Institute Of Health Technology - IHT, Bogra

Institute Of Health Technology - IHT, Bogra আমরা গর্বিত টেকনোলজিস্ট।

কারা অধিদপ্তরে ফার্মাসিস্ট পদে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
09/04/2018

কারা অধিদপ্তরে ফার্মাসিস্ট পদে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

। শুক্রবার বিকেল ৩ টায় একযোগে নবকুমার ইনস্টিটিউশন ও ডা. শহীদুল্লাহ কলেজ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট বুয়েট ক্যাম....

01/02/2018

মেডিনিউজ ডেস্ক :
দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর নিয়োগবিধি পরিবর্তন করে তা প্রকাশ করা হয়েছে। যে কোন সময় র্পূর্ণাঙ্গরূপে দেশের সকল জাতিয় পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তবে উক্ত নিয়োগ
বিধিতে মেডিকেল টেকনোলজিষ্টদের ননমেডিকেল অফিসার পদায়ন নিয়ে সমালচনা চলছে।
এদিকে কারিগরি বোর্ড পরিচালিত মেডিকেল টেকনোলজি কোর্স থেকে পাশ করাদের ঠিক কিভাবে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যাবস্থায় পদায়ন করা হবে তাও সঠিক বিশ্লেশন দেওয়া হয় নাই। এই বিষয়গুলি নিয়ে কোন সমস্যা সৃষ্টি হবে কি না তাও ভাবছেন কেউ কেউ। তবে দীর্ঘ বিরতির পর কতটা সঠিক ভাবে মেধাবীদের নিয়োগ দেওয়া হবে সেটাই ভাবছে সকলেই।
এমন অবস্থায় পুর্নাঙ্গ নিয়োগের দিকেই সকলেরই দৃষ্টি। আশা করা হচ্ছে যেহেতু বিগত ৯ বছর থেকে কোন মেডিকের টেকনোলজিষ্ট নিয়োগ দেওয়া হয় নাই তাই ২০১৩ সালের আটকে থাকা নিয়োগের থেকে বেশি পরিমানে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে।

01/02/2017

ঘুমের মধ্যে পায়ে টান ধরে? মুক্তির ৩
সহজ কৌশল:
দিব্যি গভীর ঘুমে আপনি মগ্ন। আচমকাই
পায়ে উরুতে কিংবা হাঁটুর নিচে
মাংসপেশিতে হ্যাঁচকা টান ধরল।
সঙ্গে প্রবল ব্যথা। পা ভাঁজ করলে, না
কী টানটান করলে এই আকস্মিক
ক্র্যাম্পের বেদনা থেকে মুক্তি
মিলবে, কিছুই বুঝতে পারছেন না। শুধু
যন্ত্রণায় ছটফট করছেন। আস্তে আস্তে
কিছু ক্ষণ পরে ব্যথাটা চলে গেল ঠিকই,
কিন্তু তার পরও রয়ে গেল হালকা একটা
ব্যথা। আর যতক্ষণ টান ধরে ছিল, ততক্ষণ
তো কার্যত ডাক ছেড়ে কাঁদার মতো
অবস্থা হয়েছিল।
পায়ে এমন হ্যাঁচকা টান কমবেশি
সকলেরই ঘুমের মধ্যে হয়। কিন্তু জানেন
কী, অতি সহজ ঘরোয়া কৌশলে এই
সমস্যা থেকে মুক্তি মিলতে পারে।
কৌশলটি সম্পর্কে জানার আগে জানা
প্রয়োজন, কী কী কারণে পায়ে এ
ভাবে টান ধরে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,
প্রধানত তিনটি কারণে ঘুমের মধ্যে
পায়ে ক্র্যাম্পের সমস্যা হয়। প্রথম
কারণটি হলো ডিহাইড্রেশন, অর্থাৎ
শরীরে জলের অভাব। দ্বিতীয় কারণ,
পটাসিয়ামের অভাব। এবং তৃতীয়টি
ম্যাগনেসিয়ামের অভাব।
বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, অতি সহজে
ঘরোয়া টোটকায় এই ত্রিবিধ অভাব
থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।
আসুন, জেনে নেওয়া যাক কৌশলগুলি।
১) পানির অভাব থেকে মুক্তির
সবচেয়ে কার্যকর এবং সহজ উপায়, বলা
বাহুল্য, বেশি করে পানি খাওয়া। তবে
সারা দিন ধরে যদি পানি পানের
পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব না হয়, তা
হলে শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস
হালকা গরম পানি খান। হালকা গরম
পানির তাপমাত্রা আমাদের শরীরের
রক্তের তাপমাত্রার কাছাকাছি।
ফলে গরম পানি অতি দ্রুত মাংসপেশি
শোষণ করে নিতে পারে।
ডিহাইড্রেশন থেকেও তাই দ্রুত মুক্তি
মেলে।
২) পটাসিয়ামের অভাব মেটানোর জন্য
পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে
খেতে হবে। পালং শাক, মিষ্টি আলু,
নারকোলের দুধ, দই, কলা, মাশরুম প্রভৃতি
খাবার বেশি করে খান।
৩) মাছ, ডার্ক চকোলেট, পালং শাক,
মুসুর ডাল, কুমড়ো বিচি, বাদাম,
ঝোলাগুড় প্রভৃতি খাবারে প্রচুর
পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম থাকে।
কাজেই নিজের শরীর বুঝে এই সমস্ত
খাবার বেশি করে খেলেই
ম্যাগনেসিয়ামের অভাব মিটবে। আর
এই তিন ধরনের অভাব মিটলেই পায়ে
টান ধরার সমস্যা থেকেও নিশ্চিত
মু্ক্তি পাবেন আপনি।

