Mirajul's Math Magic

Mirajul's Math Magic Teaching students to improve their skills. I try to give information carefully because A weak student can be understood smoothly.

I want to spread my knowledge to all classes of students.

50 তম বিসিএস লিখিত গণিত(৫৫১) প্রশ্ন।
05/05/2026

50 তম বিসিএস লিখিত গণিত(৫৫১) প্রশ্ন।

রজনী-গন্ধা ফুলের চারা রোপণ। তারিখ: ২৬/০৪/২০২৬
26/04/2026

রজনী-গন্ধা ফুলের চারা রোপণ।
তারিখ: ২৬/০৪/২০২৬

24/04/2026

জয়ন্তী নিয়ে সকল তথ্য

24/04/2026
৪/০৩/২০২৬(প্রথম আলোঁ)দ্য গার্ডিয়ান–এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল অনির্দিষ্টকালের জন্য গাজা–র সব সীমান্ত পারাপার বন্ধ করা...
04/03/2026

৪/০৩/২০২৬(প্রথম আলোঁ)

দ্য গার্ডিয়ান–এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল অনির্দিষ্টকালের জন্য গাজা–র সব সীমান্ত পারাপার বন্ধ করায় সেখানে তীব্র খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে।

অবরোধের ফলে খাদ্যদ্রব্যের দাম দ্রুত বেড়েছে এবং প্রায় ২০ লাখ মানুষ নতুন করে খাবারের সংকটে পড়েছে।

যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া ও গাজার প্রায় ৬০% এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে থাকায় অঞ্চলটি প্রায় পুরোপুরি বাইরের খাদ্য সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল।

মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোর মজুত মাত্র কয়েক দিন থেকে দুই সপ্তাহের বেশি নয়।

ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন–এর প্রতিষ্ঠাতা হোসে আন্দ্রেস সতর্ক করেছেন—সীমান্ত বন্ধ থাকলে এই সপ্তাহেই তাদের খাবার ফুরিয়ে যাবে; তারা প্রতিদিন ১০ লাখ মানুষের জন্য রান্না করছে।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, গাজায় মাত্র এক সপ্তাহের তাজা খাবার আছে; বেকারিগুলোর আটা ১০ দিন চলবে।

আগের অবরোধে দুর্ভিক্ষের অভিজ্ঞতা থাকায় আতঙ্কে বাজারে ভিড় বেড়েছে; চিনি, ডায়াপার, ভোজ্যতেলের দাম দ্বিগুণ হয়েছে।

নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল–এর প্রধান ইয়ান এগেল্যান্ড বলেন, দখলদার শক্তি হিসেবে বেসামরিক নাগরিকদের খাদ্য নিশ্চিত করার আইনি দায় ইসরায়েলের রয়েছে, যা অন্য যুদ্ধের কারণে শেষ হয় না।

৩/০৩/২০২৬,প্রথম আঁলোমাদুরো থেকে খামেনি: পরাশক্তির চাপে সার্বভৌমত্ব🔹 ১. আন্তর্জাতিক রাজনীতির নতুন প্রবণতাশক্তিশালী রাষ্ট্...
03/03/2026

