Islamic University, Kushtia

Islamic University, Kushtia Islamic University is one of the major public universities in Bangladesh and the largest seat of hig

Islamic University is one of the major public universities in Bangladesh and the largest seat of higher education in the south-west part of the country. It is a major international center for an excellent integration of Islamic Studies with the General Studies and Studies of Modern Science and Technology. The university provides both the local and foreign students with the facilities of undergradu

ate studies, postgraduate research and teaching. The standard of teaching is high and the facilities both for academic and extracurricular activities are of good quality. It is a campus oriented university, where the academic and administrative buildings, residential halls and gymnasium, central cafeteria and auditorium all are on one self-contained 175-acre site at Shantidanga-Dulalpur, beside the Kushtia-Khulna highway and about 24 kms south and 22 kms north of respectively the Kushtia and Jhenidah district-towns. Islamic University, having started its academic activities on June 28, 1986 now has about 10 thousand regular students studying in 22 Academic Departments under five Faculties. The main objective for establishing Islamic University is "to provide for instruction in theology and other fields of Islamic Studies and comparative jurisprudence and such other branches of learning at Graduatge and Postgraduate level as the University may think fit and make provision for research including Post-Doctorate research and training for the advancement and dissemination of knowledge". [Clause 5(a), The Islamic University Act 1980(37)]

The University should also be considered as the affiliating authority of the Fazil and Kamil Madrasahs and shall exercise all the powers conferred on it by or under this Act. [Clause 4(2) of Islamic University (Amendment) Act, 2006]

20/09/2024

কয়েকটা বিষয়ে আমাদের লাফানো বন্ধ করা দরকার-

১. বুয়েট, ঢাবি, মেডিকেলে পড়লে তাদেরকে সাত আসমানে উঠায় দেওয়া। এখানে কেবলমাত্র, HSC Syllabus এর বিশেষ বিষয়ে দক্ষ ছেলে মেয়েরা পড়ে এটা বলেন। এর বাইরে ওর চরিত্র, এমনকি অন্য কোনো talent এর পরীক্ষা এখানে নেয়া হয় নাই।

২. কোনো বিশেষ profession দেখলেই জিহবা বের করা বন্ধ করেন। যে সততার সাথে কাজ করে খায়, সেই সম্মানের যোগ্য। সে রিকশাওয়ালা হলেও। বিসিএস ক্যাডার, আর্মি অফিসার দেখলেই যেভাবে হুজুর হুজুর করা শুরু করেন, এই মানসিক দাসত্ব থেকে বের হন।

প্রাপ্যের অতিরিক্ত সম্মান, মানুষের মধ্যে অহংকার জন্ম দেয়, আর তার জন্য আপনি, আমিই দায়ী।

20/09/2024

বিচার বহির্ভূত হ'ত্যাকাণ্ড কোন ভাবেই সমর্থন যোগ্য নয়।
দিন শেষে মানবতা, মানবিকতা বলে একটা ব্যাপার আছে।
অপরা'ধী যেই হোক, যে দলেরই হোক তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করাই শ্রেয়।
এভাবে নিজেরা বিচারক সাজা মানে দেশের প্রচলিত আইন, বিচার ব্যাবস্থা কে কনিষ্ঠ আঙুল দেখানো..!

18/09/2024

"যুদ্ধ শুরু হলে রাজনীতিবিদেরা অস্ত্র দেয়, ধনীরা রুটি দেয় কিন্ত গরীবেরা তাদের ছেলেদের দেয়।
যুদ্ধ শেষ হলে রাজনীতিবিদেরা হাত মেলায়, ধনীরা রুটির দাম বাড়ায় আর গরীবেরা তাদের ছেলেদের কবর খুঁজে।"

-সার্বিয়ান প্রবাদ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক কর্মকর্তাই অফিস সময় শেষ হওয়ার আগ...
26/08/2024

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক কর্মকর্তাই অফিস সময় শেষ হওয়ার আগেই ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। গতকাল রোববার (২৫ আগস্ট) ঘটে ব্যতিক্রম ঘটনা। কর্মকর্তারা বাসায় ফিরতে দুপুর ২টার বাসে ওঠেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা বাস থেকে নামিয়ে দিয়ে তাদের অফিসে ফেরত পাঠান।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ কর্মকর্তা অফিসে এসে আম বাগানে চায়ের দোকানে সময় কাটান। সেখানে দাবা খেলা এবং খোশ গল্পে মেতে থাকেন। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য কাজে গেলেও সেবা পান না। শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রচলিত আছে অনার্স-মাস্টার্স করার থেকেও সার্টিফিকেট উত্তোলন বেশি কষ্ট। শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হন। এটি সমাধানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং কর্মকর্তা সমিতির নেতৃবৃন্দ চেষ্টা করেও বারবার ব্যর্থ হন।