10/12/2016

জানুন, শেয়ার করুন সচেতন হোন!
আজকে দেখা ৩ জন রোগী নিয়ে
লিখছি…
১। প্রথম রোগী অনেক দিন থেকে
হাইপ্রেসার। ঔষধ খেয়ে আসছিলেন,
কিন্তু কি অজানা কারনে গত পনেরো দিন
থেকে ঔষধ খান না। গত বৃহস্পতিবার রাতে
হঠাত করে ডান সাইড পুরো অবশ হয়ে গেল।
সিটি স্ক্যান করে দেখা গেলো ব্রেনে
অনেক রক্তক্ষরন হয়েছে। এই রোগী যদি
ভালো হয় তাহলেও আর আগের মত
সাভাবিক কখনই হতে পারবে না, আর মারা
যাবার সম্ভবনা অনেক অনেক বেশি। এই
রোগী স্ট্রোক করেছে, কারন হঠাত করে
প্রেসারের ঔষধ বন্ধ করে দেয়া। সামান্য
একটু ভুলের জন্য সারা জীবন তাকে ভুগতে
হবে। আসুন সবাই সচেতন হই, নিজের বাবা-
মা, সহ সবাইকে হাইপ্রেসার, ডায়াবেটিস
ও হাটের ঔষধ প্রতিদিন খেতে বলি।আর
ডক্তার ভাই বোনদের বলি যে ঔষধগুলি
সারাজীবন খেতে হয় সেগুলোর সংখ্যা
যত কম হয় তত ভালো হয় রোগীর জন্য।
এক্ষেত্রে কম্বিনেশন ঔষধগুলো ভালো
হয়।
২। রোগীর শরীরে রক্ত নেই। আমি রক্ত
শূন্যতার কারন খোজার চেষ্টা করছি।
পিবিএফ এ তার Macrocytic anaemia আসছে।
রোগী ভেজিটেরিয়ান না। পোষ্ট
মেনোপোজাল, অন্য কোন কারন পেলাম
না Macrocytic anaemia এর। পায়খানা
সাভাবিক। Endoscopy of upper GIT normal.
শেষে রোগী বলল তিনি গত তিন বছর
ধরে গ্যাসের ঔষধ খান প্রতিদিন ২ টি
করে। গ্যাসের ঔষধ অনেক দিন খেয়ে
ভিটামিন বি১২ শোষন কমে গিয়ে এমন
হয়েছে। সবার কাছে অনুরোধ পেটে
আলসার আর বিশেষ কিছু কনডিশন ছাড়া
গ্যাসের ঔষধ খাবেন না। গ্যাসের ঔষধ
অনেক দিন খেলে মারাত্নক সমস্যা দেখা
দিতে পারে এবং আপনি বুঝতেই পারবেন
না সেটা গ্যাসের ঔষধের জন্য হয়েছে।
৩। রোগীর হাটুতে ব্যাথা, ব্যাথার ঔষধ না
খেলে কমে না। তাই প্রতিদিন গ্রামের
ডাক্তারের কাছ থেকে ব্যাথার ঔষধ
কিনে খান। এখন এসেছেন শরীরে অনেক
সমস্যা নিয়ে। বুঝতেই পারছেন তার
কিডনীদুটো নষ্ট হয়ে গেছে। ব্যাথার ঔষধ
বেশিদিন খাওয়া যাবে না। ব্যাথা নয়,
ব্যাথার কারনের চিকিতসা দরকার তবেই
ব্যাথা ভালো হবে। শুধু ব্যাথার ঔষধ
খেয়ে নিজের কিডনী দুটোকে নষ্ট
করবেন না।
আজকের লেখার উদ্দেশ্য-“হাইপ্রেসার,
ডায়াবেটিস ও হাটের ঔষধ প্রতিদিন
খেতে হবে”, আর গ্যাসের ঔষধ আর
ব্যাথার ঔষধ মুড়ি মুড়কির মত খাওয়া যাবে
না; এসবের ব্যাপারে জনসচেতনতা বৃদ্ধি
করা।

