Khulna University

Khulna University Khulna University was established 4th January 1987. There are 8 schools and 29 disciplines under these schools & 2 Institute. Phill & Ph. D. Degrees Awarded.
(217)

Founded in 1991 in southwestern Bangladesh, Khulna University is a public university with 29 disciplines under 8 schools, including Science, Engineering & Technology, Life Sciences, Business, Social Science, Arts, Law, Education, and Fine Arts. Starting of Academic Activities 31th August 1991 & Formal Inauguration of Academic Activities 25th November 1991. Bachelor, Bachelor Hon's, Masters, M. More...http://ku.ac.bd/

25/05/2026

খুবিতে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার জামাত সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আগামী ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) পবিত্র ঈদ-উল-আযহার নামাজের জামাত সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের জামাত শেষে বৃহত্তর মুসলিম উম্মাহ, দেশ ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হবে। ঈদের জামাতে অংশ নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীসহ এলাকার মুসল্লিদের আহ্বান জানানো হয়েছে।

পরিবেশবান্ধব ও ঋতুবৈচিত্র্য নির্ভর সবুজ ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে খুবিতে থিমেটিক বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনাদেশব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণ ও...
24/05/2026

পরিবেশবান্ধব ও ঋতুবৈচিত্র্য নির্ভর সবুজ ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে খুবিতে থিমেটিক বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা

দেশব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে আগামী পাঁচ বছরে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিবেশগত অগ্রাধিকার ও জলবায়ু সহনশীলতার লক্ষ্যসমূহের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও পরিকল্পিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক বনায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর ধারাবাহিকতায় একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উক্ত কমিটির সভা আজ ২৪ মে (রবিবার) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
সভায় জানানো হয়, গঠিত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ৫ বছর মেয়াদি সমন্বিত বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা প্রণয়ন করে গত ১ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা হয়েছে। এছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম গত ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পরিকল্পনার অধীন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এরই মধ্যে নির্ধারিত এলাকাসমূহে ধাপে ধাপে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
পরিকল্পনার আওতায় পরিবেশগত ভারসাম্য ও ঋতুবৈচিত্র্য নিশ্চিত করতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসের পাশাপাশি পাইকগাছা অফশোর ক্যাম্পাসকেও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক, খালপাড় ও উন্মুক্ত এলাকায় চলতি বছরে গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও সভায় জানানো হয়।
সভায় আরও জানানো হয়, ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যবর্ধনের লক্ষ্যে সোনালু, বন সোনালু, কদম ও পারিজাত ফুলের গাছ রোপণ করা হবে। এছাড়া টিএসসি ও কেন্দ্রীয় মসজিদের মাঝখানে ন্যাচারাল ভ্যারিয়েন্ট বায়োফেন্সিং তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে এক সারিতে কনোকার্পাস এবং আরেক সারিতে বিভিন্ন প্রজাতির চাপা গাছ লাগানো হবে। খেলার মাঠের পূর্ব পাশে বাউন্ডারি ওয়ালসংলগ্ন এলাকায় বড় ক্যানোপি এবং কেন্দ্রীয় মাঠসংলগ্ন সড়কের পাশে বিভিন্ন দেশীয় ফলজ গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনার কথাও সভায় তুলে ধরা হয়।
সভায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়েও পরিকল্পিত ও থিমেটিক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে আরও সবুজ, পরিবেশবান্ধব ও নান্দনিক ক্যাম্পাস গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ঋতুবৈচিত্র্য এবং বাংলাদেশের জলবায়ুর সাথে সহনশীল গাছ রোপণের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত, নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমান, ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. আব্দুস সোবহান মল্লিক, এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ ইয়ামিন কবীর, স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক শিবু প্রসাদ বসু এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট শাখার প্রধান এস এম মোহাম্মদ আলী।

কেইউ স্টাডিজের নতুন ভলিউম প্রকাশিতখুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নাল ‘কেইউ স্টাডিজ’ এর নতুন ভলিউম ২২(২) (জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫)...
24/05/2026

