Islamic University, Bangladesh

Website

Islamic University, Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islamic University, Bangladesh, College & University, Kushtia-Jhenaidah Highway, Kushtia.

Islamic University is ranked as one of the top public universities in Bangladesh as well as the largest seat of higher education in the south-western part of the country.

নতুন প্রশাসন ভবনে স্থায়ী মসজিদের উদ্বোধন*** বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন নতুন ১০ তলা প্রশাসন ভবনের নিচতলায় স্থাপিত স্থায়ী...
31/10/2026

নতুন প্রশাসন ভবনে স্থায়ী মসজিদের উদ্বোধন
***
বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন নতুন ১০ তলা প্রশাসন ভবনের নিচতলায় স্থাপিত স্থায়ী মসজিদের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) আয়োজিত এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো ইদ্রিস আলী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রশাসন ভবনে নামাজ আদায়ের কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমান প্রশাসন ভবনের পাশে অস্থায়ীভাবে নির্মিত টিনশেডে নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্টদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন প্রশাসন ভবন নির্মাণের পর ভবনের নিচতলায় স্থায়ীভাবে মসজিদ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
****
তথ্য প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিস
তারেক মাহমুদ হোসেন
Edited By: Dr. Amanur Aman

30/10/2026

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, কুষ্টিয়া | ৩০ অক্টোবর ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে সিসিটিভি নজরদারি ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে আইসিটি সেলের বিশেষ উদ্যোগ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সুরক্ষা এবং প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও আধুনিক করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেল বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনের নির্দেশনায় গত সাত দিন ধরে আইসিটি সেলের আওতাধীন কেন্দ্রীয় সিসিটিভি ক্যামেরাগুলোর কারিগরি ত্রুটি নিরসন, মেরামত, পুনঃসংযোগ ও প্রয়োজনীয় আপগ্রেডেশনের কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপিত এবং দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকা ক্যামেরাগুলো পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো স্থানে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ক্যামেরা অকার্যকর অবস্থায় ছিল। আইসিটি সেলের কারিগরি টিমের নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টায় বর্তমানে বিদ্যমান ৩২টি ক্যামেরার মধ্যে আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত ৩০টি ক্যামেরা সফলভাবে সচল করা হয়েছে। অবশিষ্ট দুটি ক্যামেরাও আগামীকালের মধ্যে সচল করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কারিগরি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১৭৫ একর বিস্তৃত ক্যাম্পাসকে পর্যায়ক্রমে একটি সমন্বিত, আধুনিক ও কার্যকর সিসিটিভি নজরদারি ব্যবস্থার আওতায় আনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তাঁর নির্দেশনায় ক্যাম্পাসের প্রবেশ ও বহির্গমন পথ, গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবন, আবাসিক হলসংলগ্ন এলাকা, প্রধান সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল এবং নিরাপত্তার দিক থেকে সংবেদনশীল স্থানগুলো চিহ্নিত করে পর্যাপ্ত ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নজরদারির ঘাটতি দূর করা এবং একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

এ লক্ষ্যে আইসিটি সেল বিদ্যমান সিসিটিভি অবকাঠামোর কারিগরি মূল্যায়ন, ক্যামেরার অবস্থান ও কভারেজ বিশ্লেষণ, প্রয়োজনীয় নতুন ক্যামেরার চাহিদা নিরূপণ, নেটওয়ার্ক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয় মনিটরিং ব্যবস্থা আধুনিকায়নের একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় সম্পদের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে পরিকল্পনাটি দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয় সিসিটিভি ব্যবস্থার কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনা ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনায় আইসিটি সেল বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করবে। এর আওতায় ক্যামেরা ও নেটওয়ার্ক সংযোগের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, আইপি ক্যামেরা ও নেটওয়ার্ক ভিডিও রেকর্ডার (NVR) ব্যবস্থাপনা, ভিডিও ফুটেজ রেকর্ডিং ও সংরক্ষণ, স্টোরেজ সক্ষমতা ও ব্যাকআপ ব্যবস্থাপনা, নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা, অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ, সিস্টেমের সফটওয়্যার ও ফার্মওয়্যার আপডেট, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ইউপিএস ব্যাকআপ পর্যবেক্ষণ, যন্ত্রপাতির ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং দ্রুত কারিগরি সমাধানের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

