Naogaon University-নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়

Naogaon University-নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় Official page of Naogaon University
(5)

প্রতিশ্রুতি রক্ষা: নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুশৃঙ্খল শিক্ষা কার্যক্রমের পথে আরেকটি মাইলফলকগত ১৮ জুলাই ২০২৬, নওগাঁ বিশ্ববিদ্...
29/10/2026

প্রতিশ্রুতি রক্ষা: নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুশৃঙ্খল শিক্ষা কার্যক্রমের পথে আরেকটি মাইলফলক

গত ১৮ জুলাই ২০২৬, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনী আয়োজনে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান ও সদস্যদের উপস্থিতিতে আমরা শিক্ষার্থীদের হাতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার তুলে দিয়েছিলাম। সেদিন শিক্ষার্থীদের কাছে আমাদের অঙ্গীকার ছিল, একাডেমিক ক্যালেন্ডারে ঘোষিত সময়সূচি যথাযথভাবে অনুসরণ করব এবং প্রতিটি একাডেমিক কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

আলহামদুলিল্লাহ, আমরা আমাদের সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পেরেছি। সেদিনের অঙ্গীকারের ধারাবাহিকতায় আগামী ১৫ নভেম্বর ২০২৬ থেকে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। একটি নবীন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। এর মধ্য দিয়ে আমাদের শিক্ষা কার্যক্রমে সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হতে যাচ্ছে।

আমরা বিশ্বাস করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য কেবল অবকাঠামো নির্মাণ কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক পরিচিতি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং নির্ধারিত সময়ে পাঠদান, নিয়মিত পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের যথাসময়ে শিক্ষাজীবনের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার মধ্যেই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত সক্ষমতা প্রতিফলিত হয়।

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের অঙ্গীকার কথায় নয়, কাজে; প্রতিশ্রুতিতে নয়, তার বাস্তবায়নে।

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাক মানসম্মত, সময়ানুগ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ উচ্চশিক্ষার পথে।

আলহামদুলিল্লাহ।

প্রফেসর ড. মোহাঃ হাছানাত আলী
উপাচার্য
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য বগুড়ার পুন্ড্র ইউভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি'র সিন্ডিকেট সদস্য মনোনীত হয়েছেন...
26/10/2026

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য বগুড়ার পুন্ড্র ইউভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি'র সিন্ডিকেট সদস্য মনোনীত হয়েছেন।

জাতীয় পাঠ্যক্রম সমন্বয় কমিটি'র (NCCC) সদস্য মনোনীত হয়েছেন নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাঃ হাছানাত আলী। জ...
24/10/2026

জাতীয় পাঠ্যক্রম সমন্বয় কমিটি'র (NCCC) সদস্য মনোনীত হয়েছেন নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাঃ হাছানাত আলী। জাতীয় পাঠ্যক্রম সমন্বয় কমিটি (NCCC)-এর সদস্য হিসেবে মনোনীত হওয়ায় তিনি বলেন যে, আমার জন্য এটা অত্যন্ত সম্মান ও গৌরবের বিষয়। এ মনোনয়ন আমার ওপর অর্পিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও আস্থার প্রতিফলন। আমি বিশ্বাস করি, সময়োপযোগী, মানসম্মত ও শিক্ষার্থীবান্ধব জাতীয় পাঠ্যক্রম প্রণয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার সুযোগ পাব। দেশ ও জাতির শিক্ষা উন্নয়নে আমার অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও নিষ্ঠা দিয়ে সর্বোচ্চ অবদান রাখার চেষ্টা করব।

আজ ১৯ এ অক্টোবর সন্ধ্যায় নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডঃ মোহাঃ হাছানাত আলী স্যারের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে ...
19/10/2026

আজ ১৯ এ অক্টোবর সন্ধ্যায় নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডঃ মোহাঃ হাছানাত আলী স্যারের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরার গেস্ট হাউসে আসেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ডঃ এ কে এম মতিনুর রহমান, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর তোজাম্মেল হোসেন, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর আবু জাফর খাঁন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য প্রফেসর ডঃ মনিরুজ্জামান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা। আরো উপস্থিত ছিলেন ইবি'র সাবেক ছাত্রনেতা ঝন্টু, আনিস,ইয়ারুল ও রোকন। তাঁরা হাছানাত স্যারের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

11/10/2026

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার: ভাষার সীমানা পেরিয়ে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ প্রাঙ্গণ থেকে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন নিয়ে ডানা মেলবে আমাদের তরুণ প্রজন্ম। জ্ঞান, ভাষা ও সম্ভাবনার এক নতুন সেতুবন্ধন সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার।

প্রাথমিকভাবে জাপানিজ, চাইনিজ ও কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার সুযোগ থাকবে; পর্যায়ক্রমে যুক্ত হবে আরও ভাষা। কারণ, ভাষা শুধু ভাব প্রকাশের মাধ্যম নয় এটি হলো, বিশ্বজ্ঞান, সংস্কৃতি ও সম্ভাবনার দ্বার। নতুন ভাষা মানে নতুন জানালা, নতুন দিগন্ত, নতুন পৃথিবী।

