11/11/2025
হায়রে হিপোক্রেসি 🤡
সাদা দলের শিক্ষকরা ফয়েজ ইস্যুতে বহিষ্কৃত শিক্ষক নিয়ে প্রোগ্রাম করে, আবার তাদেরই পরামর্শে ছাত্রদল আওয়ামী শিক্ষকদের পুনর্বাসন নিয়ে মানববন্ধনের ডাক দেয়।
তারা নিজেরা যখন পুনর্বাসন করে তখন কোন কথাই নাই। এতই যদি আওয়ামী বিরোধিতা তাহলে ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির সাবেক ছাত্রলীগার কেমনে জায়গা পায়? বঙ্গবন্ধুর মাজারে ফুল দেওয়া সভাপতি থেকে শুরু করে এমন একটা নেতা নেই যে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে ছিলো না, গুটিকয়েক বাদে। গণহারে পোস্ট দিলে সবগুলোর মুখোশ খুলে পড়বে।
যুক্তি দিলে অনেক যুক্তি দেওয়া যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে এখনো পর্যন্ত সকল রাজনীতি নিষিদ্ধ। যে শিক্ষকরা কোন ছাত্রদের ক্ষতি করে নাই, যাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নাই তাদের নিয়ে তাদের মাথাব্যথা। আর যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে তাদের নিয়ে নাই। কারণ তাদের থেকে মাল খাওয়া যায়। 😉
শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ হওয়া স্বত্ত্বেও নিজেরা শোডাউন দিলে অন্যায় হয় না, অন্যায় হয় যখন নির্দোষ কেউ ভালো কিছু করলে। কারণ এটা মনে হয় উনাদের সহ্য হয় না। বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে গেলে, ট্রান্সপারেসি আসলে উনাদের দুর্নীতির সুযোগ কমে যায়, সমস্যাটা ওখানেই।
সাদা দলের শিক্ষকরা আওয়ামী লীগের সময় বুক ফুলে চলছে, কোনদিন তাদের প্রমোশন আটকায় নাই। লিয়াজো করে চলে নিজেরা সবসময় আওয়ামী লীগের সাথে ছিলো। সাদা দলেরই একজন শিক্ষক নিজেই স্বাধীনতা পরিষদের প্রোগ্রামে গিয়ে বক্তব্য দেয়। এখন আসছে সাধু সাজতে! 😃
যে আওয়ামী শিক্ষকরা ক্যাম্পাসে বাড়াবাড়ি করছে তাদেরকে কোথায় পদায়ন করা হয়েছে দেখাইয়েন পারলে! সবাই তো এখন ক্যাম্পাস ছাড়া। উল্টো মাঝেমধ্যে শুনেছি তাদেরই কয়েকজন শিক্ষককে ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক করার জন্য সাদা দলের শিক্ষকরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে, সেই প্রমাণও আছে। আরেকজনের চেহারা দেখার আগে নিজেদের চেহারাটা আয়নায় দেখা উচিত।