Koratkol University

Koratkol University "Where vegabond learn to dream".

@ SOMPURNORUPE NARI MUKTO
@ PRATTOHIK LAB CLASS
@ FREE SMOKING ZONE
@ OSLILOTAMUKTO *
@ EVETEASING MUKTO
@ CHORITRO GOTHONE SOHAYOK
@ KABBOO,CHAPABAJI AND VADAIMMA PROTIVA BIKASHER DURDANTO SUJOG
@ TEACHING CLASSIFICATION OF PREM AND SEKA

10/10/2017

-মানসিক রোগ কী?
দীর্ঘদিন স্বাভাবিক আচার-আচরণ পরিপন্থী, অস্বাভাবিক জীবনযাপনই মানসিক রোগ। বাংলাদেশের প্রায় ৫ থেকে ৯ ভাগ লোক কোনো না কোনো মানসিক রোগে আক্রান্ত।

-মানসিক রোগের কারণ:
পারিবারিক অশান্তি, অবহেলা, অনিশ্চয়তা, ব্যক্তিগত দুশ্চিন্তা, হতাশা, ভয়, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা, বংশগত কারণ, শারীরিক বিভিন্ন রোগের কারণে মানসিক রোগ হতে পারে, বিভিন্ন ওষুধের দীর্ঘমেয়াদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে মানসিক রোগ হতে পারে।

-মানসিক রোগে প্রাথমিকভাবে করণীয়:
লজ্জা না পেয়ে, সামাজিক ‘স্টিগমা’ নিয়মিতভাবে মানসিক রোগের ডাক্তার দেখান এবং ডাক্তারের ফলোআপে থাকুন, কাজে ব্যস্ত থাকুন, পর্যাপ্ত ঘুমান, নিয়মিত বিশ্রাম নিন, নিয়মিত পুষ্টিকর ও সুষম খাবার খান, যেকোনো বদ অভ্যাস ও নেশা থেকে দূরে থাকুন, সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করার চেষ্টা করুন, আবেগ নিয়ন্ত্রণ করুন, পছন্দের মানুষ, কাছের বন্ধুদের সঙ্গে মিশুন, নিয়মিত ধ্যান করুন, ধর্মীয় আচার-আচরণ পালন করুন।

24/09/2017

নবজাতকের র‌্যাশ

শিশু জন্মের পর ত্বকে অনেক রকমের সমস্য দেখা দিতে পারে। নবজাতকের র্যাশ শিশুদের একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা । বিভিন্ন কারণে শিশুর শরীরে এই র্যাশ হতে পারে।
নবজাতকের ত্বকের লালচে দাগ কি
নবজাতকের ত্বকে প্রায় সব ধরণের র্যাশ বা লালচে দাগ হতে পারে। তবে বেশিরভাগ র্যাশ ততোটা ক্ষকিকর নয় এবং এমনিতেই সেরে যায়।
নবজাতকের ত্বকে র্যাশের ধরণ
নবজাতকের ত্বকে যে লালচে দাগ হয় তা কয়েক ধরণের হয়। যেমনঃ
ব্রণের মত দাগ:
মায়ের গর্ভের হরমোন জনিত কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়। এগুলো সাধারণত কয়েক সপ্তাহ থেকে মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এতে কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হয়না।
লাল লাল দানা:
এটা অনেকটা মশার কামড়ের মত দেখায়। কোন চিকিৎসা ছাড়াই কয়েক দিন বা সপ্তাহ পর এটি এমনিতেই সেরে যায়।
সাদা সাদা খোঁসার মত চামড়া ওঠা:
শিশু যদি স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে একটা দেরীতে জন্মায় তাহলে এই সমস্যা দেখা যায়। এক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ ত্বক নরম ও কোমল থাকে।
জন্ডিস (Jaundice):
বিলিরুবিন বৃদ্ধির কারণে শিশুর ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে জন্ডিস হয়। বিলিরুবিন বেশি বেড়ে গেলে স্বাস্থ্য জনিত অনেক সমস্যা দেখা দেয়। বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে শিশুর শরীরে আলোর থেরাপী (Photo Therapy) দিতে হতে পারে।
ধূসর দাগ:
যেসব বাচ্চাদের ত্বক কালো তাদের শরীরে মসৃণ ধূসর-নীল (Gray-blue) রংয়ের বড় বা ছোট দাগ দেখা যায়। এগুলো ক্ষতিকর নয় এবং শিশুদের যখন স্কুলে যাবার বয়স হয় তখন এগুলো এমনিতেই চলে যায়।
শিশুর খুশকি (Seborrhoea):
১-২ মাস বয়সে হয়। তেলতেলে হলুদাভ খুশকি মাথার চামড়ায় দেখা যায়। মুখের ত্বকে, কানের পিছনে, ঘাড়ে এমনকি বগলেও হতে পারে।
জন্মের প্রথম কয়েকমাসে শিশুর র্যাশ
একজিমা (Eczema):
শিশুর বুকে, বাহুতে, পায়ে, চেহারায়, কনুইতে এবং হাঁটুর পিছনে লালচে র্যাশ হতে পারে। শুস্ক, স্পর্শ কাতর ত্বকের জন্য এবং এলার্জির কারণে এই সমস্য দেখা দেয়। এর চিকিৎসার জন্য নিচের বিষয়গুলো মেনে চলতে হয়।
• ক্ষারহীন সাবান ব্যবহার
• শিশুর কাপড় চোপড় হাল্কা ডিটারজেন্ট দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে এবং অন্য কোন রাসায়নিক দিয়ে পরিষ্কার করা যাবেনা
• একাজিমা না সারলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী স্টেরয়েত ক্রিম ব্যবহার করতে হতে পারে
ঘামাচি (Prickly heat):
শিশুর ঘাড়ে, বগলে, শিশুর নিতম্ব এবং দুই পায়ের মাঝখানে অর্থাৎ যেসব জায়গা খুব ঘামে সেখানে ছোট ফোলার মত (Bumps) হয়। এজন্য শরীরের এ সমস্ত জায়গাগুলো শুকনা রাখতে হয় এবং শিশুকে ঢিলেঢালা পোশাক পড়াতে হয়।
ছত্রাকজনিত সংক্রমণ ( Fungal infection):
এটি বিভিন্নভাবে দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে জিহ্বায় সাদা সরের মত আস্তরণ পড়ে যাকে থ্রাশ ( thrush) বলা হয়। শিশুর নিতম্ব এবং দুই পায়ের মাঝখানে লালচে র্যাশ এবং ছোট ফোলার মত (Bumps) দেখা যায়।
কখন ডাক্তার দেখাবেন
শিশুর ত্বকে বা শরীরের কোন অংশে র্যাশ বা দাগ দেখা দিলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
কি ধরণের চিকিৎসা আছে
র্যাশ সাধারণত: এমনিতেই সেরে যায়। র্যাশ অতিরিক্ত হলে র্যাশ বা সংক্রমণের ধরণ, মাত্রা এবং শিশুর বয়স অনুসারে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে: ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ছত্রাক প্রতিরোধক জেল, তরল ঔষধ অথবা ক্রীম ব্যবহার করা।
নবজাতক শিশুর র্যাশ কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়
• শিশুকে সবসময় পরিষ্কার -পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে
• শিশু যেন ঘেমে না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে
• শিশুকে গোসল করানোর সময় মৃদু সাবান ব্যবহার করতে হবে
শিশুর ত্বকে র্যাশ কখন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়?
যদি বেশির ভাগ র্যাশ অতটা মারাত্মক নয়, তবে কোন কোন ক্ষেত্রে এগুলো মারাত্মক আকার ধারণ করে। যেমনঃ
• পানি বা তরলযুক্ত ফুসকুড়ি থেকে মারাত্মক সংক্রমণ হতে পারে
• জীবানুর সংক্রমণের কারণে পুরো শরীরে ছোট লালচে বা বেগুনী (Purplish) দাগ দেখা দিতে পারে।
কখন র্যাশ হলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে?
শিশুর জন্মের কয়েক মাসের মধ্যে র্যাশের সাথে নিম্নের উপসর্গ গুলো দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে:
• শিশুর জ্বর হলে
• শিশু কিছু না খেতে চাইলে
• শিশু বেশী ঘুমালে
• শিশুর কাশি হলে

