ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family

অভিনন্দন জগন্নাথ হল 🎊ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ(DUCSU) কর্তৃক আয়োজিত আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর মেগা...
14/08/2026

অভিনন্দন জগন্নাথ হল 🎊

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ(DUCSU) কর্তৃক আয়োজিত আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর মেগা ফাইনালে বিজয় একাত্তর হলকে ৪-১ গোলে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ হল।

জগন্নাথ হল ফুটবল দল-২০২৬ এর স্কোয়াডে এবারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family এর রেকর্ড পাঁচজন ত্রিপুরা শিক্ষার্থী সুযোগ পেয়েছেন। তারা হলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী Johny Moses Tripura, বাংলা বিভাগের Chethuang ত্রিপুরা, চারুকলা অনুষদের Gathi Parod ত্রিপুরা, Banking & Insurance বিভাগের Frank Lin Tripura এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের তরুণ তুর্কি Rahul Tripura RH. এইবারের টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পেয়ে অসাধারণ খেলা উপহার দিয়েছেন সবাই। তাদের আগে সর্বোচ্চ তিনজন ত্রিপুরা শিক্ষার্থী জগন্নাথ হল ফুটবল দলের হয়ে আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেছিল। তারা হলেন জীবন ত্রিপুরা, সঞ্জয় দেববর্মা এবং অন্তর ত্রিপুরা।

জগন্নাথ হল টিমের সকল খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ, ভক্ত-সমর্থকদের অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

বিশেষ ধন্যবাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ এর সকলকে এতো সুন্দর টুর্নামেন্ট উপহার দেওয়ার জন্য।

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family বনাম জগন্না...
08/08/2026

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family বনাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আদিবাসী শিক্ষার্থী পরিবার এর মধ্যকার প্রীতি ফুটবল ম্যাচে স্বাগতিকদের ১-২ গোলে পরাজিত করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আদিবাসী শিক্ষার্থী পরিবার।

প্রথমার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে থাকে সফরকারী দলটি। শুরুতেই ১-০ গোলের লিড নেওয়ার সহজ সুযোগ মিস করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আদিবাসী শিক্ষার্থী পরিবার এর ফরোয়ার্ড বিকাশ। পরবর্তীতে আক্রমণ পাল্টা-আক্রমণে ভালোই জমে উঠেছিল ম্যাচটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনাইটেড ত্রিপুরা স্পোর্টিং ক্লাব - United Tripura Sporting Club এর মধ্যমাঠের প্রাণভোমরা Sojol Tripura, Johny Moses Tripura এবং সৈকত ত্রিপুরা এর নেতৃত্বে নিজেদের মধ্যে দেওয়ানেওয়া করে মাঝমাঠ দখলে নেয় স্বাগতিক দলটি। উপর্যুপরি আক্রমণ করতে থাকে। রাইট উইং থেকে বিল্ডআপ খেলে অসাধারণ গোল করে স্বাগতিকদের ১-০ গোলের লিড এনে দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার এর পোস্টার-বয় সজল ত্রিপুরা। ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর গোলশোধের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আদিবাসী শিক্ষার্থী পরিবার এর খেলোয়াড়েরা। প্রথমার্ধের শেষের দিকে ডি-বক্সের বাইরে থেকে অসাধারণ শটে ১-১ গোলের সমতায় নিয়ে আসেন সফরকারী দলের ফরোয়ার্ড বিকাশ। ১-১ গোলের সমতার পর উভয় দলই আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ করতে থাকে। সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার এর রাইট উইঙ্গার Rahul Tripura RH , লেফট উইঙ্গার Rn Nishiha Tripura এবং পোড়খাওয়া স্ট্রাইকার Clinton Mathew Tripura। ফরোয়ার্ড খেলোয়াড়দের একের পর এক শট ধূলিসাৎ করে দেন সফরকারী দলের গোলরক্ষক আলিসন বেকার খ্যাত মংপ্রু মারমা। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল না হলে ১-১ গোলের সমতার নিয়ে বিরতিতে যায় উভয় দল।

দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আদিবাসী শিক্ষার্থীরা। ফ্রেশ লেগ নামিয়ে চমক দেখায় দলটি। অন্যদিকে দ্বিতীয়ার্ধে এসে হঠাৎ খেয় হারিয়ে ফেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার এর খেলোয়াড়েরা। গোল দেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকে সবাই। রাইট উইং ব্যাক Chethuang রক্ষণভাগ সামলানোর পাশাপাশি ওভারল্যাপিং করে আক্রমণে সহায়তা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কর্দমাক্ত পিচ্ছিল মাঠে স্বাগতিকদের উপর্যুপরি আক্রমণ ভেস্তে যায়।

অন্যদিকে বনমালী, অং, প্রিয়দর্শী এবং হিমেলের নেতৃত্বে দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত খেলতে থাকে। জীবন বর্মন এবং ক্লিনটন ত্রিপুরার নেতৃত্বে তাদের রক্ষণভাগ ছিলো চীনের প্রাচীর সমান। তাদের রাইট উইঙ্গার আরং ত্রিপুরা এবং লেফট উইং থেকে বদলি হিসেবে নামা বিলগ্রিকরা ছিলো অপ্রতিরোধ্য। তাদের আটকাতে ভালোই বেগ পেতে হয়েছিল স্বাগতিক দলের লেফট ব্যাক Korno Jouty Tripura এবং রাইট উইং ব্যাক সুমন্ত ত্রিপুরাকে। তবে Frank Lin Tripura মাগালেস এর নেতৃত্বে গড়া তাদের আঁটসাঁট রক্ষণের ভেদ করতে পারেনি আরং-বিলগ্রিক-দীপায়নরা।

দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কয়েকবার সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন এস্তেভাও রাহুল এবং লাউটারো ক্লিন্টন। নিশিহার মাটিকামড়ানো শট অবিশ্বাস্যভাবে সেভ দিয়ে আবারও স্বাগতিকদের গোলবঞ্চিত করেন সফরকারী দলের গোলরক্ষক মংপ্রু। দ্বিতীয়ার্ধের শেষের দিকে ডি-বক্সের সামনে ফ্রি কিক পায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড়েরা। অং এর অসাধারণ ফ্রি-কিক থেকে ২-১ গোলের লিড পায় তারা। ২-১ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর গোলশোধের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে। কিন্তু আক্রমণ ভাগের খেলোয়াড়দের শিশুসুলভ মিসের কারণে স্কোর আর পরিবর্তন হয়নি। যোগ করা সময়ের অন্তিম মূহুর্তে সৈকত ত্রিপুরা এর অসাধারণ হেডার অবিশ্বাস্যভাবে ঠেকিয়ে দেন সফরকারী দলের ওয়ান-ম্যান আর্মি মংপ্রু মারমা। ফলে আপ্রাণ চেষ্টা করেও সমতাসূচক গোলটি পেলো না স্বাগতিক দল। এর কিছুক্ষণ পরেই রেফারি লম্বা বাঁশি বাজিয়ে খেলা সমাপ্তির ঘোষণা দেন। ফলে টানটান উত্তেজনাকর ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় পায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আদিবাসী শিক্ষার্থী পরিবার। রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতেই হতাশায় ভেঙে পড়েন স্বাগতিক দলের খেলোয়াড়েরা। অন্যদিকে সফরকারী দলের খেলোয়াড়েরা বাঁধভাঙা উল্লাসে মেতে উঠেন। তাদের গ্যালারিতে থাকা ভক্ত-সমর্থকদেরও বিজয়োল্লাস করতে দেখা যায়। বিজয়োল্লাস তো হবেই কারণ ০-১ গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও ২-১ গোলের জয় ছিনিয়ে নেওয়া মোটেও চাট্টিখানি কথা নই, তা-ও আবার অন্যের মাঠে এসে.!

