IR department Of CU

IR department Of CU International Relations of Chittagong University

রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পেছনে কী ছিল?Minsk agreement এর ধারাগুলো উল্লেখ করুনঃনিও নাৎসি*জম কি? অধিকাংশ রাশিয়ান বংশদ্ভুত ...
26/02/2022

রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পেছনে কী ছিল?
Minsk agreement এর ধারাগুলো উল্লেখ করুনঃ
নিও নাৎসি*জম কি?
অধিকাংশ রাশিয়ান বংশদ্ভুত দনেৎস্ক ও লুহানস্ক-এ স্বাধীনতাকামীদের উপর ইউক্রেনের জেনোসাইড থামানোর জন্য ২০১৪ সালে বেলারুশের মিনস্ক-এ রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন, জার্মান চ্যাঞ্চেলর মর্কেল, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট প্রোসেঙ্কো এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ওলান্দ ১৬ ঘন্টা ম্যারাথন আলোচনার পর সাক্ষরিত হয় “Minsk Agreement”। সেই চুক্তির ১৩টি শর্ত ক্রমাগত ভায়োলেট করে আসছে ইউক্রেন।
The 13 points of Minsk agreement:
An immediate and comprehensive ceasefire.
1. Withdrawal of all heavy weapons by both sides.
2. Monitoring and verification by the OSCE.
3. To start a dialogue on interim self-government for the Donetsk and Luhansk regions, in accordance with Ukrainian law, and acknowledge their special status by parliamentary resolution.
4. A pardon and amnesty for people involved in the fighting.
5. An exchange of hostages and prisoners.
6. Provision of humanitarian assistance.
7. Resumption of socio-economic ties, including pensions.
8. Restoration of full control of the state border by the government of Ukraine.
9. Withdrawal of all foreign armed formations, military equipment and mercenaries.
10. Constitutional reform in Ukraine including decentralisation, with specific mention of Donetsk and Luhansk.
11. Elections in Donetsk and Luhansk on terms to be agreed with their representatives.
12. Intensifying the work of a Trilateral Contact Group comprising representatives of Russia, Ukraine and the OSCE
একটানা ৭ বছর ধরে ওই দুটি প্রদেশের উপর হামলা চালাচ্ছে। হতাহতের সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার। রাশিয়া বরাবর পশ্চিমা এ্যালায়েন্সকে সতর্ক করে এসেছে। তারা কর্ণপাত করেনি। উল্টো তারা ইউক্রেনকে ন্যাটোভুক্ত করতে চেয়েছে। যদিও রাশিয়ার কাছে ন্যা*টোর প্রতিশ্রুতি ছিল তারা ‘রেডলাইন’ ক্রস করবে না, বা জোটকে পূর্বাঞ্চলে এক্সপ্যান্ড করবে না। সেটা তো হয়নি। এরই মধ্যে চুক্তির পর ৫ বছর ধরে ইউক্রেনে, বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলে ‘এন্টি রাশিয়া’ ক্যাম্পেইন চালিয়েছে। পুতিন যখন ইউক্রেনকে ন্যাটোভুক্ত না করার জন্য সতর্ক করেছে। তার জবাবে ইউরোপে রাশিয়ার সকল প্রকাল বিজনেস ব্লক করেছে ন্যা*টো এবং ই*ইউ। জার্মানির সঙ্গে কোটি ডলারের গ্যাস পাইপ লাইন বন্ধ করেছে। এর মধ্যে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে ন্যাটো এবং ইউএসএ থেকে সরাসরি হেভি উইপনস আসতে শুরু করে কিয়েভে। ১৮ তারিখে সারারাত ধরে বোমা হামলা হয় দনেৎস্ক শহরে। এক রাতেই শহর ছেড়ে রাশিয়া পালায় ৪০ হাজার অধিবাসী। এর পর পরই পুতিন তার নিরাপত্তা কাউন্সিলের অনুমোদন নিয়ে দনেৎস্ক ও লহানস্ককে রিপাবলিক হিসাবে স্বীকৃতি দেয়, এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গিকার করে। শরণার্থী ১ লক্ষ ছাড়িয়ে গেলে ২৪ তারিখে পুতিন তিনটি লক্ষকে সামনে রেখে ‘স্পেসিফিক মিলিটারি অ্যাকশন’ শুরু করে।
১। ইউক্রেনের নিও নাৎসি*জম গুঁড়িয়ে দেওয়া। ২। স্বাধীনতাকামী দেশদুটিকে প্রটেক্ট করা। ৩। ইউ*ক্রেনের নিউক্লিয়ার উইপনসের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।
ইউক্রেনে গত কয়েক বছর ধরে আর্মির চরম দক্ষিণপন্থী ফ্যাকশন গড়ে উঠেছে। তাদের নিয়ে পশ্চিমা মিডিয়াতেই শংকা প্রকাশ করে খবর ছাপা হয়েছে। এই গ্রুপটির নাম-‘Azov Regiment’ ও ‘Right Sector’। ইউক্রেনের Mariupol অঞ্চলে এদের ডেপ্লয় করা হয়েছে। সেই Mariupol শহরেই রাশান আর্মি প্রথম হামলা করেছে। এই ‘নিও নাৎসিজম’ নিয়ে রয়েটার্স-এর খবর-“Azov uses Nazi-era symbolism and recruits Neo-Nazis into its ranks, Azov and Right Sector stepped into the breach, fending off the Russian-backed separatists while Ukraine’s regular military regrouped. Though, as a result, many Ukrainians continue to regard the militias with gratitude and admiration, the more extreme among these groups promote an intolerant and illiberal ideology that will endanger Ukraine in the long term. reuters, MARCH 20, 2018
ইউক্রেনের নব্য নাৎসি*জমের অনেক নজির আছে। শুধু একটি উল্লেখ করা যাক- ২০১৪ সালে ইউক্রেনের নিও নাৎসী সরকারের হিডেন স্ট্রাটিজিতে ওডেসায় গণহত্যা চালিয়েছিল নিও নাৎসীরা। ওডেসার বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়ন ভবনে আগুন দিয়েছিল। হত্যা করেছিল পঞ্চাশ জনের মত বামপন্থীকে। ১৭ বছরের এক কিশোর কমিউনিস্ট কর্মী ভাদিম পাপুরাকে পিটিয়ে হত্যা করার পর পশ্চিমা মিডিয়াতেও আলোড়ন উঠেছিল।