20/09/2017

ইউরিক এসিড (পিউরিন) যুক্ত খাদ্য তালিকা

বেশী পিউরিন
মাংস এবং মাংসের সুপ, কলিজা, মগজ, কিডনী, গুর্দা, মাছের ডিম, ইস্ট, হাঁসের মাংস, শুটকি মাছ, বেগুন, সীম, ফুলকপি, বাঁধাকপি

মাঝারী পিউরিন
মুরগির মাংস, মাছ, মাসরুম, শুকনা সীম, ছোলা, মুসুরি ডাল, মটরশুটি

কম পিউরিন
সব রকম ফল ও সবজি, চিনি, গুর, মধু, দুধ ও দুধ জাতীয়খাদ্য, ডিমের সাদা অংশ, তেল ও চর্বি, চাল, পাউরুটি, আটা, সাবু

• রক্তে ইউরিক এসিড বৃদ্ধি পেলে বেশি পিউরিন যুক্ত খাবার খাবেন না।
• মাঝারী পিউরিন যুক্ত খাবারগুলো পরিমানে কম খাবেন।
• কম পিউরিন যুক্ত খাবারগুলো খেতে পারবেন, কোন বাধা নেই।

19/09/2017

শিশুর খাবার ও পুষ্টি

18/09/2017

ভিটামিন ই সুবিধা ও অসুবিধা

ভিটামিন হলো এমন একশ্রেণীর জৈব পদার্থ যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য রক্ষার জন্যে অপরিহার্য। শরীরের এ জিনিস খুব সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় এবং এটা দৈনন্দিন খাবার থেকেই পাওয়া সম্ভব। ভিটামিন সমূহের মধ্যে বর্তমানে একটি আলোচিত ভিটামিন হলো ভিটামিন-ই। বস্তুত অনেক খাদ্যে ভিটামিন-ই পর্যাপ্ত থাকে বলে তার অভাব পরিলক্ষিত হয় না। ভিটামিন-ই রাসায়নিকক্রিয়া বা অক্সিডেশনকে প্রতিহত করে, এই অক্সিডেশন শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। শরীরের স্নায়ু এবং মাংসপেশির সঠিক কাজ করার জন্যেও ভিটামিন-ই গুরুত্বপূর্ণ।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভিটামিন-ই গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যায়। এসব ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে_
১. অন্ত্রের অসুখ।
২. লিভার বা যকৃতের অসুখ।
৩. অগ্নাশয়ের অসুখ।
৪. অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পাকস্থলী অপসারণ।
তবে একটি কথা মনে রাখতে হবে, ভিটামিন-ই কতটুকু গ্রহণ করতে হবে সেটা অবশ্যই নির্ধারণ করে দেবেন আপনার চিকিৎসক। কারণ ভিটামিন-ই-এর রয়েছে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
যে সব শিশু টিনের দুধ খায় তাদের ভিটামিন-ই-এর ঘাটতি হতে পারে। মূলত পলি স্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করলে ভিটামিন-ই-র প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যায়।
দাবি করা হয় যে ক্যান্সারের চিকিৎসায় এবং ব্রন, বয়স বেড়ে যাওয়া, চুল পড়া, মৌমাছির হুলের কামড়ের যন্ত্রণা, ডায়াপার র্যাশ , বার্সাইটিস, পাকস্থলীর ঘা, হার্ট অ্যাটাক, প্রসব যন্ত্রণা, কিছু রক্তের অসুখ, গর্ভপাত, মাংসপেশির দুর্বলতা, দুর্বল অঙ্গস্থিতি, যৌন অক্ষমতা, বন্ধ্যাত্ব, মনোপজ, রোদে পোড়া এবং বায়ুদূষণের ফলে ফুসফুসের ক্ষতি প্রভৃতি প্রতিরোধ করে। কিন্তু এসব দাবি প্রমাণিত হয়নি। অবশ্য কিছু ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসায় বর্তমানে ভিটামিন-ই ব্যবহার করা হচ্ছে, তবে সেটা কার্যকর কিনা সে ব্যাপারে পর্যাপ্ত তথ্য নেই।
ভিটামিন-ই-র ঘাটতি খুবই বিরল। যেসব লোকের অসুখ থাকার ফলে শরীরে ভিটামিন-ই শোষিত হতে পারে না, তাদের বেলায় এই ঘাটতি দেখা যায়।
বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন-ই বাজারে পাওয়া যায়_
১. ক্যাপসুল।
২. সিরাপ।
৩. ট্যাবলেট।
খাবারের গুরুত্ব
সুস্বাস্থ্যের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো সুষম এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ খাবার খাওয়া। আপনি যদি খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিশেষ কোন ভিটামিন বা মিনারেল পেতে চান তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে আপনার খাদ্য তালিকা তৈরি করে নিন। আপনি যদি মনে করেন খাবারের মাধ্যমে আপনি পর্যাপ্ত ভিটামিন বা মিনারেল পাচ্ছেন না তাহলে একটি পথ্যবিধি মেনে চলুন।
বিভিন্ন খাবারে ভিটামিন-ই পাওয়া যায়। এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে_
১. উদ্ভিজ্জ তেল (কর্ন, কার্পাস তুলার বীজ, সয়াবীন)।
২. গমের ভ্রূণ।
৩. সমগ্র খাদ্যশস্য।
৪. সবুজ শাকসবজি প্রভৃতি।
খাবার রান্না করলে এবং সংরক্ষণ করে রাখলে কিছুটা ভিটামিন-ই নষ্ট হয়।
শুধুমাত্র ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে সেটা সুন্দর খাবারের বিকল্প হতে পারে না এবং সেটা শরীরে শক্তিও উৎপন্ন করতে পারবে না। শরীরের জন্যে অবশ্যই খাদ্যে নিহিত অন্যান্য উপাদান যেমন প্রোটিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট এবং চর্বির প্রয়োজন রয়েছে। অন্যান্য খাদ্যের উপস্থিতি ছাড়া ভিটামিনগুলো নিজেরা কাজ করতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় শরীরে ভিটামিন-ই-এর শোষণের জন্যে কিছুটা চর্বির প্রয়োজন হয়।
