ABK Group

ABK Group Social informative group

নিজেকে রক্ষার ১০টি সহজ কৌশল ১. পেশাদার হোন, সময়মতো, মনোযোগ দিয়ে কাজ করুন। কে কী বলল বা করল এসবের পিছনে না ছুটে নিজের কাজ...
11/11/2025

নিজেকে রক্ষার ১০টি সহজ কৌশল

১. পেশাদার হোন,

সময়মতো, মনোযোগ দিয়ে কাজ করুন। কে কী বলল বা করল এসবের পিছনে না ছুটে নিজের কাজে মন দিন। ব্যক্তিগত বিষয় অফিসে টেনে আনবেন না।

২. কম কথা, বেশি কাজ,

অফিস গসিপ বা কানাঘুষা এড়িয়ে চলুন। কথা যত কম, বিপদ তত কম।

৩. কৌশলী হোন, কিন্তু সন্দেহপ্রবণ নন,

সবাইকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করবেন না। তবে অকারণে সন্দেহ করলে নিজেই অস্থির হয়ে পড়বেন।
৪. দলবাজি নয়, সবাইকে সম্মান দিন,

কোনো নির্দিষ্ট দলে নিজেকে জড়াবেন না। সবার সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করুন।

৫. নিজের সীমা নির্ধারণ করুন

সবাইকে খুশি করার চেষ্টা করবেন না। ‘না’ বলতে শিখুন। কে আপনার সময় অপচয় করছে, তা চিনে নিন।

৬. যুক্তি দিয়ে প্রতিক্রিয়া দিন

কারও কথায় উত্তেজিত হয়ে আবেগে ভেসে যাবেন না। ঠান্ডা মাথায় ভাবুন, প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতনদের জানান।

৭. দক্ষতা গড়ুন ও আপডেট থাকুন

আপনি যদি কাজের বিষয়ে দক্ষ হন, তবে কেউ সহজে আপনাকে দুর্বল করে তুলতে পারবে না।
আর শুধু এই প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করে থাকবেন না। মনে রাখবেন এই প্রতিষ্ঠান চিরকাল আপনার থাকবে না। তাই নিজের স্কিল আপডেট রাখুন, নতুন দক্ষতা অর্জন করুন, ট্রেনিং নিন, সার্টিফিকেট অর্জন করুন।

৮. নম্র থাকুন, আত্মমর্যাদা বজায় রেখে

নম্রতা মানে সবাইকে "হ্যাঁ-স্যাঁ" বলা নয়। কারো সঙ্গে দ্বিমত হলে সেটিও ভদ্রভাবে প্রকাশ করা যায়। ভদ্রতা ও বিনয় হলো এমন এক গুণ, যা আপনাকে অনেক দূর নিয়ে যাবে।

৯. একজন মেন্টর বা বিশ্বাসযোগ্য সহকর্মী রাখুন

যার সঙ্গে আপনি নিজের কথা খোলাখুলি ভাগ করতে পারেন। মানসিকভাবে এটা খুব সহায়ক।

১০. মানসিক শান্তি বজায় রাখুন

অফিসের দুশ্চিন্তা যেন বাসায় না পৌঁছায়। পরিবার, প্রার্থনা, ঘুম ও নিজের ভালো লাগার কাজের মাধ্যমে নিজেকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখুন।

মনে রাখবেন:

"চুপচাপ থেকেও ঝড় সামলানো যায়, যদি ভিতরটা হয় শক্ত।" অফিস পলিটিক্স পুরোপুরি এড়ানো কঠিন। কিন্তু আপনি চাইলে নিজের নীতিতে অটল থেকে, কৌশলে চললে ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখলে এই জটিল পরিবেশেও সম্মান নিয়ে টিকে থাকা সম্ভব।(সংগ্ৰহকৃত)।

28/03/2024

১৭ রমাদান, ঐতিহাসিক বদর দিবস।

ইতিহাসে যতগুলো যুদ্ধ মুসলমানদের সাথে বিভিন্ন সম্প্রদায় বা জাতিগোষ্ঠীর কিংবা বিধর্মীদের সাথে সংঘটিত হয়েছে, তার মধ্যে বদরের যুদ্ধ ছিল মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বদরের যুদ্ধের তাৎপর্য ঐতিহাসিক। এ যুদ্ধটি ছিল ইতিহাস নির্ধারণকারী একটি লড়াই। বদরের যুদ্ধে যদি মুসলমানেরা পরাজিত হতেন, তাহলে দ্বীন ইসলামে মহান আল্লাহকে ডাকার মতো কোনো লোক এই পৃথিবীতে থাকত কি না তা কেবল সেই মহান সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আর কারো জানা ছিল না। শত্রুদের দৃষ্টিতে বদরের যুদ্ধ ছিল, সবে চারা গজাচ্ছে- সেই ইসলাম ধর্ম নামক অঙ্কুরকে আল্লাহর জমিন থেকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার যুদ্ধ। বদরের যুদ্ধের অপর একটি তাৎপর্য হলো, দ্বীন ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে আমাদের প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মদ সা:কে একজন সেনাপতির দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। বদরের যুদ্ধের তৃতীয় তাৎপর্য হলো, মহান আল্লাহ তায়ালা অনেকটাই অদৃশ্যমানভাবে তাঁর প্রিয় বান্দাদের বিপদে কিভাবে সাহায্য করেন, তার জ্বলন্ত প্রমাণ এই যুদ্ধে বিদ্যমান।

‘বদর’ নামক স্থানের পরিচিতি
বদরের যুদ্ধ হয়েছিল হিজরি দ্বিতীয় সালের ১৭ রমজান; আজ থেকে কয়েক দিন পর ১৭ রমজান আমাদের কাছে উপস্থিত হবে সেই বদরের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে। আশা ও প্রার্র্থনা করব মুসলিম সমাজের কাছে, ১৭ রমজান আপনারা বদরের যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করবেন, দোয়া করবেন এবং সেসব শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করবেন, যারা এই যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন দ্বীন ইসলামকে আল্লাহর জমিনে টিকিয়ে রাখার জন্য। বদর একটি জায়গার নাম। মক্কা শরিফ থেকে কিছুটা উত্তরে, মদিনা শরিফ থেকে কিছুটা দক্ষিণ-পশ্চিমে। প্রায় চৌদ্দ শ’ একত্রিশ কিংবা বত্রিশ বছর আগে ওই আমলের আরব দেশে মক্কা নগরীর কুরাইশদের সাথে যে বাণিজ্য হতো, সেই বাণিজ্যের কাফেলাগুলো চলাচল করার যে পথ ছিল, সেটি ‘বদর’ নামক জায়গার পাশ দিয়েই যেত।

যুদ্ধের প্রেক্ষাপট : মক্কাবাসীর চিন্তা
মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা: মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করে চলে এলেন। তারপর মদিনাতে নতুন একটি নগররাষ্ট্র, নতুন সভ্যতা, সংস্কৃতি, স্বকীয়তা এবং দ্বীন ইসলামের মূল কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছিলেন। এটা দেখে মক্কার কুরাইশরা ঈর্ষান্বিত হলো। দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে তারা নানা ষড়যন্ত্রের পথ খুঁজতে লাগল। কুরাইশরা চিন্তা করল, আমরা তো সবাই মিলে মক্কায় তাঁকে (মুহাম্মদ সা:) দমন করে রাখতে পেরেছিলাম, কিন্তু এখন মদিনায় গিয়ে তিনি নতুনরূপে বাধাহীনভাবে ইসলাম প্রচার করে চলেছেন । যদি এরূপ অত্যাচার চলতে থাকে আর তার এই সংগ্রাম অগ্রসর হতে থাকে, তাহলে অচিরেই মদিনার মুসলিমগণ মক্কার লোকজনের প্রতি হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। অতএব, অঙ্কুরেই তাদের বিনাশ করা প্রয়োজন।

যুদ্ধের প্রেক্ষাপট : মদিনাবাসীর চিন্তা
অপর দিকে, সবেমাত্র জন্ম নেয়া মদিনা নামক নগররাষ্ট্র তথা ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি ক্রমবর্ধমান হলেও মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা: এবং তার সাথীরা চিন্তা করলেন, আমরা মক্কা থেকে বের হয়ে এসেছি ঠিকই; কিন্তু মক্কার হুমকি থেকে আমরা এখনো মুক্ত হতে পারিনি। আমরা এখনো তেমন শক্তি অর্জন করতে পারিনি। তাই আগে আমাদের শক্তি সঞ্চয় করা প্রয়োজন এবং আল্লাহর দ্বীনকে তার জমিনে প্রতিষ্ঠা করতে হলে শত্রুদের মোকাবেলা করার কোনো বিকল্প নেই। মোটামুটি এ ধরনের চিন্তাভাবনার পরই মক্কা ও মদিনা- এ দুই শহরকেন্দ্রিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে একটি যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। তা ছাড়া পরোক্ষভাবে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে নির্দেশ এসেছিল যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করার।

প্রস্তুতি পর্ব
অবশেষে রাসূল সা:-এর নেতৃত্বে মদিনা থেকে মুসলমানদের একটি দল বের হলো। তাদের উদ্দেশ্য ছিল মক্কা নগরীর আরবদের বাণিজ্য কাফেলা, যেটা সিরিয়া থেকে ধনসম্পদ নিয়ে মক্কায় ফেরত যাবে তাদের মোকাবেলা এবং তাদের কাছ থেকে কিছু সংগ্রহ করা। সেজন্য তারা চলাচলের রাস্তার পাশে ওঁৎ পেতে ছিলেন। অপর দিকে ধনসম্পদ নিয়ে মক্কা নগরীর ব্যবসায়ীদের কাফেলা সিরিয়া থেকে ফেরত আসার সময় সংবাদ পেল যে, এই পথ ধরে গেলে পথিমধ্যে তাদের বিপদে পড়ার আশঙ্কা আছে। তাই তারা সবার সিদ্ধান্তক্রমে তাদের গতিপথ একটু পরিবর্তন করে মক্কায় যাওয়ার জন্য নতুন পথ আবিষ্কার করল এবং সেই পথ ব্যবহার করে তারা মক্কার কাছাকাছি চলে গেল। কিন্তু ইতোমধ্যে অন্য একটি ঘটনার উদ্ভব হলো। বাণিজ্য কাফেলার অনুরোধে মক্কা থেকে একদল সৈন্য অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রওনা দিয়েছিল কাফেলাকে এগিয়ে আনার জন্য। মক্কা থেকে উত্তর দিকে যে পথ ধরে বাণিজ্য কাফেলা আসছে সেই পথ ধরে, যাতে পথিমধ্যে বাণিজ্য কাফেলার ওপর কোনো বিপদ-আপদ এলে তারা সাহায্য-সহযোগিতা করতে পারে। কিন্তু বাণিজ্য কাফেলা মদিনার মুসলমানদের দৃষ্টি এড়িয়ে চলে গেল। এমনকি মক্কা থেকে আসা সাহায্যকারী লোকদেরও দৃষ্টির অগোচরে চলে গেল। মক্কা থেকে আগত সাহায্যকারী দল যখন বদর নামক স্থানে এসে অবস্থান করছিল তখন তারা সংবাদ পেল মুসলমানেরা তাদের আশপাশে আছে। মুসলমানেরা বদর নামক স্থানটির কাছেই অবস্থান করছিল। ফলে তারাও জানতে পারল, মক্কা থেকে আগত এবং অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত একদল সৈন্যবাহিনী তাদের পাশেই অবস্থান করছে। যুদ্ধটি চূড়ান্তরূপে দেখা দিলো। বদর নামক স্থানে কাফেররা এক দিকে অবস্থান নিলো, অন্য দিকে মুসলমানেরা অবস্থান নিলো। মুসলমানবাহিনী যে স্থানটিতে অবস্থান নিলো, সেখানে একটি পানির কূপ ছিল; পানি আহরণের জন্য কুয়ায় সহজে যাওয়া যেত। যেহেতু পানির কূপটি মুসলমানদের দখলে, সেহেতু কাফেররা পানির সঙ্কট অনুভব করল। কূপের পাশেই একটি পাহাড়, সেখানে মুসলমানদের সদর দফতর স্থাপন করা হলো। একটি তাঁবুর বন্দোবস্ত করা হলো, সেখানে রাসূলে পাক সা: অবস্থান নিলেন। এলাকাটি ছিল সমতল, কিন্তু তিন দিকে পাহাড়বেষ্টিত।

