University Students Council of Paikgacha,Khulna-"Barisal University Unit"

University Students Council of Paikgacha,Khulna-"Barisal University Unit" University Students Council of Paikgacha,Khulna,ববি।

19/08/2016

====HSC RESULT 2016====

◄►পাইকগাছা কলেজের HSC রেজাল্ট-২০১৬◄►
পাশের হার :: ৬৭.৯২%, মোট পরীক্ষার্থী :: ৫০৩, কৃতকার্য :: ৩২৬, অকৃতকার্য :: ১৫৪
A+: ৯, A: ৪৬, A-: ‌৬৪, B: ৮২, C: ১০৪, D: ২১

►ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজ ::

পাশের হার :: ৮৭.১৬%, মোট পরীক্ষার্থী :: ২২১, কৃতকার্য :: ১৯০, অকৃতকার্য :: ২৮

A+: ৩, A: ২৮, A-: ‌২৭, B: ৫৬, C: ৭৩, D: ৩

►কপিলমুনি কলেজ ::

পাশের হার :: ৮৪.৪৩%, মোট পরীক্ষার্থী :: ৬৫৩, কৃতকার্য :: ৫৩৭, অকৃতকার্য :: ৯৯

A+: ১১, A: ৭২, A-: ‌১০৯, B: ১৭৫, C: ১৬৭, D: ৩

►কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির ::

পাশের হার :: ৮২.২৬%, মোট পরীক্ষার্থী :: ৬৩, কৃতকার্য :: ৫১, অকৃতকার্য :: ১১

A+: ০, A: ৫, A-: ‌১৪, B: ১৯, C: ১২, D: ১

►লক্ষ্মীখোলা কলেজিয়েট ::

পাশের হার :: ৮৭.৫৯%, মোট পরীক্ষার্থী :: ২৯৫, কৃতকার্য :: ২৫৪, অকৃতকার্য :: ৩৬

A+: ৫, A: ৩১, A-: ‌৫৯, B: ৬৮, C: ৮৪, D: ৭

►আর.কে.বি.কে হরিশ্চন্দ্র কলেজিয়েট ::

পাশের হার :: ৯৫.২২%, মোট পরীক্ষার্থী :: ২৩৬, কৃতকার্য :: ২১৯, অকৃতকার্য :: ১১

A+: ৭, A: ৮৫, A-: ‌৬৫, B: ৩২, C: ২৯, D: ১

►চাঁদখালী কলেজ ::

পাশের হার :: ৯৬.৬৪%, মোট পরীক্ষার্থী :: ১২০, কৃতকার্য :: ১১৫, অকৃতকার্য :: ৪

A+: ২, A: ৩৭, A-: ‌৩৪, B: ২১, C: ১৮, D: ৩

►হরিঢালী কপিলমুনি মহিলা কলেজ ::

পাশের হার :: ৮৮.৬৪%, মোট পরীক্ষার্থী :: ৯০, কৃতকার্য :: ৭৮, অকৃতকার্য :: ১০

A+: ০, A: ৮, A-: ‌২৯, B: ১৭, C: ২৩, D: ১

►কালীনগর কলেজ ::

পাশের হার :: ৯৫.৭৪%, মোট পরীক্ষার্থী :: ৯৬, কৃতকার্য :: ৯০, অকৃতকার্য :: ৪

A+: ০, A: ২০, A-: ‌২১, B: ২৫, C: ২৩, D: ১

►সরদার আবু হোসেন কলেজ ::

পাশের হার :: ৮১.২৫%, মোট পরীক্ষার্থী :: ১৬, কৃতকার্য :: ১৩, অকৃতকার্য :: ৩

A+: ০, A: ০, A-: ‌১, B: ২, C: ১০, D: ০

►শহীদ আয়ুব ও মূসা মোমারিয়াল কলেজ ::

পাশের হার :: ৯২.৪১%, মোট পরীক্ষার্থী :: ২২৫, কৃতকার্য :: ২০৭, অকৃতকার্য :: ১৭

A+: ১, A: ২৮, A-: ৫৯, B: ৬৬, C: ৫০, D: ৩

27/06/2016

স্কুলে যখন ছিলাম পরিক্ষার রেজাল্টের আগে ভাবতাম কি জানি হয়, সিরিয়াল থাকে কি না!
তখন আমার অধিকাংশ বন্ধুরা ভাবত পাশ করতে পারব কি না।
এখন রেজাল্টের আগে আমার বন্ধুরা ভাবে সিরিয়াল থাকে কি না,
আর আমি ভাবি পাশ করতে পারি কি না!
ইতিহাস যখন চুপ করে হাসে সময় তখন কথা বলে!

