Bapu Tripura

Bapu Tripura Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bapu Tripura, College & University, উচ্চ পাড়া, Rangamati.

সবে গরম শুরু হয়েছে, মোছা মুছি করে রাখো 😂
22/02/2026

সবে গরম শুরু হয়েছে, মোছা মুছি করে রাখো 😂

More ebi heni duna vei bon lok
22/02/2026

More ebi heni duna vei bon lok

Chini Tripura Dofani Real History Khumpui Aba Raima _ Saima Ni Ageni Kothoma  Mokol Baithang Nongjak Gwi Tongkha,😱খুমপই ...
18/02/2026

Chini Tripura Dofani Real History Khumpui Aba Raima _ Saima Ni Ageni Kothoma Mokol Baithang Nongjak Gwi Tongkha,😱

খুমপই মূলত ত্রিপুরা এবং বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের ত্রিপুরী (Borok) সম্প্রদায়ের একটি অত্যন্ত সুপরিচিত এবং হৃদয়স্পর্শী লোককথা। এই কাহিনীটি মূলত দুই বোন—রাইমা ও সাইমা-র জীবন এবং একটি অদ্ভুত প্রেমের বিয়োগান্তক পরিণতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
খুমপই কাহিনীটি নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:
১. রাইমা ও সাইমার জীবন
রাইমা এবং সাইমা ছিল দুই বোন। তাদের বাবা ছিলেন গ্রামের প্রধান পুরোহিত। তারা দুই বোন মিলে পাহাড়ে জুম চাষ (পাহাড়ি কৃষি পদ্ধতি) করত। একবার প্রচণ্ড বৃষ্টি ও ঝড়ের কবলে পড়ে তারা খুব বিপদে পড়ে যায়। কোনো উপায় না দেখে বড় বোন রাইমা শপথ করে যে, এই বিপদ থেকে যে তাদের রক্ষা করবে, সে তাকেই বিয়ে করবে।
২. অজগরের সাথে প্রেম
রাইমার শপথ শুনে বন থেকে একটি বিশাল অজগর সাপ বেরিয়ে আসে এবং তাদের রক্ষা করে। শপথ অনুযায়ী রাইমা সেই অজগরকেই স্বামী হিসেবে গ্রহণ করে। তবে গল্পের অলৌকিক দিক হলো—বড় বোন রাইমার চোখে সেই অজগরটি ছিল একজন অত্যন্ত সুদর্শন যুবক, কিন্তু ছোট বোন সাইমা এবং বাকি সবার চোখে সে ছিল এক ভয়ংকর সাপ।
৩. বাবার পরিকল্পনা ও অজগর হত্যা
দুই বোনের বাবা যখন জানতে পারেন যে রাইমা একটি সাপকে বিয়ে করেছে, তিনি তা মেনে নিতে পারেননি। তিনি গোপনে পরিকল্পনা করেন সাপটিকে মেরে ফেলার। একদিন রাইমার অনুপস্থিতিতে বাবা সেই অজগরটিকে হত্যা করে একটি ঝরনার কাছে ফেলে দেন।
৪. রাইমার শোক ও খুমপই ফুলের জন্ম
রাইমা ফিরে এসে যখন তার স্বামীর মৃত্যুর খবর পায়, সে শোকে পাথর হয়ে যায়। সে পাগলের মতো স্বামীকে খুঁজতে থাকে। খুঁজতে খুঁজতে সে একটি পাহাড়ি ঝোপের কাছে পৌঁছায় যেখানে অদ্ভুত সাদা রঙের ফুল ফুটেছিল। সাইমা যখন সেই ফুল স্পর্শ করে, সেগুলো সাথে সাথে শুকিয়ে যায়। কিন্তু রাইমা স্পর্শ করতেই ফুলগুলো আবার সজীব হয়ে ওঠে।
রাইমা তার স্বামীর শোকে সেই ঝরনার জলে নেমে যায়। সে কাঁদতে কাঁদতে প্রার্থনা করে যেন সেও তার স্বামীর সাথে চলে যেতে পারে। লোককথা অনুযায়ী, রাইমার চোখের জল এবং তার ডুবে যাওয়া থেকেই সেই নদীটির জন্ম হয়, যাকে আজ আমরা গোমতী নদী (তৎকালীন নাম 'খুমটুই') হিসেবে জানি। আর সেই অলৌকিক ফুলটির নাম দেওয়া হয় 'খুমপই ফুল'।
সারকথা: খুমপই ফুলকে ত্রিপুরী লোকগাঁথায় চিরন্তন ভালোবাসা এবং বিরহের প্রতীক মনে করা হয়। আজও ত্রিপুরায় রাইমা-সাই

