Naogaon Polytechnic Institute

Naogaon Polytechnic Institute The vision of Naogaon Polytechnic Institutes (NPI) is to become a leading Govt. polytechnic. Naogaon polytechnic institute was established in year of 2000.

Assalamu Alaikum,
Welcome to Naogaon Polytechnic Institute Facebook fan page. In Bangladesh, Naogaon polytechnic is one of the best educational institutes in the field of technology. We serve science and technology based education and training to make the population as a productive manpower. It starts its academic activities from 2004. Already two more batches have completed their diploma engineer

ing degree. Naogaon polytechnic institute has delivered its educational activities in various fields of technology such as Computer, Environmental, Food and Architecture & interior design ,and civil.

১৯৮০-এর দশকে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সটি ছিল ৩ বছর মেয়াদী। সরকার ১৯৮৬ সালে একটি সিদ্ধান্ত নেয় এই কোর্সের মেয়াদ ১ ...
18/04/2025

১৯৮০-এর দশকে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সটি ছিল ৩ বছর মেয়াদী। সরকার ১৯৮৬ সালে একটি সিদ্ধান্ত নেয় এই কোর্সের মেয়াদ ১ বছর বাড়িয়ে ৪ বছর করা হবে। কিন্তু এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ত্রুটি ছিল—সার্টিফিকেট ও ডিগ্রির স্বীকৃতি, চাকরি ক্ষেত্রের সুযোগ, শিক্ষার মান, পরীক্ষার পদ্ধতি ইত্যাদিতে অসংগতি রয়ে যায়। ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়।

---

কেন "কাফন-পেট্রোল-নাইলন" (KPN)?

এই আ*ন্দো*লনে*র তিনটি প্রতীক ছিল:

কাফন – জীবন বিসর্জনের প্রস্তুতি।

পেট্রোল – আত্মদাহের হুমকি বা প্রতীক।

নাইলন – দড়ি, আ*ত্ম*হ*ত্যা*র প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত।

এই তিন প্রতীক ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বুঝিয়ে দিয়েছিল, তারা এই অনৈতিক সিদ্ধান্ত বাতিল না হওয়া পর্যন্ত জীবন ত্যাগ করতেও প্রস্তুত।

---

আ*ন্দো*ল*নের ধারাবাহিকতা:

সারাদেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা একযোগে আ*ন্দো*লনে অংশ নেয়।

ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে বিশাল মিছিল, অবস্থান কর্মসূচি ও ক্লাস বর্জন কর্মসূচি শুরু হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে আ*ন্দো*ল*ন দমন করার চেষ্টা চলে, পুলিশের লাঠিচার্জ, গ্রে*ফ*তার, টিয়ারশেল ফেলা হয়।

আ*ন্দো*ল*ন চরমে পৌঁছায় যখন শিক্ষার্থীরা কাফনের কাপড় পরে, আ*ত্ম*হু*তি*র প্রতীক হিসেবে পেট্রোল নিয়ে রাজপথে নামে।

---

ফলাফল:

সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের দাবি আংশিকভাবে মেনে নেওয়া হয়।

৪ বছর মেয়াদি কোর্সের স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হয় এবং চাকরির ক্ষেত্রেও সেই অনুযায়ী নীতিমালা ঠিক করা হয়।

এটি দেশের শিক্ষা আ*ন্দো*ল*নে*র ইতিহাসে এক সাহসী এবং ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের উদাহরণ হয়ে ওঠে।

---

উপসংহার:

১৯৮৭ সালের কেপিএন আন্দোলন ছিল শুধু একটি শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নয়, বরং ছিল ছাত্র-ছাত্রীদের অধিকার আদায়ের জন্য এক মহৎ আ*ত্ম*ত্যা*গের প্রতীক। এই আ*ন্দো*ল*ন এখনো প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা জোগায়।

উপসহকারী প্রকৌশলী পদের জন্য শুধুমাত্র ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ধারীদেরই আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছিল অথচ বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার ...
15/04/2025