ভিটামিন-ই পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরনের, যেমন_ডি-কিংবা ডিএল-আলফা টকোফেরল এসিটেট, ডি-কিংবা ডি এল-আলফা টকোফেরল এবং ডি-কিংবা ডিএল-আলফা টকোফেরল এসিড সাক্সিনেট। অতীতে ভিটামিন-ইকে ইউনিট হিসেবে প্রকাশ করা হত। বর্তমানে এটাকে আলফা টকোফেরল ইকু্যইভ্যালেন্টস (আলফাটিই) অথবা মিলিগ্রাম (মি.গ্রা) অভ ডি-আলফা টকোফেরলরূপে প্রকাশ করা হয়। এক ইউনিট হলো ১ মি.গ্রাম অব ডিএল-আলফা টকোফেরল এসিটেট বা০.৬ মি.গ্রা ডি_আলফা টকোফেরলের সমতুল্য। তবে বাজারে যে ওষুধগুলো পাওয়া যায় তাতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইউনিট লেখা থাকে।
বিভিন্ন খাদ্যবস্ততে ভিটামিন-ই এর পরিমাণ
খাদ্যবস্তু মি. গ্রাম/১০০ গ্রাম
গমের ভ্রূণের তেল ২৫৫ গ্রাম
সয়াবীন তেল ১১৮ গ্রাম
ভু্ট্টার তেল ৯১ গ্রাম
ধানের কুঁড়ার তেল ৯১ গ্রাম
তুলা বীজের তেল ৮১ গ্রাম
সূর্যমুখীর বিচির তেল ৭০ গ্রাম
পাম তেল ৫৬ গ্রাম
সরিষার তেল ৩২ গ্রাম
জলপাই তেল ৩০ গ্রাম
বাদাম তেল ২২ গ্রাম
নারকেল তেল ৮ গ্রাম
ভিটামিন-ই গ্রহণের আগে যে কথা মনে রাখতে হবে
আপনি যদি প্রেসক্রিপশন ছাড়া ভিটামিন-ই গ্রহণ করেন, তাহলে লেবেলের লেখাগুলো ভাল করে পড়ে নেবেন এবং কোন ধরনের সতর্কতার উল্লেখ থাকলে সেটা মেনে চলবেন।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভিটামিন-ই গ্রহণে সতর্ক হতে হবে
এলার্জি_আপনার যদি ভিটামিন-ই গ্রহণের পর কোন অস্বাভাবিকতা দেখা দেয় কিংবা এলার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া হয় তাহলে সাথে সাথেই চিকিৎসককে অবহিত করুন। অন্যান্য কোন খাদ্যবস্তুতে আপনার এলার্জি আছে কিনা সেটাও চিকিৎসককে জানাতে হবে।
গর্ভাবস্থা_এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে, যখন আপনি গর্ভবতী হচ্ছেন তখন পর্যাপ্ত ভিটামিন গ্রহণ করছেন। তবে আপনাকে দেখতে হবে গর্ভাবস্থার পুরো সময়টা আপনি সঠিক মাত্রায় ভিটামিন গ্রহণ করছেন কিনা, কেননা ভ্রূণের বিকাশ এবং বৃদ্ধি নির্ভর করে মায়ের সঠিক পুষ্টিগ্রহণের ওপর। যাহোক, গর্ভাবস্থায় বেশিমাত্রায় ভিটামিন গ্রহণ করলে ক্ষতি হতে পারে, তাই বেশিমাত্রায় ভিটামিন গ্রহণ করবেন না।
বুকের দুধ_শিশুর সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্যে স্তনদানরত মহিলার সঠিকমাত্রায় ভিটামিন গ্রহণ গুরুত্বপর্ণ। আপনি যদি শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে থাকেন তাহলে মাঝে মাঝে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করবেন। এক্ষেত্রে শিশুকে অন্য উপায়ে ভিটামিন দেবার প্রয়োজন হতে পারে। তবে আপনি যদি বুকের দুধ খাওয়ানো কালে অতিরিক্ত মাত্রায় ভিটামিন গ্রহণ করেন তাহলে আপনার নিজের জন্যে এবং শিশুর জন্যে সেটা ক্ষতিকর হবে।
শিশু_দৈনন্দিন সুপারিশকৃত মাত্রা গ্রহণের ফলে শিশুর অসুবিধার কথা জানা যায়নি। শিশু বুকের দুধ খেলে তাকে সঠিকমাত্রায় ভিটামিন দেবার জন্যে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গবেষণায় দেখা গেছে নির্দিষ্ট সময়ের আগে জন্মগ্রহণকারী শিশুর শরীরে ভিটামিন-ই-এর মাত্রা কম থাকে। আপনার চিকিৎসক এ ব্যাপারে ভিটামিন-ই-এর মাত্রা নির্ধারণ করে দেবেন।
প্রাপ্তবয়স্ক নারী পুরুষ_দৈনন্দিন সুপারিশকৃত মাত্রা গ্রহণের ফলে প্রাপ্ত বয়স্ক নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধার কথা জানা যায়নি।
অন্য ওষুধ গ্রহণ_আপনি যদি ভিটামিন-ই গ্রহণের সময় অন্য কোন ওষুধ খেতে থাকেন তাহলে অবশ্যই চিকিৎসককে জানাবেন। কারণ অনেকক্ষেত্রে দুটো ওষুধের মধ্যে প্রতিক্রিয়া ঘটতে পারে, সেক্ষেত্রে চিকিৎসক ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন করতে পারেন কিংবা অন্যকোন ব্যবস্থা নিতে বলতে পারেন।
অন্যান্য চিকিৎসাগত সমস্যা_ অন্যকোন চিকিৎসাগত সমস্যা উপস্থিত থাকলে ভিটামিন-ই গ্রহণের ফলে অবস্থা খারাপ হতে পারে। আপনার অন্যকোন চিকিৎসাগত সমস্যা আছে কিনা সেটা চিকিৎসককে অবশ্যই জানাবেন, বিশেষ করে আপনার যদি রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা থাকে।
রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা_দীর্ঘ সময়ের জন্যে দৈনিক 800 ইউনিটের বেশি ভিটামিন-ই গ্রহণ করলে এই অবস্থার আরও অবনতি ঘটে।
আপনি কি পর্যাপ্ত ভিটামিন-ই গ্রহণ করছেন?
