ব্যাচ পনেরো - IUT Batch '15

ব্যাচ পনেরো - IUT Batch '15 This is the official page of IUT Batch '15.

26/01/2025

দেশ আর বিদেশের পার্থক্য আসলে বিদেশে আসল বুঝা যায়। আমাদের এখানে একটা প্লেনট আছে , নাম পট গাছ। আমরা এটার পাতা শুকায়ে খাই। দেশে থাকতে আমাদের ভারসিটিতে আমরা এরকম একটা পাতা খাইতাম, নাম সিদ্দি। যাই হোক, আমাদের ভারসিটিতে ফেয়ারেল নামে একটা অনুষ্ঠান হইতো, জানি না এখন হয় কিনা। সেই অনুষ্ঠানটা ভালোভাবে অরগানাইজ করার জন্য আমরা কিছু সিদ্দি গাছের পাতা আনছিলাম। রাখার জায়গা না পেয়ে আমাদের হলের সার্কিট বোর্ডে সেটা স্টোর করে রাখি। আমরা যেন পরে ভুলে না যাই তাই সার্কিট বোর্ডের উপরে সিদ্দি গাছের পাতার ছবি আট করা ছিল। কিন্তু কারটেলের দল সেদিন আমাদের ব্লকে এসে সেই সার্কিট বোর্ড খুলে আমাদের পাতাগুলা নিয়ে যায়। এই জন্যই বলি দেশটার আজকে এই অবস্থা। আরে ফকিরের জাত তোর পাতা লাগবে বলতি , আমি তোরে দিতাম, চুরি করলি কেন। শান্তিতে একটা জিনিস স্টক করে রাখা যায় না। বিদেশে আবার স্টক করা লাগে না, অর্ডার দিলেই সরকারি ভাবে ডেলিভারি দিয়া যায়।

মাহমুদুর রহমান
কানাডা প্রবাসী

 #রেজা_কথন_২ আমরা ইইই'১৫ দায়িত্ব নিয়ে বলতে চাই। আমাদের ব্যাচে প্রজেক্ট পারপাসে অন্তত ১৫ টার মত raspberry pi  রেজা খান সা...
30/11/2024

#রেজা_কথন_২

আমরা ইইই'১৫ দায়িত্ব নিয়ে বলতে চাই। আমাদের ব্যাচে প্রজেক্ট পারপাসে অন্তত ১৫ টার মত raspberry pi রেজা খান সাহেব আত্মসাত করেছেন। যদিও আমরা এখন সকলেই নিজ নিজ জীবন নিয়ে ব্যস্ত এবং অনেক আগের কথা হিসেবে সেটা ভুলেই গিয়েছিলাম। এখন যখন সবাই আবার কিছু ইস্যু তুলেছেন , তাই ভাবলাম ঘটনাটা শেয়ার করি।

খুব সম্ভবত তৃতীয় বর্ষের একটি কোর্স ছিল, প্রজেক্ট বেসড। এসাইন্ড শিক্ষক সেখানে রেজা খান সাহেব। অনেক পোস্ট হয়তো ইতিমধ্যে দেখেছেন তিনি কি স্বেচ্ছাচারিতা করেন প্রজেক্ট প্রপোজাল, সাবমিশন ইত্যাদি নিয়ে। সেগুলা তো ছিলই, এর সাথে ছিল একটা নতুন শর্ত- প্রজেক্ট হতে হবে raspberry pi based। নতুন একটা জিনিসে adapt করার কথা বাদই দিলাম, উনি অবশ্য কিছু প্রজেক্ট আইডিয়াও শেয়ার করেছিলেন। One of them was rasberry pi based bitcoin mining।বর্তমানে bitcoin এর দাম দেখে এখন নিজেদের উপর একটু মায়াই লাগে, ইশ যদি রেজা খান সাহেবের কথা শুনে প্রজেক্টটা implement করেই ফেলতাম। আজকে আমরা millionaire হতাম কিন্তু দাঁড়ান, হব কিভাবে? প্রজেক্ট শেষে যে raspberry pi গুলা রেজা খান সাহেব নিয়ে গেছেন। আমরা ভেবেছিলাম, হয়তো গ্রেডিং শেষে ফেরত দিবেন , বা এক সময় না এক সময় তো ফেরত দেবেনই। Guess what, its been 7 years and we are still waiting.