শুভ নববর্ষ ১৪২৩
14/04/2016

শুভ নববর্ষ ১৪২৩

সবাইকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা....আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরন করছি প্রত্যেক বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ-বুদ্ধিজীবি ও তাদ...
26/03/2016

সবাইকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা....আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরন করছি প্রত্যেক বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ-বুদ্ধিজীবি ও তাদের পরিবারকে এবং সম্মান জানাচ্ছি তাদের আত্মত্যাগকে।

22/03/2016

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ এন্টারটেইনার জাতির স্বীকৃতি যদি
কাউকে দেওয়া হয় তাহলে সেটা নিঃসন্দেহে
বাঙালীকে দেওয়া উচিৎ। এই দেশের প্রত্যেকটা
ডিপার্টমেন্টেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে খালি বিনুদুন
আর বিনুদুন।
এই দেশের পাবলিক টয়লেট গুলোও বিনুদুনের
একটা অন্যতম স্থান। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পাবলিক
টয়লেটে গেলে ব্যাপুক প্রকার ভিন্নধর্মী বিনুদুন
মিলে। টয়লেট গুলোর দরজা আর দেয়াল জুড়ে
মজার মজার সব লেখা দেখলে আপনি হাগু করতে
করতেও দাত বের করে না হেসে পারবেন না।
এই যেমন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা
হলের টয়লেটের দেয়ালে লেখা ছিল, "আপনার
হাগু আপনার সম্পদ, দয়া করে অন্য কারো জন্য
ফেলে রেখে যাবেন না!"
চারুকলা একাডেমীর টয়লেটের দরজায় লেখাছিল,
"আপনার ত্যাগকৃত মল কোনো শিল্পকর্ম নয়, তাই
অন্যকে প্রদর্শনের জন্য রেখে যাবেন না!"
'৯০ এর দশকে নটরডেম কলেজে একটা
টয়লেটের ওয়ালে লেখা ছিল "ওহে মহাজ্ঞানী,
মুতিয়া লইয়ো পানি!"
সিলেটের একটা স্কুলের টয়লেটের দেয়ালে
কমেডে ঠিক উপরে লিখাছিল, "তুই যে লাটের
বেটাই হইস না ক্যান? আমার সামনে আসলে তোর
পায়জামার ফিতা খুলা লাগবেই।"
ঢাকায় একটা সরকারি অফিসের টয়লেটের ওয়ালে
লেখাছিল, "ভোগে নয়, ত্যাগেই শান্তি!"
আরেকটা পাবলিক টয়লেটের ওয়ালে কে যেন
লিখে রাখছিল, “ডানে দেখুন, তারপর ডানে তাকালে
বামে দেখুন, বামে তাকালে লেখা থাকতো
পিছনে দেখুন, পিছনে তাকালে লেখা থাকতো, ঐ
মিয়া টয়লেটে বইসাও এতো মোচড়া মুচড়ি করেন
কেন?”
কোন একটা শপিংমলের টয়লেটের দরজায় এমনটা
লেখাছিল, "যাহা ফেলিয়া যাচ্ছেন উহা একান্তই আপনার
ব্যক্তিগত সম্পদ। হইলে সঙ্গে করিয়া নিয়া যান, নাহা
হইলে এক বদনা পানি ঢালিয়া যান!"
সেই অনেক আগে একটা ভার্সিটি হলে নতুন
কমেড বসানো হয়েছিল, তো সেখানে আদি
বাঙালী কমেড ব্যাবহার করা ছাত্ররা সেটা সঠিক ভাবে
ব্যাবহার করতে পারতো না, তো একদিন কর্তৃপক্ষ
টয়লেটের দরজায় লিখে রাখলো, "আপনি যদি পা
ঝুলাইয়া বসিয়া, আমার এই লেখা সাচ্ছন্দে পড়িতে
পারেন, তার মানে আপনি সঠিক অবস্থানেই
বসিয়াছেন!"
এই হচ্ছি আমরা বাঙালী! আমাদের প্রত্যেকটা
কাজেই খালি বিনুদুন আর বিনুদুন!!
তথ্যঃ সংগ্রহীত

