17/07/2022
ফেনী বালিগাঁওতে, জাতির জনক,প্রধানমন্ত্রী, এমপি'ছবি সহ ঈদ শুভেচ্ছা ব্যানার ও সদ্য ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি উদাও!!!অপরাধ,
স্থানীয় দাদার ছবি না থাকা!!
রিপোর্টার,শেখ ফজলুল করিমঃ
বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঈদ শুভেচ্ছা ব্যানারে স্থানীয় নেতার নাম না থাকায়,জাতির পিতা, স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিব রহমান,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান আওয়ামী লীগের প্রধান, শেখ হাসিনা ও স্থানীয় সংসদ সদস্য,ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি'র ব্যনার টাংগানি থেকে পেলে নিয়ে যায়,স্থানীয় ছাত্রলীগ।
উক্ত ঘটনা নিয়ে বালিগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের ঘাঁটি খ্যাত,সুন্দরপুর এ অসন্তোষ ও থম থমে অবস্থা বিরাজ করছে।
প্রবিণ আওয়ামিলীগ নেতা সাবের জানান,স্বাধীনতার আগে পর থেকে, ১৯৭৫ ইং সালের সময়ে ও শেখ কে অসম্মানি করতে এই এলাকায় পারেনাই।এই সুন্দরপুর গ্রাম কে শেখ মুজিবের ঘাঁটি বলা হতো।এইখান কার মহিলা পুরুষ সবাই সংগ্রামী।গত ২০০১ ইং পরবর্তী সময়ে বিএনপি জামাতের হাতে নির্যাতিত যেই অঞ্চলের মানুষ।যেই সুন্দরপুরের মানুষ লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা দিয়ে বাডী ঘর বাচিঁয়েছিল।
আজ এই সুন্দরপুরে শেখ মুজিব, শেখ হাসিনা,নিজাম হাজারীর ব্যানার ছিডে নিয়ে যায়।যাহা লজ্জাকর।
রিকসা ড্রাইভার সিরাজ জানান,
এলাকায় সবাই আমরা চুপ।আমরা আওয়ামিলীগ সারা জীবন চৌদ্দ গুষ্টি।আমাদের কে এখন আওয়ামিলীগ মারে।ঢাকা শহরের বিমান বন্দর এলাকার বিএনপি ক্যাশিয়ার,এলাকায় আসি আওয়ামিলীগ সরকারের সময়ের আন্ডা ওয়ার্ডের নেতা হইছিলো ভাই।উনার ছেলে হেনির বিএনপি'র অশ্রু নেতার কর্মী এখন আন্ডা এলাকার আওয়ামিলীগের মা বাপ।(রিপোর্টার কে উদ্যেশ্য করে)আম্নে আমার কথা রেকর্ড করিয়েন্না,ওরা জানলে আমাকে এলাকা ছাড়া করে দিবে।আমার নিজের মেয়ে কে বাবলুর ছোট ভাই মনিরা চোরা (x)করছিল (অনেক ক্ষণ চুপ করে কাঁদলো) আমি সবার কাছে বিচার দিলাম।শুসেন বাবুর কাছে ও কয়েক বার বিচার দিলাম।কিচ্ছু হয় নাই।চেয়ারম্যান বিচার করার জন্য বোট অফিস ডাকছে আর বাবলু চেয়ারম্যান কে ধমকাইছে।চেয়ারম্যান আর বিচার করে না।ভাই আমার কথা মিথ্যা কিনা আল্লাহর কসম করে বলতেছি এলাকার সবাই জানে।আমি চলে যাচ্ছি, আপনি কে। কেন আমাকে এত কথা জিজ্ঞাসা করতেছেন,তাডাতাডি এলাকা থেকে বের হয়ে যান,সুমন্না আইয়ের।এই বলে চলে যায়।
(আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের শান্তির ফেনীর উন্নত বালিগাঁও ইউনিয়নের সুন্দরপুর এলাকায় মধ্যযুগীয় বর্বরতায় দিনের গল্পের সাক্ষী হচ্ছি।)
ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সম্পাদক কে জিজ্ঞাসা করলে।উক্ত বিষয়ে কোন মন্তব্য করিতে রাজি না বলে ফোন কেটে দেন।
বালিগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মীর হোসেন পাটোয়ারী বলেন,ফেনী সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আবদুল মান্নান ভাই আমাকে বাডীতে গিয়ে বলেন, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক প্রার্থী হওয়ার জন্য। আমি প্রার্থী হয়ে বায়োডাটা জমা দিই।আমাদের কে ডেকে মন্নান ভাই বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল এর পরামর্শ এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে জানিয়ে আমাকে আহ্বায়ক করে ২৩ সদস্যের কমিটি অনুমোদন দেন। এবং তা আমাদের কে দেন।ঐ দিন সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ আমাদের কে নির্দেশনা দেন যে,আমাদের অভিবাভক নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি মহোদয় ফেনী আসলে, একটা প্রোগ্রাম করে জেলা আওয়ামী লীগ,জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ, উপজেলা আওয়ামী লীগ কে ফুল দেওয়ার জন্য।আমাদের কে উপজেলা কমিটি তারিখ নির্ধারণ করবেন, আমরা ওইদিন ফুলের অনুষ্ঠান করব।এর মধ্যে চলে আসলো কোরবানির ঈদ।মন্নান ভাই আমাদের কে বলেন,সামনে জাতীয় নির্বাচন কাছাকাছি সময়,ঈদ উল আযহা উপলক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও এমপি মহোদয়ের পক্ষে বালিগাঁওবাসী কে ঈদের শুভেচ্ছা দিয়ে ৫০ টা ব্যানার করতে।