28/11/2016

আই,এইচ,টি আমার জীবন ধংস্স করে
দিল।।।। বতর্মানে চোখের জল আর
অবহেলা প্রতিদিন আমার সাথী,,,,
আমি ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট। আমি
অনেক আাশা নিয়ে ফার্মেসীতে
ভর্তি হয়েছিলাম, ছিল অনেক সপ্ন। আজ
আমার সরকারি চাকরির বয়স শেষের
পথে, সারকুলার দিয়ে ঝুলে আছে
বছরের পর বছর, নিয়োগের কোন খবর নাই।
সরকারের দৃষ্টি আমাদের দিকে নাই।
বেসরকারির অবস্থা আর ও কঠিন বেতন ৮
হাজার টাকা বেতন দিতে চাই ঢাকা
শহরে, ঢাকার বাইরে ৬ হাজার। এই
বেতনের চাকরি তাও সবার কপালে
যুটে না।
আজ বাবা-মায়ের কাছে বোঝা,
আত্মীয় স্বজনেরর কাছে খারাপ,
প্রতিবেশীর চোখে বেকার। নাই কোন
সরকারি -বেসরকারি চাকরি।মাঝে
মাঝে খাবার খাওয়ার সময় বাবা
মায়ের ক্ষোভের কথা শুনে খাবার
গলা থেকে পেটে নামে না। চাকরির
আশায় পাচ্ছি না কোন কিছু করতে। ৫
টাকা দরকার হলে বাবার কাছে অনেক
কথা শুনতে হয়,বাবা দিবে আর কত! আরও
তো ভাই বোন আছে,আমি তো একা
নোই।
পরিবারের সম্মানের দিকে তাকিয়ে
পারছিনা মাঠে কাজ করতে,না
পারছি কোথাও রাজমিস্ত্রির কাজ
করতে, না পারছি হোটেলের বয়
হিসেবে চাকরি করতে, না পারছি
আত্মহত্যা করতে,যাব কোথায়?
চোখের জলে প্রতিদিন কাটছে। কেউ
আমাকে বুঝে না, বাবা-মা,
সরকার,কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান
আমাদের জন্য কোন কিছু করবে না, আজ
সবার কাছে চোখের বিষ। আত্মহত্যা
পাপ না হলে মরার কথা বলা লাগত না।
হাত পা থাকা সত্তেও আজ প্রতিবন্ধী।
তাই ভাবছি নিজের জন্য কিছু করতে
হবে, বসে থাকলে হবে না। কিন্তুু
সরকারি চাকরির বয়স শেষ না হওয়া
পর্যন্ত বাবা টাকা দেবে না। তখন খুব
বেশি দিলে ২ লক্ষ টাকা দিবে।
তাতে কি করবো, সে টাকা যদি হাত
ছাড়া করে দিই,তখন আর আমান কোন পথ
থাকবে না।
আমাদের তো কেউ বুঝেনা। বর্তমানে
ভাবছি অটো ভ্যান কিনে চালাবো,
তাতে ১০/১২ হাজার টাকা আয় করতে
পাবো।আর কারও কাছে বোঝা হয়ে
থাকবো না। সম্মানের দিক দেখলে
জিবন চলবে না।