17/03/2016

"আমার আবার জন্মদিন কি রে?আয় আয় তোরা আমার কাছে আয়।"
এ যেন নেহাত কোন ব্যক্তির আমন্ত্রন নয়।যেনো ছিলো একটি সাগরের আহব্বান।
ঋতুরাজ বসন্তের এই সময় তোমার জন্মদিন বঙ্গবন্ধু।বসন্তের বাতাস তোমার জন্মদিনের সৌরভ ছড়ায় ।তোমার জন্মদিন আজকের বাংলাদেশের শিশু দিবস।শিশুদের জন্য মঙ্গল প্রদীপ জ্বলে থাকুক।

বঙ্গবন্ধুর ৯৬ তম জন্মবার্ষিকীতে ববির সমাজবিজ্ঞান পরিবারের পক্ষ থেকে জানাই শ্রদ্ধা ও ভালবাসা।একটি মহীরুহের মত ছিলেন মানুষটি, ছায়া মেলেছিলেন দূর্বল আর দরিদ্রের মাথার উপর।সেই ছায়া সরে যাওযায় এই ৪০ বছরে তাদের দূর্ভোগ বেড়েছে।আরো গভীরতায় রুপ নিয়েছে নারী বৈষম্য।সম্পদশালী পুরুষতান্ত্রিক সমাজের অত্যাচার বেড়েছে।আজকের দিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর একটাই পথ হতে পারে দূর্বল দরিদ্রের এই বন্ধুটিকে মনে রেখে তাদের পাশে দাঁড়ানো।
★তমা

