14/08/2022
#১৫আগস্ট জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে একটি বক্তৃতা।
১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আজকের এই অনুষ্ঠানের উপস্থিত মান্যবর সভাপতি, শ্রদ্ধেয় প্রধান অতিথি,মঞ্চে উপবিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথি বৃন্দ, আমার সামনে উপবিষ্ট বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত এক ঝাঁক শিক্ষার্থীবৃন্দ ভাই ও বোনেরা।সকলের প্রতি রইলো আমার শুভেচছা।
আজ আমরা কেন এখানে উপস্থিত হয়েছি সকলেই অবগত আছি।১৫ই আগস্ট ১৯৭৫ সাল জাতির এক কালো দিন।যেদিন বাঙালি জাতি একদল বিপদগামী সেনা সদস্যদের কারনে হারায় তাদের প্রাণপ্রিয় নেতা,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।শুধু বঙ্গবন্ধুই নয় তার অবুঝ শিশু সহ পুরো পরিবারকে ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত করা হয়েছিল।এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের গভীরভাবে সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
সম্মানিত সুধী!
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবার বর্গের হত্যাকান্ড বাংলাদেশের আপামর জনতার জন্য এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।আমরা সবাই জানি,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা একে অপরের সাথে আষ্টেপৃষ্ঠ জড়িয়ে আছে।যেই বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল।পাক হানাদার বাহিনীকে পরাস্থ করে বাংলাদেশের সূর্য স্বাধীনতার পতাকা ছিনিয়ে এনেছিল।লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি তরুণ,যুবক,কৃষক,শ্রমিক নিজেদের জীবনকে আত্মহুতি দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল।এটা সম্পূর্ণ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের অনুপ্রেরণা ছিল।তাই বলতে পারি বঙ্গবন্ধু মানেই স্বাধীনতা,বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশের মানচিত্র ।
কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস,যে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।বাংলাদেশকে স্বাধীনতার স্বাদ আস্বাদন করানোর জন্য যার অক্লান্ত পরিশ্রম।যিনি স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশকে গড়ে তুলবার জন্য নিজের যা যা করণীয় তাই তিনি করেছেন। সেই বঙ্গবন্ধুকেই সর্বশেষ নিজের জীবনকে বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের জন্য উৎসর্গ করতে হয়েছে।কতিপয় বিপদগামী সেনা সদস্য বঙ্গবন্ধুকে তার পরিবারসহ ব্রাশফায়ার করে দুনিয়া থেকে চিরতরে বিদায় দিয়েছিল।
প্রিয় সুধী মন্ডলী!
আজ ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস,পালনার্থে আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।আজকে শুধু অশ্রুপাত নয় বরং শোককে শক্তিতে পরিণত করে বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন।ক্ষুদা,দারিদ্র্যমুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক একটি সোনার বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন।তা বাস্তবায়ন করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলেই আজকের এই প্রোগ্রাম সার্থক হবে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চমৎকার কিছু ভালো দিক এবং গুণ ছিলো । তিনি দেশকে চোর মুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য অনেক কাজ করেছেন । বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আজকের এই অনুষ্ঠানের উপস্থিত মান্যবর সভাপতি, শ্রদ্ধেয় প্রধান অতিথি,মঞ্চে উপবিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথি বৃন্দ, আমার সামনে উপবিষ্ট বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত এক ঝাঁক শিক্ষার্থীবৃন্দ ভাই ও বোনেরা।সকলের প্রতি রইলো আমার শুভেচছা।
আজ আমরা কেন এখানে উপস্থিত হয়েছি সকলেই অবগত আছি।১৫ই আগস্ট ১৯৭৫ সাল জাতির এক কালো দিন।যেদিন বাঙালি জাতি একদল বিপদগামী সেনা সদস্যদের কারনে হারায় তাদের প্রাণপ্রিয় নেতা,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।শুধু বঙ্গবন্ধুই নয় তার অবুঝ শিশু সহ পুরো পরিবারকে ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত করা হয়েছিল।এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের গভীরভাবে সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
সম্মানিত সুধী!
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবার বর্গের হত্যাকান্ড বাংলাদেশের আপামর জনতার জন্য এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।আমরা সবাই জানি,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা একে অপরের সাথে আষ্টেপৃষ্ঠ জড়িয়ে আছে।যেই বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল।পাক হানাদার বাহিনীকে পরাস্থ করে বাংলাদেশের সূর্য স্বাধীনতার পতাকা ছিনিয়ে এনেছিল।লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি তরুণ,যুবক,কৃষক,শ্রমিক নিজেদের জীবনকে আত্মহুতি দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল।এটা সম্পূর্ণ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের অনুপ্রেরণা ছিল।তাই বলতে পারি বঙ্গবন্ধু মানেই স্বাধীনতা,বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশের মানচিত্র ।
কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস,যে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।বাংলাদেশকে স্বাধীনতার স্বাদ আস্বাদন করানোর জন্য যার অক্লান্ত পরিশ্রম।যিনি স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশকে গড়ে তুলবার জন্য নিজের যা যা করণীয় তাই তিনি করেছেন। সেই বঙ্গবন্ধুকেই সর্বশেষ নিজের জীবনকে বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের জন্য উৎসর্গ করতে হয়েছে।কতিপয় বিপদগামী সেনা সদস্য বঙ্গবন্ধুকে তার পরিবারসহ ব্রাশফায়ার করে দুনিয়া থেকে চিরতরে বিদায় দিয়েছিল।
প্রিয় সুধী মন্ডলী!
আজ ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস,পালনার্থে আমরা এখানে সমবেত হয়েছি ছোটবেলার একটি ঘটনা মনে পড়ে গেল।একদিন তিনি স্কুলে ছাতা নিয়ে বেরিয়েছিলেন কিন্তু স্কুল থেকে ছাতা ছাড়াই বাড়িতে ফিরেছিলেন।তার মা বলল, খোকা তোর ছাতা কোথায়? তখন বঙ্গবন্ধু বললেন,তার এক গরীব বন্ধু আছে,যার ছাতা নেই।বৃষ্টিতে ভিজে সে স্কুলে আসা যাওয়া করে।বঙ্গবন্ধু তাকে সেই ছাতাটি দিয়েছিলেন।যাতে করে তার স্কুলে আসতে ভিজতে না হয়।
অন্য আর একদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,শীতের সময় চাদর নিয়ে বাইরে গিয়েছিলেন।কিন্তু বাইরে থেকে যখন ঘরে ফিরলেন তখন তার গায়ে চাদর ছিল না।বঙ্গবন্ধুর মা তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, আমি রাস্তার ধারে একজন বুড়ি মাকে দেখেছি।তিনি শীতে কাঁপছেন,আমি তাকে চাদরটি দিয়ে এসেছি।এ থেকে বুঝা যায় কতটা মানবিক ছিলেন তিনি ।
দেশ,মাটি ও মানুষের জন্য তার আজন্ম যুদ্ধ ছিল।তিনি চেয়েছিলেন চমৎকার একটি বাংলাদেশ গড়াবেন।তিনি সমৃদ্ধ একটি বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন।
সুধীবৃন্দ!!!
জাতীয় শোক দিবসকে শোক প্রকাশের দিন বলে বিবেচনা না করে অঙ্গীকারের দিন বলে বিবেচনা করতে হবে।সে অঙ্গীকার হবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার।আসুন আমরা সেই মহৎ উদ্দেশ্যে নিজেদের নিবেদিত করি।এই বলে আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি।
জয় বাংলা,
জয় বঙ্গবন্ধু।