10 Minute Practice

10 Minute Practice ❤️❤️❤️

19/04/2025
সন্তানের হারাম রিলেশনের কথা জানার পরেও যদি বাবা বাঁধা না দেয়, বোনের প্রেমের কথা জানার পরেও যদি ভাই বাঁধা না দেয়, স্ত্রী...
04/02/2025

সন্তানের হারাম রিলেশনের কথা জানার পরেও যদি বাবা বাঁধা না দেয়, বোনের প্রেমের কথা জানার পরেও যদি ভাই বাঁধা না দেয়, স্ত্রীকে পরপুরুষের প্রতি মুগ্ধ দেখেও যদি স্বামী জ্বলে না ওঠে, তাহলে এরা দাইয়ুস।
দাইয়ুসের আভিধানিক অর্থ ব্যভিচারের দূত। হাদিস আছে, ওই ব্যক্তিকে দাইয়ুস বলা হয় যে, তার পরিবারের অশ্লীলতাকে মেনে নেয়।‌ [মুসনাদে আহমাদ ৫৩৭২]
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দাইয়ুস জান্নাতে যাবে না। [নাসাঈ ২৫৬২]

~উমায়ের কোব্বাদি (হাফি)

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি/ভার্সিটি মেয়েদেরকে বিয়ে করার ব্যাপারে কিছু পরামর্শঃ-প্রথমত ভার্সিটিতে পড়তে গিয়ে মেয়েরা নিজেদের ...
29/01/2025

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি/ভার্সিটি মেয়েদেরকে বিয়ে করার ব্যাপারে কিছু পরামর্শঃ-
প্রথমত ভার্সিটিতে পড়তে গিয়ে মেয়েরা নিজেদের সবচেয়ে বড় যে ক্ষতিটা করে তা হলো– তারা তাদের নারীত্ব হারিয়ে ফেলে। তারা ক্রমাগত ছেলেদের সাথে মেলামেশা, উঠা বসা, ফ্রি-মিক্সিং, আড্ডা দেওয়া, বন্ধুত্ব করা, হাসি তামাশায় মেতে থাকা, ঘুরতে যাওয়া ইত্যাদি করতে গিয়ে তাদের মাঝে বিদ্যমান নারীসুলভ বৈশিষ্ট্য, যেমনঃ নমনীয়তা, কোমলতা, লজ্জা-হায়া, পবিত্রতা, ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলে। এক পর্যায়ে তাদেরকে আর নারী বলা যায় না। তারা হয়ে যায় এক ধরণের পুরুষ।
একটা পর্যায়ে গিয়ে, যার তার সাথে প্রেমে জড়ানো, সতিত্ব বিলিয়ে দেওয়া তাদের কাছে দুধভাত হয়ে যায়। ভার্সিটি পড়ুয়া অধিকাংশ মেয়েরাই স্বামীর সংসারের চাইতে, তাদের সন্তানদের মানুষ করার চাইতে ক্যারিয়ারকেই বেশি প্রাধান্য দেয়। এতে করে তারা যেমন তাদের স্বামীর প্রতি দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারে না তেমনি তাদের সন্তানদের প্রতি দায়িত্ব ও ঠিকভাবে পালন করতে পারে না। ফলস্বরূপ অনেকের সংসার ভাঙছে, সংসারে অশান্তি হচ্ছে, স্বামী/স্ত্রী পরকীয়ায় জড়াচ্ছে, অনেকের সন্তানরা মায়ের সাহচার্য না পেয়ে বিকৃত মানসিকতা নিয়ে বেড়ে উঠছে!
ভার্সিটি পড়ুয়া ৯৮% মেয়েদের মাঝে আপনি আদর্শ স্ত্রী বা আদর্শ মায়ের কোনো বৈশিষ্ট্য খুঁজে পাবেন না। এরা বন্ধু হিসেবে, প্রেমিকা হিসেবে বা ক্লাসমেট হিসেবে পারফেক্ট হতে পারে কিন্তু স্ত্রী বা মা হিসেবে পারফেক্ট হতে পারে না। তাহলে কোন যুক্তিতে আপনি ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েকে বিয়ে করবেন? বাকি ২% মেয়েদেরকে যদি খুঁজে পান, যাদের কাছে ক্যারিয়ারের চাইতে সংসার, মাতৃত্ব বেশি প্রাধান্যপ্রাপ্ত, যারা তাদের চরিত্রকে হেফাজত করতে পেরেছে, যারা ফ্রি-মিক্সিংকে কঠিনভাবে এড়িয়ে চলতে পেরেছে,যারা মুক্ত থাকতে পেরেছে সকল ধরণের অশ্নীলতা ও বেহায়াপনা থেকে, যারা নিজেদের রুপ-লাবণ্য সবাইকে না দেখিয়ে শুধুমাত্র তাদের স্বামীর জন্য গচ্ছিত রাখতে পেরেছে, যাদের কাছে নিজের পায়ে দাড়ানোর এসব পশ্চিমা নোংরা কালচারের চাইতে ঘর-স্বামী-সন্তান বেশি প্রাধান্যপ্রাপ্ত, তাদেরকে চাইলে যাচাই-বাছাই করে বিয়ে করতে পারেন।
সর্বশেষ কথা হল- একজন সত্যিকারের আদর্শ নারীকে বিয়ে করুন। যে নারীর মধ্যে নারীত্বের বৈশিষ্ট্য থাকবে। যে বৈশিষ্ট্যের জন্যই তারা নারী হয়েছে। যে বৈশিষ্ট্যের জন্য তারা আলাদা হতে পেরেছে পুরুষ জাতি থেকে।
~আকিবুল ইসলাম