12/03/2016

যে দেশে প্রতিবছর ১ মিলিয়ন ছেলেমেয়ে এস,এস,সি পরীক্ষা দেয়,
সেই দেশে আর যাই হোক, ট্যালেন্টের কোনো অভাব থাকার কথা না।
ট্যালেন্টের অভাব ছিলো না কোনোদিন।
আজও নেই।
সমস্যা হল, ট্যালেন্টেড ছেলেমেয়েরা সঠিক জায়গায় যাচ্ছে কিনা। সঠিক জায়গায় বসতেছে কিনা।
যেমন শিশু জিয়াদ যখন পাইপের ভেতর আটকে মারা গেলো, এবং তার লাশ উদ্ধার করতে যখন বিশ্ববিদ্যালয় আর কলেজের ছেলেমেয়েরা ভলেন্টিয়ারি নানান ইম্প্রোভাইজ যন্ত্রপাতি বানিয়ে উদ্ধার কাজে হাত দিলো, তখন একজন ফেসবুকে কমেন্ট করেছিলো,
" ফায়ারসার্ভিসের কি টেকনিক্যাল লোকজন নাই? ফায়ারসার্ভিসের বেতনভোগি টেকনিক্যাল কর্মকর্তা বা কর্মচারিরা কই? বাইরের থেকে ভলেনটিয়ারি সাহায্য কেনো নিতে হবে?"
তো এর রিপ্লাই দিয়েছিলো মানুষজন। কি বলেছিলো, সেটা এখানে না বললেও চলে।
দিনশেষে কিন্তু ভলেনটিয়ারদের তৎপরতা শিশু জিয়াদের লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিলো।
তার ঠিক ১ ঘন্টা আগেই কিন্তু ফায়ারসার্ভিস বলেছিলো, মিশন ব্যর্থ। ভেতরে কারো লাশ পাওয়া যায়নি।
মনে আছে সেসব?
এসব ঘটনা শিক্ষনীয়।
জানতে ইচ্ছে হয়, যে দুজন ছেলের বানানো যন্ত্র দিয়ে শিশু জিয়াদের লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিলো, তারা এখন কই?
ফায়ার সার্ভিস কি তাদের কোনো জব অফার করেছিলো?
তারা করুক আর না করুক, সেটা ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু অফার কি করেছিলো?
বাংলাদেশ ব্যাংক নাকি ভারতীয় টেকনিশিয়ানদের সাহায্য নিচ্ছে। এমন একটা খবর শুনলাম।
ইন ফ্যাক্ট, বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি কনসালটেন্ট রাকেশ আস্থানা একজন ভারতীয়, যিনি আইটি ডিরেক্টর হিসেবে বিশ্ব ব্যাংকে চাকরি করতেন।
আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা কি এতোটাই দেউলিয়া হয়ে গেছে? ইউটিউব বানাচ্ছে, ফেসবুক গুগল, মাইক্রোসফটের মত বড়বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেছে, খান একাডেমির সালমান খান'কে নিয়ে আমরা গর্বও করি।
তো আমাদের দেশে বা দেশের বাইরে কর্মরত কেউ কি নেই?
দেশের ট্যালেন্টেড ছেলেমেয়ের অভাব নেই। দেশে মুল্যায়ন না পেয়ে বিদেশে গিয়ে তারা ঠিকই নাম করে। গত ১০ বছরে আমি যত বাংলাদেশি ছেলেমেয়ের এচিভমেন্ট নিয়ে ফেসবুকে দেশের মানুষকে গর্ব করতে দেখেছি, অধিকাংশ দেশের বাইরে নানান গবেষণাকাজ অবদানের জন্য।
(কেনিয়ার মানুষও বারাক ওবামাকে নিয়ে গর্ব করে )
দেশের জন্য এরা চাইলেও অবদান রাখতে পারতেছেনা। সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। হয়ত বলবেন, সুযোগ বানিয়ে নেবার কথা। ভাই, থামেন। সিস্টেম এভাবে কাজ করে না।
যেমন মানুষ নিয়োগ দেবেন, তেমনই আউটপুট পাবেন। আর যেমন ব্যক্তি বড়বড় পদে বসে থাকবে, তারা নেক্সট জেনারেশন থেকে পিক করবে ঠিক তাদের মত লোকদেরই।
রতনে রতন চেনে, আর ...।
তাদের চেয়ে ভিন্নধরণের লোকজন তাদের চোখে গাধা, স্টুপিড, বোকা।
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিজয়ের দিনে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়। একটা দেশের সেন্ট্রাল ব্যাংক যদি অরক্ষিত হয়ে পড়ে, তাহলে আসলে আর কিছুই বাকি থাকে না।
courtesy ঃ Faisal Shovon

11/03/2016

কিছু কনফিউশন যুক্ত প্রশ্ন যারা
পারবেন সঠিক উত্তর দিবেন plz
১) রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষোধ কতো
সালে গঠিত হয় ?
ক) ১৯৪৭ খ) ১৯৪৮
২) মানুষের বুদ্ধির বিকাশ সম্পন্ন হয়
কত বছরে
ক) ১৮ খ) ২৪
৩) প্রিজমে আপতিত আলো সাধারনত
ক) বিকিরিত হয় খ) প্রতিসরিত হয়
৪) জাতিসংঘের উদ্দগে কবে থেকে বিশ্ব
পরিবেশ দিবস পালিত হয়
ক) ১৯৭৩ খ) ১৯৯০
৫) সাম্প্রতি কোন জেলাই চা বাগান শুরু
হযেছে
ক) পঞ্চগড় খ) বান্দরবন
৬) ডিজিটাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটরে যে
অনুজ্জল কালচে যে লেখা ফুটে উঠে তা
কিসের ভিত্তিতে
ক) এলইডি, এলসিডি খ) সিলিকন চিপ
৭) কোন শাসন আমলে বাংলা লিপি
স্থায়ী রূপ তোরি করে অক্ষর গঠনের
কাজ শুরু হয়
ক) সেন আমলে খ) পাঠান আমলে
৮) বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে কোন
ভাষা থেকে
ক) প্রকৃত খ) অপভ্রংস
৯) ভাষার জগতে বাংলা ভাষার স্থান
ক) ৬ষ্ঠ খ) ৭ম গ) ৮ম
১০) গায়ে হলুদ কোন সমাস
ক) অলুক বহুব্রহী ক) মধোপদলোপি
বহুব্রহী