আমাদের লক্ষ্য শুধু সনদধারী গ্র্যাজুয়েট তৈরি নয়; আমরা গড়ে তুলতে চাই দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী, মানবিক ও বিশ্বমানের এক প্রজন্ম যারা শিকড়ে থাকবে দৃঢ়, আর স্বপ্নে হবে দিগন্তবিস্তৃত। এই উদ্যোগের আলো ছড়িয়ে পড়ুক নওগাঁর তরুণ-তরুণীদের মাঝেও।

আমাদের স্বপ্ন, নওগাঁ থেকে বিশ্বমঞ্চে তরুণদের গৌরবময় পদচারণা। আমাদের প্রত্যয়, ভাষার সীমানা পেরিয়ে জ্ঞানের অসীম আকাশে মুক্ত উড্ডয়ন।

ইনশাআল্লাহ, আজকের এই উদ্যোগ হবে আগামী দিনের অগণিত সম্ভাবনার দ্বার। সবার দোয়া, সহযোগিতা ও আন্তরিক সমর্থন কামনা করছি।

প্রফেসর ড. মোঃ হাছানাত আলী
উপাচার্য
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়

06/10/2026

দুই বছরে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়: শূন্য থেকে স্বপ্নের পথে

আজ থেকে ঠিক দুই বছর আগে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সেই দিনটির কথা মনে পড়লে আজও বুকের ভেতর এক অদ্ভুত অনুভূতি জেগে ওঠে। একদিকে ছিল দায়িত্বের বিশালতা, অন্যদিকে বাস্তবতার নির্মম শূন্যতা। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলাম, অথচ সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো শ্রেণিকক্ষ নেই, শিক্ষার্থী নেই, লাইব্রেরি নেই, কম্পিউটার ল্যাব নেই, অতিথিদের বসার জায়গা নেই—এমনকি একটি টেলিফোন কিংবা একটি ল্যাপটপও ছিল না। ছিল শুধু একটি নাম, একটি স্বপ্ন এবং সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার এক দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা। আমার বসার জন্য নির্ধারিত হয়েছিল মাত্র ৭০০ বর্গফুটের একটি ছোট্ট কক্ষ। অফিসের সরঞ্জাম বলতে ছিল দুটি কম্পিউটার ও একটি প্রিন্টার আর কয়েকটি টেবিল চেয়ার। চারপাশে তাকালে মনে হতো, এটি যেন কোনো পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় নয়; বরং কাগজে-কলমে জন্ম নেওয়া এক নবজাত স্বপ্ন, যে এখনো বাস্তবতার আলোয় চোখ মেলতে পারেনি। নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় তখন ছিল এক অদৃশ্য ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি—নকশায় ছিল, কাগজে ছিল, মানুষের প্রত্যাশায় ছিল; কিন্তু মাটির ওপর তার কোনো দৃশ্যমান অবয়ব ছিল না। ছিল না ইট-পাথরের স্থাপনা, ছিল না শ্রেণিকক্ষের কোলাহল, ছিল না শিক্ষার্থীদের পদচারণা। তবু আমি বিশ্বাস করতাম, প্রতিটি বড় প্রতিষ্ঠান একদিন না একদিন একটি ছোট্ট স্বপ্ন থেকেই জন্ম নেয়। আর সেই স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্বই তখন আমার কাঁধে এসে পড়েছিল। এর মধ্যেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই জানতে পারলাম, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার একটি উদ্যোগ রয়েছে। খবরটি ছিল উদ্বেগজনক, সময়টি ছিল কঠিন, পরিস্থিতি ছিল অনিশ্চিত। কিন্তু সেই মুহূর্তেই আমার ভেতরে একটি দৃঢ় সংকল্প জন্ম নিল—নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চালু করতেই হবে। যে স্বপ্ন নওগাঁর মানুষের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা, যে বিশ্ববিদ্যালয় এই অঞ্চলের তরুণদের ভবিষ্যতের আশ্রয় হতে পারে, তাকে কোনোভাবেই অঙ্কুরেই বিনষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।

যোগদানের পরপরই ঘোষণা দিয়েছিলাম, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকেই শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, আবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন—দপ্তরের পর দপ্তরে ছুটেছি, সভা করেছি, কথা বলেছি, যুক্তি দিয়েছি, অনুরোধ করেছি, অপেক্ষা করেছি। কখনো ফাইলের পেছনে, কখনো অনুমোদনের আশায়, কখনো একটি শ্রেণিকক্ষের সন্ধানে—দিনের পর দিন, রাতের পর রাত কেটে গেছে। তখন বুঝেছি, একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা শুধু ভবন নির্মাণের কাজ নয়; এটি আসলে মানুষের স্বপ্ন, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, নীতিনির্ধারণ, অর্থায়ন, পরিকল্পনা এবং অদম্য ধৈর্যের এক দীর্ঘ সমন্বিত যাত্রা। একটি শ্রেণিকক্ষের জন্যও কতটা সংগ্রাম করতে হয়, একটি অনুমোদনের পেছনে কত রাতের উৎকণ্ঠা লুকিয়ে থাকে, একটি সিদ্ধান্তের জন্য কত দরজায় কড়া নাড়তে হয়—সেই অভিজ্ঞতা তখন খুব কাছ থেকে পেয়েছি। আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। স্বপ্নের পথে কখনো কখনো সময় থেমে থাকে, দরজা বন্ধ থাকে, অপেক্ষা দীর্ঘ হয়। আমাদেরও অপেক্ষা করতে হয়েছে আরও একটি বছর। সেই অপেক্ষা ছিল কষ্টের, কিন্তু পরাজয়ের নয়। কারণ আমরা জানতাম, বিলম্ব মানেই সমাপ্তি নয়; কখনো কখনো বিলম্বই বড় সূচনার প্রস্তুতি।

অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।
২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চালুর অনুমোদন মিলল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকারের আমলে ১৮ জুলাই ২০২৬ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো শিক্ষা কার্যক্রম। সেই দিনটি শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের দিন ছিল না; সেটি ছিল নওগাঁর মানুষের বহুদিনের স্বপ্নের প্রথম প্রকাশ্য সকাল। মনে হয়েছিল, দীর্ঘ অন্ধকারের পর কোনো এক ভোরে সূর্য উঠেছে—নরম আলোয়, আশ্বাসে, সম্ভাবনায়।
যে বিশ্ববিদ্যালয়ে একসময় একটি শ্রেণিকক্ষও ছিল না, সেখানে আজ রয়েছে আধুনিক শ্রেণিকক্ষ। প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ক্লাসরুম, আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, স্মার্ট বোর্ড, মাল্টিমিডিয়া সুবিধা, রিডিং রুম, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, পর্যাপ্ত বই এবং পুরো ক্যাম্পাসে ওয়াই-ফাই সুবিধা—সব মিলিয়ে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় আজ নতুন সাজে সেজেছে। একসময় যেখানে নীরবতা ছাড়া কিছুই ছিল না, সেখানে আজ শ্রেণিকক্ষে জ্ঞানের আলো জ্বলে। একসময় যেখানে খালি দেয়াল ভবিষ্যতের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল, সেখানে আজ শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় প্রশ্ন, স্বপ্ন ও সম্ভাবনার ভাষা। একসময় যে প্রাঙ্গণ ছিল নিঃসঙ্গ, আজ সেখানে তরুণ পদচারণার শব্দ; একসময় যে ভবন ছিল কেবল কাঠামো, আজ সেখানে প্রাণের স্পন্দন।
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে নতুন দুটি বিভাগে নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে আমরা একাডেমিক ভবন-২-কে সুসজ্জিত করেছি। নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মেধাবী, যোগ্য ও উদ্যমী শিক্ষক। ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে একাডেমিক পরিবেশ, তৈরি হচ্ছে জ্ঞানচর্চার আবহ, জন্ম নিচ্ছে নতুন প্রত্যাশা। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই আরও দুটি নতুন বিষয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি নতুন বিষয় যেন ভবিষ্যতের দিকে খোলা একটি নতুন জানালা—যেখান দিয়ে শিক্ষার্থীরা দেখতে পাবে আরও বিস্তৃত পৃথিবী, আরও বড় সম্ভাবনা।