উপসহকারী প্রকৌশলী পদের জন্য শুধুমাত্র ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ধারীদেরই আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছিল অথচ বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার এ সব পদে আবেদন করার জন্য হাইকোর্টে রিট করেছে , তাহলে কি তিনি এসব পদের জন্য যোগ্য হবেন না? এর মানে দাঁড়ায়, একজন উচ্চশিক্ষিত ইঞ্জিনিয়ার ডিপ্লোমা পাস করেও এসব সরকারি পদে আর আবেদন করতে পারছেন না — যা একটি বড় বৈষম্য এবং ভবিষ্যতে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের জন্য জব মার্কেট সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।
এখানে “সমমান” শব্দটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টরসহ অন্যান্য সরকারি পদগুলোকে, যেখানে ডিপ্লোমা ধারীরা আবেদন করতে পারতেন। এই পদগুলোতেও ধীরে ধীরে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হচ্ছে, যেন ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতার বাইরে চলে যান।
এমন ষড়যন্ত্রের পেছনে মূল হাত হিসেবে কাজ করছে একটি বিশেষ গোষ্ঠী — ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের একটি চক্র, যারা নিজেদের স্বার্থে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত নষ্ট করে দিচ্ছেন।
এই অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে।

📛নোটিশ📛আজকে ১২/৪/২৫ তারিখে নওগাঁ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ মিটিং এর ঘোষণা হলো; আমাদেরকে গত রমজান মাসে যেরকমভাবে আন্দোলন জোর...
12/04/2025

📛নোটিশ📛
আজকে ১২/৪/২৫ তারিখে নওগাঁ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ মিটিং এর ঘোষণা হলো; আমাদেরকে গত রমজান মাসে যেরকমভাবে আন্দোলন জোরদার কর্মসূচি পালন করা হইছে ঠিক সেরকম করেই যেন বর্তমান থেকে শুরু করে কাঙ্খিত ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলনে শরিক থেকে আন্দোলন জোরদার করতে হবে। আর আন্দোলনের সাথে আমাদের TC (Theory continues) মার্ক ও PC(practical continues) মার্ক ওতপ্রতভাবে যুক্ত। তাই পরীক্ষা না হওয়া সত্ত্বেও যারা ভালো মার্ক পেতে চাও ও নিজের চাকরিক্ষেত্রে ভালো অবস্থানে যেতে চাও তারা দ্রুত পলিটেকনিক এ চলে আসো। এখন থেকে গণসাক্ষর ও ক্লাস অ্যাটেন্ডেন্স আন্দোলন সফল হওয়া পর্যন্ত চলমান থাকবে। এজন্য তোমরা দ্রুত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ প্রতিদিন অবস্থান করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়ে নাও নতুবা যারা অনুপস্থিত থাকবে তাদের চাকরি ও মার্ক নিয়ে কেও চিন্তা করা দূরে থাক কোনো টাইম দেওয়া হবে না। এজন্য তোমাদেরকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি তোমরা আগামীকাল থেকেই ইন্সটিটিউট এ আসো নতুবা নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারলে আর কিছু করার থাকবে না।

বি.দ্র: ক্যাপ্টেন মহোদয়কে জানানো যাচ্ছে যে আপনাকে এখনো ইন্সটিটিউট এ দেখা যায়নি আন্দোলন এ যুক্ত হতে। আপনি দ্রুত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ আসার চেষ্টা করুন নতুবা আপনার বিরুদ্ধে জোড়ালো প্রতিবাদ জানানো হবে।

04/04/2025

📛ব্রেকিং নিউজ📛
দেশের একের পর এক সকল সরকারি পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা ৬ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ফাইনাল পরিক্ষার ফরম ফিলাপ বর্জনের বিবৃতি দিয়ে সকল ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে।

02/04/2025

" ঘোষণা "
সকল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের " কারিগরি ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ " এর প্রতিনিধিরা সম্মিলিত সিদ্ধান্তক্রমে সকল দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত চলমান পর্বের ফরম ফিলাপ প্রত্যাখ্যান করেছে।

