Chilahati Jame Ul Ulum Fazil B.A Madrasha

Chilahati Jame Ul Ulum Fazil B.A Madrasha Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Chilahati Jame Ul Ulum Fazil B.A Madrasha, Community College, Chilahati.

01/08/2025

সকল পাপের উৎস তিনটিঃ-

১) অহংকার — এটি ইবলিসের পতন ঘটিয়েছিলো;

২) লোভ — এটি জান্নাত থেকে আদম (আ.)-কে বের করে দিয়েছিলো এবং

৩) হিংসা — এটি আদম (আ.)-এর এক সন্তানের বিরুদ্ধে অপর সন্তানকে প্রতিশোধপরায়ণ করে তুলেছিলো।

যে ব্যক্তি উক্ত তিনটি বস্তুর অনিষ্ট থেকে বেঁচে থাকতে পারবে, সে যাবতীয় অনিষ্ট থেকে বাঁচতে পারবে।

কেননা কুফরির মূল উৎস হলো অহংকার;
পাপাচারের মূল উৎস হলো লোভ আর বিদ্রোহ এবং সীমালঙ্ঘনের মূল উৎস হলো হিংসা।

- ইমাম ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ,
সূত্র: আল-ফাওয়াইদ গ্রন্থ

01/08/2025

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যার মধ্যে তিনটি গুন আছে, সে ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করতে পারে:
১. আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল (ﷺ) তার নিকট অন্য সকল কিছু হতে অধিক প্রিয় হওয়া।
২. কাউকে একমাত্র আল্লাহর জন্যই ভালবাসা।
৩. কুফরীতে প্রত্যাবর্তনকে আগুনে নিক্ষিপ্ত হবার মত অপছন্দ করা।

[বুখারী ১৬, মুসলিম ৪৩]

19/06/2025

হযরত আলী (রা.)-এর একটি মূল্যবান উক্তি রয়েছে: "বুদ্ধিমান লোকেরা কোনো কিছু প্রথমে অন্তর দিয়ে অনুভব করে, তারপর সে সম্বন্ধে মন্তব্য করে। আর নির্বোধ লোকেরা প্রথমেই মন্তব্য করে বসে এবং পরে চিন্তা করে।"
বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কোনো বিষয়ে মন্তব্য করার আগে গভীরভাবে চিন্তা করেন। তাঁরা পরিস্থিতিকে কেবল বাহ্যিকভাবে দেখেন না, বরং অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে অনুভব করেন।
এর অর্থ হলো, তাঁরা তাড়াহুড়ো না করে, উপলব্ধির স্তর থেকে একটি বিষয়কে বিশ্লেষণ করেন। ফলে তাঁদের মন্তব্য হয় সুচিন্তিত, যুক্তিযুক্ত এবং প্রায়শই নির্ভুল। এমন মানসিকতা কেবল ব্যক্তিগত জীবনেই নয়, সামাজিক ও কর্মজীবনেও সফলতা বয়ে আনে।
আজকের যুগে আমরা মন্তব্যের আগেই মুখ খুলে ফেলি। কেউ কিছু বললেই তা যাচাই না করে প্রতিক্রিয়া দেখাই। সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কিছু লিখলেই জবাব ছুঁড়ে দিই—ভেবেচিন্তে না, অনুভব না করেই।
কিন্তু প্রকৃত বুদ্ধিমানেরা চুপ থাকেন। শ্রবণ করেন। অন্তর দিয়ে বোঝেন কথার প্রেক্ষাপট, পরিস্থিতি ও ব্যথা। তারপর বলেন—যা হয় ছোট, গভীর, সংবেদনশীল এবং যথাযথ।
হাদীসেও এসেছে, “যে আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে, নতুবা চুপ থাকে।” [বুখারী: ৬০১৮]
চুপ থাকা সবসময় দুর্বলতার পরিচয় নয়। বরং এটি আত্মসংযম ও প্রজ্ঞার প্রমাণ। অতএব, কথা বলার আগে অনুভব করুন। যাচাই করুন।

ওয়াফী লাইফ

19/06/2025

"আল্লাহর কসম! অপ্রয়োজনে কু*কুর অথবা শূ*করের ক্ষতি করাও জায়েজ নেই, তাহলে কীভাবে তুমি একজন মুসলিমের ক্ষতি করো?"