পাশাপাশি সিসিটিভি সিস্টেমের নিরবচ্ছিন্ন কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত সিস্টেম হেলথ মনিটরিং, প্রয়োজনীয় প্রিভেন্টিভ মেইনটেন্যান্স, ক্যামেরাভিত্তিক কার্যক্রমের হালনাগাদ তথ্য সংরক্ষণ এবং ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধানের একটি সুশৃঙ্খল রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। রেকর্ডকৃত ভিডিও ফুটেজের নিরাপত্তা, গোপনীয়তা ও সংরক্ষণকাল নির্ধারণসহ অনুমোদিত কর্তৃপক্ষের প্রয়োজন অনুযায়ী ফুটেজ সরবরাহের ক্ষেত্রে যথাযথ নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সিসিটিভি অবকাঠামোর সার্বিক কারিগরি তত্ত্বাবধান, সিস্টেম কনফিগারেশন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ আইসিটি সেলের অধীনে সুসংগঠিতভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব বণ্টন, তথ্যের নিরাপত্তা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

আইসিটি সেল মনে করে, একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় সিসিটিভি নজরদারি কেবল ক্যামেরা স্থাপনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং নির্ভরযোগ্য নেটওয়ার্ক অবকাঠামো, নিরবচ্ছিন্ন রেকর্ডিং ব্যবস্থা, সুরক্ষিত তথ্য সংরক্ষণ, কার্যকর পর্যবেক্ষণ এবং নিয়মিত কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণের সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সার্বিক নির্দেশনা ও সহযোগিতায় আইসিটি সেল একটি নিরাপদ, প্রযুক্তিনির্ভর, আধুনিক ও স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

⸻

প্রচারার্থে

আইসিটি সেল
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, কুষ্টিয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সান্ধ্য আইন’ প্রতিষ্ঠার খবর গুজব:  উপাচার্য******ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘সান্ধ্য  আইন’ নামে কোনো আই...
28/10/2026

বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সান্ধ্য আইন’ প্রতিষ্ঠার খবর গুজব: উপাচার্য
******

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘সান্ধ্য আইন’ নামে কোনো আইন প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিষয়টি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা ও সংবাদ প্রচারের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (২৮ অক্টোবর) তিনি এ অবস্থান স্পষ্ট করেন।

বুধবার দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের চতুর্থ তলায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এমএ ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় উপাচার্য বিষয়টি তুলে ধরেন।

অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘সান্ধ্য আইন’ নামে একটি আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বা হতে যাচ্ছে—এমন কিছু প্রচার তিনি লক্ষ্য করেছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেয়নি এবং এমন কোনো সিদ্ধান্ত বা চিন্তাও অনুমোদন করা হয়নি।

তিনি এ ধরনের প্রচারকে গুজব হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত যেকোনো তথ্যের সত্যতা, তথ্যপ্রমাণ ও ভিত্তি যাচাই করে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উপাচার্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে কোনো বিষয়ে সংশয়, আশঙ্কা বা প্রশ্ন তৈরি হলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমনির্ভরভাবে অনুসরণ না করে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতি কিংবা হলের প্রভোস্টের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো উচিত। প্রশাসন বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সমাধানের চেষ্টা করবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে সাম্প্রতিক কয়েক দিনে ‘সান্ধ্য আইন’কে ঘিরে বিভিন্ন পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়। এরই প্রেক্ষাপটে আজকের অনুষ্ঠানে উপাচার্য বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের অবস্থান সরাসরি তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান।
*****
ড. আমানুর আমান
তথ্য প্রকাশনাও জনসংযোগ অফিস

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে বিদায় অনুষ্ঠান /শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের আহ্বান ইবি উপাচার্য...
28/10/2026

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে বিদায় অনুষ্ঠান /
শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের আহ্বান ইবি উপাচার্যের
***
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এমএ ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণামুখী ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।

আজ দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র নজরুল কলা ভবনের চতুর্থ তলায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এমএ (২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থীদের ‘বিদায় অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

উপাচার্য বলেন, শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠ গ্রহণ কিংবা মুখস্থ করে পরীক্ষার খাতায় লিখে দেওয়াই শিক্ষার উদ্দেশ্য নয়। শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার পাশাপাশি ঐতিহাসিক স্থাপনাসমূহ সরেজমিনে পরিদর্শন, তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবেদন তৈরির মাধ্যমে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করতে হবে। বর্তমান সময়ে এ ধরনের ‘প্র্যাকটিক্যাল নলেজ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিবিড় সম্পর্কের মধ্য দিয়েই ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ভিত গড়ে উঠেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, এ বিভাগের শিক্ষার্থীরা অর্জিত জ্ঞান ও মূল্যবোধ ধারণ করে নিজেদের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলবে। শিক্ষার্থীদের পরিশ্রমী ও আন্তরিক হয়ে নিজেদের ক্যারিয়ার গঠনের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক ভাবমূর্তি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে হবে।