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।
তবে এই পরিবর্তন শুধু ভবন, যন্ত্রপাতি কিংবা অবকাঠামোর পরিবর্তন নয়। এটি একটি মানসিকতার পরিবর্তন, একটি অঞ্চলের আত্মবিশ্বাসের পরিবর্তন, একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ভাবনার পরিবর্তন। নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় আজ শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়; এটি নওগাঁর মানুষের আশা, আকাঙ্ক্ষা ও আত্মমর্যাদার প্রতীক হয়ে উঠছে। যে বিশ্ববিদ্যালয়কে একসময় বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, সেই বিশ্ববিদ্যালয় আজ তার অস্তিত্ব ও সম্ভাবনার জানান দিতে সক্ষম হয়েছে। এর পেছনে রয়েছে নওগাঁর মানুষের অকুণ্ঠ ভালোবাসা ও সহযোগিতা, সরকারের সহযোগিতা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সমর্থন। তাঁদের প্রত্যেকের অবদান এই পথচলার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। কোনো স্বপ্ন একা পূর্ণতা পায় না; মানুষের সম্মিলিত বিশ্বাস, সহযোগিতা ও ভালোবাসাই তাকে বাস্তবের মাটিতে দাঁড় করায়। তবে আমরা এখানেই থেমে থাকতে চাই না। কারণ একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা যেমন বড় কাজ, তাকে মানসম্মত ও বিশ্বমানের করে তোলা তার চেয়েও বড় দায়িত্ব। আমরা ধীরে ধীরে, পরিকল্পিতভাবে এবং দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে চাই। আমাদের লক্ষ্য শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা নয়; একটি মানসম্মত, আধুনিক, গবেষণামুখী, কর্মমুখী ও মানবিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়কে গড়ে তোলা। আমরা এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় চাই, যেখানে শিক্ষার্থীরা শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য পড়বে না; তারা শিখবে প্রশ্ন করতে, ভাবতে, অনুসন্ধান করতে, সত্যকে খুঁজে নিতে এবং সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হতে। আমরা এমন একটি শিক্ষাঙ্গন গড়ে তুলতে চাই, যেখানে জ্ঞান হবে মুক্তির পথ, গবেষণা হবে অগ্রগতির হাতিয়ার, প্রযুক্তি হবে সম্ভাবনার সেতু এবং মানবিক মূল্যবোধ হবে প্রতিটি অর্জনের ভিত্তি।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে হবে। কর্মবাজারের দ্রুত পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার যুগে আমাদের শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ দিলেই চলবে না; তাদের দিতে হবে দক্ষতা, সৃজনশীলতা, অভিযোজনক্ষমতা ও নেতৃত্বের শক্তি। জ্ঞান, দক্ষতা, প্রযুক্তি, গবেষণা ও মানবিক মূল্যবোধ—এই সমন্বয়ের মধ্য দিয়েই আমরা ভবিষ্যতের নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করতে চাই। এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয়, যার শিক্ষার্থীরা শুধু চাকরি খুঁজবে না; তারা নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, নতুন চিন্তার জন্ম দেবে, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে নেতৃত্ব দেবে। বর্তমান সরকারের ঘোষিত নীতির সঙ্গে সমন্বয় করে একটি আন্তর্জাতিক ভাষা কেন্দ্র (International Language Centre) চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভাষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; ভাষা জ্ঞান অর্জনের দরজা, সংস্কৃতির সেতু এবং বিশ্বের সঙ্গে সংযোগের অন্যতম প্রধান পথ। আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্বের জ্ঞানভাণ্ডারে অবাধে প্রবেশ করতে পারে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে, নিজেদের চিন্তা ও সৃষ্টিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরতে পারে—এই লক্ষ্যেই আন্তর্জাতিক ভাষা কেন্দ্রের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বের উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কোলাবরেশনের উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা চাই, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা শুধু দেশের জন্য নয়, বিশ্বের জন্যও উন্মুক্ত থাকুক। জ্ঞান কোনো সীমানা মানে না; গবেষণার কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। সহযোগিতা, বিনিময় ও সম্মিলিত জ্ঞানচর্চার মধ্য দিয়েই একটি বিশ্ববিদ্যালয় সত্যিকার অর্থে বিশ্বমানের হয়ে ওঠে। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে আমরা মেধা ও যোগ্যতাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। কোনো ধরনের আপস না করে একটি যোগ্য, দক্ষ ও নিবেদিত একাডেমিক টিম গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন যতই সুন্দর হোক, তার প্রকৃত সৌন্দর্য ও শক্তি নিহিত থাকে তার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার মধ্যে। একজন শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না; তিনি স্বপ্ন দেখান, প্রশ্ন জাগান, পথ দেখান। একজন ভালো শিক্ষক কখনো কখনো একটি জীবনের গতিপথ বদলে দিতে পারেন। তাই নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষক যেন শিক্ষার্থীদের কাছে জ্ঞানের পাশাপাশি প্রেরণা, নৈতিকতা ও মানবিকতারও আলোকবর্তিকা হয়ে উঠতে পারেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

সময় হিসেবে দুই বছর খুব বেশি নয়। ইতিহাসের বিচারে দুই বছর হয়তো একটি ক্ষুদ্র সময়কাল। কিন্তু একটি শূন্য প্রতিষ্ঠানকে দাঁড় করানোর ক্ষেত্রে এই দুই বছর কখনোই ছোট নয়। এই দুই বছরে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জনের পাল্লা একেবারে ছোটও নয়। এই দুই বছরে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য হাজার মাইল ছুটেছি। কখনো দপ্তরের পর দপ্তরে, কখনো সভা-সেমিনারে, কখনো নীতিনির্ধারকদের দ্বারে, কখনো গভীর রাত পর্যন্ত নথিপত্রের ভেতর—একটি স্বপ্নকে বাস্তবের মাটিতে দাঁড় করানোর জন্য নিরন্তর ছুটে চলেছি। কখনো মনে হয়েছে পথ শেষ হচ্ছে না, কখনো মনে হয়েছে দরজা খুলছে না, কখনো মনে হয়েছে অপেক্ষারও যেন কোনো শেষ নেই। তবু থামিনি।
পথের ক্লান্তি ছিল, অনিশ্চয়তা ছিল, ছিল নানা প্রতিকূলতা; কিন্তু স্বপ্নের কাছে ক্লান্তি কখনো পরাজিত হতে পারে না। যে স্বপ্ন মানুষের, যে স্বপ্ন একটি অঞ্চলের, যে স্বপ্ন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের—তার জন্য পথ যত দীর্ঘই হোক, পা থেমে থাকতে পারে না। কত মানুষ কত টিটকারি করেছেন, আড়ালে-আবডালে কত তুচ্ছতাচ্ছিল্য সহ্য করতে হয়েছে—শুধু নামসর্বস্ব একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হওয়ার কারণে। কেউ হয়তো ভেবেছেন, এটি কেবল কাগজে থাকা একটি প্রতিষ্ঠান; কেউ হয়তো এর ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। কেউ হয়তো মনে করেছেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো বাস্তব সম্ভাবনা নেই। সেই কথাগুলো কখনো কষ্ট দিয়েছে, কখনো আহত করেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেগুলোই আমাদের আরও দৃঢ় করেছে। কারণ সময়ই শেষ পর্যন্ত সব প্রশ্নের উত্তর দেয়। সময় কখনো তর্ক করে না, সময় শুধু সত্যকে প্রকাশ করে। আজ সেই সময় আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে—স্বপ্নকে অবহেলা করা যায়, কিন্তু স্বপ্নকে থামিয়ে রাখা যায় না।

