Sanwara Begum - Legal Adviser

Sanwara Begum - Legal Adviser Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sanwara Begum - Legal Adviser, Fulbaria.

I can advise people about their legal problems specially criminal sides ( like Durg Act , Arms Act , Drowry Act, muder case etc ) & Nari-Shishu , Marrige , Devoce , Denmohor , Succetion case , also Civil facts .

Eid Mubarak to all....
20/03/2026

Eid Mubarak to all....

19/03/2026

#নবীন আইনজীবীদের জন্য কিছু কথা!!

#প্রথমত: সৎ সিনিয়রের সাথে কাজ করবেন। তেলবাজ, রাজনৈতিক হেডমওয়ালা এবং তথাকথিত লুচ্চা (Characterless) সিনিয়র এড়িয়ে চলবেন।

#দ্বিতীয়ত: সবসময় সময়কে proper utilize করবেন। কোর্টে অযথা কারো সাথে ফাও প্যাচাল পাড়বেন না। আপনার সিনিয়র যে কাজ দিবে তা শেষ করার পর লাইব্রেরি ওয়ার্ক করবেন বা কোন একটা এজলাসে বসবেন সিনিয়রদের শুনানি দেখার জন্য। নতুন নতুন জানা বিষয় প্যাডে টুকে নিবেন।

#তৃতীয়ত: সিনিয়রের ক্লায়েন্টের সাথে এমনভাবে কথা বলবেন, যেন সে আপনার নিজের ক্লায়েন্ট। Neglency বা rudeness কোনটাই দেখাবেন না। পরবর্তীতে তিনি বা তার বন্ধু আপনার সিনিয়রের অবর্তমানে আপনাকে বিশ্বাস করে মামলা দিবে।

#চতুর্থত: জামিন শুনানি শেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে পোস্ট করবেন না "সফল জামিন শুনানি শেষে "...... এতে সবাই আপনাকে হাসির পাত্র বানাবে। Be mature!!

#পঞ্চমত: প্রতি মাসে টুকটাক আইনের বই কিনবেন। যখনই সময় পাবেন, তখনই চোখ বুলাবেন। আর যখন নিজের চেম্বার হবে, তখন সেগুলো কাজেও লাগাতে পারবেন।

#ষষ্ঠত: বোনেরা, আপনারারা যেখানে সিনিয়রের চোখে কন্যাসুলভ দৃষ্টি খুঁজে না পান, সেখান থেকে মানে মানে কেটে পড়বেন। আর স্বামী, সন্তান, সংসার, বাবা-মা first priority দিবেন। তারপর কোর্ট। কারণ বিপদে পড়লে স্বামী আর বাবা - মা পাশে থাকে। কোন কলিগকে পাওয়া যায় না।

#সপ্তমত: পেশাগত জীবনের শুরুতেই মাসিক ইনকাম নিয়ে হতাশাগ্রস্ত হওয়া যাবে না। কারণ আদালতে প্রচুর মামলা আর তার দ্বিগুণ আইনজীবী। শুরুতেই কেউ আপনাকে মামলা দিবে না। ধৈর্য ধরে কাজ শিখে ক্লায়েন্টের সাথে dealing শিখে একজন ভালো মানের trial lawyer হতে হবে। সফলতা একদিনে আসে না।

#একজন আইনজীবীর ইনকাম নির্ধারিত নয়। তক্বদীরের উপর ছেড়ে দিয়ে পরিশ্রম করে যান। সিনিয়রের ভরসার পাত্র হন। মামলা আসবে, টাকাও আসবে।

#এত কথার সারকথা হলো একজন আইনজীবীকে পড়তে হবে এবং বেশুমার পড়তে হবে।

সবার জন্য দোয়া আর শুভকামনা রইল।

#সংগৃহীত : তবে এগুলোই প্র্যাকটিসের ক্ষেত্রে রিয়াল ফ্যাক্ট ৷

23/02/2026

পরিবারের মধ্যে বন্টনামা দলিল করার নিয়ম:
মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগাভাগির জন্য একটি বন্টননামা দলিল করতে হয়, যেখানে মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ, সম্পত্তির দলিল, এবং সকল ওয়ারিশের লিখিত সম্মতি আবশ্যক; এটি স্ট্যাম্প পেপারে লিখে রেজিস্ট্রি করতে হয় এবং এর জন্য যথাযথ ফি প্রদান করতে হয়, যা ভবিষ্যতে বিবাদ এড়াতে ও নামজারির জন্য অপরিহার্য।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

