন্তানটিকে বিদেশে পড়ায়। ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ায়। অথচ এরা দেশের তরুণদের চোখে কাপড় দিয়ে বেঁধে রেখে, অন্ধের মতো দলের দাস বানাতে চায়। একুশ শতকে একজন শিক্ষিত তরুণের জন‍্য এমন দাস হওয়ার মতো নিকৃষ্টতা ও নির্লজ্জতা কি হতে পারে!

এই ধরণের ছাত্ররাজনীতির পরিণাম কখনোই জাতির জন‍্য ভালো হয় না। তরুণ বয়সেই হিংসা-বিদ্বেষের ভিতর দিয়ে বেড়ে উঠে প্রজন্ম। এটা কখনো না কখনো বন্ধ করতেই হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়তে গিয়ে আমি দেশের সন্তান হয়ে কেন ছাত্রদল-ছাত্রলীগ-ছাত্রশিবির দ্বন্দ্বে জড়িয়ে নিজেকে, প্রতিষ্ঠানকে ও দেশকে ধ্বংস করবো? —কেন? —কোন যুক্তিতে? —কাকে লাভবান করার জন‍্য?
……………………..

Rauful Alam

07/10/2024

‘৫০০ শিক্ষক ভিসি হতে চান, বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ পড়াতে চান না’ - অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

এইটা একটা অসাধারণ ঘটনা। বাংলাদেশের আপামর সকল মানুষ নিজে প্রশাসক হতে চায় বা আপন কেউ প্রশাসক হলে তাকে ব্যবহার করে দুধের সাধ ঘোলে মেটাতে চায়। বিসিএসেও সবাই প্রশাসক হতে চায়। বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকরাও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এনসিটিবিটিতে পদায়ন পেতে পাগল। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক। যেকিনা সদ্য পিএইচডি করে এসেছে এবং মাত্রই অধ্যাপক হয়েছে। এইবার তার দেওয়ার পালা। শ্রেণীকক্ষে পড়াবে, ছাত্রদের থিসিস সুপারভাইস করাবে। কেন জানি আমাদের দেশে পিএইচডি একখান করতে পারলে আর একবার অধ্যাপক হয়ে গেলেই মনে করে এইবার শিক্ষকতার ইতি টেনে রাজনীতি ও প্রশাসনে কিভাবে যাওয়া যায় নজর থাকে সেইদিকে।

একজন অধ্যাপক কিভাবে প্রভোস্ট কিংবা প্রক্টর হতে চায় এইটা আমার মাথাতেই ঢুকে না। প্রভোস্ট হওয়া মানেতো হোটেলের ম্যানেজার। এই কাজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন খ্যাতিমান শিক্ষককে কেন দায়িত্ব দিতে হবে? এর মাধ্যমে মেধার কত অপচয় বুঝতে পারছেন? প্রক্টর পদতো আরো জঘন্য যেখানে একজন শিক্ষককে মারামারি, ঝগড়াঝাটি মেটানোর মত পুলিশি কাজ করতে হয়। সবাই এইটা হতে চায় কারন শুনেছি প্রক্টরদের নাকি অনেক ইনকাম। আর প্রভোস্ট হলে একটা বাংলো পায়।

প্রায় ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রোভিসি, ট্রেজারার নিয়োগ হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো পদই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রোভিসি ট্রেজারার পদ, দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি প্রোভিসি এবং ট্রেজারার পদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলের প্রভোস্ট ও প্রক্টর পদ। বুঝতে পারছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কতজন শিক্ষক প্রশাসক পদে নিয়োজিত। এই এইবার আবার ভালো গবেষক দেখে ভিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো শিক্ষক প্লাস গবেষকদের একটা বড় অংশই এখন প্রশাসক। এরা শিক্ষকতা ও গবেষণা থেকে বলা যায় দূরেই থাকবে। কি সাংঘাতিক ব্যাপার না?

©Kamrul Hasan Mamun

25/09/2024

চীনে ছাত্ররাজনীতি নাই। চীনের ছেলে-মেয়েরা দুনিয়া দখল করে নিচ্ছে। আমেরিকা-জাপান, জার্মানী কিংবা কানাডায়—চীনের ছেলে-মেয়েদের জয়জয়কার।

দুনিয়ার এমন কোন সেরা বিশ্ববিদ‍্যালয় নেই যেখানে তারা নাই। সারা পৃথিবীতে তারা এখন টপার। এমন গবেষণা প্রতিষ্ঠান দুনিয়াতে খুব কম যেখানে চীনের ছেলে-মেয়েদের প্রভাব নাই। ছাত্রদের যেটা কাজ, যেটা দায়িত্ব, ওরা সেটাই করছে। অন‍্যকিছু করে সময় নষ্ট করলে নিজে যেমন বিশ্বদৌঁড়ে পিছিয়ে যেতো, তেমনি ওদের দেশও পিছিয়ে পড়তো।

ইউরোপের বিশ্ববিদ‍্যালয়ে কোন দলীয় দাসত্বের ছাত্ররাজনীতি নাই। আমেরিকায় নাই। কানাডায় নাই। জাপানে নাই। দক্ষিণ কোরিয়া নাই। সিঙ্গাপুরে নাই।

ওরা চাঁদে যাচ্ছে। মঙ্গলে যাচ্ছে। ওরা পৃথিবীর সকল মহামারিতে ওষুধ, ভ‍্যকসিন নিয়ে হাজির হচ্ছে। প্রযুক্তি নিয়ে হাজির হচ্ছে।

কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি করছে। বুলেট ট্রেইন তৈরি করেছে। কি না করছে!

কিন্তু ছাত্ররাজনীতি লাগবে বাংলাদেশে। দলের দাস হয়ে থাকতে হবে। নেতার পাছার পেছনে স্লোগান দিতে হবে। ক‍্যাম্পাসে মারামারি হবে। ছাত্র খুন হবে। হল থেকে অস্ত্র পাওয়া যাবে। ছাত্ররা রাজনীতি করবে—নেতা হবে। শিক্ষকরা রাজনীতি করবে—নেতা হবে।
ফলে আমরা ৫৩ বছরে কি চুলটা ছিঁড়েছি? —আমাদের দৌঁড় হলো মধ‍্যপ্রাচ‍্যের শ্রমিক হওয়া পর্যন্ত!

গ্লোবাল ইনোভেটিভ কালচারে আমাদের অবদান শূণ‍্য! দুনিয়ার তালিকা তো বহু দূর, দক্ষিণ এশিয়ার তালিকাতেই দেশের একটা পাবলিক ইউনিভার্সিটি শীর্ষে থাকতে পারে না। আর যেসব স্টুডেন্টদের সামর্থ‍্য থাকবে কিংবা যোগ‍্যতা থাকবে—তারা দেশ ছাড়বে, আর ফিরবে না।

যে জাতি সময় থাকতে, চোখ খুলে অন‍্যের কাছ থেকে শিখে না, তাকে শেখানো কঠিন!
অন‍্যজাতির দাস হওয়া কিংবা মাইর খাওয়া ছাড়া এমনসব জাতির বিকল্প পথ থাকে না।
………………..
Rouful Alam

Address

রাজাপুর
পাবনা।

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:

Share