Literature Society of Mujib Hall, DU

Literature Society of Mujib Hall, DU তবু এই মৃত্যু উপত্যকাই আমার দেশ!

29/08/2025
"সদস্য আহ্বান ও দুইলাইনের সাহিত্য" কার্যক্রম!
17/08/2025

"সদস্য আহ্বান ও দুইলাইনের সাহিত্য" কার্যক্রম!

কবি শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নং মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহন করেন । তার পৈত্রিক বাড়ি নরসিনদী জেলার রা...
17/08/2025

কবি শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নং মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহন করেন । তার পৈত্রিক বাড়ি নরসিনদী জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।পিতা মোখলেসুর রহমান চৌধুরী এবং মাতা আমেনা খাতুন । শামসুর রাহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত । তিনি ঢাকার পোগোজ স্কুল থেকে ১৯৪৫ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৪৭ সালে ঢাকা কলেজ থেকে আই এ পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন । কিন্তু তিনি অনার্স ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি । তবে তিনি ১৯৫৩ সালে বি এ (পাস কোর্স) করেন। আঠারো বছর বয়সে শামসুর রাহমান প্রথম কবিতা লেখা আরম্ভ করেন। ১৯৪৩ সালে তাঁর প্রথম কবিতা “উনিশ শ উনপঞ্চাশ’’ প্রকাশিত হয় নলিনীকিশোর গুহ সম্পাদিত সোনার বাংলা পত্রিকায় । বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রজীবনে ১৩ জন তরুণ কবির কবিতার সংকলন, নতুন কবিতায় তাঁর পাঁচটি কবিতা তাঁর কবি পরিচয়কে সুধী মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন । “ রুপালি স্নান’কে বলা যায় শামসুর রাহমানের আগমনী কবিতা । এর সর্বাংশেই জড়িয়ে আছে তাঁর স্বকীয়তা ও সৃষ্টিশীলতার চিহ্ন । শামসুর রাহমান ১৯৫৭ সালে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন ইংরেজী দৈনিক মর্নিং নিউজ এর সহসম্পাদক হিসেবে । কিছুদিন এ পত্রিকায় কাজ করার পর তিনি পেশা পরিবর্তন করে যোগ দেন রেডিও পাকিস্তানে । ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত তিনি রেডিও তে কাজ করার পর ১৯৬৪ সালে মর্নিং নিউজে উচ্চতর পদে যোগ দেন । তিনশো টাকায় আমি প্রথম কাব্যের এ সনেটে , চাকুরি জীবনের ঠুনকো নিশ্চয়তা ও বাস্তবিক পরনির্ভরতা বিষয়ে রসিকতা করেছেন কবি নিজেকে নিয়ে । তাঁর দ্বিতীয় কাব্যের জন্য আদমজী পুরস্কারে ভূষিত হন । পুরষ্কারটি প্রদান করেছিলেন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান । পুরো এক দশক (১৯৭৭ -১৯৮৭) শামসুর রাহমান দৈনিক বাংলা (স্বাধীন বাংলাদেশ দৈনিক পাকিস্তান ,দৈনিক বাংলায় পরিণত হয় ) ও সাপ্তাহিক বিচিত্রার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন । বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য শামসুর রাহমান আদমজী পুরষ্কার(১৯৬৩) বাংলা একাডেমী পুরষ্কার (১৯৬৯) জীবনানন্দ পুরষ্কার (১৯৭৩) একুশে পদক (১৯৭৭) আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পুরষ্কার(১৯৮১) নাসিরউদ্দীন স্বর্ণ পদক (১৯৮১) ভাসানী পুরষ্কার (১৯৮২) পদাবলী পুরষ্কার(১৯৮৪) স্বাধীনতা পুরষ্কারে(১৯৯২) ভূষিত হন। সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য ১৯৮২ সালে তিনি জাপানের মিতসুবিশি পুরষ্কার পান । ১৯৯৪ সালে কলকাতায় আনন্দ বাজার পত্রিকা তাঁকে আনন্দ পুরষ্কারে ভূষীত করে। ওই বছর তাঁকে সাম্মানিক ডিলিট উপাধীতে ভূষিত করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ১৭ই আগস্ট ২০০৬ ঢাকায় তার মৃত্যু হয় ।

