Department of Islamic Studies , Uttara University

Department of Islamic Studies , Uttara University Uttara University (Govt & UGC Approved) private university in Bangladesh. Estd-2003.

Our available program is B.A (Hons) in Islamic Studies, M.A in Islamic Studies (Final), M.A in Islamic Studies (2 Years).

14/05/2026
09/05/2026
Important Notice...
27/04/2026

Important Notice...

উত্তরা ইউনিভার্সিটির আঙিনায় বৈশাখের ছোঁয়া।শুভ নববর্ষ ১৪৩৩! লাল-সাদার চিরচেনা সাজে আজ উৎসবমুখর আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাস। ...
17/04/2026

উত্তরা ইউনিভার্সিটির আঙিনায় বৈশাখের ছোঁয়া।
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩!

লাল-সাদার চিরচেনা সাজে আজ উৎসবমুখর আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাস। নতুন বছরের এই শুভ লগ্নে আনন্দ আর উচ্ছ্বাসে মেতেছে উত্তরা ইউনিভার্সিটির সকল প্রাণ। পুরানো সব জীর্ণতা মুছে দিয়ে নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি। বাঙালির হাজার বছরের এই ঐতিহ্য ও তারুণ্যের জয়গান ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র।

#পহেলাবৈশাখ #নববর্ষ১৪৩৩ #উত্তরাইউনিভার্সিটি #বাঙালিয়ানা #ক্যাম্পাসলাইফ

প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বসতে যাচ্ছে পহেলা বৈশাখের বর্ষবরণ আয়োজন। এই অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যা...
15/04/2026

প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বসতে যাচ্ছে পহেলা বৈশাখের বর্ষবরণ আয়োজন। এই অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ এবারও " বৈশাখী স্বাদঘর" নামে ১নং স্টলে আপনাদের জন্য বাংলার ঐতিহ্যবাহী নানারকম মুখরোচক খাবার নিয়ে হাজির হচ্ছে।

"বৈশাখী স্বাদঘর" স্টলে আপনারা একইসাথে টক,ঝাল,মিষ্টি থেকে শুরু করে নানারকম স্বাদের খাবার পেয়ে যাবেন। নিজেকে সুন্দর করে সাজিয়ে তোলার জন্য পেয়ে যাবেন বিভিন্ন ধরনের ফুল।

উক্ত স্টলে আপনাদের সকলকে বিভাগের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানানো যাচ্ছে।

বি.দ্র.: অবশ্যই আইডি কার্ড নিয়ে আসতে হবে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে।

14/04/2026

বিদায় ১৪৩২ || স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩

পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতীয় ভাবনার সাথে সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটায়। উৎসব যেমন আনন্দ ও সম্প্রীতির কথা বলে, তেমনি একটি জনগোষ্ঠীর আত্মপরিচয়ের প্রতীকও হয়ে ওঠে। একইসাথে একটি জনগোষ্ঠীর স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য নির্মাণ করে। পহেলা বৈশাখও তেমনি আমাদের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও রীতির উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি উৎসব।

নববর্ষ আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে নতুন করে স্মরণ করার এক অনন্য সুযোগ। এই বিশেষ দিনে আমরা অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের পথচলায় নতুন আশার আলো জ্বালাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

|| বাংলা সনের ইতিহাসে প্রবেশ করলে আমরা দেখতে পাই,
এটি একদিনে তৈরি হয়নি; বরং রাষ্ট্রচিন্তা, জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং কৃষিভিত্তিক বাস্তবতার সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। মোঘল আমলের সুলতানদের শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হত, হিজরী সন অনুযায়ী, কিন্তু বাংলার কৃষিজীবন চলত সৌরবর্ষের সঙ্গে তাল মিলিয়ে। এতে খাজনা আদায় ও ফসল তোলার সময়ের মধ্যে অসামঞ্জস্য তৈরি হতো। এই জটিলতা দূর করার দায়িত্ব দেওয়া হয় মোঘল দরবারের প্রখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ আমির ফতেহ উল্লাহ খান সিরাজী-কে।