— ইমাম ফুদ্বাইল ইবন ইয়্যাদ্ব (রাহিমাহুল্লাহ)
[সিয়ারু আ'লামিন আন-নুবালা : ৮/৩২৭]

19/03/2025

চিলাহাটি জামে উল উলুম ফাজিল মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ২৮ শে রমজান ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে উক্ত ইফতার মাহফিলে আমরা দাখিল ২০ ব্যাচ সকলে উপস্থিত থাকবো ইনশা আল্লাহ। আপনারাও উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানটি সফল করুন।

22/12/2024

ইমাম মুহাম্মাদ বিন মানসুর (রা.) বলেন:

"ছয়টি জিনিস একজন মূর্খ লোকের মাঝে পাবে -
•তুচ্ছ বিষয়ে রেগে যাওয়া,
•উপকার নেই এমন বিষয়ে কথা বলা,
•ভুল জায়গায় উপদেশ দেয়া,
•যা গোপন থাকা উচিৎ সেটিকে ফাঁস করা,
•যে কাউকে বিশ্বাস করে বসা,
•বন্ধু থেকে শত্রুকে আলাদা করতে না পারা।"

[সিফাতুস-সাফওয়া ২/৬৪১]

22/12/2024

যুলম (অত্যাচার) তিন রকমের: الظلم ثلاثة

১- এমন অত্যাচার যা, আল্লাহ্ ক্ষমা করেন না; তা হলো, শিরক করার অত্যাচার। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন: (অবশ্যই শিরক হচ্ছে, বড় অত্যাচার) সূরা লুকমান: ১৩

২- নিজের উপর অত্যাচার করা। আর তা হচ্ছে আল্লাহর অধিকার আদায়ে ঘাটতি করার মাধ্যমে অত্যাচার করা। এই অত্যাচার আল্লাহ্ চাইলে ক্ষমা করে দিবেন। তিনি বলেন: ( অবশ্যই আল্লাহ্ তাঁর সাথে শিরক করাকে ক্ষমা করেন না; এর চেয়ে নিম্ন পর্যায়ের অপরাধ চাইলে ক্ষমা করেন।) (নিসা:৪৮)

৩- এমন অত্যাচার যা তিনি ছাড় দিবেন না, সেটা হচ্ছে বান্দার এক অপরের অধিকার নষ্ট করার মাধ্যমে অত্যাচার করা। মজলুমের অধিকার আদায় করা ব্যতীত জলিমকে ছাড় দিবেন না।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ "তোমাদের অবশ্যই কিয়ামতে অপরের অধিকার আদায় করতেই হবে"। (মুসলিম: ২৫৮২)

© শায়খ আব্দুর রকিব বোখারী

08/08/2024

‘প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি, যার হাত ও জবান থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদে থাকে বা কষ্ট না পায়।’ অথবা ‘প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি, যার হাত ও জবান দ্বারা অন্য মুসলমান শান্তি পায়।’ (বুখারি শরিফ, খণ্ড: ১, ইমান অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: ৪, হাদিস: ৯, পৃষ্ঠা: ১৭)

27/05/2024

প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো এক ধরনের প্রাকৃতিক ঘটনা, যাতে মানুষের আর্থ-সামাজিক ক্ষতি হয়ে থাকে। অনেকের মতে, এটি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবেই ঘটে থাকে। তবে অনেক ক্ষেত্রে মানুষের কাজ-কর্মের প্রভাবে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ায় এ রকম ঘটনা ঘটে থাকে। তবে পবিত্র কোরআন এর ব্যাখ্যা ভিন্নভাবে করেছে।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘মানুষের কৃতকর্মের দরুন স্থলে ও সাগরে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে, ফলে তিনি তাদের কোনো কোনো কাজের শাস্তি আস্বাদন করান, যাতে তারা ফিরে আসে।’ (সুরা : রোম, আয়াত : ৪১)

অর্থাৎ স্থলে, জলে তথা সারা বিশ্বে মানুষের নাফরমানির বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে। বিপর্যয় অনেক রকমের হতে পারে। যেমন—দুর্ভিক্ষ, মহামারি, অগ্নিকাণ্ড, পানিতে নিমজ্জিত হওয়ার ঘটনাবলির প্রাচুর্য, সব কিছু থেকে বরকত উঠে যাওয়া, উপকারী বস্তুর উপকার কম এবং ক্ষতি বেশি হয়ে যাওয়া ইত্যাদি আপদ-বিপদ বোঝানো হয়েছে। (কুরতুবি, বাগভি)