রাশান হামলার পরের পরিস্থিতি:
* গত ৮ বছরের মধ্যে এই প্রথম দুই দিন দনেৎস্কে আর্টিলারি শেল ফাটেনি।
* রাশিয়ান আর্মি চেরনোবিল পারমানবিক রিঅ্যাক্টরের দখল নিয়েছে, এবং বিস্ময়কর হলো রাশিয়ান আর্মির সঙ্গে ইউক্রেনের আর্মির এক অংশ এগ্রিমেন্ট করে যৌথভাবে চেরনোবিল পাহারা দিচ্ছে!
* ইউক্রেনের পূর্ব এবং দক্ষিণাঞ্চলের নাগরি*করা রাশিয়ার সৈন্য*কে স্বাগত জানিয়েছে!
* রাশিয়ান আর্মি প্রথম দিনেই ইউক্রেনের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নষ্ট করে দিয়েছে। তার পর ১১৮ টি সামরিক স্থাপনায় রকেট হামলা করেছে। তারা স্বীকার করেছে; সামরিক স্থাপনায় হামলার ফলে নিকটবর্তী বেসামরিক কিছু ক্ষয়-ক্ষতিও হয়েছে।
* মি.পুতিন ইউক্রেন আ*র্মিকে তাদের কাছে সারেন্ডার করতে বলেছে।
রাশিয়ান হামলার পর পশ্চিমা অ্যাকশন:
বাই*ডেন, জন*সন, ই*ইউ প্রধান, ন্যা*টো প্রধান থেকে শুরু করে পুরো ন্যা*টো অ্যালায়েন্স এটাকে তীব্র ভাষায় নিন্দা করে বলেছে-All out invasion! এর পর ব্রিটেন-আমেরিকা তাদের দেশের সকল রুশ ব্যাবসায়ীর একা*উন্ট ফ্রিজ করেছে। মানি ট্রান্সফার কোম্পানি ‘সুইফ্ট’ রাশিয়ায় কারেন্সি সাপ্লাই বন্ধ করেছে। জার্মানি গ্যাস পাইপলাইন বন্ধ করেছে। পোল্যান্ড-রুমানিয়া ন্যাটোর জন্য এয়ারপোর্ট ও*পেন করে দিয়েছে। রাশিয়ান টেলিভিশন R-T ব্যান করেছে ইউএস, ব্রিটেন, পোল্যান্ড, জার্মানি। ‘এ্যানি-নমাস’ কর্ণার থেকে রাশান সরকারি সাইট হ্যাকিং শুরু হয়েছে।রাশিয়ান বিমান এ্যারোফ্লতের এন্ট্রি নিষিদ্ধ করেছে।
রাশিয়ান হামলার পর ইউক্রেনের রি-অ্যাকশন:
ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট কিছুদিন আগে ২৭ টি ন্যাটো-ভুক্ত দেশের প্রধানের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি পেয়েছিল, কিন্তু যুদ্ধ শুরুর পর তারা কেউ ‘তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন’ ছাড়া সাড়া দেয়নি। হতাশ জেলেনস্কি এখন একা। ইতমধ্যে শ’খানেক ইউক্রেনীয় আ*র্মি রাশিয়ান আর্মির কাছে অস্ত্র সমর্পণ করেছে। এবং এখন তিনি বলছেন- I’m ready to nego*tiation with Russia!
পশ্চিমা মিডিয়া যে খেয়ে না খেয়ে বিষবাষ্প ছড়িয়ে যাচ্ছে তারা যদি ফ্রা*ন্সের বিরোধীদলের নেতা, অস্ট্রি*য়ার প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী কিংবা আমেরিকার পলিটিক্যাল এনালিস্ট Lionel এর বক্তব্য প্রচার করত তাহলে বোঝা যেত যুদ্ধটা কাদের উসকানিতে কীভাবে শুরু হলো। মি: লায়নেল স্পষ্টভাবেই বাইডেননীতির সমালোচনা করে বলেছেন-“গ্রানাডার প্রেসিডেন্টকে তুলে আনা, ফকল্যান্ডে হামলা করে দখল নেওয়া, ইরাকে সাদ্দামকে মেরে গণহত্যা, আফগানিস্তানে ২০ বছরের ইনভেশন, সিরিয়া, লিবিয়া, যুগোশ্লোভাকিয়া, সার্বিয়ায় গণহত্যা করা, ইভেন সিলেক্টিভ পারসোনাল এ্যাসাসিনেশন! এগুলো যুদ্ধ নয়? ইউক্রেনে সিলেক্টিভ মিলিটারি ডেপ্লয়মেন্ট ইনঅ্যক্টিভ করতে হামলা করাটাই শুধু যুদ্ধ? ২০ লাখ মানুষকে প্রটেক্ট করতে চাওয়াটাই যুদ্ধ?
পারিপার্শ্বীকতায় বোঝা যাচ্ছে ন্যাটোর বাইরের দেশ-ইউক্রেনকে প্রটেক্ট করতে যুদ্ধে জড়াবে না ন্যাটো। আরও কয়েকদিন রাশিয়ান অ্যাটাক অব্যহত থাকলে ইউক্রেনের জনগণের ভেতরকার বিভক্তি আরও বড় হবে। তারপর মি. জেলেনস্কি নিরপেক্ষ স্থানে পুতিনের সঙ্গে সমঝোতা করবেন। পুতিনের লক্ষ্য সেটাই। তারপর অফিসিয়ালি ইউক্রেন দনেৎস্ক ও লুহানস্ককে রিপাবলিক হিসাবে মেনে নেবেন। বাই*ডেন-জন*সন গং যে চিৎকার করে গলা ফাটাচ্ছেন- রাশিয়া All out invasion চালাচ্ছে। সেটা যদি সত্যি হতো তাহলে দ্বিতীয় দিনেই পুরো ইউক্রেন অকুপাইড হয়ে যাওয়ার কথা। তা হয়নি। হবেও না। পশ্চিমারা গবেষণা করে বের করেছে-‘রাশিয়া মি. জেলেনস্কিকে সরিয়ে পুতুল সরকার বসাবে। সেটা হলে ইতিমধ্যে সেই ‘পুতুল’ সিনে এসে যেতেন। তাও আসেনি। সুতরাং এর মধ্যে কোনটি ন্যায় আর কোনটি অন্যায়, সেই সিদ্ধান্ত টানার সময় আসেনি। এবং আমরা সীমারেখা টানার কেউ নই। আমরা যুদ্ধ না চাইলেও যুদ্ধ হবে। আমরা না চাইতেই ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী এসেছে। আফগানিস্তানে চরম মানবিক বিপর্যয় ঘটেছে। ইয়েমেনে প্রতিদিন প্রতিমুহূর্তে শত শত নারী-শিশু নিহত-আহত হচ্ছে। ফিলিস্তিনে নিরপরাধ মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। কাশ্মীরে রক্ত ঝরা বন্ধ হচ্ছে না। আমাদের সীমান্তে লাশ পড়ছেই। মায়ানমারে মানুষ মরছেই। মরে যেতে পারি জেনেও ভূমধ্য সাগর পাড়ি দিয়ে গিয়ে আমাদের মানুষ মরছেই..... Who can say where is peace, freedom tranquility. পৃথিবীর ‘শান্তিকামী’ মানুষ কেউই যুদ্ধ চায় না, কিন্তু নির্জলা সত্য হলো ‘যুদ্ধই পারে আরেকটি যুদ্ধকে প্রতিহত করতে’। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ছাড়া পৃথিবীর কোনো দেশ স্বাধীন হয়নি। আজকে যে তথাকথিত ‘মুক্তবিশ্ব’ ইউরোপ, জার্মান দখলদারিত্ব থেকে তাদেরকে সোভিয়েত মিত্র বাহিনীই ১৯৪৫ সালে মুক্ত করেছিল এক ঐতিহাসিক যুদ্ধের পরে। বাংলাদেশ অর্জনও সেই যুদ্ধের ফসল। আসলে যারা বলেন-‘যুদ্ধ চাইনা’, তারা নিজের বা নিজ সমর্থকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চান না।