যুদ্ধক্ষেত্রের অবস্থান ও পরিবেশ
যুদ্ধক্ষেত্রটির অবস্থান ও পরিবেশের বর্ণনা দেয়া অবশ্যই প্রয়োজন। যে স্থানটিতে মুসলমানেরা অবস্থান নিয়েছিলেন, সেখানে সূর্যের তেজ সরাসারি তাদের মুখের ওপর পতিত হয়। কিন্তু কাফেরদের মুখে দিনের বেলায় সূর্যের আলো পড়ে না। মুসলমানেরা যেখানে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করবেন, সেখানে মাটি একটু নরম, যা যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য উপযুক্ত নয়। অপর দিকে কাফেররা যেখানে অবস্থান নিয়েছিল, সেখানে মাটি শক্ত এবং যুদ্ধের জন্য স্থানটি উপযুক্ত। কিন্তু অবস্থান নেয়ার ফলে অবশেষে কী হলো? পাঠক মনে করুন, আমরা সবাই সেই রাত্রিতে অবস্থান করছি! রমজান মাসের ১৬ তারিখ দিনটি শেষ, মাগরিবের পর তারিখ বদলে গেল, অতঃপর ১৭ রমজান শুরু হলো। সেই রাতে উৎকণ্ঠিত মুসলমানেরা এবং উৎকণ্ঠিত কাফেররা নিজ নিজ ক্যাম্পে অবস্থান করছে। সেই রাতে মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট সিজদায় পড়ে সাহায্য প্রার্থনা করছেন মানবতার মুক্তির দূত হজরত মুহাম্মদ সা:। কেঁদে কেঁদে বলেছিলেন অনেকটা এ রকম : ‘হে দয়াময় আল্লাহ, আগামীকালের নীতিনির্ধারণী যুদ্ধে তোমার সাহায্য আমাদের অতি প্রয়োজন। এই যুদ্ধে আমরা তোমার সাহায্য ছাড়া বিজয় লাভ করতে পারব না। আর আমরা যদি পরাজিত হই, তোমাকে সিজদা করার কিংবা তোমার নাম ধরে ডাকার লোক এই পৃথিবীতে আর নাও থাকতে পারে। অতঃপর তুমি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করো কী করবে। কারণ, তুমিই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার মালিক। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে প্রাণপণ য্দ্ধু চালিয়ে যাবো। আমরা আমাদের জীবন তোমার পথে উৎসর্গ করলাম। বিনিময়ে তোমার দ্বীনকে আমরা তোমার জমিনে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তুমি আমাদেরকে বিজয় দান করো। আমরা তোমার কাছে সাহায্য চাই।’ রাসূল সা:-এর আন্তরিক কাকুতি-মিনতি মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট কবুল হয়ে গেল। হজরত জিব্রাইল আ:-এর মাধ্যমে আল্লাহর পক্ষ থেকে জবাব এলো, সাহায্য আসবে। তোমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও। তোমাদের শিরকে উঁচু করো এবং দৃৃঢ় পদক্ষেপে দাঁড়াও।

ঐশী সাহায্যের একাধিক উদাহরণ
পবিত্র কুরআনের সূরা আনফালের ৯ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তায়ালা এ ঘোষণাটি দিয়েছেন। ওই রাতে মরুভূমিতে প্রবল বৃষ্টি হলো, যা একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। বৃষ্টি মুসলমানদের উপকারে এলো। কারণ, বৃষ্টির কারণে কাফেরদের যুদ্ধের মাঠের শক্ত মাটি কাদায় ভরে পিচ্ছিল হয়ে গেল। অপর দিকে মুসলমানদের যুদ্ধের মাঠ শক্ত হয়ে গেল। বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া শীতল হলো। উৎকণ্ঠিত-উদ্বিগ্ন মুসলমানদের চোখে তন্দ্রাচ্ছন্নভাবে প্রশান্তি এসে যায়। অপর একটি ঘটনা, যেটি মহান আল্লাহ তায়ালা ঘটিয়েছেন, তা হলো- কাফেররা যখন মুসলমানদের ক্যাম্পের দিকে তাকাচ্ছিল, ঠিক তখন কাফেরদের চোখে মুসলমানদের ক্যাম্প অনেক বড় মনে হচ্ছিল। তারা চিন্তায় পড়ে গেল, এত মুসলমান কোত্থেকে এলো! অপরপক্ষে, মুসলমানেরা যখন কাফেরদের ক্যাম্পের দিকে তাকাচ্ছিল, তখন কাফেরদের ক্যাম্প মুসলমানদের চোখে অনেক ছোট মনে হচ্ছিল এবং তারা ভাবতে লাগল, কাফেররা তো তেমন বেশি না; আগামীকালকের যুদ্ধে এদেরকে আমরা পরাজিত করতে পারব ইনশাআল্লাহ। অতঃপর এমন মনে হচ্ছিল, মুসলমানদের চোখে দেখা দিয়েছিল অন্য এক স্বপ্ন যে, আমরা তাদের সমান সমান। আর এ ধরনের চিন্তা-চেতনা মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে মুসলমানদের মনে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছিল, যাতে করে মুসলমানেরা তাদের মনোবল হারিয়ে না ফেলেন। দিনের বেলায় যুদ্ধ শুরু হলো। প্রথমে তিনজন করে উভয় পক্ষ থেকে এলো এবং কাফেরদের তিনজনই মৃত্যুবরণ করল। অতঃপর, কথা মোতাবেক উন্মুক্ত প্রান্তরে উন্মুক্তভাবে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। সেই আমলের যুদ্ধের অস্ত্র ছিল তরবারি, তীর-ধনুক, বর্ম, বল্লম ইত্যাদি। মুসলমানেরা প্রাণপণ যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। মহান আল্লাহ তায়ালা তার প্রতিশ্রুতি মোতাবেক মুসলমানদের সাহায্যের জন্য ফেরেশতা পাঠিয়ে দিলেন। সাধারণত ফেরেশতারা মানুষের চোখের অদৃশ্য থাকে। কিন্তু যুদ্ধের পর সাহাবিগণ সাক্ষী দিলেন যে, আমরা মানুষ দেখিনি তথা পরিচালনাকারী দেখিনি, কিন্তু আমরা দেখেছি দীর্ঘ আকৃতির তরবারি, যেগুলো শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করছিল।

আরেকটি পর্যায়ে যুদ্ধ চলাকালে জিব্রাইল আ: এসে মহানবী সা:কে জানালেন, হে আল্লাহর রাসূল। আপনি আপনার হাতে একমুষ্টি ধুলো নিন আর শাহাদাত আঙুল ইশারা করে কাফেরদের দিকে ছুড়ে দিন। রাসূল সা: একমুষ্টি ধুলো তাঁর হাতে নিলেন এবং শত্রুপক্ষের দিকে নিক্ষেপ করলেন। সম্মানিত পাঠকগণ, বিষয়টি আসলেই বিস্ময়ের। আমরা চাইলেই একমুষ্টি ধুলো কিংবা বালু হাতে নিয়ে এ কাজটি করতে পারি। শিশুরা খেলার মাঠে দুষ্টুমিবশত এ কাজটি করে থাকে। কিন্তু চিন্তা করার বিষয় হলো, একমুঠ ধুলো যদি কেউ কারো দিকে ছুড়ে দেয়, তাহলে তা কত দূর উড়ে যাবে? কিন্তু অসংখ্য প্রমাণে এসেছে, সেই বদরের মাঠে রাসূলের ছুড়ে দেয়া ধুলো সেদিন অনেক দূর পর্যন্ত গিয়েছে এবং সব কাফেরের চোখে মুখে নাকে গিয়ে লেগেছে। এ ছাড়া পবিত্র কুরআনের সূরার মাধ্যমে মহান আল্লাহ তায়ালা সাক্ষ্য দিয়ে বলেছেন, ‘হে রাসূল। সেদিন সেই ধুলো আমি সবার চোখে পৌঁছে দিয়েছি। আপনি কেবল নিক্ষেপ করেছেন। এর কারণ ছিল কাফেররা যেন ভালোভাবে তাদের যুদ্ধের অবস্থান না দেখতে পায় এবং অতি দ্রুত ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। এমনকি বলা হয়েছে, তারা তাদের হাতের অস্ত্র ছেড়ে চোখ কচলাতে শুরু করেছিল।’ একটু চিন্তা করলে দেখা যায়, যদিও আমরা জাগতিক দৃষ্টিতে দেখলাম ধুলোগুলো রাসূল সা: তাঁর হাত দিয়ে ছুড়েছেন, কিন্তু এই একমুষ্টি ধুলো কিভাবে শত্রুবাহিনীর চোখে গেল? তাই বলতে হচ্ছে, এটা স্বাভাবিক দৃষ্টিতে সম্ভব নয়, এটা হয়েছে অস্বাভাবিক দৃষ্টিতে, যা স্বয়ং আল্লাহ ঘটিয়েছেন। আর এটাই হলো ঐশী বা গায়েবি সাহায্য।

শয়তান ইবলিসের অংশগ্রহণ
মক্কাবাসী কাফেরদের পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য অভিশপ্ত ইবলিসও এসেছিল সেদিন। আর ইবলিস এসেছিল সোরাকা নামক এক ব্যক্তির আকৃতি ধরে। কিন্তু যুদ্ধের মাঠে নেমে যখন ইবলিস দেখল, আল্লাহর ফেরেশতারা মুসলমানদের পক্ষ হয়ে যুদ্ধের মাঠে বিদ্যমান, ঠিক তখনই সে পালিয়ে যেতে লাগল। কাফেরদের মধ্য থেকে কেউ একজন বলে উঠল, সোরাকা, তুমি কোথায় যাচ্ছ? সোরাকা, তুমি কি বলনি যে, তুমি আমাদের সাহায্য করবে এবং আমাদের কাছ থেকে দূরে সরে যাবে না? সে সময় ইবলিস (ছদ্মবেশে সোরাকা) বলল, এখানে এমন কিছু দেখতে পাচ্ছি, যা তোমরা দেখতে পাও না। আল্লাহকে আমার ভয় হচ্ছে, তিনি কঠোর শাস্তিদাতা।’ এরপর ইবলিস আত্মগোপন করেছিল।