আজ যখন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের দেখি, শ্রেণিকক্ষে তাদের প্রাণচাঞ্চল্য অনুভব করি, লাইব্রেরিতে নীরবে বই পড়তে দেখি, তখন নিজেকে সত্যিই সফল মনে হয়। মনে হয়, আমাদের দীর্ঘ পথচলা বৃথা যায়নি। মনে হয়, সেই ছোট্ট কক্ষের নিঃসঙ্গতা, সেই সীমিত সরঞ্জাম, সেই অনিশ্চিত দিনগুলো—সবকিছুরই যেন আজ অর্থ খুঁজে পাওয়া গেছে। যে স্বপ্ন একদিন কাগজে আঁকা ছিল, আজ তা শিক্ষার্থীদের চোখে আলো হয়ে জ্বলছে। যে বিশ্ববিদ্যালয় একসময় ছিল নিঃসঙ্গ ও নীরব, আজ সেখানে জ্ঞান, স্বপ্ন ও সম্ভাবনার পদচারণা। শ্রেণিকক্ষের প্রতিটি প্রশ্নে, লাইব্রেরির প্রতিটি উল্টানো পাতায়, করিডোরে প্রতিটি পদক্ষেপে আমি ভবিষ্যতের বাংলাদেশের স্পন্দন শুনতে পাই। আজ বুক ফুলিয়ে বলতে ইচ্ছে করে—আমরা কাগজের বিশ্ববিদ্যালয়কে বাস্তবে রূপান্তর করেছি। আজ নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিচিতি আছে। আজ তার নিজস্ব শ্রেণিকক্ষ আছে, নিজস্ব লাইব্রেরি আছে, নিজস্ব শিক্ষার্থী আছে, নিজস্ব একাডেমিক স্পন্দন আছে। আধুনিকতার ছোঁয়া আজ নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি প্রাঙ্গণে স্পষ্ট।
তবে এই অর্জন কোনো শেষ গন্তব্য নয়; এটি কেবল যাত্রার প্রথম দৃশ্যমান মাইলফলক। শূন্য থেকে শুরু করে আজ আমরা একটি দৃশ্যমান অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছি। পথ এখনো অনেক দীর্ঘ। সামনে আরও অনেক কাজ, আরও অনেক চ্যালেঞ্জ, আরও অনেক স্বপ্ন আমাদের অপেক্ষায় আছে। আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে, স্বপ্ন আছে এবং এগিয়ে যাওয়ার অদম্য প্রত্যয় আছে। আমরা জানি, একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে সত্যিকার অর্থে প্রতিষ্ঠিত করতে সময় লাগে, শ্রম লাগে, ত্যাগ লাগে, ধৈর্য লাগে। কিন্তু আমরা এটাও জানি, যে স্বপ্নের সঙ্গে মানুষের ভালোবাসা যুক্ত থাকে, যে স্বপ্নের সঙ্গে একটি অঞ্চলের ভবিষ্যৎ জড়িয়ে থাকে, সেই স্বপ্ন একদিন না একদিন পূর্ণতা পায়।

আমরা থেমে থাকব না।
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, মানসম্মত ও বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার যে যাত্রা শুরু হয়েছে, তা অব্যাহত থাকবে। প্রতিটি শ্রেণিকক্ষ হবে জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র, প্রতিটি গবেষণাগার হবে নতুন সম্ভাবনার জন্মভূমি, প্রতিটি শিক্ষার্থী হবে ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা।
একদিন যে বিশ্ববিদ্যালয়কে বন্ধ করে দেওয়ার কথা উঠেছিল, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ই একদিন নওগাঁর মানুষের স্বপ্ন, গর্ব ও সম্ভাবনার অন্যতম প্রধান ঠিকানা হয়ে উঠবে—ইনশাআল্লাহ। সেদিন নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উচ্চারিত হবে শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের নাম হিসেবে নয়; উচ্চারিত হবে একটি অঞ্চলের জাগরণ, একটি প্রজন্মের উত্থান এবং একটি স্বপ্নের সফল পরিণতি হিসেবে।
আজ থেকে দু'বছর আগে শূন্য থেকে শুরু হয়েছিল পথচলা। ছিল না শ্রেণিকক্ষ, ছিল না শিক্ষার্থী, ছিল না লাইব্রেরি, ছিল না অবকাঠামো। ছিল শুধু বিশ্বাস—একদিন সব হবে। ছিল শুধু সাহস—একদিন এই নীরব প্রাঙ্গণে জ্ঞানের কোলাহল উঠবে। ছিল শুধু স্বপ্ন—একদিন নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় তার নিজস্ব আলোয় আলোকিত হবে।
আজ সেই পথের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি—স্বপ্ন শুধু দেখা নয়, স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া যায়। অন্ধকার যত গভীরই হোক, একটি প্রদীপই আলো জ্বালাতে পারে। পথ যত দীর্ঘই হোক, একটি পদক্ষেপই যাত্রার সূচনা করে। আর বিশ্বাস যত দৃঢ়ই হোক, একদিন তা বাস্তবতার দরজায় কড়া নাড়বেই। নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অগ্রযাত্রায় যাঁরা পাশে ছিলেন, সহযোগিতা করেছেন, সাহস জুগিয়েছেন, আশ্বাস দিয়েছেন, সমালোচনা করেছেন, পথ দেখিয়েছেন—সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আপনাদের ভালোবাসা, আস্থা ও সহযোগিতা ছাড়া এই পথচলা কখনোই এতদূর আসতে পারত না।
এই বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁর মানুষের। এই বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের। এই বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের জ্ঞানভিত্তিক অগ্রযাত্রার একটি নতুন অধ্যায়।