08/03/2016

নারী তুমি সর্বক্ষেত্রেই বেটার,
সিস্টার, মাদার কিংবা লাভার
's_day

04/03/2016

সেরা সাক্ষাতকার, সৌজন্যে: আনন্দবাজার পত্রিকা।
বাংলাদেশ অধিনায়ক এক্সক্লুসিভ
সমর্থকদের এত দিন কিছু দিতে পারিনি, এখন না হয় ধার চুকোই: মাশরফি
গৌতম ভট্টাচার্য
ঢাকা, ৪ মার্চ , ২০১৬
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এত জনপ্রিয় কোনও অধিনায়ক এমন সাদামাঠা থাকতে পারেন ভাবাই যায় না। মীরপুর স্টেডিয়ামের এক কিলোমিটারের মধ্যে একটা সরু, ভাঙাচোরা রাস্তার ওপর ছন্দপতনের মতো পাঁচতলা ঝকঝকে বাড়ি। গোটা বিল্ডিংটাই তাঁর হওয়ার কথা কিন্তু বাস্তবে একটা চোদ্দোশো স্কোয়ার ফিটের ফ্ল্যাট। কোনটা তাঁর? কোন ফ্লোরে থাকেন বাংলাদেশের অপ্রতিদ্বন্দ্বী অধিনায়ক? সঙ্গী পথপ্রদর্শক বললেন, জিজ্ঞেস করার দরকার নেই। লিফটে উঠে যে ফ্ল্যাটের বাইরে সবচেয়ে বেশি খোলা চটি পাওয়া যাবে, সেটাই ওর। কাউকে না পেলে ও রাস্তা থেকে সম্পূর্ণ অপরিচিত বাচ্চাদের খেলার জন্য ওপরে ডেকে নেয়। মাশরফি মর্তুজা মিনিটখানেকের মধ্যে আবির্ভূত হলেন ঘুম-ঘুম চোখে। বাড়িতে পরার লুঙ্গি আর খয়েরি টি-শার্টে। যা ছবি তোলার জন্য যে বদলালো সেটাই বোধহয় আশ্চর্য...
প্রশ্ন: কাল রাত্তির থেকে আপনার দুটো ফোনই বন্ধ। বাংলাদেশি সাংবাদিকেরাই বলছেন তাঁরা যোগাযোগ করতে পারছেন না এমন অবস্থা।
মাশরফি: কাল রাত্তিরে প্রেস কনফারেন্স করলাম তো। যা বলার বলে দিয়েছি। তার পর ফোন বন্ধ করে রেখেছি।
প্র: সেটাই তো অবাক লাগছে। গোটা বাংলাদেশ উদ্বেলিত টিমের এশিয়া কাপ ফাইনাল ওঠা নিয়ে। আর আপনি আসল লোক ফোন বন্ধ করে বসে আছেন? ফোন তো লোকে ম্যাচ হারলে বন্ধ করে।
মাশরফি: আজকের দিনটা রেস্ট নেওয়ার জন্য রেখেছি। তা ছাড়া জিতেছি বলে উচ্ছ্বাসে ভেসে যাব কেন? জীবনে প্রচুর হেরেছি। ইদানীং কিছু ম্যাচ জিতছি। জিনিসগুলো স্বাভাবিক ভাবে নেওয়াই ভাল।
প্র: কী বলছেন কালকে ওই ভাবে জেতার পর স্বাভাবিক থাকা সম্ভব নাকি? আপনার টিম তো উইনিং স্ট্রোকে বল বাইরে যেতে না যেতেই মাঠে ঢুকে একে অন্যের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল।
মাশরফি: হ্যাঁ ওটুকু হয়েছে। ড্রেসিংরুম অবধি খুব হয়ে থাকে। ব্যস ওই পর্যন্ত। এর বাইরে হোটেলে গিয়ে আর একপ্রস্থ উল্লাস। কেক কাটা এগুলো হয় না। আমরা সব ড্রেসিংরুমেই ফেলে আসি।
প্র: ক্রিকেট যে ভাবে গোটা বাংলাদেশি সমাজকে এক করে দিয়েছে এটা দেখে চমত্কৃত লাগছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী এসে এই যে তিন ঘণ্টা খেলা দেখছেন এটাও তো আশ্চর্য।
মাশরফি: হ্যাঁ উনি আসা মানে একটা দায়িত্ব চেপে যায় যে জিততে হবে।
প্র: সেটা তো একটা বাড়তি চাপও যে ওঁর সামনে খারাপ খেললে চলবে না।