ফেরেশতাদের অংশগ্রহণ
এ যুদ্ধের আরেকটি ঘটনা হলো আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদেরকে সাহায্য করেছিলেন ফেরেশতা দিয়ে। বুখারি শরিফের হাদিস মোতাবেক, যুদ্ধের শেষে সাহাবিদের মধ্য থেকে কেউ কেউ সাক্ষী দিয়েছেন, আমরা সাদা পোশাক পরিহিত কিছু ব্যক্তিকে আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করতে দেখেছি। তাদেরকে আমরা যুদ্ধের আগে কখনো দেখিনি, এমনকি যুদ্ধের পরও দেখিনি। আবার কিছুসংখ্যক সাহাবি বলেছেন, আমরা তরবারি ব্যবহারকারীকে দেখছি না, কিন্তু তরবারিটি দেখছি। তাদের তরবারিগুলো আমাদের তরবারির চেয়ে দৈর্ঘ্যে অনেক লম্বা এবং সেগুলো শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করছিল। সেদিন সাদা পোশাক পরিহিত ফেরেশতাদের আকৃতি কারো চোখে দেখা গিয়েছিল, আবার কারো চোখে দেখা যায়নি। মূলত তারা ছিল আল্লাহর প্রেরিত ফেরেশতা। মুসলমানদের হয়ে বদরের প্রান্তরে তারা যুদ্ধ করেছিল।

সৈন্য সংখ্যা ও হতাহত সংখ্যা
বদরের যুদ্ধে মুসলমানদের সৈন্যসংখ্যা আর কাফেরদের সৈন্য সংখ্যা সম্পর্কে ছোটখাটো মতপার্থক্য আছে। তবে যে মতামতটি জোরালোভাবে গ্রহণযোগ্য সেটা এ রকম : মুসলমানেরা ছিলেন ৩১৩ জন, অপরপক্ষে কাফেরদের সংখ্যা ছিল এক হাজার। মুসলমানদের ৩১৩ জন সাহাবির মধ্যে ৮৫ জন ছিলেন মুহাজির সাহাবি, বাকি সবাই ছিলেন মদিনার আনসার। আনসারদের মধ্যে ৬১ জন আওস গোত্রের আর ৬৯ জন ছিলেন খাজরাজ গোত্রের। পুরো ৩১৩ জনের দলে উট ছিল ৭০টি আর ঘোড়া ছিল মাত্র দু’টি। অপরপক্ষে, কাফেরদের এক হাজারের দলের ৬০০ জনের কাছে ছিল দেহ রক্ষাকারী বর্ম এবং তাদের কাছে ঘোড়া ছিল ২০০টি। যুদ্ধ শেষে দেখা গেল, কাফেরদের মধ্য থেকে ৭০ জন নিহত হয়েছে এবং ৭০ জন হয়েছে বন্দী। মুসলমানদের মধ্য থেকে শহীদ হয়েছিলেন ১৪ জন, তার মধ্যে ছয়জন ছিলেন মুহাজির সাহাবা, অপর আটজন ছিলেন আনসার সাহাবা।

উপসংহার ও শিক্ষণীয়
বদরের যুদ্ধ ছিল মুসলমানদের জন্য প্রথম সমন্বিত এবং যতটুকু সম্ভব, পরিকল্পিত যুদ্ধ। যুদ্ধের ময়দানে সুবিধাজনক অবস্থান নেয়া, পানির উৎস নিয়ন্ত্রণে রাখা, সূর্যের আলোর কথা বিবেচনা করে সৈন্যদের দাঁড় করানো এবং যুদ্ধের আগে শত্রুদলের চারপাশ পর্যবেক্ষণে রাখা ইত্যাদি বিষয় শিক্ষণীয়। সবচেয়ে বড় শিক্ষণীয় বিষয় ছিল, অজাগতিক তথা সব কিছুর জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা বা তাওয়াক্কুল করা। নিজের দ্বারা সম্ভব সর্বপ্রকার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হবে, কিন্তু সাফল্যের জন্য সে প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করা যাবে না। নির্ভর করতে হবে একমাত্র আল্লাহ তায়ালার ওপর। বদরের যুদ্ধে মুসলমানেরা জয়ী না হলে কী হতে পারত, সেটা কল্পনা করার প্রয়োজন নেই। আল্লাহ তায়ালার অসংখ্য দয়া আর মেহেরবানির বদৌলতে মুসলমানদের অগ্রযাত্রার ভিত্তি সুদৃঢ় হয়েছিল এবং বদরের যুদ্ধের মাধ্যমে তিনি নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। আজ চৌদ্দ শ’ একত্রিশ বছর পর বিশ্বের সর্বস্তরের মুসলমান সেই অকুতোভয় সৈনিকদের স্মরণ করবেন এবং প্রয়োজনে বদরের মতো যুদ্ধক্ষেত্রে যাতে যেতে পারেন, সেই মানসিকতায় বলীয়ানরূপে নিজেদেরও সজ্জিত করবেন বলে আশা করি। তবে বদরের যুদ্ধ যেমন ছিল আত্মরক্ষার্থে, তেমনি মুসলমানদের যুদ্ধ হবে আত্মরক্ষার্থে, সত্যের অনুকূলে, নির্যাতিত-নিপীড়িতদের অনুকূলে এবং কল্যাণ কামনায়।

বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা!!
02/12/2023

বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা!!

02/04/2022

#সরকারি_প্রাথমিক_বিদ্যালয়ের_সহকারি_শিক্ষক_নিয়োগ
[প্রাইমারী পরীক্ষায় এখান থেকে প্রশ্ন থাকবেই]

১। সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি ? [৩৪, ২৯ , ২৮ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ৬টি।
২। পানির জীব হয়েও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় কোন প্রাণি ? [৩৪, ২১, ১৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ শুশুক।
৩। ডায়াবেটিকস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সঠিক নয় তা হল ? [৩৪,৩০ ২১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ চিনি জাতীয় খাবার খেলে এ রোগ হয়।
৪। সংকর ধাতু পিতলের উপাদান কী কী ? [৩৩, ৩২, ৩০, ২৩, ১০তম বিসিএস]
উত্তরঃ তামা ও দস্তা।
৫। যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্মচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহি হয় তাতে কী বায়ু বলে ? [৩২, ১২, ১০তম বিসিএস]
উত্তরঃ নিয়ত বায়ু।
৬। আকাশে বিদ্যুত চমকায় কখন ? [৩১ ২৬, ১২ তম বিসিএস]
উত্তরঃ মেঘের অসংখ্য জলকণা/ বরফকাণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে।
৭। কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান পদ্ধতিকে কী বলে? [৩১, ৩০ ২৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ইন্টারনেট।
৮। মানবদেহে সাধারণভাবে কত জোড়া ক্রোমোজম থাকে ? [৩১, ২৬, ১৯, ১১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ২৩ জোড়া।
৯। ডেঙ্গু জ্বরের বাহক কোন মশা ? [৩০ ২৪ ২২ তম বিসিএস]
উত্তরঃ এডিস মশা।
১০। রঙ্গিন টেলিভিশন থেকে কোন ক্ষতিকর রশ্মি বের হয় ? [৩০ ২৪, ২২, ১৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ গামা রশ্মি।
১১।গ্রীনহাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরতর ক্ষতি কী হবে ? [৩০ ,২৬ ২২, ১৯, ১৫ তম বিসিএস]
উত্তরঃ নিম্মভূমি নিমজ্জিত হবে।
১২। বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে খরচ কীরূপ হবে ? [৩০, ২৩, ১১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ একই খরচ হবে।
১৩। পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কী কী থাকে ? [৩৪, ২৩ তম বিসিএস]
উত্তরঃ নিউট্রন ও প্রোটন।
১৪। প্রাণি জগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে কী বলে ? [৩৬,৩৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ জেনেটিক্স
১৫। জীব জগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি ? [৩৬, ২৮ তম বিসিএস]
উত্তরঃ আলট্রাভায়োলেট রশ্মি।
গণিতঃ
১৬। ত্রিভুজের দু’টি কোণের সমষ্টি তৃতীয় কোণের সমান হলে ত্রিভুজটি কী ধরনের ত্রিভুজ হবে? [পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৩, ’১১, ’১২, ’১৩, ’১৩, ‘১৩]
উত্তরঃ সমকোণী।
১৭। বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি পেলে ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে? [৩২, ২৭ তম বিসিএস, পিএসসি নন ক্যাডার জব-’১৪, ’১৪, ’১৫, ‘১৫]
উত্তরঃ ৯ গুণ।
১৮। একটি সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল ঐ সরলরেখার এক-চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফলের কত গুণ ? [২১তম বিসিএস, পিএসসি নন ক্যাডার জব-০৩, ’০৭, ’১০, ’১১, ’১১, ’১৩, ’১৩, ‘১৪]
উত্তরঃ ১৬ গুণ।
১৯। একটি সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল ঐ সরলরেখার অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফলের কত গুণ ? [২০তম বিসিএস, পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৮, ’১০, ’১১, ’১২, ’১২, ’১৩]
উত্তরঃ ৪ গুণ।
২০। বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত কত হবে? [পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৪, ’০৬, ’০৯, ’১৩, ’১৩, ’১৩, ১৩, ’১৪, ’১৪, ‘১৪]
উত্তরঃ ২২/৭
২১। সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র কী ? [১৪তম বিসিএস, পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৩, ’০৭, ’১২, ’১২, ’১৩, ‘১৪]
উত্তরঃ ভূমি ×উচ্চতা।
২২। ১ কুইন্টালে কত কেজি হবে? [১৪তম বিসিএস,[পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৫, ’০৭, ’০৯, ‘১১]
উত্তরঃ ১০০ কেজি।
২৩। কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি কত? [৩৩তম বিসিএস, পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৭, ’০৮, ’১০, ’১২, ’১৩, ‘১৪]
উত্তরঃ ৩৬০⁰
২৪। ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাসমূহের যোগফল কত? [১৮ তম বিসিএস, পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৬, ‘১২]
উত্তরঃ ৫০৫০।
২৫। সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় যথাক্রমে ৩ ও ৪ সেন্টিমিটার হলে উহার অতিভুজ কত হবে ? [১৪তম বিসিএস , [পিএসসি নন ক্যাডার জব-’০৬, ‘ ০৯, ’১১, ‘১৩]
উত্তরঃ ৫ সেন্টিমিটার।
২৬। সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য যদি a হয়, তবে ক্ষেত্রফল কত হবে? [১৪তম বিসিএস, পিএসসি নন ক্যাডার জব-’১০, ’১১, ’১৪, ‘১৪]
উত্তরঃ (√3)/4 a²
২৭। চিনির মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়াতে কোনো একটি পরিবার চিনি খাওয়া এমনভাবে কমালো যে, চিনি বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পেল না। ঐ পরিবার চিনি খাওয়ার খরচ শতকরা কত কমিয়েছিলো? [১০, ১২, ২৩, ৩৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ২০%
২৮। a+b+c = 0 হলে, aᶾ+bᶾ+cᶾ এর মান কত? [১০ ম বিসিএস, নন ক্যাডার জব- ১৬, ১৫, ১৪, ১২]
উত্তরঃ 3abc
২৯। টাকায় ৩টি করে আম ক্রয় করে, টাকায় ২ টি করে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে? [১০,২৬, ৩২ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ৫০%
৩০। ১ মিটারে কত ইঞ্চি? [ ১১, ২৫ তম বিসিএস, নন ক্যাডার জব-০৫, ০৬, ১১, ১২, ১৫]
উত্তরঃ ৩৯.৩৭ উঞ্চি।
সাধারণ জ্ঞানঃ
৩১। বাঙালী জাতির প্রধান অংশ কোন মূল জাতিগোষ্ঠির অন্তর্ভুক্ত ? [৩৬,২৮ তম বিসিএস]
উত্তরঃ অস্ট্রিক।
৩২। ৬ দফা দাবী কত সালে উত্থাপন করা হয় ? [৩৬, ১৩ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৯৬৬ সালে।
৩৩। IAEA এর সদর দফতর কোথায় ? [৩৬, ২১, ১১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ভিয়েনা।
৩৪। বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলে ? [ ৩৫, ১৫ তম বিসিএস]
উত্তরঃ সিলেট।
৩৫। ’অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল’ এর সদর দফতর কোথায় ? [৩৪, ২৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ লন্ডন।
৩৬। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয় ? [৩৪, ২৮তম বিসিএস]
উত্তরঃ ৭ মার্চ ১৯৭৩।
৩৭। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত ? [৩২, ১১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১০ : ৬।
৩৮। বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত ? [৩১, ২২, ১৯, ১৪, ১০ তম বিসিএস]
উত্তরঃ সোনারগাঁও।
৩৯। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ? [৩১, ২৯, ২২, ১০ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৯২১ সালে।
৪০। প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম কী ? [৩০, ১১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ বরিশাল।
৪১। বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কবে পালিত হয় ? [৩০, ২৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১০ ডিসেম্বর।
৪২। বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন পরিষদ কোনটি ? [২৯, ২৮ তম বিসিএস]
উত্তরঃ সেন্টমার্টিন।
৪৩। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে ? [২৯, ২২, ২০, ১৯, ১৫ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১১ টি।
৪৪। ঢাকায় সর্বপ্রথম কবে বাংলার রাজধানী স্থাপিত হয় ? [২৮, ২১, ১০ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৬১০ সালে।
৪৫। ভারতীয় লোকসভার নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা কত ? [২৭, ২৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ৫৪৩।
৪৬। বাংলাদেশ কত সালে ইসলামি সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে ? [২৭, ২৬,২২তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৯৭৪ সালে।
৪৭। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত জন সদস্যের উপস্থিতিতে? [২৫, ২১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ৬০ জন।
৪৮। মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম কখন তেল অবরোধ করা হয়েছিলো? [২৫, ১৭ তম বিসিএস]
উত্তরঃ উত্তরঃ ১৯৭৩ সালে।
৪৯। বান্দুং শহরটি কোন দেশে অবস্থিত? [২৫, ২৩ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ইন্দোনেশিয়া।
৫০। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে? [২৪, ১৬ ১৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ কামরুল হাসান।
৫১। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় কোন খাত থেকে? [২৩, ২২ তম বিসিএস]
উত্তরঃ তৈরি পোশাক থেকে।
৫২। দহগ্রাম ছিটমহল কোন জেলায় অবস্থিত? [২২, ১৪, ১৩তম বিসিএস]
উত্তরঃ লালমনিরহাট জেলায়।
৫৩। সার্ক কোন সালে কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়? [২২, ২০ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৯৮৫ সালে ঢাকায়।
৫৪। বাংলাদেশে কোনো ব্যাক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির ন্যূনতম বয়স কত ? [২০, ১৯ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৮ বছর।
৫৫। ’মোনালিসা’ চিত্রটির চিত্রকর কে? [১৮, ১৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি।
বাংলা
৫৬। শুদ্ধ বানান কোনটি? [১০, ২১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ মুমূর্ষু।
৫৭। ‘কবর’ নাটকটির লেখক কে? [১০, ১৮, ২১ তম বিসিএস]
উত্তরঃ মুনীর চৌধুরী।
৫৮। ক্রিয়া পদের মূল অংশকে কী বলে? [১০, ১২ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ধাতু।
৫৯। ‘’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি’’ গানটির রচয়িতা কে? [১০, ১৯ তম বিসিএস]
উত্তরঃ আব্দুল গফফার চৌধুরী।
৬০। বাংলায় কুরআন শরীফের প্রথম অনুবাদক কে? [১০, ১৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ভাই গিরিশচন্দ্র সেন।
৬১। বাংলা গীতিকবিতায় ‘ভোরের পাখি’ কে? [১১, ১৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ বিহারীলাল চক্রবর্তী।
৬২। ‘চাচা কাহিনী’র লেখক কে? [১১, ২৯ তম বিসিএস]
উত্তরঃ সৈয়দ মুজতবা আলী।
৬৩। মধুসূদন দত্ত রচিত ‘বীরঙ্গনা’ কী ধরনের গ্রন্থ? [১২, ৩৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ পত্রকাব্য।
৬৪। রোহিনী কোন উপন্যাসের নায়িকা? [১২, ১৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ কৃষ্ণকান্তের উইল।
৬৫। ‘বীরবল’ কোন লেখকের ছদ্মনাম? [১৪, ১৬, ৩২ তম বিসিএস]
উত্তরঃ প্রমথ চৌধুরী।
৬৬। কোনটি মৌলিক শব্দ? [ ৩৭, ১৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ গোলাপ।
৬৭। ‘সমকাল’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন? [১৫, ১৬, ২৫ তম বিসিএস]
উত্তরঃ সিকান্দ্র আবু জাফর।
৬৮। সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোথায়? [১৫, ১৬ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে।
৬৯। বাংলা একাডেমি কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে? [১৬, ২৯ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৯৫৫ সালে।
৭০। ’একুশে ফেব্রুয়ারি’ গ্রন্থের সম্পাদক কে? [১৬, ২০ তম বিসিএস]
উত্তরঃ হাসান হাফিজুর রহমান।
৭১। উপসর্গের সাথে প্রত্যয়ের পার্থক্য কী? [১৭, ২৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ উপসর্গ থাকে শব্দের সামনে আর প্রত্যয় থাকে পেছনে।
৭২। নিত্য মূর্ধন্য-ষ যোগে গঠিত শব্দ কোনটি? [২০, ২৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ আষঢ়।
৭৩। ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ কার রচনা? [২১, ২৪ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ড. মুহম্ম্দ শহীদুল্লাহ।
৭৪। ’কল্লোল’ পত্রিকা কোন সালে প্রকাশিত হয়? [২৭, ৩৩ তম বিসিএস]
উত্তরঃ ১৯২৩ সালে। প্রকাশক দীনেশরঞ্জন দাস।
৭৫। ‘পাখি সব করে রব রাত্রি পোহাইল’ এই পঙক্তিটির রচয়িতা কে? [২৬, ২৭ তম বিসিএস]
উত্তরঃ মদনমোহন তর্কালঙ্কার।
👉 collected

26/03/2022

#যে কোন পরীক্ষায় ২-৫ টা থাকবে ইনশাআল্লাহ ।
সকল বিষয়ের জনকের নাম

✬ বাংলা উপন্যাস – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
✬ বাংলা সনেট – মাইকেল মধূ সূদন দত্ত
✬ আধুনিক বাংলা নাটক – মাইকেল মধূ সূদনদত্ত
✬ বাংলা গদ্য সাহিত্য – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
✬ বাংলা ছোট গল্প – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✬ গদ্য ছন্দ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✬ মুক্ত ছন্দ – কাজী নজরুল ইসলাম
✬ আধুনিক বাংলা কবিতা – জীবনান্দ দাশ
✬ চলিত রীতিতে গদ্যের জনক – প্রমথ চৌধুরী
ইংরেজি সাহিত্য
▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ ইংরেজি উপন্যাস – হেনরি ফিল্ডিং
✬ ইংরেজি প্রবন্ধ ও গদ্য – ফ্রান্সিস বেকন
✬ ইংরেজি রূপকথা – হ্যান্স ক্রিস্টিয়ান অ্যান্ডারসন
✬ ইংরেজি ট্রাজেডি – ক্রিস্টোফার মারলো
✬ ইংরেজি সনেট – স্যার থমাস ওয়াট
✬ আধুনিক ইংরেজি কবিতা – জিওফ্রে চসার
✬ আধুনিক ইংরেজি সাহিত্য – জর্জ বার্নাডশ
বিশ্ব সাহিত্য সংস্কৃত
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ সনেট – পেত্রাক
✬ সায়েন্স ফিকশন – মেরি শ্যালি
✬ যাত্রা – ক্লাওডিও মন্টে ভারডি
✬ রুশ সাহিত্য – ম্যক্সিম গোরকি
✬ চলচিত্র – এডওয়ার্ড মিউব্রিজ ।
✬ বাংলাদেশ চলচিত্র – আব্দুল জব্বার খান
✬ আধুনিক নৃত্য – ইসাডেরা
✬ পশ্চিমা সঙ্গীত – জোহান সেবাস্তেন বস
✬ উপমহাদেশে সুরসঙ্গীত – ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান
✬ রেনেসীয় চিত্রকলা – জিওট্টো
✬ আধুনিক কার্টুন – উইলিয়াম হোগারথ
✬ আধুনিক সার্কাস – ফিলিপ অ্যাস্টলে
গণিত
▔▔▔
✬ সংখ্যাতত্ত্ব – পিথাগোরাস
✬ গণনা – চার্লস ব্যাবেজ
✬ জ্যামিতি – ইউক্লিড
✬ বীজ গণিত ও অ্যালগারিদম –আল-খাওয়ারিজম
✬ ক্যালকুলাস – ভাসকরা
✬ ত্রিকোণমিতি – হিপ্পার চাস
✬ স্থিতিবিদ্যা – আর্কিমিডিস
✬ গতিবিদ্যা – গ্যালিলিও
পদার্থ বিদ্যা
▔▔▔▔▔▔
✬ পদার্থ বিদ্যা – আইজ্যাক নিউটন
✬ আধুনিক পদার্থ বিদ্যা – আলবার্ট আইনিস্টাইন
✬ পারমানবিক পদার্থ বিদ্যা – আরনেস্ট রাদারফোর্ড
✬ আলোক বিদ্যা – জগদীশ চন্দ্র বসু
✬ তেজস্ক্রিয়তা – হেনরি বেরকল
✬ পারমানবিক বোমা – যে রবার্ট ওপেনহাইমার
✬ হাইড্রোজেন বোমা – এডওয়ার্ড টেলার
✬ কোয়ান্টাম তত্ত্ব – ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
✬ আপেক্ষিক তত্ত্ব – আলবার্ট আইনিস্টাইন
✬ টেলিফোন – আলেকজান্ডার গ্রাহাম
✬ বাষ্প ইঞ্জিন – থমাস নিউকোমেন
✬ মোটর গাড়ি – কার্ল বেঞ্জ
✬ আধুনিক টায়ার – জন বয়রড ডানলফ
✬ রেডিও – লি ডি ফরেস্ট
✬ আধুনিক টেলিভিশন – অ্যালেন বি ডুমেন্ট
✬ সেমি কন্ডাক্টর – জ্যাক কিলবি
✬ আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি – সাইরাস ফিল্ড
কম্পিউটার বিজ্ঞান
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ কম্পিউটার – চার্লস ব্যাবেজ
✬ আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান – এলান ম্যাথাসন ডুরিং
✬ পার্সোনাল কম্পিউটার – আনড্রে থাই টুরং
WWW (World Web Wide) – টিম বারনাস লি
✬ ই–মেইল – রে টমলিনসন
✬ ইন্টারনেট – ভিন্টন জি কারফ
✬ ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন – এলান এমটাজ
✬ ভিডিও গেমস – নোলেন বুশনেল
✬ অ্যানিমেশন – ওয়াল্ট জিডনি
✬ ভিজুয়েল বেসিক – এলান কুপার
✬ জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ – জেমস গসলিং
✬ উইকিপিডিয়া – জিমি ওয়েলস
✬ মুজাহিদ