18/11/2024


স্ত্রীকে কেন ভালো লাগে না পুরুষের??সকল পুরুষের পড়া উচিত।

আমার স্ত্রী দেখতে অসুন্দর নয়। তবু কেনো জানি তাকে এখন আর ভালো লাগে না। আমাদের বিয়ে হয়েছে পাঁচ বছর হলো। তিন বছর বয়সী একটা ছেলে সন্তান রয়েছে।

অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে চলে যাই। ফিরি রাত করে। কারণ বাসায় যেতে ইচ্ছে করে না। অথচ বিয়ের শুরুর দিকে শুধুমাত্র স্ত্রীর টানে অফিস থেকে বেরিয়ে ছুটতাম বাসার দিকে। অফিস না থাকলে সারাদিন বাসায় থাকতাম। ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতাম। কী যে ভালো লাগতো স্ত্রীকে তখন!

আর এখন ওর দিকে তাকাতে ইচ্ছে করে না। কথা বলতে ইচ্ছে করে না। ও আশেপাশে থাকলে বিরক্ত লাগে।

বাইরে থাকা অবস্থায় ওর ফোন এলে ধরি না। মেসেজ পাঠালে দেখি না। আর বাসায় থাকা অবস্থায় ও কিছু বললে অনাগ্রহের সাথে হু হা করে চুপ করে থাকি।

আর রাতে যদি ও কাছে আসতে চায় আমি রূঢ় ভাষায় বলি, "জ্বালাতন করো না। সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত হয়ে আছি। ঘুমাতে দাও।"

আসলে ক্লান্তি ট্লান্তি কিছু না। স্ত্রীকে ভালো লাগে না এটাই মূল কথা।

কেনো এমন হচ্ছে বুঝতে পারছি না। এই সমস্যা যে একা আমার হচ্ছে তা নয়। আমি আরো অনেক পুরুষের মধ্যে এই সমস্যা দেখেছি। তাদের কেউ কেউ স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে পরকীয়া করছে। আমি নিজে এখনো পরকীয়া করি নি। তবে করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

কেনো পুরুষেরা একটা সময় স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এটা জানার জন্য আমি যতো পুরুষের সাথে কথা বলেছি তাদের সবার উত্তর ছিলো এরকম, "এটাই তো স্বাভাবিক। এক জিনিস কী আর বেশিদিন ভালো লাগে?"

তাদের উত্তরটা আমার কাছে সঠিক মনে হয় নি। কারণ এক জিনিস বেশিদিন ভালো না লাগা যদি স্বাভাবিক হতো তাহলে স্ত্রীদের ক্ষেত্রেও সেটা হতো। কিন্তু তা তো হচ্ছে না। স্ত্রীরা বিয়ের যতো বছর পরই হোক তারা ঠিকই আগ্রহ নিয়ে স্বামীর সাথে কথা বলতে চায়। ঘুরতে যেতে চায়। মিলিত হতে চায়।

একটা সময় আমার মনে হলো এটা কি পুরুষের কোনো মানসিক সমস্যা? ডাক্তার দেখালে কি ভালো হয়ে যাবে?

আমি দ্বিধান্বিত মনে একদিন গোপনে এক মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলাম।

ডাক্তার আমার সমস্যার কথা শোনার পর বললেন, "আপনি কি আল্লাহকে বিশ্বাস করেন?"

বললাম, "জী করি।"

"আল্লাহর একটা নির্দেশের কথা আপনাকে বলবো। যদি মানতে পারেন তাহলে আপনার এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে। কোনো ওষুধপত্র লাগবে না। গ্যারান্টি দিচ্ছি।"

"কী সেটা?"

"সুরা আন নূরে আল্লাহ বলেছেন, 'হে নবী, পুরুষদের বলে দাও, তারা যেনো নিজেদের দৃষ্টিকে সংযত করে রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানসমূহের হেফাজত করে। এটা তাদের জন্য বেশি পবিত্র পদ্ধতি'।"

এরপর ডাক্তার দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, "আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি এক মাস পালন করুন। তারপর নিজেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।"

সন্দেহ নিয়ে বললাম, "এটাতেই কাজ হয়ে যাবে?"