27/08/2016

ইনশাআল্লাহ,
খুব শীঘ্রই #ফার্মাসিস্টদের একটা নিয়োগ হতে যাচ্ছে

07/08/2016

মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ,
আমাদের ( ফার্মাসিস্ট দের) সরকারী চাকরির সার্কুলারটা দেন।

বেকার জীবন আর ভাল লাগে না। :D

27/07/2016

আগামীকাল সকাল ৮ টার দিকে
আপীল বিভাগে রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা
অনুষদের MEDICAL TECHNOLOGIST &
PHARMACISTদের আপীলের শুনানির উপর
দেশের ১৬ কোটি জনগণের নিরাপদ
রোগ নির্ণয় সেবা পাওয়ার ভাগ্য
নির্ধারণ হতে পারে।
আপীল বেঞ্চ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে
প্রতিটি উপাদানের বিশ্লেষণ শুনুক,
এই কামনা করি। প্রয়োজনে ৬ মাস
লাগুক শুনানি শেষ হতে।
সবাই না হোক, অন্তত যারা পেশার
প্রতি সামান্যতম শ্রদ্ধাবোধ রাখেন
সুপ্রীমকোর্টে আসবেন।
দোয়া/আশীর্বাদ,প্রার্থনা করুন।

17/07/2016

"একটি রেজুলশনের পূর্বে মামলা,
আন্দোলন, হামলা, কর্মবিরতি
প্রসঙ্গক্রমে
প্রতিটি Medical Technologistকে কিছু সত্য
কথা জানতেই হবে।"
বিগত ১৮/০১/২০১৩ইং তারিখে
পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও
ফার্মাসিস্ট নিয়োগ প্রকাশ করে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয়
চিকিৎসা অনুষদ থেকে পাশকৃতরাই
আবেদনের যোগ্য ছিলেন। কারিগরি
শিক্ষাবোর্ড থেকে ভূয়া মেডিকেল
টেকনোলজি কোর্স সম্পন্নকারীরা
এতে সংক্ষুব্ধ হয়ে আদালতে স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে একটি রিট করে।
এই রিটের শুনানি বিভিন্ন বেঞ্চ
ঘুরেফিরে ২০১৫ইং সালে
হাইকোর্টের ২৭ নম্বর বেঞ্চে এসে
স্থিতিলাভ করে।.
আমরা যারা প্রাইভেট জব করি এবং
যারা বেকার তারা "সরকারের
মামলা নিষ্পত্তির গতিবেগ দেখে
চিন্তিত হই এবং আরো সন্দেহপোষণ
করি যদি সরকার মামলা আপোষ করে
নেয় তখন কি হবে!"
এসব চিন্তা থেকেই BMTA সভাপতি
জনাব আলমাছ আলী খান বেকারদের
চাপে পরে মামলায় ৩য় পক্ষ(Third Party)
হওয়ার চেষ্টা করেন। এও জনশ্রুতি
রয়েছে যে তিনি প্রায় ১.৫ লক্ষ টাকা
এক আইনজীবীকে দিয়েছিলেন বটে,
কিন্তু প্রতারিত হয়েছিলেন!
আরোও জনশ্রুতি রয়েছে যে, কিছু
সংগঠনও নাকি চেয়েছিলেন মামলার
Additional Responded (Third Party) হতে, কিন্তু
সুযোগ* নিতে পারেন নি।.
Anyhow Additional Responded হতেই হবে, এই
দৃঢ় শপথ নিয়ে পরিক্ষিত কিছু ছেলে
পর্দার আড়ালে থেকেই চেষ্টা
করেছেন নিরন্তর। পরিশেষে তারা
সফল হয়েছিলেন। এই তারা কারা?
১) শফিক, ২) শিবলী, ৩) সিরাজ(সরকারী
চাকুরীর বয়স শেষ), ৪) শেখ সাদি, ৫)
জলিল, ৬) শাকিল, ৭) মুস্তাফিজুর সহ নাম
না জানা আরো অনেক কাণ্ডারি*।
এরা সবাই একটি সংগঠনের সদস্য, নাম
যার "বেকার & প্রাইভেট সার্ভিসেস
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট
এসোসিয়েশন/BPSMTA"।
এই সংগঠনটি রাজনৈতিক নয়,
ভবিষ্যৎকালেও যাতে এটি
রাজনৈতিক রুপ না পায় এব্যাপারে
সবাইকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে।
ছাত্র এবং সরকারী চাকুরীজীবী
ব্যতীত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সব
