05/10/2025
অপূর্ব পালের পুরো ঘটনায় দুর্বলতার পরিচয় দিয়েছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি। সকালে যখন এই ঘটনা ঘটে শিক্ষার্থীরা দায়িত্বের পরিচয় দিয়ে তাকে প্রক্টর অফিসে তুলে দেয়। তখন ইউনিভার্সিটি থেকে তাকে বের করে দেয়া হয়। অথচ ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ চাইলেই তখনি আইনে আশ্রয় নিতে পারতো।
উল্লেখ্য এই অপূর্ব আগেও ইউনিভার্সিটি থেকে সাসপেন্ডেড হয়েছে। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে ইউনিভার্সিটির ঘাটপাড় এলাকায় অন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি পেট্রোল ছুড়ে আগুন দেয়ার চেষ্টার অভিযোগও আছে।
তবে আমরা নর্থ সাউথের শিক্ষার্থীদের সাধুবাদ জানাই। তারা কোন উসকানীতে পা না দিয়ে, ক্যাম্পাসে কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ছাড়াই এই উগ্রবাসী অপূর্বকে আইনের হাতে তুলে দেয়ার জন্য ইউনিভার্সিটি অথোরিটির কাছে তুলে দেয়।
রাতে পরে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ যেয়ে পুলিশের সহায়তায় তাকে পুলিশের সপোর্দ করে। সেখানেও শিক্ষার্থীরা বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে।
আমরা পুলিশ প্রশাসনকে এই উগ্রবাদীর শাস্তির ব্যাপারে অনুরোধ জানিয়েছি। তবে অপূর্ব এর আগে একবার হিন্দু ধর্ম থেকে ইসলামে কনভার্ট হয়, তবে কে বা কারা তাকে ইসলাম বিদ্বেসী করেছে, তাকে বিভ্রান্ত করেছে সেটাও বের করা প্রয়োজন। প্রাথমিক ঘটনা যাচাইয়ে মনে হয়েছে অপুর্ব অনেকদিন ধরেই এমন আচরনগুলো করেছে। সে সবসময়ই উগ্রবাদী আচরন করে এসেছে, সে ধর্ম নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সবার সাথে ঝগড়া, তর্ক, বিভ্রান্তিকর কাজ, মসজিদে ঢুকে সিন ক্রিয়েট আবার কনভার্টেড মুসলিম হিসেবে অন্যদের সাথে মসজিদে নানা তর্ক বিতর্ক ইত্যাদি হিস্ট্রি আছে।
তার উগ্রবাদী আচরন যেমন নিন্দনীয় তেমনি এই ধরনে ক্যারেক্টার বিভিন্ন সংস্থার জন্য "এসেট"। যারা উসকানী দিচ্ছেন, তাদের উসকানীর ভাষায় পা দিয়ে অপূর্বর সাথে যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটত, এর ফলাফল নর্থ সাউথ ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর অন্যভাবে আসতো।
আমাদের সজাগ থাকতে হবে আইন কি ব্যবস্থা নিচ্ছে, সেখানে সঠিক আইন প্রয়োগ হচ্ছে কিনা।