ডাক্তার হেসে বললেন, "অবশ্যই হবে। তবে আমাকে কথা দিতে হবে আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি নিখুঁত ভাবে পালন করবেন। কোনো ফাঁকি দেবেন না।"

"কথা দিলাম। ফাঁকি দেবো না। নিখুঁত ভাবে পালন করবো।"

শেষে ডাক্তার বললেন, "এক মাস পর আমার কাছে আসবেন।"

আসবো কথা দিয়ে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরুলাম। চেম্বার থেকে বেরুনোর সময় দেখলাম একটা যুবতী রূপবতী মেয়ে একজন বৃদ্ধাকে নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকছে। মেয়েটার দেহ দুর্দান্ত আকর্ষণীয়। আমি লোলুপ দৃষ্টিতে মেয়েটার পুরো অঙ্গের দিকে তাকাতে গেলে আচমকা মনে পড়ে গেলো আল্লাহর নির্দেশের কথা। আমি সঙ্গে সঙ্গে চোখ সরিয়ে নিলাম। এবং মাথা নিচু করে হেঁটে চলে গেলাম। এরপর পথে ঘাটে যদি কোনো মেয়ের দিকে চোখ পড়তো তবে চোখ সরিয়ে নিতাম। দৃষ্টি নত করে হাঁটতাম।

এভাবে দুদিন যাওয়ার পর অনুভব করলাম নারী শরীর দেখার জন্য ভেতরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু তখনো স্ত্রীর প্রতি টান বোধ করি নি। অস্থিরতা দূর করার জন্য মোবাইল হাতে নিলাম। এবং পর্ণ দেখার সিদ্ধান্ত নিলাম। তারপর হস্তমৈথুন করে নিজেকে শীতল করবো।

গুগলে পর্ণ ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ করার মুহূর্তে আল্লাহর নির্দেশের কথা মনে পড়ে গেলো। সাথে সাথে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলাম। এবং মোবাইল রেখে দিলাম।

এর পরদিনের কথা বলি। আপনাদের বলেছিলাম, আমি পরকীয়া না করলেও পরকীয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ঘটনা হলো, আমার এক বন্ধুর পরিচিত এক মেয়ের সাথে গোপন এক সম্পর্ক গড়ে উঠতে শুরু করেছে। মেয়েটি প্রবল যৌন আকর্ষণীয়। ঠিক করেছিলাম মেয়েটিকে নিয়ে কয়েকদিনের জন্য কক্সবাজার থেকে ঘুরে আসবো। আমি যে বিবাহিত এটা মেয়েটিকে বলি নি।

সেই মেয়েটি ঐদিন সন্ধ্যায় ফোন দিলো। আমি তখন অফিস থেকে বেরিয়েছি। ওর ফোন দেখে মনটা খুশিতে ভরে উঠলো। কিন্তু ফোনটা ধরার সময় মনে পড়লো আল্লাহর নির্দেশের কথা। তৎক্ষণাৎ মনকে শক্ত করলাম। এবং ফোনটা ধরলাম না। মেয়েটা যতোবারই ফোন দিলো ধরলাম না।

এভাবে দৃষ্টি সংযত রেখে এবং লজ্জাস্থান হেফাজত করে পনেরো দিন কাটানোর পর লক্ষ্য করলাম আমার মাথায় স্ত্রীর ভাবনা ছাড়া আর কিছু কাজ করছে না।

সেদিন অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের আড্ডায় না গিয়ে উন্মাদের মতো ছুটলাম বাসার দিকে।

বাসায় ঢুকেই ব্যাকুল হয়ে ডাকলাম, "এষা, কোথায় তুমি?"

স্ত্রী তখন রান্নাঘরে ছিলো। আমার চিৎকার শুনে দৌড়ে এলো। কারণ স্ত্রীর নাম ধরে বহুদিন ডাকি নি।

ও আশ্চর্য হয়ে বললো, "কী হয়েছে তোমার? ডাকছো কেনো?"

সে কথার জবাব না দিয়ে কাঁধ থেকে অফিসের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে স্ত্রীকে ঝট করে পাঁজা কোলে তুলে নিলাম। বিয়ের শুরুর দিকে যেমন করতাম।

সে ততোক্ষণে আমার উদ্দেশ্য বুঝে গেছে।

সে লজ্জায় লাল হয়ে বললো, "ছেলেটা ঘুমাচ্ছে। ও জেগে যাবে। কী করো, কী করো?"

স্ত্রীকে পাঁজা কোলে করে রুমে যেতে যেতে আচ্ছন্ন স্বরে বলতে লাগলাম, "ভালোবাসি এষা। ভালোবাসি।"

পরদিন ডাক্তারের কাছে গেলাম।

ডাক্তার বললেন, "এখনো তো এক মাস পার হয় নি।"

হেসে বললাম, "সমস্যা দূর হয়ে গেছে। আমি এখন বুঝতে পেরেছি কেনো পুরুষেরা স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে? অতীতের ভুল আর কখনো করবো না।"

ডাক্তার বললেন, "স্বাগতম আপনাকে। আপনার সংসারের জন্য আন্তরিক শুভ কামনা রইলো।"

ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে খুশিয়াল গলায় বললাম, "ধন্যবাদ আল্লাহ। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।"

16/11/2024

পেজের রিচ ব্লক হয়ে গেছে ফলে পোষ্ট কারো টাইমলাইনে শো করছে না। সমাধান কি?