উভয় দলই অসাধারণ খেলেছেন। খেলায় হারজিত থাকবে কারণ এটা খেলার অংশ। আজকের জয়টা সফরকারী দলের প্রাপ্য ছিলো। কারণ তারা বৃষ্টির মধ্যেও কষ্ট করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার এর সাথে খেলতে এসেছে। প্রথম থেকে শেষ বাঁশি বাজানোর আগপর্যন্ত তাদের খেলায় ডিসিপ্লিন এবং টিমের প্রতি ডেডিকেশন ছিলো। দিনের আলোটা একাই কেড়ে নিয়েছেন সফরকারী দলের গোলরক্ষক মংপ্রু মারমা। তার অতি মানবীয় সেভগুলো এখনো চোখে লেগে আছে। দিনটা তার ছিলো আজকে। তিনি অতি মানবীয় সেভগুলো না করলে স্বাগতিক দলের ফরোয়ার্ড খেলোয়াড়েরা হয়তো নিজেদের নামের পাশে কমপক্ষে ২-৩টা গোল দেখতে পেতেন।

শুরু থেকে উপর্যুপরি আক্রমণ করেও গোল না পাওয়ায় ভাগ্যকে দুষছেন স্বাগতিক দলের ফরোয়ার্ড খেলোয়াড়েরা। বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে থেকেও জিততে না পারায় হতাশ হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা একাদশের অধিনায়ক। তবে উভয় দলের পারফরম্যান্সে খুশি তিনি। কারণ সবার মধ্যে খেলোয়াড়সুলভ আচরণ ছিলো।

প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিলো দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের আদিবাসী শিক্ষার্থীদের মাঝে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা, ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধন সুদৃঢ় করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে রাখা।

ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আদিবাসী শিক্ষার্থী পরিবারকে। খেলাধুলা শুধু শারীরিক পরিচর্যা করে না, মানসিক পরিচর্যাও করে। তাছাড়া খেলাধুলার মাধ্যমে একে-অপরের সাথে যে সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হয় তা অন্য কোনো মাধ্যমে এতো শক্তিশালী বন্ডিং হয় না। আশাকরি এই ধারা অব্যাহত থাকবে। উভয় দলের খেলোয়াড়, ভক্ত-সমর্থক এবং এই আয়োজনের পিছনে অক্লান্ত পরিশ্রম করা সকলকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার এর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা।

আন্তজার্তিক বিশ্ব আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচে আগামীকাল Jagannath University Indigenous Students Unio...
07/08/2026

আন্তজার্তিক বিশ্ব আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচে আগামীকাল Jagannath University Indigenous Students Union এর বিপক্ষে মাঠে নামছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family।

নিচে শুরুর একাদশের লাইনআপ দেওয়া হলো।

সকলকে মাঠে এসে আমাদের খেলা উপভোগ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি 🥰

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস'র অগ্রীম শুভেচ্ছা❤️২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক বিশ্ব আদিবাসী দিবসের প্রতিপাদ্য হলো: “Honouring Indig...
07/08/2026

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস'র অগ্রীম শুভেচ্ছা❤️

২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক বিশ্ব আদিবাসী দিবসের প্রতিপাদ্য হলো: “Honouring Indigenous Midwives: Safeguarding Life and Well-being”, যার বাংলা ভাবার্থ হলো— “আদিবাসী ধাত্রীদের সম্মান: জীবন রক্ষা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ”।

৯ আগস্ট ‘বিশ্ব আদিবাসী দিবস’ কে সামনে রেখে আগামীকাল ৮ আগস্ট, ২০২৬ শনিবার সকাল ৭ ঘটিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ হল মাঠ প্রাঙ্গণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family বনাম ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আদিবাসী শিক্ষার্থী পরিবার’ এর মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছে। এই আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আদিবাসী শিক্ষার্থীদের মাঝে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা, ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধন সুদৃঢ় করা এবং মাদক থেকে দূরে রাখা।

সকলকে মাঠে এসে আমাদের খেলা উপভোগ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

Match Day ✅
Dhaka University Tripura Family
vs
Jagannath University Indigenous Students Union

Date: 8 August, 2026
Time: 7:00 AM
Venue: Jagannath Hall, Dhaka University

জরুরী সাহায্যের প্রার্থনা 🙏 রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার ৪নং বড়থলির দূর্গম ধুপপানি ছড়া ত্রিপুরা পাড়ার আগুনে ...
03/08/2026

জরুরী সাহায্যের প্রার্থনা 🙏

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার ৪নং বড়থলির দূর্গম ধুপপানি ছড়া ত্রিপুরা পাড়ার আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র বয়স্ক নিঃস্ব এক পরিবারের জন্য সুহৃদয়বান ব্যক্তিদের সাহায্যে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

