Jagannath University,Dhaka

Jagannath University,Dhaka lime light of knowledge. The Official website of Jagannath University.For Admission exam, result, etc Visit:
http://www.jnu.ac.bd on diverse areas.

History of Jagannath University
Jagannath University is situated in the southern part of the city of Dhaka near the Buriganga. This prestigious educational establishment has a history of about 150 years which started in 1858 when Dhaka Brahma School was founded in 1858 by Dinanath Sen, Prabhaticharan Roy, Anathbandhu Mallik and Brajasundar Kaitra. The name Jagannath school was given by Kishorilal

Chowdhury, the Zamindar of Baliadi who took over the school in 1872 and renamed it after his father's name. In 1884, it was raised to a second grade college. Law was one of the first courses introduced in the college. A common management committee administered the school and college until 1887, when the school section was separated to form an independent school named Kishore Jubilee School. It is now known as K L Jubilee School. The administration of the college was transferred to a board of trustees in 1907. In the following year, it became a first grade college. The college started with only 48 students and in five years, the roll raised to 396. In 1910, Raja Manmath Roy Chowdhury, the zamindar of Santosh, tangail affiliated the Pramath-Manmath College of Tangail with Jagannath College.It was known as the best equipped private college in Dhaka as early as 1910. With the establishment of Dhaka University in 1921 the college had to stop admission in Degree courses and was renamed Jagannath Intermediate College. This status was changed after 28 years in 1949, when it reopened Degree classes. The college was taken over by the government in 1968. Jagannath College opened honours and masters programmes in 1975. That year the government once again took over the college and upgraded it into a postgraduate college. In 1982, the college closed its programmes of intermediate level.The college introduced evening shifts in 1992.The college was transformed into the Jagannath University in 2005. At present the University has 22 departments under 4 faculties. The faculties are Science, Arts, Business Studies and Social Science. Now 271 teachers are engaged in providing quality education of around 27000 students. The teachers and students of the college took active part in the Language Movement of the early 1950s, the mass movements of the 1960s and the War of Liberation of the country in 1971. The college produced tens of thousands graduates. Many of them have become famous at home and abroad. Noted among the alumni of the college are sufi motahar hosen (poet), Abdul Hamid (sports organiser and sports journalist), Bhabatosh Dutta (economist), Premendra Mitra (writer and poet), AR Yusuf (Bar-at-Law, State Minister of Bangladesh in early 1980s), A KMA Rouf (artist), Anisuzzaman (educationist, researcher), and Brozen Das (swimmer, the first Indian to swim across English Channel). The Management of University is striving to make this establishment as a center of excellence for creating successful and productive citizens of Bangladesh.

চীন সফরে জকসুর কেউ না থাকায় ছাত্র নেতাদের ক্ষোভ।
28/05/2026

চীন সফরে জকসুর কেউ না থাকায় ছাত্র নেতাদের ক্ষোভ।

ঈদ যাত্রা নিরাপদ হোক।
22/05/2026

ঈদ যাত্রা নিরাপদ হোক।

নির্বাচিতদের অভিনন্দন!
22/05/2026

নির্বাচিতদের অভিনন্দন!

জাহাঙ্গীর নগরের সেই ধ র্ষ ণ চেষ্টাকারীকে ধরিয়ে দিতে পঞ্চাশ হাজার পুরষ্কার ঘোষণা।
22/05/2026

জাহাঙ্গীর নগরের সেই ধ র্ষ ণ চেষ্টাকারীকে ধরিয়ে দিতে পঞ্চাশ হাজার পুরষ্কার ঘোষণা।

চাইল্ড রে*প ও রেপিস্টদের নিয়ে একটা  চমৎকার অস্ট্রেলিয়ান শর্ট ফিল্ম আছে।The Disappearance of Willie Bingham (২০১৫)অনেকেই ...
21/05/2026

চাইল্ড রে*প ও রেপিস্টদের নিয়ে একটা চমৎকার অস্ট্রেলিয়ান শর্ট ফিল্ম আছে।
The Disappearance of Willie Bingham (২০১৫)

অনেকেই হয়তো দেখেছেন,আবার অনেকেই দেখেননি।যারা দেখেননি তাদের জন্য আমি মূল কাহিনীটা বলছি।(অবশ্যই কাল্পনিক কাহিনী)

​এই সিনেমার মূল চরিত্র উইলি বিংহাম।একজন অপরাধী,যার অপরাধ এক নিষ্পাপ বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খুন করা।

কিন্তু প্রচলিত ফাঁসি তার হবেনা।কারণ দেশ থেকে মৃত্যুদন্ড তুলে নেওয়া হয়েছে।সে জেলেই থাকবে এবং ভালো থাকবে জানে।তাই আদালতে সে নির্বিকার হাসিমুখে আছে।
কিন্তু আদালত ও আইন চাইলোনা এম্ন অপরাধীকে শুধু জেলে রাখতে। কিন্তু ফাঁসিও দেওয়া নিষিদ্ধ। তাহলে কি করা যায়?