তিনি হিজরী সনকে ভিত্তি করে একটি নতুন বর্ষপঞ্জি প্রণয়ন করেন, যা বাস্তবায়ন করেন মোঘল সুলতান জালালউদ্দীন মোহাম্মদ আকবর। ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সনের আনুষ্ঠানিক প্রবর্তন ঘটে, যদিও এর গণনা শুরু ধরা হয় ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর থেকে, সুলতান আকবরের সিংহাসনে আরোহণ এবং দ্বিতীয় পানিপথের যুদ্ধে বিজয়ের স্মৃতিকে ধারণ করে।

প্রথমদিকে এই সনের নাম ছিল ‘তারিখ-ই-ইলাহী’। ১৫৮৪ সালের ১১ মার্চ এটি ‘বঙ্গাব্দ’ নামে পরিচিতি লাভ করে। হিজরী সনের মোহররম মাসের সঙ্গে বৈশাখের মিল থাকায় শকাব্দের চৈত্র মাসকে বাদ দিয়ে বৈশাখকে বছরের প্রথম মাস নির্ধারণ করা হয়। এভাবেই বাংলা সন হয়ে ওঠে কৃষিনির্ভর বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সময় গণনার পদ্ধতি।

প্রবর্তনের সময় বাংলা মাসগুলোর নাম ছিল খোরদাদ, মেহের, শাহরিয়ার, ইসফান্দ, যা সাধারণ মানুষের জন্য একটু জটিল ছিল। পরে নক্ষত্র ও গ্রহের নাম থেকে সহজ ও পরিচিত নাম নির্ধারণ করা হয়, বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ় ইত্যাদি। এমনকি একসময় মাসের ৩০ দিনের জন্য ৩০টি আলাদা নামও ছিল, যা পরে পরিত্যক্ত হয়।
সময়ের প্রবাহে বাংলা সনের সংস্কারও হয়েছে। মোঘল সুলতান শাহজাহান প্রথম বড় সংস্কার করেন, মাসকে চার ভাগে ভাগ করে সপ্তাহের ধারণা চালু করেন এবং সাত দিনের সপ্তাহ নির্ধারণ করেন। সূর্য থেকে রবিবার, চন্দ্র থেকে সোমবার, এভাবে গ্রেগরিয়ান পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দিনের নাম নির্ধারণ করা হয়।

এরপর ১৯৬৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ভাষাবিদ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ-এর নেতৃত্বে পঞ্জিকা সংস্কার কমিটি বাংলা সনকে যুগোপযোগী রূপ দেয়। লিপইয়ারের জটিলতা দূর করে বর্তমান বাংলা ক্যালেন্ডার নির্ধারণ করা হয়, যা আজ বাংলাদেশে প্রচলিত।
বাংলা সনের সঙ্গে খ্রিস্টাব্দের পার্থক্য শুরুতে ছিল ৫৯৩ বছর, অর্থাৎ বাংলা সনের সঙ্গে ৫৯৩ যোগ করলে পাওয়া যায় খ্রিস্টাব্দ। অন্যদিকে সময়ের ব্যবধানে হিজরী সনের সঙ্গে পার্থক্য বেড়ে একসময় ১৪ বছরে পৌঁছায়।
পয়লা বৈশাখ উদযাপনের সূচনাও করেছিলেন সুলতান আকবর। তিনি চৈত্র মাসের শেষ দিনকে খাজনা পরিশোধের সময় নির্ধারণ করেন এবং নতুন বছরের প্রথম দিনকে উৎসবের দিনে পরিণত করেন। সেই ধারাবাহিকতায় হালখাতা, মিষ্টিমুখ, বৈশাখী মেলা, খেলাধুলা ও হস্তশিল্প প্রদর্শনী ইত্যাদি সব মিলিয়ে এই দিন হয়ে ওঠে আনন্দের মহামিলন।

পহেলা বৈশাখের সঙ্গে আমাদের এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সম্পর্ক নিবিড়। তথ্যপ্রযুক্তির এই সুবর্ণ সময়েও কৃষক প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ফসল উৎপাদনের দিনক্ষণ নির্ধারণ করেন। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা এই দিনের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়।

বাংলাদেশ ছয় ঋতুর দেশ, গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত। এই ঋতুবৈচিত্র্য, প্রাণবৈচিত্র্য এবং প্রকৃতির পরিবর্তনশীলতা আমাদের জীবনের আনন্দ, আমাদের শক্তি। এই ভূখণ্ডে চৈত্র সংক্রান্তি ও পহেলা বৈশাখ শুধু উৎসব নয়, জীবন-জীবিকার অংশ। এক বছরের হিসাব-নিকাশ শেষ করে নতুন বছরের শুরুতে হালখাতা খোলা, নতুন আশা নিয়ে পথচলা, এই ধারাবাহিকতা বহু পুরানা।

মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষা বাংলা। এই ভাষায় কথা বলা কোটি কোটি মানুষের জন্য বাংলা নববর্ষ শুধু একটি ক্যালেন্ডারের পালাবদল নয়—এটি একটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক। আমির ফতেহউল্লাহ সিরাজীর অনন্য উদ্যোগ, বাংলা অঞ্চলের কৃষক শ্রেণির নাম জড়িয়ে আছে বঙ্গাব্দের সূচনার সাথে। কৃষিকে মূলভিত্তি হিসবে গ্রহণ করে ফতেহউল্লাহ সিরাজী বাংলার আপামর কৃষক সমাজের প্রতিনিধিত্বশীল অবস্থান ঘোষণা করে জনগণের সাথে মিশে যাওয়ার জানান দিয়েছিলেন।

এই দিনটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় আমাদের গভীর শিকড়, সভ্যতার ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক জাগরণের ধারা।

নতুন বছরে আমরা প্রত্যাশা করি—এই সমাজে চিন্তা, জ্ঞান ও সভ্যতার চর্চা আরও গভীর হোক; উদারতা, সহনশীলতা ও প্রগতির পথে এগিয়ে যাক আমাদের সম্মিলিত যাত্রা।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে 'দ্যা উইজডম ক্যারাভান ক্লাব' -এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা !

বৈশাখের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩

#বাংলা_নববর্ষ
#নববর্ষ_১৪৩৩
#উত্তরা_বিশ্ববিদ্যালয়

রমাদান মোবারক || রমাদান কারিম সুখবর!  সুখবর!!  সুখবর!!!  আসন্ন ৭ই মার্চ, ১৭ রমজান ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের পক্ষ থেকে "দ্য...
03/03/2026

রমাদান মোবারক || রমাদান কারিম

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!!

আসন্ন ৭ই মার্চ, ১৭ রমজান ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের পক্ষ থেকে "দ্যা উইজডম ক্যারাভান ক্লাব" আয়োজন করতে যাচ্ছে বিভাগের সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল।
ইফতার হলো আমাদের ঐতিহ্য, ইফতার হলো আমাদের উৎসব,
সেই উৎসবে মেতে যাক ইসলামিক স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টের সকল শিক্ষার্থী, তাই উক্ত ইফতার মাহফিলে সকলের উপস্থিতি একান্তভাবে কাম্য।

রেজিষ্ট্রেশন ডেটলাইন : ০৫-০৩-২০২৬ইং
📍রেজিস্ট্রেশন করতে আজি যোগাযোগ করুন: 01866954547 (নোমান)

🚌ইফতারের পরে ভার্সিটি থেকে উত্তরা পর্যন্ত বাস সার্ভিস থাকবে।

বি.দ্র.: ছেলে ও মেয়েদের পৃথকভাবে বসার স্হান থাকবে।

রমাদান মোবারক || রমাদান কারিম

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!!

আসন্ন ৭ই মার্চ, ১৭ রমজান ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের পক্ষ থেকে "দ্যা উইজডম ক্যারাভান ক্লাব" আয়োজন করতে যাচ্ছে বিভাগের সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল।
ইফতার হলো আমাদের ঐতিহ্য, ইফতার হলো আমাদের উৎসব,
সেই উৎসবে মেতে যাক ইসলামিক স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টের সকল শিক্ষার্থী, তাই উক্ত ইফতার মাহফিলে সকলের উপস্থিতি একান্তভাবে কাম্য।

রেজিষ্ট্রেশন ডেটলাইন : ০৫-০৩-২০২৬ইং
📍রেজিস্ট্রেশন করতে আজি যোগাযোগ করুন: 01866954547 (নোমান)

🚌 ইফতারের পরে ভার্সিটি থেকে উত্তরা পর্যন্ত বাস সার্ভিস থাকবে।

বি.দ্র.: ছেলে ও মেয়েদের পৃথকভাবে বসার স্হান থাকবে।

Address

Holding 77, Beribadh Road, Turag, Uttara, Bangladesh
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Department of Islamic Studies , Uttara University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Department of Islamic Studies , Uttara University:

Share