JNU 2004-'05 Bangla Depertment

JNU 2004-'05 Bangla Depertment Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from JNU 2004-'05 Bangla Depertment, Dhaka.

08/12/2024

পাখি পাকা পেঁপে খায় ছাড়াও আরো অনেক বাক্য আছে!
😜ঝট করে পড়ে ফ্যালো দেখিঃ---😜

★ নলিনী লালনের নোলক নাকে তাল তাকে থাক কাক তাকে খাক।
★ লালুর লড়াই রাবড়ি লড়েন।
★ হরলালের রেলগাড়ি
★ তেলে চুল তাজা জলে চুন তাজা
★ সূঁচে সুতো ছাতে ছুঁচো
★ লারা রোড রোলারে লর্ডসে যায়
★ লালা রি লোলা রি লিলারি লালারি লু
★ কাঁচা পেঁপে পাকা পেঁপে
★ বাবলা গাছে বাঘ বসেছে
★ পাতে পটল পড়লেও পড়তে পারে।
★ পাখি পাকা পেঁপে খায়
★ বারো হাঁড়ি রাবড়ি বড়ো বাড়াবাড়ি।
★ কাঁচা গাব পাকা গাব
★ লীনা নিলো নীলা লীলা নিলো না
★ দুর্যোধন জর্দা খেয়ে দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়
★ বাঘার বাড়ি বাবার গাড়ি
★ লরির ওপর রোলার
★ লীলা নিলি নালা নালী
★ লেনিন নিলেন লিনেন,লিনেন লেনিন নিলেন,নিলেন লেনিন লিনেন।
★ লালু লালা নিলী লিলি লীলা লীনা
★ করলার কলে বাড়ে কলেরার কলরব
★ শ্যমবাজারের শশী বাবু সকাল বেলায় সাইকেল চড়ে শশা খেতে খেতে সশরীরে স্বর্গে গেলেন।
★ পাখি কাঁপে ফাঁদে, পাপী কাঁদে ফাঁকে।
★ এক আনায় আনা যায় কত আনারস।
★ মালির মাথায় মালার ডালা, মালার হাতে মালির মালা।
★ রণে রানী লড়ে, লনে নারী নড়ে।
★ মাসি মারে মশা, মেসো মারে মাছি।
★ অস্ট্র উষ্ট্রের সাথে অষ্ট অশ্ব।
★ চাচী তুমি চাঁছা চটা চেঁছ না আচাঁছা চটা চেঁছ।
★ লাল ল্যানোলিন, নীল ল্যানোলিন।
★ নেরু রেনুর কান টানে,রেনু নেরুর নাক টানে।
★ টাকে কাক, তাকে কাপ।
★ মিতা আটা হাতে আতা কাটে।
★ গাছ কাটা কাটা খাঁজ, খাঁজ কাটা কাটা গাছ।
★ মনাকে মনার মা মানা করেছে,মনা মায়ের মানা না শুনে চলে গেছে।
★ চল চপলার চকিত চরণে করিছে চরণ বিচরণ।
★ কত না জনতা জানালো যতনে যতনে।
★ কালুদের কুচকুচে কালো কুকুর কাল কচুরিতে কামড় দিয়েছিল।
★ টিপুর টুপি টুপুর টাকে, টুপুর টাকা টিপুর ট্যাঁকে।
★ উৎকটকটমহাশঙ্করকিটকিটাম্বররায়চৌধুরী
★ চারুচন্দ্র চক্রবর্তী চটি জুতো চরণে জড়ায়ে চট্টগ্রাম চলে গেছে।
★ পাঁক পুকুরের পশ্চিম পাড়ের পাঁচু পাইন পাঁচটি পুলিশ কে পটিয়ে পাঁচটি পাইপ পুঁতিল।
★ হেলিকপ্টারের প্রোপ্রাইটারের প্রপিতামহ প্রপেলারের চোটে পটলপ্রাপ্ত।
★ গড়ের মাঠে গরুর গাড়ি গড় গড়িয়ে যায়।
★ কাকেরা কা কা করিয়া কাকে কাকা কইছে?
★ রুলারে লড়াই।
★ রোমা রল্যা লেড় খায়।

এটা কোনো এডিট করা কিংবা ফটোশপড ছবি না। ছবিটিতে প্রথম পলকেই যা দেখছেন- তাও সত্যিনা। ছবিটা একটা বিভ্রম। কোনো পাথর এখানে শু...
15/11/2024