কারিগরি ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ

30/03/2025

⛔ ঘোষণা ⛔

৬ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত দেশের সকল পলিটেকনিক একযোগে ফরম ফিলাপ প্রত্যাখ্যান ঘোষণা করলো। নওগাঁ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপ না করার জন্য আহবান করা হইলো।

29/03/2025

জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর টেক পদ
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর ১০ ম গ্রেডের শিক্ষক পদ।

পদটিতে নিয়োগ হয় নন- ক্যাডার ১০ ম গ্রেড
শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং ( সিভিল, যান্ত্রিক, ইলেকট্রিক্যাল) ইত্যাদি
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে।

সম্প্রতি লক্ষ করলাম পলিটেকনিক এর ল্যাব সহকারী / ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর / টুল রুম খালাসী /
ল্যাব এটেন্ডেন্ট পদে
বিএসসি ইন্জিনিয়ারিং, পদার্থ, রসায়ন, ফুড ইন্জিনিয়ারিং, বিজ্ঞান প্রযুক্তি র বিভিন্ন সাবজেক্ট, বাংলা, ইতিহাস, কৃষি কৌশলের ছাত্র রা চাকুরী গ্রহণ করেছে।
পদটি এসএসসি বা এইচএসসি ভোকেশনাল ডিগ্রি গ্রেড ১৫।
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষক যখন ক্লাস নিবেন এরা যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও দেখাশোনা করবেন।
কিন্তু কূটকৌশল করে কিছু অসাধু কারিগরি আমলা রাতের আধারে নিয়োগবিধি পরিবর্তন করে ১৩ তম গ্রেডে নিয়োগ দেয়। অধিকাংশ টাকা ও স্বজনপ্রীতি মাধ্যমে। এতই তড়িঘড়ি যে রাত ৩ টায় রেজাল্ট প্রকাশ পরদিন জয়েনিং।

এসব ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর পলিটেকনিকে প্রবেশ করে পলিটেকনিক এর ল্যাবগুলো বিসিএস প্রস্তুতির কোচিং বানিয়ে ফেলেন। কোন যন্ত্রপাতি
ব্যবহার না জানায় তারা অথর্বের মত দাড়িয়ে থাকে। ছাত্ররা জ্ঞান শুন্য হতে থাকে।
এই ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর হাইকোর্টে রিট করে
এবং শিক্ষক পদে ৫০% কোটা চাই।
হাইকোর্ট ৩০% কোটা দিয়ে আদেশ জারি করে।
ব্লক পোস্ট বা মানবতার খাতির সবজায়গায় চলে না। শিক্ষা খাতে তো আরো আগেই হাইকোর্ট
না করে দিতে হতো।

পরদিন হতে আন্দোলন করে কারিগরি ছাত্র সমাজ
পিছনের দরজা দিয়ে প্রবেশ করা বাংলা, পদার্থ, রসায়ন হতে সিভিল ইন্জিনিয়ারিং শিক্ষক হিসাবে মেনে নিবে না।
শিক্ষক হতে হলে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে হতে হবে।
কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের ফলে পলিটেকনিক হতে এসব অযোগ্য ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর পলায়ন করে এবং ষড়যন্ত্র করে।
তারা কৌশলে ১০ ম গ্রেড সিন্ডিকেট ইত্যাদি অপপ্রচার করতে শুরু করে।