08/08/2025

যারা রবীন্দ্রনাথের বিরোধিতা করেন তাদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথকে অত্যাচারী জমিদার হিসেবে চিত্রিত করার একটা সচেতন প্রয়াস সবসময় লক্ষ্যণীয়। অথচ তিনি ছিলেন ঠাকুর পরিবারের এজমালি সম্পত্তির একজন বেতনভুক্ত তত্ত্বাবধায়ক। জমিদারী তাঁর একার ছিল না। জমিদারী দেখভালের দায়িত্ব হিসেবে তাঁর মাসিক বেতন ছিল তিনশো টাকার মতো। শুধু অত্যাচারী জমিদার নয় ‘ইংরেজ বা ঔপনিবেশিক শক্তির দালাল’ এসব বলতেও কেউ কার্পণ্য করেন না। হ্যাঁ, ইংরেজদের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের যে সুসম্পর্ক ছিল না তা না। কিন্তু কোন ইংরেজের সঙ্গে? রবীন্দ্রনাথের বয়ানেই শোনা যাক। তিনি বলেছেন, ইংরেজ দুই প্রকার—
১. বৈজ্ঞানিক, দার্শনিক, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সমঝদার,
২. উপনিবেশবাদী।
রবীন্দ্রনাথ প্রথমোক্ত ইংরেজের অনুরাগী ছিলেন। সভ্যতা ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য বিনিময়ে তিনি বরাবরই উৎসাহী ছিলেন। তবে স্বকীয়তা বিসর্জন দিয়ে নয়। ঐতিহ্যচেতনা ও আত্মমর্যাদার প্রতি পূর্ণ সচেতন থেকে সুসম্পর্ক রেখেছেন। ১৯১৯-এ জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের পর যখন ভারতবর্ষের রাজনীতিবিদরা চুপ করে ছিলেন তিনি উপনিবেশবাদী ইংরেজের দেওয়া 'নাইটহুড' খেতাব ত্যাগ করে ইতিহাসে এই কুখ্যাত গণহত্যার প্রতিবাদ করেছেন মহাপরাক্রমশালী রাজমোহ ত‍্যাগ করেই।

যা হোক, সাধারণ মানসলোকে এটা প্রতিষ্ঠিত জমিদারদের কাজই ছিল প্রজাপীড়ন করে খাজনা আদায় করা। এক্ষেত্রে প্রজাদের সঙ্গে খুব দরদী হবার কোনো সুযোগ নেই। হলে জমিদারী হারিয়ে দেউলিয়া হওয়া ছাড়া উপায় নেই। ঠাকুর পরিবার অর্থাৎ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর যখন প্রথম পূর্ব বাংলায় জমিদারি কিনেন তখন অন্যান্য আট দশজন জমিদারদের মতোই কঠিন ও কঠোর ছিলেন বলে জানা যায়। যাদের কাজ ছিল কৃষক-দোহন। খাজনা আদায়ে কঠোর ও কঠিন হওয়া। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ জমিদার হিসেবে কঠোর বা নির্মম ছিলেন না এ কথা প্রমাণ সাপেক্ষ বলা যায়। কিন্তু কঠোর বা নির্মম ছিলেন না বলে যে উদার হয়ে সব কিছু বিলিয়ে ফতুর হয়ে গেছেন এমনও না। পিতা মহর্ষী দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আস্থা ও বিশ্বাস মতে সুচারুরূপে দায়িত্ব পালন করে উন্নতি করেছেন।