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে।
নওগাঁ এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

প্রফেসর ড. মোহাঃ হাছানাত আলী
উপাচার্য
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়

https://www.facebook.com/share/p/1HNnTHmRUK/
06/10/2026

https://www.facebook.com/share/p/1HNnTHmRUK/

আজ থেকে ঠিক দুই বছর আগে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সেই দিনটির কথা মনে পড়লে আজও বুক...

https://www.facebook.com/share/1E3z3z4KWf/
05/10/2026

https://www.facebook.com/share/1E3z3z4KWf/

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হলেন নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাঃ হাছানাত আলী ।

https://www.facebook.com/share/1BHg6SqX98/
04/10/2026

https://www.facebook.com/share/1BHg6SqX98/

শিক্ষকের মর্যাদা সমুন্নত না হলে শিক্ষক দিবসের সার্থকতা কোথায়?

শিক্ষক শুধু একটি পেশার নাম নয়; শিক্ষক একটি জাতির বিবেক, জ্ঞান ও মানবিকতার নির্মাতা। একটি শিশু যখন প্রথম বিদ্যালয়ে যায়, তখন তার হাতে শুধু বই-খাতা তুলে দেওয়া হয় না, তার সামনে খুলে দেওয়া হয় একটি নতুন পৃথিবীর দরজা। সেই দরজা দিয়ে তাকে জ্ঞানের আলোয়, নৈতিকতায়, মানবিকতায় এবং স্বপ্নের পথে এগিয়ে নিয়ে যান একজন শিক্ষক। তাই শিক্ষককে সম্মান করা মানে কেবল একজন ব্যক্তিকে সম্মান করা নয়; বরং জ্ঞান, শিক্ষা, সভ্যতা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সম্মান করা। প্রাচীনকাল থেকে আজ পর্যন্ত মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রায় শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। সক্রেটিস, প্লেটো, এরিস্টটল থেকে শুরু করে উপমহাদেশের আচার্য, মাওলানা, পণ্ডিত, শিক্ষক প্রত্যেক যুগেই জ্ঞান বিতরণকারী মানুষ সমাজে বিশেষ মর্যাদা পেয়েছেন। আমাদের সংস্কৃতিতেও শিক্ষক ছিলেন অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি। ‘গুরু’ শব্দটির মধ্যেই ছিল শ্রদ্ধা, আস্থা ও আলোকিত করার প্রতিশ্রুতি। শিক্ষক ছিলেন কেবল পাঠদানকারী নন; তিনি ছিলেন শিষ্যের চরিত্র গঠনের পথপ্রদর্শক, নৈতিকতার শিক্ষক এবং জীবনের দিশারি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সমাজ ও রাষ্ট্রের কাঠামো বদলেছে। শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারিত হয়েছে, শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে, প্রযুক্তি এসেছে, জ্ঞান-বিজ্ঞানের পরিধি অভাবনীয়ভাবে বিস্তৃত হয়েছে। অথচ প্রশ্ন থেকে যায় এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষকের সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা কি যথাযথভাবে বেড়েছে? শিক্ষক দিবস আমাদের সেই প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়। একটি নির্দিষ্ট দিনে ফুল, শুভেচ্ছা, আলোচনা সভা, স্মারক, সম্মাননা কিংবা পদক প্রদানের মধ্য দিয়ে শিক্ষককে স্মরণ করা অবশ্যই ভালো উদ্যোগ। কিন্তু শিক্ষক দিবসের প্রকৃত সার্থকতা সেখানে নয়। একজন শিক্ষককে বছরের ৩৬৫ দিন কীভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে, তার পেশাগত নিরাপত্তা কতটুকু, তার সামাজিক মর্যাদা কেমন, তার বেতন-ভাতা তার দায়িত্বের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে মেধা ও যোগ্যতার মূল্য কতটুকু এবং অবসরের পর তার জীবন কতটা নিরাপদ এসব প্রশ্নের উত্তরেই আসলে শিক্ষক দিবসের সার্থকতা নিহিত। আমাদের মনে রাখতে হবে, শিক্ষকতার মান উন্নত না করে শিক্ষার মান উন্নত করা সম্ভব নয়। আর শিক্ষকতার মান উন্নত করতে হলে শিক্ষককে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে আসতে হবে। যে সমাজে মেধাবী তরুণরা শিক্ষকতাকে জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পেশা হিসেবে বেছে নিতে আগ্রহী হবে, সেই সমাজেই একটি শক্তিশালী জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে উঠবে। বিশ্বের অনেক দেশেই শিক্ষকতা একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে বিবেচিত। কোথাও শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কঠোর প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে, কোথাও শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো, পেশাগত উন্নয়ন ও পদোন্নতির সুস্পষ্ট পথ রয়েছে। উন্নত দেশগুলোতে শিক্ষককে শুধু ক্লাস নেওয়ার মানুষ হিসেবে দেখা হয় না; তাকে রাষ্ট্রের মানবসম্পদ উন্নয়নের অন্যতম প্রধান কারিগর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আমাদেরও এই উপলব্ধিকে রাষ্ট্রীয় নীতির কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে।
শিক্ষকদের জন্য একটি পৃথক ও মর্যাদাপূর্ণ বেতন কাঠামোর বিষয়টি তাই নতুন করে ভাবা প্রয়োজন। শিক্ষকতার দায়িত্ব কেবল কর্মঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। একজন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেন, শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন করেন, পাঠ প্রস্তুত করেন, গবেষণা করেন, সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত থাকেন, শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ও মানসিক বিকাশে ভূমিকা রাখেন এবং অনেক সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরেও শিক্ষার্থীদের জন্য অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেন। বিশেষ করে একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক একটি শিশুর শিক্ষাজীবনের ভিত্তি নির্মাণ করেন। সেই দায়িত্বের গুরুত্ব কোনোভাবেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই।