➡️ মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ (Death Certificate): যার সম্পত্তি বন্টন হবে, তার।

➡️ ওয়ারিশ সনদ (Succession Certificate): সকল ওয়ারিশের।

➡️ সম্পত্তির মূল দলিল: বন্টন করা হবে এমন সম্পত্তির।

➡️ সকল ওয়ারিশের সম্মতিপত্র: প্রত্যেকের স্বাক্ষরসহ।

➡️ বন্টনামা দলিলের খসড়া: সম্পত্তির বিবরণ ও অংশ উল্লেখসহ।

পদ্ধতি:
খসড়া তৈরি: একজন আইনজীবীর সহায়তায় একটি বন্টনামা দলিল তৈরি করুন, যেখানে সম্পত্তির প্রতিটি অংশ ও ওয়ারিশদের নাম স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে।

স্ট্যাম্প পেপারে লেখা: দলিলটি উপযুক্ত মূল্যের স্ট্যাম্প পেপারে লিখতে হবে।

সকল ওয়ারিশের স্বাক্ষর: সকল ওয়ারিশ (বা তাদের বৈধ প্রতিনিধি) দলিলের উপর স্বাক্ষর করবেন।

রেজিস্ট্রেশন: সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দলিলটি রেজিস্ট্রি করতে হবে, যা (1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইন) অনুযায়ী বাধ্যতামূলক।

ফি জমা: রেজিস্ট্রেশন ফি, ই-ফি, এন-ফি ইত্যাদি ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
আইনের প্রয়োগ: 《১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩(খ)》 ধারা অনুযায়ী ওয়ারিশদের মধ্যে বন্টননামা দলিল করা হয়।

উদ্দেশ্য: এটি ওয়ারিশদের মধ্যে ভবিষ্যতে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদ এড়াতে এবং নামজারির (Mutation) জন্য একটি চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।

আইনি বাধ্যবাধকতা: বন্টনামা দলিল ছাড়া ওয়ারিশি সম্পত্তির নামজারি করা কঠিন, তাই এটি রেজিস্ট্রি করা জরুরি।

উৎস কর: বন্টনামা দলিলের ক্ষেত্রে উৎস কর প্রযোজ্য হয় না (উৎস কর বিধিমালা, ২০২৪ অনুযায়ী)

18/02/2026
৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকার কম মূল্যের চেকের মামলা বিজ্ঞ ম্যাজিষ্ট্রেটগণ বিচার করিবেন।
17/02/2026

৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকার কম মূল্যের চেকের মামলা বিজ্ঞ ম্যাজিষ্ট্রেটগণ বিচার করিবেন।

09/02/2026

❓প্রশ্ন ১: স্ত্রীর ভরণপোষণ দেওয়া কি স্বামীর জন্য বাধ্যতামূলক?
✅উত্তর: হ্যাঁ, মুসলিম পারিবারিক আইন এবং শরিয়ত অনুযায়ী, স্ত্রীর অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান এবং চিকিৎসার খরচ মেটানো স্বামীর জন্য বাধ্যতামূলক। স্ত্রী যদি কর্মজীবী বা ধনীও হন, তবুও স্বামী তার ভরণপোষণ দিতে বাধ্য।