নিম্নে এমন কিছু দুর্যোগের কোরআনি ব্যাখ্যা তুলে ধরা হলো,

১. ঝড়, অতিবৃষ্টি ও ভূমিধস : পৃথিবীর মহাদুর্যোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ঝড়, অতিবৃষ্টি ও ভূমিধস। মানুষের অবাধ্যতা ও কুফরির কারণে কখনো কখনো মহান আল্লাহ তাদের এসব দুর্যোগ দিয়ে সতর্ক করেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর যখন তোমাদের সাগরে বিপদ স্পর্শ করে, তখন তিনি ছাড়া যাদের তোমরা ডাকো, তারা (তোমাদের মন থেকে) হারিয়ে যায়; অতঃপর তিনি যখন তোমাদের রক্ষা করে স্থলে আনেন, তখন তোমরা বিমুখ হয়ে যাও। আর মানুষ তো খুব অকৃতজ্ঞ।

তোমরা কি নিরাপদ হয়ে গিয়েছ যে তিনি তোমাদেরসহ স্থলের কোনো দিক ধসিয়ে দেবেন না অথবা তোমাদের ওপর শিলা বর্ষণকারী বাতাস প্রেরণ করবেন না? তারপর তোমরা তোমাদের জন্য কোনো কর্মবিধায়ক পাবে না। অথবা তোমরা কি নিরাপদ হয়ে গিয়েছ যে তিনি তোমাদের আরেকবার সমুদ্রে ফিরিয়ে নেবেন না, অতঃপর তোমাদের ওপর প্রচণ্ড বাতাস পাঠাবেন না এবং তোমাদের ডুবিয়ে দেবেন না, তোমরা কুফরি করার কারণে? তারপর তোমরা আমার বিরুদ্ধে এ বিষয়ে কোনো সাহায্যকারী পাবে না।’ (সুরা : বনি ইসরাইল, আয়াত : ৬৭-৬৯)

২. বজ্র বিদ্যুৎসহ ঝড়-বৃষ্টি : বজ্রপাত আল্লাহ তাআলার শক্তির নিদর্শনগুলোর একটি, যা তিনি তাঁর প্রিয় বান্দাদের সাবধান করার জন্য রেখেছেন। তিনি চাইলেই যে কাউকে এর মাধ্যমে যেকোনো সময় শাস্তি দিতে পারেন। যদিও সব ক্ষেত্রে পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলা এমনটি করেন না।

যা আল্লাহ তাআলা নিজেই পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন, ‘বজ্র তাঁরই তাসবিহ ও হামদ জ্ঞাপন করে এবং তাঁর ভয়ে ফেরেশতারাও (তাসবিহরত আছে)। তিনিই গর্জমান বিজলি পাঠান, তারপর যার ওপর ইচ্ছা একে বিপদরূপে পতিত করেন। আর তাদের (অর্থাৎ কাফিরদের) অবস্থা এই যে তারা আল্লাহ সম্পর্কেই তর্কবিতর্ক করছে, অথচ তাঁর শক্তি অতি প্রচণ্ড।’ (সুরা : রাদ, আয়াত : ১৩)
মানুষের কাজকর্মই বজ্রপাতের মূল কারণ। খোদাদ্রোহিতা, জেনা, ব্যভিচার, পরকীয়া, অন্যায়-অত্যাচার দুনিয়ায় যত বাড়বে, ততই দুনিয়ার বুকে বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ বাড়বে।

৩. জলোচ্ছ্বাস ও বন্যা : নুহ (আ.) তাদের আল্লাহর সঙ্গে নাফরমানি ও তাঁর সঙ্গে অন্য কিছুকে শরিক করার শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। তবু তাদের চৈতন্যোদয় হয়নি। অবশেষে আল্লাহর আজাব আসে। এক ভয়ংকর প্লাবন ও জলোচ্ছ্বাস তাঁর জাতির অবাধ্য লোকদের ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এমন প্লাবন সেই জাতিকে গ্রাস করেছিল, যেই প্লাবন হাজার বছর ধরে পৃথিবীতে ইতিহাস হয়ে আছে। তখন নুহ (আ.)-এর নৌকায় যারা আশ্রয় নিয়েছিল তারাই রক্ষা পেয়েছিল। আল্লাহ বলেন, ‘আমি তার (নুহের) বংশধরদের অবশিষ্ট রেখেছি বংশপরম্পরায়।’ (সুরা : সাফফাত, আয়াত : ৭৭)

