Government Alia Madrasah, Sylhet

Government Alia Madrasah, Sylhet The Fan Page of Government Alia Madrasah, Sylhet

ফাজিল স্নাতক ভর্তি বিজ্ঞপ্তি।
15/12/2025

ফাজিল স্নাতক ভর্তি বিজ্ঞপ্তি।

সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা আন্তঃক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৫অংশগ্রহণকারী সকল দল আগামী ৯/১১/২০২৫ নভেম্বর তারিখের  এর মধ্যে প...
08/11/2025

সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা আন্তঃক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৫
অংশগ্রহণকারী সকল দল আগামী ৯/১১/২০২৫ নভেম্বর তারিখের এর মধ্যে প্রতি ক্লাস থেকে একটি করে ( ১১ জন) বিশিষ্ট টিম এর তালিকা মাদ্রাসা অফিসে জমা দেওয়ার অনুরোধ।

১৬ অক্টোবর সকাল ১০ ঘটিকার সময় আলিমের ফলাফল প্রকাশিত হবে।
13/10/2025

১৬ অক্টোবর সকাল ১০ ঘটিকার সময় আলিমের ফলাফল প্রকাশিত হবে।

*ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন*🤲🤲সিলেট সরকারী আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক হযরত মাওলানা আব্দুল মোছাব্বির সাহেব রাত ৩...
29/05/2025

*ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন*🤲🤲

সিলেট সরকারী আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক হযরত মাওলানা আব্দুল মোছাব্বির সাহেব রাত ৩:৫০ মিনিটের সময় ইন্তেকাল করেছেন।

আল্লাহ তাআলা হুজুরকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। আমিন
মরহুমের জানাযার নামাজ পরবর্তীতে জানানো হবে।

22/08/2024

শুধু আজকের ব'ন্যা না, ১৭৫৭ এর গা'দ্দারি থেকে শুরু করে ৪৭ এর দা'ঙ্গা, পাঞ্জাব থেকে কা'শ্মীর, হায়দ্রাবাদ থেকে মনিপুর, ফেলানি থেকে আবরার ফাহাদ-আবু সাঈদ, প্রত্যেকটা ফোঁটা রক্তের হিসাব নিবো আমরা, ইনশা আল্লাহ।
গাজওয়াতুল হিন্দের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেন।

সবকপ্রদান।
08/10/2023

সবকপ্রদান।

আলিম ১ম বর্ষ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা
26/09/2023

আলিম ১ম বর্ষ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা

একজন শহীদ ইলমুদ্দিনআজ থেকে ঠিক ৯৩ বছর পূর্বে ৩১ অক্টোবর, ১৯২৯ উপমহাদেশে একটা ফাঁসির আদেশ বাস্তবায়িত হয়- এক ছুতার মিস্ত্র...
06/08/2023

একজন শহীদ ইলমুদ্দিন

আজ থেকে ঠিক ৯৩ বছর পূর্বে ৩১ অক্টোবর, ১৯২৯ উপমহাদেশে একটা ফাঁসির আদেশ বাস্তবায়িত হয়- এক ছুতার মিস্ত্রির ১৯ বছর বয়সী অশিক্ষিত ছেলের। কিন্তু তাঁর ফাঁসি ও পূর্বাপর ও পরবর্তী ঘটনা ছিল উপমহাদেশের ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত, বিক্ষোভময় ঘটনা। এমনকি এই ঘটনা হিন্দু মুসলিম সম্পর্কের অবনতি, ব্রিটিশ বিরোধিতায় অগ্রগণ্যতা এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় অগ্রগামীতা এনে দেওয়ায় অন্যতম অনুঘটকের কাজ করে।

ইলমুদ্দিন (জন্ম: ৪ঠা ডিসেম্বর, ১৯০৮ – মৃত্যু: ৩১শে অক্টোবর, ১৯২৯) ছিলেন অবিভক্ত ভারতের একজন মুসলিম যিনি রাজপাল নামক এক বই প্রকাশককে হত্যা করেন। গাজি ইলমুদ্দিন শহীদ অবিভক্ত ভারতের লাহোরে (বর্তমান পাকিস্তান) জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা একজন ছুতার মিস্ত্রী ছিলেন। বয়োপ্রাপ্ত হলে তিনি তার পিতার দোকানে কাজে যোগ দেন। আবদুল রশিদ নামে তার একজন বন্ধু ছিলেন। তাকে “শিদা” বলে ডাকা হত। শিদার বাবার দোকান ওয়াজির খান মসজিদের সামনে অবস্থিত ছিল।

১৯২৩ সালে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার লাহোর থেকে একটি বই প্রকাশিত হয় 'রঙ্গিলা রসুল' নামে। কৃষ্ণ প্রসাদ প্রতাপ নামক ব্যক্তি "চামুপতি পন্ডিত" ছদ্মনামে “রঙ্গিলা রসুল” নামক বই লেখেন। এখানে 'রঙ্গিলা' অর্থ ছিল 'প্রমোদবালক' বা 'প্লে বয়' অর্থে। রাজপাল নামে লাহোরের এক হিন্দু পুস্তক ব্যবসায়ী বইটা প্রকাশ করেন, লেখকের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ না করার ঘোষণা দিয়ে। এই বইয়ে নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর নামে কুৎসা রটানোয় মুসলিমরা এর প্রতিবাদ করেন। বইটি লাহোর থেকে ১৯২৩ সালে রাজপাল কর্তৃক প্রকাশিত হয়। ভারতীয় মুসলিমদের বেশ কিছু দল এই বইটি নিষিদ্ধের দাবি জানায়। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার মুসলিমদের দাবির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেনি।

এ নিয়ে বিক্ষোভ চরমে পৌঁছালে লাহোর সেশন কোর্টে মুসলিম আইনজীবীরা মামলা করেন। তাকে 'দাঙ্গা' বাঁধানোর প্রচেষ্টায় দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দেয় সেশন কোর্ট। তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন। আপিল আদালতে এর শুনানি করেন জাজ দিলীপ সিং। দিলীপ সিং তার সংক্ষিপ্ত রায়ে উল্লেখ করেন, 'এটা ভারতীয় অপরাধ বিধিমালার ১৫৩ ধারা লঙ্ঘন করে না।' অর্থাৎ তাকে দাঙ্গা সৃষ্টির অভিযোগ থেকে অদ্ভুত এক রায়ের মাধ্যমে মুক্তি দেওয়া হয়।

এই পক্ষপাতপূর্ণ রায় হিসবে অভহিত হয়ে ব্যাপক সমালোচিত হয়। রাজপাল মুক্তি পান। তবে এই মুক্তির ঘটনা লাহোর থেকে ঢাকা সর্বত্রই মুসলিমদের কাছে ঘৃণ্য বলে পরিগণিত হয়। বিক্ষোভ, মিছিল, সিরাত সম্মেলন চলতে থাকে। লাহোরের মসজিদ ওয়াজির খানের সামনেও বিরাট প্রতিবাদ সমাবেশ চলছিল। রাসূলুল্লাহ্ ﷺ এর অপমান নিয়ে বক্তারা বক্তব্য দিচ্ছিলেন। সেদিন ইলমুদ্দিন তাঁর এক বন্ধুসহ মসজিদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় পথ চলা থামিয়ে বক্তব্য শুনতে থাকেন ইলমুদ্দিন। ঐ সময় মসজিদের কাছে অনেক লোকের ভিড় জমে ছিল। লোকেরা তখন রাজপালের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিলেন।