মাশরফি: না প্রেসার তো নিতেই হবে। প্রেসার না নিলে চলবে কী করে।
প্র: আমি বলতে চাইছিলাম কালকের ওই মুহূর্তটা। সাকিব ওই রকম বিশ্রী আউট হলেন। উইকেটে মারলেন ব্যাট দিয়ে। শেখ হাসিনা বসে আছেন। আপনার টিম হারের মুখে। আর আপনি গিয়েই দুটো চার মেরে দিলেন। তাও কিনা আমেরকে। এটা করতে তো দম লাগে।
মাশরফি: আমি ঠিক করে রেখেছিলাম ওভারে একটা বাউন্ডারি মারবই। ওই ওভারে প্রত্যেকটা বল চালাব এটা প্ল্যানই ছিল।
প্র: সেটাই তো অবাক লাগছে। তখন আপনার উইকেট যাওয়া মানে তো বিপণ্ণতা আরও বাড়ত।
মাশরফি: উপায় ছিল না। পরের ওভার অবধি রেখে দিলে শেষ দু’ওভারে মোটামুটি ২৩ রান করতে হত। ওই ঝুঁকি নেব কেন? আমি তো পেছনে একজন ব্যাটসম্যান রেখেই দিয়েছিলাম। মিঠুনকে। আমার শুধু দেখার ছিল বল যাতে নষ্ট না করি। আউট তো প্রথম বলেই আউট।
প্র: এই যে জাতীয় ক্রিকেট দলকে এককাট্টা সমর্থনের জন্য এত মানুষ মীরপুর মাঠে জড়ো হচ্ছেন—এই সব আগুনে সমর্থকদের সামনে খেলতে কেমন লাগে?
মাশরফি: আমরা তো ক্রিকেট খেলে আমাদের দেশের জনগণকে কিছু দিতে পারিনি। দিনের পর দিন ওঁরা হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তখনও টিমে ভাল প্লেয়ার ছিল। সুমন ছিল। আশরাফুল ছিল। কিন্তু এক- দু’জন ভাল খেলত। টিমটা জিতত না। ২০০৭ ওয়ার্ল্ড কাপের ইন্ডিয়া ম্যাচটা আমরা প্রথম বড় খেলা জিতলাম। ওই ম্যাচটা যত দিন বেঁচে আছি মনে রাখব। কী কী প্লেয়ার ছিল ইন্ডিয়ার। সচিন, রাহুল, কুম্বলে, দাদা। ওই ম্যাচ থেকে আমাদের কনফিডেন্স পাওয়া শুরু। ইদানীং আমরা দেশের মাঠে কিছু জিতছি। বলতে পারেন সমর্থকদের কাছে যে ধার-কর্জ হয়েছিল তার কিছু কিছু করে ফেরত দিচ্ছি। এ বার বিদেশেও ভাল খেলতে হবে।
প্র: বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের মধ্যে আপনার আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন নেই। কিন্তু প্রেসবক্সেও আপনি যে সমর্থন পান ভাবা যায় না। কাল আপনার বলের গতি কমে গ্যাছে। নতুন পেসার চাই এটুকু বলায় দু’দিক দিয়ে সিনিয়র দুই সাংবাদিক ঝাঁপিয়ে পড়লেন। আপনাকে ঘিরে এই সস্নেহ অনুরাগের বলয় ভাবাই যায় না। এর রহস্য কী?
মাশরফি: দেখুন আমি সচিনের একটা ইন্টারভিউ পড়েছিলাম যেখানে ও বলেছিল, ভাল ক্রিকেটার তো অনেকেই হতে পারে। ভাল। সঙ্গে ভাল মানুষ হওয়াটা অনেক ইম্পর্ট্যান্ট। আমি ওই কথাটা মনে রেখেছি। ক্রিকেট তো ক’দিনের। ভাল মানুষ হিসেবে যেন সবার মনে বেঁচে থাকতে পারি। তা বলে চোট রয়েছে, সাত বার অপারেশন হয়েছে এই সহানুভূতি নিয়ে ক্রিকেট খেলতে চাই না। আমার যেন ছোট ছোট কন্ট্রিবিউশন থাকে। কাল হাফিজের উইকেটটা। আমার দুটো বাউন্ডারি। এগুলোও থাকতে হবে।

