Bangladesh Forest Research Institute, Chittagong

Bangladesh Forest Research Institute, Chittagong বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট বন ও বনজ সামগ্রীর ওপর গবেষণা পরিচালনার জন্য চট্টগ্রামের ষোলশহরে অবস্থিত একটি জাতীয় গবষেণা ইনস্টিটিউট। এটি মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন এজেন্সির (USAID) কারিগরি সহায়তায় ১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান বন গবেষণা পরীক্ষাগার (EPFRL) হিসেবে স্থাপিত হয়। শুরুতে উদ্দেশ্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের বনজ সামগ্রীর সদ্ব্যবহার, কিন্তু পরবর্তীকালে বনভূমিতে বৃক্ষের ঘনত্ব দ্রুত হ্রাস পাওয়ায

় বন ব্যবস্থাপনা গবেষণা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়ে। ফলে ১৯৬৮ সালে খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন প্রকল্প এই দুই প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় বন ব্যবস্থাপনা শাখা গঠিত হয় এবং পূর্ব পাকিস্তান বন গবেষণাগারটি অতঃপর পূর্ণাঙ্গ বন গবেষণা সংস্থা হয়ে ওঠে এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট এই নতুন নামে পুনর্গঠিত হয়।

এই সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য: দারিদ্র্য বিমোচনকল্পে প্রযুক্তিগত উপকরণাদি সরবরাহের মাধ্যমে পার্বত্য, সমতল, পল্লী ও উপকূলীয় বনের উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নয়ন; সর্বোত্তম ও পরিপোষক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য পতিত ও প্রান্তিক জমিতে বনায়ন ও কৃষিবনায়নে গবেষণা সুবিধা প্রদান; প্রযুক্তিগত উপকরণ যোগানোর মাধ্যমে বনজ দ্রব্যাদির যুক্তিযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিতকরণ; জাতীয় ও পল্লী বনাঞ্চলে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য সংরক্ষণে সহায়তা প্রদান।

পরিচালক এই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী প্রধান। বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট দুটি শাখার (বন ব্যবস্থাপনা শাখা ও বনজ সামগ্রী শাখা) অধীন ১৭টি গবেষণা বিভাগের মাধ্যমে বনজ দ্রব্যের ব্যবহারিক ও অভিযোজ্যতা (adaptive) গবেষণা পরিচালনা করে। বন ব্যবস্থাপনা শাখায় আছে: বনবিদ্যা গবেষণা, বন বংশাণুবিদ্যা, ম্যানগ্রোভ বনবিদ্যা, বৃক্ষচাষ পরীক্ষণ ইউনিট, বন-অর্থনীতি, বীজতলা, বনসম্পদের তালিকা প্রণয়ন, মৃত্তিকাবিজ্ঞান, বনরক্ষণ ও গৌণ বনজ দ্রব্যাদি। বৃক্ষপরিবেশগত (dendroecological) অবস্থার ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই সংস্থার ২১টি গবেষণা স্টেশন রয়েছে। বনজ সামগ্রী শাখার অন্তর্ভুক্ত গবেষণা বিভাগে আছে কাঠের কাজ ও কাষ্ঠ প্রকৌশল, টেকসইকরণ (seasoning) ও কাষ্ঠ পদার্থবিদ্যা, কাঠ সংরক্ষণ, মন্ড ও কাগজ, ভিনিয়ার ও মিশ্র কাষ্ঠদ্রব্য ও বনরসায়ন। প্রধান গবেষণা কর্মকর্তা শাখাপ্রধান এবং বিভাগীয় কর্মকর্তা বিভাগের প্রধান। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে ১১ সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা বোর্ড গবেষণা ও অন্যান্য বিষয়ে নীতিনির্ধারক নির্দেশাবলি প্রদান করে।

এই প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণির ৭০ জন গবেষক এবং প্রায় ৬৫০ জন সহায়ক কর্মকর্তা ও কর্মচারী বর্তমানে কর্মরত। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গবেষণা কর্মসূচি হলো: টেকসই উৎপাদনের জন্য বৃক্ষপ্রজাতি উন্নয়ন; ক্লোনজাত ও বীজজাত চারাগাছের বাগান ও বীজতলা স্থাপন; মাইক্রোবিস্তারণ কৌশল উন্নয়ন; নার্সারি, বনায়ন এবং পাহাড়, সমতল ও ম্যানগ্রোভ বনের বনবিদ্যাগত উন্নয়ন; বৃক্ষরোপণ, পল্লী বনায়ন ও কাঠনির্ভর শিল্প সম্পর্কে আর্থ-সামাজিক সমীক্ষা পরিচালনা; বন ও নার্সারির জন্য সমন্বিত ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ ব্যবস্থাপনা; পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা গবেষণা; শিল্প ও অন্যান্য কাজে কাঠের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, গুণগত উন্নতি সাধনের জন্য কাঠ সিজনিং, বনজ দ্রব্যের স্থায়িত্ব বৃদ্ধির জন্য সংরক্ষক দ্রব্যাদি ব্যবহার; শিল্পকর্মে বর্জ্যকাঠের ব্যবহার, মন্ড উৎপাদনের উন্নত পদ্ধতি উদ্ভাবন, মন্ড আমদানির বিকল্প হিসেবে দেশী কাঁচামাল থেকে মন্ডপ্রস্ত্তত; সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শসেবা।