❓​প্রশ্ন ২: তালাক হয়ে গেলে কি ভরণপোষণ দিতে হয়?
✅উত্তর: তালাকের পর স্ত্রীকে কেবল 'ইদ্দত' কালীন সময়ের (সাধারণত ৩ মাস ১০ দিন) ভরণপোষণ দিতে হয়। তবে বর্তমান আইন অনুযায়ী, বকেয়া দেনমোহর এবং সন্তানদের খরচ স্বামীকেই বহন করতে হয়।
❓​প্রশ্ন ৩: সন্তান মায়ের কাছে থাকলে বাবা কি খরচ দিতে বাধ্য?
✅উত্তর: অবশ্যই। সন্তান কার জিম্মায় (Custody) আছে সেটি বড় কথা নয়, সন্তানের আর্থিক খরচ (ভরণপোষণ) দেওয়া বাবার আইনি দায়িত্ব। বাবা এটি অস্বীকার করতে পারেন না।

❓​প্রশ্ন ৪: কত বছর বয়স পর্যন্ত সন্তানকে খরচ দিতে হয়?
✅উত্তর: * ছেলে সন্তান: সাবালক বা প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত।
​মেয়ে সন্তান: বিয়ের আগ পর্যন্ত (এমনকি মেয়ে বড় হয়ে গেলেও যদি অবিবাহিত থাকে, তবে বাবা খরচ দিতে বাধ্য)।

👉​অক্ষম সন্তান: সন্তান যদি শারীরিক বা মানসিকভাবে অক্ষম হয়, তবে আজীবন বাবা তার ভরণপোষণ দেবেন।

❓​প্রশ্ন ৫: স্বামী বা বাবা ভরণপোষণ না দিলে আইনি প্রতিকার কী?
✅উত্তর: যদি স্বামী ভরণপোষণ দিতে অস্বীকার করেন, তবে স্ত্রী 'পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩' অনুযায়ী পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারেন। আদালত স্বামীর আয় ও সামর্থ্য বিবেচনা করে মাসিক ভাতার পরিমাণ নির্ধারণ করে দেবেন।

❓​প্রশ্ন ৬: দেনমোহর আর ভরণপোষণ কি একই জিনিস?
✅উত্তর: না। দেনমোহর হলো বিয়ের সময় স্ত্রীর প্রাপ্য একটি নির্দিষ্ট অংক। আর ভরণপোষণ হলো দৈনন্দিন জীবনযাপনের খরচ। দেনমোহর পরিশোধ করলেও নিয়মিত ভরণপোষণ দিয়ে যেতে হবে।

​👉মনে রাখবেন: ভরণপোষণ কোনো দয়া নয়, এটি স্ত্রী ও সন্তানের আইনি অধিকার। সুখী পরিবার গড়তে একে অপরের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হোন।

07/12/2025

🔹 ১ম ধাপ: বুঝে নিন কোন কোন কাগজ হারিয়েছে
জমির মূল কাগজপত্র বলতে বোঝায়—

✔️ খতিয়ান (CS, SA, RS, BS)
✔️ দলিল (বায়া দলিল/রেজিস্ট্রি দলিল)
✔️ মৌজা ম্যাপ বা নকশা
এই কাগজগুলো ছাড়া জমির মালিকানা প্রমাণে সমস্যা হয়, ব্যাংক লোন বা নামজারি করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

---

🔹 ২য় ধাপ: খতিয়ান কোথায় পাবেন?
খতিয়ান তুলতে আপনাকে যেতে হবে নিচের অফিসগুলিতে—

১. ইউনিয়ন ভূমি অফিস (তহশিল অফিস)
২. উপজেলা ভূমি অফিস
3. জেলা প্রশাসকের (ডিসি) অফিস
4. সেটেলমেন্ট অফিস

কীভাবে পাবেন?
🔸 ইউনিয়ন অফিস: এখান থেকে আপনি শুধু খসড়া খতিয়ান জেনে নিতে পারেন। খাজনাও এখানেই দিতে হয়।
🔸 উপজেলা অফিস: নামজারি হয় এখানে। মাঝে মাঝে খসড়া কপি পাওয়া যায়।
🔸 ডিসি অফিস: এখান থেকে সার্টিফাইড খতিয়ান পাবেন—সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
🔸 সেটেলমেন্ট অফিস: জরিপের পর নতুন খতিয়ান ও ম্যাপ এখান থেকে পাওয়া যায়।

✅ টিপস: আপনি যদি না জানেন জমির খতিয়ান নম্বর কী, তাহলে প্রথমে তহশিল অফিস থেকে সেটা জেনে নিন।