গতকাল আনুমানিক রাত ৩ টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকার কারণে হারিকেন বাতির আগুনে পুড়ে ৭৯ বছর বয়সী গরীব জুমচাষী বিশ্বমত্র ত্রিপুরা এবং তাঁর স্ত্রী চিঠিরুং ত্রিপুরার শরীর সহ ঘরে সঞ্চয় থাকা টাকাপয়সা, ২০০ হাড়ি জুমের ধান এবং ঘরের সব প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পুড়ে যায়। গ্রামটি অতি দূূর্গম এবং বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ইন্ডিয়া সীমান্তে হওয়ায় গতকালের ঘটনা আজকে রাত্রে জানাতে পেরেছে।

অসহায় এবং আগুনে পুড়ে নিঃস্ব এই বয়স্ক জুমচাষী দম্পতির জরুরী ভিত্তিতে কাপড় চোপড়, খাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় চাল এবং নগদ অর্থসহ অন্যান্য জিনিস দরকার এমতাবস্থায় সমাজের সুহৃদয়বান সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত যোগাযোগের জন্য দরকারে -
অখিঁলা ত্রিপুরা ( ক্ষতিগ্রস্থদের ছেলে)
+880 1581-562629

জাতিরায় ত্রিপুরা (কারবারি)
+880 1868-677074

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা :
01612533629( Bikash,Nagad,Rocket)

Sagor Tripura (Sonali Bank)
account no- 4405701032999

সাগর ত্রিপুরা
সাধারণ সম্পাদক
টিএসএফ. বিডি কেন্দ্রীয় কমিটি।

অভিনন্দন Harmony Tripura 🎊👏ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম,...
03/07/2026

অভিনন্দন Harmony Tripura 🎊👏

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ, ঢাকা মহানগর শাখার সাবেক ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাচাং হারমনি ত্রিপুরা সোনালী ব্যাংক পিএলসি-তে অফিসার (ক্যাশ) পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family এর পক্ষ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাই।

আপনার এই সাফল্য কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং মেধার এক উজ্জ্বল স্বীকৃতি। আশা করি সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আপনি কর্মজীবনে আরও সাফল্যের স্বাক্ষর রাখবেন। আপনার আগামী পথচলা হোক আরও সমৃদ্ধ, সফল ও গৌরবময়।

নতুন পরিচয়:
হারমনি ত্রিপুরা
অফিসার(ক্যাশ)
সোনালী ব্যাংক পিএলসি

অভিনন্দন প্রিয় জ্যোতি ত্রিপুরা 🎊👏ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মনোবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, ব...
03/07/2026

অভিনন্দন প্রিয় জ্যোতি ত্রিপুরা 🎊👏

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মনোবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ, ঢাকা মহানগর শাখার সাবেক সভাপতি মাচাং প্রিয় জ্যোতি ত্রিপুরা সোনালী ব্যাংক পিএলসি-তে অফিসার(ক্যাশ) পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family এর পক্ষ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাই।

আপনার এই সাফল্য কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং মেধার এক উজ্জ্বল স্বীকৃতি। আশা করি সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আপনি কর্মজীবনে আরও সাফল্যের স্বাক্ষর রাখবেন। আপনার আগামী পথচলা হোক আরও সমৃদ্ধ, সফল ও গৌরবময়।

নতুন পরিচয়:
প্রিয় জ্যোতি ত্রিপুরা
অফিসার(ক্যাশ)
সোনালী ব্যাংক পিএলসি

অভিনন্দন নয়ন ত্রিপুরা 🥊আগামী ৩১শে অক্টোবর থেকে ১৩ই নভেম্বর পর্যন্ত সেনেগালে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ সালের গ্রীষ্মকালীন যুব অলিম...
04/06/2026

অভিনন্দন নয়ন ত্রিপুরা 🥊

আগামী ৩১শে অক্টোবর থেকে ১৩ই নভেম্বর পর্যন্ত সেনেগালে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ সালের গ্রীষ্মকালীন যুব অলিম্পিক গেমস(2026 Summer Youth Olympic Games, Dakar) এ বাংলাদেশের হয়ে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন বান্দরবানের প্রতিশ্রুতিশীল বক্সার নয়ন ত্রিপুরা।