প্রাথমিক শিক্ষার শিক্ষকই একটি শিশুর জীবনের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষক। তিনি শিশুকে শুধু বর্ণমালা, সংখ্যা কিংবা পাঠ্যবই শেখান না; তিনি তাকে বিদ্যালয়মুখী করেন, শৃঙ্খলা শেখান, সহমর্মিতা শেখান, প্রশ্ন করতে শেখান, স্বপ্ন দেখতে শেখান। একটি শিশুর পরবর্তী শিক্ষাজীবনের ভিত কতটা শক্ত হবে, তার একটি বড় অংশ নির্ভর করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের ওপর। তাই শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত প্রাথমিক শিক্ষায়। মেধাবী, যোগ্য, সৃজনশীল ও মানবিক তরুণদের প্রাথমিক শিক্ষকতায় আকৃষ্ট করতে হলে এই পেশার সামাজিক ও আর্থিক মর্যাদা বাড়াতে হবে। একজন ভালো শিক্ষক তৈরি করতে যে বিনিয়োগ করা হয়, তার সুফল একটি প্রজন্ম ধরে পাওয়া যায়।বিপরীতে, অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগের ক্ষতি একটি প্রজন্মকে বহন করতে হয়।
এ কারণে শিক্ষক নিয়োগে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিবেচনা, ব্যক্তিগত সুপারিশ, গোষ্ঠীগত প্রভাব কিংবা অন্য কোনো অনৈতিক প্রভাবের সুযোগ থাকা উচিত নয়। শিক্ষক হবেন মেধা, যোগ্যতা, সততা, দক্ষতা ও মানবিকতার ভিত্তিতে নির্বাচিত। যে ব্যক্তি নিজেই মেধা ও যোগ্যতার কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষকতায় প্রবেশ করবেন, তিনিই শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতার মূল্য শেখাতে পারবেন।
একইভাবে পদোন্নতিও হতে হবে স্বচ্ছ, নিয়মভিত্তিক ও যোগ্যতার আলোকে। শুধু চাকরির বয়স কিংবা আনুষ্ঠানিক জ্যেষ্ঠতা নয় বরং শিক্ষাদানের মান, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা, প্রশিক্ষণ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ, শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইতিবাচক অবদানের মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। পদোন্নতি যদি যোগ্যতার স্বীকৃতি না হয়ে অন্য কোনো প্রভাবের ফল হয়, তাহলে শিক্ষক সমাজে হতাশা তৈরি হয় এবং শিক্ষাব্যবস্থায় তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। শিক্ষকের স্বাধীনতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষককে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, তার পেশাগত পরিচয়ের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করতে হবে।

