Sanwara Begum - Legal Adviser

Sanwara Begum - Legal Adviser Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sanwara Begum - Legal Adviser, Fulbaria.

I can advise people about their legal problems specially criminal sides ( like Durg Act , Arms Act , Drowry Act, muder case etc ) & Nari-Shishu , Marrige , Devoce , Denmohor , Succetion case , also Civil facts .

20/06/2026

বিচ্ছেদ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে হয়, সন্তানের সাথে নয়! সুতরাং সন্তান যার কাছেই থাকুক না কেন, ভরণপোষণ বাবাকেই দিতে হবে।
আইনের চোখে 'কাস্টডি বা জিম্মাদারি' (সন্তান কার কাছে থাকবে) এবং 'ভরণপোষণ বা মেইনটেইন্যান্স' (সন্তানের খরচ কে দেবে)- দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। এই দুইটিকে এক করে ফেলার কোনো আইনি সুযোগ নেই।

⚫১. জিম্মাদারি মায়ের, খরচ বাবার: মুসলিম পারিবারিক আইন এবং বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, ডিভোর্সের পর সন্তান নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত মায়ের জিম্মাদারিতে (Custody) থাকবে। কিন্তু সন্তান মায়ের কাছে থাকার অর্থ এই নয় যে, বাবা তার দায়িত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে গেছেন।

⚫২. বাবার একক বাধ্যবাধকতা: আইন অনুযায়ী, সন্তানের ভরণপোষণ বা খরচ জোগানোর সম্পূর্ণ এবং একক দায়িত্ব কেবলই বাবার। বাবার আর্থিক সামর্থ্য যেমনই হোক না কেন, আইনত তিনি নিজের সন্তানকে খোরপোশ দিতে বাধ্য। মা ধনী হলেও বাবাকে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে।

⚫৩. কতদিন পর্যন্ত খরচ দিতে হবে?
ছেলে সন্তানের ক্ষেত্রে: যতদিন না সে প্রাপ্তবয়স্ক হচ্ছে (সাধারণত ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত) এবং নিজের আয় করার যোগ্যতা অর্জন করছে।
মেয়ে সন্তানের ক্ষেত্রে: যতদিন না মেয়ের বিয়ে হচ্ছে। অর্থাৎ, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরেও যদি মেয়ে অবিবাহিত থাকে, তার সম্পূর্ণ খরচ বাবাকেই বহন করতে হবে। এমনকি ডিভোর্সি বা বিধবা মেয়ের ভরণপোষণের দায়িত্বও বিশেষ পরিস্থিতিতে বাবার ওপর বর্তায়।
আদালতের অবস্থান: ফ্যামিলি কোর্টস অর্ডিন্যান্স (Family Courts Ordinance) অনুযায়ী, বাবা যদি স্বেচ্ছায় সন্তানের খরচ না দেন, তবে মা সন্তানের পক্ষ হয়ে পারিবারিক আদালতে 'ভরণপোষণের মামলা' করতে পারেন। আদালত বাবার আয়-উপার্জন বিবেচনা করে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা (যা সন্তানের শিক্ষা ও জীবনযাত্রার জন্য উপযুক্ত) নির্ধারণ করে দেবেন এবং বাবা তা দিতে বাধ্য থাকবেন।

নাদায়ে আইনগত কঠোর ব্যবস্থার বিধান রয়েছে।
বিশেষ পরামর্শ: দাম্পত্য জীবনের তিক্ততার জেরে স্বামী-স্ত্রীর পথ আলাদা হতেই পারে। কিন্তু সেই জেদ বা ক্ষোভের বলি যেন নিষ্পাপ সন্তানটি না হয়। মনে রাখবেন, বিচ্ছেদ আপনার স্ত্রীর সাথে হয়েছে, আপনার সন্তানের সাথে নয়। সন্তানের অধিকার নষ্ট করা কেবল আইনি অপরাধই নয়, নৈতিকভাবেও মস্ত বড় অন্যায়।
#সংগৃহীত

