18/04/2018
এলামনাই এসোসিয়েশন ও ডিবেটিং ক্লাব নিয়ে কিছু কথা...
(যদিও একটু বড় পোস্ট, তাও পড়ে দেখার জন্য অনুরোধ রইল...)
---------------------------
কিছুদিন আগে একটা পোস্ট দেখেছিলাম "এলামনাই এসোসিয়েশন" এর ব্যাপারে। এটা হলে দারুণ হয় আসলেই। আমরা জুনিয়ররা যারা ক্যাম্পাসে আছি, তাদের জন্যও পুনর্মিলনী বা এই ধরণের কোন অনুষ্ঠান হলে অন্যরকম একটা অভিজ্ঞতা হত। বিভিন্ন ভার্সিটির বন্ধুদের দেখি এরকম এলামনাই এসোসিয়েশনের প্রোগ্রামে সুন্দর করে ক্যাম্পাস সাজায়, উৎসব উৎসব একটা ভাব আসে। এমনিতেই আমাদের কলেজে কালচারাল প্রোগ্রাম নেই বললেই চলে। এলামনাই এসোসিয়েশনের মাধ্যমে সবাই এক হওয়া গেলে কিছুটা ঘাটতি হয়তো পূরণ হত।
আর আরোও একটা ব্যাপার শ্রদ্ধ্যেয় ভাইয়া আপুদের নজরে আনতে চাচ্ছিলাম। সেটা হল আমাদের কলেজে একটা ডিবেটিং ক্লাব থাকলে ভাল হত। প্রায় সব আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ইন্সটিটিউশনেই যেটা থাকে। ডিবেটিং ক্লাবে যে খালি ডিবেটিংই করতে চাচ্ছি তা না, পাব্লিক স্পিকিং, প্রেজেন্টেশন, এরকম অনেক গ্রুপ ওয়ার্ক করা যায়। স্যার ম্যাডামদের কাছে ভাইভা দেয়ার ব্যাপারে ভয় কমতো, জড়তাও কাটত। নির্ধারিত সময়ে গুছিয়ে বক্তৃতা দেয়ার বা কিছু বলার অভ্যাসটা হত। সবচেয়ে কাজে লাগবে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের। প্রেজেন্টেশন তৈরী করতে করতে কিছু দরকারী কাজও জানা হয়ে যেত অনেকের। প্রতি বছরই আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতা হচ্ছে। আমাদের কলেজ থেকেও টিম যেতে পারত। কলেজে যদিও সেমিনার হচ্ছে প্রতি সপ্তাহেই, কিন্তু সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ আসলে নেই। কাজেই আমাদের জন্য এরকম কিছু করা যায় কিনা ভাইয়ারা ভেবে দেখবেন।
ডিবেটিং ক্লাবের প্রোগ্রাম প্রতি সপ্তাহে লেকচার গ্যালারীতে হতে পারে, শুক্রবার বিকালে হতে পারে। নিয়মিত প্রতিযোগিতা হতে পারে। কলেজের অনুমতি না পাওয়ার কথা না।
এটা আমাদের ক্যাম্পাসে দ্বিতীয় অরাজনৈতিক ও আলাদা একটা ক্লাব হতে পারে। সন্ধানী ইউনিটের সদ্য বিগত হওয়া পরিচালনা পর্ষদের ভাইয়া আপুরাই ডিবেটিং ক্লাবের দায়িত্ব নিতে পারেন। অথবা "সন্ধানী" সরাসরি যদি সাহায্যে এগিয়ে আসে তাহলে আরও ভাল হয়। "সন্ধানী ডিবেটিং সোসাইটি" বা এরকম কোন উপ-সংগঠন হতে পারে। ক্লাব পরিচালনার দায়িত্বে সন্ধানীর জুনিয়র সদস্যদের দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে। এতে করে সবার মধ্যে সাংগঠনিক একটা দক্ষতা গড়ে উঠতে পারে। যারা পরবর্তীতে দক্ষ হাতে আমাদের সন্ধানী ইউনিটের হাল ধরবেন। সব মিলিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা, যারা ব্যাক্তিগতভাবে একটু গুটিয়ে থাকছে, তাদের সম্পৃক্ততা নিশ্চয়ই বাড়ত।
এই দুইটা ব্যাপারে একটু ভাবা যায় কি??