এ সময় উপাচার্য বিভাগটিকে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন একাডেমিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোলাবরেশন বা লিংক-আপ প্রোগ্রাম চালুর মাধ্যমে বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। একই সঙ্গে অ্যালামনাইদের বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

ক্যাম্পাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করে উপাচার্য বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে ক্যাম্পাসকে আরও সুন্দর ও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক ও বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের সর্বাঙ্গীন সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। একই সঙ্গে কর্মজীবনে সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশসেবায় আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান তারা।

পরে বর্ণিল আয়োজন ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, স্মারক প্রদান ও সম্মাননা জানানো হয়।
****
তথ্য প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিস
তারেক মাহমুদ হোসেন
Edited By: Dr. Amanur Aman

শিক্ষার্থীদের চাকরির তথ্যের ডাটাবেজ তৈরি করা হবে: উপাচার্য*****ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থেকে প্রতিবছর কতসংখ্যক শিক্ষার...
28/10/2026

শিক্ষার্থীদের চাকরির তথ্যের ডাটাবেজ তৈরি করা হবে: উপাচার্য
*****
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থেকে প্রতিবছর কতসংখ্যক শিক্ষার্থী সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাচ্ছেন, তা নির্ণয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি কনফারেন্স রুমে ‘Industry-Academia Collaboration: Islamic University Bangladesh Perspective’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথি ও রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স সেল (আইকিউএসি) কর্মশালাটির আয়োজন করে।

উপাচার্য বলেন, প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করে বের হচ্ছেন। কিন্তু তারা পরবর্তীতে দেশের শ্রমবাজারে কোথায় এবং কীভাবে যুক্ত হচ্ছেন, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য নেই। তাই সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, পাবলিক সার্ভিস কমিশনসহ বিভিন্ন চাকরির ক্ষেত্রে ইবির শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের তথ্য সংগ্রহ করে ডাটাবেজ তৈরি করা হবে।

তিনি বলেন, “ডাটাবেজ যদি আমাদের থাকে, তাহলে আমরা বলতে পারব প্রতি বছর আমরা এটাকে ইনক্রিজ করছি কি না এবং শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের চিত্রটা তুলে ধরতে পারব।”

উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা। শুধু তাত্ত্বিক শিক্ষা নয়, বর্তমান কর্মবাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষা দিতে হবে।

শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গবেষণা, ইন্টার্নশিপ, চাকরির সুযোগ ও বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা লাভ করবে বলে জানান তিনি।

এ সময় তিনি সিভিল সার্ভিসে ইবির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। এরই অংশ হিসেবে লাইব্রেরিতে ‘জব কর্নার’ চালু করা হয়েছে।

কর্মশালায় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নাজিমুদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
****
তথ্য প্রকাশনাও জনসংযোগ অফিস
তারেক মাহমুদ হোসেন
Edited By: Dr. Amanur Aman

৫ম সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করতে রাষ্ট্রপতির সম্মতি, দিন নির্ধারণ ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ **:আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ তারিখে অনুষ্ঠ...
28/10/2026

৫ম সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করতে রাষ্ট্রপতির সম্মতি, দিন নির্ধারণ ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৭
**:
আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সভাপতিত্ব করতে সম্মতি জানিয়েছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৮০ (সংশোধিত-২০১০)-এর সংশ্লিষ্ট ধারার আলোকে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ তারিখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করার সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।

চিঠিতে সমাবর্তন অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ এবং পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে রাষ্ট্রপতির সভাপতিত্বে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হওয়ার খবরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সমাবর্তনের আয়োজন হতে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠির অনুলিপি প্রধান সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়; সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান; মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ; শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের আয়োজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সমাবর্তন আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
*****
তথ্য প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিস

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়েবসাইটের তথ্য হালনাগাদবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের ভার্চুয়াল ...
27/10/2026