★উঠতি বয়সে প্রায় সব মেয়েদেরই প্রচন্ড বিয়ের মোহ থাকে। সারাক্ষন দু’চোখ দিয়ে চারপাশে শুধু সুন্দর ছেলে খুঁজে বেড়ায়। এ বয়সে ম...
16/11/2024


উঠতি বয়সে প্রায় সব মেয়েদেরই প্রচন্ড বিয়ের মোহ থাকে। সারাক্ষন দু’চোখ দিয়ে চারপাশে শুধু সুন্দর ছেলে খুঁজে বেড়ায়। এ বয়সে মেয়েরা প্রেমে পড়লেই বিয়ের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠে। এমন কি পালিয়ে বিয়ে করতেও এক পায়ে প্রস্তুত থাকে তারা।

কিন্তু যদি না কারো সাথে দীর্ঘ ও গভীর কোন এফেয়ার থাকে, বয়স বাড়লে, শিক্ষিত হলে, বিয়ের প্রতি তাদের অধিকাংশেরই একটা অনীহা জন্ম নেয়। বাবা মা তাদের জন্য বিয়ের সম্বন্ধ আনলে তারা প্রতিবাদে নাকের জল চোখের জল এক করে ছাড়ে। জগতটাকে দেখবার, বয়সটাকে উপভোগ করবার, অভিজ্ঞতাটাকে সমৃদ্ধ করবার, পড়ালেখা করে ক্যারিয়ার গড়বার এক দুরন্ত জেদ চেপে বসে তাদের মনে। সে সময়ে অনেক ছেলেকে ভালো লাগলেও পছন্দ করবার মতো যোগ্য ছেলেটিকে তারা তখন আর খুঁজে পায় না কিংবা খোঁজার গরজও বোধ করে না।

ইউনিভার্সিটি পাশ করতে করতে বয়স পঁচিশ ছাব্বিশ পার হয়। বিসিএস কিংবা অন্য কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পুরুষদের পাশাপাশি যোগ্যতার প্রমান দেয়ার প্রচন্ড নেশা চাপে তাদের। সে পরীক্ষায় অনেকে সাফল্যও পায়। তারপর চলে নিজের পায়ে দাঁড়াবার, স্বাবলম্বী হবার সংগ্রাম, নিজেকে গুছিয়ে নেয়ার সংগ্রাম।

কিন্তু ততদিনে পদ্মা মেঘনা যমুনার জল গড়িয়ে যায় অনেক। মেঘে মেঘে হয়ে যায় অনেক বেলা। খরচ হয়ে যায় আয়ুর সোনালী অধ্যায়।

বিয়ের বাজারে নিজের চাইতে যোগ্য ছেলে খুঁজে পাওয়া তখন দুস্কর হয়ে দাঁড়ায় তাদের জন্য। প্রচন্ড মেধাবী যে মেয়েটি অনার্স মাস্টার্স পাশ করে এমফিলও শেষ করে ফেলে, কিংবা হয়ে যায় বিসিএস ক্যাডার, বিয়ের বাজারে তারচে অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন পাত্রের খোঁজ করতে গিয়ে এক বিশাল ধাক্কা খায় সে—তিরিশ প্লাস যোগ্য পাত্রগুলি তার তিরিশ প্লাস বয়সটার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে মুখ ঘুরিয়ে নেয়। পাত্রের স্বজনরা তাকে আধুনিক হৈমন্তী’র মর্যাদা দিয়ে বসে।

একুশ বাইশ বয়সের যুবতীর বর্ণিল স্বপ্নগুলি তিরিশ পেরিয়ে বিবর্ণ হয়ে পড়ে। তার একদা উপচে পড়া চকচকে যৌবনের কোথাও কোথাও গোপন মরচে পড়ে। তার বিশাল আর আলো ঝলমলে পৃথিবীতে রাত নামতে থাকে। পুরুষতান্ত্রিক এই পৃথিবীতে একটা নিরাপদ আশ্রয় আর অবলম্বন ছাড়া যে সে ভীষন অসহায় এতদিন পর এই নির্মম সত্য অনুধাবন করে সে কাঁপতে থাকে ভয়ে আর অনিশ্চয়তায়। স্বামী সন্তান নিয়ে একটা ছোট্ট সংসারের জন্য সে সারা জীবনের কষ্টার্জিত সকল ডিগ্রী ও যোগ্যতা বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত হয়ে পড়ে।

পাত্রী খোঁজার সময় আমি নিজে এ ধরনের দুর্ভাগা কিছু নারীর দেখা পেয়েছি। এমনই আরো কিছু দুঃখজনক ঘটনা উঠে এসেছে আমার পরিচিত এক ফেইসবুক ফ্রেন্ডের নীচের স্ট্যাটাস থেকে।
============================
০১- ফ্রেন্ড লিস্টের একজন নারী বিসিএস কর্মকর্তা আছেন যিনি ৩৪ বছর বয়সে এসে 'যোগ্য' পাত্র খোজা বন্ধ করে এখন 'মোটামুটি' মার্কা পাত্র খুঁজছেন।