রসায়ন বিদ্যা
▔▔▔▔▔▔▔
✬ রসায়ন বিদ্যা – জাবের ইবনে হাইয়ান
✬ আধুনিক রসায়ন বিদ্যা – অ্যান্টনি লরেন্ট ল্যাভসেসিয়ে
✬ জৈব রসায়ন – ফ্রেডারিক উইলার
✬ পরমাণুবাদ – ডেমোক্রিটাস
✬ পর্যায় সারণি – দিমিত্রি মেন্ডেলিপ
জীব বিজ্ঞান
▔▔▔▔▔▔▔
✬ জীববিদ্যা ও প্রাণীবিদ্যা – এরিস্টটল
✬ উদ্ভিদ বিদ্যা – থিওফ্রাস্টাস
✬ বিবর্তন জীববিদ্যা – চার্লস ডারউইন
✬ জীবের নামকরণ বিদ্যা – ক্যারোলাস লিনিয়াস
✬ বংশগতি বিদ্যা – গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
✬ রক্ত সংবহনবিদ্যা – উইলিয়াম হার্ডে
✬ আধুনিক কোষতত্ত্ব – সোয়ান ও হাইডেন
✬ রোগ জীবাণু তত্ত্ব – লুই পাস্তুর
✬ বাস্তু সংস্থান – উইজেন উডাম
✬ প্রাণ শক্তি – জে জে বার্জেলিয়াম
চিকিৎসা বিজ্ঞান
▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ চিকিৎসা বিদ্যা ও ওষুদ – হিপক্রেটাস
✬ আধুনিক ওষুদ – ইবনে সিনা
✬ অ্যানাটমি – হেরোফিলাস
✬ আধুনিক সার্জারি – জাই ডি চাওলিয়েক
✬ প্লাস্টিক সার্জারি – সাসরুটা
✬ অস্থি সার্জারি – লরেন্স বলভেন
✬ হোমিও শাস্র – ডঃ স্যামুয়েল হ্যানিমেন
ভূগোল ও ইতিহাস
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ ভূগোল – ইরাটস স্থনিস
✬ খনিজ বিদ্যা – জর্জ এগ্রিকোলা
✬ আধুনিক ভূবিদ্যা – জেমস হ্যাটন
✬ আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যা – গ্যালেলিও গ্যালিলি
✬ ইতিহাস – হেরোডেটাস
✬ আধুনিক ইতিহাস – থুকি ডাইসিস
✬ ইসলামের ইতিহাস – আল–মাসুদি
অর্থনীতি ও ব্যবস্থাপনা
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ অর্থনীতি – এডাম স্মিথ
✬ আধুনিক অর্থনীতি – পল স্যামুয়েলসন
✬ ইউরো মুদ্রা – রবার্ট মেন্ডেল
✬ ব্যবস্থাপনা – পিটার ড্রকার
✬ আধুনিক ব্যবস্থাপনা – লিলিয়ান মোলার গিলবাথ
রাষ্ট্রবিজ্ঞান
▔▔▔▔▔▔
✬ রাষ্ট্রবিজ্ঞান – এরিস্টটল
✬ আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান – নিকোলো ম্যাকেয়াভেলি
✬ গণতন্ত্র – এরিস্টটল
✬ আধুনিক গণতন্ত্র – জন লক
✬ আমলাতন্ত্র – মাক্স বেবার
✬ আধুনিক জার্মান – প্রিন্স অটভান বিসমার্ক
✬ বিশ্ব গ্রাম ধারণা – মার্শাল ম্যাকলুহান
✬ ব্যক্তি ধারনা- জন স্টুয়াট মিল
ধর্ম ও তত্ত্ব
▔▔▔▔▔▔
✬ মুসলিম জাতি – ইব্রাহীম (আঃ)
✬ ফিকাহ সাস্র – ইমাম আবু হানিফা
✬ বৌদ্ধ ধর্ম – গৌতম বুদ্ধ
✬ ইহুদি ধর্ম – মর্স
✬ ফ্যাসিজম – মুসলিনি
✬ কম্যুনিজম – কার্ল মার্ক্স
✬ অস্তিত্ববাদ – সরেন কিয়ারকগার্ড
✬ দ্বি–জাতি তত্ত্ব – মোহাম্মাদ আলী জিন্নাহ
জ্ঞানবিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা
▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
✬ ক্রিকেট – ডব্লিও জি গ্রেস
✬ ফুটবল – এবনেজার মরলে
✬ বিজ্ঞান – থ্যালিস
✬ আধুনিক বিজ্ঞান – রজারবেকন
✬ মৃত্তিকা বিজ্ঞান – জ্যাসিলি ডকুচেব
✬ কৃষি বিজ্ঞান – জোন্সেটাল
✬ মৎস্য বিজ্ঞান – পেটার আর্টেডি
✬ সুপ্রজনন বিজ্ঞান – গ্রেগর মেনডেল
✬ গ্যাস বিজ্ঞান – সেসিবিয়াস
✬ আলোকচিত্র বিদ্যা – লুইস ডাগুইরে
✬ প্রত্নবিদ্যা – থমাস জেফারসন
✬ স্থাপত্য বিদ্যা – জন ভন নিউম্যান
✬ আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা – লর্ড মেকেলে
✬ সমাজ বিজ্ঞান – অগাস্ট ক্যোঁৎ
✬ সমাজ কর্ম – জন এডামস
#সংগৃহীত পোস্ট

02/12/2021

🔸পরিক্ষায় বার বার আসা গুরুত্বপূর্ণ ৩৭৬টি বাগধারা:

1) অকাল কুষ্মাণ্ড = (অপদার্থ, অকেজো)
2) অক্কা পাওয়া = (মারা যাওয়া)
3) অগস্ত্য যাত্রা = (চির দিনের জন্য প্রস্থান)
4) অগাধ জলের মাছ = (সুচতুর ব্যক্তি)
5) অর্ধচন্দ্র = (গলা ধাক্কা)
6) অন্ধের যষ্ঠি = (একমাত্র অবলম্বন)
7) অন্ধের নড়ি = (একমাত্র অবলম্বন)
8) অগ্নিশর্মা = (নিরতিশয় ক্রুদ্ধ)
9) অগ্নিপরীক্ষা =(কঠিন পরীক্ষা)
10) অগ্নিশর্মা = (ক্ষিপ্ত)
11) অগাধ জলের মাছ = (খুব চালাক)
12) অতি চালাকের গলায় দড়ি = (বেশি চাতুর্যর পরিণাম)
13) অতি লোভে তাঁতি নষ্ট = (লোভে ক্ষতি)
14) অদৃষ্টের পরিহাস = (বিধির বিড়ম্বনা)
15) অর্ধচন্দ্র দেওয়া = (গলা ধাক্কা দিয়ে দেয়া)
16) অষ্টরম্ভা = (ফাঁকি)
17) অথৈ জলে পড়া = (খুব বিপদে পড়া)
18) অন্ধকারে ঢিল মারা = (আন্দাজে কাজ করা)
19) অমৃতে অরুচি = (দামি জিনিসের প্রতি বিতৃষ্ণা)
20) অন্ধকারে ঢিল মারা = (আন্দাজে কাজ করা)
21) অকূল পাথার = (ভীষণ বিপদ)
22) অনুরোধে ঢেঁকি গেলা = (অনুরোধে দুরূহ কাজ সম্পন্ন করতে সম্মতি দেয়া)
Educative School
23) অদৃষ্টের পরিহাস = (ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা)
24) অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী = (সামান্য বিদ্যার অহংকার)
25) অনধিকার চর্চা = (সীমার বাইরে পদক্ষেপ)
26) অরণ্যে রোদন = (নিষ্ফল আবেদন)
27) অহিনকুল সম্বন্ধ = (ভীষণ শত্রুতা)
28) অন্ধকার দেখা = (দিশেহারা হয়ে পড়া)
29) অমাবস্যার চাঁদ = (দুর্লভ বস্তু)
30) আকাশ কুসুম = (অসম্ভব কল্পনা)
31) আকাশ পাতাল =(প্রভেদ) (প্রচুর ব্যবধান)
32) আকাশ থেকে পড়া = (অপ্রত্যাশিত)
33) আকাশের চাঁদ = (আকাঙ্ক্ষিত বস্তু)
34) আগুন নিয়ে খেলা = (ভয়ঙ্কর বিপদ)
35) আগুনে ঘি ঢালা = (রাগ বাড়ানো)
36) আঙুল ফুলে কলাগাছ = (অপ্রত্যাশিত ধনলাভ)
37) আঠার আনা = (সমূহ সম্ভাবনা)
38) আদায় কাঁচকলায় = (তিক্ত সম্পর্ক)
39) আহ্লাদে আটখানা = (খুব খুশি)
40) আক্কেল সেলামি = (নির্বুদ্ধিতার দণ্ড)
41) আঙুল ফুলে কলাগাছ = (হঠাৎ বড়লোক)
42) আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া = (দুর্লভ বস্তু প্রাপ্তি)
43) আদায় কাঁচকলায় = (শত্রুতা)
44) আদা জল খেয়ে লাগা = (প্রাণপণ চেষ্টা করা)
45) আক্কেল গুড়ুম = (হতবুদ্ধি, স্তম্ভিত)
46) আমড়া কাঠের ঢেঁকি = (অপদার্থ)
47) আকাশ ভেঙে পড়া = (ভীষণ বিপদে পড়া)
48) আমতা আমতা করা = (ইতস্তত করা, দ্বিধা করা)
49) আটকপালে = (হতভাগ্য)
50) আঠার মাসের বছর = (দীর্ঘসূত্রিতা)
51) আলালের ঘরের দুলাল = (অতি আদরে নষ্ট পুত্র)
52) আকাশে তোলা = (অতিরিক্ত প্রশংসা করা)
53) আষাঢ়ে গল্প = (আজগুবি কেচ্ছা)
54) ইঁদুর কপালে = (নিতান্ত মন্দভাগ্য)
55) ইঁচড়ে পাকা = (অকালপক্ব)
56) ইলশে গুঁড়ি = (গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি)
57) ইতর বিশেষ = (পার্থক্য)
58) উত্তম মধ্যম = (প্রহার)
59) উড়নচন্ডী = (অমিতব্যয়ী)
60) উভয় সংকট = (দুই দিকেই বিপদ)
61) উলু বনে মুক্ত ছড়ানো = (অপাত্রে/অস্থানে মূল্যবান দ্রব্য প্রদান)
62) উড়ো চিঠি = (বেনামি পত্র)
63) উড়ে এসে জুড়ে বসা = (অনধিকারীর অধিকার)
64) উজানে কৈ = (সহজলভ্য)
65) উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে = (একের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো)
66) ঊনপাঁজুড়ে = (অপদার্থ)
67) ঊনপঞ্চাশ বায়ু = (পাগলামি)
68) এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো = (একই স্বভাবের)
69) এক চোখা = (পক্ষপাতিত্ব, পক্ষপাতদুষ্ট)
70) এক মাঘে শীত যায় না = (বিপদ এক বারই আসে না, বার বার আসে)
71) এলোপাতাড়ি = (বিশৃঙ্খলা)
72) এসপার ওসপার = (মীমাংসা)
73) একাদশে বৃহস্পতি = (সৌভাগ্যের বিষয়)
74) এক বনে দুই বাঘ = (প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী)
75) এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো = (একই দলভুক্ত)
76) এলাহি কাণ্ড = (বিরাট আয়োজন)
77) ওজন বুঝে চলা = (অবস্থা বুঝে চলা)
78) ওষুধে ধরা = (প্রার্থিত ফল পাওয়া)
79) কচুকাটা করা = (নির্মমভাবে ধ্বংস করা)
80) কচু পোড়া = (অখাদ্য)
81) কচ্ছপের কামড় = (যা সহজে ছাড়ে না)
82) কলম পেষা = (কেরানিগিরি)
83) কলুর বলদ = (এক টানা খাটুনি)
84) কথার কথা = (গুরুত্বহীন কথা)
85) কাঁঠালের আমসত্ত্ব = (অসম্ভব বস্তু)
86) কাকতাল = (আকস্মিক/দৈব যোগাযোগজাত ঘটনা)
87) কপাল ফেরা = (সৌভাগ্য লাভ)
88) কত ধানে কত চাল = (হিসেব করে চলা)
89) কড়ায় গণ্ডায় = (পুরোপুরি)
90) কান খাড়া করা =(মনোযোগী হওয়া)
91) কানকাটা (নির্লজ্জ)
92) কান ভাঙানো (কুপরামর্শ দান)
93) কান ভারি করা (কুপরামর্শ দান)
94) কাপুড়ে বাবু (বাহ্যিক সাজ)
95) কেউ কেটা (গণ্যমান্য)
96) কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
97) কেঁচো খুড়তে সাপ (বিপদজনক পরিস্থিতি)
98) কই মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
99) কুঁড়ের বাদশা (খুব অলস)
100) কাক ভূষণ্ডী (দীর্ঘজীবী)
101) কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
102) কাছা আলগা (অসাবধান)
103) কাঁচা পয়সা (নগদ উপার্জন)
104) কাঁঠালের আমসত্ত্ব (অসম্ভব বস্তু)
105) কূপমণ্ডুক (সীমাবদ্ধ জ্ঞান সম্পন্ন, ঘরকুনো)
106) কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
107) কাঠের পুতুল (নির্জীব, অসার)
108) কথায় চিঁড়ে ভেজা (ফাঁকা বুলিতে কার্যসাধন)
109) কান পাতলা (সহজেই বিশ্বাসপ্রবণ)
110) কাছা ঢিলা (অসাবধান)
111) কুল কাঠের আগুন (তীব্র জ্বালা)
112) কেঁচো খুড়তে সাপ (সামান্য থেকে অসামান্য পরিস্থিতি)
113) কেউ কেটা (সামান্য)
114) কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
115) কৈ মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
116) খয়ের খাঁ (চাটুকার)
117) খণ্ড প্রলয় (ভীষণ ব্যাপার)
118) খাল কেটে কুমির আনা (বিপদ ডেকে আনা)
119) গড্ডলিকা প্রবাহ (অন্ধ অনুকরণ)
120) গদাই লস্করি চাল (অতি ধীর গতি, আলসেমি)
121) গণেশ উল্টানো (উঠে যাওয়া, ফেল মারা)
122) গলগ্রহ (পরের বোঝা স্বরূপ থাকা)
123) গরজ বড় বালাই (প্রয়োজনে গুরুত্ব)
124) গরমা গরম (টাটকা)
125) গরিবের ঘোড়া রোগ (অবস্থার অতিরিক্ত অন্যায় ইচ্ছা)
126) গুর খোঁজা (তন্ন তন্ন করে খোঁজা)
127) গুরু মেরে জুতা দান (বড় ক্ষতি করে সামান্য ক্ষতিপূরণ)
128) গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল (প্রাপ্তির আগেই আয়োজন)
129) গা ঢাকা দেওয়া (আত্মগোপন)
130) গায়ে কাঁটা দেওয়া (রোমাঞ্চিত হওয়া)
131) গাছে তুলে মই কাড়া (সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা)
132) গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো (কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা)
133) গুরু মারা বিদ্যা (যার কাছে শিক্ষা তারই উপর প্রয়োগ)
134) গোকুলের ষাঁড় (স্বেচ্ছাচারী লোক)
135) গোঁয়ার গোবিন্দ (নির্বোধ অথচ হঠকারী)
136) গোল্লায় যাওয়া (নষ্ট হওয়া, অধঃপাতে যাওয়া)
137) গোবর গণেশ (মূর্খ)
138) গোলক ধাঁধা (দিশেহারা)
139) গোঁফ খেজুরে (নিতান্ত অলস)
140) গোড়ায় গলদ (শুরুতে ভুল)
141) গৌরচন্দ্রিকা (ভূমিকা)
142) গৌরীসেনের টাকা (বেহিসাবী অর্থ)
143) গুড়ে বালি (আশায় নৈরাশ্য)
144) ঘর ভাঙানো (সংসার বিনষ্ট করা)
145) ঘাটের মরা (অতি বৃদ্ধ)
146) ঘোড়া রোগ (সাধ্যের অতিরিক্ত সাধ)
147) ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া (মধ্যবর্তীকে অতিক্রম করে কাজ করা)
148) ঘোড়ার ঘাস কাটা (অকাজে সময় নষ্ট করা)
149) ঘোড়ার ডিম (অবাস্তব)
150) ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো (নিজ খরচে পরের বেগার খাটা)
151) ঘাটের মড়া (অতি বৃদ্ধ)
152) ঘটিরাম (আনাড়ি হাকিম)
153) চক্ষুদান করা (চুরি করা)
154) চক্ষুলজ্জা (সংকোচ)
155) চর্বিত চর্বণ (পুনরাবৃত্তি)
156) চাঁদের হাট (আনন্দের প্রাচুর্য)
157) চিনির বলদ (ভারবাহী কিন্তু ফল লাভের অংশীদার নয়)
158) চোখের বালি (চক্ষুশূল)
159) চোখের পর্দা (লজ্জা)
160) চোখ কপালে তোলা (বিস্মিত হওয়া)
161) চোখ টাটানো (ঈর্ষা করা)
162) চোখে ধুলো দেওয়া (প্রতারণা করা)
163) চোখের চামড়া (লজ্জা)
164) চুনকালি দেওয়া (কলঙ্ক)
165) চশমখোর (চক্ষুলজ্জাহীন)
166) চোখের মণি (প্রিয়)
167) চামচিকের লাথি (নগণ্য ব্যক্তির কটূক্তি)
168) চিনির পুতুল (শ্রমকাতর)
169) চুঁনোপুটি (নগণ্য)
170) চুলোয় যাওয়া (ধ্বংস)
171) চিনে/ছিনে জোঁক (নাছোড়বান্দা)
172) ছ কড়া ন কড়া (সস্তা দর)
173) ছা পোষা (অত্যন্ত গরিব)
174) ছাই ফেলতে ভাঙা কুলা (সামান্য কাজের জন্য অপদার্থ ব্যক্তি)
Educative School (এডুকেটিভ স্কুল)
175) ছেলের হাতের মোয়া (সামান্য বস্তু)
176) ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করা (নগণ্য স্বার্থে দুর্নাম অর্জন)
177) ছক্কা পাঞ্জা (বড় বড় কথা বলা)
178) ছিঁচ কাদুনে (অল্পই কাঁদে এমন)
179) ছিনিমিনি খেলা (নষ্ট করা)
180) ছেলের হাতের মোয়া (সহজলভ্য বস্তু)
181) জগাখিচুড়ি পাকানো (গোলমাল বাধানো)
182) জিলাপির প্যাঁচ (কুটিলতা)
183) জলে কুমির ডাঙায় বাঘ (উভয় সঙ্কট)
184) ঝড়ো কাক (বিপর্যস্ত)
185) ঝাঁকের কৈ (এক দলভুক্ত)
186) ঝিকে মেরে বউকে বোঝানো (একজনের মাধ্যমে দিয়ে অন্যজনকে শিক্ষাদান)
187) ঝোপ বুঝে কোপ মারা (সুযোগ মত কাজ করা)
188) টনক নড়া (চৈতন্যোদয় হওয়া)
189) টাকার কুমির (ধনী ব্যক্তি)
190) টেকে গোঁজা (আত্মসাৎ করা)
191) টুপভুজঙ্গ (নেশায় বিভোর)
192) ঠাঁট বজায় রাখা (অভাব চাপা রাখা)
193) ঠোঁট কাটা (বেহায়া)
194) ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় (আদর্শহীনতার প্রাচুর্য)
195) ঠুঁটো জগন্নাথ (অকর্মণ্য)
196) ঠেলার নাম বাবাজি (চাপে পড়ে কাবু)
197) ডুমুরের ফুল (দুর্লভ বস্তু)
198) ডাকের সুন্দরী (খুবই সুন্দরী)
199) ডুমুরের ফুল (দুর্লভ বস্তু)
200) ডান হাতের ব্যাপার (খাওয়া)
201) ডামাডোল (গণ্ডগোল)
202) ঢাক ঢাক গুড় গুড় (গোপন রাখার চেষ্টা)
203) ঢাকের কাঠি (মোসাহেব, চাটুকার)
204) ঢাকের বাঁয়া (অপ্রয়োজনীয়)
205) ঢেঁকির কচকচি (বিরক্তিকর কথা)
206) ঢি ঢি পড়া (কলঙ্ক প্রচার হওয়া)
207) ঢিমে তেতালা (মন্থর)
208) তালকানা (বেতাল হওয়া)
209) তাসের ঘর (ক্ষণস্থায়ী)
210) তামার বিষ (অর্থের কু প্রভাব)
211) তালপাতার সেপাই (ক্ষীণজীবী)
212) তিলকে তাল করা (বাড়িয়ে বলা)
213) তুলসী বনের বাঘ (ভণ্ড)
214) তুলা ধুনা করা (দুর্দশাগ্রস্ত করা)
215) তুষের আগুন (দীর্ঘস্থায়ী ও দুঃসহ যন্ত্রণা)
216) তীর্থের কাক (প্রতীক্ষারত)
217) থ বনে যাওয়া (স্তম্ভিত হওয়া)
218) থরহরি কম্প (ভীতির আতিশয্যে কাঁপা)
219) দা-কুমড়া (ভীষণ শত্রুতা)
220) দহরম মহরম (ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক)
221) দু মুখো সাপ (দু জনকে দু রকম কথা বলে পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টিকারী)
222) দিনকে রাত করা (সত্যকে মিথ্যা করা)
223) দুধে ভাতে থাকা (খেয়ে-পড়ে সুখে থাকা)
224) দেঁতো হাসি (কৃত্তিম হাসি)
225) দাদ নেওয়া (প্রতিশোধ নেয়া)
226) দুকান কাটা (বেহায়া)
227) দুধের মাছি (সু সময়ের বন্ধু)
228) ধরাকে সরা জ্ঞান করা (সকলকে তুচ্ছ ভাবা)
229) ধড়া-চূড়া (সাজপোশাক)
230) ধরাকে সরা জ্ঞান করা (অহঙ্কারে সবকিছু তুচ্ছ মনে করা)
231) ধর্মের ষাঁড় (যথেচ্ছাচারী)
232) ধর্মের কল বাতাসে নড়ে (সত্য গোপন থাকে না)
233) ধরি মাছ না ছুঁই পানি (কৌশলে কার্যাদ্ধার)
234) ননীর পুতুল (শ্রমবিমুখ)
235) নয় ছয় (অপচয়)
236) নাটের গুরু (মূল নায়ক)
237) নাড়ি নক্ষত্র (সব তথ্য)
238) নিমক হারাম (অকৃতজ্ঞ)
239) নিমরাজি (প্রায় রাজি)
240) নামকাটা সেপাই (কর্মচ্যূত ব্যক্তি)
241) নথ নাড়া (গর্ব করা)
242) নেই আঁকড়া (একগুঁয়ে)
243) নগদ নারায়ণ (কাঁচা টাকা/নগদ অর্থ)
244) নেপোয় মারে দই (ধূর্ত লোকের ফল প্রাপ্তি)
245) পটল তোলা (মারা যাওয়া)
246) পগার পার (আয়ত্তের বাইরে পালিয়ে যাওয়া)
247) পটের বিবি (সুসজ্জিত)
248) পত্রপাঠ (অবিলম্বে/সঙ্গে সঙ্গে)
249) পালের গোদা (দলপতি)
250) পাকা ধানে মই (অনিষ্ট করা)
251) পাখিপড়া করা (বার বার শেখানো)
252) পাততাড়ি গুটানো (জিনিসপত্র গোটানো)
253) পাথরে পাঁচ কিল (সৌভাগ্য)
254) পুঁটি মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে যায়)
255) পুকুর চুরি (বড় রকমের চুরি)
256) পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটা (পুরোনো প্রসঙ্গে কটাক্ষ করা)
257) পোঁ ধরা (অন্যকে দেখে একই কাজ করা)
258) পোয়া বারো (অতিরিক্ত সৌভাগ্য)
259) প্রমাদ গোণা (ভীত হওয়া)
260) পায়াভারি (অহঙ্কার)
261) পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা (অপরকে দিয়ে কাজ উদ্ধার)
262) পরের ধনে পোদ্দারি (অন্যের অর্থের যথেচ্ছ ব্যয়)
263) ফপর দালালি (অতিরিক্ত চালবাজি)
264) ফুলবাবু (বিলাসী)
265) ফেউ লাগা (আঠার মতো লেগে থাকা)
266) ফুলের ঘাঁয়ে মূর্ছা যাওয়া (অল্পে কাতর)
267) ফোড়ন দেওয়া (টিপ্পনী কাটা)
268) বক ধার্মিক (ভণ্ড সাধু)
269) বইয়ের পোকা (খুব পড়ুয়া)
270) বগল বাজানো (আনন্দ প্রকাশ করা)
271) বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো (সহজে খুলে যায় এমন)
272) বসন্তের কোকিল (সুদিনের বন্ধু)
273) বিড়াল তপস্বী (ভণ্ড সাধু)
274) বর্ণচোরা আম (কপট ব্যক্তি)
275) বরাক্ষরে (অলক্ষুণে)
276) বাজারে কাটা (বিক্রি হওয়া)
277) বালির বাঁধ (অস্থায়ী বস্তু)
278) বাঁ হাতের ব্যাপার (ঘুষ গ্রহণ)
279) বাঁধা গৎ (নির্দিষ্ট আচরণ)
280) বাজখাঁই গলা (অত্যন্ত কর্কশ ও উঁচু গলা)
281) বাড়া ভাতে ছাই (অনিষ্ট করা)
282) বায়াত্তরে ধরা (বার্ধক্যের কারণে কাণ্ডজ্ঞানহীন)
283) বিদ্যার জাহাজ (অতিশয় পণ্ডিত)
284) বিশ বাঁও জলে (সাফল্যের অতীত)
285) বিনা মেঘে বজ্রপাত (আকস্মিক বিপদ)
286) বাঘের দুধ/ চোখ (দুঃসাধ্য বস্তু)
287) বিসমিল্লায় গলদ (শুরুতেই ভুল)
288) বুদ্ধির ঢেঁকি (নিরেট মূর্খ)
289) ব্যাঙের আধুলি (সামান্য সম্পদ)
290) ব্যাঙের সর্দি (অসম্ভব ঘটনা)
291) ভরাডুবি (সর্বনাশ)
292) ভস্মে ঘি ঢালা (নিষ্ফল কাজ)
293) ভাদ্র মাসের তিল (প্রচণ্ড কিল)
294) ভানুমতীর খেল (অবিশ্বাস্য ব্যাপার)
295) ভাল্লুকের জ্বর (ক্ষণস্থায়ী জ্বর)
296) ভাঁড়ে ভবানী (নিঃস্ব অবস্থা)
297) ভূতের ব্যাগার (অযথা শ্রম)
298) ভূঁই ফোড় (হঠাৎ গজিয়ে ওঠা)
299) ভিজে বিড়াল (কপটাচারী)
300) ভূশন্ডির কাক (দীর্ঘজীবী)
301) মগের মুল্লুক (অরাজক দেশ)
302) মণিকাঞ্চন যোগ (উপযুক্ত মিলন)
303) মন না মতি (অস্থির মানব মন)
304) মড়াকান্না (উচ্চকণ্ঠে শোক প্রকাশ)
305) মাছের মায়ের পুত্রশোক (কপট বেদনাবোধ)
306) মিছরির ছুরি (মুখে মধু অন্তরে বিষ)
307) মুখ চুন হওয়া (লজ্জায় ম্লান হওয়া)
308) মুখে দুধের গন্ধ (অতি কম বয়স)
309) মুস্কিল আসান (নিষ্কৃতি)
310) মেনি মুখো (লাজুক)
311) মাকাল ফল (অন্তঃসারশূণ্য)
312) মশা মারতে কামান দাগা (সামান্য কাজে বিরাট আয়োজন)
313) মুখে ফুল চন্দন পড়া (শুভ সংবাদের জন্য ধন্যবাদ)
314) মেছো হাটা (তুচ্ছ বিষয়ে মুখরিত)
315) যক্ষের ধন (কৃপণের ধন)
316) যমের অরুচি (যে সহজে মরে না)
317) রত্নপ্রসবিনী (সুযোগ্য সন্তানের মা)
318) রাঘব বোয়াল (সর্বগ্রাসী ক্ষমতাবান ব্যক্তি)
319) রাবণের চিতা (চির অশান্তি)
320) রাশভারি (গম্ভীর প্রকৃতির)
321) রাই কুড়িয়ে বেল (ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে বৃহৎ)
322) রাজা উজির মারা (আড়ম্বরপূর্ণ গালগল্প)
323) রাবণের গুষ্টি (বড় পরিবার)
324) রায় বাঘিনী (উগ্র স্বভাবের নারী)
325) রাজ যোটক (উপযুক্ত মিলন)
326) রাহুর দশা (দুঃসময়)
327) রুই-কাতলা (পদস্থ বা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি)
328) লেফাফা দুরস্ত (বাইরের ঠাট বজার রেখে চলেন যিনি)
329) লগন চাঁদ (ভাগ্যবান)
330) ললাটের লিখন (অমোঘ ভাগ্য)
331) লাল পানি (মদ)
332) লাল বাতি জ্বালা (দেউলিয়া হওয়া)
333) লাল হয়ে যাওয়া (ধনশালী হওয়া)
334) লেজে গোবরে (বিশৃঙ্খলা)
335) শকুনি মামা (কুটিল ব্যক্তি)
336) শাঁখের করাত (দুই দিকেই বিপদ)
337) শাপে বর (অনিষ্টে ইষ্ট লাভ)
338) শিকায় ওঠা (স্থগিত)
339) শিঙে ফোঁকা (মরা)
340) শিবরাত্রির সলতে (একমাত্র সন্তান)
341) শিরে সংক্রান্তি (বিপদ মাথার ওপর)
342) শুয়ে শুয়ে লেজ নাড়া (আলস্যে সময় নষ্ট করা)
343) শরতের শিশির (সুসময়ের বন্ধু)
344) শত্রুর মুখে ছাই (কুদৃষ্টি এড়ানো)
345) শ্রীঘর (কারাগার)
346) ষাঁড়ের গোবর (অযোগ্য)
347) ষোল আনা (পুরোপুরি)
348) ঘোল কলা (পুরোপুরি)
349) সবুরে মেওয়া ফলে (ধৈর্যসুফল মিলে)
350) সরফরাজি করা (অযোগ্য ব্যক্তির চালাকি)
351) সাত খুন মাফ (অত্যধিক প্রশ্রয়)
352) সাত সতের (নানা রকমের)
353) সাপের ছুঁচো গেলা (অনিচ্ছায় বাধ্য হয়ে কাজ করা)
354) সেয়ানে সেয়ানে (চালাকে চালাকে)
355) সবে ধন নীলমণি (একমাত্র অবলম্বন)
356) সাতেও নয়, পাঁচেও নয় (নির্লিপ্ত)
357) সাপের পাঁচ পা দেখা (অহঙ্কারী হওয়া)
358) সোনায় সোহাগা (উপযুক্ত মিলন)
359) সাক্ষী গোপাল (নিষ্ক্রিয় দর্শক)
360) সখাত সলিলে (ঘোর বিপদে পড়া)
361) সব শেয়ালের এক রা (ঐকমত্য)
362) হাটে হাঁড়ি ভাঙা (গোপন কথা প্রকাশ করা)
363) হাতটান (চুরির অভ্যাস)
364) হ য ব র ল (বিশৃঙ্খলা)
365) হরি ঘোষের গোয়াল (বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ)
366) হরিলুট (অপচয়)
367) হস্তীমূর্খ (বুদ্ধিতে স্থূল)
368) হাড়ে দুর্বা গজানো (অত্যন্ত অলস হওয়া)
369) হাতুড়ে বদ্যি (আনাড়ি চিকিৎসক)
370) হাতের পাঁচ (শেষ সম্বল)
371) হীরার ধার (অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি)
372) হোমরা চোমরা (গণ্যমান্য ব্যক্তি)
373) হিতে বিপরীত (উল্টো ফল)
374) হাড় হদ্দ (নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য)
375) হাড় হাভাতে (হতভাগ্য)
376) হালে পানি পাওয়া (সুবিধা করা)
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ১০০টি ভাস্কর্য:

ভাস্কর্যের নাম স্থপতি ---- অবস্থান
১। জাতীয় স্মৃতিসৌধ ➟ সৈয়দ মাঈনুল হোসেন ➟ সাভার
২। জাতীয় সংসদ ভবন ➟ লুই আই কান ➟ শেরে বাংলা নগর, ঢাকা
৩। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ➟ হামিদুর রহমান ➟ ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণ
৪। মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ ➟ তানভীর কবির ➟ মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর
৫। রাজারবাগ স্মৃতিসৌধ ➟ মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হিলি ➟ গগনবাড়ি, সাভার
৬। শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ➟ মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হিলি ➟ ঢাকা মিরপুর
৭। স্বাধীনতা স্মৃতিস্তম্ভ ➟ এ কে এম ইকবাল ➟ ঢাকা সেনানিবাস
৮। শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ ➟ এ আর খন্দকার তাজউদ্দিন আহমদ ➟ মিরপুর
৯। স্বাধীনতা সংগ্রাম ➟ শামীম শিকদার ➟ ফুলার রোড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১০। অপরাজেয় বাংলা ➟ সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ ➟ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবন
১১। রাজু ভাস্কর ➟ শ্যামল চৌধুরী ➟ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি চত্বর
১২। স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ➟ শামীম শিকদার ➟ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি চত্বর
১৩। শান্তির পাখি ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ টি এস সি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৪। বেগম রোকেয়া ভাস্কর্য ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ রোকেয়া হলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৫। স্বামী বিবেকানন্দ ➟ শামীম শিকদার ➟ জগন্নাথ হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৬। মা ও শিশু ➟ নভেরা আহমেদ ➟ মুজিব হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৭। নারী, শিশু ও পুরুষ ➟ নভেরা আহমেদ ➟ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৮। কৃষক পরিবার ➟ নভেরা আহমেদ ➟ জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণ, ঢাকা
১৯। ক্যাকটাস ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২০। দোয়েল চত্বর ➟ আজিজুল জলিল পাশা ➟ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্জন হল
২১। শাপলা চত্বর ➟ আজিজুল জলিল পাশা ➟ মতিঝিল
২২। সাবাস বাংলাদেশ ➟ নিতুন কুন্ডু ➟ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
২৩। সংশপ্তক ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়