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এই
সংগঠনের সদস্য। আপনি যেকোন দলকেই
সমর্থন করতে পারেন, সেই স্বাধীনতা
আমারো আছে।
যাইহোক প্রথমদিকে নিজেদের
পকেটের টাকায় তারা মামলার
পিছনে ছুটছে। যখন পেরে উঠতে পারে
নাই হাত পেতেছে সাধারণ/অসাধারণ
মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের নিকট।
কেউ হেল্প করেছেন, কেউ করেননি
বরং উল্টো চাঁদাবাজ তকমা
দিয়েছেন!, নানারকম উপহাস করেছেন।
কিছু সংগঠন টোপ দিয়েছেন মামলার
ক্রেডিট* তাদেরকে দিলে অর্ধেক খরচ
তারা বহন করতো!
যাইহোক, তারুণ্য লাজলজ্জা ত্যাগ করে
একটি পেশাকে বাঁচাতে, বেকারদের
কর্মসংস্থান করতে, অধ্যয়নরত
জুনিয়িরদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে পিছু
হটেনি, বরং উপহাস ও তাচ্ছিল্যকে
আরোও অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়ে
সামনে এগিয়েছে।.
জানুয়ারিতে মিটিং করে তারা
মামলার বর্তমান(তৎকালীন) অবস্থা
আমাদের সবাইকে জানিয়েছিলেন।
এরপর থেকেই আমি Ripon Sarkar Pallab
নিয়মিত প্রতিটি শুনানিতে উপস্থিত
থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।
অতিসামান্য আর্থিক হেল্প (যা ওইসময়
আমার কাছে অনেক বিশাল ছিল)
করেছি। যখন যেখানে যেতে বলছে
গিয়ে সেই কাজটা করবার চেষ্টা
করছি। আমি এই BPSMTA-এর কোন সদস্য নই।
হৃদয়ে যার বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রক্ত বহমান,
তার কোন সংগঠনের দরকার আছে বলে
মনে করি না। এজন্যই আমি কোন
সংগঠনের সাথেই জড়িত নই।.
মামলার শুনানি চলাকালীন সময়ে
আদালত, আইনজীবী, বিচারপতি ও
বিচারের সিস্টেম সম্পর্কে নানারকম
অবস্থার বিবরণ দিয়ে নিয়মিত
লেখালেখি আমি করে গেছি।
আমি বলেছিলাম শক্ত মাঠ কাঁপানো
আন্দোলন দরকার। সবাই মুখিয়ে ছিলেন,
কিন্তু কেউ ডাক দিচ্ছিলেন না।
একপর্যায়ে বিবেকের তাড়োনায়
একাই প্রেসক্লাবের সামনে
দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে আরোও
দশজনকে সাথে নিয়ে ০৭ মে
দাঁড়িয়েছিলাম। ঘুম ভাঙা শুরু হলো। ১৩
তারিখে বৃহৎ মানববন্ধন হলো।
ধারাবাহিক আন্দোলন ব্যক্তিগতভাবে
হয় না। ১৪ তারিখ থেকে MT Samiul
Bashir, Hadiatul Islam Shibly, Joshim Jony
ছাত্রদের নিয়ে ধারাবাহিক
আন্দোলন শুরু করলেন। ৩২ বছর পর
কর্মবিরতি দিতে বাধ্য হলো
পেশাজীবীরা, ইতিহাস সৃষ্টি
হয়েছিল।.
আন্দোলন চলাকালীন সময়েই ২৪/০৫/১৬
ইং তারিখে দেশের জনস্বাস্থ্য
বিরোধী একটা রায় আসলো। জাতীয়
দাবী বাস্তবায়ন পরিষদের যে
পরিমাণ ক্ষোভে ফেটে করার কথা
তারা সেই পরিমাণ ক্ষোভের বিন্দু
পরিমাণ দেখাননি। তারা কোন
প্রস্তুতি ছাড়াই মহাসমাবেশের ডাক
দিলেন ২৯/০৫/১৬ ইং তারিখে। আমরা
নিজেদের প্রচেষ্টায় নিজেরা
হাজির হয়েছিলাম, সফল করেছিলাম।
তারা লোক দেখানো ০৫/০৫/১৬ ইং
তারিখের কর্মবিরতি ঘোষণা করলেন
এবং ০৪/০৫/১৬ ইং তারিখেই পিছু
হটলেন! তাদের তীরে এসে তরী
ডোবানো চরিত্র তারা প্রকাশ
করলেন। মামলায় হেরে গেলাম, অথচঃ
একটি বারের জন্যও কোর্টে আসলেন না
তারা। ফোন করে কোন হেল্প করবেন,
তাও না!..
