01/09/2022
আমাদের দেশ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে লেখাপড়া। এখন আর সন্ধ্যার পর এক জনের পড়া শুনে আরেকজন পাল্লা দিয়ে বই পড়ে না। কোন মা-বাবা তার সন্তানকেও বলে না যে অমুক পড়তেছে তুই বসে আছিস।
আমাদের সময় সন্ধ্যার পর চারপাশ থেকে বিভিন্ন স্বর ভঙ্গিতে বই পড়ার আওয়াজ শোনা যেত।
পরীক্ষা কাছাকাছি থাকলে তো কথাই নেই। কোন সহপাঠী বন্ধু দিনে ও রাতে কতক্ষণ পড়ালেখা করে গোপনে খোঁজ নিয়ে তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করা হত।
সবচেয়ে খারাপ ছাত্রটিও রাত-দিন পড়তো। যে কোন বোর্ড পরীক্ষার আগে গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে পড়ার চর্চাটাও আর নেই।
এ চর্চাটার জন্যই অ্যালার্ম ঘড়ির আলাদা একটা কদর ছিল। বোর্ড পরীক্ষার আগে প্রত্যাশা ,পাঞ্জেরী, শিওর সাকসেস, টপ ব্রিলিয়ান্ট সাজেশন্সেরও খুব কদর ছিল।
আগের বছর পাশ করা ভাই বোনদের কাছে সাজেশনস নিয়ে চুল চেরা বিশ্লেষণ চলতো।
মাত্র ৫/১০ বছরের ব্যবধানে সবই প্রায় বিলীন হয়ে গেল। সন্ধ্যার পর এখন দল বেঁধে নামধারী ছাত্ররা ছাত্রীরা মোবাইলে ব্যস্ত থাকে। কোথাও কোন পড়ার শব্দ নেই।
গ্রূপ চ্যাটিং, অনলাইন/অফলাইন গেমস, টিকটক,চুলের বিভিন্ন স্টাইল কার্টিং করে পাড়া-মহল্লায় ও বাজারে আড্ডাবাজি,গ্রুপিং করা এগুলোই এখন তাদের পছন্দের তালিকায়।
ওদের কোন জাত শ্রেণি খুঁজে পাওয়া যায় না।
ওদের নাকি এটা ইস্টাইল ফ্যাশান
খুবই দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমারা খুব ভয়ংকর কিছু দেখতে চলেছি পরবর্তি প্রজন্মের মধ্যে।
আজকে আমরা প্রায়শো দেখি ছোট ছেলে মেয়েরা চশমা পড়তেছে কারণ তারা চোখে সামনে কিছু দেখতে পায় না
কারণ হিসেবে দেখা গেছে যে তারা অতি মাত্রায় ফোন ব্যবহার কারী বা অপব্যবহার কারি।