২৪। সর্বোচ্চ শহীদ মিনার ➟ রবিউল হুসাইন ➟ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
২৫। অমর একুশে ➟ জাহানারা পারভীন ➟ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
২৬। স্মরণ ➟ সৈয়দ সাইফুল কবির ➟ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
২৭। স্মারক ➟ মর্তুজা বশীর ➟ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যায়
২৮। একাত্তরের গণহত্যা ভাস্কর ➟ রাশা ➟ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
২৯। জয় বাংলা জয় তারুণ্য ➟ আলাউদ্দিন বুলবুল ➟ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩০। মুক্তবাংলা ➟ রশিদ আহমেদ ➟ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
৩১। সোনার বাংলা ➟ শ্যামল চৌধুরি ➟ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
৩২। জয় বাংলা ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩৩। অদম্য বাংলা ➟ গোপাল চন্দ্র পাল ➟ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
৩৪। দুর্বার বাংলা ➟ খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
৩৫। দূরন্ত ➟ সুলতানুল ইসলাম ➟ শিশু একাডেমী, ঢাকা
৩৬। জাগ্রত চৌরঙ্গী ➟ আব্দুর রাজ্জাক ➟ জয়দেবপুর
৩৭। জাগ্রত বাঙালী ➟ রফিকুল ইসলাম শাহীন ➟ যশোর
৩৮। মিশুক ➟ মোস্তাফা মনোয়ার ➟ জাতীয় শিশু পার্কের সামনে
৩৯। কিংবদন্তী ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ মিরপুর, ঢাকা
৪০। সংগ্রাম ➟ জয়নুল আবেদিন ➟ সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ
৪১। অঙ্গীকার ➟ আব্দুল্লাহ খালেদ ➟ সাভার
৪২। রক্তধারা ➟ চঞ্চল কর্মকার ➟ চাঁদপুর
৪৩। শপথ ➟ স্বপন আচার্য ➟ চাঁদপুর
৪৪। প্রত্যাশা ➟ মৃণাল হক ➟ ঢাকা
৪৫। বলাকা ➟ মৃণাল হক ➟ মতিঝিল
৪৬। অর্ঘ্য ➟ মৃণাল হক ➟ সায়েন্স ল্যাব ঢাকা
৪৭। দুর্জয় ➟ মৃণাল হক ➟ রাজারবাগ ঢাকা
৪৮। চির দুর্জয় ➟মৃণাল হক ➟ রাজারবাগ ঢাকা
৪৯। বিজয় ➟ মৃণাল হক ➟ খাগড়াছড়ি
৫০। সাম্যবাদ ➟ মৃণাল হক ➟ কাকরাইল
৫১। বাউল ভাস্কর ➟ মৃণাল হক ➟শাহজালাল বিমানবন্দর
৫২। বর্ষারাণী ➟ মৃণাল হক ➟ তেজগাঁও
৫৩। গোল্ডেন জুবিলী টাওয়ার ➟ মৃণাল হক ➟ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
৫৪। প্রতিরোধ ➟ মৃণাল হক ➟ নারায়ানগঞ্জ
৫৫। রাজসিক বিহার ➟মৃণাল হক ➟ হোটেল শেরাটন ঢাকা
৫৬। কোতয়াল ➟ মৃণাল হক ➟ মিন্ট রোড ঢাকা
৬৭। হজ্ব মিনার ➟ মৃণাল হক ➟ বিমানবন্দরের সামনে
৫৮। সীমান্ত গৌরব ➟ মৃণাল হক ➟ বিজিবি সদরদপ্তর পিলখানা ঢাকা
৫৯। পতাকা ৭১ ➟ রূপম রায় ➟ মুন্সিগঞ্জ
৬০। প্রত্যয় ৭১ ➟ মৃণাল হক ➟ মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়
৬১। চেতনা ৭১ ➟ মোঃ মইনুল ➟ কুষ্টিয়া
৬২। বিজয় ৭১ ➟ খন্দকার বদরুল ইসলাম নান্নু ➟ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
৬৩। অপরাজেয় ৭১ ➟ স্বাধীন চৌধুরী ➟ ঠাকুরগাঁও
৬৪। প্রবাহমান ৭১ ➟ মাদারীপুর
৬৫। মৃত্যুঞ্জয়ী ৭১ ➟ কাজল আচার্য ➟ শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
৬৬। অন্ধুরিত যুদ্ধ ৭১ ➟ বিন্দু সরকার ➟ মুন্সিগঞ্জ
৬৭। জয়তা ৭১ ➟ ইডেন মহিলা কলেজ
৬৮। একাত্তরের স্মরণে ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণ ঢাকা
৬৯। স্মৃতির মিনার ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
৭০। চিরন্তন বাংলাদেশ ➟ আরিফুল আলম ➟ রাজশাহী
৭১। যুদ্ধজয় ➟ এজাজ ও কবির ➟ কুমিল্লা
৭২। যুদ্ধভাসান ➟ কুমিল্লা
৭৩। স্বাধীনতা ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ কাজি নজরুল ইসলাম এভিনিউ ঢাকা
৭৪। স্বাধীনতা চত্বর ➟ মৃণাল হক ➟ মাদারীপুর।
৭৫। চিরঞ্জীব স্বাধীনতা ➟ নীল উৎপল কর ➟ কিশোরগঞ্জ
৭৬। চেতনায় চিরঞ্জীব ➟ মাহবুব শামীম ➟ মাইকেল মধুসূদন কলেজ যশোর
৭৭। রক্তসোপান ➟ রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস
৭৮। কুরআন ভাস্কর্য ➟ কামরুল হাসান শিপন ➟ কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
৭৯। বীর ভাস্কর্য ➟ হাজ্জাজ কায়সার ➟ নিকুঞ্জ, ঢাকা
৮০। বীর বাঙালী ➟ এডভোকেট লুৎফর রহমান
৮১। বীরের প্রত্যাবর্তন ➟ সুদীপ্ত মল্লিক
৮২। শিখা অনির্বাণ ➟ ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
৮৩। শিখা চিরন্তন ➟ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
৮৪। তরফদার ➟ খুলনা
৮৫। অনুমান ➟ অনীক রেজা ➟ রংপুর
৮৬। মোদের গরব ➟ অখিল পাল ➟ বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণ
৮৭। রুই-কাতলা ➟ হামিদুজ্জামান খান➟ ফার্মগেট ঢাকা
৮৮। সার্ক ফোয়ারা ➟ নিতুন কুন্ডু ➟ পান্থপথ ঢাকা
৮৯। কদম ফোয়ারা ➟ নিতুন কুন্ডু ➟ জাতীয় ইদগাহ ঢাকা
৯০। বিজয় সরণী ফোয়ারা ➟ আব্দুর রাজ্জাক ➟ তেঁজগাও, ঢাকা
৯১। বঙ্গবন্ধু মনুমেন্ট ফোয়ারা ➟ আব্দুর রাজ্জাক ➟ গাজীপুর
৯২। রানার ➟ আজম হক সাচ্চু ➟ পোস্টাল একাডেমি, রাজশাহী
৯৩। বিদ্যার্ঘ ➟ শাওন সগীর সাগর ➟ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
৯৪। অতন্দ্র প্রহরী ➟ বৈরাম খান ➟ গুলিস্থান ঢাকা
৯৫। হাস্যোজ্জ্বল বঙ্গবন্ধু ➟ রাশা ➟ ঝিগাতলা ঢাকা
৯৬। তিন নেতার মাজার ➟ মাসুদ আহমেদ ➟ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা
৯৭। সাম্পান ➟ নিতুন কুন্ডু ➟ শাহ আমানত বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম
৯৮। বিজয় উল্লাস ➟ শামীম শিকদার ➟ কুষ্টিয়া
৯৯। বিজয় বিহঙ্গ ➟ হামিদুজ্জামান ও আমিনুল ইসলাম ➟ বরিশাল
১০০। নগরে নিসর্গ ➟ রাফিয়া আবেদিন ➟ তাঁতীবাজার

Address

Dhaka
Dhaka
1216

Telephone

+8801511050893

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ABK Group posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share