14/07/2016
আশাশুনি কলেজে একাদশ শ্রেণির
নবাগত
শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
ঃ আশাশুনি কলেজে একাদশ শ্রেণির
ছাত্রছাত্রীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান-২০১৬
জাঁকজোমকের সাথে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১.৩০ টায়
কলেজ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের
আয়োজন করা হয়।
কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মোঃ রুহুল
আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা
নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ও অন্যদের
মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আশাশুনি থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ গোলাম
রহমান, গভর্নিং বডি সদস্য অধ্যাপক
সুবোধ কুমার চক্রবর্তী, অধ্যাপক বিধান
চন্দ্র মন্ডল, আশাশুনি প্রেসক্লাব
সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, প্রভাষক
মিজানুর রহমান ও শিক্ষার্থী মাগফুর
রহমান। অধ্যাপক সুশীল কুমার মন্ডল ও
প্রভাষক মাসুদুর রহমানের সঞ্চালনায়
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে
আরও উপস্থিত ছিলেন, গভর্ণিং বডি
সদস্য আঃ রহিম, আঃ গফুর, রুহুল আমিন, সকল
শিক্ষকমন্ডলী প্রমুখ। বরণ সঙ্গীত
পরিবেশন করেন প্রফেসর সুশীল কুমার ও
প্রভাষক শিরিন বাহার। এছাড়া
সঙ্গীত, কবিতা আবৃত্তি করেন স্মৃতি
সরকার, আমান ও তার সঙ্গীরা। প্রধান
অতিথি সুষমা সুলতানা নবাগতদের
উদ্দেশ্যে বলেন, ভালমন্দ বিবেচনা
করে জীবনকে শতভাগ উপভোগ করতে
হবে। স্বর্ণালী জীবন গড়তে সুন্দর
টার্গেট থাকতে হয়। তোমরা স্কুল
জীবনের গন্ডি পেরিয়ে উন্মুক্ত কলেজ
জীবনে পদার্পন করেছ। তোমাদেরকে
অনেক ভেবে চিন্তে উজ্জল ভবিষ্যৎ
নিয়ে এগুতে হবে। স্বাধীনতা
আন্দোলনে ছাত্রদের ভূমিকা ছিল
স্মরণীয়, দেশের স্বাধীনতা ও
সার্বভৌমত্বকে রক্ষায় আজকে
তোমাদের উপর অনেক দায়িত্ব রয়েছে।
বিশেষ অতিথি ওসি গোলাম রহমান
বলেন, জঙ্গীবাদ সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত
সমাজ গড়তে তোমাদের জীবনকে
নিয়ে ভাবতে হবে। তোমরা আমাদের
সন্তানতূল্য, তোমাদের নিয়ে আমাদের
অনেক আশা-আকাঙ্খা রয়েছে।
তোমাদেরকে ভালদিক সম্পর্কে
আগ্রহী হতে হবে। অন্যায়-অসৎসঙ্গ
থেকে দূরে থাকতে হবে। দেশে অনেক
শিক্ষার্থীরা জঙ্গী-সন্ত্রাসীদের
অপচ্ছায়ায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তারা
মাদকাসক্ত হয়ে জীবনকে সঠিক ভাবনা
থেকে বি”্যুত করে অন্যায়ের সাথে
আপোষ করে হত্যা, খুন, গুমসহ চরম বিপদজনক
পরিণতির শিকার হচ্ছে। তোমরা যখন
কোন ছেলেমেয়েকে/মানুষকে
বিপথগামী হতে দেখবে, কিংবা
অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করবে সাথে
সাথে গোপনে পুলিশকে জানাবে।
তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে
পারলে, সমাজ ও জাতিকে ধ্বংসাত্মক
পরিণতি থেকে রক্ষা করা যাবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন
থেকে তেলাওয়াত করেন প্রভাষক
হাফেজ বাকী বিল্লাহ ও গীতা
থেকে পাঠ করেন কৃষ্ণা রানী
বিশ্বাস। এরপর নবাগত ৪৫৪ জন
ছাত্রছাত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করে
নেওয়া হয়।