রাসূলুল্লাহ্ ﷺ কে অপমানের বিভিন্ন বক্তব্য শুনে ইলমুদ্দিন আবেগমথিত হয়ে পড়েন। গাজি ইলমুদ্দিন সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি রাজপালকে তার দোকানে গিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করবেন। ইলমুদ্দিন তাঁর বন্ধুর কাছে নিজের ইচ্ছার কথা জানান। একটি সূত্র মতে, তারা দুজনেই প্রকাশককে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। ৬ই সেপ্টেম্বর, ১৯২৯ ইলমুদ্দিন হত্যার উদ্দেশ্যে বাজার থেকে এক রুপি দিয়ে একটি খঞ্জর কেনেন। খঞ্জরটি প্যান্টের ভেতর নিয়ে খুঁজে খুঁজে রাজপালের বইয়ের দোকানে যান এবং রাজপালের খোঁজে সেখানে অপেক্ষা করতে থাকেন। এসময় রাজপাল তার দোকানে ছিলেন না আর ইলমুদ্দিনও রাজপালকে চিনতেন না। দিনভর দাঁড়িয়ে থেকে লোকেদের জিগ্যেস করে অবশেষে তিনি রাজপালকে চিনে নেন। রাজপাল বইয়ের দোকানে আসার পর ইলমুদ্দিন সোজা তার বুক বরাবর দুধারি খঞ্জরটি ঢুকিয়ে দেন। রাজপালের হৃদপিন্ড বিদ্ধ করে এটি। রাজপাল মারা যায়। কিন্তু ইলমুদ্দিন পালানোর চেষ্টা করলেন না।

পুলিশ আসল, গ্রেপ্তার করা হল ইলমুদ্দিনকে। মামলা দায়ের করা হলো। ইলমুদ্দিনের পক্ষের আইনজীবী ছিলেন ফারুক হোসেন। ইলমুদ্দিন নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। বিবাদী পক্ষ তার নির্দোষিতার পক্ষে দুজন সাক্ষী উপস্থাপন করে। বাদী পক্ষের দুজন সাক্ষী তার দোষী হওয়ার বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়। কিন্তু মামলার রায়ে ইলমুদ্দিনের ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে। এই রায় শুনে ফুঁসে উঠেছে ভারতের মুসলমানরা। ইলমুদ্দিনকে বাঁচাতে আল্লামা ইকবাল, ব্যারিস্টার মঈন উদ্দিন খানসহ অসংখ্য মুসলিম তাঁর পক্ষে মাঠে নামল।

সামগ্রিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন প্রখ্যাত আইনজীবী ও পরবর্তীকালে ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ইলমুদ্দিনের পক্ষাবলম্বন করেন। ইলমুদ্দিনের ডিফেন্স ল'ইয়ার হিসেবে মামলা হাতে নিলেন। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ লাহোর হাইকোর্টে আপিলে অংশ নেন। ইলমুদ্দিনকে বাঁচাতে এমন কোন উপায় ছিল না তা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ অনুসরণ করেননি। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ তাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, "তুমি অল্পবয়সী, আদালতকে বলো- এ কাজ করার সময় আমি মানসিক স্থিরতাসম্পন্ন ছিলাম না।" কিন্তু ঈমানের বলে বলিয়ান ইলমুদ্দিন তা অস্বীকার করেন। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ বিবাদীপক্ষের সাক্ষীদের বক্তব্যের উপর পাল্টা যুক্তি ছুড়ে দেন যা আদালতে গৃহীত হয়নি। মুহাম্মদ জিন্নাহ্ এরপর পরিস্থিতির উল্লেখ করে এই বলে আবেদন করেন যে ইলমুদ্দিন একজন ১৯, ২০ বছরের ব্যক্তি যিনি তার বিশ্বাসের প্রতিষ্ঠাতার প্রতি ভালবাসার কারণে উত্ত্যক্ত হয়েছিলেন। তাই তার মৃত্যুদন্ডকে যাবজ্জীবন দ্বীপান্তরে বদলানো যেতে পারে। কিন্তু এই যুক্তিও আদালতে গৃহীত হয়নি।

মামলার রায় ঘোষণা করা হলো, মামলার শুনানিতে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ পরাজিত হলেন। সেশন কোর্ট ফাঁসির আদেশ দিলে- উচ্চ আদালতে তা বহাল থাকে। অর্থাৎ রাজপালকে হত্যার অভিযোগে উচ্চ আদালতের বিচারক শাদিলাল ইলমুদ্দিনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

প্রথম ও শেষ বারের মত মামলার শুনানিতে পরাজিত হন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্। যদিও মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ইতোপূর্বে কখনো মামলায় হারেন নি- তিনি জানতেন এটা সম্ভবত তাঁর প্রথম হার। এই জন্য এই মামলা 'জিন্নাহ'স অনলি লস্ট কেইস' নামেও পরিচিত।