০২- ফ্রেন্ড লিস্টের একজনের বড় বোন ডাক্তার। ৬ বছর ধরে 'যোগ্য' পাত্র খুজতে খুজতে তিনি নিজেই অযোগ্য হবার যোগাড় হয়েছেন। বয়স ৩৫ চলছে। ওনার পরিবারের প্রথম টার্গেট ছিল ডাক্তার পাত্র ছাড়া বিয়ে করবে না। ২৯ বছর বয়সে যখন বিয়ের সিদ্ধান্ত নিল তখন কিছু সিনিয়ার অবিবাহিত ডাক্তার পাত্র পাওয়া যাচ্ছিল কিন্তু সেগুলো তাদের পছন্দ হচ্ছিল না। পাত্র খুজতে খুজতে বয়স এখন ৩৫ এ এসে দাঁড়িয়েছে। এখন আর ডাক্তার পাত্র পাচ্ছে না। মনে হয় আর পাবেনও না। এখন 'অডাক্তার' ছেলে পেলেও চলবে। ইভেন জুনিয়ার কোন ব্যাপার না।

০৩- এই আপু একজন উচ্চ শিক্ষিতা, বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রী নিতে গিয়ে বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। ওনার জীবনের লক্ষ্যই ছিল উচ্চতর ডিগ্রী নেয়া। সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে কিন্তু ততক্ষনে বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। এখন এত এত ডিগ্রী সত্বেও পাত্র পাচ্ছেন না। ওনার বয়স এখন ৩৮/৩৯।

০৪- ফ্রেন্ড লিস্টের এই আপু আমাকে ধরেছেন ওনার ঘটকালী করার জন্য। আমার সাথে মাঝে মাঝেই কথা হয়। বয়স ৩৮ চলছে। পারিবারিক কী এক ঝামেলার কারনে এখনো বিয়ে করতে পারেন নি।

আসলে সময়ের কাজ সময় থাকতেই করতে হয়। লেখাপড়া, ক্যারিয়ার ইত্যাদির জন্য অনেক মেয়ে বিয়ের ব্যাপারে উদাসীন থাকেন। কিন্তু যত বড় ক্যারিয়ার থাকুক না কেন ছেলেরা চাইবে তার চাইতে মিনিমাম ৫/৬ বছর জুনিয়র মেয়েকে বিয়ে করতে। সেই হিসেবে শিক্ষিত সমাজে সবচেয়ে বেশি ডিমান্ডের মেয়েরা হয় ১৬ থেকে ২২ বছর বয়সী।

অফিসে এক সিনিয়র কলিগ কইলো,
"একটা সময় টাকার অভাবে চুলে শ্যাম্পু দিতে পারতাম না, আর এখন চুলের অভাবে শ্যাম্পু দিতে পারি না।"
সুতরাং বিয়ের ব্যাপারে দেরি করতে নেই।

08/11/2024


ছেলেরা গণহারে প্রবাসে যাচ্ছে। জাপান, ইউরোপ, আম্রিকা,অস্টেলিয়া মিলিয়ে প্রতিবছর ৪০+ হাজার যাচ্ছে। সেই তুলনায় দেশে এমনিতেই পুরুষ সংকট।। আর সরকারি চাকরির পরিসংখ্যান কত হিসাব করবেন।
একটা পাব্লিক ভার্সিটিতে যত গুলা মেয়ে আছে সব গুলা কখনো সরকারি চাকরি ওয়ালা পাত্র পাবে না।
সেই জায়গায় ন্যাশনাল ভার্সিটির গুলা কী হবে।

আর বড় পাত্রের কাছে বিয়ে দেবার আশায় মেয়েদের বিয়ে আটকে রাখছে অভিভাবক।
আর প্রতিষ্ঠিত ছেলে কখনো বয়স্ক মেয়ে বিয়ে করেনা।।।
দেখতে স্মার্ট ও কমবয়সী মেয়েই তাদের পছন্দ।। এটাই স্বাভাবিক।। ইট মারলে পাটকেল আসবে।।

বেকার বলে যেমন নিজ কন্যাকে তুলে দিবে না। তেমনি হাড়ভাঙা খাটুনি দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে কেউ বয়স্ক মেয়ে বিয়ে করবে না।। বাড়াবাড়ি শুরুটা মেয়ে পক্ষের। আর ভুক্তভোগী দিনশেষে মেয়ে পক্ষেরই।

বাংলাদেশে কত লাখ লাখ মেয়ের স্বাভাবিক বিয়েই যখন কষ্টসাধ্য। সেখানে ডিমান্ডের অপেক্ষায় মেয়েদের বসিয়ে রেখে পরিবার চরম লেভেলের নির্বুদ্ধিতা করছে৷

আপনি বয়স্ক মেয়েদের হালত দেখেন।
SSC-HSC যেমন পাত্রের প্রস্তাব আসতো। অনার্স মাস্টার্স করে একটা মেয়ের জন্য এমন পাত্র জোগানো অসম্ভব।