আইন নতুন এক শাস্তির চিন্তাভাবনা করলো।যে শাস্তি পৃথিবীতে আগে হয়নি।এবং এই শাস্তির ফলাফল কি হয় অপরাধীদের মধ্যে দেখতে চাইলো আইন।

তাই নতুন এক আইন অনুযায়ী, তাকে দেওয়া হলো তার শাস্তি—'এক এক করে অঙ্গচ্ছেদ'।তবে ব্যাথাহীনভাবে।সার্জারীর মাধ্যমে।

ভুক্তভোগী পরিবারের ইচ্ছানুযায়ী ঠিক করা হবে অপরাধীর শরীরের ঠিক কোন অংশটি কখন কেটে ফেলা হবে!

ভুক্তভোগী পরিবার এই আইনে রাজি হলো।কাহিনীর শুরু।

​​জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে বসে ছিল উইলি। হঠাৎ ভারী বুটের আওয়াজ এগিয়ে এল। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলেন জর্জ মরটন নামের এক সরকারি কর্মকর্তা। শান্ত গলায় তিনি উইলিকে শোনালেন তার ওপর নেমে আসতে চলা সেই শাস্তির কথা।

এবার শাস্তি শুনে আর উইলির মুখে সেই নির্বিকার হাসি থাকলো না।

নিজের ভবিষ্যৎ শুনে ভয়ে-আতঙ্কে ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল উইলির, সেখানেই সে বমি করে দিল। সে চিৎকার করে মিনতি করল—তাকে যেন একবারে মেরে ফেলা হয়, বিষ দেওয়া হয় বা ফাঁসি দেওয়া হয়। কিন্তু আইন নিষ্ঠুর,তার মৃত্যুর আবেদন সরাসরি খারিজ হয়ে গেল।মৃত্যুদন্ড নিষিদ্ধ।

​শুরু হলো প্রথম অস্ত্রোপচার। অবশ করার পর নির্মমভাবে কেটে বাদ দেওয়া হলো তার ডান হাত আর বাঁ পা।অপারেশনটি গ্লাসের অপর পাশ দিয়ে দেখলো রে*প হওয়া বাচ্চাটার পুরো পরিবার।

এই পঙ্গু শরীর নিয়েই কয়েক মাস ধরে তাকে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে যাওয়া হতে লাগল বিভিন্ন অবাধ্য ও বখাটে কিশোরদের সামনে। রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত উইলিকে দিয়ে দেওয়ানো হলো বক্তৃতা—যাতে তার এই পরিণতি দেখে অন্য কোনো কিশোর অপরাধ করার সাহস না পায়।

তবে উইলি বিংহামের এখনো সাহস অবশিষ্ট ছিলো।এখনো সে জোর দিয়ে কথা বলতো,হাসতো,জেদ দেখাতো।

​কিন্তু শাস্তি তো কেবল শুরু হয়েছিল। কয়েক মাসের ব্যবধানে একে একে কেটে ফেলা হলো তার বাঁ হাত, ডান পা, একটা কিডনি, এমনকি ফুসফুসের একটা অংশও!

আস্তে আস্তে তার ভয়াবহ আতংকিত কান্নাকাটি ও পংগু শরীর বাচ্চা মেয়েটার পরিবারও সহ্য করতে পারছিলোনা।শুধু বাবা প্রতিবার আসছিলো,সাইন করছিলো অনুমতি পত্রে ও নির্বিকার চোখে গ্লাসের অন্যপাশে দাঁড়িয়ে সার্জারী দেখছিলো।

এই সার্জারিগুলোর ভিডিও আবার উইলিকে দেখানো হত রেকর্ড করে করে।

কিন্তু বাইরে সাধারণ মানুষ এই অমানবিক শাস্তির বিরুদ্ধে রাজপথে নামলো, উঠলো প্রতিবাদের ঝড়।এই শাস্তি অমানবিক।থামাও একে।হয় ফাঁসি দাও দ্রুত নাহয় জেল।

কিন্তু আইনের চাকা থামেনি, স্তব্ধ হয়নি সার্জারির ধারালো ছুরির শব্দ।
​দ্রুত মৃত্যু বা জেলের আরাম কোনো শাস্তি চাইল্ড রে*প ও মার্ডারের জন্য আর হবেনা।আইন কঠিন হয়ে রইলো।

​পাঁচ মাস পরের ঘটনা। এবার পঞ্চম অস্ত্রোপচারের পালা। যখন জানানো হলো এবার তার যৌনাঙ্গ কেটে ফেলা হবে, উইলি তখন কান্নায় ভেঙে পড়ল। পাগলের মতো কাকুতি-মিনতি করতে লাগল সে।