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।আয়তনের দিক থেকে দেশের বৃহত্...
17/11/2021

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।আয়তনের দিক থেকে দেশের বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় হল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ২১০০ একরের এই বিশ্ববিদ্যালয় বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম অঞ্চলের নাগরিকদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে সারাদেশের সব অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও শিক্ষাগ্রহণের জন্য চবি কে প্রথম তালিকায় রেখে থাকে। বর্তমানে প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত এবং অধ্যয়নকৃত শিক্ষার্থীরাও দেশ-বিদেশে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ছড়িয়ে আসছে। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায়ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অনবদ্য ভূমিকা রেখে আসছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে চিটাগাং ইউনিভার্সিটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের পক্ষ থেকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন


-IR

12/08/2019

(সাম্প্রতিক বিষয়াবলি)

জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স থেকে বাছাইকৃত সাধারণ জ্ঞান

আন্তজার্তিক বিষয়াবলীঃ

জানুয়ারিঃ-
১) সর্বশেষ ঘূর্ণিঝড়ঃ phethai ফেথাই ; নাম করন করেন থাইল্যান্ড । স্থানীয় ভাষায় রত্ন পাথর জিরকনকে ফেথাই বলে।
আঘাতহানে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে।
২) ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলনঃ জ্বালানি তেলের বাড়তি কর কমানোর দাবীতে ফ্রান্সের মানুষ দেশের ট্যাক্সি চালকদের ব্যবহৃত হলুদ জ্যাকেট পরে রাস্তায় নেমে আন্দোলন শুরু করে তাই একে ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলন করে। আন্দোলন শুরু হয় ২০১৮ সালের ১৭ নভেম্বর।
• অভিবাসী গ্রহণে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দেশঃ যুক্তরাষ্ট্র
• বিশ্বের শীর্ষ অভিবাসীর দেশঃ ভারত ( ১ কোটি ৬৬ লাখ)
৪) OPEC: ৩ন ডিসেম্বর ২০১৮, কাতার ওপেক এর সদস্যপদ ত্যাগের ঘোষনা দেয় । কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে । বর্তমানে ওপেক’র সদস্য দেশ ১৪ টি ।
৫) IMF এর প্রথম নারীপ্রধান অর্থনীতিবিদঃ প্রফেসর গীতা গোপীনাথ(ভারত)। দায়িত্ব গ্রহন করেন ১ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে।
৬) সম্প্রতি unesco’র সদস্যপদ প্রত্যাহার করে যুক্ত্রাষ্ট্র ও ইসিরাইল ( ৩১ ডেসিমবর ২০১৮) । বর্তমানে ইউনেস্কোর সদস্য দেশ ১৯৩ টি
৭) বিশ্বের প্রথম আয়কর চালু হয় ইংল্যান্ডে ১৭৯৮ সালে ।
৮) গ্রীন হাউজ গ্যাস নিঃসরনে শীর্ষদেশঃ চীন
৯) Forbes- তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ক্ষমতাধর নারীঃ অ্যাঞ্জেলা মার্কেল

ফেব্রুয়ারি-মার্চ
১) বিশ্বের সর্ববৃহৎ গোয়েন্দা সদর দপ্তর নির্মিত হয়েছে জার্মানিতে। এর আগে ছিলো যুক্ত্রাষ্ট্রের পেন্টাগন।
২) ২৫ মার্চ- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়ার গোলান মালভূমিকে ইসরাইলই ভূ-খন্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
৩) ২৬ মার্চ- যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি বাংলাদেশের ৪৯ তম স্বাধীনতা দিবসকে বাংলাদেশ দিবস হিসেবে ঘোষনা করে
এপ্রিল
১) যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ১২০টি দেশকে জি এস পি সুবিধা দেয়।
২) জাপানের ১২৬ তম সম্রাট- নারুহিতো
৩) কাজাখস্তানের বর্তমান রাজধানীর নামঃ নুরসুলতান
৪) নেপাল প্রথমবারের মত স্যাটেলাইট উদক্ষেপন করে।
নামঃ NepaliSat-01

মে-
১) জাপানের নতুন রাজকীয় যুগের নামঃ- জবরধি
২) বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানের নাম-রক
৩) সুদানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট ওমর হাসান আল বশির ক্ষমতায় ছিলেন – ৩০ বছর
৪) প্রথম ৫ জি চালু করে দক্ষিন কোরিয়া ৩ এপ্রিল ২০১৯
৫) বিশ্বের দীর্ঘতম লবন গুহার (salt cave) নাম- ম্যালহাম গুহা ( malham cave)
৬) বর্তমান ইস্পাত শিল্পের জনক- স্যার হ্যানরি বিসিমির, ইংল্যান্ড
৭) বিশ্বের প্রথম “আল কুরআন পার্ক” অবস্থিত- দুবাই, আরব আমিরাত

জুলাই
১) ৫ জুন ভারতকে জিএসপি সুবিধা বাতিল কার্যকর করে যুক্তরাষ্ট্র।
২) ৬ জুন আফ্রিকান ইউনিয়ন থেকে সুদানের সদস্যপদ স্থগিত করে।

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

জানুয়ারি
১) বাংলা একাডেমীর নতুন মহাপরিচালকঃ কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী ( ৩ বছরের মেয়াদে)। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থের নামঃ লাইলি-মজনু ( জুন-১৯৫৭; সম্পাদকঃ দৌলত উজির বাহরাম খাঁ ও আহমদ শরীফ)।
২) ২০২১ সালের ৬ষ্ঠ আদম শুমারির নামঃ জনশুমারি
৩) বাংলাদেশের ভূ-খন্ড আয়করের আওতায় আসেঃ ১৮৬০ সালে
৪) বাংলাদেশের মোট জাতীয় মহাসড়কের সংখ্যাঃ ৮ টি
৫) TIN-ব্যবস্থা প্রবর্তন হয়ঃ ১৯৯৩ সালে।]
৬) সামরিক শক্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান-৫৬ তম (শীর্ষেঃ যুক্তরাষ্ট্র)

ফেব্রুয়ারি-মার্চ
১) ফার্মারস ব্যাংকের বর্তমান নামঃ পদ্মা ব্যাংক
২) বিশ্বে কৃষিভূমি ও বনভূমি হ্রাসে শীর্ষদেশ- বাংলাদেশ, যানজটে শীর্ষ শহর- ঢাকা
এপ্রিলঃ
১) বাংলাদেশে সম্প্রতি ১৪০০ বছরের পুরনো পাল শাসনামলের স্থাপত্য নিদর্শন পাওয়া যায়- বগুড়ার মহাস্থান গড়ে।
২) বাংলাদেশে একমাত্র ও প্রথম সাপের বিষের ডেটাবেজ নির্মান করেন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়য়ের অধ্যাপক ড. আবু রেজা ।
৩) ইঁদুরের ক্ষতিকর গনজাইলোনেমা শনাক্তকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার করেন – শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়য়ের গবেষক দল। নেতৃত্ব দেনঃ- ড. উদয় কুমার মহন্ত।
৪) দেশের প্রথম পাতাল রেলঃ
• বিমানবন্দর টু কমলাপুর
• দৈর্ঘ্যঃ ১৯.৮৭ কিমি
• স্টেশন সংখ্যাঃ ১২ টি
৫) বর্তমানে ৩ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রবর্তন করা হয়েছেঃ ঢাকা,ইসলামি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
৬) বর্তমানে দেশে মোট পাটকল- ৩১৪ টি