এটাই বাস্তবতা যে অনার্স মাস্টার্স দেওয়া কোনো ছেলে কখনো অনার্স মাস্টার্স পড়া মেয়েকে বিয়ে করবে না। তারা বিয়ে তে প্রাধান্য দেয় SSC-HSC বা অনার্সের শুরু করা মেয়েদের।

কি পরিমাণের বিয়ে সংকট দেশে হচ্ছে। এটা তারাই বুঝতাছে যাদের ঘরে অনার্স মাস্টার্স পড়া মেয়ে আছে৷
দিনশেষে মেয়েরা যৌবন থেকেও বঞ্চিত হলো। সাথে সঠিক পাত্রস্থ ও হলো না। অভিভাবক শেষমেষ যা সামনে পায় তাতে বিয়ে দিয়ে দায়মুক্ত হতে চায়৷

02/11/2024

–একজন বিজ্ঞ আলেম ছিলেন। যার অনেক ছাত্র ছিল। যখনই তার কাছে নতুন কোন শিষ্য আসতো তিনি তখন তার পরীক্ষা নিতেন।

–তিনি কিছু পাখি পালতেন। আর পাখিগুলোকে তিনি একটি কথা শিক্ষা দিয়েছিলেন, কথাটি হল; "শিকারি আয়েগা, দানা ডালেগা, জাল বিছায়েগা, ফাসনা নেহি"। অর্থাৎ "শিকারি আসবে, খাবার দিবে, জাল পাতবে, ফেঁসে যেও না।"

–যখনই নতুন কোন ছাত্র আসতো তখনই তিনি তাকে কিছু দানা আর একটি জাল দিয়ে বলতেন, "যাও ঐ গাছের নিচ থেকে কিছু পাখি ধরে নিয়ে আসো।"

–পাখিগুলো মানুষ দেখামাত্রই এই বলে গান গাইতে শুরু করতো যে, "শিকারি আয়েগা, দানা ডালেগা, জাল বিছায়েগা, ফাসনা নেহি"। তখন বেশিরভাগ ছাত্রই ফিরে আসতো এই ভেবে যে, এত চালাক পাখি ধরা যাবে না!

–কিন্ত যদি কোন ছাত্র জাল পাততো আর দানা দিতো তবে দেখতো যে, পাখিগুলো মুখে ঐ কথা বলছে ঠিকই কিন্ত দানা খেতে আসছে আর জালে ফেঁসে যাচ্ছে। অর্থাৎ তাদের মুখের কথা তাদের কোন কাজেই আসছে না।

–এই পাখিগুলো আসলে কি বলছে তারা সেটা নিজেরাই জানে না। পাখিগুলো জানে না- 'শিকারি' কি জিনিস! 'জাল' কি জিনিস! 'ফাসনা' কি জিনিস! তাই তোতারা মুখে যতই গান গাওক না কেন, তাও জালে ফেঁসে মৃত্যু ডেকে আনছে।

★ আজকের জামানায় আমাদের অবস্থাও ঠিক যেন পাখিদের মতই হয়ে গেছে। আমরা মুখে 'লা~ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলে সাক্ষ্য দিচ্ছি, কিন্তু আমরা এর মর্ম জানি না। প্রত্যেক সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ি কিন্তু আমরা বুঝি না এর ভিতর আল্লাহ কি বলতে চেয়েছেন।

–একই সাথে আমরা সুদ-ঘুষ, পরনিন্দা, অহংকার, যিনা, গীবত, অশ্লীলতা, পর্দাহীনতা, ও অসংখ্য হারাম কাজ করছি আর কথা বলা পাখির মতই আবার কালেমা বলছি আর নিজেকে মুসলমান হিসেবে দাবীও করছি! কাজেই আমাদের এই সাক্ষ্যদান কথা বলা পাখির মতন। আমরা মুখে কালেমা জপার পরেও শিকারির জালে ফেঁসে যাচ্ছি।
আল্লাহ তাআলা আমাদের যথাযথভাবে অনুবাধন করার তৌফিক দান করুন।
আমীন
Collected

