28/05/2026
মান্নান হাই স্কুল এন্ড কলেজের কলেজ শাখা হয়তো এখনো অনেকের কাছে আন্ডাররেটেড, কিন্তু ফলাফল ও বাস্তবতা ভিন্ন গল্প বলে। এখানে তুলনামূলক কম জি,পি,এ নিয়ে ভর্তি হওয়া অনেক শিক্ষার্থীও এস,এস,সি ও এইচ,এস,সি শেষে এ প্লাস অর্জন করে বের হয়েছে—এমন রেকর্ড আমাদের আছে।
আমরা সবাই জানি, একাডেমিক জীবনে থার্ড ক্লাস বা জি,পি,এ ৩-এর নিচে নেমে গেলে ভবিষ্যতের অনেক চাকরির আবেদন ও সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। তাই শুধুমাত্র নাম দেখে নয়, একটি প্রতিষ্ঠানের বাস্তব পাশের হার, একাডেমিক পরিবেশ ও গাইডেন্স বিবেচনা করা জরুরি।
বর্তমানে আশেপাশের অনেক কলেজে ১৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩০-৩৫ জন পর্যন্ত ফেল করেছে। এমনকি নারায়ণগঞ্জ শহরের কিছু সরকারি কলেজেও পাশের হার ২৫%-৩৫% এর মধ্যে সীমাবদ্ধ। অন্যদিকে, অনেক শিক্ষার্থী শুধুমাত্র “অতিরিক্ত স্বাধীনতা” বা স্ট্রিক্ট রুলস এড়িয়ে চলার মানসিকতা থেকে দূরের প্রতিষ্ঠানে যেতে চায়। কিন্তু এই ক্রুশাল বয়সে ভুল সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের জন্য বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
সেই জায়গা থেকে মা-বাবাদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। কলেজ জীবনের অল্প সময়টুকু এমন প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা উচিত, যেখানে পড়াশোনা, গাইডেন্স ও ফলাফলের ধারাবাহিকতা রয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ, মান্নান হাই স্কুল এন্ড কলেজে এইচ,এস,সি (ইন্টার) পাশের হার ৯২% এবং এ প্লাসের হার ২৫%।
আমাদের ফ্যাকাল্টির অনেক প্রভাষক গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন, থিসিস করছেন, এম.ফিল সম্পন্ন করছেন কিংবা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন। আন্তরিক, দক্ষ এবং ফার্স্ট ক্লাস হোল্ডার শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ক্যারিয়ার গঠনের একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করার সুযোগ পাচ্ছে।
আজকের সঠিক সিদ্ধান্তই আগামী দিনের সুন্দর ভবিষ্যৎ তৈরি করে। তাই শুধু স্বাধীনতা নয়, প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা, মনিটরিং এবং একটি ফলপ্রসূ শিক্ষাব্যবস্থা।