মে-
১) দেশের একমাত্র কোস্টগার্ড বাহিনীর প্রশিক্ষন কেন্দ্র অবস্থিত- কুয়াকাটা,পটুয়াখালী
২) প্রাচীন জাতের মিসরীয় তুলার সন্ধান পাওয়া যায় – বাগেরহাট জেলায়
৩) পিরামিড আকৃতির বৌদ্ধ স্তুপের সন্ধান পাওয়া যায়- মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গিবাড়ী উপজেলার নাটেশ্বরে।
৪) মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রথম এনিমেশন ছবি- surviving 71: An untold story of an Unknown war (ওয়াহিদ ইবনে রেজা)
জুলাই
১) ১৩ জুন দেশে প্রথম EPI টিকা কেন্দ্র চালু হয় রংপুরে
২) ২৪ জুন দেশে প্রথমবারের মত মানুষের দেহে লিভার প্রতিস্থাপন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
৩) ১ জুলাই মূল্যসংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ কার্যকর হয় ।
৪) দ্বিতীয় কাচপুর সেতুর বর্তমান নামঃ শীতলক্ষ্যা সেতু।
৫) দেশের প্রথম নারী আলোকচিত্রীর নামঃ সাইদা খানম।
৬)
 সার্ফিং নিয়ে নির্মিত দেশের ১ম চলচ্চিত্রের নাম - ন-ডরাই।
 বর্তমানে দেশে স্থলবন্দর ২৩ টি।
 বর্তমানে দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ২৫ ধরনের।
 বর্তমানে দেশে মোট গ্যাসক্ষেত্র ২৭ টি।
 দেশে বর্তমানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০টি।
 বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা পায় ৩৮টি দেশে।
 বাংলাদেশের জাতীয় মহাসড়ক নেই ১০ টি জেলায়।
 দেশে বানিজ্যিকভাবে ফল উৎপাদিত হয় ৪৫ প্রকারের।
 বর্তমানে বাংলাদেশ ওষুধ রপ্তানি করে বিশ্বের ১৪৬ টি দেশে
 বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
 বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি জনশক্তি ও রেমিটেন্স অর্জিত হয় সৌদি আরব থেকে।
 বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে তৈরি পোশাক।
 খাদ্যশস্যের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি উৎপন্ন হয় বোরো ধান।
 বিদ্যুৎ উৎপাদনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় প্রাকৃতিক গ্যাস।
 বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্য দেয় জাপান
 বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি যে সংস্থা বৈদেশিক সাহায্য দেয় বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংস্থা আইডিএ।
 দেশে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ আসে বিদ্যুৎ খাতে।
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নতুন বই আমাদের ছোট রাসেল সোনা।
 ভার্চুয়াল অ্যাপ "লুনার ভিআর" তৈরি করে নাসার বেস্ট ইউজ অব ডেটা ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয় শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষার্থীর দল টিম অলিক।
 বাংলাদেশ কৃষি শুমারি-২০১৯ এর প্রতিপাদ্য বিষয় কৃষি শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি।
 দেশের ১ম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম এইমবুক ডট নেট।
 সম্প্রতি দেশে লোহার খনির সন্ধান পাওয়া যায় ইসবপুর, দিনাজপুর ( ১৮ জুন ২০১৯)।
 সাইবার নিরাপত্তা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৬ তম।
 বৈশ্বিক শান্তি সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১০১ তম।
 'SDG Gender Index' এ বাংলাদেশের অবস্থান ১১০ তম
 জনসংখ্যা ঘনত্বে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৭ম।
 'এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক-২০১৯' শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রবৃদ্ধি অর্জনে শীর্ষ দেশ বাংলাদেশ।
 বিশ্বের ১০টি সেরা অর্থবহ পতাকার তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উক্তি নিয়ে প্রকাশিত দুটি বই শেখ হাসিনাঃ সিলেক্টেড সেয়িংস ( উক্তি ১১৫টি) এবং শেখ হাসিনাঃ নির্বাচিত উক্তি ( উক্তি ১০০টি)।
 JSC,SSC, HSC তে GPA-5 এর পরিবর্তে GPA-4 নির্ধারণ করে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ১৩ জুন ২০১৯।
 বায়ান্নার ভাষাসৈনিক কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ১ম নারী অধ্যাপক প্রফেসর লায়লা নুর মারা যান ৩১ মে ২০১৯।
 দেশ বরেণ্য নাট্যকার, অভিনেতা ও ভাষাসৈনিক মমতাজউদ্দীন আহমদ মারা যান ০২ জুন ২০১৯।
 দেশের ১ম বারের মত ' স্বর্নকর মেলা-২০১৯' অনুষ্ঠিত হয় ২৩-২৫ জুন ২০১৯।
 দেশের ১ম কয়লা আমদানি চুক্তি সাক্ষরিত হয় ১৭ জুন ২০১৯। দেশের ১ম কয়লা আমদানি চুক্তি সাক্ষরিত হয় ইন্দোনেশিয়ার কোম্পানি 'পিটি বায়য়ান রিসোর্স টিবিকের' সঙ্গে বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড'র ( ১০ বছর মেয়াদী)।
 বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট চালু হয় ০১ জুলাই ২০১৯।

EXTRA
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সম্পর্কে কিছু তথ্য :-
 উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের জনক- হীরালাল সেন
 বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের জনক- আবদুল জব্বার খান
 সত্যজিৎ রায় পরিচালিত প্রথম ছবি- পথের পাঁচালী
সত্যজিৎ রায় ‘অস্কার পুরষ্কার’ পান- পথের পাঁচালী চলচ্চিত্রের জন্য
সত্যজিৎ রায় অস্কার পুরস্কার পান- ১৯৯২ সালে
 বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রকার- জহির রায়হান
জহির রায়হান পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র- কখনো আসেনি
‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা - জহির রায়হান
‘কাঁচের দেয়াল’ বিখ্যাত চলচ্চিত্র- জহির রায়হানের
‘Stop Genocide’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের পরিচালক- জহির রায়হান
 ‘ চিত্রা নদীর পাড়ে’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা- তানভীর মোকাম্মেল
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘লালসালু’ এর পরিচালক- তানভীর মোকাম্মেল
 সূর্যদীঘল বাড়ী’ চলচ্চিত্রের পরিচালক- শেখ নেয়ামত আলী
 BFDC প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৫৮ সালে
 স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘চাকা’ এর নির্মাতা- মোরশেদুল ইসলাম
 মাটির ময়না চলচ্চিত্রের পরিচালক- তারেক মাসুদ
অস্কার পুরস্কারের জন্য মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রথম বাংলা ছবি- মাটির ময়না