23/10/2024


কোন এক গ্রামে অনেক বানর ছিল। একদিন সেখানে এক দরবেশ বাবার আবির্ভাব ঘটলো। তিনি তার বিশাল শাগরেদ দল নিয়ে গ্রামে আস্তানা গাড়লেন। প্রথমদিনেই দরবেশের শাগরেদগণ ঘোষণা দিলেন যে, বাবা বানর কিনবেন। প্রতিটি বানর ১০ টাকা করে।
১০ টাকার জন্য কে আর বানরের পিছনে দৌড়াবে? তারপরও যাদের কিছু করার নেই, তারা কিছু বানর ধরে এনে বাবাকে দিলেন। কিছুদিন পরে বাবা ঘোষণা দিলেন তিনি বানর ১০০ টাকা করে কিনবেন। এবার অনেকেই নড়ে বসলেন। অনেকেই বানর ধরলেন এবং বাবার কাছে বিক্রি করলেন।
আরও কিছুদিন পর বাবা ঘোষণা করলেন তিনি এখন বানর ৫০০ টাকা করে কিনবেন। পুরো গ্রামে হুলুস্থুল পড়ে গেল। কৃষক মাঠ ফেলে, বাচ্চারা স্কুল ফাকি দিয়ে, গৃহিণী চুলোর আগুণ নিভিয়ে, সবাই বানর ধরতে ব্যস্ত হয়ে গেলো। বাবা বানরের দাম আরও বাড়িয়ে দিলেন।
এখন ১০০০ টাকা! গ্রামের লোকেরা এখন আর কিছু করে না। তারা শুধুই বানর ধরে আর বাবার কাছে বিক্রি করে।
এভাবে ভালই চলছিলো কিন্তু গ্রামে বানর শেষ! সব বানর বাবার খাঁচায়। গ্রামের লোক পাগলের মত চারিদিকে বানর খুঁজে বেড়ায়।। কিন্তু বানর আর পায়না।
এর মাঝে বাবার কিছু চালাক শাগরেদ চুপি চুপি লোকদের বলল, তারা বাবার খাঁচা থেকে বানর বের করে দিতে পারবে। বিনিময় মাত্র ৯০০ টাকা।
সবাই আবার হুড়মুড় করে পড়ল শাগরেদ দের থেকে বানর কেনবার জন্য। কোন পরিশ্রম ছাড়াই, ঘরে বসে এত লাভ! এর চেয়ে ভাল ব্যবসা আর হয় নাকি। তারা শাগরেদদের থেকে বানর কেনে আর বাবাকে ১০০০ টাকায় বিক্রি করে। নগদে ১০০ টাকা লাভ।
কিছুদিন পর বাবা ঘোষণা দিলেন তিনি এখন বানর ২০০০ টাকা করে কিনবেন। শাগরেদরাও দাম বাড়িয়ে দিল। তারা এখন প্রতি বানর ১৮০০ টাকা করে বেচে। তারপরও লোকের চাহিদা মেটাতে পারেনা। এবার বাবা দাম বাড়িয়ে ৫০০০ টাকা করলেন। লোকেতো এখন পাগল প্রায়।
শাগরেদরা এখন বানর ৪০০০ টাকা করেছে...
শাগরেদরা এখন লোককে বলতে লাগল, যে বানর কিনে নিয়ে যাও, তবে এখনই বিক্রি করে দিয়োনা। আর কিছুদিন পরেই বাবা ১০০০০ টাকা দিয়ে বানর কিনবে। এবং তাদের কাছে গোপন সংবাদ আছে যে বাবা বানর সর্বোচ্চ ৫০০০০ টাকা দিয়ে কিনবেন।
আর পায় কে! সবাই তাদের জমানো টাকা ভেঙ্গে, মহিলারা তাদের গহনা বিক্রি করে, বয়স্করা তাদের পেনশনের টাকা তুলে, যুবকেরা পড়া লেখা বাদ দিয়ে, ব্যবসায়িরা ব্যবসার মূলধন ভেঙ্গে ৪০০০ টাকা করে বানর কিনে স্টক করলো। অনেকে জমিজমাও বিক্রি করে দিলেন। সবাই বানর কিনছেই আর কিনছে। বিক্রি করেনা।
এদিকে বাবাও দাম বাড়িয়ে চলছেন । ১০০০০, ১৫০০০, ২০০০০ … । কিন্তু কেউ এখন বিক্রি করবেনা। সবাই অপেক্ষা করছে কখন ৫০০০০ টাকার কাছকাছি যাবে। পুরো গ্রামে উত্তেজনা। এই বুঝি বড়লোক হয়ে গেলাম।
যারা বানর কিনেনি তাদের নিয়ে লোকজন হাসাহাসি করে, ঈশ কত বোকা!
একদিন সকালে তারা দেখল বাবার আস্তানা খালি। বাবা আর তার শাগরেদরা তাদের তল্পিতল্পা গুটিয়ে গায়েব। পুরো গ্রাম এখন শুধুই বানরময়।
একেই বলে মাংকি বিজনেস।

যুবক, Evaly, ডেসটিনি, e -Orange, SPC, ring id, এহছান, আলিশা mLM এর হোতারা ঘুরে ফিরে আসবে, ভিন্ন ভিন্ন ফাঁদ নিয়ে। আর লোভে পড়ে ঠকতে থাকবে লোভী, অলস ও নির্বোধরা !

(সংগৃহীত)

13/10/2024


বাঙালি যখন হেলিকপ্টার বানায়, আমি তখন খুবই আগ্রহ নিয়ে ব্যাপারটা দেখি।

প্রথম হেলিকপ্টার বানাতে দেখি বছর দশেক আগে। খুলনা বা বাগেরহাট বা অন্য কোনো প্রত্যন্ত এক গ্রামে, এক কিশোর হেলিকপ্টার বানিয়েছেন। সেটা নিয়ে লোকাল মিডিয়ায় তখন সাংঘাতিক হৈ চৈ। একটা টেম্পুর মাথায় সিলিং ফ্যান উল্টা করে লাগানো হয়েছে। সুইচ দিলে সেই সিলিং ফ্যান ঘুরছে। টেম্পুর গায়ে লাগানো হয়েছে বাংলাদেশ বিমানের লোগো। লোগোর পাশে পরিষ্কার লেখা : বাংলাদেশ হেলিকপ্টার, মেকার: হানিফ।