এটা কোনো এডিট করা কিংবা ফটোশপড ছবি না। ছবিটিতে প্রথম পলকেই যা দেখছেন- তাও সত্যিনা। ছবিটা একটা বিভ্রম। কোনো পাথর এখানে শুণ্যে ভাসছেনা। বরং পাথরের কিছু অংশ পানিতে ডুবে আছে।

এটাই সত্য যে - আমরা চোখে যা দেখি, তা যেমন সবসময়ই সত্য নয় । ঠিক তেমনি আমার হাত দিয়ে যা স্পর্শ করি, সেটাও অনেক সময় বিভ্রম।

আমরা মাথার উপর আকাশ দেখি বলেই আকাশকে উপরের দিকে এবং পৃথিবীকে নিচে বলে মনে করি। অথচ সত্যি হলো - বাস্তবে কোন উপর বা নিচ নেই। আকাশ পৃথিবীকে চারদিকে ঘিরে রেখেছে।

আমরা যাকে অ্যান্টার্কটিকের হিমশীতলতা বলে মনে করি। তা আসলে মহাকাশের গভীর শীতলতার তুলনায় উত্তপ্ত এক অগ্নিসাগর।

আমরা আমাদের চোখে সূর্যকে প্রতিদিন পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে দেখি। অথচ বাস্তব সত্য সম্পূর্ণ এর বিপরীত। পৃথিবীই সূর্যের চারপাশে ঘোরে।
ঠিক তেমনি- আমরা আকাশে চাঁদকে বৃহত্তম গ্রহ( উপগ্রহ) হিসেবে দেখি। অথচ এটি আসলে সবচেয়ে ছোট গ্রহ।

আমরা লোহাকে স্পর্শ করলে অনুভব করি এটি একটি ইনটেগ্রেটেড সলিড পদার্থ। অথচ বাস্তবে এটি এক ধরনের ক্ষুদ্র কণার সমষ্টি ছাড়া আর কিছুই নয়। এই কণাগুলো শুধুমাত্র একটা শূন্যস্থানকে পূর্ণ করে রাখে। আর প্রতিটি কণার মধ্যে তফাত প্রায় ততটুকু, যতটুকু আকাশের নক্ষত্রের মধ্যে। বিজ্ঞানীরা তাই মনে করেন।

আমরা যা কঠিন এবং একত্রিত মনে করি, তা আসলে কণার মধ্যে বৈদ্যুতিক চুম্বকীয় আকর্ষণ শক্তির ফল। আমরা আসলে লোহার পরিবর্তে এক কণা সমূহের পারষ্পরিক আকর্ষণ শক্তিটাকেই আঙুল দিয়ে অনুভব করি।

রঙের জগৎটা আরো বেশি ইল্যুশন। গোটা দুনিয়ার রঙের ভুবন- আলোর রিফ্লেকশান। আলোও নাই, রঙ ও নাই। অন্ধ চোখে তাই কোনো রঙ নাই।

যে চুম্বনকে আমরা ভালোবাসার প্রতীক বলে ভাবি- তা শারীরিক হরমোনের খেলা।

ইতিহাসতো আরো বেশি জটিল এবং বিভ্রম। ঐতিহাসিক সত্য হলো- ইতিহাসবিদরা প্রতিটি যুগে যারা ক্ষমতার পাদপ্রদীপের আলোয় থাকেন- তাদের কলমে সেই শক্তিশালী মানুষদের কথাই লিখেন। সেজন্য আফ্রিকান প্রবাদে বলা হয়- "যতদিন পর্যন্ত হরিণ লিখতে জানবেনা, ততদিন পর্যন্ত ইতিহাসে শিকারীকেই গৌরবান্বিত করা হবে"।

বৃটিশ বই পুস্তকে লর্ড ক্লাইভ তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হিরো। উমাইয়া যুগে ইয়াজিদের চেয়ে বড় বীর আর নেই। শত দেশকে কলোনি বানিয়ে সম্পদ লুঠে রাণী হলেন মহারাণী ভিক্টোরিয়া।

আদিবাসী আমেরিকানরা কলম্বাসকে জলে ভাসা অবস্থায় আবিষ্কার করলো। সেই কলম্বাসই তাদের মারলো, লুঠ করলো, দাস বানালো এবং আমেরিকা আবিষ্কারক হিসাবে ইতিহাসে নাম লেখালো। ইতিহাস কি অদ্ভূত!! ইতিহাস কি বিভ্রম!!!