03/03/2016

কিছুদিন আগেই লিখেছিলাম এক লোকের জ্যামিতি বক্স কেনার গল্প। ভদ্রলোক জ্যামিতি বক্স কিনে "অটো'তে" করে যাচ্ছিলো। আমার বোন ওই অটো'তে ছিলো। তিনি আমার বোনের সাথে কথা বলছিলেন
-জ্যামিতি বক্স কিনেছি মেয়ের জন্য। ও এইবার ক্লাস টু'তে উঠেছে। ঠিক বুঝতে পারছি না এই জ্যামিতি বক্স ব্যাবহার করতে গিয়ে ও আবার ব্যাথা পেয়ে বসে কিনা!
ক্লাস টু'তে পড়ুয়া বাচ্চা খেলনার জ্যামিতি বক্স ব্যাবহার করতে পারে। কিন্তু সত্যি সত্যি জ্যামিতি বক্স কেন তাদের ব্যাবহার করতে হচ্ছে, আমি ঠিক বুঝতে পারছি না! এই বাবা মেয়ের জন্য কিছু কিনে কোথায় খুশি হবে; সেটা না, উল্টো একটা শঙ্কার মাঝে আছে!
তবে সময়টা মনে হয় এমন'ই। আজ জানলাম ঢাকার বনশ্রী'তে কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া দুই বাচ্চার মৃত্যু'র জন্য তাদের মা দায়ী। এই দুই বাচ্চার একজন ভিকারুন্নেসা'র ছাত্রী ছিলো, আরেকজনও ভালো একটা স্কুলেই পড়তো। তাদের মা নাকি ছেলে-মেয়েদের পড়াশুনা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে এতো'ই চিন্তত ছিলো যে শেষমেশ মা নিজ হাতে এই দুই সন্তানকে হত্যা করেছে!
"বাচ্চাদের ক্যারিয়ারের অনিশ্চয়তা, দু:শ্চিন্তা থেকেই মা তার দু' সন্তানকে হত্যা করেছেন বলে র‍্যাব জানিয়েছে।" তবে, র‍্যাব কর্মকর্তা জানিয়েছেন
-মা মানসিকভাবে সুস্থ আছেন।
যেখানে পুরো সমাজ'ই অসুস্থ, সেখানে এই মা কি করে সুস্থ আছেন আমার ঠিক জানা নেই।
যেই সমাজে ক্লাস ওয়ানে "অ", "আ", "ক", "খ" না শিখিয়ে শেখানো হয় ১২ নামতা কিংবা রচনা লেখা! যেই সমাজে বাবা-মায়েরা নিজেরাই নকল সরবরাহ করে সন্তানদের; যেই সমাজে সন্তান মানুষের মতো মানুষ হওয়ার চাইতে জিপিএ ৫ কিংবা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হলে সবাই খুশি হয়; সেই সমাজ আর যাই হোক সুস্থ কোন সমাজ হতে পারে না।
curtecyঃআনিসুল হক স্যার.

02/03/2016

বাংলাদেশ -পাকিস্তান খেলার ফলাফল:
বাংলাদেশ ১৭১/৫
পাকিস্তান ৫২/১০
শুভকামনা বাংলাদেশ।
জয় বাংলা।

Address

কর্ণকাটি, বরিশাল সদর
Barishal Sadar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when University Students Council of Paikgacha,Khulna-"Barisal University Unit" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share