31/10/2023

আজ ৩১-১০-২০২৩ তারিখ (মঙ্গলবার) ও ১-১১-২০২৩ তারিখ (বুধবার) অনিবার্য কারণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। শুধু অফিস ও ক্লাস চলবে। এই জন্য নিম্নরূপ ভাবে বাস চলবে।

পুলিশ প্রোটোকল নিয়ে #সকাল_৮টা৩০_মিনিটে কুষ্টিয়ার #কাস্টমমোড় ও ঝিনাইদহ এর #আরাপপুর এবং শৈলকুপার #উপজেলা_মোড় হতে শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য শুধু মাত্র ক্যাম্পাসের নিজস্ব বাস গুলো চলবে। বন্ধ থাকবে সকল ভাড়া করা ও বিআরটিসি ডাবল ডেকার বাস।

#শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত বাস গুলো কম্বাইন্ড থাকবে।

সকল বাস পুনরায় পুলিশ প্রোটোকল নিয়ে #বিকাল_৪টায় ক্যাম্পাস হতে কুষ্টিয়া ঝিনাইদহ শৈলকূপা চলে আসবে।

উক্ত তারিখসমূহ এর সময়ে রাতে কোনো বাস আসবে না।
০২-১১-২০২৩ তারিখ বৃহস্পতিবার সকল প্রকার বাস বন্ধ থাকবে।

উল্লেখ্য: শুধুমাত্র আজ সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া ঝিনাইদহ হতে বাস চলবে।

‘নিরাপদে থাকুক আমাদেরপাখিরা’ এই প্রত্যাশা নিয়েপহেলা বৈশাখ ১৪২৫ উদযাপনউপলক্ষে প্রকৃতির প্রেমেউদ্ভুদ্ধ হয়ে ক্যাম্পাসেভিন্ন...
22/04/2018

‘নিরাপদে থাকুক আমাদের
পাখিরা’ এই প্রত্যাশা নিয়ে
পহেলা বৈশাখ ১৪২৫ উদযাপন
উপলক্ষে প্রকৃতির প্রেমে
উদ্ভুদ্ধ হয়ে ক্যাম্পাসে
ভিন্নধর্মী আয়োজন করেছে
ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের
বাংলা বিভাগ।
বুধবার বাংলা বিভাগের
আয়োজনে প্রকৃতির সাথে
মানুষের নিবিড় সম্পর্ক
স্থাপনের লক্ষে সমগ্র
ক্যাম্পাস জুড়ে মাটির হাড়ির
প্রায় সাতশত নিরাপদ পাখির
বাসা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
ক্যাম্পাসের ডাইনা চত্তরে,
মফিজ লেক সংলগ্ন এলাকায়,
বঙ্গবন্ধু পুকুর পাড় এলাকায়,
শেখ রাসেল হলের পূর্ব পাশে
মেহগনি বাগানে, লালন শাহ
হলের পাশর্^বর্তী মেহগনি
বাগানে, দেশরতœ শেখ হাসিনা
হলের সামনের আমলকী
বাগানে, অনুষদ ভবন ও ফলিত
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের
পাশর্^বর্তী আমবাগানে,
ভিসির বাংলো এলাকায়,
টিএসসিসি এলাকাসহ
ক্যাম্পাসের গাছে গাছে
শোভা পাচ্ছে মাটির হাড়ির
পাখির বাসা।
বাংলা বিভাগের সভাপতি
অধ্যাপক ড. গৌতম কুমার দাস এ
মহতী কাজের উদ্বোধন করেন।
এসময় তার সাথে উপস্থিত
ছিলেন অধ্যাপক ড. সরওয়ার
মোর্শেদ, অধ্যাপক ড. সাইদুর
রহমান, অধ্যাপক ড. রবিউল
হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ড.
বাকী বিল্লাহ বিকুলসহ
পাখিপ্রেমী শিক্ষার্থীরা।
এ ব্যাপারে বিভাগের সহযোগী
অধ্যাপক ও টিএসসিসির
পরিচালকু ড. বাকী বিল্লাহ
বিকুল বলেন, পাখিদের নিরাপদ
আশ্রয়স্থল হিসেবে আমাদের
এই আয়োজন। আমরা ইসলামী
বিশ^বিদ্যালয়কে পাখি
অভয়ারণ্য বানাতে চাই।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা হালিমের ...
22/04/2018

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা হালিমের অনুগত কর্মী সাব্বির রহমান বিশাল। দেখতে বিশাল না হলেও কাজকর্মে সে নেতাগিরি দেখাতে কোনো অংশে পিছিয়ে নেই। মারামারি কিংবা নারী নিয়ে ফুর্তি কোনোটাই বাদ পড়েনি তার কর্মকান্ড থেকে। ক্লাস না করে শিক্ষকদের ম্যানেজ করা কিংবা হুমকি ধামকি দিতে পটু বিশাল।