৪. ভূমিকম্প : মহান আল্লাহ আরো বলেন, ‘বলে দাও, আল্লাহ তোমাদের ওপর থেকে অথবা তোমাদের পায়ের নিচ থেকে আজাব পাঠাতে সক্ষম।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ৬৫)

তাফসিরবিদদের মতে, এর ব্যাখ্যা হলো ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের প্রকৃত রূপ কতটা ভয়াবহ, সে বিষয়ে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যখন প্রবল কম্পনে প্রকম্পিত হবে জমিন, এবং চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে পড়বে পর্বতমালা, অতঃপর তা পর্যবসিত হবে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায়।’ (সুরা : ওয়াকিয়া, আয়াত : ৪-৬)

তা ছাড়া মহান আল্লাহ ভূমিকম্পের মাধ্যমেই কিয়ামত সংঘটিত করবেন। এ ব্যাপারে কোরআনে সুরা যিলযাল নামে পূর্ণাঙ্গ একটি সুরা অবতীর্ণ করেছেন।

৫. খরা ও অনাবৃষ্টি : অনাবৃষ্টি ও খরার মূল কারণও আল্লাহর নাফরমানি। আল্লাহর নাফরমানির কারণে কখনো কখনো অনাবৃষ্টি দেখা দেয়। পবিত্র কোরআনে এই দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণের পথ বাতলে দেওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর বলেছি, তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয় তিনি মহাক্ষমাশীল, তিনি তোমাদের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত করবেন...।’ (সুরা : নুহ, আয়াত : ১০-১১)

অর্থাৎ মানুষ যখন তার নাফরমানি থেকে ফিরে আসবে, মহান আল্লাহ তাদের ক্ষমা করে দিয়ে দুর্যোগ থেকে নিস্তার দেবেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের প্রবল পরাক্রমশালী প্রভু বলেছেন, যদি আমার বান্দারা আমার বিধান মেনে চলত, তবে আমি তাদের রাতের বেলায় বৃষ্টি দিতাম, সকালবেলায় সূর্য দিতাম এবং কখনো তাদের বজ্রপাতের আওয়াজ শোনাতাম না।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৮৭০৮)

আমাদের উচিত, সব ধরনের দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে মহান আল্লাহর কাছে বেশি বেশি তাওবা করা। মহান আল্লাহ সবাইকে ক্ষমা করুন। আমিন।

Ohee -ওহী

24/05/2024

#দেড় হাজার বছর আগে রাসূলুল্লাহ (সা.) জানিয়েছেন ৭ টি বৈশিষ্ট্য ইহুদি মেয়েদের মধ্যে আছে আর এই সাতটি বৈশিষ্ট্য যদি কোন মুসলিম মেয়েদের মধ্যে থাকে তবে তাদের হাশর হবে ঐ সকল ইহুদি মেয়েদের সাথে। সেই সাতটি বৈশিষ্ট্য হলো :

১. #আন্নানা- এর অর্থ হলো বেশি বেশি চাই জিনিসপত্র অনেক আছে তবুও তবুও অনেক চাই স্বামীকে বলে শুধু আমার জন্য দাও। নিজের মা-বাবা ভাই-বোন এদের জন্য কোন কিছু দিও না,

২. #মান্নানা- এর অর্থ হল স্বামীকে শুধু সব সময় সকল ক্ষেত্রে খোটা দেয় অর্থাৎ খোটা দেওয়া এই স্বভাব ইহুদী মেয়েদের,

৩. #হান্নানা- হান্নানা এর অর্থ হচ্ছে স্বামীর খেদমত না করা ,উল্টো আরো স্বামীকে দিয়ে খেদমত করিয়ে নেয়া। হযরত খাদিজাতুল কুবরা আল্লাহর নিকট থেকে সালাম পাওয়ার একমাত্র কারণ ছিল স্বামীর খেদমত করা।

৪. #কান্নানা- স্বামীকে মাঝে মাঝে বলে তুমি আমারে চেনো? আমি অমুকের মেয়ে, তমুকের মেয়ে, চেয়ারম্যানের মেয়ে ইত্যাদি ইত্যাদি। স্বামীর সামনে নিজেকে বড় করে দেখানো, স্বামীকে ছোট মনে করা এটা ইহুদি মেয়েদের গুণ।