হিন্দু পত্রিকা “প্রতাপ” এসময় জিন্নাহর সমালোচনা করে। পত্রিকা মতে এ ঘটনা হিন্দুদের মধ্যে জিন্নাহর সম্মানের জন্য হানিকর হবে। এটি স্মরণ রাখতে হবে যে ভারতীয় দন্ডবিধির ২৯৫-ক ধারার সংযোজনের সময় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ নির্বাচন কমিটিতে ছিলেন এবং তিনি তখন সতর্ক বার্তা উচ্চারণ করে বলেন যে এই আইন ভিন্নমতের কণ্ঠরোধ ও ধর্মের সমালোচনার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

৪ অক্টোবর, ১৯২৯ তারিখে ইলমুদ্দিনকে পাঞ্জাবের মিয়ানওয়ালি কারাগারে প্রেরণ করা হয়। ভারতীয় দন্ডবিধি অনুসারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে‌ ইলমুদ্দিনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। ব্রিটিশ সরকার কোনও জানাজা ছাড়াই তাকে দাফন করে। আল্লামা ইকবাল, মঈন আব্দুল আজীজ প্রমুখ সর্বজনমান্য মুসলিম নেতারা প্রতিবাদ শুরু করেন। করাচির লোকেরাও তাকে করাচিতে ফেরত চাইতে থাকে। অবস্থা অবনতির দিকে গেলে ব্রিটশ সরকার লাশ উত্তোলনের অনুমতি দেয়।

অবস্থার অবনতি হলে ১৫ দিন পর ১৪ নভেম্বর লাশ উত্তোলন করা হয়- অথচ বিস্ময়ের ব্যাপার ছিল তাঁর দেহ না পচন ধরেছিল, না দুর্গন্ধ ছিল, না তাঁর কাপড়েও কোনও পরিবর্তন ঘটেছিল। দুই দিন পরে লাশ লাহোর পৌঁছায়। পথে লাখ লাখ লোক তাকে শ্রদ্ধা জানায়। লাহোরে দুই লক্ষ লোকের উপস্থিতিতে জানাজা হয়। ইলমুদ্দিনের বাবা ইকবালকে জানাজা পড়ানোর অনুরোধ করলে তিনি জবাব দেন, ‘আমার মত গোনাহগার গাজী ইলমুদ্দিন শহীদের জানাজা পড়ানোর যোগ্য নয়।’

ইলমুদ্দিনের জানাজা পড়ান মসজিদ ওয়াজির আলি খানের ইমাম মাওলানা জাফর আলি খান। ইলমুদ্দিনের শেষ ইচ্ছে জানতে চাইলে তিনি দু’রাকাত নামাজ পড়ার সুযোগ চেয়েছিলেন। ইলমুদ্দিনকে প্রথমে গাজী (বীর) এবং মৃত্যুর পর শহীদ উপাধি দেওয়া হয়। পাকিস্তান জুড়ে অসংখ্য স্থাপনা, পার্ক, রাস্তা, হাসপাতাল, প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে তাঁর নামে। তাঁর মাজার জিয়ারত লাহোরজুড়ে এখনো অন্যতম আকর্ষণ।

আল্লামা ইকবালসহ অসংখ্য কবি তাঁকে নিয়ে কবিতা লিখেন। পুস্তকও লেখা হয়েছে তাঁকে নিয়ে। এই ঘটনার পরের বছরই ইকবাল ‘পাকিস্তান’ রাষ্ট্রতত্ত্ব দেন। এইসব নানাবিধ ঘটনায় পৃথক আবাসভূমির দাবি চূড়ান্ত হতে থাকে। জীবিত ইলমুদ্দিনের চেয়ে শহীদ ইলমুদ্দিন রাজনীতিতে এখনো পর্যন্ত পাকিস্তানের অন্যতম প্রভাবশালী স্বত্ত্বা।

“এসেছিলাম আগন্তুক হয়ে যাচ্ছিও আগন্তুক হয়েই "- মৃত্যুশয্যায় লেখা এক চিঠিতে আওরঙ্গজেব১৭০৭ সালে ৮৮ বছর বয়সে, বৃদ্ধাবস্থ...
16/06/2023