এইবার আসি তাদের ২৭ তারিখের
রেজুলেশন নিয়ে।
কিছু প্রশ্ন আছে আমাদের, যৌক্তিক
জবাব থাকলে দয়া করে দিবেনঃ
১) BPSMTAকে কোনদিন আর্থিকভাবে
সাহায্য না করে হঠাৎ কেন্দ্রীয়ভাবে
মামলা চালানোর সাধ/ইচ্ছাটা ঠিক
কোন কারনে? জানতে চাই।
২) BPSMTA যখন ২৮ তারিখে এত কষ্ট করে
আইনজীবীদের মাধ্যমে আপিল
বিভাগে গিয়ে পিটিশন অর্ডার
নিলেন, তখন কোন ধরনের হেল্প
করেছেন বাবু চন্দ্র শেখর অথবা
পারভেজ আলম খান সাহেব?
জানামতে করেন নাই। বরং আগের
আইনজীবী নিজের পকেট থেকে ১৫
হাজার টাকা বের করে বর্তমান
আইনজীবীকে দিয়ে আমাদেরকে
বাঁচাইছেন সেদিন।
৩) ২৭ তারিখে মিটিং করলেন, কেউ
জানলো না? নাকি পিছনের তারিখ
(Back date) দিয়ে ১ তারিখে রেজুলেশন
প্রকাশ করলেন? মহান আল্লাহ্ আর
আপনারাই সত্যটা জানেন, আমি না।
৪) BPSMTAকে সেই মিটিং-এ সাথে
নিয়ে চূড়ান্ত করেছেন মামলা
আপনারা চালাবেন?
৫) পিটিশনার BPSMTAর ছেলেরা,
মামলা চালাবেন আপনারা?....
সবাইকে সতর্ক থাকতে সর্বোচ্চ অনুরোধ
করছি। ঠিক যে মুহুর্তে আমরা সব
প্রেক্ষাপট অনুকূলে রাখার চেষ্টা
করছি, তখন নতুন করে মামলার দায়িত্ব
ব্যর্থ জাতীয় দাবী বাস্তবায়ন
পরিষদকে দেওয়ার প্রশ্ন সম্পূর্ণ অবান্তর।
ছাত্র এবং বেকারদের যা করার করতে
হবে, নতুন কোন ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া
যাবে না।
সরকারী চাকুরেদের ওই সংগঠন
আমাদের জন্য কিছুই করবে না। জসিম-
শিবলীকে এ ব্যাপারে সংগঠিত
হওয়ার অনুরোধ করছি। তারা ভাল
কাজে ডাকুক, সবাই যাবে। জসিম-
শিবলী, সামিউল বশিরকে
মহাসমাবেশে কথা বলতে সুযোগ না
দেওয়ার সেই অপশক্তি কারা? আমি
পারভেজ আলমকে বারবার বলা
সত্ত্বেও কেন সেদিন ৫ মিনিট ওয়েট
করে নি শহিদ মিনারে ঢাকা IHT র
জন্য? শুধু বিতর্কিত করবার জন্য। শুধুই
ক্রেডিট নেওয়ার জন্য আলমাছ ও
সিনিয়রদের বাদ দিয়ে কমিটি হইছে,
ফলে কর্মবিরতি successful হয়নি। মার
খেলেন সিরাজ-আলমগীররা। পুলিশ
ধরলেন শিবলীদের।
সত্য কথা বলাতে আমার দেহের মরণ
হতে পারে, আমার আদর্শের মরণ হবে
না।
Physical dead নিয়ে অত চিন্তিত নই। ১ জন
রিপনের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা হলে, ১০০০
জন রিপনের মুখ দিয়ে সত্য বের হবে।
পালানোর পথটুকুও পাবে না জাতীর
শত্রুরা।..
ভাই-বোনদের একটি অনুরোধ করছি,
যারা মামলা চালাচ্ছে তাদের ঈদ
আনন্দ নেই। আপনার-আমার অস্তিত্বের
স্বার্থে আগের জামাকাপড় পরেই ঈদ
যাবে শফিক সিরাজদের। হাইকোর্টের
আগের আইনজীবীর পেমেন্ট due আছে।
আবার নতুন করে সুপ্রিমকোর্টে আপীল
process, প্লিজ বোনাসের থেকেই একটু
হেল্প করো ভাই-বোন।
মামলার প্রায় >60% তোমরাই দিচ্ছো।
শেষ পর্যায়ে হাল ছেড়ো না প্লিজ।
সহযোগীতা পাঠানো যাবেঃ
নামঃ Md. Shofiqul Islam, Md. Sirajul Islam,
Sheikh Sadi.
একাউন্টঃ 09471-01- 205-839.
পূবালী ব্যাংক, শাহবাগ শাখা।
বিকাশঃ 01716-240935.
DBBL: 01717-9293098.
বিকাশঃ 01737-867302.
[বিঃদ্রঃ যেকোন ভালো কাজে
ভালো মন নিয়ে ডাকলে আমি অবশ্যই
যাবো। যেকোন সংগঠনের ব্যানার
ধরতেও রাজী আছি। রাজনীতি
অস্তিত্বের সাথে নয়।
আমি তেল মারায় বিশ্বাসী না!]