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি এবং বন ব্যবস্থাপনা ও বনসম্পদ সদ্ব্যবহারের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি উদ্ভাবন করেছে। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য: বাঁশ-চাষের সহজ কৌশল, পল্লীগৃহের নির্মাণসামগ্রীর আয়ুষ্কাল বৃদ্ধির কৌশল, বনবৃক্ষ প্রজাতির বংশবিস্তার ও বাঁশের টিস্যু-কালচার, সৌরশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কাঠের সিজনিং এবং এজন্য রোদ কাজে লাগিয়ে কাঠ সিজনিংয়ের জন্য একটি সহজ, স্বল্পব্যয়ী ও কার্যকর সৌরভাঁটি উদ্ভাবন; রেলের স্লিপারের জন্য অপ্রচলিত কাঠ; নার্সারি ও আবাদের প্রধান ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গ ও রোগবালাই শনাক্তকরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ। কাঠের বর্জ্য কাজে লাগিয়ে নতুন ধরনের পণ্য, প্যানেল সামগ্রী ও পার্টিকেল বোর্ড তৈরির কৌশলও উদ্ভাবন করা হয়েছে।

এই ইনস্টিটিউট থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ৭০০টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত রয়েছে। ইনস্টিটিউটের সাময়িকী Bangladesh Journal of Forest Science বছরে দুবার প্রকাশিত হয়।

ইনস্টিটিউট নিয়মিত সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠান এবং বাঁশচাষ, নার্সারি কৌশল, কৃত্রিম বনের অধিক উৎপাদনশীলতা, স্থান নির্ধারণের জন্য জমির সম্ভাবনা মূল্যায়ন, কাঠশনাক্তি, কাঠ সংরক্ষণ, কাঠ সিজনিং, কাঠপ্রযুক্তি ইত্যাদি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করে থাকে। বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট বনের উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহার সম্পর্কে বিভিন্ন সংস্থাকে পরামর্শ ও কারিগরি সেবা দেয়।

চট্টগ্রাম শহরে প্রায় ৭৫ একর জমির উপর ইনস্টিটিউটের একটি প্রশাসনিক ভবন এবং দুইটি গবেষণাগার/অফিস ভবন রয়েছে। গবেষণাগারগুলিতে বনায়ন গবেষণা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা আছে। ফিল্ড স্টেশনগুলিতে প্রায় ৩,৫০০ একর জমিসহ গবেষণাগার, অফিস ও আবাসিক সুবিধা রয়েছে।

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটে বনায়ন ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর ১২ হাজারের বেশি বইপত্রের একটি আধুনিক গ্রন্থাগার আছে। তদুপরি ইনস্টিটিউটের রয়েছে অনধিক ১৬,০০০টি ঔষধি লতাগুল্ম এবং উদ্ভিদতত্ত্ব গবেষণার জন্য শতাধিক প্রজাতির দেশী ও বিদেশী বৃক্ষসমৃদ্ধ একটি বৃক্ষ উদ্যান।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের এমএস ১ম টার্মের ৩৮ জন শিক্ষার্থী ও ৭ জ...
21/05/2026