কেইউ স্টাডিজের নতুন ভলিউম প্রকাশিত

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নাল ‘কেইউ স্টাডিজ’ এর নতুন ভলিউম ২২(২) (জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫) প্রকাশিত হয়েছে। আজ ২৪ মে (রবিবার) বিকাল ৪টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম আনুষ্ঠানিকভাবে এ ভলিউমের কপি এক্সিকিউটিভ এডিটর (চলতি দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী বিশ্বাস এর কাছ থেকে গ্রহণ করেন। কেইউ স্টাডিজের সদ্য প্রকাশিত ভলিউমে ৩০টি গবেষণা নিবন্ধ স্থান পেয়েছে।
এ সময় উপাচার্য বলেন, গবেষণার মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে ‘কেইউ স্টাডিজ’-কে একটি মানসম্পন্ন গবেষণা জার্নাল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে জার্নালটির নিয়মিত প্রকাশনা, গবেষণা নিবন্ধের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক ইনডেক্সিং প্ল্যাটফর্মে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
পরে কেইউ স্টাডিজ জার্নালের সদ্য প্রকাশিত ভলিউম এর কপি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান এর হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় কেইউ স্টাডিজের এডিটর প্যানেলের সদস্য প্রফেসর ড. আব্দুস সোবহান মল্লিক ও প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম সরোয়ার উপস্থিত ছিলেন।

24/05/2026

খুবিতে পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটি ২৫ মে-০৪ জুন পর্যন্ত

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে আগামীকাল ২৫ মে (সোমবার) থেকে ০৪ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিসেবাসমূহ- যথা: বিদ্যুৎ, পানি, ইন্টারনেট, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা যথারীতি চালু থাকবে। ছুটি শেষে সকল অফিস পূর্বের ন্যায় যথারীতি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চালু থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও কোলাবরেশনে আগ্রহী অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনখুলনা বিশ্ববিদ্যালয়...
21/05/2026

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও কোলাবরেশনে আগ্রহী অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও কোলাবরেশনে আগ্রহ প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশন। আজ ২১ মে (বৃহস্পতিবার) সকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম এর সাথে কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানায়।
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের কমিশনার মেঘা গুপ্ত এবং বৃহত্তর দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের সিনিয়র ডিরেক্টর (ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট) মোস্তাফিজুর রহমান।
সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, যৌথ গবেষণা, কারিকুলাম ডেভেলপমেন্ট এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন ও সাইবার সিকিউরিটিসহ বিভিন্ন বিষয়ে পার্টনারশিপ প্রোগ্রাম চালুর আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে খুলনা অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
প্রতিনিধি দলকে জানানো হয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণার আন্তর্জাতিকীকরণে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ গবেষণা, একাডেমিক কোলাবরেশন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে ইরাসমাস মুন্ডাস ও সাকুরা সায়েন্স এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান স্কিল-বেজড কার্যক্রম এবং পাইকগাছাস্থ অফসোর ক্যাম্পাসকে কেন্দ্র করে গৃহীত পরিকল্পনার বিষয়ও তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে সুন্দরবনের নিকটবর্তী এ ক্যাম্পাসে কোস্টাল ইকোসিস্টেমভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণার আন্তর্জাতিক মানের প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। উপকূলীয় অঞ্চল, জীববৈচিত্র্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে কেন্দ্র করে গবেষণাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টিও প্রতিনিধি দলকে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি সম্প্রতি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানিজ ল্যাঙ্গুয়েজ ন্যাট-টেস্ট সাইট চালুর বিষয়টি তুলে ধরে আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টির বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
এ সময় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, সুন্দরবনের নিকটবর্তী হওয়ায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ইনস্টিটিউট ফর ইন্টিগ্রেটেড স্টাডিজ অন দ্য সুন্দরবনস এন্ড কোস্টাল ইকোসিস্টেমস (আইআইএসএসসিই)-এর মাধ্যমে উপকূলকেন্দ্রিক বিশ্বমানের গবেষণা পরিচালনার সুযোগ রয়েছে। তিনি যৌথ গবেষণা ও ইন্টারন্যাশনাল কোলাবরেশনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক সক্ষমতা আরও সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপাচার্য প্রতিনিধি দলের সদস্যদের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মনোগ্রাম খচিত ক্রেস্টসহ স্মারক উপহার দেন। প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকেও উপাচার্যকে স্মারক উপহার প্রদান করা হয়।
সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর শেখ শারাফাত হোসেন, রিসার্চ এন্ড ইনোভেশন সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম, দি অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমান, কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ এনামুল কবীর, আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ সালাউদ্দীন।

খুবির ফার্মেসী ডিসিপ্লিনে হিট সাব-প্রকল্পের ইনসেপশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিতখুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী ডিসিপ্লিনের হিট সাব-প...
21/05/2026