এই প্রথমবার আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) আফ্রিকান মহাদেশে কোনো অলিম্পিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে যাচ্ছে। ঐতিহাসিক এই আসরে দেশ ও জাতিকে প্রতিনিধিত্ব করবেন নয়ন ত্রিপুরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family এর পক্ষ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভকামনা রইল 👏

অভিনন্দন ড. সজীব ত্রিপুরা 🎊দীর্ঘ গবেষণা ও কঠোর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা ...
31/05/2026

অভিনন্দন ড. সজীব ত্রিপুরা 🎊

দীর্ঘ গবেষণা ও কঠোর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family এর পক্ষ থেকে আপনাকে জানাই উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আপনার এই অসাধারণ সাফল্য আমাদের গর্বিত করেছে। আপনার এই মেধা ও গবেষণা আগামী দিনে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। আপনার জ্ঞান ও গবেষণার যাত্রা আরও সমৃদ্ধ হোক।

“এটা আমার তৃতীয় স্বপ্ন ছিল। প্রথম ছিল ইঞ্জিনিয়ার হওয়া, যেটা চারটা বাঁশের বেড়া, দুইটা গাছের খুটির উপর তক্তা দিয়ে তৈরি হাই ও লো বেঞ্চ সম্বলিত ক্লাসরুম, উপরে টিনের ছাদ দ্বারা সদ্য নির্মিত " সিন্দুকছড়ি মুখ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় দেখেছিলাম, পূর্ন হয়েছিল ২০১০ সালে, চট্টগ্রাম বিশ্বিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রীর সার্টিফিকেট পাওয়ার পর। দ্বিতীয় স্বপ্নটি ছিল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়া, যে স্বপ্নটি দেখেছিলাম ২০০৪ সালে গাজীপুর এডভ্যান্টিস্ট সেমিনারি স্কুল এন্ড কলেজে ইন্টার দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় রাঙামাটিতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হবে বলে দৈনিক পত্রিকায় খবর দেখার পর, যা পূর্ন হয়েছিল ২০১৬ সালে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করার মাধ্যমে। আর তৃতীয়টি ছিল পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করে ড. সজীব ত্রিপুরা হওয়া, যেটা চট্টগ্রাম বিশ্বিদ্যালয়ের নুর ভবন কটেজে পড়ার টেবিলে বসে পড়ার সময় আমার এডভ্যান্স ইংলিশ ডিকশনারির কভার পেইজে ভুলবশত নিজের নাম ড. সজীব ত্রিপুরা লিখে ফেলার পর (১ম বর্ষ, ২০০৭ সাল), যা আজ ৩০ মে ২০২৬ সালে পূরণ করতে পারলাম সকলের সহযোগিতা ও আশীর্বাদে। অন্য দশজনের এইরকম যাত্রা তুলনামূলক ভাল হলেও আমার ক্ষেত্রে ছিল চরম।