ভিটামিন-ই শরীরের জন্যে একটি প্রয়োজনীয় ভিটামিন। গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন-ই গ্রহণ করলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, চোখের ছানি, মাংসপেশির ব্যথা, ঠাণ্ডা লাগা ও অন্যান্য সংক্রমণের ঝুঁকি কমে যায়। অন্য এক গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন-ই গ্রহণে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্যে দৈনিক এই ভিটামিনের অনুমোদিত মাত্রা হলো 8_10 আই.ইউ। সর্বাধিক লাভের জন্যে আপনার দৈনিক ১০০-৪০০ আই. ইউ দরকার হতে পারে। অধিকাংশ গবেষণায় দেখা গেছে, সর্বোচ্চ মাত্রা গ্রহণ করলে দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হয়। তথ্যটি দিয়েছেন বোস্টনের টাফ্টস ইউনিভার্সিটির পুষ্টিবিভাগের অধ্যাপক জেফ ব্লামবার্গ। আপনি পর্যাপ্ত ভিটামিন-ই পাবার জন্যে নিচের পরামর্শ গ্রহণ করুন
ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ খাবার খান
বাদাম, খাদ্যশস্য, ভুট্টার ভ্রূণ এবং গাঢ় সবুজ শাক-সবজি ভিটামিন-ই-এর চমৎকার উৎস। আপনার দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় এসব খাবার রাখুন।
ভিটামিন-ই সাপ্লিমেন্ট খান
খাদ্য থেকে ১০০-৪০০ আই.ইউ ভিটামিন-ই পাওয়া সম্ভব হয় না। ভিটামিন-ই-এর অন্যতম ভাল উৎস জলপাই তেল। অথচ প্রতি চা চামচ জলপাই তেলে থাকে প্রায় ১.৭৪ আই. ইউ ভিটামিন-ই। তারমানে দৈনিক ১০০ আই. ইউ ভিটামিন-ই পেতে আপনাকে দৈনিক খেতে হবে ৩ কাপ জলপাই তেল। সুতরাং পর্যাপ্ত ভিটামিন-ই পেতে খাবারের পাশাপাশি আপনি চিকিৎসকের পরামর্শমত ভিটামিন-ই সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে পারেন। সিরাপ, ক্যাপসুল বা ট্যাবলেট আকারে এই ভিটামিন পাওয়া যায়। তবে যেহেতু ভিটামিন-ই রক্তের জমাটবাঁধা কমিয়ে দেয় সুতরাং যাদের রক্তক্ষরণের অস্বাভাবিকতা রয়েছে তারা ভিটামিন-ই গ্রহণের পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করবেন।
ভিটামিন-ই কোষের বুড়িয়ে যাওয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে
প্রাথমিক এক গবেষণায় দেখা গেছে যে এন্টি অক্সিডেন্ট ভিটামিন-ই আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় বয়স সম্পর্কিত ব্যাপারটিকে প্রতিরোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শরীরের স্বাভাবিক বিপাকক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবেশের বিভিন্ন উপকরণ যেমন হাইড্রোকার্বন ইত্যাদির মাধ্যমে সৃষ্টি হয় অসংখ্য ফ্রি রেডিকেলস। এই ফ্রি রেডিকেলস বিভিন্ন রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরের কোষসমূহকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে দেয়। ভিটামিন-ই-এর প্রধান কাজ হলো এইসব ফ্রি রেডিকেলসকে দ্রুত গ্রহণ করে রাসায়নিক ক্রিয়া বন্ধ করে দেয়া, অর্থাৎ কোষসমূহকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা।
হার্ট অ্যাটাক কমাতে ভিটামিন-ই
মধ্যবয়সী পুরুষ এবং মহিলাদের_যারা ভিটামিন-ই গ্রহণ করে থাকেন তাদের, যে সব লোক গ্রহণ করেন না, তাদের চেয়ে হার্ট অ্যাটাক কম হয়। তথ্যটি জানা গেছে হার্ভার্ড স্কুলের পাবলিক হেলথ বিভাগের দুটি পৃথক গবেষণা থেকে। দি নিউ ই ইংল্যান্ড জার্নাল অভ মেডিসিনে প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে প্রায় ৪০ হাজার পুরুষ যারা কমপক্ষে ২ বছর দৈনিক নূ্যনতম ১০০ আই. ইউ ভিটামিন-ই গ্রহণ করেছেন তাদের হার্ট অ্যাটাক কম হয়েছে শতকরা ৩৭ ভাগ।
দ্বিতীয় গবেষণাটি করা হয় মহিলাদের নিয়ে। ৮৭ হাজার মহিলাকে নিয়ে ৪ বছরের এক উদ্যোগ নেয়া হয়। সেখানে দেখা গেছে, ২ বছরের বেশি সময় দৈনিক ১০০ আই. ইউ ভিটামিন-ই গ্রহণে মহিলাদের হার্ট অ্যাটাক শতকরা ৪১ ভাগ কমেছে।
ভিটামিন-ই-এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
শরীরে ভিটামিন-ই-এর যদিও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তবু সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে কিছু অবাঞ্ছিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটতে পারে। তবে অল্প সময়ের জন্যে অনুমোদিত মাত্রায় ভিটামিন-ই গ্রহণ করলে সাধারণত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না। যদি ভিটামিন-ই গ্রহণের ফলে আপনার কোন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।
দৈনিক ৪০০ ইউনিটের বেশি এবং দীর্ঘ সময়ের জন্যে ভিটামিন-ই গ্রহণ করলে নিম্নলিখিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটে
১. চোখে ঝাপসা দেখা।
২. ডায়রিয়া।
৩. মাথা ঘোরা।
৪. মাথা ব্যথা।
৫. বমি বমি ভাব।
৬. পেট কামড়ানো।
৭. অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা দুর্বলতা।
ব্যক্তি বিশেষে আরও অন্যধরনের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও ঘটতে পারে। তবে যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াই ঘটুক না কেন সাথে সাথেই চিকিৎসককে দিয়ে পরীক্ষা করে নেবেন।