খুবির ফার্মেসী ডিসিপ্লিনে হিট সাব-প্রকল্পের ইনসেপশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী ডিসিপ্লিনের হিট সাব-প্রকল্পের আওতায় ‘বাংলাদেশি নারীদের ব্রেস্ট ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যক্তিকেন্দ্রিক বা প্রিসিশন মেডিসিনভিত্তিক গবেষণা কার্যক্রম’ শীর্ষক ইনসেপশন ওয়ার্কশপ আজ ২১ মে (বৃহস্পতিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় 'Associations of Genetic Polymorphism of Cancer Related Genes and Drug Metabolizing Enzymes with Variability in Breast Cancer Patients' Responses to Therapeutic Intervention among Bangladeshi Females: Pharmacogenetic Relevance to Precision Medicine' শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। গবেষণাটির মূল লক্ষ্য বাংলাদেশি নারী ব্রেস্ট ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসা-প্রতিক্রিয়ায় জিনগত বৈচিত্র্যের প্রভাব বিশ্লেষণ এবং প্রিসিশন মেডিসিনভিত্তিক কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতির সম্ভাবনা অনুসন্ধান।
সকালে এ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, এ গবেষণা ভবিষ্যতে ব্রেস্ট ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং রোগীদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠতে পারে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার যুগোপযোগী গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। হিট প্রকল্পের মাধ্যমে মৌলিক গবেষণার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে, যা দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। এই প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত গবেষণাগুলো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতা ও একাডেমিক অগ্রযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন। এসব গবেষণার সুফল সাধারণ মানুষের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান। তিনি বলেন, গবেষণার ক্ষেত্রে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবরেশন অত্যন্ত জরুরি। ওষুধ শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্টরা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ওষুধ প্রয়োগ-পরবর্তী ইমপ্যাক্ট সম্পর্কে জানা যাবে। প্রিসিশন মেডিসিনভিত্তিক এ গবেষণা ভবিষ্যতে কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবনে সহায়ক হবে। হিট প্রজেক্টের লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যমে গবেষণার পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়নও সম্ভব হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী বলেন, এটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক একটি প্রকল্প। ক্যান্সার গবেষণায় প্যাটেন্ট ও ইনোভেশনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশি নারীদের ব্রেস্ট ক্যান্সার চিকিৎসায় কার্যকর মেডিকেশন ও গবেষণাভিত্তিক সমাধান উদ্ভাবন করা গেলে তা অত্যন্ত ইতিবাচক হবে। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রকল্পটি যথাসময়ে সম্পন্ন করতে হবে। এটি হবে একটি ইমপ্যাক্টফুল ও সফল প্রকল্প।
ফার্মেসী ডিসিপ্লিনের প্রধান (চলতি দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মোঃ জামিল আহমেদ শিল্পীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম হোসেন ও গণস্বাস্থ্য কমিউনিটি বেজড ক্যান্সার হাসপাতাল, ঢাকার এপিডেমিওলজিস্ট ও প্রিভেন্টিভ অনকোলজিস্ট প্রফেসর ড. মোঃ হাবিবুল্লাহ তালুকদার।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাব-প্রকল্পের এসপিএম প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি ব্রেস্ট ক্যান্সারের পরিসংখ্যান, প্রচলিত চিকিৎসাসহ নানা বিষয় তুলে ধরেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাব-প্রকল্পের এএসপিএম প্রফেসর ড. মোঃ সাইফুজ্জামান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাব-প্রকল্পের এএসপিএম গাজী মোঃ মনজুর মুর্শিদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর দুটি টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেশন উপস্থাপন করেন ক্যান্সার এপিডেমিওলজিস্ট ও প্রিভেন্টিভ অনকোলজিস্ট প্রফেসর ড. মোঃ হাবিবুল্লাহ তালুকদার।
এছাড়া উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা প্রকল্প বাস্তবায়ন, গবেষণা সম্প্রসারণ এবং স্বাস্থ্যখাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেন।
হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন এন্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) সাব-প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অর্থনীতি ডিসিপ্লিনে সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট নিয়ে কর্মশালাঅ্যালামনাইদের মতামতের ভিত্তিতে কারিকুলাম উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব...
19/05/2026

অর্থনীতি ডিসিপ্লিনে সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট নিয়ে কর্মশালা

অ্যালামনাইদের মতামতের ভিত্তিতে কারিকুলাম উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ খুবি উপাচার্যের