খেলাঃ
 বাংলাদেশ দলের নতুন স্পিন কোচ: নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ড্যানিয়েল ভেট্টরি।
 নতুন পেস বোলিং কোচ: দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক পেস বোলিং কোচ চার্ল ল্যাঙ্গেভেল্ট।
আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৯
 সময়কালঃ ৩০ মে - ১৪ জুলাই ২০১৯।
 আয়োজকঃ ইংল্যান্ড ও ওয়েলস।
 চ্যাম্পিয়নঃ ইংল্যান্ড।
 রানার্স আপঃ নিউজিল্যান্ড।
 অংশগ্রহণকারী দল ১০টি।
 মোট ম্যাচ ৪৮ টি।
 একমাত্র দেশ হিসেবে বিশ্বকাপ ফুটবল (১৯৬৬) ও বিশ্বকাপ ক্রিকেট (২০১৯) চ্যাম্পিয়ন হয়ঃ ইংল্যান্ড।
 উদ্বোধনী ভেন্যু ও ফাইনাল ভেন্যুঃ লর্ডস (১৪ জুলাই) ও ওভাল ( ৩০ মে)।
 সর্বোচ্চ রানের মালিকঃ রোহিত শর্মা (৬৪৮ রান)।
 সর্বোচ্চ উইকেটের মালিকঃ মিশেল স্টার্ক, অস্ট্রেলিয়া (২৭টি)।
 ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টঃ কেন উইলিয়ামসন ( নিউজিল্যান্ড) ।
 ম্যান অব দ্য ফাইনালঃ বেন স্টোকস ( ইংল্যান্ড)।
 প্রথম হ্যাট্রিককারী বলারঃ মেহাম্মদ সামী।(বিপক্ষ দল আফগানিস্তান)।
 সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিঃ রোহিত শর্মা (৫)
 একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে এক বিশ্বকাপে ৬০০+ রান ও ১০+ উইকেট সাকিব আল হাসান।
 এখন পর্যন্ত এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্ছ উইকেট লাভকারী বোলার মিশেল স্টার্ক (২৭ উইকেট)।
 বিশ্বকাপ ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্ছ রানের মালিক
 শচীন টেন্ডুলকার (২২৭৮ রান)।
 বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে ৭ম বিশ্বকাপে (১৯৯৯সাল)।
 প্রথম বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

জানতে হবেঃ
 শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চ এর ভাষণ যুক্ত আছে- ৫ম তফসিলে
 স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র যুক্ত করা হয়েছে-৭ম তফসিলে
 জাতিসংঘ সমুদ্র আইন পাস হয়--১৯৮২ সালে
 জাতিসংঘের মোট ভাষা ৬টি হলেও অফিসিয়াল/ কার্যকরী ভাষা ২ টিঃ
১. ইংরেজি
২. ফ্রেঞ্চ
 V20 কিসের সাথে সম্পর্কিত --জলবায়ু পরিবর্তন
 সর্বশেষ জলবায়ু সম্মেলন ডিসেম্বর ২০১৮ অনুষ্ঠিত হয় - কাটোউইস, পোলান্ড।
 ২০২২ সালের G20 সম্মেলন হবে--ভারতে
 ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে
 ২০১৯-২০ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছেঃ-৮.২ শতাংশ
 ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলম্পিক অনুষ্ঠিত হবে - টোকিও, জাপান
 ২০২২ সালের শীতকালীন অলম্পিক অনুষ্ঠিত হবে - বেইজিং, চীন।
 Transparency international:
প্রতিষ্ঠা পায়ঃ ৪ মে, ১৯৯৩
সদরদপ্তরঃ বার্লিন, জার্মানি
উদ্দেশ্যঃ৷ যুদ্ধবন্ধ & দূর্নীতিপ্রতিরোধ করা।
 বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (BSS)
 প্রতিষ্ঠা পায়ঃ- ১লা জানুয়ারী, ১৯৭২
 পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি একত্রিত হয়ঃ-১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর
 সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়ঃ-১৯২২ সালে
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে ১৫টি নতুন রাষ্ট্র গঠিত হয়ঃ-১৯৯১ সালে
 সর্বপ্রথম নারী ভোটাধিকার প্রদান করা হয়ঃ- নিউজিল্যান্ডে ১৮৯৩ সালে
 চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা হয়ঃ-১৯৪৯ সালে
সাংস্কৃতিক বিপ্লব হয়ঃ-চীনে
 ২০১৯ সালে একুশে পদক দেওয়া হয় --২১ জনকে
 ২০১৯ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান - -১২১ তম
 মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্র বর্ডারে, ২০১৮ তে ঘটিত যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর অপারেশনের নাম-- Operation faithful patriot
 ইহুদিদের উপাসনালয়ের নাম - -সিনেগগ
 বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ শান্তিরক্ষা মিশনে যোগ দেয় - -২০১০ সালে
 সার্কের প্রথম নারী মহাসচিব -- নেপালের
 অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন কুক কোন দেশের অধিবাসী--ব্রিটেন
 ২০১৯ সালে অস্কার পায় কোন চলচ্চিত্র --Green Book
 ব্রিটেন এর নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের দলের নাম --conservative party
 বাংলাদেশে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয় --১৯৭৭ সাল থেকে
 থাইল্যান্ডের বর্তমান রাজার নাম --Maha Vajiralongkorn
 বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সংবলিত বোয়িং ৭৮৭-৮
তৃতীয় ড্রিমলাইনার - ``গাঙচিল'' বিমানে যুক্ত হলো।
 পূর্বে যুক্ত হওয়া:
১। ড্রিমলাইনার-১ এর নাম: আকাশবীণা।
২। ড্রিমলাইনার-২ এর নাম: হংসবলাকা।
৩। ড্রিমলাইনার-৪ এর নাম হবে: রাজহংস।
*** বিমানগুলোর প্রস্তুতকারক - মার্কিন বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িং কোম্পানি।
 ধান ও মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলাময়মনসিংহ।
 গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
 চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
 পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
 আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মুন্সিগঞ্জ।
 আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রাজশাহী।
 তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।

আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সর্বশেষ সদস্য এবং কিছু তথ্য :
"OPEC"র বর্তমান সদস্য দেশ ১৪টি (সর্বশেষ কঙ্গো প্রজাতন্ত্র)।
"COMESA"র বর্তমান সদস্য দেশ ২১ টি (সর্বশেষ সোমালিয়া)।
"NATO "র বর্তমান সদস্য দেশ ২৯ টি (সর্বশেষ মন্টিনেগ্রো)।
" OECD "র বর্তমান সদস্য দেশ ৩৭ টি (সর্বশেষ লিথুনিয়া ও কলম্বিয়া)।
"African Union "র বর্তমান সদস্য দেশ ৫৫ টি (সর্বশেষ মরক্কো)।
"OIC "র বর্তমান সদস্য দেশ ৫৭ টি (সর্বশেষ আইভেরি কোস্ট )।
"IDB "র বর্তমান সদস্য দেশ ৫৭ টি (সর্বশেষ গায়ানা)।
"ADB "র বর্তমান সদস্য দেশ ৬৭ টি (সর্বশেষ জর্জিয়া)।
"ICSID "র বর্তমান সদস্য দেশ ১৬১ টি।
"IAEA"র বর্তমান সদস্য দেশ ১৭১ টি (সর্বশেষ সেন্ট লুসিয়া)।
"IDA "র বর্তমান সদস্য দেশ ১৭৩ টি (সর্বশেষ রোমানিয়া)।
"WCO "র বর্তমান সদস্য দেশ ১৮৩ টি (সর্বশেষ সুরিনাম)।
"WMO"র বর্তমান সদস্য দেশ ১৮৬ টি (সর্বশেষ অ্যান্ডোরা)।
"IFC "র বর্তমান সদস্য দেশ ১৮৪ টি (সর্বশেষ দঃ সুদান)।
"IMF "র বর্তমান সদস্য দেশ ১৮৯ টি (সর্বশেষ নাউরু)।
"UNESCO "র বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৩ টি (সর্বশেষ ফিলিস্তিন)।
"United Nations "র বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৩ টি (সর্বশেষ দঃ সুদান)।
"WHO"র বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৪ টি (সর্বশেষ দঃ সুদান)।
"INTERPOL"র বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৪ টি ( সর্বশেষ ভানুয়াতু)।
"UNCTAD" র বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৫ টি (সর্বশেষ ফিলিস্তিন)।
SCO'র বর্তমান সদস্য দেশ ৮টি।
CICA'র বর্তমান সদস্য দেশ ২৭টি।
ASEAN'র বর্তমান সদস্য দেশ ১০ টি।

অর্থনৈতিক_সমীক্ষা ২০১৯
__ মোট জনসংখ্যাঃ ১৬.৩৭ কোটি।
__ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারঃ ১.৩৭%।
__ স্থুল জন্মহারঃ ১৮.৫ জন ( প্রতি হাজারে)।
__ দারিদ্রের হারঃ ২১.৮%।
__ চরম দারিদ্রের হারঃ ১১.৩%।
__ প্রত্যাশিত গড় আয়ুস্কালঃ ৭২ বছর ( পুরুষ ৭০.৬ বছর, নারী ৭৩.৫ বছর)।
__ সাক্ষরতার হারঃ ৭২.৩%।
__ পুরুষ নারী অনুপাতঃ ১০০.২ঃঃ১০০।
__ মাথাপিছু আয়ঃ ১৯০৯ মা.ড।
__ চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণঃ ১৮২৭ মা.ড।
__ কৃষিতে মোট জনশক্তি নিয়োজিতঃ ৪০.৬% ( সেবা খাতে ৩৯%, শিল্প খাতে ২০.৪%)।
__ তফসিলিভুক্ত ব্যাংকঃ ৫৯টি।

বাংলাদেশের ৪৯ তম জাতীয় বাজেট ২০১৯-২০
__ বাজেট ঘোষণাঃ ১৩ জুন ২০১৯।
__ বাজেট পাসঃ ৩০ জুন ২০১৯।
__ বাজেট কার্যকরঃ ০১ জুলাই ২০১৯।
__ বাজেটঃ ৪৮তম (অন্তর্বর্তীকালীন সহ ৪৯)
__ উত্থাপনকারীঃ আ.হ.ম মোস্তফা
কামাল (অর্থমন্ত্রী)।
__ বাজেটের আকারঃ ৫২৩১৯০ কোটি
টাকা।
__ ঘাটতিঃ ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৮০ টাকা।
__ স্লোগানঃ 'সমৃদ্ধির সোপানে
বাংলাদেশ, সময় এখন আমাদের’।
__ জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার নির্ধারণঃ ৮.২%।
__ মুদ্রাস্ফিতির হারঃ ৫.৫%।
__ ADP তে বরাদ্দঃ ২ লক্ষ ২ হাজার ৭২১
কোটি টাকা।
__ সর্বোচ্চ বরাদ্দঃ জনপ্রশাসন খাতে ( ৯৬,৪৭০ কোটি টাকা, মোট বাজেটের ১৮.৫%)
__ ভ্যাটের স্তরঃ ৪ টি ( ৫%, ৭.৫%, ১০% ও ১৫%)।

24/07/2019

★★★যে বিষয়গুলো বার বার পরীক্ষায় আসে★★★


১। দ্বৈত শাসন + ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভ = ১৭৬৫।

২। ছিয়াত্তরের মন্বন্তর = ১৭৭০।

৩। আমেরিকার স্বাধীনতা লাভ = ১৭৭৬ ।

৪। ফরাসি বিপ্লব = ১৭৮৯।

৫। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা = ১৮০০।

৬ । ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ চালু =১৮০১ ।

৭। ওয়াটার লুর যুদ্ধ = ১৮১৫ ।

৮। লর্ড বেন্টিং কর্তৃক রাজা রামমোহন রায়ের প্রচেষ্টায় সতীদাহ প্রথা রহিতকরণ + ঢাকা বিভাগ চালু= ১৮২৯।

৯। তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা নির্মান = ১৮৩১।

১০ । লর্ড ডাল হৌসি কর্তৃক উপমহাদেশে রেল চালু = ১৮৫৩।

১০। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয় > ১২০৪ সালে।

১২। ষাট গম্বুজ মসজিদের প্রতিষ্ঠা > ১৪৫৯।

১৩। কম্ববাসের আমেরিকা আবিষ্কার > ১৪৯২।

১৪। ভাস্কোডা গামার ভারত বর্ষে আসার জলপথ আবিষ্কার = ১৪৯৮ ।

১৫। পানি পথের ১ম যুদ্ধ = ১৫২৬।

১৬। বাংলা সাল গণনা শুরু + পানি পথের ২য় যুদ্ধ+ সম্রাট আকবরের সিংহাসন লাভ= ১৫৫৬।

১৭। সর্বপ্রথম ঢাকা বাংলার রাজধানী > ১৬১০ ।

১৮। পলাশীর যুদ্ধ=১৭৫৭ সালে।

১৯। পানি পথের ৩য় যুদ্ধ = ১৭৬১ ।

২০। বক্সারের যুদ্ধ = ১৭৬৪।

২১। লর্ড ডাল হৌসি কর্তৃক হিন্দু বিধবা আইন পাশ = ১৮৫৬।

২২। বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল প্রকাশ + সিপাহী বিদ্রোহ + কাগজের মুদ্রা চালু + বাংলাদেশে বাণিজিক ভাবে চা চাষ শুরু =১৮৫৭ সালে।

২৩। নীল বিদ্রোহের অবসান + নীল দর্পন নাটকের প্রকাশ= ১৮৬০।

২৪। রবী ঠাকুরের জন্ম ও মাইকেলের মেঘনাথ বধ কাব্যে প্রকাশ + আমেরিকা গৃহ যুদ্ধ শুরু- ১৮৬১ ।

২৫। বাংলাদেশে রেল চালু = ১৮৬২।

২৬। যুক্তরাষ্ট্রের দাসপ্রথা বিলুপ্ত+ মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি + ১৮৬৩ ।

