10/08/2021
এডমিশন এর জন্য দরকরি
বাণিজ্য বিভাগের জন্য।
হিসাব চক্রঃ
হিসাব কালের ধারণা অনুসারে প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট জীবনকালে কতগুলো সুনির্দিষ্ট হিসাব কালে বিভক্ত করে হিসাব নিকাশ করতে হয়.
লেনদেন লিপিবদ্ধ করণ ও আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতকরণের জন্য ব্যবহৃত কার্যাবলী কে হিসাব চক্র বলে.
হিসাবচক্রের ব্যবহৃত ধাপগুলো ক্রমানুসারে সম্পন্ন করা হয় এবং এসব ধাপ প্রতিটি হিসাব কলেই সম্পন্ন করা হয়।
আধুনিক হিসাববিজ্ঞানের লেনদেন লিপিবদ্ধ করণ ও আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতের জন্য ব্যবহৃত কার্যাবলীর প্রতিটি পর্যায়কে পৃথক পৃথক ধাপ হিসেবে গণ্য করা হয়.
.আধুনিক হিসাববিজ্ঞানে হিসাব চক্রের ধাপ তুলনামূলক বেশি.
হিসাববিজ্ঞান অনুসারে হিসাব চক্র এর অবশ্যিক ধাপসমূহ হলঃ
১ লেনদেন বিশ্লেষণ।
২ লেনদেন জাবেদা ভূক্তকরণ।
3 খতিয়ান স্থানান্তরকরণ।
4 রিওয়ামিল প্রস্তুত করন্ন্তণ।
5সমন্বয় দাখিলা জাবেদা ভুক্ত ও স্থান্তরকরণ।
6 সমন্বিত রেওয়ামিলপ্রস্তুত করণ।
7 আর্থিক বিবরণি প্রস্তুত করণ।
8 সমাপনি দাখিলা জাবেদাভুক্ত ও স্থা ন্তর করণ।
9 সমাপনি পরবর্তী রেওয়ামিল প্রস্তিত করণ।
১,২,৩ নং ধাপগুলো দৈনন্দিন সম্পন্ন করা হয়। ৪,৫,৬,৭, নং ধাপগুলো হিসাব কালের ভিত্তিতে প্রতি মাসে বা প্রতি তিন মাস আথবা বছরে সম্পন্ন করা হয়।৷ আর ৮ও৯ নং ধাপ সমাপনি দাখিলা ও সমাপনি পরবর্তি রেওয়ামিল সাধারণত শুধু বার্ষিক হিসাব কালে সম্পন্ন করা হয়।
*কার্যপত্রঃ
আধুনিক হিসাব কালে রেওয়ামিল, সমন্বয় দাখিলা, সমন্নিত রেওয়ামিল, আর্থিক বিবরণিসমূহ একটি খসরা শিটে লেখা হয়,যাকে কার্যপত্র বলে।
কার্যপত্র মূলত আথিক বিবরণি তৈরিতে সাহায্য করে । বেবস্থাপনা ও অন্যান্য পক্ষের নিকট বন্টন করা হয় না।
এটা প্রস্তুত করা আবশ্যিক নয়,এটা হিসাব চক্রের ঐচ্ছিক ধাপ।
বিপরিত দাখিলাঃ
এক হিসাব কালের শেষে আন্য হিসাব কালের শুরুতে ৯ নং ধাপের পরে ১ নং ধাপের আগে হিসাব কালের আরেকটি ধাপ সম্পন্ন করে থাকে যাকে বিপরিত দাখিলা জাবেদাভুক্তকরণ ও সস্থান্তরনকরণ বলে। এটা প্রস্তুত করা আবশ্যিক নয়,এটা হিসাব চক্রের ঐচ্ছিক ধাপ।
কারোকারো মতে সম্পনি পরবর্তি রেওয়ামিল ও হিসাব চক্রের ঐচ্ছিক ধাপ তাই পরিক্ষায় প্রশ্ন আসলে আগে
কার্যপত্র বিপরিত দাখিলা খুজতে হবে যদি না থাকে তাহলে সমাপনি পরবর্তি রেওামিল সঠিক হিসাবে নির্বাচিত হবে।
বিদ্রঃ সংশোদনি দাখিলা জবদা ভুক্ত করণ ও স্থান্তর করণ হলো হিসাব চক্র এর পরি