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের এমএস ১ম টার্মের ৩৮ জন শিক্ষার্থী ও ৭ জন শিক্ষক গতকাল ২০ মে ২০২৬ তারিখে বিএফআরআই পরিদর্শন করেন। শিক্ষকগণের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রাকিবু, অধ্যাপক ড. রুমানা রানা, অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. নবীউল ইসলাম, অধ্যাপক ড.আরিফা শারমিন, অধ্যাপক ড. আব্দুস সোবহান মল্লিক।
পরিদর্শনের শুরুতেই বিএফআরআই মিলনায়তনে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। বিএফআরআই ডকুমেন্ট্রি প্রদর্শনের পর তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ শাখার সিনিয়র রিসার্চ অফিসার জনাব মো. জহিরুল আলম এর সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা, বনজ সম্পদ উইং ড. মো : মাহবুবুর রহমান। সভায় প্রম্নোত্তর পর্বে শিক্ষার্থী ঋধী জানতে চান পার্বত্য এলাকার ব্যরেন ল্যান্ডকে কিভাবে বনায়নের আয়তায় আনা যায়। উত্তরে ড. মো মাহবুবুর রহমমান পাহাড়ী বনায়নে বিএফআরআই এর প্রযুক্তির সহ নানা উদ্যোগের কথা বলেন। অধ্যপক ড. আ. সোবহান মল্লিক এখানকার ইন্টার্নশীপ সম্পর্কে জানতে চাইলে সুবিধাটির বিস্তারিত জানানো হয়। শিক্ষার্থী ইশমাম আফরোজ সয়েল গবেষণা সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএফআরআই এর গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ সয়েল সাইন্স বিভাগ সম্পর্কে বলা হয়। অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান রাবার চাষে শুধু আরআরআইএম ৬০০ বাংলাদেশে ব্যবহার করা হচ্ছে, সেখানে বিএফআরআই এর উদ্ভাবিত ভ্যারাইটিগুলোর ট্রায়াল হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে বলা হয় যে ফটিকছড়ির দাঁতমারাতে ট্রায়াল হচ্ছে। শিক্ষার্থী ফারিয়া বিনতে হান্নান কার্বন সিকো স্টেশন সম্পর্কে জানতে চান। উত্তরে এতবিষয়ে বিএফআরআই এবং বন বিভাগ কাজ করছে বলে জানানো হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে পরিদর্শদলটি বিএফআরআই এর বনজসম্পদউং এর ৬টি বিভাগের গবেষণাকর্ম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

>>> চট্টগ্রাম বন অঞ্চলের বনায়ন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য বিএফআরআই এর প্রযু্ক্তি বিষয়ক ০৩ দিনের প্রশিক্ষণের উদ...
20/05/2026

>>> চট্টগ্রাম বন অঞ্চলের বনায়ন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য বিএফআরআই এর প্রযু্ক্তি বিষয়ক ০৩ দিনের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) কর্তৃক ১৪ মে ২০২৬ তারিখে বিএফআরআই অডিটোরিয়ামে “গণশুনানি” আয়োজন করা হয়। প্রতিষ্ঠ...
16/05/2026

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) কর্তৃক ১৪ মে ২০২৬ তারিখে বিএফআরআই অডিটোরিয়ামে “গণশুনানি” আয়োজন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ও সেবাকে আরও জনসম্পৃক্ত ও অংশগ্রহণমূলক করার লক্ষ্যে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, নার্সারি মালিক, বাগান মালিক, কাঠ ব্যবসায়ী ও উদ্যোগতাগণ সরাসরি অংশগ্রহণ করেন এবং বিএফআরআই-এর সেবা, প্রযুক্তি ও গবেষণা কার্যক্রম বিষয়ে মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব মোহাম্মদ তারিফুল বারী (যুগ্মসচিব), পরিচালক, বিএফআরআই। পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিবিধি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পরিবেশ দূষণ আইন অধিশাখা-২ এর সিনিয়র সহকারী সচিব জনাব রোজলিনা পারভীন।
অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন বন ব্যবস্থাপনা উইং-এর মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ড. হাসিনা মরিয়ম এবং বিভাগীয় কর্মকর্তা (প্রশাসন) জনাব মোহাম্মদ আনিসুর রহমান। স্বাগত বক্তব্যে জনাব আনিসুর রহমান বলেন, বিএফআরআই-এর গবেষকদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি ও গবেষণালব্ধ ফলাফল প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, নার্সারি মালিক, কাঠ ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের মাঝে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ শাখার সিনিয়র রিসার্চ অফিসার জনাব মো. জহিরুল আলম পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে বিএফআরআই-এর বিভিন্ন প্রযুক্তি ও সেবাসমূহ তুলে ধরেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাবলিসিটি অফিসার জনাব মো. এয়াকুব আলী এবং তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ শাখার ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর জনাব মিজানুর রহমান এবং ডিপিপিআই শাখার ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর জনাব প্রদীপ কুমার বিশ্বাস।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. রফিকুল ইসলাম কাঠের ফার্নিচার তৈরির পর কাঠ বেঁকে যাওয়ার সমস্যা ও এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণের উপায় সম্পর্কে জানতে চাইলে ড. হাসিনা মরিয়ম জানান, পরিচালক মহোদয় বরাবর আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট শাখার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
বাগান মালিক জনাব মাহমুদুল হাসান বিএফআরআই-এর অনলাইন সেবা, অ্যাপ ও প্রযুক্তিগত গাইডলাইন বিষয়ে জানতে চাইলে বিভাগীয় কর্মকর্তা (প্রশাসন) জনাব মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন এসব তথ্য সিটিজেন চার্টার ও বিএফআরআই ওয়েবসাইটে সংযুক্ত রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ফোন নম্বরও ওয়েবসাইটে প্রদান করা আছে। এছাড়া বীজ ও চারা সরবরাহ সেবার বিষয়েও তথ্য প্রদান করা হয়।
ময়মনসিংহ থেকে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী মো. মুজাহিদুল ইসলাম পানের বরজের জন্য উপযোগী বাঁশ সম্পর্কে জানতে চাইলে “বাইজ্জ্যা” বাঁশ এক্ষেত্রে অধিক উপযোগী বলে জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে ঔষধি উদ্ভিদের সঠিক ব্যবহার ও পরিবেশভিত্তিক রোপণ সম্পর্কেও আলোচনা হয়। ড. হাসিনা মরিয়ম বলেন, ঔষধি উদ্ভিদ ব্যবহারে সঠিক মাত্রা ও প্রয়োগবিধি অনুসরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি উদ্ভিদের স্বাভাবিক পরিবেশ বিবেচনায় রেখে রোপণ করা উচিত।
সমাপনী বক্তব্যে জনাব মোহাম্মদ আনিসুর রহমান উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান—যেমন গণপূর্ত অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ রেলওয়ে—কাঠ শনাক্তকরণসহ বিভিন্ন সেবার জন্য বিএফআরআই-এর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করে থাকে এবং সরকারি নির্ধারিত ফি-এর মাধ্যমে এসব সেবা প্রদান করা হয়।
পরিশেষে মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ড. হাসিনা মরিয়ম অংশগ্রহণকারীদের বিএফআরআই-এর উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করেন এবং সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে গণশুনানির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (বিএসপিআই) সিভিল (উড) টেকনোলজির ৭ম পর্বের ৫৬ জন শিক্ষার্থী এবং ২ জন শিক্ষকের একটি দ...
14/05/2026

বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (বিএসপিআই) সিভিল (উড) টেকনোলজির ৭ম পর্বের ৫৬ জন শিক্ষার্থী এবং ২ জন শিক্ষকের একটি দল গত ১৩ মে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সূচনায় বিএফআরআই মিলনায়তনে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ শাখার সিনিয়র রিসার্চ অফিসার জনাব মো: জহিরুল আলম এর সঞ্চালেনায় অনষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিএফআরআই এর বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও এর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। সভায় বিভাগীয় কর্মকর্তা ( প্রশাসন) জনাব মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বিএফআরআই-এর প্রতিষ্ঠা ইতিহাস, সাংগঠনিক কাঠামো এবং বিভিন্ন গবেষণা বিভাগের কার্যপরিধি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি উড টেকনোলজি শিক্ষার্থীদের জন্য বিএফআরআই-এর গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিএফআরআই এর সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। এবং এ ধরনের একাডেমিক ভিজিটের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যমান ইন্টার্নশিপ সুযোগ সম্পর্কেও তিনি আলোকপাত করেন।
বিএসপিআই এর পক্ষে সভায় উপস্থিত ছিলেন চিফ ইনস্ট্রাক্টর জনাব মো: ইকবাল হোসেন। এসময় তিনি বিএসপিআই এর পক্ষ থেকে পরিচালক মহোদয় এর জন্য বিভাগীয় কর্মকর্তা(প্রশাসন) জনাব মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
সভা শেষে শিক্ষার্থীরা বিএফআরআই-এর বনজ সম্পদ এর ৫ টি গবেষণা বিভাগ পরিদর্শন করেন, যা সমন্বয় করেন তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ শাখার ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর জনাব মিজানুর রহমান। পরিদর্শনের অংশ হিসেবে কাষ্ঠ যোজনা বিভাগ, কাষ্ঠ সংরক্ষণ বিভাগ, কাষ্ঠ শুষ্কি করণ ও শক্তি নিরূপণ বিভাগ, কাষ্ঠ কারিগরী বিভাগ এবং মণ্ড ও কাগজ বিভাগ ঘুরিয়ে দেখানো হয়। কাঠের ফেলে দেয়া অংশ বা গুড়া কাঠ দিয়েও যে পার্টিকেল বোর্ড বা মিডিয়াম ডেনসিটি ফাইবার বোড তৈরি করা যায় তা শিক্ষার্থীদের সামনে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন গবেষণা কর্মকর্তা জনাব মো: সাদ্দাম হোসেন। রাসায়নিক প্রয়োগে কাঠের আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি বিষয়ে আলোচনা করেন সিনিয়র রিসার্চ অফিসার জনাব মো: আব্দুস সালাম। কাঠ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সাধারণত যে সমস্যাগুলো দেখা দেয় তা মূলত সঠিকভাবে না শুকানোর জন্য সৃষ্ট সমস্যা। এ বিষয়ে বিস্তারিত হাতে কলমে দেখান গবেষণা কর্মকর্তা জনাব মো: আক্তার হোসেন।
কাষ্ঠ কারিগরী বিভাগে বিভিন্ন কাঠের গুণাগুণ ও ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা প্রদান করেন ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর জনাব লিটন কুমার সরকার মণ্ড ও কাগজ বিভাগের সিনিয়র রিসার্চ অফিসার ড. সুবীর কুমার বিশ্বাস এবং গবেষণা কর্মকর্তা জনাব নাজমা খাতুন শিক্ষার্থীদেরকে মণ্ডের ধরন ও প্রস্তুতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন।
সামগ্রিকভাবে এই পরিদর্শন শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জ্ঞানকে বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে সংযুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা যায়।