একই সঙ্গে ছিলেন একজন মানবিক জমিদার। একজন হৃদয়বান কবি, চিরকাল সুন্দরের পূজারী কখনো অত্যাচারী হতে পারেন না তাঁর প্রথম প্রমাণ দিলেন দায়িত্ব নেবার পর পূণ্যাহ অনুষ্ঠানে। ১৮৯১ সালে শিলাইদহে জমিদারির দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর পুণ্যাহ অনুষ্ঠানেই প্রথা ভেঙে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন। তিনি দেখলেন আগত প্রজা সাধারণের আসন বিন্যাসের মধ্যে চরম বৈষম্য। কেউ বসেছে শতরঞ্জিতে, কেউ ফরাসে, চেয়ারে, সাধারণ আসনে। বিশেষ করে দরিদ্র মুসলমান প্রজারা সাধারণ চটে। আমলাদের বললেন হিন্দু, মুসলমান, ব্রাহ্মণ, চন্ডাল— সবাইকে সমাসনে বসার ব্যবস্থা করতে। কিন্তু আমলারা বেঁকে বসল। কাছারির পুরনো রীতি। এ বদলাবার নয়। প্রথার দাসেরা নাকি একযোগে পদত্যাগের কথাও বললেন। রবীন্দ্রনাথ বুঝলেন সহজে কাজ হবে না। নিজ সিদ্ধান্তে অটল রইলেন। এবার নিজেই দাঁড়িয়ে প্রজাদের উদ্দেশ্যে বললনে, ‘এ রাজ দরবার নয়। মিলনানুষ্ঠান। প্রাচীন প্রথা বুঝি না, সবার একাসন করতে হবে। জমিদার হিসেবে এই আমার প্রথম হুকুম।’

নায়েব গোমাস্তা অর্থাৎ আজকের জমানার আমলাদের মুখে যেন ছাই পড়ল। সবাই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে দেখল এ নতুন জমিদারের আহ্বানে হিন্দু-মুসলমান সবাই অনুষ্ঠানস্থলের আসন-বিভেদ সরিয়ে ফেলছেন। যেন হুড়মুড় করে ভেঙে দিচ্ছেন দীর্ঘদিন ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা প্রাসাদোপদম শ্রেণিবিন্যাস। ছোট্ট উদাহরণ হলেও এটি ছিল তাঁর কালে দায়িত্ব নেবার পরপরই একটি বড় বার্তা। একই সঙ্গে ঘোষণা করলেন, ‘সাহাদের হাত থেকে শেখদের বাঁচাতে হবে। এটাই আমার সর্বপ্রধান কাজ।’ বলা বাহুল্য, সাহা বলতে ওই অঞ্চলে অত্যাচারী মহাজন যাদের সংখ্যাগরিষ্ঠই উচ্চবর্ণের হিন্দু এবং শেখ বলতে দরিদ্র মুদসলমান প্রজা সম্প্রদায়কে বুঝিয়েছেন। সেই মিলনানুষ্ঠানে তিনি আরও বললেন, ‘এই মিলন উৎসবে পরস্পরের ভেদ সৃষ্টি করে মধুর সম্পর্ক নষ্ট করে দেয়া চলবে না। প্রিয় প্রজারা, তোমরা সব পৃথক পৃথক আসন ব্যবস্থা সব সরিয়ে দিয়ে, একসঙ্গে বসো। আমিও তোমাদের সঙ্গে বসব। আমি তোমাদের লোক।’ কবি যে সাধারণ এবং নিজেকেও সর্বজনের ভাবতেন তাঁর এ বোধ ও বিশ্বাসের কথা বারবার তাঁর রচনায়ও জোর দিয়ে বলে গেছেন। বলে গেছেন তাঁর ‘পরিচয়’ কবিতায়ও,
"সেতারেতে বাঁধিলাম তার,
গাহিলাম আরবার—
মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক,
আমি তোমাদেরই লোক
আর কিছু নয়,
এই হোক শেষ পরিচয়।”