২৭। বাংলা সাহিত্যের ১ম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশ নন্দিনী প্রকাশিত = ১৮৬৫।

২৮। রোকেয়ার জন্ম= ১৮৮০।

২৯। পৃথিবীতে প্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার পান= ১৮৯৩ ।

৩০ । আধুনিক অলিম্পিকের যাত্রা শুরু = ১৮৯৬ ।

৩১। কাজী নজরুল ও জীবনানন্দের জন্ম= ১৮৯৯ ।

৩২। নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু > ১৯০১।

৩৩। বঙ্গভঙ্গ শুরু এবং ঢাকা প্রাদেশিক রাজধানী =১৯০৫ সালে।

৩৪। মুসলীম লীগ প্রতিষ্ঠিত=১৯০৬ সালে।

৩৫। চর্যাপদ আবিষ্কৃত=১৯০৭ সালে।

৩৬। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কৃত=১৯০৯ সালে।

৩৭ । গীতাঞ্জলি প্রকাশ >> ১৯১০।

৩৮। বঙ্গভঙ্গ রদ=১৯১১ সালে।

৩৯। টাইটানিকের ডোবা > ১৯১২ ।

৪০। গীতাঞ্জলির জন্য রবীর নোবলে + যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পানামা খাল খনন শুরু > ১৯১৩।

৪১। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু + সবুজ পত্র পত্রিকা প্রকাশ = ১৯১৪।

৪২। চর্যাপদ + শ্রীকৃষ্ণকীর্তন প্রকাশিত + লক্ষ্নৌ চুক্তি = ১৯১৬।

৪৩। লেনিনের রুশ বিপ্লব/বলশেবিক /অক্টোবর বিপ্লব দ্বারা রাশিয়ায় জারতন্ত্রের অবসান + পুলিৎজার পুরস্কার শুরু + যুক্তরাষ্ট্রের ১ম বিশ্ব যুদ্ধে অংশগ্রহণ + বেলফোর ঘোষণা( ইহুদি রাষ্ট্র) = ১৯১৭।

৪৪। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ + ব্রিটেনের নারী ভোটাধিকার পায় + সওগাত পত্রিকা প্রকাশ >> ১৯১৮ ।

৪৫। লিগ অব ন্যাশনস প্রতিষ্ঠা +আইএলো প্রতিষ্ঠা + রবী ঠাকুরের নাইট উপাধি বর্জন+ জালিওয়ানবাগ হত্যাকাণ্ড = ১৯১৯ ।

৪৬। বঙ্গবন্ধুর জন্ম >> ১৯২০।

৪৭। কল্লোল পত্রিকা + ইন্টারপোলের কার্যক্রম শুরু+ বেঙ্গল প্যাক্ট(হিন্দু মুসলমান ঐক্য) + ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম সমাবর্তন>>> ১৯২৩।

৪৮। মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠা= ১৯২৬ ।

৪৯। শিখা পত্রিকা ও মাসিক মোহাম্মাদী পত্রিকা প্রকাশ >> ১৯২৭।

৫০ । আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কর্তৃক পেনিসিলিন আবিষ্কার = ১৯২৮ ।

৫১। বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু = ১৯৩০ ।

৫২। ২য় বিশ্বযুদ্ধ শুরু = ১৯৩৯।

৫৩। শেরে বাংলা কর্তৃক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন + টিভির বাণিজি্যক উৎপাদন =১৯৪০ সালে।

৫৪। রবী ঠাকুরের মৃত্যু + জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমণ= ১৯৪১।

৫৫। পঞ্চাশের মন্বন্তর = ১৯৪৩ ( বাংলা ১৩৫০)।

৫৬। বিশ্ব ব্যাংক ও আইএম এফ (ব্রিটেন উডস ইনস্টিটিউশন) + ডি ডে = ১৯৪৪ ।

৫৭। ২য় বিশ্বযুদ্ধ শেষ + ইউনেস্ক + জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা + জাপানে পারমাণবিক বোমা ফেলা + সবুজ বিপ্লব > ১৯৪৫।

৫৮। ভারত বর্ষ বিভক্ত ( পাকিস্তান ও ভারতের স্বাধীনতা) + এসকাপ প্রতিষ্ঠা + আইএম এফের কার্যক্রম শুরু = ১৯৪৭ সালে।

৫৯। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ঘোষণা + সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন+ ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত + ফিলিস্তিনের মাতৃভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা + বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠা + উত্তর কোরিয়া – দক্ষিণ কোরিয়া , শ্রীলংকা+ মিয়ানমারের স্বাধীনতা + ট্রানজিস্টর আবিষ্কার +বিশ্ব শান্তি রক্ষী বাহিনী গঠন = ১৯৪৮।

৬০। আওয়ামী লীগ +ন্যাটো প্রতিষ্ঠা , জেনেভা কনভেনশন + চীনের বিপ্লব + কমনওয়েলথ প্রতিষ্ঠা = ১৯৪৯।

৬১। পূর্ববঙ্গ জমিদারী দখল ও প্রজাস্বসত্ত্ব আইন প্রণীত + মংলা সমুদ্র বন্দর + UNHCR প্রতিষ্ঠা = ১৯৫০ ।

৬২। ভাষা আন্দোলন + এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠা + শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠা =১৯৫২ সালে।

৬৩। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা + ডিএনএ ডাবল হেলিক্স + শেরপা- হিলারির এভারেস্ট জয় + কর্ণফুলী কাগজ কল (বাংলাদেশের ১ম) = ১৯৫৩ ।

৬৪। যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে জয়লাভ + জাতীয় প্রেস ক্লাব + গণপরিষদে বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি + পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রীয় শাসন জারি = ১৯৫৪।

৬৫ । বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা, বান্দং সম্মেলন (ন্যাম গঠন) + মুসলিম আওয়ামীলীগ থেকে মুসলিম বাদ = ১৯৫৫।

৬৬। মিশরের সুয়েজ খাল জাতীয়করণ + বাংলা ভাষাকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান = ১৯৫৬।

৬৭। বাংলাদেশের প্রথম গ্যাস উত্তোলন আরম্ভ+ ভাসানির কাগমারি সম্মেলন + ইইসি + ম্যাগসেসে পুরস্কার + স্পুটনিক -১ ভূ-উপগ্রহ কক্ষপথে নিক্ষেপ= ১৯৫৭ ।

৬৮। পাকিস্তানে সামরিক অবস্থা জারি = ১৯৫৮ ।

৬৯। বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান শুরু = ১৯৬০।

৭০। শিক্ষা আন্দোলন- ১৯৬২ ।

৭১। বার্লিন প্রাচীর গঠন , ন্যামের ১ম সম্মেলন , আমেনেষ্টি ইন্টারন্যাশনালের গঠন = ১৯৬১ ।