একজন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে কতটা ন্যায়নিষ্ঠ, জ্ঞানসমৃদ্ধ, মানবিক ও দায়িত্বশীল, সেটিই হওয়া উচিত তার মূল্যায়নের প্রধান মানদণ্ড। শিক্ষাঙ্গনকে জ্ঞান ও যুক্তিনির্ভর পরিবেশে পরিণত করার দায়িত্ব রাষ্ট্র, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সবার। শিক্ষকের সামাজিক মর্যাদার বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একসময় গ্রামবাংলায় একজন শিক্ষক ছিলেন সমাজের অন্যতম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। কোনো সামাজিক বিষয়ে তার মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হতো, মানুষ তার কাছে পরামর্শ নিতে যেত। সেই সামাজিক আস্থার জায়গাটি পুনরুদ্ধার করা প্রয়োজন। শিক্ষককে সম্মান শুধু মুখের কথায় নয়; তার মতামত, অভিজ্ঞতা ও পেশাগত জ্ঞানকে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে।
আজকের পৃথিবীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, অটোমেশন ও ডিজিটাল প্রযুক্তি শিক্ষাব্যবস্থার সামনে নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। কেউ কেউ হয়তো ভাবছেন, প্রযুক্তি একদিন শিক্ষকের প্রয়োজন কমিয়ে দেবে। বাস্তবতা বরং ভিন্ন। প্রযুক্তি তথ্য দিতে পারে, কিন্তু মূল্যবোধ তৈরি করতে পারে না; কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উত্তর দিতে পারে, কিন্তু একজন শিশুর চোখের ভাষা সবসময় বুঝতে পারে না; ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম পাঠ দিতে পারে, কিন্তু একজন শিক্ষকের মতো অনুপ্রেরণা, মানবিকতা ও নৈতিক দিকনির্দেশনা দিতে পারে না। ভবিষ্যতের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তি যতই শক্তিশালী হোক, একজন দক্ষ ও মানবিক শিক্ষকের প্রয়োজন ততই গুরুত্বপূর্ণ থাকবে।
তাই ভবিষ্যতের শিক্ষককে আরও বেশি দক্ষ, প্রযুক্তিবান্ধব, গবেষণামুখী ও মানবিক করে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণকে আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ধারাবাহিক পেশাগত উন্নয়নের অংশ করতে হবে। শিক্ষককে নতুন জ্ঞান অর্জনের সুযোগ দিতে হবে, গবেষণায় উৎসাহিত করতে হবে এবং শ্রেণিকক্ষে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষকতার পেশাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। চিকিৎসক যেমন মানুষের জীবন রক্ষা করেন, প্রকৌশলী যেমন অবকাঠামো নির্মাণ করেন, তেমনি শিক্ষক একটি জাতির মেধা ও মনন নির্মাণ করেন। রাষ্ট্রের সব গুরুত্বপূর্ণ পেশার মতো শিক্ষকতাকেও তার দায়িত্ব ও অবদানের আলোকে মর্যাদা দিতে হবে।

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে আমরা শিক্ষককে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছি তার ওপর। আমরা যদি মানসম্মত শিক্ষা চাই, তাহলে প্রথমেই মানসম্মত শিক্ষক চাইতে হবে। মানসম্মত শিক্ষক চাইলে মেধাবীদের শিক্ষকতায় আনতে হবে। মেধাবীদের শিক্ষকতায় আনতে হলে শিক্ষকতার সামাজিক, আর্থিক ও পেশাগত মর্যাদা বাড়াতে হবে। আর সেই মর্যাদা নিশ্চিত করতে হলে নিয়োগ থেকে পদোন্নতি পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও যোগ্যতাভিত্তিক করতে হবে। শিক্ষক দিবস তাই কেবল ক্যালেন্ডারের একটি দিন নয়; এটি রাষ্ট্র ও সমাজের আত্মজিজ্ঞাসার একটি দিন। এই দিনে আমরা শিক্ষককে ফুল দেব, শুভেচ্ছা জানাব, সম্মাননা দেব এটি অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু তার চেয়েও বেশি প্রয়োজন এমন একটি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা তৈরি করা, যেখানে একজন শিক্ষক সারা বছরই সম্মান নিয়ে কাজ করতে পারেন, নিশ্চিন্তে জ্ঞানচর্চা করতে পারেন, গবেষণা করতে পারেন এবং নিজের পেশাগত ভবিষ্যৎ নিয়ে গর্ব করতে পারেন। শিক্ষকের মর্যাদা আসলে একটি জাতির ভবিষ্যতের মর্যাদা। শিক্ষককে আমরা যতটা মর্যাদা দেব, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ততটাই আলোকিত হওয়ার সুযোগ পাবে। তাই শিক্ষক দিবসের সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার হোক, শিক্ষককে শুধু একদিন স্মরণ নয়, সারা বছর সম্মান; শুধু পদক নয়, প্রাপ্য মর্যাদা; শুধু প্রশংসা নয়, বাস্তব অধিকার; শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, কার্যকর রাষ্ট্রীয় নীতি।
শিক্ষক দিবসের সার্থকতা তখনই আসবে, যখন একজন মেধাবী তরুণ জীবনের লক্ষ্য হিসেবে শিক্ষকতাকে বেছে নিয়ে গর্ব করে বলবেন ‘আমি শিক্ষক।’ আর একজন অভিভাবক সন্তানের শিক্ষককে দেখে মনে করবেন ‘এই মানুষটির হাতে আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপদ।’
সেদিনই সত্যিকার অর্থে শিক্ষক দিবস সফল হবে। কারণ একটি জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মে, আর সেই প্রজন্ম নির্মাণের সবচেয়ে শক্তিশালী কারিগর হলেন শিক্ষক।

প্রফেসর ড. মোহাঃ হাছানাত আলী
উপাচার্য
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়

02/10/2026

Address

Baludanga Bus Stand
Hat Naogaon
6500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Naogaon University-নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share