পুত্র রথীন্দ্রনাথকে রাশিয়া থেকে ৩১ অক্টোবর ১৯৩০ সালে এক চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন— “জমিদারির অবস্থা লিখেছিস। যে রকম দিন আসছে তাতে জমিদারির উপরে কোনওদিন আর ভরসা রাখা চলবে না। ও জিনিসটার উপর অনেককাল থেকেই আমার মনে মনে ধিক্কার ছিল, এবার সেটা আরও পাকা হয়েছে। যে সব কথা বহুকাল ভেবেছি এবার রাশিয়ায় তার চেহারা দেখে এলুম। তাই জমিদারি-ব‍্যবসায়ে আমার লজ্জাবোধ হয়।”
শুধু কবিতায় নয় আরও সুস্পষ্ট করে প্রমথ চৌধুরী রচিত ‘রায়তের কথা’ বইটি নিয়ে এক আলোচনায় লিখেছেন, “আমার জন্মগত পেশা জমিদারি, কিন্তু আমার স্বভাবগত পেশা আসমানধারী। এই কারণেই জমিদারের জমি আঁকড়ে থাকতে আমার অন্তরের প্রবৃত্তি নেই। এই জিনিসটির ’পরে আমার শ্রদ্ধার একান্ত অভাব। আমি জানি জমিদার জমির জোঁক; সে প্যারাসাইট, পরাশ্রিত জীব।” রবীন্দ্রনাথ সে বোধ থেকেই চেষ্টা করেছেন মানবিক ও প্রজা-বান্ধব জমিদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে। জোঁকের মতো গরীব চাষীদের শুধু রক্ত শুষে নিতে নয়। প্রতিদানে কিছু দিতে। তাঁর আন্তরিক চেষ্টার নানা নজিরও রয়েছে।

পদ্মা বোটে বসে পল্লীর রূপ আর সৌন্দর্য দেখে শুধু কবিতা আর গান লিখেন নি, পূর্ব বাংলার হতদরিদ্র কৃষকের জন্যেও তাঁর হৃদয় কাঁদত। চাইতেন এদের দুঃখ লাঘবে কিছু করতে। অর্থকরী কোনো বিদ্যাশিক্ষা নয়, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি নয়, ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং নয়, নিজের ছেলে রথীন্দ্রনাথকে পাঠিয়েছিলেন আমেরিকায় আধুনিক কৃষিবিদ্যার জ্ঞান লাভে। পাঠিয়েছিলেন জামাতাকেও। আমেরিকার ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পুত্রকে লেখা এক চিঠিতে বলছেন, “…মনে রেখো জমিদারের টাকা চাষির টাকা এবং চাষিরাই তোমাদের শিক্ষার ব্যয়ভার নিজেরা আধপেটা খেয়ে এবং না খেয়ে বহন করছে। এদের ঋণ সম্পূর্ণ শোধ করবার দায় তোমাদের উপর রইল। নিজেদের সাংসারিক উন্নতির চেয়েও এইটেই তোমাদের প্রথম কর্ত্তব্য হবে।”

রথীন্দ্রনাথ ফিরে এসে পতিসরে আধুনিক চাষবাস প্রচলনের চেষ্টা করেন। আধুনিক যান্ত্রিক চাষ পদ্ধতি প্রয়োগের চেষ্টা করেন। বিদেশী কলের লাঙল আনা হয়। সঙ্গে বিদেশী একজন প্রকৌশলীও। বলা বাহুল্য, সে সময় এসব ব্যাপার খুবই ব্যয়সাপেক্ষ ছিল। এভাবে অধিক ফলনশীল ফসল ফলাবার চেষ্টা করেন। কৃষির উন্নতির জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে কৃষি ল্যাবরেটরি পর্যন্ত স্থাপন করেন। আজকের বড়লোকের ছেলেমেয়েরা বিদেশে ডিগ্রি নিতে নিজেদের বৈষয়িক উন্নতি লাভের জন্য। সেখানে স্থায়ী আবাস গেড়ে বসার জন্য। সমাজের মঙ্গলের কথা, সমষ্টির কথা কদাচিৎ ভাবেন। সেখানে রবীন্দ্রনাথ সেই সময়ই পূর্ব বাংলার প্রান্তিক চাষির কথা, তাদের উন্নতির কথা ভেবেছেন।