৩/০৩/২০২৬,প্রথম আঁলো
মাদুরো থেকে খামেনি: পরাশক্তির চাপে সার্বভৌমত্ব
🔹 ১. আন্তর্জাতিক রাজনীতির নতুন প্রবণতা
শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো এখন দুর্বল রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাকেও সরাসরি টার্গেট করতে দ্বিধা করছে না
আগে রাষ্ট্রপ্রধানরা তুলনামূলকভাবে “অস্পৃশ্য” ছিলেন
এখন নেতৃত্ব পর্যায়েই আঘাত নতুন বাস্তবতা হয়ে উঠছে
🔹 ২. ভেনেজুয়েলার ঘটনা: আইন না শক্তির প্রয়োগ?
নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে এনে বিচারের চেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের ভাষ্য:
অপরাধ করেছে → তাই বিচার হবে
সমালোচকদের যুক্তি:
এটি একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর শক্তির প্রয়োগ
মূল শিক্ষা:
শক্তিশালী রাষ্ট্র চাইলে আইনের ভাষায় শক্তিকে বৈধ করার চেষ্টা করতে পারে
🔹 ৩. ইরানের ঘটনা: রাষ্ট্রের “মাথায় আঘাত”
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে লক্ষ্য করে হত্যা
এটি শুধু সামরিক হামলা নয়
➤ ডেক্যাপিটেশন স্ট্রাইক
➤ রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো নড়বড়ে করার চেষ্টা
জড়িত শক্তি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল
🔹 ৪. ইরানের নিরাপত্তা ও পারমাণবিক প্রশ্ন
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ক্ষমতা
আক্রমণের চেয়ে বেশি প্রতিরোধ (Deterrence)
শীর্ষ নেতৃত্বে আঘাতের ফল:
পারমাণবিক অস্ত্র বিতর্ক আরও জোরালো
“চূড়ান্ত নিরাপত্তা” নিয়ে রাষ্ট্রের ভেতরে প্রশ্ন
🔹 ৫. সার্বভৌমত্বের নতুন বাস্তবতা
সার্বভৌমত্ব এখন সমানভাবে সুরক্ষিত নয়
শক্তিশালী জোট, অর্থনীতি, সামরিক ক্ষমতা থাকলে নিরাপত্তা বেশি
দুর্বল ও বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্র বেশি ঝুঁকিতে
এখানে নৈতিকতার চেয়ে ক্ষমতার বাস্তবতা কাজ করে
🔹 ৬. আইন বনাম শক্তি
শক্তি প্রয়োগের সময় পরাশক্তিরা বলে:
আত্মরক্ষা
সন্ত্রাস দমন
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা
বাস্তবতা:
আইনের ভাষা অনেক সময় শক্তির ঢাল
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতে নয়, জোটনীতিতে হয়
🔹 ৭. সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ পথ (সংক্ষেপে)
নাজুক যুদ্ধবিরতি → ইরান টিকে থাকবে, আরও কড়াকড়ি শাসন
আঞ্চলিক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়া → বড় অস্থিতিশীলতা
ভেতরের নেতৃত্ব সংকট → পরিবর্তন, তবে গণতান্ত্রিক হওয়ার সম্ভাবনা কম
🔹 ৮. চূড়ান্ত সারকথা
আন্তর্জাতিক রাজনীতি এখন “উদাহরণ তৈরির রাজনীতি”তে ঢুকেছে
কিন্তু উদাহরণ সবসময় নিয়ন্ত্রণে থাকে না
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়:
বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা
ছোট ও মাঝারি রাষ্ট্রগুলো
📌
আধুনিক আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আইনকে ব্যবহার করে শক্তির প্রয়োগকে বৈধ করতে চাইছে, যার ফলে সার্বভৌমত্বের ধারণা ক্রমেই অসম ও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে।

থুসিডাইসিস ফাঁদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনআনোয়ারুল ইসলামযদি প্রশ্ন করা হয় বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দু'টি দেশের ...
20/02/2026

থুসিডাইসিস ফাঁদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

আনোয়ারুল ইসলাম

যদি প্রশ্ন করা হয় বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দু'টি দেশের নাম কী? উত্তর হিসেবে অবশ্যই চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাম আসবে। দেশ দু'টি বর্তমান পৃথিবীতে নিজেদেরকে সুপার পাওয়ার হিসেবে ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময় থেকে বিশ্ব মোড়ল হিসেবে একক আধিপত্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্ষতিকর প্রভাব ব্রিটেন, ফ্রান্স ইত্যাদি দেশগুলোতে ব্যাপকভাবে প্রতিফলিত হয়। ফলশ্রুতিতে যুদ্ধোত্তর বিশ্বে ব্রিটেন নিজের আসন হারিয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পুরো বিশ্বে একমাত্রিক বিশ্বনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ২১ শতকের রাজনীতিতে বিশ্ব মোড়ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দেওয়ার মতো অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ হলো চীন। দেশটি অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক উন্নতি সাধন করেছে। ইতিমধ্যে দেশ দু'টি প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে। চীনের উত্থানকে ঠেকানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নানা ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে- যা সরাসরি চীন বিরোধী।