সংবাদপত্র যাকে বীরপুরুষ বলে ধারণা দেয়া হয়- হতে পারে সে একজন কাপুরুষ। কোনো প্রেমিক হতে পারে বড় প্রতারক। যে সবচেয়ে দানবীর সেই হতে পারে আত্মীয় স্বজনের সম্পদ লুণ্ঠনকারী। এই লেখার শেষ পর্যায়ে এসে জানলাম- স্নেহময়ী সন্তানই মা হন্তাকারী।

আর যে কোনো খ্যাতি, মোহ , প্রতিপত্তির অন্তরালে রয়ে যায় - সেই হয়তোবা হতে পারে কোনো অভাগা, কোনো এতিম, কোনো দুঃস্থ, কোনো পীড়িতের আশা-ভরসার বাতিঘর।

তাই সত্য বড় কঠিন। সঠিক সত্য জানা আরো বেশি কঠিন। সেজন্য যে কোনো কিছু বাহ্যিকভাবে বিচার করে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো তাই বড়ই শিশুসুলভ আচরণ।

ব্রেণের অনুরণনে যেটা আছে সেটা অনেকেই মুখের ভাষায় প্রকাশ করেনা। কারণ- মুখের ভাষা আর চিন্তার ভাষা একনা। কোনো অব্যক্ত হৃদয়ে লুকিয়ে থাকা মর্মস্পর্শী অনুভূতি অনুধাবনের চেয়ে মহাকাশের কোনো গভীরে একটি তারকায় পৌঁছানোও অনেক সহজ।

কে বলতে পারে- আমি সব সত্যটা বুঝে ফেলেছি?
কে সাহস করে দাবি করতে পারে- আমি নিজেকে জানি?

এটাই একমাত্র সত্য যে- আমরা সবকিছুই জানি না। এমনকি আমাদের কানে যা শুনে এবং চোখে যা দেখে তাও না।

আমাদের অজ্ঞতার কারণেই- প্রত্যেক দল তার নিজস্ব মতামত নিয়ে গর্বিত হয়। এবং মনে করে তার মতামতই সঠিক। সেই একমাত্র সত্য।

আমরা কবে জানব যে- যা আমরা জানি, তা আসলে কিছুই জানি না।

যদি আমরা আমাদের অজ্ঞতা উপলব্ধি করতে পারতাম এবং আমাদের সীমাবদ্ধতা মেনে নিতাম। তবে আমাদের হৃদয়ে দয়া এবং ভালোবাসার দরজা খুলে যেতো। এবং পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষ তখন সহমর্মিতার সিম্ফনিতে, ভালোবাসার অনুরণনে, সৌহার্দ্যের বন্ধনে এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে পারতো।

- আরিফ মাহমুদ

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ ডেভিড এ্যাটেনবরো ।

08/11/2024

"ক" দিয়ে দীর্ঘ লেখা... ( সবাই ক দিয়ে কমেন্ট করুন)

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী কলেজের কনিষ্ঠ কেরাণী কার্তিক কুমার কর্মকারের কোকিল কন্ঠী কন্যা কপিলা কর্মকার কাশিতে কাশিতে করুণ কন্ঠে কমল কাকাকে কহিল, "কাকা, কড়ি কাঠের কেদারা কিংবা কারখানার কাপড় কেনাকাটায় কৃষাণীরা কিছুটা কৃচ্ছতা করিলেও কলকাতার কিশোরী কন্যাদের কাছে কুষ্টিয়ার কুচকুচে কালো কাতান কাপড়ের কদর কল্পনাতীত। কীর্তিমান কতিপয় কলাকুশলী কিংবা কিশোর কবিরাও কালি-কলমের কল্যাণে- কদরের কিছু কার্যকর কথা কৌশলে, কখনো কবিতার কিতাবে, কখনো 'কালের কন্ঠ' কাগজের কলামে কহিয়াছেন।