চন্দবোকারা জানে না জেনারেল হতে
প্রশাসনিক কর্মকর্তা ১০ গ্রেড
ব্যাক্তিগত কর্মকর্তা ১০ ম গ্রেড
মাধ্যমিকের সহ :শিক্ষক ১০ ম গ্রেড
খাদ্য পরিদর্শক ১০ ম গ্রেড
অফিসার ক্যাশ ১০ ম গ্রেড
এস আই ১০ ম গ্রেড
এটিও ১০ ম গ্রেড
সমাজসেবা ১০ ম গ্রেড
হিসাবরক্ষক ১০ ম গ্রেড
কর পরিদর্শক ১০ ম গ্রেড
আরো হাজার হাজার পদ আছে ১০ ম গ্রেডের ।
তাহলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী শুধু ১০ গ্রেড নিয়ে আছে বিষয়টি এমন নয়।
টেকনিক্যাল লোক জেনারেল সেক্টরে চাকুরী করতে পারে
কিন্তু জেনারেল হতে টেকনিক্যাল সেক্টরে তারা অযোগ্য।
কিন্তু আমাদের দেশের সাধারণ জ্ঞান পড়ুয়ারা
বই মুখস্থ করে এসব পদে আসতে চাই।

বাংলাদেশ এর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর তুলনায় কর্মসংস্থান কম তাই বলে পদার্থ, বাংলা, ইংরেজি পড়া কর্মচারী সিভিল বা ইলেকট্রিক্যাল এর টিচার হবে। এটা কেমন কথা। কোন যুক্তিতে মেলে।
এদেশের মানুষ ইন্জিনিয়ারিং বা ডাঃ না হয়ে ও এদের শিক্ষক বা কর্তা হতে চাই।

ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং একটি বিশেষায়িত ডিগ্রি
৪ বছর মেয়াদি । উপ সহকারী প্রকৌশলী ও জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর পদের জন্য উপযোগী করে সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে। পদটি ১০ ম গ্রেড নন-ক্যাডার।

বাংলাদেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় বা বিভিন্ন কলেজ হতে স্নাতক পড়ে কর্মসংস্থান না হওয়ায় তারা পলিটেকনিকের শিক্ষক ও উপ সহকারী প্রকৌশলী হতে চাই। ১০ম গ্রেড শুধু ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং কেন?
আসো খেলা হবে ইত্যাদি।

বাংলাদেশের নামকরা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বিএসসি ইন্জিনিয়ারিং করে ১০ ম গ্রেডে আসতে চাই।
তাদের জন্য রয়েছে সহকারী প্রকৌশলী ৯ গ্রেড এবং বিসিএস। তাদের লেখাপড়া বা সিলেবাস উন্নত যা কখনো ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং সাথে কম্পেয়ার করার মত নয়। তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা দেশ সেরা এটা সবাই জানে।
কর্মসংস্থানের অভাবে তারাও ১০ ম গ্রেডে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সাথে পরীক্ষায় বসতে চাই।

কর্মসংস্থানের দোহায় দিয়ে পদাবনতি সম্মানজনক নয়। সে দোষটা ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নয় সে দোষটা সরকার যারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে পারছে না।

বিএসসি ইন্জিনিয়ারিং করে ১০ ম গ্রেডে নিয়োগ চাওয়া মানে পড়ালেখার অবনতি, কর্সংস্থনে সে দক্ষ না , বিএসএস দিয়ে জব নেওয়ার ক্ষমতা নাই।

১০ম গ্রেডে যে তোমাকে এপ্লিকেশন করে জব নিতে হবে তাহলে তোমার বাবার টাকা খরচ করে বুয়েট, রুয়েট, চুয়েটে পড়ার দরকার কি?
জেলা শহর হতে ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং করে নিলেই তো হয়।

বুয়েট, রুয়েট ও জেনারেল শিক্ষিত সমাজ
সারাজীবন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর দূর্নাম গায়, তারা অদক্ষ, এসএসসি করে ডিপ্লোমা করে ইত্যাদি ইত্যাদি
আবার তলে তলে এরা এদের পোস্টে জব করতে চাই, এদের শিক্ষক হতে চাই। তারা একমুখে বলে এরা টেকনিশিয়ান আবার তারা বলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী দের সাথে আমাদের সুযোগ দিতে হবে।
এই কথার মাধ্যমে পরিস্কার তাদের লেখাপড়া দিয়ে তারা তাদের লেভেলে জব মেনেজ করতে পারছে না।
বাহ কি চমৎকার।

ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের পদ মধু ঐ কিরে রসমালাই হয়ে গেল নাকি?
ডিগ্রি যেমন গ্রেড তেমন
এর বাহিরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

লেখক
সাবেক জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক
সওজ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি কেনিক।

 #ক্রাফটদের_আমলনামানামের সাথে ইন্সট্রাক্টর আছে বলে এরা নিজেদের অধ্যক্ষ ভাবে 🤭সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি:২০২১ সালে পলিটেকনি...
23/03/2025

#ক্রাফটদের_আমলনামা
নামের সাথে ইন্সট্রাক্টর আছে বলে এরা নিজেদের অধ্যক্ষ ভাবে 🤭

সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি:

২০২১ সালে পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট-এ ২১৮১জন ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর যোগদান করে। তাদের যোগদানের ইতিহাস তুলে ধরলাম-

১. ৩মে,২০২১সালে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। (১)নং ছবি

২. লিখিত পরীক্ষা হয়েছে ১২ জুন ২০২১ সালে, ফলাফল ১২ জুন। তখন কোভিড এর প্রকোপ চলতেছে এবং স্কুল কলেজ সব বন্ধ। এতে বুঝা যায় রেজাল্ট আগে থেকেই প্রস্তুত করা ছিল। (২) নং ছবি

৩. মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সিডিউল ঘোষণা ১২ জুন। (৩) নং ছবি

৪. মৌখিক পরীক্ষা ১৩ জুন থেকে ১৮ জুন ২০২১ পর্যন্ত। প্রতিদিন প্রায় ১০৯৮ জনের ভাইভা নিয়েছে।জনপ্রতি ২ মিনিটও করে সময় দিলেও ভাইভা নিতে লাগবে ৩৬ ঘন্টা/দিন। সেখানে ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময় নিয়ে এক জনের ভাইভা সম্পন্ন করেছে। বুঝতেই পারছেন ভাইভার নামে কি হচ্ছিল সেখানে।

৫. ভাইভা শেষ হয় ১৮ জুন এবং চুড়ান্ত রেজাল্ট দেওয়া হয় ২০ জুন। (৪) নং ছবি।

৬. পোস্টিং অর্ডার করা হয় ২১ জুন। যোগদানের তারিখ ১ জুলাই ২০২১। (৫) নং ছবিতে

৭. সেই সময় কোভিডের প্রকোপে সকল অফিস বন্ধ ছিল। স্কুল কলেজে ক্লাস বন্ধ। সেই সময় কি এমন দরকার হলো যে, অতি তাড়াতাড়ি এই নিয়োগ সম্পন্ন করা হলো? কোভিড বিধিনিষেধের মধ্যে যোগদানও করানো হলো। (৬) নং ছবিতে।

অবৈধ একটি নিয়োগ হয়ে গেল, কোভিডের কারণে সব কিছু বন্ধ থাকায় সেটার প্রতিবাদ সেই ভাবে কেউ করতে পারলো না। আর ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টররা (ল্যাব সহকারী) নামের সুযোগ নিয়ে তারা প্রচার করা শুরু করলো তারা টিচার এবং পলিটেকনিকের সবচেয়ে মেধাবী টিচার। তারা এখন১৩তম গ্রেড থেকে সরাসরি ১০ম গ্রেডে প্রমোশন চায়।

যার প্রতিক্রিয়ায় পলিটেকনিকের স্টুডেন্টরা পরীক্ষাবর্জন করে যখন দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলল, আন্দোলনের গতি অন্যদিকে ফেরাতে তারা ফেইক আইডি খুলে, বিভিন্ন গ্রুপ খুলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরির উদ্দেশ্যে প্রপাগাণ্ডা ছড়াতে শুরু করলো। তাদের প্রোপাগান্ডায় প্ররোচিত হয়ে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের খাটো করে পোস্ট শেয়ার শুরু করলো।

Address

Hat Naogaon

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Naogaon Polytechnic Institute posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share