প্রাচীন গ্রিসের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব হচ্ছে খুসিডাইডিসের ফাঁদ। প্রাচীন গ্রিসের ইতিহাসে এর উল্লেখ পাওয়া যায় গ্রিক ঐতিহাসিক খুসিডাইডিস হতে। খুসিডাইডিসের ফাঁদ এই পরিভাষাটি গ্রিক ঐতিহাসিক খুসিডাইডিসের নামেই নামকরণ করা হয়েছে। ২০১২ সালে আমেরিকান রাষ্ট্রবিজ্ঞানী গ্রাহাম টি এলিসন যখন গ্রিক ঐতিহাসিক ঘুসিডাইডিসের History of the Peloponnesian War গ্রন্থের উদ্ধৃত করে বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠিত মহাপরাক্রমশালী শক্তিই চায় না যে অন্য কোনো নতুন উদীয়মানশক্তি তার কর্তৃত্বের জন্যে হুমকি হয়ে উঠুক। এলিসন ঐতিহাসিক এ রকম ১৬টি ঘটনা নিয়ে একটি গবেষণায় দেখিয়েছেন যে, উদীয়মানশক্তি কোনো প্রতিষ্ঠিত মহাপরাক্রমশালী শক্তির জন্যে হুমকি হয় এ রকম ১৬টি অবস্থার মধ্যে ১২টি অবস্থার শেষ পরিণতি হয়েছে ভয়াবহ যুদ্ধের মাধ্যমে।

অন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি উদীয়মান এবং প্রভাবশালী রাষ্ট্রের মধ্যে বিশ্ব নেতৃত্বের আসন নিয়ে যে লড়াই হয় সেটিকে আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকগণ ঘুসিডাইসিস ফাঁদ বলে উল্লেখ করেন। ইতিহাসে ঘুসিডাইডিস ফাঁদের মূল কথা হলো, যখন একটি উদীয়মান শক্তি একটি প্রতিষ্ঠিত শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে, তখন সংঘাত, যুদ্ধের হুমকি বা বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়। যেমন: অন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উদীয়মান দেশ হলো চীন এবং ক্ষয়প্রাপ্ত দেশ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

মূলত এ ধারণাটি আপেক্ষিক। খুসিডাইসিস ফাঁদের কতিপয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন

দু'টি দেশের মধ্যে সংঘাত থাকবে। উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সংঘাত থাকবে। অন্তর্জাতিকভাবে তাদের আলাদা আলাদা ব্লক সৃষ্টি হবে। ক্ষয়প্রাপ্ত রাষ্ট্রটি বেশি আক্রমণাত্মক হবে।

চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বিগত শতাব্দী থেকে বেশ নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে আমেরিকার সঙ্গে চীনের সম্পর্ক ছিল বন্ধুসুলভ। সেসময় আমেরিকা ও জাপানের মধ্যে ছিল অস্থিতিশীল সম্পর্ক। চীনের প্রতি জাপানের আক্রমণাত্মক অবস্থায় আমেরিকা চীনকে কাছে টানে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যখন জাপান যুক্তরাষ্ট্রের পার্ল হারবার আক্রমণ করে চীন তখন জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। পরবর্তীতে ১৯৬৬ থেকে ৭৬ সালে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের পর চীনে যখন কমিউনিজম প্রতিষ্ঠিত হয় তখন তারা অভ্যন্তরীণ উন্নয়নের প্রতি বেশি মনোযোগ দেয়। তাছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে চীনকে ব্যবহার করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যেমন ১৯৭১ সালে পিংপং ডিপ্লোমেসির মাধ্যমে চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ হয়। আমাদের ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক খুবই বন্ধুসুলভ ছিল। কিন্তু গত শতাব্দীর কতিপয় কারণ লক্ষ্য করলে দেখা যায়, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বদলে গিয়েছে। চীন এখন অভ্যন্তরীণ উন্নয়নের পাশাপাশি বিশ্ব রাজনীতিতেও নিজেদের প্রভাব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে, যা আমেরিকার বিশ্ব নেতৃত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। চীনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং কর্তৃক গৃহীত 'মেড ইন চায়না ২০২৫' শীর্ষক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে চীন, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক নেতৃত্বের অন্যতম বাধা।