কিন্তু কাকা, কষ্মীনকালে কেউ কী কখনো কহিয়াছেন? কী কারণে, কিসের কারসাজিতে, কেমন করিয়া কোথাকার কোন কাশ্মিরী কম্বল কিংবা কর্ণাটকের কমলা কাতানের কাছে কালক্রমে কুলীন কূলের কায়িক কৃষাণীদের কাঙ্খিত কালজয়ী কারুকার্যময় কাতান কাপড়ের কদর কমিল ? কাজে কর্মে কুশীলব কিন্তু কেবলই কৌতুহলী কপিলা কর্মকারের কঠিন কথায় কিঞ্চিত কর্ণপাত করিয়া ক্লান্ত কাকা কুষ্টিয়ার কিংবদন্তি কালো কাতানের ক্রমেই কদর কমার কয়েকটি কারণ কোমল কন্ঠে কপিলার কানে কানে কহিলেন।

কৃষ্ণকায় কাকাকে কাপড়ের কষ্টের কিচ্ছা কাহিনী কহিয়া কপিলা কর্দমাক্ত কলস কাঙ্খে করিয়া কালোকেশী কাকিকে কহিল, কাবেরী কোলের কেয়া- কুঞ্জে কোয়েলের কলকা কলি কিংবা কেতকী কদম কুসুম কাননে কোকিলের কন্ঠে কুহু কুহু কুজনের কতই কারিশমা! কিন্তু কাকী, কদর্য কাক কী কারণে কর্কশ কন্ঠে কানের কাছে কেবল কা-কা করে? কাঁচের কংকন করিয়া কিংকর্তব্যবিমূঢ় কাকী কিলানো কাঁঠালের কদলি কচলাইতে কচলাইতে কহিলেন, কুৎসিত কেতাদুরস্ত কাকের কাজই কা-কা কলরবে কোলাহল করিয়া কেরামতির কৃতিত্ব কুড়ানো"। কদমার কদর কল্পনাতীত!

কালেক্টেট

25/09/2024

বাসায় পড়ানোর সময় অভিভাবক খেয়াল করলেন যে, তাদের সন্তান
'ন্যাচার'কে 'নাটুরে' (Nature) বলে উচ্চারণ করছে!

কার কাছ থেকে উচ্চারণটি শিখেছে জানতে চাইলে সন্তান জানালো -
স্কুলের ইংরেজির শিক্ষকের কাছ থেকে।

ইংরেজি শিক্ষকের কাছে যেয়ে অভিভাবক বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলেন।

তিনি দুঃখ ভারাক্রান্ত কণ্ঠে জানালেন, "চিন্তার কোন কারণ নাই,
ছাত্ররা একটু 'মাটুরে' (Mature) হলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।"

বিষম খেয়ে অভিভাবক প্রধান শিক্ষকের কাছে নালিশ করলেন - "কী ধরণের বিদ্যাপীঠ এটা, স্যার!
ছাত্র বলে 'নাটুরে', শিক্ষক বলেন 'মাটুরে'!"

শুনে প্রধান শিক্ষক উদাস হয়ে বললেন, "সবাই শুধু বড় বড় কথা বলে। একজনও ভাল 'লেকটুরে' (Lecture) দিতে পারে না।"

ক্ষিপ্ত অভিভাবক এবার উত্তেজিত হয়ে দেখা করলেন স্কুলের গভর্নিং বডির সভাপতির সংগে।

সভাপতি একটু হতাশ কণ্ঠে বললেন, "আমিও বুঝি। কিন্তু কী করবেন বলুন? এটাই যে এই অঞ্চলের 'কালটুরে' (Culture)।"

অভিভাবকের মাথায় চক্কর দিলো। তিনি কোনমতে লোকাল সাংসদের সাথে দেখা করলেন।

তিনি সব কিছু শুনে প্রবল চিৎকার, চেঁচামেচি করতে করতে বললেন, "আমি জানতাম,
আমি আগেই জানতাম, এই স্কুলটার নাই কোনো 'ফুটুরে' (Future)!"

অভিভাবক কাঁপতে কাঁপতে পড়ে গিয়ে মাথা ফাটিয়ে ফেললেন। জ্ঞান হারাতে হারাতে শুনতে পেলেন,
কে যেন বলছে, "ফেসবুকে দিবো... একটা ‘পিকটুরে’ (Picture) তুলে দে!"

ঐ স্কুলের মাঠে এখন 'এগ্রিকালটুরে' (agriculture) চর্চা হচ্ছে।
- Collected.