তখন একেকটা raspberry pi এর দাম হবে 7000, টাকা। সর্ব সাকুল্যে প্রায় এক লাখ টাকার মত, উনি আমাদের ব্যাচ থেকে আত্মসাত করেছেন। আমরা তো এই অর্থ দান করে দিয়েছি বলেই ধরে নিয়েছি। আমাদের দাবি থাকবে এই সমপরিমাণ অর্থ যেন উনিও কোথায় দান করে দেন। আমীন।

সংযোজন- আমাদের বন্ধু তার কষ্টের টাকায় কেনা raspberry pi রেজা খান সাহেবকে সদকা করতে অস্বীকৃতি জানানোয় তিনি আবার একটা নোটিশ ইস্যু করেন।

30/11/2024

#রেজা_কথন_১

এনার্জি হারভেস্ট ইউজিং বাইসাইকেল

চলুন শুনি রেজা খানের কিছু গল্প, যা প্রমাণ করে লোকটা কত বড় রকমের অযোগ্য একজন লোক।

আমাদের সাথে ওনার দুইটা প্রজেক্ট বেজড ল্যাব ছিল। ল্যাব এর নাম ভুলে গেছি। তো প্রথম ল্যাবে সে আমাদেরকে Raspberry Pi ইউজ করে প্রজেক্ট বানাতে বলে। পয়েন্ট টু বি নোটেড হিয়ার, ওই টাইম Raspberry Pi পাওয়া এত সহজ ছিল না। শুধু এটাই না, প্রজেক্ট শেষে সে আমাদের থেকে সব Raspberry Pi নিয়ে নেয়, যার দাম তখন চড়া। যাই হোক, সেটা সেপারেট ডিসকাশন। এই ডিসকাশন এর পার্ট না। তো, এই লেখার মেইন টার্গেট হল, অয় না বুঝে যে কি সব করত সেগুলা।

প্রথম ল্যাবে A পাওয়ার এক্সপ্লয়েটঃ আমরা যেই আইডিয়া ই শেয়ার করতাম, কোনোটাই তার মনপুতঃ হত না। এই সমস্যা, সেই সমস্যা, তার মন মত না হলে প্রজেক্ট ই শুরু করতে দিত না। টাইম চলে যায়, প্রজেক্ট করতে দেয় না। আরতো গাইডেন্স দূরে থাক। মনে হয় কোনো রিয়েলিটি শো এর জাজমেন্ট করতেছে। পরে সেমিস্টার যখন প্রায় শেষ, প্রজেক্ট এখন দিতেই হবে, আমরা গিটহাব থেকে একটা Raspberry Pi-compatible operating system for CCTV camera নামিয়ে কিছুটা সেটিংস টুইকিং করে তাকে প্রেজেন্ট করি। এখন ভাইভা তে তো অবশ্যই এক্সপ্লয়েট করব। তো আমরা বলি এই operating system ই আমাদের বানানো। এন্ড হি ডিড নট ইভেন ভেরিফাই। এবং A দিয়ে দেয়।

বাট এটা তো কেবল শুরু।

পরবর্তী ল্যাব প্রজেক্ট এ আমরা ভাবলাম যে ঠিক আছে, ওনার খাইসলত তো এমন, একটা নভেল প্রজেক্ট সিরিয়াসলি করি। তো আমরা এক্সাইটেড হয়ে একটা প্রজেক্ট প্রোপোস করিঃ 'to control a wheelchair using eye movements’ । প্রথম দুই ডিসকাশন সে বলে এটা অনেক ভালো, কর কর। কিন্তু কিভাবে করব, মেথডলজি, কিছুই জিজ্ঞেস করে না। হঠাৎ করে এই লোক সেমিস্টার শেষের ঠিক আগে, প্রোজেক্ট সাবমিসন এর কয়দিন আগে মিটিং-এ বলে। এটা আবার কেমন প্রজেক্ট। আমরা কি পাগল? চোখ দিয়ে কিভাবে কন্ট্রোল করে। আজব প্রজেক্ট ভাবতেছি।
একদম বুঝি নাই আমরা কয়েক দিন পরে সাবমিশন আর আজকে সে এটা বলতেছে এবং বলতেছে প্রজেক্ট চেঞ্জ কর। আর এত আজাইরা কথা বার্তা, মনে হয় এগুলো নিয়ে বিশ্বে আর কেউ কিছু করতেছে না। অশিক্ষিত কথা বার্তা পুরা।

