30/05/2020
বাইরের লকডাউন শেষ, নিজের লকডাউন শুরু,মনে রাখবেন আমাদের যুদ্ধ করে বেচে থাকতে হবে।
1. কাউকে গায়ের কাছে ঘেঁষতে দেবেন না।
2. আগামী অন্ততঃ ৬ মাস আরো দ্বিগুণ সাবধান হোন,
3. মাস্কের সাথে ফেস্ শিল্ড ব্যাবহার করুন বাইরে বেরোলে, খুব কার্যকরী।
4. পকেটে সবসময় স্যানিটাইজার রাখুন - প্রতি আধঘন্টা বা প্রতি ঘন্টায় হাতে মাখুন।
5. মোবাইলটি একটি পলি ব্যাগে রাখুন- মোবাইল প্রধান Fomite হতে পারে- fomite এর মানে কী? গুগোল করুন।
6. হেডফোন- না!!! এই সময়টাতে আপাতত হেডফোন এভয়েড করাই উত্তম।
7. স্পিকার মোডে কল রিসিভ- হ্যাঁ!
8. পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ভিড় এড়িয়ে চলুন - এটা সবথেকে রিস্কি জায়গা।
9. বাড়ির বাইরে খাওয়া - একেবারে বন্ধ। শুকনো high calorie snack যেমন বাদাম, শুকনো ফল অল্প রাখুন সাথে, নিজের পানির বোতল আলাদা করে ফেলুন।
10. বাহিরে বা কর্মস্হলে খাবার বা পানি শেয়ারিং বন্ধ করুন।
11. অপ্রয়োজনীয় লোকসমাগম এড়িয়ে চলুন।
12. বাইরে থেকে বা বাজারে পাওয়া টাকা, নোট আলাদা পলিথিনে রাখুন। পারলে দুদিন একটা ট্রেতে রেখে দিন খোলা হাওয়াতে।
13. যেখানে - সেখানে হেলান দেওয়া , বসা, কনুইএ ভর দেওয়া - ভুলে যান।
14. একটা ক্যাপ মাথায় থাকলে ভালো, মহিলাদের ক্ষেত্রে ওড়না।
15. কাপড়ের ব্যাগ বা কৃত্রিম লেদার ব্যাগ নিয়ে বাহিরে বের হন। যা প্রায় ধোয়া যাবে। লেদার বা মোটা ক্যানভাসের ব্যাগের ফ্যাশন, স্টেটাস পরে হবে।
16. ঘড়ি, আংটি এবং জুয়েলারি ফ্যাশন - না!! এই সময় ফ্যাশনটা একটু দূরে রাখুন। সেফ থাকুন।
17. পাবলিক ওয়াশরুম- বুঝে শুনে! (তবে ব্যবহার না করার চেষ্টা করলেই ভালো)।
18. মাস্ক রোজ চেন্জ হবে। অথবা মিনিমাম ২ঘন্টা সাবান পানি দিয়ে ভিজিয়ে রেখে দিন। সাথে বাইরে থেকে আসার সময় পরিধেয় কাপড়চোপড় সব।
21. গ্লাভস্ প্রয়োজন নেই যদি বারবার হাত ধুতে পারেন এবং মুখে - চোখে হাত দেওয়ার বদ অভ্যাস না থাকে। বরং গ্লাভ্স এ জীবানু লেগে থাকার রিস্ক বেশী।
22. বাইরে বের হইতে হলে চশমা ব্যবহারের অভ্যাস করুন।
23. রোজ ২০ মিনিট রোদ লাগানোর এবং হালকা ব্যায়াম করুন।
24. খাদ্য ও ঘুমের অভ্যাসে সামান্য কিছু পরিবর্তন আনুন।
25. নিয়মিত উষ্ণ গরম পানি লবণ দিয়ে পান করুন। ও প্রত্যহ গোসলে গরম পানি ব্যবহার করুন।
মনে রাখবেন আপনার সচেতনতাই পারে আপনাকে সুস্হ রাখতে।