বাসায় মেহমান আসলে কীভাবে বুঝবেন তিনি খেয়ে এসেছেন নাকি খাবেন? উসমানি আমলে এটা বুঝার একটি উপায় ছিলো।বাসায় কোনো মেহমান আসলে...
06/12/2023

বাসায় মেহমান আসলে কীভাবে বুঝবেন তিনি খেয়ে এসেছেন নাকি খাবেন? উসমানি আমলে এটা বুঝার একটি উপায় ছিলো।

বাসায় কোনো মেহমান আসলে তাকে এক গ্লাস পানি এবং এক কাপ কফি দেয়া হতো। মেহমান যদি প্রথমে কফির কাপ হাতে নিতো, তাহলে ধরা হতো মেহমান খেয়ে এসেছেন। অন্যদিকে, মেহমান যদি আগে পানির গ্লাস হাতে নিতো, তাহলে ধরে নেয়া হতো মেহমান ক্ষুধার্ত, তিনি খাবেন। বাড়ির লোকজনকে তখন সিগনাল দেয়া হতো মেহমানের জন্য যেন খাবার প্রস্তুত করা হয়।

মেহমান খেয়ে আসলে তার জন্য ভারী খাবার প্রস্তুত না করে ফলমূল দেয়া হতো।

এই রীতি মেহমান যেমন জানতো, তেমনি মেজবানও। ফলে, এই ধরনের ভদ্রোচিত সাংকেতিক কমিউনিকেশনে কোনো অসুবিধা হতো না।

23/02/2023

আচ্ছা আপনি জানেন কি‼️

এই যে শহিদ মিনারে পুষ্পার্পণ করে আসেন। সেই শহিদ মিনারের '"শহিদ" আরবি শব্দ, "মিনার" ফারসি শব্দ। আর "পুষ্প সংস্কৃত শব্দ।

এই শব্দগুলোকে বাংলা ভাষায় মেনে নিয়েছে যে প্রতিষ্ঠান, "বাংলা একাডেমি" সেই বাংলা একাডেমির "একাডেমি" আবার ইংরেজি শব্দ।

এই যে এতগুলো বিদেশী শব্দের ভীড়ে আমি দুয়েকটা ইংরেজি বলতে কমফোর্ট ফিল করি, এটা কারও সহ্য হয় না।

এখন আবার বলবেন, আরে মিয়া ইংরেজি ঢুকাইয়া "কমফোর্ট" বলছেন কেন ? "আরাম" বলেন।

এদিকে "আরাম" আবার ফারসি শব্দ। কি মুসিবতে আছি কন তো‼️ এদিকে "মুসিবত" আবার আরবি শব্দ!
Collected...

গভীর শোকহত আমরা
26/10/2022

গভীর শোকহত আমরা

20/08/2021

একখন্ড বরফকে প্রশ্ন করা হলো, "তুমি এত ঠান্ডা কেনো?" বরফ উত্তর দিল, "আমার অতীতও জল, ভবিষ্যতও জল। তাহলে এতো গরমের (অহংকার) কি আছে!"

মানুষের অবস্থা কি এই রকম নয়? মানুষের অতীতও "খালি হাত" এবং ভবিষ্যতও "খালি হাত"! তাহলে এতো অহংকারের কি আছে!

TEMPLE -এ ৬টা অক্ষর আছে, MASJID আর CHURCH -এও তাই!

GEETA -তে ৫টা অক্ষর আছে, QURAN , TORAH আর BIBLE -এও তাই!

LIFE -এ ৪টা অক্ষর আছে, DEAD -এও তাই!

HATE -এ ৪টা অক্ষর আছে, LOVE -এও তাই.!

NEGATIVE -এ ৮টা অক্ষর, POSITIVE -এও তাই.!

FAILURE -এ ৭টা অক্ষর, SUCCESS -এও তাই!

BELOW -তে ৫টা অক্ষর, ABOVE -এও তাই.!

CRY -এ ৩ টা অক্ষর আছে, JOY-এও তাই!

ANGRY -এ ৫টা অক্ষর, HAPPY -তেও তাই!

RIGHT -এ ৫টা অক্ষর, WRONG -এও তাই!

RICH -এ ৪টা অক্ষর আছে, POOR -এও তাই!

FAIL -এ ৪টা অক্ষর আছে, PASS -এও তাই!

বিপরীত শব্দে এত মিল।

(সংগৃহীত)

তৈল সকল সুখের মূল🤗যুগে যুগে প্রমাণিত 🥴
08/02/2021

তৈল সকল সুখের মূল🤗
যুগে যুগে প্রমাণিত 🥴

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JNU 2004-'05 Bangla Depertment posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share