চীনের ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক প্রভাব রুখতে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো চীনের চারপাশে ঘেরা রাষ্ট্রগুলোকে শক্তিশালী করা কিংবা সেগুলোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আওতায় আনা। এই ঘেরাও নীতি স্নায়ুযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছিল।

রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও জাপানকে হটিয়ে চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। চীনের এই উত্থান অর্থনীতিতে বিশ্ব শাসন করা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকে চ্যালেঞ্জ করছে। তাই চীনের অর্থনৈতিক ও সামরিক সম্ভাবনা পর্যবেক্ষণ এবং স্ট্রাটেজিক পার্টনারশিপ অব্যাহত রাখার নীতি গ্রহণ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কারণ চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আদর্শগত দ্বন্দ্ব থাকলেও চীনের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে প্রায় ৩০% বিনিয়োগ করেছে চীনে।

ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্রাটেজি গ্রহণ করেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের উত্থানকে দমিয়ে রাখতে চায়। এজন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে ব্যবহার করছে। অনেকদিন থেকেই তারা চীনের বিরুদ্ধে প্রতিবাহিনী হিসেবে ভারতকে সহযোগিতা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। নিজেরা সরাসরি যুদ্ধে জড়িত না হয়ে তৃতীয় কোনো পক্ষ দ্বারা শত্রুকে ঘায়েল করাটা যুক্তরাষ্ট্রের পুরনো কৌশল। এ অঞ্চলের চীনের অন্যতম মিত্র পাকিস্তান এবং মিয়ানমার। বাংলাদেশ এ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। কিন্তু বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে বন্ধুত্বপূর্ণ 'সহাবস্থান নীতি' গ্রহণ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন উভয়ের সঙ্গে সমানভাবে পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী।

২০১৩ সালে চালু হওয়া চীনের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ'-এর (বিআরআই) অধীনে এই উদ্যোগগুলোকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়। সেই বছরের শুরু থেকে চীন দক্ষিণ এশিয়ায় বৃহৎ পরিমাণে বিনিয়োগ করতে শুরু করে এবং ২০২২ সালের মধ্যে এই বিনিয়োগের অংক প্রায় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করে। তারপর থেকে, বিশেষ করে ২০১৭ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

চীনকে উদীয়মান শক্তি হিসেবে রুখতে যুক্তরাষ্ট্র কতিপয় দেশ নিয়ে কিছু জোট গঠন করেছে। যার মধ্যে আইপিএফ, অকাস এবং কোয়াড অন্যতম। তাছাড়া চীনের 'বেল্ট এন্ড ইনিসিয়েটিভ রোড' প্রকল্প রুখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে। আসিয়ান তথা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরের নৌ উপস্থিতি বাড়ানোর ঘোষণা ভারত মহাসাগরে চীনের প্রভাব বৃদ্ধি রোধ করা ইত্যাদি এখন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির

থুসিডাইসিস ফাঁদের কতিপয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন: দু'টি দেশের মধ্যে সংঘাত থাকবে। উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সংঘাত থাকবে। আন্তর্জাতিকভাবে তাদের আলাদা আলাদা ব্লক সৃষ্টি হবে। ক্ষয়প্রাপ্ত রাষ্ট্রটি বেশি আক্রমণাত্মক হবে।