প্রতক্ষ্যদর্শী ও আনসার সদস্যের সূত্রে, মেয়েদের হল গুলোতে সাধারণত সন্ধ্যার সাথে সাথে গেট বন্ধ হয়ে যায়। এরপর কেউ হল থেকে বের হতে বা প্রবেশ করতে চাইলে প্রাধ্যক্ষের অনুমতি প্রয়োজন হয়। কিন্তু গতকাল শনিবার (২১ এপ্রিল) রাতে বিশালের প্রেমিকা আইন ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী নুসরাত নওরিনের সাথে ডেটিং শেষে রাত ৮ টার পর বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলে ঢোকার সময় বাঁধে বিপত্তি।

এসময় দায়িত্বরত আনসার সদস্য হলে প্রবেশে বাঁধা দিলে বিশাল তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। বিশাল বলে, ‘তোর ডিউটি কখন শেষ হবে বল। তুই বের হ, তারপর তোকে দেখতেছি।’ সে আরও বলে, ‘আমাকে চিনিস তুই? আমি কে? আমি হালিম ভাইয়ের ছোট ভাই। আমি একটাও ক্লাস করিনা, তাও স্যারেরা আমার প্রেজেন্ট দিয়ে দেয়।’

এরপর আনসার মেয়েটিকে হলে ঢুকতে দিলে বিশাল চলে যায় এবং কিছুক্ষণ পর আরো ১০-১৫ জনকে নিয়ে আনসারকে মারতে ফিরে আসে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি অফিসার এসে তাকে নিয়ন্ত্রণ করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আহসান-উল হক আম্বিয়া বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। আগামীকাল (রবিবার) ক্যাম্পাসে গিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশাল জানায়, ‘বিষয়টি আমার ভুল ছিল। পরে আমি বিষয়টি বুঝতে পেরেছি যে আমার এটা করা উচিৎ হয়নি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা হালিম বলেন, ‘অসুস্থতার কারণে আমি গতকাল ক্যাম্পাসের বাইরে ছিলাম। এ বিষয়ে আমার জানা নেই।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই বিশালের বাড়ি বগুড়া জেলায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার মাত্র এক বছরের মাথায় টাকার জোরে ছাত্রলীগে নেতাদের প্রিয় পাত্র হয় সে। এরপর সাধারণ সম্পাদকের গ্রুপের মাধ্যমে হলে ওঠার সাথে সাথে শুরু হয় তার অপকর্ম। বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর, মদ, গাঁজাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকে আসক্ত বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তার ক্লাসে উপস্থিতি একেবারেই শূন্যের কোঠায়।

FacebookTwitterGoogle+

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানের গোপনে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ছবি তোলার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে...
13/04/2018

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানের গোপনে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ছবি তোলার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। গত বুধবার আন্দোলনে নেতৃত্ব দানকারীদের গোপনে ছবি তোলেন প্রক্টর।

ছবি তোলার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ভাইরাল হলে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

ফোনের ফ্লাশ লাইট চালু থাকায় তিনি যে বারবার ছবি তুলছেন সেটি স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এছাড়া সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্নজন সমালোচনামূলক নানা মন্তব্য করেছেন।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বুধবার কোটা প্রথা সংস্কার দাবিতে দেশব্যাপী আন্দোলনের অংশ হিসেবে খুলনা-কুষ্টিয়া মহাসড়ক অবরোধ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষার্থী। বেলা ১১টা থেকে মহাসড়ক অবরোধ করে তারা আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকে। অবরোধ শুরু থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা ও প্রক্টরিয়াল বডি বেশ কয়েকবার শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয়।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তার কথা না শোনায় এক পর্যায়ে প্রক্টর পকেট থেকে মোবাইল ফোন বের করেন। এদিক ওদিক তাকিয়ে নেতৃত্বদানকারী শিক্ষার্থীদের দিকে কয়েকবার ক্যামেরা ক্লিক করেন। পরে কয়েক সেকেন্ডের জন্য ফোনটি কানে ধরেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কয়েকজন জানান, প্রক্টর যে ঘটনাটি ঘটিয়েছেন সেটি অত্যন্ত ঘৃণাজনক কাজ। একজন শিক্ষক হিসেবে নিজের শিক্ষার্থীদের সাথে এমন করা উনার উচিত হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় শাপলা ফোরামের এক সিনিয়র শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনকারী নেতাদের সনাক্ত করতে ছবি তোলা মেটেও ঠিক নয়। প্রক্টর বরাবরই দ্বিমুখী নীতি অবলম্বন করে এসেছেন। শিক্ষার্থীদের সাথে তিনি এমন করবেন সেটা ভবতেও শিক্ষক হিসেবে আমার লজ্জা লাগছে।


