24/10/2022
ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যারের এই কথাটার গুরুত্ব।
সারা জীবন অনেক ইবাদত করেছেন। গুনাহ তেমন করেন নাই। এতো বেশি ইবাদত করেছেন যে, ভাবছেন ফেরেশতারা আপনার জন্য কবরে ফুলের বিছানা বিছিয়ে রাখবে।
কিন্তু মরার পর কবরে গিয়ে দেখলেন ফেরেশতারা হাতে মুগুর নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আপনিতো অবাক! বললেন, আমি সারা জীবন এতো এতো ইবাদত করলাম, আর তার পরিবর্তে এসব কি?!
ফেরেশতারা বলবে, সারা জীবন যা করেছ সব শিরক আর বিদাত!!
আপনি বলবেন, আমিতো সব বড় হুজুরের কথা মতোই করেছি! তাহলে ভুল কেন হবে?!
ফেরেশতারা বলবে তুমি বড় হুজুরের কথা যাচাই কর নাই। সে সত্য বলেছে না মিথ্যা বলেছে। ভুল বলেছে না সঠিক বলেছে।
আপনি বলবেন, তাহলে আমাকে আর একবার সুযোগ দেয়া হোক। জীবন দিয়ে পৃথিবীতে পাঠানো হোক, আমি যাচাই বাছাই করে সঠিক ইবাদত করে আসব।
তখন ফেরেশতারা আপনাকে ছেড়ে দিবে আপনি আবার পৃথিবীতে এসে ভাল কাজ করে যাবেন তাইতো???
না ভাইরে জীবন একটাই, সুযোগ একবারই। একটু যাচাই বাছাই করে ইবাদত করেন।
অর্থসহ একটু কুরআন-হাদীস পড়েন। কুরআন-হাদীস পড়লে আপনি আলেম বা মূফতি হয়তো হতে পারবেন না। কিন্তু অন্তত এতোটুকু বুঝা শিখবেন কোন আলেম ভুল বা মিথ্যা বলে আর কোন আলেম সঠিক বলে।
[আল্লাহ তাআলা স্যারকে কবরে শান্তিতে রাখেন, কবরটা জান্নাতের বাগিচা বানিয়ে দিন ,,, আমিন।]
~সংগৃহীত