এখন কিভাবে নিউ প্রজেক্ট করি কয়েকদিনে? আমরা পিভট করি। ফ্রেন্ডদের আস্ক করি, কে কি করতেছে। তো এক টিম বলল , তারা সাইকেল চালায়ে এনার্জি হারভেস্ট এর প্রজেক্ট করতেছে। তো আমদের কিছু একটা জমা দিতে হবে এজন্য আমরা মিশনে নেমে পড়ি। We copied another team’s project but did it in a DIY way. আমরা একটা বড় ব্যাটারি ‘শো’ হিসেবে জোগাড় করি। টিমমেট রা বাইসাইকেল ম্যানেজ দেই। এক ফ্রেন্ড এর পা ভাঙ্গার পর ব্যান্ডেজ করা ছিল, সে তা খুলে ফালায়ে দিছিল। দড়ি নাই, কি করব? ব্যান্ডেজ দিয়ে কোনোভাবে আমরা জিনিসপাতি সাইকেল এর সাথে লাগাই। দেন একটু এনার্জি হারভেসট হইছে দেখাইতে কিছু LED, AAA ব্যাটারি এর সাথে লাগিয়ে লাইট জালাই। এবং এটা সাবমিট করি।

আমরা এই প্রজেক্ট গিয়ার তুলে ‘প্রেজেন্ট’ করি। এবং আমরা আগের টিম এর থেকে শুনতে পাই যে কম্পিটিশন বা পেপার এর কথা বললেই বাজিমাত। তো গিয়ার উপড়ে তুলে রুমে ঢুকে বলে দেই IEEE থেকে ফান্ডিং পাচ্ছি। যেই লোক কয়েকটা দিন আগে, ওই আগের প্রজেক্ট ক্যান্সেল করে দেয়। সে এই ব্যান্ডেজ জড়ানো সাইকেল দেখে বলে মারভেলাস। এবং বলে রাখি, আমাদের প্রজেক্ট আর যেই ফ্রেন্ড রা পুরা সেমিস্টার খাটল, যাদের থেকে আইডিয়া নিলাম। আমরা সেম গ্রেড পাই।

এই হল এই লোকের, প্রহসনের ল্যাব এবং প্রহসনের ইভালুয়েশন। না জানে কিছু, না পারে কিছু, না দিতে পারে গাইডেন্স। শুধু পারে, পাওয়ার এর অসদ্ব্যবহার আর গুন্ডাগিরি করতে। ইটস হাই টাইম দিস ইডিয়ট গেটস ব্যানিশড।

29/11/2024

অনেকেই হয়তো মনে করছেন, এই 'সিন্ডিকেট' ২০১৮ সালের 'মুনাজ হটাও' আন্দোলনের পর থেকেই সবাইকে অমানবিক জুলুম করা শুরু করেছে। কিন্তু আজ আপনাদের ২০১৬ সালের একটি ঘটনা বলি—আমার নিজের জীবনের ঘটনা।

২ জানুয়ারি, ২০১৬:
আমি প্রথমবারের মতো একজন আইইউটিয়ান হিসেবে এই ক্যাম্পাসে পা রাখি। স্বাভাবিকভাবেই এটি ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তগুলোর একটি। তখনও আইইউটির নিয়ম-কানুন সম্পর্কে তেমন কিছুই জানতাম না।

৪ জানুয়ারি, ২০১৬:
আমার কলেজের কিছু আইইউটিয়ান বড় ভাই আমাকে এবং আমাদের কলেজ থেকে আসা অন্য কয়েকজন ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রকে বোর্ডবাজারে ডিনারের জন্য ডাকেন। যেহেতু তারা আমাদের নিজের কলেজের বড় ভাই, সেখানে কোনো প্রকার র‍্যাগিং হয়নি। কিন্তু ঘটনাটি আইইউটির সিন্ডিকেটের কিছু মানুষের কানে চলে যায়।

সেই রাতেই, রুমে ফেরার পর, সিন্ডিকেটের কয়েকজন এসে বলে পরদিন প্রোভোস্টের রুমে গিয়ে রিপোর্ট করতে।

৫ জানুয়ারি, ২০১৬:
সকালবেলা আমাকে প্রোভোস্টের রুমে ডাকা হলো। সেখানে আমাকে স্টেটমেন্ট দিতে বাধ্য করা হয়। আমাকে গালমন্দ করে, মানসিকভাবে টর্চার করা হয়, এবং যেসব সিনিয়র আমাদের আগের দিন ডেকেছিলেন, তাদের নাম জিজ্ঞেস করা হয়।

কিন্তু যেহেতু আমি মনে করি আমার সিনিয়ররা কোনো অন্যায় করেননি, আমি তাদের কারও নাম বলিনি।