🔹 ৩য় ধাপ: দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা এর নকল সংগ্রহ করা যায় দুটি জায়গা থেকে—
১. উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
২. জেলা রেজিস্ট্রি অফিস (সদর রেকর্ড রুম)

🔸 সাব-রেজিস্ট্রি অফিস: এখান থেকে আপনি নতুন দলিলের নকল পেতে পারেন।
🔸 জেলা রেজিস্ট্রি অফিস: এখান থেকে পুরাতন বা নতুন যেকোনো দলিলের সার্টিফাইড কপি পাওয়া যায়।

✅ দলিল হারালে প্রথমে এখানে খোঁজ করুন। খুঁজে না পেলে বিজ্ঞজনের মাধ্যমে তল্লাশি করিয়ে সংগ্রহ করুন।


🔹 ৪র্থ ধাপ: ম্যাপ বা মৌজা নকশা কোথায় পাবেন?
জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা সাধারণত পাওয়া যায়—

১. জেলা প্রশাসকের (ডিসি) অফিস
২. ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর (DLR অফিস, তেজগাঁও, ঢাকা)
এই দপ্তর থেকে আপনি মৌজাভিত্তিক ম্যাপ ও জরিপ কপি পেতে পারেন।


🔹 ৫ম ধাপ: খরচ কেমন?
সাধারণ সরকারি ফি খুবই কম।
✅ যেমন: সিটি জরিপ খতিয়ানের জন্য ১০০ টাকা।
তবে বিভিন্ন স্থানে অফ দ্য রেকর্ড খরচ থাকতে পারে, যা নির্ভর করে স্থানীয় সিন্ডিকেট বা দালালদের উপর। তাই সাবধানে যাচাই করে নেবেন।


🔹 মনে রাখবেন:
🟡 ভয় পাবেন না।
🟡 দালালদের পুরোপুরি ভরসা করবেন না।
🟡 নিজে তথ্য জানুন—তারপর সিদ্ধান্ত নিন।
🟡 সম্ভব হলে একজন আইনজীবী বা জমি বিষয়ক বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন।


✅ উদাহরণ:

ধরুন, আপনার দাদা ১৯৪০ সালের একটা দলিলে জমি বিক্রি করেছেন বলে বিরোধী পক্ষ দাবি করছে। অথচ আপনাদের কাছে কোনো দলিল নেই।
এখন আপনি ডিসি অফিস বা জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে সেই পুরাতন দলিলের নকল তল্লাশি করতে পারেন।
পাশাপাশি, সেটেলমেন্ট অফিস থেকে ১৯৬২ সালের খতিয়ান সংগ্রহ করলে, দেখতে পারবেন জমির মালিক কে ছিলেন।
এইভাবেই একে একে সব তথ্য জোগাড় করে, আপনি নিজের জমির কাগজ আবার তৈরি করে নিতে পারবেন।

---

🧾 সংক্ষেপে:

✅ খতিয়ান তুলুন — ডিসি বা সেটেলমেন্ট অফিসে
✅ দলিল তুলুন — সাব-রেজিস্ট্রি বা জেলা রেকর্ড রুমে
✅ নকশা নিন — ডিসি অফিস বা DLR অফিসে
✅ আইনজীবী থাকলে কাজ সহজ হয়
✅ ভয় না পেয়ে, তথ্য নিয়ে এগোন

# সংগৃহীত

15/11/2025

#সাকসেশন সার্টিফিকেট প্রাপ্তির আইনগত প্রক্রিয়া:-
আইনি ভিত্তি (Legal Basis)

সাকসেশন সার্টিফিকেট সংক্রান্ত আইন হলো —The Succession Act, 1925.Section 370 to 390 — সার্টিফিকেট প্রাপ্তি, প্রক্রিয়া ও আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণ করা হয়েছে।

#সাকসেশন সার্টিফিকেট কী?