14/06/2026

"সম্পর্কই যখন ভেঙে গেল, তখন আমার দেওয়া সব গহনা কেন সে নিয়ে যাবে?" কিংবা "তালাক হয়ে গেছে, এখন কি শ্বশুরবাড়ির দেওয়া গহনাগুলো আমাকে ফেরত দিয়ে দিতে হবে?" সংসার ভাঙার কঠিন সময়ে এই প্রশ্নগুলো উভয় পক্ষকেই তীব্র মানসিক অশান্তিতে ভোগায়।

অনেক সময় দেখা যায়, আইন না জানার কারণে স্ত্রী তার আইনসঙ্গত গহনাও শ্বশুরবাড়িতে ফেলে আসেন। আবার অনেক বরপক্ষ মনে করেন, তালাক দিলে সব গহনাই বুঝি ফেরত পাওয়া যাবে। আইন কিন্তু এই বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট এবং বাস্তবসম্মত। আজ আমরা জানবো, তালাকের পর আসলে কোন গহনা কার এবং কোনগুলো ফেরত দিতে হয় না।

বস্তুত যা দেখা যায়, জোরপূর্বক গহনা রেখে দেওয়া বা সম্পূর্ণ ফেরতের চাপ:
বিবাহ বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু হলেই অনেক সময় দেখা যায়, স্ত্রীর অলঙ্কারগুলো স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির লোকজন নিজেদের জিম্মায় নিয়ে নেন। তাদের ধারণা, সম্পর্ক না থাকলে এই গহনাগুলোর ওপর স্ত্রীর আর কোনো অধিকার থাকে না।

অন্যদিকে, কনেপক্ষও অনেক সময় দ্বিধায় থাকেন যে আইনি জটিলতা এড়াতে গহনাগুলো ফেরত দিয়ে দেওয়া উচিত কি না। এই অজ্ঞতার কারণে অনেকেই নিজের বৈধ অধিকার থেকে বঞ্চিত হন।

আইনগত ব্যাখ্যা ও রেফারেন্স
বাংলাদেশে প্রচলিত মুসলিম পারিবারিক আইন, হিন্দু আইন এবং চুক্তি আইন (Contract Act, 1872) অনুযায়ী গহনা ফেরতের বিষয়টি কনেকে দেওয়া উপহারের উৎসের ওপর নির্ভর করে:

১. বরের পক্ষ থেকে দেওয়া গহনা: বিয়ের সময় বা পরে বরের পরিবার কনেকে যে গহনা পরিয়ে দেন, তা আইনগতভাবে একটি ‘পূর্ণাঙ্গ দান’ বা ‘হেবা’। মুসলিম আইন অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এই দান সম্পন্ন হওয়ার পর তা আর প্রত্যাহার বা ফেরত নেওয়া যায় না। সুতরাং, তালাক হলেও বরের দেওয়া গহনা স্ত্রীকে ফেরত দিতে হবে না। এটি সম্পূর্ণ স্ত্রীর সম্পত্তি।

২. কনের নিজের বা বাবার বাড়ির গহনা: কনের মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন বা কনে নিজে যা কিনেছেন, তা তো সম্পূর্ণই কনের নিজস্ব সম্পত্তি বা ‘স্ত্রীধন’। এই গহনা ফেরত দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।

৩. শর্তসাপেক্ষ গহনা (যা ফেরত দিতে হতে পারে): যদি কোনো গহনা বিয়ের সময় কনেকে শুধু ‘পড়ার জন্য’ বা সাময়িকভাবে ব্যবহারের জন্য ধার দেওয়া হয়ে থাকে (যেমন: শাশুড়ি বা দাদীর কোনো পারিবারিক ঐতিহ্যবাহী গহনা যা পরিষ্কারভাবে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়নি), তবে মালিকানার প্রমাণ সাপেক্ষে তা ফেরতযোগ্য হতে পারে। তবে সাধারণ উপহার হিসেবে দেওয়া গহনার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।