বালিয়াডাঙ্গীতে বাঁশ চাষ ও বাঁশঝাড় ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত..বিস্তারিত কমেন্ট সেকশনের লিংকে
13/05/2026

বালিয়াডাঙ্গীতে বাঁশ চাষ ও বাঁশঝাড় ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত..
বিস্তারিত কমেন্ট সেকশনের লিংকে

নীলফামারীতে “রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগে বাঁশ, কাঠ, ছন ইত্যাদির ব্যবহারিক আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি” বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত:গত ২৩/০৪...
13/05/2026

নীলফামারীতে “রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগে বাঁশ, কাঠ, ছন ইত্যাদির ব্যবহারিক আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি” বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত:

গত ২৩/০৪/২০২৬খ্রি. ডিমলা উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, উপজেলা কৃষি অফিস, ডিমলা, নীলফামারীতে আঞ্চলিক বাঁশ গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (আরবিআরটিসি), বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক “রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগে বাঁশ, কাঠ, ছন ইত্যাদির ব্যবহারিক আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি” বিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাঁশের কারিগর, কাঠ মিস্ত্রি, ফার্নিচার ব্যবসায়ী, বাঁশ চাষী ও স্থানীয় উদ্যোক্তাসহ বিয়াম স্কুল এন্ড কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে কোর্স পরিচালক ও প্রশিক্ষক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন জনাব মোঃ মাহাবুব আলম, গবেষণা কর্মকর্তা এবং সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনাব মোঃ সোহেল রানা, ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর। সাপোর্টিং স্টাফ হিসেবে অংশগ্রহণ করেন জনাব মোঃ নাহিদ হোসেন, অফিস সহায়ক।

উদ্বোধনী পর্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জনাব মোঃ সোহেল রানা, ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব মীর হাসান আল বান্না বাঁশ বাগানে রাসায়নিক সার এর পরিবর্তে কেঁচো সার বা ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহার করার জন্য প্রশিক্ষণার্থীদের আহবান জানান। এছাড়া, “রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগে বাঁশ, কাঠ, ছন ইত্যাদির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি” বিষয়ে তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের মনোযোগ সহকারে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তা কাজে লাগাতে উৎসাহ প্রদান করেন।

কোর্স পরিচালক তার বক্তব্যে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট এর আঞ্চলিক বাঁশ গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (আরবিআরটিসি)-এর কার্যক্রম বর্ণনার পাশাপাশি “রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগে বাঁশ, কাঠ, ছন ইত্যাদির ব্যবহারিক আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি” বিষয়ক প্রশিক্ষণটির কারিগরি এবং ব্যবহারিক সেশনে প্রশিক্ষণার্থীদের আগ্রহ সহকারে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন। এসময় বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট এর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারী প্রদর্শন করা হয়।

কারিগরি সেশনে রাসায়নিক সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা ও রাসায়নিক সংরক্ষণীর বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা ও স্লাইড প্রদর্শন করেন গবেষণা কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব আলম। সংরক্ষণ বিষয়ক বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে স্লাইড প্রদর্শন এবং রাসায়নিক দ্রবণ তৈরির কৌশল উপস্থাপন করেন জনাব মোঃ সোহেল রানা, ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের রাসায়নিক দ্রবণ তৈরির কৌশল হাতে কলমে শেখানো হয়। যেখানে ১০% বিবি দ্রবণ ও ২০% সিসিবি দ্রবণ তৈরি করে বাঁশ, কাঠ ও ছন ট্রিটমেন্ট করলে খরচ ৩০-৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও ৩-৫ গুণ আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পাবে যা টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।।