সাকসেশন সার্টিফিকেট হলো এমন এক নথি যা আদালত কোনো মৃত ব্যক্তির বৈধ উত্তরাধিকারীকে প্রদান করে, যাতে সে মৃত ব্যক্তির স্থাবর (movable) সম্পত্তি — যেমন ব্যাংক জমা, বীমার টাকা, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি — উত্তোলন ও দাবি করতে পারে।(রেফারেন্স: Section 370(1), Succession Act, 1925)

#কোন আদালতে আবেদন করতে হয়:

সাকসেশন সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে হয় — District Judge Court অর্থাৎ জেলায় অবস্থিত দেওয়ানি জেলা বিচারক আদালতে।(রেফারেন্স: Section 371, Succession Act, 1925 -"The District Judge within whose jurisdiction the deceased ordinarily resided at the time of death shall have jurisdiction to grant the certificate."

#আবেদনকারী কে হতে পারেন:
মৃত ব্যক্তির—
- স্ত্রী/স্বামী
-সন্তান
-পিতা/মাতা
- বা অন্য কোনো আইনগত উত্তরাধিকারী (Legal heir)
(রেফারেন্স: Section 372(1)(f), Succession Act, 1925)

#আবেদনে যা যা উল্লেখ করতে হবে :-

-মৃত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা ও মৃত্যুর তারিখ
-আবেদনকারীর নাম ও সম্পর্ক
-উত্তরাধিকারীদের তালিকা
-দাবিকৃত সম্পত্তির বিবরণ (যেমন: ব্যাংক একাউন্ট, বীমা, শেয়ার ইত্যাদি)
-মৃত ব্যক্তির স্থাবর সম্পত্তি কোথায় আছে (রেফারেন্স: Section 372(1)(a–f))

#কোর্ট ফি (Court Fee):

আবেদনের সাথে নির্ধারিত Court Fee দিতে হয়, যা Court Fees Act, 1870 অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।সাধারণত সম্পত্তির মূল্য অনুযায়ী ফি ধার্য হয়।

#নোটিশ জারি (Notice to Heirs):

আদালত প্রথমে আবেদনটি গ্রহণ করলে নোটিশ জারি করে মৃত ব্যক্তির অন্যান্য উত্তরাধিকারীদের কাছে, যাতে কেউ আপত্তি করতে চাইলে করতে পারে।( রেফারেন্স: Section 373(1), Succession Act, 1925)

#আপত্তি ও শুনানি (Objection & Hearing):

যদি কেউ আপত্তি করে, তবে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে যাচাই করে প্রকৃত উত্তরাধিকারী কে, এবং আবেদনকারীর দাবির বৈধতা পরীক্ষা করে।

#সার্টিফিকেট ইস্যু (Grant of Certificate):

যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় যে আবেদনকারীই প্রকৃত উত্তরাধিকারী, তবে আদালত সাকসেশন সার্টিফিকেট ইস্যু করে দেয়।(রেফারেন্স: Section 373(3), Succession Act, 1925)

#সার্টিফিকেটের ক্ষমতা (Effect of Certificate):

সার্টিফিকেটধারী (Certificate-holder) বৈধভাবে মৃত ব্যক্তির চলমান সম্পত্তি দাবি, গ্রহণ, বা হস্তান্তর করতে পারে।(রেফারেন্স: Section 381, Succession Act, 1925)

#নিরাপত্তা প্রদান (Security Bond):

আদালত প্রয়োজনে আবেদনকারীকে একটি Security Bond দিতে বলতে পারে, যাতে অন্য উত্তরাধিকারীর স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।(রেফারেন্স: Section 375)

#পুনরায় বাতিল বা সংশোধন (Revocation):

ভুল তথ্য, জালিয়াতি বা অন্য বৈধ কারণ প্রমাণিত হলে আদালত সার্টিফিকেট বাতিল বা সংশোধন করতে পারে।(রেফারেন্স: Section 383, Succession Act, 1925)

#গুরুত্বপূর্ণ আদালতের রায় (Case Law References)
Md. Ali Hossain vs Rokeya Begum, 44 DLR 321.

Address

Fulbaria

Telephone

+8801722575784

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sanwara Begum - Legal Adviser posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Sanwara Begum - Legal Adviser:

Share