কিন্তু কাচের ওপাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভুক্তভোগী মেয়েটির বাবার চোখে তখন শুধুই প্রতিশোধের আগুন। তিনি ঠান্ডা মাথায় বুড়ো আঙুল উঁচিয়ে সম্মতি দিলেন। অ্যানেস্থেশিয়ার ইঞ্জেকশন পুশ করা হলো উইলির শরীরে... চিরতরে হারিয়ে গেল তার পুরুষত্ব।

​এই অপারেশনের পর উইলির ভেতরের মানুষটা পুরোপুরি ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। সে আর কোনোদিন একটা শব্দও উচ্চারণ করেনি, তার চোখে-মুখে আর কোনোদিন কোনো অনুভূতির লেশমাত্র দেখা যায়নি। সে বেঁচে থেকেও একটা জ্যান্ত লাশে পরিণত হলো।

​এরপরের সার্জারীর দিন যখন উপস্থিত হলো, তখন তার দুই কান, নাক এবং জিহ্বার অগ্রভাগ কেটে ফেলা হলো। লেজার দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হলো শরীরের অবশিষ্ট চামড়া। উইলি তখন যন্ত্রণারও অতীত। তার নিজের বলতে আর কোনো ইচ্ছাশক্তি অবশিষ্ট ছিল না।সে শুধু মনে মনে চাচ্ছিলো মৃত্যু।

​অপারেশন থিয়েটারের টেবিলে পড়ে থাকা মাংসপিণ্ডটার দিকে তাকিয়ে অবশেষে তৃপ্ত হলেন সেই মৃত মেয়ের বাবা।এরপরের সার্জারীর জন্য সে অনুমতি দিলে উইলির হার্ট বা ব্রেন অপারেশন করা হবে।উইলির মৃত্যু ঘটবে।শাস্তি শেষ হবে।

কিন্তু না,বাবা আর পরবর্তী সার্জারীর জন্য সাইন দিলেন না।তিনি বললেন তিনি সন্তুষ্ট।এখন সার্জারি বন্ধ করতে চান।

তিনি জর্জ মরটনের বাড়িয়ে দেওয়া ফাইলে সই করে জানিয়ে দিলেন—তিনি আর অস্ত্রোপচার বাড়াতে চান না। যাওয়ার আগে শেষবারের মতো এক তীব্র ঘৃণার দৃষ্টি ছুড়ে দিলেন উইলির দিকে।

​​আজ উইলি বিংহাম জেলের সবচেয়ে ওপরের তলার একটা ঘরে বন্দি। চব্বিশ ঘণ্টা তীব্র আলো জ্বলে সেই ঘরে, যেখানে অন্ধকারেরও কোনো অনুমতি নেই।

সে এখন এক জীবন্ত হুইলচেয়ারের সাথে চিরতরে আটকে যাওয়া এক মাংসের স্তূপ। সে শুনতে পায় না, ঘ্রাণ পায় না, স্বাদ পায় না, নড়াচড়া করার ক্ষমতা তো বহুদূরের কথা।

​সারাদিন শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে ঘরের সিলিংটার দিকে। শুধু মাসের শেষ সপ্তাহে তার এই জড়দেহের একটু নড়চড় হয়।

জর্জ মরটন তাকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে যান বিভিন্ন হাইস্কুলে। অবাধ্য ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে এনে দাঁড় করান সেই বিকলাঙ্গ, বীভৎস অবয়বকে—অপরাধের এক জীবন্ত, ভয়ঙ্কর ও চিরন্তন স্মারক হিসেবে।

সবাই আতংকে আতকে ওঠে।তাদের শ্বাস প্রশ্বাস থেমে যায়।মাথায় গেথে যায় চাইল্ড রে*প ও মার্ডারের শাস্তি চিরদিনের মত।

লেখা Balika by Dr. Omi

কাল নির্বাচন।
20/05/2026

কাল নির্বাচন।

মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশন স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয় বলে ধরা হয়। মোবাইল টাওয়ার থেকে নির্গত রেডিওফ্রিকোয়েন্...
18/05/2026

মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশন স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয় বলে ধরা হয়।

মোবাইল টাওয়ার থেকে নির্গত রেডিওফ্রিকোয়েন্সি (RF) রেডিয়েশন আন্তর্জাতিকভাবে নির্ধারিত নিরাপদ সীমার অনেক নিচে থাকে।

তবে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যুয়েটকে পরীক্ষা করে ২ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

ঈদুল আজহা ও গৃষ্মকালীন ছুটি ১৬ দিন।
18/05/2026

ঈদুল আজহা ও গৃষ্মকালীন ছুটি ১৬ দিন।

গবেষণা আগাতে হলে পোস্টডক জরুরি।
14/05/2026

গবেষণা আগাতে হলে পোস্টডক জরুরি।

সবাই জানি! কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা দিবে কে?
12/05/2026

সবাই জানি! কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা দিবে কে?

Address

9-10 Chittaranjan Avenue, Sadarghat
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jagannath University,Dhaka posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Jagannath University,Dhaka:

Share