১৯০৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেছেন সমবায় ব্যাংক। নোবেল পুরস্কারের জন্য যে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা পান তাঁর এক লক্ষ বারো হাজার টাকা পূর্ব বাংলায় নিজ জমিদারি পতিসরে সমবায় ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করেন। কৃষকরা এ টাকা দিয়ে নিজেদের ঋণ পরিশোধ করেন। কৃষির আর উন্নতি হয়নি। শতবর্ষ পেরিয়ে এখনও দেখা যায় কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে গরীব কৃষকরা যে ঋণ নেন তা কৃষির কাজে না লাগিয়ে অভাব লেগে থাকা সাংসারিক কাজেই ব্যয় করে ফেলেন। অথবা নিজের কোনো ধার দেনা শোধ করেন। রবীন্দ্রনাথকে সে ব্যাংক অকালেই বন্ধ করে বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতজনদের কাছ থেকে নেয়া বিস্তর ধার দেনা নিজেকে পরিশোধ করতে হয়।

“রাশিয়ার চিঠি” পড়েও রবীন্দ্রনাথের কৃষক সম্পর্কে আগ্রহ ও ভাবনা জানা যায়। দুনিয়া কাঁপানো রুশ বিপ্লবের ১৩ বছর পর ১৯৩০ সালে রবীন্দ্রনাথ রাশিয়া ভ্রমণে গেলেন। সেখানে কৃষকদের এক ক্লাব পরিদর্শনের সময় একজন কৃষক রবীন্দ্রনাথকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তুমি তো লেখক, তোমাদের চাষীদের কথা কি কিছু লিখেছ? ভবিষ্যতে তাদের গতি কী হবে? উত্তরে তিনি জানিয়েছিলেন, ‘শুধু লেখা কেন, তাদের জন্য আমি কাজ ফেঁদেছি। আমার একলার সাধ্যে যতটুকু সম্ভব তাই দিয়ে তাদের শিক্ষার কাজ চালাই, পল্লীর উন্নতিসাধনে তাদের সাহায্য করি।’ (রাশিয়ার চিঠি)

গল্প, উপন্যাস, নাটক, চিত্রকলার চর্চা, গান ও কবিতা রচনা করে কবি শুধু ‘জীবনের নিভৃত সুখ’-ই খুঁজে ফেরেন নি। এ-কবি ধ্যানী এবং কর্মী ছিলেন। কৃষক ও পল্লীর উন্নয়ন চেয়েছেন। তাদের জন্য শিক্ষা ও চিকিৎসা সুবিধার নিশ্চিত করারও চেষ্টা করেছেন। দাতব্য চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠা করে গরীব প্রজাদের সাহায্য করেছেন। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। নিজের নোবেল পুরস্কারের অর্থ গরীব কৃষকদের উন্নতির জন্য বিলিয়ে দিয়েছেন। চেষ্টা করেছেন নিয়তিতে বিশ্বাসী — সুলতানের আঁকা গ্রামীণ কৃষকদের সবল চিত্রকর্মের মতো— বাংলার কৃষকদের ভেতরের সুপ্ত শক্তিকে জাগ্রত করার। যে জমিদার অত্যাচারী সে কখনো তাঁর প্রজাদের সবল করতে চাইবে না। কেননা, চিরকাল দুর্বলকেই সবচেয়ে বেশি শোষণ আর নিপীড়ন করা যায়। রবীন্দ্রনাথ অত্যাচারী নয়, প্রজাবান্ধব জমিদার ছিলেন বলেই তাদের উন্নতি ও অগ্রগতিতে বিশ্বাসী করতেন। এখানেই একজন সংবেদনশীল কবি ও বাঙালির শ্রেষ্ঠ শিল্পী জমিদার হিসেবে তাঁর সময়ের দশ জন জমিদারের চেয়ে ব্যতিক্রম ও উজ্জ্বল। নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ে বাঙালির চরিত্র চেনা ভবিষ্যতদ্রষ্টা কবি নিজের জন‍্য লেখে যান,
লোকে আমায় নিন্দা করে/ নিন্দা সে নয় মিছে, / সকল নিন্দা মাথায় ধরে/ রব সবার নিচে/ শেষ হয়ে যে গেল বেলা, ভাঙলো বেচা-কেনার মেলা, ডাকতে যারা এসেছিল/ ফিরলো তারা রোষে/ প্রেমের হাতে ধরা দেব/ তাই রয়েছি বসে।”