“এসেছিলাম আগন্তুক হয়ে যাচ্ছিও আগন্তুক হয়েই "- মৃত্যুশয্যায় লেখা এক চিঠিতে আওরঙ্গজেব

১৭০৭ সালে ৮৮ বছর বয়সে, বৃদ্ধাবস্থায় প্রতাপশালী আওরঙ্গজেব জীবনের দিকে ফিরে নিজেকে ব্যর্থ মনে করে দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

নিজের মৃত্যুশয্যায় আওরঙ্গজেব তাঁর সন্তানদেরকে অনেকগুলো মর্মস্পর্শী চিঠি লিখেন। আল্লাহর জিজ্ঞাসাবাদকে তিনি সবচেয়ে বেশি ভয় করতেন। বিশেষ করে, একজন সম্রাট হিসেবে তাঁর ভুলত্রুটিগুলোর ব্যাপারে তিনি দুঃখপ্রকাশ করতেন। তিনি ইন্তেকাল করলে তাঁর অফিসার ও সেনাদেরকে ঠিকঠাক মর্যাদা ও অধিকার দেওয়া হবে না বলে তিনি তাঁর ছোট ছেলে কাম বাকশের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি তাঁর তৃতীয় সন্তান আযম শাহকে মনের কষ্টের কথা বলেছেন, “আমি রাজ্য চালনা ও জনগণকে রক্ষার কাজে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছি। আমার মূল্যবান জীবন আমি নষ্ট করেছি। আল্লাহর মহিমা সামনে থাকা সত্ত্বেও আমার ম্লান চোখ তা দেখতে পায়নি।”

১৫০ মিলিয়ন মানুষের এ দেশকে ৪৯ বছর ধরে শাসন করেছেন আওরঙ্গজেব। তাঁর নেতৃত্বেই মুঘল সাম্রাজ্য সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করেছে। মানব ইতিহাসের প্রথমবারের মতো প্রায় পুরো ভারতীয় উপমহাদেশই এক রাজ্যের অধীনে এসেছিল। তিনি আইনের ব্যাখ্যা এবং অনুশীলনে দীর্ঘস্থায়ী অবদান রেখেছিলেন। তাঁর ন্যায়বিচারের জন্য তিনি সকল জাতি ও ধর্মের মানুষের কাছে সমাদৃত ছিলেন। তিনি সম্ভবত তাঁর সময়ের সবচেয়ে ধনী মানুষ ছিলেন। তাঁর কোষাগার জেমস, মুক্তো, সোনা এবং পৃথিবীবিখ্যাত কোহিনুর ডায়মন্ডে ভরে ছিল। এতদসত্ত্বেও শেষজীবনে তিনি রাজনৈতিক জীবন নিয়ে আফসোসই করে গিয়েছেন।

আযম শাহ ও কাম বকশ—উভয়ের কাছেই আওরঙ্গজেব নিজের দ্বীনের প্রতি দায়িত্ব যথাযথ পালন করতে না পারার আক্ষেপ এবং হাশরের জবাবদিহিতার ভয়ের কথা উল্লেখ করেছেন। একজন ধার্মিক মুসলিম হিসেবে তাঁর মনে হয়েছিল তিনি দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহর থেকে দূরেই রয়ে গেলেন। দুনিয়াতে নিষ্পাপ হিসেবে এলেও তাঁর মনে হতো তিনি পাপের বোঝা নিয়ে এখন কবরে যাচ্ছেন। তিনি আযমের কাছে তাঁর চিঠি শেষ করেছেন আবেগঘন, দুঃখ ভারাক্রান্তভাবে তিনবার ‘বিদায়, বিদায়, বিদায়’ বলার মাধ্যমে।

আওরঙ্গজেব: বিতর্কের অন্তরালে
লেখক: অড্রি ট্রুসকে
অনুবাদক: ইরফান সাদিক

Address

Chowhatta
Sylhet

Opening Hours

Monday 10:00 - 16:00
Tuesday 10:00 - 16:00
Wednesday 10:00 - 16:00
Thursday 10:00 - 16:00
Sunday 10:00 - 16:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Government Alia Madrasah, Sylhet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Government Alia Madrasah, Sylhet:

Share