হাজার হাজার মানুষ সেটা দেখতে এসেছে। সাংবাদিকরা আবেগঘন গলায় সেই হেলিক্পটারের বর্ণনা দিচ্ছে। ফেসবুকে সেই ভিডিও শেয়ার দিচ্ছেন লাখ খানেক মানুষ। সবার কথা একটাই, বাঙালি আসলে মেধাবী। শুধু বাংলাদেশে জন্মানোর কারণে তার মেধার সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে না। ইউরোপ আমেরিকা হলে এই বাঙালি ফাটিয়ে দিতো।

সর্বশেষ হেলিকপ্টার বানানো দেখলাম দিন তিনেক আগে। স্টিলের রড দিয়ে হেলিকপ্টারের মতো একটা বডি বানানো হয়েছে। মাথার উপর দুই ব্লেডের পাখা। হেলিকপ্টারের মেকার নিজেই পাইলটের সিটে বসে সুইচ দিয়ে পাখা চালু করলেন। হাজার হাজার মানুষ হাততালি দিলো। সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করলেন, হেলিকপ্টারে বসার সিট একটা কেন?

পাইলট কাম হেলিকপ্টার মেকার উত্তর দিলেন, টাকার অভাবে একটা সিট রাখছি। সরকারি সাহায্য পেলে দশ সিট বসাতে পারবো।

ভিডিওতে হাজারো বাঙালির কমেন্ট, ইউরোপ আমেরিকা হলে ... শুধু বাংলাদেশ বলে আমরা আগাতে পারছি না ...

তবে এবার নতুন ধরণের কিছু কমেন্ট চোখে পড়লো। একজন লিখেছে, প্রায়ই দেখি আপনারা হেলিকপ্টার বানান। কিন্তু এইসব হেলিকপ্টার উড়ে না ক্যান? বিষয়টা কী?

আসল প্রশ্ন এটাই। হেলিকপ্টার উড়ে না ক্যান। দেখতে হেলিকপ্টারের মতো, উপরে পাখাও ঘুরে, বডির গায়ে বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা হেলিকপ্টার। তবুও কেন এইসব হেলিকপ্টার উড়ে না ???

বাংলাদেশে যখন কেউ সংস্কারের কথা বলে, তখন আমার এইসব হেলিকপ্টারের কথা মনে পড়ে।

সংস্কারের কথা প্রথম জোরেশোরে শুনি এক এগারোর সময়। দেশে ব্যাপক সংস্কার আনা হবে। বিচার বিভাগ পৃথক হবে। স্বাধীন জুডিশিয়াল হবে। হ্যান হবে, ত্যান হবে। শেষমেষ যেটা হলো, সেটা হচ্ছে একটা হেলিকপ্টার। বাংলা হেলিকপ্টার। এই বস্তুর ঘুরন্ত পাখা আছে, বডি আছে এমনকি লেখাও আছে যে এই যন্ত্রটি হেলিকপ্টার। কিন্তু এটি উড়ে না।

আমাদের অনেকেরই ধারণা, সিস্টেম বদলালেই বোধহয় পরিবর্তন আসে। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা যারা বড় হয়েছি, তারা জানি, শুধু সিস্টেম দিয়ে কোনো পরিবর্তন আসে না। ভালো সিস্টেমের মধ্যে ভালো মানুষ, যোগ্য মানুষ, সৎ, বুদ্ধিমান ও দরদী মানুষ দরকার।

ষোল বছর পর আবারো সংস্কার শব্দটা উজ্জ্বল হয়ে জাতির সামনে এসেছে। এবার নাকি আমূল সংস্কার হবে। এরই দুই মাস পার হয়েছে। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, আমি এবারো জোরেশোরে একটা হেলিকপ্টারের নির্মাণের আয়োজন দেখছি। আমি দুঃখিত এই কথাটি বলার জন্য। সত্যি দুঃখিত।

আপনাদের নিয়ত নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। আপনারা আন্তরিকতা নিয়েও আমার কোনো দ্বিধা নেই। আপনাদের অনেককেই আমি ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করি।

শুধু এই পছন্দের তাগিদে বলি। আর হেলিকপ্টার বানায়েন না।

এই দেশের মানুষরা ক্লান্ত। তারা সত্যিকারের ম্যাজিক চায়। সত্যিকারের হেলিকপ্টার চায়, যেটা সত্যি সত্যি উড়ে।

This country needs to fly
Collected

08/10/2024


■■ রিযিক নিয়ে অসাধারণ সুন্দর একটি লেখাঃ

■■ রিযিকঃ
■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
■▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
■▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
■▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।

■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।

■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।

■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।

■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা'আলা নিয়েছেন।

■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।

■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!

■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।

■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!

■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!

■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।

■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)

■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)

■▪মহান আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, এবং হিফাযত করুন(আমীন)।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when 10 Minute Practice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share