প্রশ্নোত্তর পর্বে জনাব মোঃ মীর মোসারফ হোসেন এর এক প্রশ্নের জবাবে জনাব মোঃ সোহেল রানা বলেন ২.৫% সিসিবি দ্রবণে ছন ৬-৮ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখতে হয়।

>>>খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীদের বিএফআরআই পরিদর্শন
06/05/2026

>>>খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীদের বিএফআরআই পরিদর্শন

>>>চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের এমএস পরীক্ষা-২০২৪ এর শিক্ষার্থীদের বিএফআর...
05/05/2026

>>>চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের এমএস পরীক্ষা-২০২৪ এর শিক্ষার্থীদের বিএফআরআই পরিদর্শন

>>>>চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চ.বি.) ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস এর ফরেস্ট্রি কোর্সের শিক্ষার্থী...
16/04/2026

>>>>চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চ.বি.) ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস এর ফরেস্ট্রি কোর্সের শিক্ষার্থীদের বিএফআরআই পরিদর্শন

---বাগেরহাটে ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগ (এমএসডি) এর ৪টি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত---গত ৬ এপ্রিল/২০২৬ থেকে ৯ এপ্রিল/২০২৬ টানা ...
12/04/2026

---বাগেরহাটে ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগ (এমএসডি) এর ৪টি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত---