#রবীন্দ্রনাথ #বাংলাদেশরাজনীতি

জুলাই মাসে কবির জন্মদিন ছিল। এই জন্মদিন স্বরনে আজকের লেখনি ।বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনা ও বাকভঙ্গিতে বিশেষভাবে সমৃ...
08/08/2025

জুলাই মাসে কবির জন্মদিন ছিল। এই জন্মদিন স্বরনে আজকের লেখনি ।বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনা ও বাকভঙ্গিতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন তিনি কবি আল মাহমুদ। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবিও তিনি। তার প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। একাধারে একজন কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক ও সাংবাদিক তিনি। ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই প্রবল বর্ষণের এক রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোড়াইল গ্রামের এক ব্যবসায়ী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ‘সোনালী কাবিনের’ এই কবি। তার পিতার নাম মীর আবদুর রব এবং মাতার নাম রওশন আরা মীর। বেড়ে উঠেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার সাধনা হাইস্কুল এবং পরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডু হাইস্কুলের পড়াশোনা করেন। মূলত এই সময় থেকেই তার লেখালেখির শুরু। বাংলা সাহিত্যে অনবদ্য অনন্য অপার বিরল সৃষ্টি কালজয়ী কাব্য ‘সোনালী কাবিনে’র স্রষ্টা বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গুরুত্বপূর্ণ প্রতিভাবান ও শক্তিমান কবি এবং এক প্রবাদতুল্য অনিবার্য কিংবদন্তি হিসেবে আল মাহমুদই পরিচিত। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি স্ত্রী সৈয়দা নাদিরা বেগম আর তাদের পাঁচ ছেলে ও তিন মেয়ে নিয়েই সংসার।

১৯৫৪ সালে সংবাদপত্রে লেখালেখির সূত্র ধরে কবি ঢাকা আসেন। তখন থেকেই তার কবিতা প্রকাশ পেতে থাকে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। ঢাকা আসেন এবং পত্রিকায় কাজ নেন, তখনই সাহিত্যে পুরোদমে মনযোগী হন। আজীবন আত্মপ্রত্যয়ী কবি ঢাকায় আসার পর কাব্যসাধনা করে একের পর এক সাফল্য লাভ করেন। ঢাকা থেকে প্রকাশিত সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত সমকাল পত্রিকা এবং কলকাতার নতুন সাহিত্য, চতুষ্কোণ, ময়ূখ ও কৃত্তিবাস ও বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত বিখ্যাত ‘কবিতা’ পত্রিকায় লেখালেখির সুবাদে ঢাকা-কলকাতার পাঠকদের কাছে তার নাম সুপরিচিত হয়ে ওঠে এবং তাকে নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত হয়। সমকালীন বাংলা সাপ্তাহিক পত্র-পত্রিকার মধ্যে কবি আব্দুর রশীদ ওয়াসেকপুরী সম্পাদিত ও নাজমুল হক প্রকাশিত সাপ্তাহিক কাফেলায় লেখালেখি শুরু করেন। পাশাপাশি দৈনিক মিল্লাত পত্রিকায় প্রুফ রিডার হিসেবে সাংবাদিকতা জগতে পদচারণা শুরু করেন। ১৯৫৫ সালে কবি আব্দুর রশীদ ওয়াসেকপুরী কাফেলার চাকরি ছেড়ে দিলে তিনি সেখানে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন।

১৯৬৩ সালে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘লোক লোকান্তর’ সর্বপ্রথম তাকে স্বনামধন্য কবিদের সারিতে জায়গা করে দেয়। এরপর ‘কালের কলস’, ‘সোনালী কাবিন’, ‘মায়াবী পর্দা দুলে উঠো’ কাব্যগ্রন্থগুলো তাকে প্রথম সারির কবি হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করে। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন, যুদ্ধের পরে দৈনিক ‘গণকণ্ঠ’ নামক পত্রিকায় সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। এই পত্রিকায় সামসুদ্দিন পেয়ারা, মরহুম আসফউদ দৌলা, ফজলুল বারী প্রমুখ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন। মূলত এই সময় তিনি গল্প লেখার দিকে মনোযোগী হন। তিনি স্বাধীনতা পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এক বছরের জন্য একবার জেল খাটেন। পরে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু তাকে শিল্পকলা একাডেমির গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের সহপরিচালক পদে নিয়োগ দেন। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর তিনি পরিচালক হন। পরিচালক হিসেবে ১৯৯৩ সালে অবসর নেন।