ছবি তোলার বিষয়ে প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে যেখানে যে পদ্ধতি গ্রহণ করা প্রয়োজন সেটা করা হয়েছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটাসংস্কারের দাবিতেআন্দোলনকারীদের গণহারে হল থেকেবের করে দিচ্ছে ছাত্রলীগ। আজসকাল ৯টার দিকে লালন শা...
12/04/2018

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা
সংস্কারের দাবিতে
আন্দোলনকারীদের গণহারে হল থেকে
বের করে দিচ্ছে ছাত্রলীগ। আজ
সকাল ৯টার দিকে লালন শাহ হল
থেকে অন্তত ২২ জনকে হল ছাড়া করে
তারা। হল শাখা সভাপতির কর্মী
সালাহউদ্দিন আহমেদ সজল তাদের
হুমকি দিয়ে নামিয়ে দিয়েছে বলে
অভিযোগ করেছেন তারা।
আন্দোলনকারীরা জানান, ইবিতে
আন্দোলন শুরুর দিন থেকেই বিরোধীতা
করে আসছিল ছাত্রলীগ। প্রতিদিনই
আন্দোলনকারীদের বিভিন্ন হুমকি
দিয়ে প্রতিহত করার চেষ্টা করতো
তারা। গতকাল প্রধান মন্ত্রীর
ঘোষণার পর আন্দোলনকারীরা আনন্দ
মিছিল করে। কিন্তু বুধবার রাত দশটার
দিকে আন্দোলনকারীদের সালাহ
উদ্দিন আহমেদ সজল তার রুমে ডেকে
নেয়। এসময় তাদের অকথ্য ভাষায়
গালাগাল করে বিভিন্ন হুমকি দেয়।
সকাল দশটার ভেতর তাদের হল থেকে
নেমে যাবার নির্দেশ দেয়া হয়। শাখা
সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন
নিয়ন্ত্রিত ওই হল থেকে
আন্দোলনকারীদের জোর পূর্বক
নামিয়ে দেয়া হয়। এখন পর্যন্ত প্রায়
২২ জনকে হল ছাড়া করা হয়েছে। হল
থেকে বের হবার সময়
আন্দোলনকারীরা বিজয় সূচক ‘ভি’
চিহ্ন দেখায় এবং বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে
স্যালুট জানিয়ে বিদায় নেয়।
ইবিতে ২২
আন্দোলনকারীকে হল
ছাড়া করেছে
ছাত্রলীগ
ইবি প্রতিনিধি | ১২ এপ্রিল ২০১৮,
বৃহস্পতিবার, ১০:৫১
হল ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কাজী
বিল্লাল ও আহসানুর বলেন, ‘আমরা
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। কোটা
সংস্কারের যৌক্তিক আন্দোলনে
শরিক হওয়াই আমাদের দোষ। নাইম,
রাসেল, আশরাফুল, আশিক, ‘সারা
দেশে আমাদের ভাই বোনের মার
খেয়ে রক্তাক্ত হচ্ছে। আমরা এটা সহ্য
করতে না পেরে আন্দোলনে শরিক
হয়েছি। আমরাও ছাত্রলীগ করি। লালন
শাহ হলে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠায় আমরাই
সামনে ছিলাম। অথচ আজ হুমকি দিয়ে
আমাদের অপমানিত করা হলো।’
এব্যাপারে সজল বলেন, ‘দলীয় কমান্ড
ভঙ্গ করায় তাদের হল থেকে নেমে
যেতে নির্দেশ দিয়েছি। এটা সম্পূর্ণ
আমাদের আভ্যন্তরিন বিষয়।’
শাখা সভাপতি শাহিনুর রহমান
শাহিনকে একাধিকবার কল করলেও
তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে
তিনি ফোন বন্ধ করে রাখেন।’

11/04/2018
কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন রতশিক্ষার্থীদের এক অংশ ( ইসলামিবিশ্ববিদ্যালয়,কুষ্টিয়া)
09/04/2018

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন রত
শিক্ষার্থীদের এক অংশ ( ইসলামি
বিশ্ববিদ্যালয়,
কুষ্টিয়া)

07/04/2018

" 'এমন বিশ্ববিদ্যালয় কোথাও খুজে পাবে
নাকো তুমি,,ও সে সকল খেলাই সেরা সে যে
আমার বিশ্ববিদ্যালয়' "...
[আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল ও বাস্কেটবল
ফ্যাষ্ট...]

Address

Santidanga, Dulalpur
Kushtia
7003

Telephone

+8801911726809

Website

http://www.iubd.net/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic University, Kushtia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Islamic University, Kushtia:

Share