শুরু থেকে এই পর্যন্ত চরম সংগ্রাম করতে হয়েছে আমার - প্রাকৃতিক পরিবেশের বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থার সাথে, আর্থিক দুরাবস্থার সাথে, শারীরিক দুরাবস্থার সাথে.....| কারণ ২০০৬/২০০৮ সাল পর্যন্ত আমাদের এলাকা ছিল উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত একটি প্রত্যন্ত, অন্ধকার ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন এলাকা, গ্রামীণ জনপদ, নিদির্ষ্ট কোন রাস্তা ছিলনা, যে যে পথে ভাল মনে করেন সে পথে হাঁটে, বর্ষায় বেশির ভাগ পথ থাকত হাঁটু অবধি গরু-মহিষ চলাচলের কাদামাক্ত, নোংরা-পিছলা, বই-সেন্ডেল-ও- ফুলপ্যান্ট পলিথিনের ভিতরে করে নিয়ে হেঁটে যেতাম "সিন্দুকছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে" ও "সিন্দুকছড়ি নিম্ন মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ে"। স্কুলের নিচের খালে ও পুকুরে গিয়ে হাঁটু পর্যন্ত কাদা মাটিকে ধুয়ে, তারপর ফুলপ্যান্ট, সেন্দেল পড়তাম। কোনদিন দুপুরের টিফিন/লাঞ্চ খেয়েছি মনে পড়েনা: প্রথমত ঘর তিন কিলো দূরে+ গ্রামীণ কৃষক পরিবার টিফিন কি জিনিস জানেই না+ তখন সিন্দুকছড়ি বাজারে গুটিকয়েক চা, চানাচুর ও বেলা বিস্কুট বিক্রেতা ছাড়া অন্য কোন দোকান ছিল না। গুইমারা-সিন্দুকছড়ি-মহালছড়ি সংযোগ সড়কটি ছিল ভাঙ্গা কাঁচা রাস্তা, দিনে মাত্র একটা চাঁদের গাড়ি আসত- যেত। তাই সকাল ৭-৮ টায় এক মুঠো পানি-ভাত যা খেয়ে যেতাম তা দিয়েই বিকাল ৪/৫টা পর্যন্ত স্কুলে কাটিয়েই ঘরে ফিরতাম। এখনও স্পষ্ট মনে পড়ে আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মংমং মারমা স্যার মাত্র মাসিক ১৫০ টাকায়, একদম কাঁচা বাংলাও বলতে পারেনা ছেলে ( তখনকার আমার নাম খুবেন্দ্র ত্রিপুরা) কে ইংলিশ গ্রামার সম্পূর্ণ ও সফলভাবে শিখিয়েছিলেন, তাও আবার আমি একলা ছাত্র, কারণ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা সবাই শুধু অংকই প্রাইভেট পড়ত নোভেল চাকমা স্যারের কাছে। মংমং স্যারের আগে-পড়ে আমি মনে হয় খুব বেশি ইংলিশ শিখিনাই। স্যারের প্রতি আমি চির কৃতজ্ঞতা, প্রণাম ও ঋনী থাকবো আজীবন।
মাঝখানের অনেক উঠনপতন, দুর্যোগ মোকাবিলা, সংগ্রাম, সাহস, ধৈর্য ও যন্ত্রণা সহ্যের কথা আরেকদিন বলব। আজ শুধুই আজকের কথাই বলি।

বিদেশে কাঙ্ক্ষিত প্রফেসরদের ম্যানেজ করে স্কলারশিপ নিয়ে পিএইচডিতে ভর্তি হতে পারাটা খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল। এরপর এখানে এসে প্রফেসরের চিন্তা চেতনা বুঝতে পারা+ চাইনিজ ইউনিভার্সিটির পোর্টাল বুঝাটা আরও কষ্টের ছিল। কথা ও এম্যাপ না বুঝার কারণে কোথাও একলা বের হতেই পারি নাই পথ হারানোর ভয়ে। কেবল আমার ইয়ানটা ডরমিটরির বিল্ডিং ৩ এর ২১২ নং কক্ষ এবং বেম্বু ক্যাম্পাসের ইন্টেলিজেন্স ট্রান্সপোর্টেশন্স বিল্ডিং এর J1305 নং ল্যাব রুমই ছিল আমার জগৎ। কত অগণিত রাত জেগে জেগে নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়েছিল, শুধু সাদা চুনের ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতো, চোখ প্রচণ্ড জ্বলে, পানি বেরিয়ে আসে, কিন্তু ঘুমাতে পারিনা এক ফোঁটাও। কারণ সাপ্তাহিক রিসার্চ মিটিংয়ে প্রগ্রেস অবশ্যই দেখাতে হবে সবার সামনে, ডেইলি কি কি করেছে সেটা প্রফেসরের ইমেইলে পাঠাতে হবে দিনশেষে। আর আমি এদিকে ChatGPT, GitHub... ঘেঁটে মেতে প্রজেক্ট, সোর্স কোড কম্পাইল, এক্সকিউট করতে করতে ক্লান্ত তবুও কাঙ্ক্ষিত টার্গেট ফলাফল আনতে পারি না, এর উপর Nvidia সংযুক্ত ভালো কনফিগারেশনের কম্পিউটার না থাকায় Pytorch সহ অনেক লাইব্রেরি ও প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামিং কোড রান করতে পারিনা। আমার প্রফেসরের ডিকশনারিতে আবার না বলে কোন শব্দ নাই। শিডিউলে যার প্রেজেন্টেশন তাকে অবশ্যই ওইদিন মিটিংয়ে প্রেজেন্টেশন দিতেই হবে। কোন অজুহাত চলবে না। না হলে ওই মাসের স্কলারশিপ এভালুয়েশন নাম্বার দিবে না। সুতরাং ওই মাসের স্টাইপেন পাবেনা। কিভাবে চলবে সেটা তোমার ব্যাপার। সুতরাং অজুহাত দেখানোর বা পিছনে ফিরে আসার আর কোন সুযোগ নাই। অতঃপর কয়েকটা জার্নাল থেকে বারবার রিজেক্টশন খাওয়া! চরম অস্থিতিশীলতার মধ্যে বাবাকে ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ তে হারানো। কি অমানবিক অতীত!