আরেকটি অগ্রগণ্য দিক।

মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ রাষ্ট্রগুলোর অন্যতম বাণিজ্যিক অংশীদার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাছাড়া এ অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোকে সামরিক সহায়তাও প্রদান করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম মিত্র সৌদি আরব। বর্তমানে এ অঞ্চলেও চীনের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে এবং ইরানের মধ্যকার চুক্তিতে মধ্যস্থতা করে চীন। সৌদি আরবের চীনের সঙ্গে সখ্যতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করছে। ১৯৭৪ সালের ৮ই জুন সৌদি আরব এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ৫০ বছরব্যাপী 'পেট্রো ডলার চুক্তি' পুনরায় বহাল করেনি সৌদি আরব। এর মাধ্যমে সৌদি আরব এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ বছরের পেট্রোর ডলার চুক্তির অবসান হয়। সৌদি আরব বর্তমানে চীনের দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা মতামত দিয়েছেন।

চীনের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম কথিপয় দিক হলো বিশ্ব রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার সম্পর্ক, আধিপত্যের বিরোধিতা করা এবং বিশ্বশান্তি রক্ষা করা ইত্যাদি।

বর্তমানে চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্ব খুসিডাইসিস ফাঁদের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। প্রাচীন যুগে যেভাবে এথেন্স এবং স্পার্টার মধ্যকার যুদ্ধ বর্তমানে চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতীয়মান হয়। উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সংঘাত বিদ্যমান। যদিও দেশ দু'টির মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। চীন অধিকাংশ সময় সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে না। তাদের মধ্যকার বর্তমান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্নায়ুযুদ্ধ ভবিষ্যতে সরাসরি যুদ্ধের দিকে ধাবিত করে খুসিডাইসিস ফাঁদের প্রয়োগ ঘটায় কিনা তা দেখার বিষয়।

আনোয়ারুল ইসলাম: কলাম লেখক

ত্রানকেন্দ্রে খেয়ালখুশিমতো ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি করে দখলদার ইজরায়েল বাহিনী। 😥প্রথম আলো, [৫/০৭/২০২৫]
05/07/2025

ত্রানকেন্দ্রে খেয়ালখুশিমতো ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি করে দখলদার ইজরায়েল বাহিনী। 😥

প্রথম আলো, [৫/০৭/২০২৫]

29/06/2025

মুশলধারে বৃষ্টি 💛💛

এসএসসির ফলাফল যেন আত্মহত্যার কারণ না হয়।সময় উপযোগী তথ্য।  #দুইবিপরীতচিত্র: উল্লাস বনাম হতাশ**এসএসসি, এইচএসসি, দাখিল, আলি...
28/06/2025

এসএসসির ফলাফল যেন আত্মহত্যার কারণ না হয়।

সময় উপযোগী তথ্য।

#দুইবিপরীতচিত্র: উল্লাস বনাম হতাশ**

এসএসসি, এইচএসসি, দাখিল, আলিম কিংবা সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময় আমাদের দেখতে পায়, এক পাশে আনন্দের ঝলক। আরেক পাশে প্রিয়জন হারানোর বেদনা ও চোখের জল। পরীক্ষার প্রথম পাতায় উঠে আসে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের হাসিমাখা মুখ। আরেক পাশে থাকে কেউ আত্মহত্যা, কেউ ঘরছাড়া, কোথাও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা; যার ফলে একটা জীবন নিজের হাতে শেষ করে দেওয়ার পথ বেছে নেয়।

পরীক্ষায় ভালো না করা মানেই যে একজন শিক্ষার্থী ব্যর্থ, তা নয়। কিন্তু সমাজ, পরিবার এমনকি শিক্ষার্থীদের দৃষ্টিতে পরীক্ষার ফলাফলই যেন জীবনের শেষ কথা! এমন একটি কৃত্রিম চাপ শিক্ষার্থীদের ওপর এমনভাবে এসে পড়ে যে কেউ কেউ হতাশায় আত্মহত্যার চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে।