কবি আল মাহমুদ শুধু কবি হিসেবেই নয়, তিনি একাধারে একজন শক্তিমান গাল্পিক,ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, গবেষক, সাংবাদিক ও কলাম লেখক। সাহিত্যের অনেক শাখাতেই তার অবাধ বিচরণ। ১৯৭৫ সালে তার প্রথম ছোটগল্প গ্রন্থ ‘পানকৌড়ির রক্ত’ প্রকাশিত হয়। ১৯৯৩ সালে বের হয় তার প্রথম উপন্যাস ‘কবি ও কোলাহল’। তার সৃষ্টির পরিধি সাহিত্যের বিশাল এলাকা জুড়ে।

কিন্তু এত কিছু ছাড়িয়ে তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি একজন কবি এবং শুধুই কবি। বাংলা কবিতা যাদের হাত ধরে আধুনিকতায় পৌঁছেছে, কবি আল মাহমুদ তাদের অগ্রগণ্য। যেন ঐশ্বরিক মতা রয়েছে তার কলমের কালিতে। আল মাহমুদের কলম বাংলা সাহিত্যকে করেছে আরো উর্বর। সাহিত্যের সব শাখাতেই তার সমান পদচারণা। তার লেখনীর ব্যতিক্রম স্বাদের জন্য তিনি বারবার আলোচিত হয়েছেন। হয়েছেন অসংখ্যবার পুরস্কৃত। মাত্র দু’টি কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। তার মাঝে ছিল সাড়া জাগানো সাহিত্যকর্ম ‘সোনালী কাবিন’। কবি আল মাহমুদের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা। কবিতা, গল্প, উপন্যাসসহ শ’ খানেকের মতো। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে কবিতা : লোক লোকান্তর, কালের কলস, সোনালী কাবিন, মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো, প্রহরান্তরের পাশ ফেরা, আরব্য রজনীর রাজহাঁস, মিথ্যেবাদী রাখাল, আমি দূরগামী, বখতিয়ারের ঘোড়া, দ্বিতীয় ভাঙন, নদীর ভেতরে নদী, উড়াল কাব্য, বিরামপুরের যাত্রী, বারুদগন্ধী মানুষের দেশে, তুমি তৃষ্ণা তুমিই পিপাসার জল, অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না, ইত্যাদি। পানকৌড়ির রক্ত, সৌরভের কাছে পরাজিত, গন্ধবনিক, ময়ূরীর মুখ, নীল নাকফুল, কলংকিনী জ্যোতির্বলয়, গন্ধ বণিক, সৌরভের কাছে পরাজিত, আল মাহমুদের গালগল্প ইত্যাদি ছোট গল্পগ্রন্থ। উপন্যাস : কাবিলের বোন, উপমহাদেশ, চেহারার চতুরঙ্গ, নিশিন্দা নারী, ইত্যাদি। শিশুতোষ : পাখির কাছে ফুলের। প্রবন্ধ : কবির আত্মবিশ্বাস, কবির সৃজন বেদন, আল মাহমুদের প্রবন্ধ। ভ্রমণ : কবিতার জন্য বহুদূর, কবিতার জন্য সাত সমুদ্র। আত্মজীবনী- যেভাবে বেড়ে উঠি। আল মাহমুদ পুরো একটি জীবন কবিতার পথে কাটিয়ে এখন প্রায় গোধূলিলগ্নে। কবিজীবনের সঙ্গে দারুণভাবে মিশে আছে বাংলাদেশের বাঁক-বদলের ইতিহাস। স্বদেশের শক্তি বুকে নিয়ে, চোখে জাতির স্বপ্ন দিয়ে এখনো তিনি লিখে চলছেন সমান তালে। কবি হয়েও পাঠকের কাছে চমৎকার ভাষায় পৌঁছে দিয়েছেন গল্প, উপন্যাস। তার গল্প থেকে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে কলকাতায়।