৫. #হাত্তকা্হ- হাত্তকাহ শব্দের অর্থ স্বামীর পছন্দের গুরুত্ব না দেওয়া। স্বামী যদি দুই টাকার জিনিসও আপনাকে দেয় তবে তা আপনাকে আলহামদুলিল্লাহ ভালো গ্রহণ করতে হবে। পরে মন ভালো হলে আরেকটা জিনিস আবদার করে নিয়ে নিবেন, স্বামীর মনে দুঃখ দেওয়া যাবে না।

৬. #শাত্তকা্হ- এর অর্থ হচ্ছে স্বামীকে হারাম ইনকাম করতে বাধ্য করা। স্বামীর হালাল ইনকামে আপনাকে সন্তুষ্ট থাকতে হবে। যদি আপনার কারণে আপনার স্বামী হারাম ইনকাম করে তাহলে স্বামীর সাথে আপনাকেও জাহান্নামে যেতে হবে।

৭. #বার্রকা্হ- এ অর্থ স্বামীকে মাঝে মাঝে ধরে মারা। অর্থাৎ স্বামীর গায়ে হাত তোলা এটা ইহুদি মেয়েদের স্বভাব।

#উপরোক্ত এই সাতটি গুন যেই মেয়েদের মধ্যে থাকবে তারা নামায, রোযা এবং পর্দা করলেও তাদের হাশর কিন্তু হবে ইহুদি মেয়েদের সাথে। আল্লাহ আমাদের মুসলিম মেয়েদের হাদীসটি আমল করার তৌফিক দান করুক।
আমিন -ইমাম গাজ্জালী( রহঃ) ৷
(সংগৃহীত)

31/01/2024

শেখ সাদি বলেন, একবার আমার পায়ে জুতো ছিল না। টাকা পয়সাও নেই। টাকার অভাবে জুতো কিনতে পারছি না।

এরই মধ্যে একদিন জুতোর দোকানের সামনে দিয়ে যাচ্ছি। থরে থরে সাজানো রঙ বেরঙের জুতো।
কিন্তু কেনার সামর্থ নেই।

হঠাৎ দৃষ্টি পড়ল এক হতদরিদ্রের প্রতি। তাকিয়ে দেখি লোকটা রাস্তার পাশে গড়িয়ে গড়িয়ে হাঁটছে। কারণ লোকটা খোঁড়া। তার পা দু'খানি নেই।

জুতো নেই বলে আমার দুঃখ হচ্ছে। কিন্তু বেচারার তো পা দুটোই নেই। তার দুঃখ বরং আমার চেয়ে অনেক বেশি। আমি তো ওর চেয়ে অনেক সুখেই আছি।

জুতো না থাকার বেদনা আমি মুহূর্তেই ভুলে গেলাম। কারণ ঐ লোকটার চেয়ে আমার অবস্থা অনেক ভালো।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি পরকালের বিষয়ে তারচেয়ে অগ্রসর কারো দিকে তাকাবে এবং পার্থিব বিষয়ে তারচেয়ে পিছিয়ে পড়া ব্যাক্তির দিকে তাকাবে, সে শোকরগুজার ও ধৈর্যশীল বান্দা হতে পারবে।

আর যে ব্যক্তি পরকালের বিষয়ে তারচেয়ে পিছিয়ে পড়া কারো দিকে তাকাবে এবং পার্থিব বিষয়ে তারচেয়ে অগ্রসর ব্যক্তির দিকে তাকাবে, সে কখনো শোকরগুজার ও ধৈর্যশীল হতে পারবে না! [তিরমিযি : ২৫১২] ...

করোনায় কত মানুষ চাকরি-হারা হলো। কত মানুষ শহর ছেড়ে গ্রামে পাড়ি জমাল। বরং অসংখ্য মানুষ দুনিয়া ছেড়েই পরকালে পাড়ি জমাল। আমি আপনি সুস্থ সবল থেকে দু'মুঠো ভাত মুখে দিতে পারছি। এরচেয়ে বড় শুকরিয়ার বিষয় আর কী হতে পারে?

দুনিয়ার দিকে লক্ষ করলে দেখুন আপনার চেয়ে কষ্টে কে আছে। তাহলে আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে পারবেন। আর আখিরাতের দিকে লক্ষ করলে দেখুন আপনার চেয়ে বেশি আমল কে করে। তাহলে ভালো মানুষ হতে পারবেন।

© আবুল হাসানাত কাসিম

Address

Chilahati

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 16:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chilahati Jame Ul Ulum Fazil B.A Madrasha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Chilahati Jame Ul Ulum Fazil B.A Madrasha:

Share