17/09/2017
16/09/2017

খাদ্য ও পুষ্টি

খাদ্য ছাড়া আমাদের জীবন ধারণ সম্ভব নয়। দৈনন্দিন কাজকর্ম এবং চলাফেরা করার জন্য সবল, রোগমুক্ত ও সুস্থ শরীর প্রয়োজন। সুস্থ শরীর বজায় রাখার জন্য আমরা যা কিছু খেয়ে থাকি তা-ই খাদ্য।
খাদ্যের কাজ
• শরীর গঠন ও বৃদ্ধিসাধন এবং ক্ষয়পূরণ
• শরীরে তাপশক্তি ও কর্মক্ষমতা যোগানো
• শরীর রোগমুক্ত রাখা
• অসুস্থ শরীরকে আরোগ্য লাভে সহায়তা করা
খাদ্যের শ্রেণীবিভাগ
কাজভেদে খাদ্যকে তিনভাগে ভাগ করা যায়।
যেমনঃ
ক. শক্তিদায়ক খাদ্য
এ সব খাদ্যের প্রধান ভূমিকা হলো, শক্তি ও তাপ উৎপাদন করে শরীরকে সতেজ ও কর্মক্ষম রাখা। শরীরের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াকর্ম যেমনঃ শ্বাসপ্রশ্বাস ক্রিয়া, হৃৎপিন্ড ও অন্যান্য দেহ যন্ত্রের ক্রিয়া, পরিপাক ক্রিয়া, মলমূত্র নিষ্কাষণ ক্রিয়া এবং দৈনন্দিন জীবনে সকল কাজকর্ম সম্পাদনে শক্তি প্রয়োজন। যে সকল খাদ্য সামগ্রী হতে শক্তি পাওয়া যায় তা হলোঃ
• শস্য জাতীয় খাদ্য (যেমন চাল, গম, ভূট্টা, জোয়ার ইত্যাদি)
• মূল জাতীয় খাদ্য (যেমন গোল আলু, মিষ্টি আলু, মেটে আলু, কাসাবা ইত্যাদি)
• তেল বা চর্বি জাতীয় খাদ্য (যেমন সব রকমের তেল, ঘি, মাংসের চর্বি ইত্যাদি)
• চিনি, গুড় ও মিষ্টি জাতীয় খাদ্য
খ. শরীর গঠন, বৃদ্ধিসাধন এবং ক্ষয়পূরণকারী খাদ্য
এ সকল খাদ্য মানবদেহে মূলত: শরীরের কাঠামো তৈরী বা শরীর গঠন, শরীরের বৃদ্ধি সাধন ও শরীরের ক্ষয় পূরণে কাজ করে থাকে। এসব খাদ্যের মধ্যে প্রাণীজ উৎস থেকে প্রাপ্ত:
• ডিম
• দুধ
• মাছ
• মাংস
এবং উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে প্রাপ্ত:
• সব রকমের ডাল
• মটর শুঁটি
• সীমের বীচি
• কাঁঠালের বীচি
• বাদাম প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
গ. রোগ প্রতিরোধক খাদ্য
এ সব খাদ্যের প্রধান ভূমিকা হলো, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, নানা প্রকার রোগ-ব্যাধি কিংবা অসুস্থতা হতে শরীরকে রক্ষা করা। রোগ প্রতিরোধক সস্তা খাদ্যের মধ্যে রয়েছে :
• রঙ্গিন শাকসব্জি
• ফলমূল
খাদ্য উপাদানের শ্রেণী বিভাগ
খাদ্য উপাদানকে নিম্নের ৬টি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে :
• শ্বেতসার বা শর্করা ( উৎস- চাল, গম, ভুট্টা, চিড়া, মুড়ি, চিনি, গুড়, আলু ও মূল জাতীয় অন্যান্য খাদ্য)
• আমিষ ( উৎস – মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, মটর শুঁটি, সীমের বীচি, কাঁঠালের বীচি, বাদাম ইত্যাদি)
• স্নেহ জাতীয় খাদ্য (উৎস -তেল, ঘি, মাখন, চর্বি ইত্যাদি)
• খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন (উৎস – রঙ্গিন শাক-সব্জি ও ফল, ডিম, দুধ, কলিজা ইত্যাদি)
• খনিজ লবণ (উৎস – রঙ্গিন শাক-সব্জি ও ফল, ডিম, দুধ, কলিজা, মাংস, ছোট মাছ ইত্যাদি)
• নিরাপদ পানি
খাদ্য উপাদানের কাজ, উৎস ও মাথাপিছু দৈনিক প্রয়োজনীয় পরিমাণ
খাদ্যের মুখ্য উপাদান
• শ্বেতসার বা শর্করা
• আমিষ
• স্নেহ
খাদ্যের গৌণ উপাদান
• খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন
• খনিজ লবণ
• নিরাপদ পানি
খাদ্যের মুখ্য উপাদান
শ্বেতসার বা শর্করা
কাজ
• শরীরে তাপ শক্তি সরবরাহ করে
• তেল / চর্বি জাতীয় পদার্থ দহনে সাহায্য করে
• আমিষের প্রধান কাজ করতে সহায়তা করে এবং
উৎস
• চাল, গম, ভুট্টা, চিনি, গুড়, মিষ্টি, আলু, মিষ্টি আলু, কচু ইত্যাদি
মাথাপিছু দৈনিক প্রয়োজনীয় পরিমাণ (আহারোপযোগী )
• মোট প্রয়োজনীয় খাদ্য শক্তির শতকরা প্রায় ৫০-৬০ ভাগ
আমিষ
কাজ
• দেহের গঠন ও বৃদ্ধি সাধন করে
• রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
• শরীরে তাপ শক্তি সরবরাহ করে
• শরীরে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে
উৎস
• প্রাণিজ উৎস যেমন-মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, কলিজা
• উদ্ভিজ্জ উৎস যেমন- সয়াবিন, কাঁঠালের বীচি, সীমের বীচি, ডাল, বাদাম, মটরশুঁটি ইত্যাদি
মাথাপিছু দৈনিক প্রয়োজনীয় পরিমাণ (আহারোপযোগী)
• প্রতি কেজি শরীরের ওজনের জন্য ১ গ্রাম ( পূর্ণ বয়স্কদের জন্য )
• প্রতি কেজি শরীরের ওজনের জন্য ২-৩ গ্রাম ( ৪ বছরের শিশুর জন্য )
• প্রতি কেজি শরীরের ওজনের জন্য ১.৭ গ্রাম ( ৪-১৮ বছর বয়স পর্যন্ত )
• প্রতি কেজি শরীরের ওজনের জন্য ১.৫ গ্রাম ( গর্ভবতী ও প্রসূতীর জন্য )
স্নেহ
কাজ
• দেহে শক্তি সরবরাহ করে
• দেহের ত্বককে মসৃণ রাখে
• খাবার সুস্বাদু করে ও তেল বা চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন শরীরে কাজে লাগাতে সাহায্য করে
উৎস
• প্রাণিজ উৎস যেমন-ঘি, মাখন, চর্বি
• উদ্ভিজ্জ উৎস যেমন-সয়াবিন তেল, সরিষার তেল, তিলের তেল, সূর্যমুখীর তেল, বাদাম, ডালডা, নারকেল (শুকনা )
মাথাপিছু দৈনিক প্রয়োজনীয় পরিমাণ (আহারোপযোগী)
• প্রায় ৩৫-৪০ গ্রাম ( পূর্ণ বয়স্কের জন্য )
• প্রতি কেজি শরীরের ওজনের জন্য দৈনিক ২-৩ গ্রাম ( ১ বছর পর্যন্ত শিশুর জন্য )