তবে Nvidia, SSD card o Ram সহ সিস্টেম রিকোয়ারম্যান, রিসার্চ মেটেরিয়েলস ও টুলস কিনতে সবার আগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে এগিয়ে এসেছেন আমার প্ররম শ্রদ্ধাভাজন আত্মীয় এস অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা মামু, কুমৈ এসপি ত্রিপুরা, জয় প্রকাশ ত্রিপুরা, এখানে ভর্তি হওয়ার সময় (২০২২ সাল জুন মাস) মোবাইল নেটওয়ার্ক বিহীন মহালছড়ি-রাঙ্গামাটি রোডে লোকাল বাসে ছিলাম -কুতুকছড়ি এলাকায় পৌঁছে একটু নেট পেয়েই মোবাইলে তাকিয়ে দেখি হঠাত ভর্তির টাকা পাঠাতে মেইল দিয়েছে ২ ঘন্টার মধ্যে - তখন আমার পরম বন্ধু জসিম ত্রিপুরাকে কল দিলে সে পাশে দাঁড়িয়েছে আমার, করোনার তান্ডব শেষে ২০২৩ সালের মে মাসে চায়নায় আসার জন্য তৈরি হচ্ছিলাম - তখন আমার আর্থিক অবস্থার নাজুক অবস্থা দেখে নিজের প্রবিডেন্ট ফান্ড থেকে লোন নিয়ে ফ্লাইট টিকেট কেটে দিয়েছিলেন অমল বিকাশ ত্রিপুরা দাদা - আগে এক ঘরে থাকার সময় থেকে ওনিই মূলত সবচেয়ে বেশিই পেরা দিয়ে আসছি্লেন আমাকে পিএইচডি করাতে, ওনার টেন্টেনে অবস্থা দেখলে বুঝার বাকি নাই ওনি যে কোন উপায়ে আমাকে পিএইচডি করিয়ে ছাড়বেই ছাড়বে, তাইতো কোন অজুহাতে আমি যেন পিএইচডির এই যাত্রা বাতিল না করি, সেজন্য ফ্লাইট টিকেট কেটে রেখে দিয়েছেন। এছাড়াও আমার পরিবারের সবাই বিশেষ করে জৈষ্ঠ ভ্রাতা প্রতিরঞ্জন অন্যতম, সঙ্গীনী কোয়েল ও অবুঝ মেয়ে তৈকথা, শ্বশুর বাড়ীর সবাই, নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা স্যার, অনামিকা আন্টি, আন্টি সাগরিকা রোয়াজা, প্রীতি কান্তি আংকেল, প্রশান্ত স্যার, আমা নিরুপমা, আন্টি খুকিবালা, প্রেম, উসান, সুমন এবং আমার প্রিয় রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তখনকার মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলরসহ সকল সম্মানিত শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারি ও প্রানপ্রিয় শিক্ষার্থীরা, দেশের ও এখানকার আরো অনেক সিনিয়র (বিশেষ করে মুকুট সিকদার দাদা), বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাংখীবৃন্দ বিভিন্নভাবে আর্থিক, মানসিক সহযোগিতা দিয়েছিলেন। আমি তাঁদের সবার উদ্দেশ্যে আমার এই অর্জনকে উতসর্গ করছি আর সবার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।”

📣 ড. সজীব ত্রিপুরা
Sajib Tripura Khuben
সহকারী অধ্যাপক
কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগ
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

Address

Dhaka

Telephone

+8801608012171

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিপুরা পরিবার - Dhaka University Tripura Family posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share