আমরা সব সময় শিক্ষার্থীদের গল্প বলি— আমি, তুমি, কিন্তু যখন শিক্ষার্থীরা পাশ করে, তারা সেটা দেখে না। কিন্তু যখন তারা ফেল করে, তখন করুণ গল্পগুলো তারা দেখে— কে মায়ের চাপে, পারিবারিক সংকটের কারণে, নাকি আরও গভীর কোনো সামাজিক ক্যাটালিস্ট সমস্যা আছে, সে বিষয় আমরা গবেষণা বা কার্যকর উদ্যোগে পিছিয়ে।

---

# # #আত্মহত্যারঝুঁকিতেথাকাশিক্ষার্থীদেরচেনারউপায়কী

অনেকে নিরুপায় চিন্তাভাবনা করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তাদের ইঙ্গিত স্পষ্ট পাওয়া যায়। কিন্তু হত্যার সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আমরা আলাদা আটচ বা অনুমান করা সহজ না— হতে পারে। তবে কাছের মানুষ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা বন্ধুদের সহজে কিছু মনোইঙ্গিত মনে করেন। সাধারণত যেগুলো আত্মহত্যা ঝুঁকির আগে গবেষকেরা মনে করেন, সেগুলো হলো—

১. আত্মহত্যা বা মৃত্যু নিয়ে কথা বা লেখা, অনেক সময়কার তুলনায় উদ্ভট মেলে। যেমন "আমার সবকিছু ভালো" বা "আমি সব শেষ করে যাচ্ছি" অথবা "বেঁচে থাকার মানে কী", "পৃথিবীর তোমাকে আমার ভালো চিঠা করে হবে না" অথবা "আমি থাকলেও কেউ কিছু যায় আসে না";

২. ব্যর্থতা সামর্থ্যের অতিরঞ্জন;

৩. নিজের বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন থাকা;

৪. নিজের প্রিয় বস্তু বা মূল্যবান জিনিস অন্যকে দিয়ে দেওয়া;

---

#আত্মহত্যারপথথেকেফেরানোরউপায় কী হতে পারে?

এই পরিস্থিতি কোনোভাবেই নেওয়া যায় না। এই "অর্থহীন" ফলাফলের দরজায় বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা যা করার আমাদেরই করতে হবে। শিক্ষার্থীদের বাঁচানোর দায়িত্ব আমাদেরই দ্বার।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ক্ষেত্রে নজর দেওয়া যায়:

১. পরীক্ষা পদ্ধতি ও ফলাফল পদ্ধতির পরিবর্তন;

২. পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর থেকে অভিভাবক ও মা-বাবাকে সতর্ক করে দেওয়ার বিশেষ প্রচারণা। পরিবারে পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে অতিরিক্ত চাপ যেন না দেওয়া হয়। পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের আগে থেকেই শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রস্তুতি দিতে হবে এবং তাদের প্রতি মমত্ব ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা;

৩. ফেল করার নানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উদ্যোগগুলোর উল্টো প্রচারণা চালিয়ে সমাজের ইতিবাচক ধরনের উদ্যোগকে উৎসাহিত করা;

৪. যেহেতু আত্মহত্যা তালিকায় মেয়েদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেশি, তাই এদের বিষয়ে আলাদাভাবে উদ্যোগ।..
অভিভাবকের প্রত্যাশা ও মানসিক বোঝা

বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের জীবনে অভিভাবকের সামাজিক প্রত্যাশা প্রভাব ফেলে মারাত্মকভাবে

উৎস: প্রথম আলো। (২৮/০৬/২০২৫)

Address

Village : Kulaigaci , Post:Dariapur _Narail Sadar
Narail
7500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mirajul's Math Magic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Mirajul's Math Magic:

Share