28/08/2017

সাইনোসাইটিস
সাইনোসাইটিস কি?
মুখমন্ডলের হাড়ের ভিতরে কতগুলো ফাঁপা জায়গা আছে তাকে সাইনাস বলে। কোন কারণে যদি সাইনাসগুলির মধ্যে ঘা বা বা প্রদাহ হয় তখন তাকে সাইনোসাইটিস বলে।
সাইনোসাইটিস কেন হয়?
• দাঁত,চোখ,নাকের অসুখ থেকে সাইনোসাইটিস হতে পারে
• ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস বা এলার্জির কারণেও সাইনোসাইটিস হয়ে থাকে
কিভাবে সাইনাসের ইনফেকশন হয়?
• নাকের এলার্জি থাকলে, নাকের হাড্ডি বাঁকা থাকলে, নাকের ভেতর বাইরের কিছু ঢুকলে এবং এডিনয়েড (নাকের পেছনের টনসিল) বড় হলে
• দাঁতের ইনফেশন থেকে বা দাঁত তুলতে গিয়েও সাইনাসে ইনফেকশন হতে পারে
• সাইনাসের হাড্ডি ফেটে গেলেও এরূপ হতে পারে
• ময়লা পানিতে ঝাঁপ দিলে ঐ পানি নাকের ভেতর দিয়ে সাইনাসে ঢুকেও এ ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে
• এছাড়াও অপুষ্টি, আবহাওয়া দূষণ এবং ঠান্ডা স্যাঁতসেতে আবহাওয়ায় এই রোগ বেশি হয়।
সমস্যা বা রোগের কারণ
• দাঁত, চোখ, নাকের অসুখ থেকে সাইনোসাইটিস হতে পারে
• ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা এলার্জির কারণেও সাইনোসাইটিস হয়ে থাকে
রোগের লক্ষণ ও উপসর্গ
• সাইনোসাইটিস রোগে প্রচন্ড মাথাব্যথা হয়। সকালে কম থাকে, দুপুরের দিকে ব্যথার তীব্রতা বেড়ে যায় আবার বিকেলের দিকে সামান্য কমে যায়
• মাথা নাড়াচাড়া করলে, হাঁটলে বা মাথা নিচু করলে ব্যথার তীব্রতা আরো বেড়ে যায়
• জ্বর জ্বর ভাব থাকে, কোনো কিছুতেই ভালো লাগে না এবং অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যায়
• নাক বন্ধ থাকে। পরীক্ষা করলে নাকের ভেতর পুঁজ পাওয়া যেতে পারে
• সাইনাস এর এক্স রে করলে সাইনাস ঘোলাটে দেখায়।
সাইনাসের ইনফেকশন
• নাকের এলার্জি থাকলে, নাকের হাড্ডি বাঁকা থাকলে, নাকের ভেতর বাইরের কিছু ঢুকলে এবং এডিনয়েড (নাকের পেছনের টনসিল) বড় হলে
• দাঁতের ইনফেশন থেকে বা দাঁত তুলতে গিয়েও সাইনাসে ইনফেকশন হতে পারে
• সাইনাসের হাড্ডি ফেটে গেলেও এরূপ হতে পারে
• ময়লা পানিতে ঝাঁপ দিলে ঐ পানি নাকের ভেতর দিয়ে সাইনাসে ঢুকেও এ ধরণের সমস্যা তৈরি করতে পারে
• এছাড়াও অপুষ্টি, আবহাওয়া দূষণ এবং ঠান্ডা স্যাঁতসেতে আবহাওয়ায় এই রোগ বেশি হয়।
সাইনোসাইটিস-এর জটিলতা
সাইনাসগুলো চোখ এবং ব্রেইনের পাশে থাকে বলে সাইনাসের ইনফেকশন হলে তা চোখ এবং মস্তিষ্কেরও জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। যেমন-
• অরবিটাল সেলুলাইটিস এবং এবসেস বা চোখের ভেতরের ইনফেকশন।
• মেনিনজাইটিস বা ব্রেইনের পর্দার প্রদাহ।
• এক্সট্রাডুরাল এবং সাবডুরাল এবসেস।
• অস্টিওমায়েলাইটিস (মাথার অস্থির প্রদাহ)।
• কেভেরনাস সাইনাস থ্রম্বোসিস প্রভৃতি।
কাজেই দেখা যাচ্ছে, সাইনোসাইটিসের কারণে চোখের ভেতরে ইনফেকশন ঢুকে চোখটি নষ্ট করে দিতে পারে, আবার মাথার ভেতর ইনফেকশন ঢুকে মেনিনজাইটিস এমনকি ব্রেইন এবসেসের মতে মারাত্মক জটিল রোগের জন্ম দিতে পারে।
চিকিৎসা বা আরোগ্য লাভের উপায়
সাইনোসাইটিসের কারণে মাথব্যথা হয়েছে বলে মনে হলে যতদ্রুত সম্ভব একজন নাক, কান, গলারোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে এ রোগের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক, এন্টিহিস্টামিন, নাকের ড্রপ এবং ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার করা হয়। যদি ওষুধপত্রে এই রোগ নিরাময় না হয় তবে সাইনাসের ওয়াশ বা আরো বড় ধরনের অপারেশনের প্রয়োজন হতে পারে।