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ‘সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১৯ মে (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় ইউআরপি ডিসিপ্লিনের লেকচার থিয়েটারে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের অ্যাক্রেডিটেশন অর্জনের লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করা হচ্ছে। যার অংশ হিসেবে ইতোপূর্বে বিএনকিউএফের গাইডলাইন অনুসরণ করে ওবিইভিত্তিক কারিকুলাম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অ্যালামনাইদের মতামত। তাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান কারিকুলাম আরও যুগোপযোগী ও কার্যকর করা সম্ভব। যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক শক্তিশালী, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ও সমৃদ্ধ ও উন্নত হয়। শিক্ষার্থীদের প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট, বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা এবং পেশাগত অবস্থান সুদৃঢ় করতে অ্যালামনাইরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের ডিন ও অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর শেখ শারাফাত হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইকিউএসির প্রাক্তন পরিচালক ও ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হায়দার।
এসময় ডিসিপ্লিনের সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট ও স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান উপস্থাপন করেন সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারিহা ফারজানা এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. নিসাদ নাসরীন। তাদের উপস্থাপনার ভিত্তিতে কারিকুলামের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা, শিক্ষা কার্যক্রমের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং কৌশলগত দিকনির্দেশনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে ডিসিপ্লিনের অ্যালামনাই, বর্তমান শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কারিকুলাম উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক ফাহমিদা আক্তার অনি। কর্মশালায় ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইরা অংশগ্রহণ করেন।

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ভলিবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ এ দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খ...
18/05/2026

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ভলিবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ এ দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) ভলিবল দল। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে খুবি দল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে সরাসরি ২-০ সেটে পরাজিত করে শুভ সূচনা করে। এরপর গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে একই ব্যবধানে ২-০ সেটে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দলের এই সাফল্যে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন।

ঢাকার বাইরে বাংলাদেশে প্রথম খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে NAT টেস্ট সাইট স্থাপন : জাপানে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন...
18/05/2026

ঢাকার বাইরে বাংলাদেশে প্রথম খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে NAT টেস্ট সাইট স্থাপন : জাপানে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচন

দেশের উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ, বৈশ্বিক দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে Japanese NAT (Japanese Language NAT-Test) -এর Official Test Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। এর মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ইতিহাসে ঢাকার বাইরে প্রতিষ্ঠিত প্রথম NAT টেস্ট সাইট হিসেবে নতুন এক দিগন্তের সূচনা করলো। এই উদ্যোগ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলসহ সারা দেশের শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রত্যাশী ও বিদেশগামী দক্ষ কর্মীদের জন্য আন্তর্জাতিক সুযোগকে আরও সহজ ও নাগালের মধ্যে নিয়ে আসবে।
জাপানি ভাষা দক্ষতা মূল্যায়নের জন্য NAT-Test আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ও স্বীকৃত একটি পরীক্ষা, যা জাপানে উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে জাপানে দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশ থেকেও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, প্রশিক্ষণার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশী জাপানে উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের সুযোগ অনুসন্ধান করছেন। এতদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পরীক্ষার্থীদের NAT পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ঢাকায় যেতে হতো, যা সময়, ব্যয় এবং ভোগান্তির কারণ ছিল। এখন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে NAT টেস্ট সাইট চালুর ফলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ বৃহত্তর অঞ্চলের শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রত্যাশী, বিদেশগামী কর্মী এবং জাপানে অধ্যয়ন বা কর্মসংস্থানে আগ্রহীরা নিজ অঞ্চলে থেকেই আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
এই অর্জনকে দেশের উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সরকারের ভাষাভিত্তিক মানবসম্পদ তৈরির দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য বাস্তবায়নের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষার্থী, গবেষক, তরুণ পেশাজীবী এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারমুখী দক্ষ কর্মীদের বৈশ্বিক সুযোগের সঙ্গে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক দৃশ্যমানতা ও বৈশ্বিক সম্পৃক্ততাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, “খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু শিক্ষা ও গবেষণার উৎকর্ষতাই নয়, আন্তর্জাতিক সংযোগ ও বৈশ্বিক সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রেও ধারাবাহিকভাবে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছে। NAT -এর অফিসিয়াল টেস্ট সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের ঢাকার বাইরে প্রথম NAT টেস্ট সাইট হওয়া দেশের উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক। এটি বিশেষত জাপানে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানে আগ্রহী তরুণদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং বর্তমান সরকারের দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”
প্রসঙ্গত, জাপানি ভাষার NAT-TEST পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান Senmon Kyouiku Publishing এর প্রেসিডেন্ট ও ডিরেক্টর সাতোশি কামাতা এর সঙ্গে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিষয়ক দপ্তর দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ ও সমন্বয় করে আসছিল। এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তিনি ১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সফর করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে NAT টেস্ট সাইট স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সফরকালে অনুষ্ঠিত বৈঠকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে NAT-এর একটি অফিসিয়াল পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে সফল আলোচনা ও পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং এর মধ্য দিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে NAT -এর Official Test Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
এ বিষয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দি অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমান বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও বৈশ্বিক সংযোগের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছি। NAT টেস্ট সাইট প্রতিষ্ঠা সেই প্রচেষ্টারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। এর মাধ্যমে শুধু আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ নয়; বরং জাপানসহ বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রবেশ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার নতুন সম্ভাবনাও তৈরি হবে। দেশের শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাজীবী এবং বিদেশগামী দক্ষ কর্মীদের জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, পরবর্তী NAT পরীক্ষার নিবন্ধন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং আগ্রহী পরীক্ষার্থীরা এখনই নিবন্ধন করতে পারবেন। জাপানে উচ্চশিক্ষা, কর্মসংস্থান কিংবা দক্ষতা উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে এমন সকল আগ্রহী ব্যক্তি, শিক্ষার্থী এবং চাকরিপ্রত্যাশীদের এই সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। পরীক্ষার সময়সূচি, নিবন্ধন এবং বিস্তারিত তথ্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের NAT -এর নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম https://nat-test.ku.ac.bd এর মাধ্যমে পাওয়া যাবে।

খুবিতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিতঅ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় গবেষণার ওপর...
17/05/2026

খুবিতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় গবেষণার ওপর জোর দিতে হবে : উপাচার্য

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স ইন বাংলাদেশ অ্যাকুয়াকালচার: ইমার্জিং চ্যালেঞ্জেস, ইমপ্লিকেশন্স এন্ড ইন্টারভেনশন’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি (এফএমআরটি) ডিসিপ্লিন এবং ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আজ ১৭ মে (রবিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সম্মেলন কক্ষে এ সেমিনার আয়োজন করা হয়।
সকালে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনীতি, খাদ্যনিরাপত্তা ও রপ্তানি আয়ের সঙ্গে মৎস্য ও চিংড়ি খাত নিবিড়ভাবে জড়িত। তবে বর্তমানে এই খাত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর)-এর মতো একটি নীরব কিন্তু গুরুতর হুমকির মুখে রয়েছে। অ্যান্টিবায়োটিকের অযাচিত ও অপরিকল্পিত ব্যবহারের ফলে জলজ পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া ধীরে ধীরে ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠছে, যা রোগ নিয়ন্ত্রণ, উৎপাদন ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের জলজ পণ্যের গ্রহণযোগ্যতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি আরও বলেন, এই সংকট শুধু স্বাস্থ্যগত নয় বরং অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
উপাচার্য বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এএমআর-কে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যের অন্যতম বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এ প্রেক্ষাপটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় উপকূলীয় অঞ্চলে মৎস্য, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণার ধারাবাহিকতায় এএমআর, জলজ রোগতত্ত্ব, বায়োসিকিউরিটি ও টেকসই অ্যাকুয়াকালচার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে চিংড়ি খামারিদের জন্য গুড অ্যাকুয়াকালচার প্র্যাকটিসেস (জিএপি) ও বায়োসিকিউরিটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ, জল ও পলিতে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাব নিয়ে গবেষণা এবং আধুনিক বায়োটেকনোলজির প্রয়োগের মাধ্যমে কাজ করছে। তিনি এএমআর মোকাবিলায় গবেষণা, সচেতনতা, প্রশিক্ষণ ও নীতিগত সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. শেখ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. শেখ তারেক আরাফাত।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সেমিনারে স্পিকার হিসেবে আলোচনা করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম সরোয়ার, ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের ড. শফিক রহমান এবং ড. সাবরিনা হোসেন। তাদের আলোচনায় বাংলাদেশের জলজ খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের বর্তমান পরিস্থিতি, এর ঝুঁকি, খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক উঠে আসে। তারা গবেষণা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীল অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সেমিনারে অনুষ্ঠানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

খুবিতে উচ্চশিক্ষা ও বৈশ্বিক গবেষণা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিতখুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ‘Beyond...
17/05/2026

খুবিতে উচ্চশিক্ষা ও বৈশ্বিক গবেষণা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ‘Beyond Borders: Advanced Research, Global Collaboration and Higher Education Opportunities in the USA’ শীর্ষক এক সেমিনার আজ ১৭ মে (রবিবার) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে শিক্ষক, গবেষক এবং এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের স্নাতক ও এমএস পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের এলকন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস-এর অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ও হর্টিকালচার স্পেশালিস্ট ড. এমরান আলী। তিনি উন্নত গবেষণা, আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতা, কৃষি গবেষণায় উদ্ভাবন এবং যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপের বিভিন্ন সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর মোঃ রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম হোসেন এবং দি অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমান। বক্তারা দেশের উচ্চশিক্ষা ও কৃষি গবেষণার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন।
পরে ড. এমরান আলী খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম এর সাথে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে উপাচার্য তাঁকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম খচিত ক্রেস্ট উপহার দেন।

Address

Khulna University
Khulna
9208

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8802477734150

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khulna University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Khulna University:

Share