21/05/2026
"ধর্ষকের কোনো পরিচয় নেই, তার একমাত্র পরিচয় সে অপরাধী"
একটি স্বাধীন, সার্বভৌম দেশে একজন নারী বা একজন মেয়ে অথবা একজন শিশু কখন, কোথায়, কীভাবে নিরাপদ থাকবেন—এই প্রশ্নটি আমাদের প্রতিনিয়ত করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাকর। সম্প্রতি বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া রামিসার ঘটনা আবারও প্রমাণ করে দিলো যে এদেশ আজও নারীদের নিরাপত্তা দিতে পারেনি। পারেনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে। যে বয়সে একটি শিশুর হাতে বই-খাতা থাকার কথা, মাঠে বন্ধুদের সাথে হেসে-খেলে বেড়ানোর কথা, সেই বয়সে তাকে শিকার হতে হয়েছে পাশবিক লালসার। একটি অবুঝ শিশুর ওপর যে বর্বর নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ কল্পনাও করতে পারে না। এই নৃশংসতা আমাদের স্তব্ধ করে দেয়, আমাদের বিবেককে কাঠগড়ায় দাঁড় করায়।
আজ আমাদের প্রশ্ন করতে হবে—আমাদের শিশুরা কোথায় নিরাপদ? নিজের ঘরে, রাস্তায়, নাকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে? অপরাধীদের এই দুঃসাহস তৈরি হচ্ছে বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে। আমরা আর কোনো শিশুর কান্না দেখতে চাই না, আর কোনো পৈশাচিকতার নীরব দর্শক হতে চাই না। আমরা আর কতকাল বিচারের দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকবো? আর কতকাল বিচারের দীর্ঘসূত্রতার আড়ালে অপরাধীদের পার পেয়ে যাওয়ার উৎসব দেখবো?
বিচারহীনতার সংস্কৃতিই বারবারই অপরাধীদের জন্ম দেয়। রামিসার ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, চুপ থাকা মানে অপরাধকে পরোক্ষভাবে সমর্থন করা। আমরা আর চুপ থাকব না। নিপীড়নের বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং রামিসার ন্যায়বিচারের পক্ষে আমাদের আওয়াজ বন্ধ হবে না। অপরাধীদের ফাঁসি চাই, অবিলম্বে রামিসার বিচার চাই!
তীর্থক নাটক সবসময় অন্যায়, নিপীড়ন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার। রামিসার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ন্যক্কারজনক ধর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে তীর্থক নাটক।