27/08/2017

জন্ডিস
ত্বক, মিউকাস মেমেব্রেণ এবং চোখ হলুদ হয়ে যাওয়াকে জন্ডিস বলে। সাধারণত: আমাদের শরীরে প্রতিদিন ১% পুরনো লোহিত কণিকার স্থলে নতুন লোহিত রক্ত কণিকা স্থানান্তরিত হয়। পুরনো লোহিত রক্ত কণিকা গুলো বিলিরুবিন উৎপন্ন করে, যা পায়খানার মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। কোন কারণে শরীর থেকে বিলিরুবিন না বের হতে পারলে এই অধিক বিলিরুবিনের জন্য জন্ডিস হয়। বিলিরুবিনের কারণে ত্বক, চোখ ইত্যাদি হলুদ হয়ে যায়। জন্ডিসের কারণে অন্যান্য সমস্যাও দেখা দেয়।
কখন ডাক্তার দেখাবেন
শিশু এবং বড়দের ত্বক, চোখ ইত্যাদি হলুদ হয়ে গেলো জন্ডিস হয়েছে বলে মনে করতে হবে এবং দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
কি ধরণের পরীক্ষা–নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে
• রক্ত পরীক্ষা
• যকৃতের কার্যকারিতা এবং কোলেস্টরল পরীক্ষা
• প্রোথোম্বিন টাইম (Prothrombin time)
• পেটের আল্ট্রাসাউন্ড
• রক্তের পরীক্ষা
• প্রস্রাব পরীক্ষা
• যকৃতের বায়োপসি
কি ধরণের চিকিৎসা আছে
রোগের ধরণ, মাত্রা, রুগীর বয়সের উপর জন্ডিসের চিকিৎসা নির্ভর করে। চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে:
• ডাক্তারের পরামর্শ অনুসারে ঔষধ সেবন এবং অন্যান্য বিষয় মেনে চলতে হবে
• শিশুদের ফিজিওলজিকাল জন্ডিসের (Physiological Jaundice) ক্ষেত্রে কিছু দিনের লাইট থেরাপী দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে
• নবজাতক শিশুদের ক্ষেত্রে বিলিরুবিনের মাত্রা মারাত্মক আকার ধারণ করলে রক্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে
জন্ডিস রোগীর বাড়ীতে যত্ন
• চিকিৎসার আগে জন্ডিস হবার কারণ খুঁজে বের করতে হবে
• কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে
• প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে এবং তাজা ফল খেতে হবে
• রান্না সহ বিভিন্ন কাজে টিউবয়েলের পানি ব্যবহার করতে হবে
• হাতের নখ কেটে ছোট রাখতে হবে
• রুগীকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে
• খাবার-দাবার সবসময় ঢেকে রাখতে হবে
• স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ব্যবহার করতে হবে
জন্ডিস কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়
• যকৃতের কার্যকারিতার সাথে জন্ডিসের কারণ জড়িত তাই যকৃত এবং এর কার্যকারিতা যেন ভালো থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে
• সুষম খাবার খেতে হবে, অতিরিক্ত চর্বি যুক্ত খাবার খাওয়া যাবে না
• মাদক, ধূমপান, শিরাপথে নেশা দ্রব্য নেওয়া পরিহার করতে হবে
• জন্ডিসের টীকা নিতে হবে
• নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে
জন্ডিস হবার কারণ গুলো কি কি?
উত্তর.জন্ডিস হবার কারণ গুলো হলো:
• যকৃতের কার্যক্ষমতার উপর চাপ পড়লে
• যকৃত অকেজো হয়ে গেলে
• পিত্ত থেকে বিলিরুবিন অন্ত্রে যেতে না পারলে
শিশুদের ক্ষেত্রে
• পিত্তনালী চিকন থাকা বা তৈরী না হওয়া (Biliary Atresia)
• জন্ম থেকেই বিলিরুবিনের তৈরী ও নি:সরণে সমস্যা থাকলে
বড়দের ক্ষেত্রে
• হেপাটাইটিস এ, বি,সি, ডি, ই এর জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে
• মদ্য পান করার কারণে যৃকতে সমস্যা হল্যে
• সংক্রমণ, টিউমার বা পিত্তপাথুরীর জন্য পিত্তনালী বন্ধ বা সংকীর্ণ হয়ে গেলে
• জন্ম থেকেই বিলিরুবিন প্রক্রিয়ায় সমস্যা থাকলে
• মাদক সেবনের কারনে হেপাটাইটিস হলে
• রক্ত অতিরিক্ত ভাঙ্গার কারণে রক্তশূণ্যতা হলে (Hemolytic anemia)