19/05/2016

আন্দোলন চলছে আন্দোলন চলবে যেত
ক্ষন না পর্যন্ত আমাদের দশ দফা আদায়
হবে। ৫২,৭১ রে রাজাকার ছিলো
আমাদের আন্দোলনে অনেক রাজাকার
আছে তাই বলে আমাদের আন্দোলন
থামতে দেওয়া যাবে না। চলছে চলবে....আপনারা সবাই দল বল নির্বিশেষে
আন্দোলন করুন, ,, এটা আমার আপনার একার
আন্দোলন না, এটা আমাদের জাতীগত
আন্দোলন।

জয় হবে ইনশাল্লাহ !!
:)

19/05/2016

▓▓▓▓ সর্বশেষ ▓▓▓▓
** ১০ দফা দাবিতে সারাদেশে
মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ২ ঘণ্টার
কর্মবিরতি চলছে, দুর্ভোগে রোগীরা।
** শিক্ষক লাঞ্ছনার বিচার দাবিতে
বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত পাবলিক
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের মানববন্ধন।
** বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়
রোয়ানুতে রূপ নিয়েছে, ২ নম্বর
সংকেত জারি।

Address

ঠনঠনিয়া বগুড়া। মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল সংলগ্ন।
Bogura
5800

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Institute Of Health Technology - IHT, Bogra posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share