গত ৬ এপ্রিল/২০২৬ থেকে ৯ এপ্রিল/২০২৬ টানা ৪ দিনে বাগেরহাটের ৪টি উপজেলা বাগেরহাট সদর, চিতলমারী, রামপাল ও মোংলায় যথাক্রমে “জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সুন্দরবন ও তদসংলগ্ন এলাকার স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ম্যানগ্রোভ বনায়ন প্রযুক্তি”, “ম্যানগ্রোভ বৃক্ষ প্রজাতির নার্সারি উন্নয়ন, বনায়ন কৌশল প্রয়োগে বনজীবীদের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন”, “গোলপাতার নার্সারি উত্তোলন, বনায়ন কৌশল ও ভাঙ্গন রোধে এর ভূমিকা” এবং “বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নার্সারিতে তালের চারা উত্তোলন ও বনায়ন কৌশল” ৪টি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাগেরহাট সদর : ৬ এপ্রিল বাগেরহাট সদর উপজেলার পিসি কলেজ রোডের ঢাকা কোচিং সেন্টারে “জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সুন্দরবন ও তদসংলগ্ন এলাকার স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ম্যানগ্রোভ বনায়ন প্রযুক্তি” বিষয়ক প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণে স্থানীয় আশার আলো সেবা ফাউন্ডেশনের ৩০ জন বনজীবী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগের সিনিয়র রিসার্চ অফিসার ড. মমিনুল ইসলাম নাহিদ। প্রশিক্ষণ সমন্বয়ক সিনিয়র রিসার্চ অফিসার জনাব মো: জহিরুল আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা জনাব মো: নাজমুল আহছান মৃধা এবং আশার আলো সেবা ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান জনাব খান আশরাফুল ইসলাম।
প্রশিক্ষণের শেষ দিকে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রশিক্ষণার্থী জনাব শিউলি ঘোষ বিষটোপ দিয়ে মাছ ধারার ক্ষতিকারক দিক সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রশিক্ষক ড. মমিন বিষটোপ অবৈধ বলেন। বিষটোপ ব্যবহারের মাধ্যমে জীববৈচিত্র ধ্বংস হয়, এছাড়াও স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকে। জনাব লক্ষ্মী রানী ঘোষ গোলপাতা চাষের স্থান কি হবে জানতে চাইলে উত্তরে মাছের ঘেরেও চাষ করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করেন। জনাব জাহাঙ্গীর শেখ গোলপাতা চাষের উপযুক্ত স্থান ও পানির লবণাক্ততা সম্পর্কে জানতে চাইলে জোয়ারের পানি উঠানামা করে এবং কম থেকে মাঝারী সেলাইন জোনকে গোলপাতার আদর্শ স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়। জনাব শফিক নেওয়াজ সুপারী গাছের সাথে সাথী ফসল হিসেবে কি দেওয়া যায় জানতে চাইলে উত্তরে হালকা ছায়া পছন্দকারী গাছের কথা বলা হয়।
চিতলমারী : ৭ এপ্রিল চিতলমারী উপজেলার বাখরগঞ্জ দূর্গামন্দির প্রাঙ্গনে “ম্যানগ্রোভ বৃক্ষ প্রজাতির নার্সারি উন্নয়ন, বনায়ন কৌশল প্রয়োগে বনজীবীদের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন” বিষয়ক প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণে স্থানীয় আশার আলো সেবা ফাউন্ডেশনের ৩০ জন বনজীবী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগের সিনিয়র রিসার্চ অফিসার ড. মমিনুল ইসলাম নাহিদ। প্রশিক্ষণ সমন্বয়ক সিনিয়র রিসার্চ অফিসার জনাব মো: জহিরুল আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা জনাব মো: নাজমুল আহছান মৃধা এবং আশার আলো সেবা ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান জনাব খান আশরাফুল ইসলাম।
আশার আলো সেবা ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান জনাব খান আশরাফুল ইসলাম বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন তাঁর সংগঠেনের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছেন যে, একটি গাছ কর্তন করলে কমপক্ষে দশটি গাছ রোপণ করবেন। তিনি সরকারের ৫ বছর মেয়াদে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচিকে সফল করার জন্য কর্মসূচি হাতে নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণার্থী জনাব বাসন্তী সরকার মন্তব্য করেন এলাকায় লবণাক্ততার পরিমান বেশি হওয়ায় গোলপাতার চাষ করা গেলেও অন্যান্য ফসল চাষ করা যায় না এবং বনজ বৃক্ষের উত্তোলন করা যায় না। এতদবিষয়ে প্রশিক্ষক ড. মমিন সল্ট টলারেন্ট বিভিন্ন প্রজাতির কথা উল্লেখ করেন।
রামপাল : ৮ এপ্রিল রামপাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ হলরুমে “গোলপাতার নার্সারি উত্তোলন, বনায়ন কৌশল ও ভাঙ্গন রোধে এর ভূমিকা” বিষয়ক প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণে স্থানীয় আশার আলো সেবা ফাউন্ডেশনের ৩০ জন বনজীবী, স্থানীয় সাংবাদিক এবং শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগের রিসার্চ অফিসার জনাব বিচিত্র কুমার বাছাড়। প্রশিক্ষণ সমন্বয়ক সিনিয়র রিসার্চ অফিসার জনাব মো: জহিরুল আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা জনাব মো: নাজমুল আহছান মৃধা, রামপাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জনাব মোঃ ইনসাদ ইবনে আমিন এবং আশার আলো সেবা ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান জনাব খান আশরাফুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগের রিসার্চ অফিসার জনাব শেখ মোহাম্মদ মেহেদী হাসান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন অত্র এলাকায় লবণাক্ততার পরিমান বেশি হওয়ায় কৃষি ফসল ফলানো দূরহ। তাই অধিক হারে বনায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা যুক্তিযুক্ত। ফলে এখানে বনায়ন বিষয়ক প্রযুক্তির প্রশিক্ষণগুলো বিশেষ গুরুত্ব সহকারে করা দরকার। এক্ষেত্রে কৃষি বিভাগ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাথে কাজ করতে আগ্রহী। প্রশিক্ষণার্থী জনাব মো: মুরাদুর রহমান জানতে চান গোলপাতা চাষের জন্য লবণাক্ততার পরিমান কত, ভালো গোল গাছের উচ্চতা ও পাতার দৈর্ঘ কত হবে এবং গোল গাছ চাষে আলাদা সারের ব্যবহার প্রয়োজন কি না। উত্তরে বলা হয় গোলপাতা চাষ পুরো উপকূলীয় অঞ্চলেই হয়, তবে কম স্যালাইন জোনে ভালো হয়, ভালো গাছের উচ্চতা ৩-৭ মিটার এবং পাতার দৈর্ঘ ১.৫-২ মিটার, সারের ব্যবহার নেই এবং গোল চাষের জন্য পলিমাটি উপযুক্ত। জনাব আব্দুল হামিদ শেখ বীজ সংগ্রহ করার উপায় জানতে চান। জনাব শিবানী মিত্র গোলরস সংগ্রহ বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তরে এতদবিষয়ে বিএফআরআই এর গবেষণালব্ধ ফলাফল নেই বলে জানানো হয়। জনাব কাকুলি মন্ডল মাছের ঘেরের মধ্যে গোলপাতা চাষ করা যাবে কি না জানতে চাইলে উত্তরে সাথি-ফসল হিসেবে এটি চাষের পরামর্শ দেওয়া হয়।
মোংলা : ৯ এপ্রিল মোংলা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে “বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নার্সারিতে তালের চারা উত্তোলন ও বনায়ন কৌশল” বিষয়ক প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণে স্থানীয় আশার আলো সেবা ফাউন্ডেশনের ৩০ জন বনজীবী, স্থানীয় সাংবাদিক এবং শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগের রিসার্চ অফিসার জনাব বিচিত্র কুমার বাছাড়। প্রশিক্ষণ সমন্বয়ক সিনিয়র রিসার্চ অফিসার জনাব মো: জহিরুল আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা জনাব মো: নাজমুল আহছান মৃধা এবং আশার আলো সেবা ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান জনাব খান আশরাফুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন ম্যানগ্রোভ সিলভিকালচার বিভাগের রিসার্চ অফিসার জনাব শেখ মোহাম্মদ মেহেদী হাসান।
প্রশিক্ষণের প্রশ্নোত্তর পর্বে মোংলা প্রেসক্লাব সম্পাদক জনাব ওমর ফারুক বালুময় স্থানে তালগাছের চাষ হবে কি না জানতে চাইলে বলা হয় অবশ্যই হবে। প্রশিক্ষণার্থী এস.এম. হোসাইন আল হাদী প্রশিক্ষণটি কতদিন পর পর করা সম্ভব জানতে চাইলে উত্তরে বলা হয় সমগ্র দেশে বছরে বিভিন্ন বিষয়ে ২৫-৩০ টি প্রশিক্ষণ করা সম্ভব হয়। প্রশিক্ষণার্থী জনাব উম্মে রাফিয়া জাহান মিশু তালগাছ চাষে কারিগরি সহায়তা দেওয়া যাবে কি না জানতে চাইলে বলা হয় বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কারিগরি সহায়তা দিতে প্রস্তুত। সাংবাদিক জনাব আবু বকর সিদ্দিক রোপণের সঠিক সময়, ফল আসার সময়, চারা লাগানোর পর যত্ন এবং বাণিজ্যিকভাবে তাল গাছের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে উত্তরে রোপণের সঠিক সময় জুন-সেপ্টেম্বর, ফল আসার সময় ১২-১৫ বছর, যত্ন হিসেবে আগাছা পরিষ্কার ও গরু-ছাগলের হাত থেকে রক্ষা এবং বাণিজ্যিকভাবে তালগাছ চাষ সম্ভাবনাময় বলে জানানো হয়।

----নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ, রাজশাহী-এর বিএফআই পরিদর্শন----নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ, রাজশাহী-এর উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ৪র্থ বর্ষ স...
09/04/2026

----নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ, রাজশাহী-এর বিএফআই পরিদর্শন----
নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ, রাজশাহী-এর উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ৪র্থ বর্ষ সম্মান (শিক্ষাবর্ষ ২০২০-২০২১) শ্রেণির ৩০ জন শিক্ষার্থীর একটি দল সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর নেতৃত্বে গত ০৬/০৪/২০২৬ তারিখে বিএফআরআই পরিদর্শন করেন। শুরুতে বিএফআরআই মতোবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত মতোবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, বনজ সম্পদ উইং এর মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান। এ সময় বিএফআরআই এর গবেষণা বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য একটি ডকুমেন্টারির মাধ্যমে উপস্থাপন করার হয়। মতোবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ শাখার ফিল্ড ইনভেস্টিগেটর জনাব মিজানুর রহমান।
পরিদর্শন কাজটি সমন্বয় করেন তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ শাখার আর্টিস্ট জনাব মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। দর্শনার্থীদল সিলভিকালচার জেনেটিক্স বিভাগ, বন উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের জাইলেরিয়াম ও হার্বেরিয়াম ল্যাব, ও বন রসায়ন বিভাগের সম্পূণ বৃক্ষে কৃত্রিম উপায়ে উন্নতমানের আগর সঞ্চয়ন শীর্ষক প্রযুক্তি উদ্ভাবন ল্যাব পরিদর্শন করেন। বিভাগসমূহ পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীগণ টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে মাতৃগুণ সম্পন্ন চারা উৎপাদন প্রক্রিয়া, কাঠ সনাক্তকরণ, হার্বেরিয়াম সংগ্রহ ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়া, এবং সম্পূণ বৃক্ষে কৃত্রিম উপায়ে উন্নতমানের আগর সঞ্চয়ন প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারনা লাভ করেন।
দর্শনার্থীদল আশা পোষণ করেন যে, বিএফআরআই বন ও বনজ সম্পদ বিষয়ে গবেষণার পাশাপাশি পরিবেশ, বন ও উদ্ভিদবিজ্ঞানসহ প্রাসঙ্গিক বিষয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখীকরণ ও জ্ঞান বিকাশে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

Address

Sholashahar
Chittagong
4211

Opening Hours

Monday 09:30 - 17:00
Tuesday 09:30 - 17:00
Wednesday 09:30 - 17:00
Thursday 09:30 - 17:00
Sunday 09:30 - 17:00

Telephone

+8802334481577

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Forest Research Institute, Chittagong posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Bangladesh Forest Research Institute, Chittagong:

Share