Bhagirath para aro waisa mwtai chibuk mankha Raima Saima ni kothwma ni real story  funuk jak kha
18/02/2026

Bhagirath para aro waisa mwtai chibuk mankha Raima Saima ni kothwma ni real story funuk jak kha

কালের সাক্ষী! ১৯৯৬ সালে বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের দূগম নিউলংকর পাহাড়ী এলাকায়  জঙ্গলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি হ...
16/02/2026

কালের সাক্ষী!
১৯৯৬ সালে বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের দূগম নিউলংকর পাহাড়ী এলাকায় জঙ্গলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত এর ধংসাবশেষ। হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়ার সময় রশদ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের বহন করছিল। দূর্ঘটনার পর ইঞ্জিন সহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল সরিয়ে নিলেও হেলিকপ্টারটির বডি এখনো কালের সাক্ষী বহন করে টিকে আছে।

সাজেক ইউনিয়নের নিউলংকর এলাকায় পড়ে থাকা এই ধ্বংসাবশেষটি সত্যিই পাহাড়ের এক বিষাদময় ইতিহাসের সাক্ষী। নিচের বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি ১৯৯৬ সালের সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।

​এই ঘটনা সম্পর্কে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে আরও কিছু বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো:

​ঘটনার প্রেক্ষাপট ও বিবরণ
​১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অপারেশন উত্তরণের (তৎকালীন শান্তিবাহিনীর সাথে সংঘাতময় পরিস্থিতি) সময় দুর্গম এলাকায় রেশন এবং সৈন্য পরিবহনের জন্য হেলিকপ্টারটি ব্যবহৃত হচ্ছিল।

​দুর্ঘটনার কারণ: ধারণা করা হয়, প্রতিকূল আবহাওয়া অথবা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দুর্গম পাহাড়ের সাথে ধাক্কা লেগে এটি বিধ্বস্ত হয়েছিল। সাজেকের ওই এলাকাটি অত্যন্ত ঘন বন এবং খাড়া পাহাড় দ্বারা বেষ্টিত হওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান চালানোও সে সময় বেশ দুঃসাধ্য ছিল।
​উদ্ধার কাজ: দুর্ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। হেলিকপ্টারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেমন: ইঞ্জিন, কন্ট্রোল প্যানেল এবং অস্ত্রশস্ত্র হেলিকপ্টার বা পোর্টারদের সাহায্যে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
​মরদেহের সৎকার: এই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা আরোহীদের (যাদের মধ্যে সেনা সদস্য ছিলেন) মরদেহ উদ্ধার করে যথাযথ সামরিক মর্যাদায় দাফন/সৎকার করা হয়েছিল।
নিউলংকরের এই হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ছিল। কৌতূহল থাকাটাই স্বাভাবিক, কারণ এই ধরনের পাহাড়ি দুর্ঘটনার সঠিক তথ্য অনেক সময় মূলধারার গণমাধ্যমে খুব বেশি আসে না।

​প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের সেই দুর্ঘটনায় হেলিকপ্টারটিতে থাকা মোট ৪ জন আরোহী নিহত হয়েছিলেন।

​তাদের পরিচয় ও পদমর্যাদা সম্পর্কে যা জানা যায়:

​পাইলট: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একজন দক্ষ কর্মকর্তা (স্কোয়াড্রন লিডার পদমর্যাদার)।
​কো-পাইলট: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একজন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট।
​অন্যান্য আরোহী: বাকি ২ জন ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য, যারা তখন রেশন এবং রসদ পৌঁছানোর

Fast word কী..🥀💝me (S)😞
16/02/2026

Fast word কী..🥀💝me (S)😞

🥰🥰🥰
16/02/2026

🥰🥰🥰

16/02/2026
শুভ দুপর বন্ধুরা আর বান্ধবী "
16/02/2026

শুভ দুপর বন্ধুরা আর বান্ধবী "

Address

উচ্চ পাড়া
Rangamati
01842785758

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bapu Tripura posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share