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়েবসাইটের তথ্য হালনাগাদবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ওয়েবসাইটের তথ্য সংযোজন ও হালনাগাদবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও বিভাগীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় ওয়েবসাইটে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত তথ্য, প্রকাশনা, পেশাগত অভিজ্ঞতা, গবেষণার আগ্রহের ক্ষেত্র, ছবি ও পরিচিতিমূলক বিবরণ যুক্ত করার পদ্ধতি দেখানো হয়। এ ছাড়া শিক্ষকদের ড্যাশবোর্ডের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। বিভাগগুলো কীভাবে নিজ নিজ তথ্য সংযোজন ও হালনাগাদ করতে পারবে, তা-ও প্রদর্শন করা হয়।
আইসিটি সেলের পরিচালক ড. জাহিদুল ইসলাম ওয়েবসাইটে তথ্য সংযোজন ও নিয়মিত হালনাগাদের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে দিতে একটি তথ্যসমৃদ্ধ ও হালনাগাদ ওয়েবসাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিক্ষকদের গবেষণা ও প্রকাশনার তথ্য দেশি-বিদেশি গবেষক এবং শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পর্কে জানতে ও গবেষণা সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি বিভাগ, অফিস ও হলের সঠিক তথ্য সেবাপ্রত্যাশীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পেতে সাহায্য করে। তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিজ নিজ তথ্য ওয়েবসাইটে সংযোজন ও হালনাগাদের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানান।
কর্মশালায় মূল উপস্থাপনা ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন আইসিটি সেলের কম্পিউটার প্রোগ্রামার মেহেদী হাসান। তিনি অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে দেখান কীভাবে ওয়েবসাইটে তথ্য সংযোজন, সম্পাদনা ও অপসারণ করতে হয়। মেহেদী হাসান জানান, ওয়েবসাইটসংক্রান্ত যেকোনো কারিগরি সহায়তা দিতে আইসিটি সেল সব সময় প্রস্তুত রয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সব শিক্ষক, বিভাগ, অফিস ও হলের শতভাগ তথ্য ওয়েবসাইটে সংযোজনের লক্ষ্যে একটি ক্র্যাশ প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রম সফল করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় ফেজ থেরাপির সম্ভাবনা, ইবিতে বিশ্ব ফেজ সপ্তাহ পালিত*****অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী...
27/10/2026

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় ফেজ থেরাপির সম্ভাবনা, ইবিতে বিশ্ব ফেজ সপ্তাহ পালিত
*****
অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার (Superbugs) ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মধ্যে বিকল্প ও সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে ‘ব্যাকটেরিওফেজ’ বা ফেজ থেরাপির সম্ভাবনা তুলে ধরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পালিত হয়েছে বিশ্ব ফেজ সপ্তাহ-২০২৬ (World Phage Week ২০২৬)।

“From AMR Challenges to Precision Antimicrobial Solutions” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ‘ব্যাকটেরিওফেজ বায়োলজি অ্যান্ড জিনোমিক্স ল্যাব’-এর উদ্যোগে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচির শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। এতে বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ফেজ ভাইরাসের গঠন, এর কার্যকারিতা, উপকারিতা এবং অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স (AMR) বিষয়ে সচেতনতামূলক বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার দেখা যায়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, অ্যান্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। এসব অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া বা ‘সুপারবাগ’ বর্তমানে বৈশ্বিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াকে লক্ষ্য করে ধ্বংস করতে সক্ষম ‘ব্যাকটেরিওফেজ’ ভবিষ্যৎ চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি সম্ভাবনাময় ও সুনির্দিষ্ট সমাধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ব্যাকটেরিওফেজ হলো এমন এক ধরনের ভাইরাস, যা নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ ও ধ্বংস করতে পারে। ফলে প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্প বা পরিপূরক হিসেবে ফেজ থেরাপি নিয়ে বিশ্বজুড়ে গবেষণা বাড়ছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ‘ব্যাকটেরিওফেজ বায়োলজি অ্যান্ড জিনোমিক্স ল্যাব’ও এ ধরনের আধুনিক ও যুগোপযোগী গবেষণায় কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “আধুনিক বিশ্বে ভাইরাস শনাক্তকরণসহ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং মেডিকেল সায়েন্সের নিত্যনতুন উদ্ভাবনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার বিকল্প নেই। মানবজীবনে এসব প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।”

তিনি বলেন, “এ ধরনের কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী হতে এবং নতুন উদ্ভাবনে উৎসাহিত করে, যা সর্বতভাবে মানবকল্যাণকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়। এই ডিসিপ্লিনের সঙ্গে জড়িত শিক্ষক ও গবেষকদের নিরলস গবেষণা এবং অধ্যবসায় আমাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আমি আশাবাদী।”