৭২। ছয়দফা পেশ=১৯৬৬ সালে।

৭৩ । আগরতলা মামলা=১৯৬৮ সালে।

৭৪। গণঅভ্যুত্থান=১৯৬৯ সালে।

৭৪। স্বাধীন বাংলাদেশ=১৯৭১ সালে।

৭৫। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন > ১৯৭২।

৭৬। ভারত -বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি>> ১৯৭২।

৭৭। বাংলাদেশের কমনওয়েলথে যোগদান = ১৯৭২।

৭৮। বাংলাদেশের জাতিসংঘে যোগদান =১৯৭৪।

৭৯।বঙ্গবন্ধুকে হত্যা >> ১৯৭৫ ।

৮০। কাজী নজরুল ইসলাম ও জসীম উদ্ দীনের মৃত্যু এবং একুশে পদক প্রদান শুরু >> ১৯৭৬।

02/07/2019

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স-জুলাই)

২ জুলাই ২০১৯ ( মঙ্গলবার)
১৮ আষাঢ় ১৪২৬
২৮ শাওয়াল ১৪৪০
#দেশ #

১) বর্তমানে বাংলাদেশ GSP সুবিধা পাচ্ছে – ৩৮ টি দেশে, ইইউ ভুক্ত – ২৮ টি দেশ

২) জাতীয় মহাসড়ক নেই – ১০ টি জেলায়

৩) বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে – ৪৫ প্রকারের ফল

৪) দেশের প্রথম নারী আলোকচিত্রীর নাম – সাইদা খানম

৫) দেশের প্রথম ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হবে – মোংলা পৌরসভায়, বাগেরহাট

৬) শিপিং কর্পোরেশনে যুক্ত হওয়া সর্বশেষ জাহাজের নাম – এমটি বাংলার অগ্রগতি

৭) দেশের জনসংখ্যা – ১৬৫.৫৭ মিলিয়ন ( ১ জানুয়ারি ২০১৯ প্রাক্কলিত)

৮) জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার – ১.৩৩%

৯) জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি কি.মি তে – ১,১১৬ জন

১০) সাক্ষরতার হার – ৭৩.২%

১১) প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল – ৭২.৩%

# #আন্তর্জাতিক # #

১২) ইউরেনিয়ামের মজুদ বাড়িয়েছে – ইরান

১৩) ব্রিটিশ শাসন থেকে চীনের কাছে হংকংকে
হস্তান্তরের ২২ বছর পূর্তি ছিল – ১ জুলাই ২০১৯

১৪) হংকংকে ব্রিটিশ শাসন থেকে চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয় – ১৯৯৭ সালে

১৫) ২০১৪ সালে হংকংয়ে হয়েছিল – “ ছাতা আন্দোলন বা আম্ব্রেলা মুভমেন্ট”

১৬) সুদানের প্রেসিডেন্ট বশির আল ওমরকে ক্ষমতা থেকে বিচ্যুত করা হয় – ১১ এপ্রিল ২০১৯

১৭) ভারতের প্রথম নারী অর্থমন্ত্রীর নাম – নির্মলা সীতারমন

১৮) ইউনেস্কো ঘোষিত প্রথম বিশ্ব স্থাপত্য রাজধানী – রিও ডি জেনিরো ( ব্রাজিল), ২০২০ সালের জন্য

১৯) লিচু উৎপাদনে শীর্ষ দেশ – চীন

২০) হুয়ায়ের অপারেটিং সিস্টেমের নাম – Ark OS

২১) বৈশ্বিক বাস্তুচ্যুতিতে শীর্ষ দেশ – সিরিয়া

২২) বৈশ্বিক শরনার্থী গ্রহনে শীর্ষ দেশ – তুরস্ক

২৩) FAO এর ৯ম ও নতুন মহাপরিচালক – কিউ ডংগিউ ( চীন)

২৪) প্রথম গ্লোবাল রিফ্যুজি ফোরাম অনুষ্ঠিত হবে – ১৭-১৮ ডিসেম্বর , ২০১৯, জেনেভা, সুইজারল্যান্ডে

২৫) হংকং এর আইন পরিষদের নাম – LegCo

২৬) ১৪তম G20 সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় – ২৮-২৯ জুন, ২০১৯, ওসাকা জাপান

# #অর্থনীতি # #

২৭) ২০১৯-২০ বাজেট - ৪৯তম

২৮) বাজেটের আকার - ৫, ২৩,১৯০ কোটি টাকা

২৯) সাধারণ করমুক্ত আয়সীমা – ২,৫০,০০০ টাকা

# #অন্যান্য #

৩০) বর্তমানে দেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা – ৫০ টি ( ১৯ মার্চ ২০১৯, সরকারি প্রজ্ঞাপন মতে)

৩১) কৃষি শুমারি ২০১৯ শুরু হয় – ৯ জুন ২০১৯

৩২) এবারের কৃষি শুমারির প্রতিপাদ্য – “ কৃষি শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি “

==================================‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’...লোকে বলে নয়া 'সিল্ক রোড'===================================...
08/03/2019

==================================
‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’...লোকে বলে নয়া 'সিল্ক রোড'
===================================

‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ একটি উন্নয়ন কৌশল ও কাঠামো। ঐতিহাসিক ‘সিল্ক রোড’কে পুনরুজ্জীবিত করে ভূমি-ভিত্তিক ‘সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট' (এসআরইবি) এবং সমূদ্রগামী ‘মেরিটাইম সিল্ক রোড' (এমএসআর) নিয়ে চীনের সাথে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের অন্তত ৭০টি দেশের জলে ও স্থলে সংযোগ স্থাপনের (কানেকটিভিটি) মাধ্যমে দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ, সহযোগিতা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোডে’র কাঠামো গঠিত হবে।

ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোডকে সংক্ষেপে ‘ওবর’ অথবা ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ ইনিশিয়েটিভও বলা হয়। ২০১৩ সালে চীনের ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড উদ্যোগ তুলে ধরেন প্রেসিডেন্ট শি। এরপর থেকে এই উদ্যোগকে ঘিরেই চলছে দেশটির অর্থনৈতিক কূটনীতি। এটাকে চীন সম্মিলিত উন্নয়নের ‘চীনা স্বপ্ন’ বলে বর্ণনা করছে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশিপ' (টিপিপি) এবং ‘ট্রান্স আটলান্টিক ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট পার্টনারশিপ' (টিটিআইপি) চুক্তির বিকল্প হিসেবে আখ্যা দিতে চেয়েছেন।

এ প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইটি) নামে চীনের নেতৃত্বে ১০ হাজার কোটি ডলারের মূলধনে একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ ছাড়া চীন চার হাজার কোটি ডলারের সিল্ক রোড তহবিল গঠন করেছে। চীন এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজে লাগিয়েছে। প্রকল্পটির ব্যাপারে চীনের সাথে ৪৪টি দেশের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রকল্পের সাথে জড়িত দেশগুলোকে আগ্রহী করে তোলার জন্য ইতোমধ্যে ২০টিরও বেশি দেশ সফর করেছেন।

চীনের ‘ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড’ উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছানোর যে লক্ষ্য বাংলাদেশের রয়েছে তা অর্জনে এটা ‘গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ’ নিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০১৭ সালকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ‘বন্ধুত্ব ও আদান-প্রদানের’ বছর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট শি’য়ের ঢাকা সফরে ‘ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড’ উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ যোগ দেয়।

Address

Chittagong University
Chittagong
4330

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IR department Of CU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to IR department Of CU:

Share