বাংলা সাহিত্যে বিশেষ করে বাংলাকাব্যে অনবদ্য বহুমাত্রিকতার সৃজনশীলতার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য কবি আল মাহমুদ দেশের জাতীয় পদকসহ পেয়েছেন অনেক পুরস্কার। পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, জয়বাংলা পুরস্কার, হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার, ফররুখ স্মৃতি পুরস্কার, অলক্ত সাহিত্য পুরস্কার, জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি পুরস্কার, সুফী মোতাহের হোসেন সাহিত্য স্বর্ণপদক, ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার, নাসিরউদ্দীন স্বর্ণপদক, সমান্তরাল (ভারত) ভানুসিংহ সম্মাননা পদক, লেখিকা সঙ্ঘ পুরস্কার, হরফ সাহিত্য পুরস্কার, অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার, নতুন গতি পুরস্কার ইত্যাদি। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ শুক্রবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে তিনি ধানমন্ডির ইবনে সিনায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন৷

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু একজন কবি নন, তিনি আধুনিক বাঙালির রুচি, সংস্কৃতি ও মননের নির্মাতা। বাংলা সাহিত্যকে তিনি একক প্রতিভ...
06/08/2025

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু একজন কবি নন, তিনি আধুনিক বাঙালির রুচি, সংস্কৃতি ও মননের নির্মাতা। বাংলা সাহিত্যকে তিনি একক প্রতিভায় নিয়ে গেছেন বিশ্বসাহিত্যের মর্যাদার আসনে। তার লেখনীতে প্রকাশ পেয়েছে বাঙালির হৃদয়ের সূক্ষ্মতম অনুভব ও গভীরতম ভাবনার প্রতিচ্ছবি। কবিতা, সংগীত, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, এমনকি চিত্রকলাও—শিল্প-সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় রবিঠাকুরের প্রতিভা ছিল দীপ্তিমান।

জীবনের অন্তিম লগ্নে তিনি চিত্রকলার প্রতিও গভীর আগ্রহ দেখান। তার আঁকা চিত্রকর্ম ভারতীয় উপমহাদেশের শিল্পভাণ্ডারে নতুন মাত্রা যুক্ত করে। এমন এক বহুমুখী প্রতিভা, যার আলোয় বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি হয়ে উঠেছে উদ্ভাসিত, সময়কে অতিক্রম করে উঠেছে অনন্ততার দিকে।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৪তম প্রয়াণ দিবস। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে, বর্ষার প্রিয় ঋতুতেই তিনি পৃথিবীকে চিরবিদায় জানান। ৮০ বছর বয়সে শারীরিক মৃত্যুকে অতিক্রম করলেও, তার সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার রয়ে গেছে অনন্তপ্রজ্বলিত।

রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যের প্রথমদিককার অনেক কিছুরই রূপকার। তিনি ছোটগল্পের জনক, বাংলা গদ্যের আধুনিকায়নের পথিকৃৎ। তার রচনায় দর্শনের সঙ্গে মিশেছে সঙ্গীত ও কবিতার অপূর্ব সংমিশ্রণ। সাহিত্য, সঙ্গীত, দর্শন, নাটক ও চিত্রকলায় তিনি রেখে গেছেন এক গভীর সাংস্কৃতিক ছাপ, যা আজও বাঙালির মননে অবিচ্ছেদ্য।

আমাদের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা' তারই লেখা। এমনকি 'বাংলাদেশ' শব্দের বানানরূপও তার নির্ধারিত। বাঙালির যাপিত জীবনে তার কবিতা ও গান আজও অনিবার্য ও প্রাসঙ্গিক।

১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তিনি সমাজ সংস্কার ও দেশজ শিক্ষাব্যবস্থার বিকাশেও রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। শান্তিনিকেতন ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি শিক্ষাক্ষেত্রে প্রগতিশীল ভাবনার এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার!
04/08/2025

এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার!

Address

Dhaka University
Dhaka
DHAKA1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Literature Society of Mujib Hall, DU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share