31/12/2025
স্টেকহোল্ডারদের মুখোমুখি হবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা ডক্টর মো. জহুরুল ইসলাম।
হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্নের রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় নামক পবিত্র বাগানটি আজ দখলবাজদের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে যার চূড়ান্ত প্রভাব পড়বে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেনিফিসিয়ারী প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দের উপর। অবৈধ দখলবাজরা যা যা করছেঃ
১। নিয়মিত ভাইস চ্যান্সেলর ও সরকার কর্তৃক নতুন ভাইস চ্যান্সেলর নিযুক্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ভাইস চ্যান্সেলরের চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান শিক্ষাবিদ প্রিয় অভিভাবক প্রফেসর ড. শাহজাহান আলীকে অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়ে ক্যাম্পাসকে অভিভাবকশূণ্য করা হয়েছে। তাঁর অনুপস্থিতিতে পরীক্ষা, ভর্তি, নিয়োগ, অপসারণ, হিসাব পরিচালনা, কেনা কাটা ইত্যাদি যত কাজ হচ্ছে তা সবই আইনত অবৈধ।
২। সিন্ডিকেট কর্তৃক নিযুক্ত রেজিস্ট্রার ও বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত অধ্যাপকবৃন্দকে (যারা ডিন ও বিভাগীয় প্রধান ছিলেন) ক্যাম্পাস থেকে অপমান অপদস্ত করে বের করে দেওয়া হয়েছে। এতে আইন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগগুলো হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। অধ্যাপক, ডিন ও বিভাগীয় প্রধান ছাড়া বিভাগ বা প্রোগ্রাম পরিচালনা সম্পূর্ণ বেআইনী।
৩। বেআইনীভাবে রেজিস্ট্রার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে তার স্বাক্ষরে বহু নিয়মিত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর উপর মানুষিক নির্যাতন করা হচ্ছে। যাদের কোন দক্ষতা নেই এমন শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে গুরুত্বপূর্ণ জাযগায় পদায়ন করা হচ্ছে।
৪। নারী কেলেঙ্কারী ও দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে ইতোমধ্যে যারা চাকুরিচ্যুত হয়েছে তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনর্বাসন করার অপচেষ্টা চলছে।
৫। কয়েকজন শিক্ষককে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে এবং অনেককে চাকুরিচ্যুত করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সিনিয়র শিক্ষকদেরকে সরিয়ে অধিকতর জুনিয়র ও অনভিজ্ঞদের বিভাগের কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অথচ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্প্রতিক নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়মিত প্রশাসন ব্যতিত এবং সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত ব্যতিত তারা এ কাজ করতে পারে না।
৬। একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত ভায়োলট করে একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হয়েছে। কেনা কাটায় কোন নিয়ম মানা হচ্ছে না।
৭। জাল ট্রাস্ট দলিল গঠন করে মূল সদস্যদের অন্ধকারে রেখে এবং ২০১০ সালের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের বিধান লঙ্খন করে নিজেদের স্বাক্ষরে ব্যাংক একাউন্ট খোলা হয়েছে। যা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর রকমের অপরাধ। ইহা চলমান থাকলে পরিণাম হবে ভয়াবহ এবং বিশ্ববিদ্যালয় লাল মার্ক পড়বে।
এ সব নিয়ে রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, সাংবাদিক, গুণিজনের মুখোমুখি হবেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড. জহুরুল ইসলাম।
তিনি উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণার জন্য ইউএসএ তে অবস্থান করছেন বিধায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন।
মুখোমুখি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণেচ্ছুদের নিম্নের ফরমটি পূরণ করার অনুরোধ করা হলো। নিরাপত্তার স্বার্থে মুখোমুখি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের সকল গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে। এমন কি ভার্চুয়াল মিটিং এ অংশগ্রহণকারীরা এনোনোমাসলি (ভিন্ন নামে বা নাম বিহীন) অংশগ্রহণ করতে পারবেন। মিটিং এ পরিচয় গোপন রেখেই ভার্বালি বা লিখে প্রশ্ন করতে পারবেন। আবার অত্র ফরমেও লিখতে পারবেন।
ফরম পূরণের সর্বশেষ তারিখ: ০২ জানুয়ারি ২০২৬ বাংলাদেশ সময় রাত ১১.৫৯ মি.।
অনুষ্ঠানের তারিখ ও সময় ইমেইল ও WhatsApp এ জানানো হবে।
মুখোমুখি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা