17/12/2023
জেনে নিন শীতের কষ্ট উপেক্ষা করে ওজুর ফজিলত।
শীতকালে হাতের কনুই ও পায়ের গোড়ালী সতর্কতার সাথে ধৌত করি!
শীতকালে গরম পানির ব্যবস্থা না থাকলে ওজু করা একটু কষ্টকর। যারা গ্রামে থাকেন, যেখানে শীতের তীব্রতা বেশি। সেখানে শীতকালে ওজু করা আরো বেশি কষ্টের। এই কষ্টের সময়েও যারা আমরা কষ্ট উপেক্ষা করে পরিপূর্ণ রূপে ওজু করে থাকেন, তাদের জন্য কী পুরস্কার আছে জানতে চান? চলুন একটি হাদীস পড়ে নেয়া যাক।
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্ণিত: রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ আমি কি তোমাদের এমন কাজ জানাবো না, যা করলে আল্লাহ (বান্দার) পাপরাশি দূর করে দেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন? লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি বলুন। তিনি বললেনঃ অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণরূপে ওযূ করা, মাসজিদে আসার জন্যে বেশি পদচারণা করা এবং এক সালাতের পর আর এক সালাতের জন্যে প্রতীক্ষা করা; আর এ কাজগুলোই হল সীমান্ত প্রহরা।
(সহীহ মুসলিম, তাহারাত অধ্যায়। হাদীস নং ৪৭৫)
এর থেকে বুঝা যায় শীত বা অন্য যে কোনো কষ্টের সময়েও যদি আমরা উত্তম রূপে ওজু করে সালাত আদায় করি। এর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা আমাদের পাপরাশি দূর করে দিবেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন। সুবহানাল্লাহ!
শীতকালে ওজু সম্পর্কে একটি বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা জরুরি মনে করছি। তা হলো: শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে শীতকালে আমাদের ত্বকও শুষ্ক হয়ে থাকে। ফলে সতর্ক ভাবে প্রতিটি অঙ্গে পানি পৌঁছানো না হলে আশংকা থেকে যায় ওজুর কিছু স্থান শুকনা থাকার। বিশেষ করে হাতের কনুই ও পায়ের গোড়ালির শক্ত চামড়ায় সহজে পানি পৌঁছে না। অন্য ঋতুতে যেভাবে হাত ধোয়া হয় শুধু সেভাবে ধুলে শীতকালে দেখা যায় কনুইয়ের কিছু অংশ শুকনা থেকে গেছে। তাই এ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আমলে নিই।
আল্লাহ আমাদেরকে শীত-গ্রীষ্ম সকল ঋতুতে অল্প পানি দিয়ে উত্তম ভাবে ওজু করার তাওফিক দান করুন। আমীন