সাধারণ প্রতিকার ও আইনি অবস্থান
আইন অনুযায়ী, তালাক যে পক্ষ থেকেই দেওয়া হোক না কেন (স্বামী বা স্ত্রী), উপহার হিসেবে পাওয়া গহনার মালিকানা স্ত্রীরই থাকে।

১. যদি স্বামী বা তার পরিবার এই গহনা জোরপূর্বক আটকে রাখে, তবে স্ত্রী পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ এর অধীনে গহনা বা তার সমমূল্য উদ্ধারের মামলা করতে পারেন।

২. গহনা আত্মসাতের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির নিদির্ষ্ট ধারায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

৩. কোনো পক্ষই যেন গহনা নিয়ে মিথ্যা দাবি করতে না পারে, সেজন্য বিয়ের সময় বা বিচ্ছেদের আপোষনামায় গহনার বিবরণ স্পষ্ট থাকা প্রয়োজন।

আইনকানুনগুলো সবার জন্য এক হলেও, প্রতিটি ঘটনার প্রেক্ষাপট, পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং দেনা-পাওনার হিসাব সাধারণত ভিন্ন হয়। তাই যেকোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে একজন দক্ষ আইনজীবীর সাথে সরাসরি পরামর্শ করা সবসময় শ্রেয়।

10/06/2026
Eid Mubarak to all....
20/03/2026

Eid Mubarak to all....

19/03/2026

#নবীন আইনজীবীদের জন্য কিছু কথা!!

#প্রথমত: সৎ সিনিয়রের সাথে কাজ করবেন। তেলবাজ, রাজনৈতিক হেডমওয়ালা এবং তথাকথিত লুচ্চা (Characterless) সিনিয়র এড়িয়ে চলবেন।

#দ্বিতীয়ত: সবসময় সময়কে proper utilize করবেন। কোর্টে অযথা কারো সাথে ফাও প্যাচাল পাড়বেন না। আপনার সিনিয়র যে কাজ দিবে তা শেষ করার পর লাইব্রেরি ওয়ার্ক করবেন বা কোন একটা এজলাসে বসবেন সিনিয়রদের শুনানি দেখার জন্য। নতুন নতুন জানা বিষয় প্যাডে টুকে নিবেন।

#তৃতীয়ত: সিনিয়রের ক্লায়েন্টের সাথে এমনভাবে কথা বলবেন, যেন সে আপনার নিজের ক্লায়েন্ট। Neglency বা rudeness কোনটাই দেখাবেন না। পরবর্তীতে তিনি বা তার বন্ধু আপনার সিনিয়রের অবর্তমানে আপনাকে বিশ্বাস করে মামলা দিবে।

#চতুর্থত: জামিন শুনানি শেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে পোস্ট করবেন না "সফল জামিন শুনানি শেষে "...... এতে সবাই আপনাকে হাসির পাত্র বানাবে। Be mature!!

#পঞ্চমত: প্রতি মাসে টুকটাক আইনের বই কিনবেন। যখনই সময় পাবেন, তখনই চোখ বুলাবেন। আর যখন নিজের চেম্বার হবে, তখন সেগুলো কাজেও লাগাতে পারবেন।

#ষষ্ঠত: বোনেরা, আপনারারা যেখানে সিনিয়রের চোখে কন্যাসুলভ দৃষ্টি খুঁজে না পান, সেখান থেকে মানে মানে কেটে পড়বেন। আর স্বামী, সন্তান, সংসার, বাবা-মা first priority দিবেন। তারপর কোর্ট। কারণ বিপদে পড়লে স্বামী আর বাবা - মা পাশে থাকে। কোন কলিগকে পাওয়া যায় না।