26/08/2017

দূর্যোগের সময় প্রাথমিক চিকিৎসা
হাসপাতালে নেয়ার আগে অথবা উপযুক্ত চিকিৎসক ( ডাক্তার বা নার্স) আসার পূর্বে দূর্ঘটনায় আঘাতপ্রাপ্ত, আহত বা হঠাৎ অসুস্থ কোন ব্যক্তিকে জরুরী ভিত্তিতে যে সেবা-শুশ্রূষা প্রদান করা হয় তাকেই প্রাথমিক চিকিৎসক বলা হয়। বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দূর্যোগ প্রবন এলাকাগুলোর স্থানীয় জনগনের অবশ্যই প্রাথমিক চিকিৎসার জ্ঞান থাকা উচিত। কারণ, যে কোন দূর্যোগের পর পর যদি আঘাতপ্রাপ্ত অথবা মৃত্যূ পথযাত্রী মানুষকে দক্ষতার সাথে তাৎক্ষনিক সেবা-শুশ্রূষা বা প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা যায় তবে একদিকে যেমন প্রাণহানীর ঘটনা কমিয়ে আনা যাবে অন্যদিকে তা পরোক্ষভাবে দূর্যোগ পরবর্তী সময়ে জনস্বাস্থ্য সমস্যা বহুলাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
প্রাথমিক চিকিৎসার উদ্দেশ্য
প্রাথমিক চিকিৎসার উদ্দেশ্য মূলতঃ তিনটি। যথাঃ-
1. রোগীর জীবন রক্ষায় সাহায্য করা
2. রোগীর অবস্থার অবনতি রোধ করা এবং
3. রোগীর অবস্থার উন্নতি করা
প্রাথমিক চিকিৎসাকারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য
• নিজেকে ঝুঁকিমুক্ত রেখে পরিস্থিতির মূল্যায়ন করতে হবে
• রোগীর সঠিক রোগ বা অসুবিধা নির্ণয় করতে হবে
• দ্রুত চিকিৎসা দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যে রোগীর একাধিক জখম থাকতে পারে
• দ্রুত ডাক্তার বা হাসপাতালে প্রেরণের ব্যবস্থা করতে হবে
ব্যবস্থাপনা
প্রাথমিক চিকিৎসাকারীকে অবশ্যই জানতে হবে যে দূর্যোগের আগে কি ধরণের প্রস্ত্ততিমূলক ব্যবস্থা নেয়া উচিত, দূর্যোগ চলাকালীন কি ভূমিকা পালন করা দরকার এবং দূর্যোগ পরবর্তী সময়ে তার দায়িত্ব কি হবে।
দূর্যোগের আগে
• প্রাথমিক চিকিৎসাকারী হিসেবে এলাকার জনসাধারণের কাছে পরিচিত হতে হবে যাতে দূর্যোগ চলাকালীন ও দূর্যোগ পরবর্তী সময়ে চিকিৎসাগ্রহনকারী ব্যক্তি তাকে সহজেই চিনতে পারে ।
• দূর্যোগের সময় সম্ভাব্য শারীরিক ক্ষতি সম্পর্কে এলাকার জনসাধারণকে অবহিত করতে হবে
• নিকটস্থ হাসপাতাল স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ও ডাক্তারের অবস্থান সম্পর্কে জানতে হবে। কারণ, দূর্যোগের পর মারাত্মক আহত রোগীদের সেখানে প্রেরণ করতে হবে।
• দূর্যোগের পর রাস্তা ঘাট অনেক ক্ষেত্রেই বন্ধ হয়ে যায়। হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাওয়ার বিকল্প পথ সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
• প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম যথাযথ ভাবে মজুদ ও সংরক্ষণ করতে হবে।
• সর্বোপরি প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞানের চর্চা রাখতে হবে।
দূর্যোগের পরে
• দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। তাঁবু, স্কুল, ঘর বাড়ীতে অথবা অন্য কোন উপযুক্ত স্থানে এই কেন্দ্র স্থাপন করা যেতে পারে ।
• দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করাপ্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রে সার্বক্ষনিক ভাবে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত এবং অপেক্ষাকৃত দক্ষ প্রাথমিক চিকিৎসাকারীদের নিয়োগ করতে হবে এবং একই সঙ্গে প্রাথমিক চিকিৎসার হাত-ব্যাগসহ ভ্রাম্যমাণ কর্মী দলকে কাজে লাগাতে হবে।
• যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
• হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগী স্থানান্তর করার জন্য স্থানীয় ভাবে এ্যাম্বুলেন্স প্রস্ত্তত রাখতে হবে। গরুর গাড়ী, রিক্সা, ঠেলাগাড়ী, ভ্যান ইত্যাদি বাহনকে এ্যাম্বুলেন্স হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রয়োজনে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে।
পর্যবেক্ষণ
প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ
দূর্ঘটনা কবলিত আহত ব্যক্তির কাছে পৌছে তার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হবে । ক্রমান্বয়ে যে সব বিষয়ের দিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে সেগুলি হলো —
• আহত ব্যক্তির শ্বাসনালী খোলা আছে কি না দেখতে হবে। শ্বাস প্রশ্বাসে অসুবিধা হলে রোগীর মাথা পেছনে দিক কাত করে দিতে হবে। এতে শ্বাসনালীর মুখ খুলে যায় এবং শ্বাস প্রশ্বাসে সুবিধা হয়।
• শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ আছে কিনা দেখতে হবে। যদি শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় তাহলে কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাস এর ব্যবস্থা করতে হবে।
• মাথায় মারাত্মক আঘাত পেয়েছে কিনা দেখতে হবে। আঘাতপ্রাপ্ত হলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে পাঠাতে হবে।
• প্রচুর রক্তপাত বা রক্তক্ষরণ হচ্ছে কিনা দেখতে হবে। প্রচুর রক্তপাত বা রক্তক্ষরণ হলে অবশ্যই দ্রুত তা বন্ধ করার ব্যবস্থা করতে হবে।
• আহত ব্যাক্তি অজ্ঞান হয়ে আছে কিনা দেখতে হবে। অজ্ঞান রোগীর দ্রুত জ্ঞান ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে।
পরবর্তী পর্যবেক্ষণ
প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর দেখা দরকার আহত বা অসুস্থ ব্যক্তিটির-
• পেট পানি ভর্তি আছে কিনা
• মারাত্মক ভাবে পুড়ে গেছে কি না
• সাপে কেটেছে কি না
• অন্যান্য আঘাত আছে কি না
প্রাথমিক চিকিৎসার ক্ষেত্রে আবশ্যিক কিছু বিষয়
• শ্বাস-প্রশ্বাসের পথ খোলা রাখতে হবে।
• কৃত্রিম শ্বাসের ব্যবস্থা নিতে হবে ।
• রক্তপাত বা রক্তক্ষরণ বন্ধ করুণ এবং রক্ত চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে ।
• মাথা ঠান্ডা রেখে দ্রুত কাজ করতে হবে।
• প্রাথমিক চিকিৎসাকারী ডাক্তার নন।
• বিলম্বিত সাহায্য, সাহায্য না করারই সমান।
• নিশ্চিত না হয়ে কোন কিছু করা ঠিক হবে না।
প্রাথমিক চিকিৎসাঃ সামগ্রী ও উপকরণ
মনে রাখতে হবে যিনি প্রাথমিক চিকিৎসা দেন তিনি সাধারণতঃ ডাক্তার নন। তাঁর কাজ হচ্ছে অসুস্থ্য ব্যক্তিকে উপযুক্ত চিকিৎসকের কাছে পাঠিয়ে দিতে হবে। তবুও হাতের কাছে কিছু সামগ্রী থাকা প্রয়োজন। অনেক সময় উপযুক্ত চিকিৎসক দূর্যোগগ্রস্ত এলাকায় প্রায় খালি হাতে এসে পড়েন। এসব ক্ষেত্রে প্রাথমিক উপকরণগুলো অনেক কাজে আসে। এখানে কিছু উপকরনের তালিকা দেয়া হলো। তালিকা প্রয়োজন অনুযায়ী সংযোজন ও সংশোধন করে নিতে হবে।
• থার্মোমিটার
• ডিসপেনসারী ফোরসেপ
• তুলা
• এন্টিসেপটিক/ এন্টিবায়োটিক পাউডার
• তরল এন্টিসেপটিক (স্যাভলন)
• প্যারাসিটামল ট্যাবলেট
• লিকো প্লাষ্ট
• সার্জিকেল নিডল(সুঁচ)
• ক্ষত সেলাইয়ের সুতা
• সেফটি পিন
• ১০-১৫ এ্যাডহেসিভ ড্রেসিং
• আর্টারী ফোরসেপ
• রোল ব্যান্ডেজ
• সার্জিকেল গজ
• বারনল ক্রীম
• এন্টিসেপটিক ক্রীম (স্যাভলন ক্রীম)
• ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ
• বাটার ফ্লাই নিডল
• কাঁচি
• ব্লেড
• জীবানুমুক্ত চোখের প্যাড

24/08/2017

গর্ভবতী ও প্রসুতি নারীর খাবার ও ওষুধ

think what?
16/08/2017

think what?

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 18:00 - 22:00
Tuesday 18:00 - 22:00
Wednesday 18:00 - 22:00
Thursday 18:00 - 22:00
Friday 18:00 - 22:00
Saturday 18:00 - 22:00
Sunday 18:00 - 22:00

Telephone

+8801785494340

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Koratkol University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Koratkol University:

Share