আমরা ফেনী জিলান এড থেকে ৩০ টি ব্যানার প্রিন্ট করে ইউনিয়ন পরিষদ এর সামনে ও ৯ টি ওয়ার্ডে লাগিয়ে দিই।পরের দিন ঈদ।ঈদের দিন রাতে আমার যুগ্ন আহ্বায়ক, সাবেক ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জহির ভাই কে, জেলা থেকে বাবলু ফোন দেয়।বিভিন্ন দরনের কথা বলেন ব্যানারের ছবি নিয়ে।বকাবকি করেন।রাত ১২.৩০ এর দিকে আমার বাডীর পুর্ব দক্ষিণ পাশ্বে ব্রিক ফিল্ডের জায়গা থেকে আমার বাডী মুখি গুলি করে প্রায় ৫/৬ রাউন্ড(কয়েক রাউন্ডের ভিডিও রেকর্ডিং আছে)। আমি বিষয়টি তাৎক্ষনিক সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মন্নান ভাইকে জানাই।মন্নান ভাই আমাকে বলে, কোন রকুমে রাত টা কাটাও, আমাকে ও হত্যার হুমকি দিচ্ছে বার বার।তোমরা জীবন বাচাঁও পরে বিস্তারিত বলবো।এরপর চেয়ারম্যান কে ফোন দিয়ে জানালে উনি ও নিশ্চুপ থেকে বলেন আমি কি করব। আমি পরের দিন থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, শুসেন শীল দাদার কাছে দিনের ১১ টা বাজে গিয়ে ও রাত ১০ টা পর্যন্ত দেখা পেলাম না।উনার অফিসের নিচে বসে ছিলাম।রাত ১০ টায় বাবলু জানালো দাদা কাল আসতে বলছে।চলে আসলাম।রাতের ১২ টার দিকে দাদা কে আমি ফোন দিয়ে কথা বললাম। দাদা আমাকে পরের দিন বিকালে যেতে বললো।কিন্তু সকাল হওয়ার সাথে সাথে শুনি রাস্তায় শেখ মুজিব,শেখ হাসিনা,এমপি সাহেবের ছবি দেওয়া ব্যানার নাই।আমাদের কমিটি ও নাই।স্তগিত।
কমিটি স্থগিত দুঃখ নাই।যাদের দল করি তাদের ব্যানার বালিগাওতে রাখবেনা।এইটা মানতে পারছিনা।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন আহ্বায়ক, ইব্রাহিম জানান,আমাকে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ এর সহ সভাপতি সুমন ফোন দিয়ে ধমক দিয়ে বলে বাজারে ব্যানার কে লাগিয়েছে, কার এত সাহস নেতার ছবি না দিয়ে ব্যানার লাগাইছে,১ ঘন্টার মধ্যে ব্যানার খুলে ফেলতে।আমি খুলি নাই।সকালে সুন্দরপুর বাজারের উত্তর পাশ্বে চা দোকানদার সোহাগের দোকানে অনেক গুলো লোকের সামনে আমাকে অপমান করে আমি কেন ব্যানার খুলি নাই।আমি বলছি মেরে পেল আমি নেতাদের ব্যানার খুলবো না।রাতে সকল বেনার ইউনিয়ন থেকে ছিডে নিয়ে যায়।সাক্ষী ও আছে,কিন্তু আমরা নিরুপায়।
দাদার ছবি দেই নাই। এই অপরাধে শেখ মুজিব,প্রধানমন্ত্রী, এমপি সাহেবের ও ছবি বালীগাঁও ইউনিয়নে নাই।এবং আমাদের কমিটি ও নাই।
আমাদের নেতা,জননেতা নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি সাহেবের অপেক্ষায় আছি আমরা,এমপি সাহেব যাই বলবেন আমরা মানবো।তবে নেতাদের ব্যানারের জায়গা যখন বালিগাওতে হয় নাই। যারা ব্যানার ছিডে নিয়ে গেছে তাদের ও জায়গা বালিগাওয়ের মাটিতে হবে না।নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি সাহেবের সীদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।
সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের সাথে আলাপ করলে তাহারা ভীতিকর অবস্থায় আছেন বলে জানান,এমপি মহোদয় কে বিস্তারিত জানাবেন।আমরা লজ্জিত বলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ। ঘটনার সত্যত্যা নিশ্চিত করেন। এবং এমপি সাহেবের সীদ্ধান্ত ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা সীদ্ধান্ত নিবো।
সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা সাজু জানান,যেই কর্মী শেখ মুজিব,শেখ হাসিনা ও আমাদের জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এর ছবি ব্যানার ছিডে পেলে দিতে পারে, তাকে ক্রস ফায়ারে আনা উচিত।এবং বালিগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমন,ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিপাত,ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতা কনক,পিয়াস যারা এই ব্যানার গুলো ছিডে নিয়ে গেছে।তাদের কে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করে গ্রেপ্তার দাবী জানাচ্ছি। আমাদের এমপি সাহেবের কাছে।
তিনি আর ও জানান,সুন্দরপুর গ্রামে যে কোন সময় গনবিষ্পোরণ হতে পারে।
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।