#সপ্তমত: পেশাগত জীবনের শুরুতেই মাসিক ইনকাম নিয়ে হতাশাগ্রস্ত হওয়া যাবে না। কারণ আদালতে প্রচুর মামলা আর তার দ্বিগুণ আইনজীবী। শুরুতেই কেউ আপনাকে মামলা দিবে না। ধৈর্য ধরে কাজ শিখে ক্লায়েন্টের সাথে dealing শিখে একজন ভালো মানের trial lawyer হতে হবে। সফলতা একদিনে আসে না।

#একজন আইনজীবীর ইনকাম নির্ধারিত নয়। তক্বদীরের উপর ছেড়ে দিয়ে পরিশ্রম করে যান। সিনিয়রের ভরসার পাত্র হন। মামলা আসবে, টাকাও আসবে।

#এত কথার সারকথা হলো একজন আইনজীবীকে পড়তে হবে এবং বেশুমার পড়তে হবে।

সবার জন্য দোয়া আর শুভকামনা রইল।

#সংগৃহীত : তবে এগুলোই প্র্যাকটিসের ক্ষেত্রে রিয়াল ফ্যাক্ট ৷

23/02/2026

পরিবারের মধ্যে বন্টনামা দলিল করার নিয়ম:
মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগাভাগির জন্য একটি বন্টননামা দলিল করতে হয়, যেখানে মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ, সম্পত্তির দলিল, এবং সকল ওয়ারিশের লিখিত সম্মতি আবশ্যক; এটি স্ট্যাম্প পেপারে লিখে রেজিস্ট্রি করতে হয় এবং এর জন্য যথাযথ ফি প্রদান করতে হয়, যা ভবিষ্যতে বিবাদ এড়াতে ও নামজারির জন্য অপরিহার্য।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

➡️ মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ (Death Certificate): যার সম্পত্তি বন্টন হবে, তার।

➡️ ওয়ারিশ সনদ (Succession Certificate): সকল ওয়ারিশের।

➡️ সম্পত্তির মূল দলিল: বন্টন করা হবে এমন সম্পত্তির।

➡️ সকল ওয়ারিশের সম্মতিপত্র: প্রত্যেকের স্বাক্ষরসহ।

➡️ বন্টনামা দলিলের খসড়া: সম্পত্তির বিবরণ ও অংশ উল্লেখসহ।

পদ্ধতি:
খসড়া তৈরি: একজন আইনজীবীর সহায়তায় একটি বন্টনামা দলিল তৈরি করুন, যেখানে সম্পত্তির প্রতিটি অংশ ও ওয়ারিশদের নাম স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে।

স্ট্যাম্প পেপারে লেখা: দলিলটি উপযুক্ত মূল্যের স্ট্যাম্প পেপারে লিখতে হবে।

সকল ওয়ারিশের স্বাক্ষর: সকল ওয়ারিশ (বা তাদের বৈধ প্রতিনিধি) দলিলের উপর স্বাক্ষর করবেন।

রেজিস্ট্রেশন: সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দলিলটি রেজিস্ট্রি করতে হবে, যা (1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইন) অনুযায়ী বাধ্যতামূলক।

ফি জমা: রেজিস্ট্রেশন ফি, ই-ফি, এন-ফি ইত্যাদি ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
আইনের প্রয়োগ: 《১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩(খ)》 ধারা অনুযায়ী ওয়ারিশদের মধ্যে বন্টননামা দলিল করা হয়।

উদ্দেশ্য: এটি ওয়ারিশদের মধ্যে ভবিষ্যতে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদ এড়াতে এবং নামজারির (Mutation) জন্য একটি চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।

আইনি বাধ্যবাধকতা: বন্টনামা দলিল ছাড়া ওয়ারিশি সম্পত্তির নামজারি করা কঠিন, তাই এটি রেজিস্ট্রি করা জরুরি।

উৎস কর: বন্টনামা দলিলের ক্ষেত্রে উৎস কর প্রযোজ্য হয় না (উৎস কর বিধিমালা, ২০২৪ অনুযায়ী)

Address

Fulbaria

Telephone

+8801722575784

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sanwara Begum - Legal Adviser posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Sanwara Begum - Legal Adviser:

Share