কর্মসূচির মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের মতো বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করার পাশাপাশি ফেজ গবেষণার সম্ভাবনা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। আয়োজকরা মনে করছেন, গবেষণাভিত্তিক এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আধুনিক জীবপ্রযুক্তি ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের নতুন সম্ভাবনার দিকে আগ্রহী করে তুলবে।
******
তথ্য প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিস
Edited By: Dr. Amanur Aman

ইবির ৯ হলের জন্য জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৯টি ডিপ ফ্রিজ/****শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনযাপন আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে ...
27/10/2026

ইবির ৯ হলের জন্য জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৯টি ডিপ ফ্রিজ/
****
শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনযাপন আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯টি আবাসিক হলের জন্য মোট ৯টি ডিপ ফ্রিজ বিতরণ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব ডিপ ফ্রিজ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী।
এছাড়া গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উপদেষ্টা মাহবুব আলম শাহ।
অনুষ্ঠানে জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব, কর্মকর্তা সমিতি ও কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদ রুমি মিথুনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রাফিজ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ বক্তব্য রাখেন।
গেস্ট অব অনার মাহবুব আলম শাহ তার বক্তব্যে বলেন,“যদিও অল্প সময়ে নোটিশের মাধ্যমে এই সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, তবুও ছাত্রদের যৌক্তিক দাবি-দাওয়া নিয়ে ছাত্রদলের ইতোমধ্যে যে কার্যক্রমগুলো শুরু হয়েছে, আমি আশা করব—শুধু আমাদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় নয়, আপনাদের মাধ্যমে এই অঞ্চলের যত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে, আপনারা সবার অভিভাবক হিসেবে ভূমিকা পালন করবেন। দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ছাত্রদল একটি ঐকান্তিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে নতুনভাবে পুনর্নির্মাণের জন্য যে সংস্কার কার্যক্রমগুলো শুরু করেছেন, আপনাদের মাধ্যমে দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশকে গড়ার জন্য আপনারা সামনের দিকে এগিয়ে যাবেন—এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “ছাত্রদল আজকে যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, এটি যেমন প্রশংসনীয়, ঠিক একইভাবে এটি একটি দৃষ্টান্তও বটে। আমি মনে করি, বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু মুক্ত চিন্তার একটি ক্ষেত্র, এখানে বিভিন্ন মত ও পথের মানুষ থাকবে, বিভিন্ন সৃজনশীল ছাত্রসংগঠন থাকবে। যার যার অবস্থান থেকে তাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রচার এবং তাদের মোটিভেট করার চেষ্টা করবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই কার্যক্রমকে দৃষ্টান্ত ধরে আমি মনে করি, অন্যান্য সকল সৃজনশীল ছাত্রসংগঠন সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য, সাধারণ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করলে বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতিতে ইতিবাচক একটি পরিবর্তন ঘটবে।
****
তথ্য প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিস
তারেক মাহমুদ হোসেন
Edited By: Dr. Amanur Aman

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক তারিখ নির্ধারণ***ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্...
26/10/2026

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক তারিখ নির্ধারণ
***
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৯ মার্চ এবং গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার জন্য সম্ভাব্য কয়েকটি তারিখ বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
আজ, ২৬ অক্টোবর ভাইস চ্যান্সেলরের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় এ বিষয়ে আলোচনা ও প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর এ কে এম মতিনুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমানসহ ভর্তি সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।
সভায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি, কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতি এবং ভর্তি কার্যক্রমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয়ভাবে গুচ্ছ নিয়ন্ত্রক কেন্দ্র থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করার বিষয়ে একমত পোষণ করা হয়। গুচ্ছের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৯ থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১৯ মার্চ, ২০ মার্চ ও ২৭ মার্চ প্রাথমিকভাবে বিবেচনায় রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত করার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গুচ্ছের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সময়সূচির ওপর ভিত্তি করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত তারিখে পরিবর্তন আসতে পারে।
ভর্তি কমিটি জানিয়েছে, গুচ্ছের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ ও বিস্তারিত সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগীভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
***--
তথ্য প্রকাশনা জনসংযোগ অফিস

Address

Kushtia-Jhenaidah Highway
Kushtia
7003

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 16:00
Saturday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 16:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic University, Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Nearby universities