এক সেশন মানসিক টর্চার করে তারা আমাকে সেদিন রাতেই আবার ডাকে। দ্বিতীয় সেশনে আমাকে বলা হয়, আমার স্টেটমেন্ট ভুল এবং তা সংশোধন করে সিনিয়রদের নাম লিখে দিতে হবে।

তবুও আমি তাদের নাম বলিনি। তখন আমাকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, আইইউটি আমার বিরুদ্ধে যা একশন নেবে, তা মেনে নিতে হবে। এরপর আমাকে অকথ্য ভাষায় অপমান করে প্রোভোস্ট রুম থেকে বের করে দেওয়া হয়।

কি হামিদ সাহেব, কিছু মনে পড়ছে?

১৯ জানুয়ারি, ২০১৬:
আমার রুমে এসে আমাকে একটি চিঠি ধরিয়ে দেওয়া হয়। তাতে লেখা ছিল, আমাকে এক বছরের জন্য হল থেকে রেস্ট্রিক্টেড করা হয়েছে এবং আমার এক বছরের এলাউন্স কেটে নেওয়া হবে (তারা সব মিলিয়ে ১৪ মাসের এলাউন্স কেটে নেয়)।

একজন ফার্স্ট ইয়ার ছাত্রের জীবন এভাবে ধ্বংস করে দেওয়ার মানে কী? আপনারা কি আইইউটিয়ান নন?

একজন জুনিয়র, যে তার সিনিয়রদের রক্ষা করার চেষ্টা করেছিল, তার সাথে এমন নিষ্ঠুর আচরণ করলেন? এটাই কি ব্রাদারহুডের শিক্ষা?

একটা ছেলের ক্যাম্পাস জীবন শুরু হওয়ার আগেই আপনারা তা শেষ করে দিলেন। ক্যাম্পাসে আমার নাম হয়ে গেলো 'হল আউট'।

আপনারা সবাই মজা করে হাসতে হাসতে বলতেন, "কেমন শিক্ষা দিলাম?"

সেই দিন থেকেই আপনারা আমার কাছে আর কোনোদিন আইইউটিয়ান হয়ে উঠতে পারেননি। আপনারা শুধু রয়ে গেছেন কিছু দয়া-মায়াহীন হায়েনার মতো।

আল্লাহ না করুন, কিন্তু আমার মায়ের সেই সময়ের কান্নার একটি চোখের পানিও যদি আল্লাহ আপনাদের গুনাহের খাতায় যোগ করেন, সেই বোঝা কি আপনারা নিতে পারবেন?

আজ আপনারা ক্ষমা চাইছেন? শিক্ষার্থীদের বলছেন যেন আপনাদের দয়া-মায়ার চোখে দেখে?

কীভাবে চান? লজ্জা করে না?

সময় পেলে একদিন বসে বসে ভাববেন, কী করেছিলেন সেই ছেলেটার সাথে।

Assalamualaikum.We begin with countless duas for the brave souls of Md. Mubtasim Rahman Mahin, Md. Jubair Alam Shakib, a...
27/11/2024

Assalamualaikum.

We begin with countless duas for the brave souls of Md. Mubtasim Rahman Mahin, Md. Jubair Alam Shakib, and Mir Mozammle Hossain Naim. We also extend our heartfelt prayers to their batchmates who witnessed the tragedy and to all current students of IUT, asking Allah (SWT) to grant them patience, strength, and healing during this difficult time.

Difficult times show us who is strong, who is weak, who is kind, and who is selfish. When our juniors were at their lowest, the IUT authority and a significant number of faculty members chose to once again reveal their cruel and selfish faces.

We have seen countless offhand comments, ignorant remarks, and overall a failure to properly respect the sacrifice of our brothers. Instead of protecting our beloved juniors from trauma, they mistreated them and had the audacity to place blame on them for the tragedy.

This sparked a rage that is now engulfing IUT like a wildfire. All recent and past mistreatments and systematic abuse towards the students are coming to the surface. We were an active figure in the protest against Dr. Munaz, driven by the promise of a better IUT—the promise that has never seen light.

Currently, the students are demanding justice and reform. Our beloved juniors, you guys are doing something we couldn’t. You make us proud. We believe you guys are 100% on the right track and rightfully deserve to reform what is wrong.

We are with you on this. You lead, and tell us how we can assist. Our doors are fully open.






Address

Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ব্যাচ পনেরো - IUT Batch '15 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share