Exclusive Education Zone

Exclusive Education Zone Science Zone for Hsc......
We beleive that,Teacher excellence does not impart education, but enables

আমরা কি জানি ?যে টাকার মধ্যো দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়!তবে কেন বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় শুনে নিনটাকা তৈরী করার সময়ে ফ্লুরোসেন...
29/03/2021

আমরা কি জানি ?
যে টাকার মধ্যো দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়!
তবে কেন বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় শুনে নিন

টাকা তৈরী করার সময়ে ফ্লুরোসেন্স পদার্থ ব্যবহার করা হয়। যাকে বাংলায় জলছাপ ও বলা হয়।আর ফ্লুরোসেন্স পদার্থ থাকায় ইলেকট্রন মুক্ত হয়।তাই টাকার ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।

মহাকাশে পেন্সিল বা কলম ব্যবহার করা হয়না কেন?অনেকেই হয়ত থ্রি ইডিয়টস মুভিটি দেখেছেন। ছবির শুরুতে বোমান ইরানি (ভাইরাস) সকল ...
25/03/2021

মহাকাশে পেন্সিল বা কলম ব্যবহার করা হয়না কেন?

অনেকেই হয়ত থ্রি ইডিয়টস মুভিটি দেখেছেন। ছবির শুরুতে বোমান ইরানি (ভাইরাস) সকল ছাত্র ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে একটি পেন দেখান। একটি অ্যাস্ট্রোনট পেন ছিল সেটি। মহাশূন্যে বল পয়েন্ট কলম ব্যবহার করা যায় না। তাই অ্যাস্ট্রোনট পেন ব্যবহার করা হয়। তখন আমির খান বোমান ইরানিকে ( ভাইরাস) বলেন তাহলে পেন্সিল ব্যবহার করা হয় না কেন? এই ছিল ছবির কাহিনী....

আসলে মহাশূন্যে পেন্সিল ব্যবহার করা হয় না। এর পেছনে কিছু কারণ রয়েছে :

মহাকাশযাত্রার প্রথম দিকে, রাশিয়ান এবং আমেরিকান, দুই জাতিই মহাকাশে গিয়ে পেন্সিলই ব্যবহার করতো। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে, পেন্সিলের নিব গ্রাফাইট দিয়ে তৈরি, যেটা তাপ ও বিদ্যুতের অত্যন্ত ভালো মানের পরিবাহক। অভিকর্ষহীন মহাকাশে ভেঙ্গে যাওয়া নিব-এর টুকরো বেশ ভালোরকম সমস্যার জন্ম দিতে পারে। যেমন - বাতাসের ভেন্টিলেশন সিস্টেমে বা ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রপাতির মধ্যে ঢুকে যেতে পারে। তখন শর্ট সার্কিট হতে পারে, ক্যাপসুলের বিশুদ্ধ অক্সিজেনযুক্ত পরিবেশে আগুন ধরে যেতে পারে।

অ্যাপোলো-১ এর সকল মহাকাশচারী আগুনে পুড়ে মারা যাওয়ার পর, নাসা এমন একটা লেখার উপকরণ খুঁজছিলো, যেটাতে আগুনের কোনো ঝুঁকি না নেয়। তখন Paul C Fisher এর কলম বানানোর প্রতিষ্ঠান Fisher Space Pen Company বাজেট করলো মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার। এরপর নাসা প্রতিটি কলম কিনে নিলো মাত্র ২ ডলার ৯৫ সেন্ট দিয়ে। অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই রাশিয়ানরাও পেন্সিল বাদ দিয়ে এই বিশেষ কলম ব্যবহার করা শুরু করলো।

প্রথম দিকে নাসা যখন মহাকাশযান পাঠানো আরম্ভ করলো, তখন বুঝলো যে বলপয়েন্ট কলম অভিকর্ষ ছাড়া কাজ করবে না। তখন মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হলো, এমন এক কলম বানানোর জন্য যেটা যে কোনো পৃষ্ঠে, যে কোনো কোণে, শূন্যের নিচে থেকে শুরু করে ৩০০ ডিগ্রী সেণ্টিগ্রেড তাপমাত্রা পর্যন্ত কাজ করবে।

তথ্যেসুত্র: ধ্রুবতারা (ত্রৈমাসিক বিজ্ঞান পত্রিকা)

24/03/2021

▪️মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় জীববিজ্ঞান

▪️বোটানি
▪️কোষ ও কোষের গঠন

▪️▪️কোষ ও কোষের গঠন থেকে গত ১০ বছরে আসা প্রশ্ন সংখ্যাঃ
২০১০- ১টি
২০১১- ২টি
২০১২- ১টি
২০১৩- ২টি
২০১৪- ১টি
২০১৫- ০টি
২০১৬- ২টি
২০১৭- ১টি
২০১৮- ১টি
২০১৯- ২টি

▪️▪️ বিগত ২০ বছরে কোন টপিক থেকে কতটি প্রশ্ন এসেছেঃ
i. DNA/ RNA- ৭টি
ii. কোষপ্রাচীর ও কোষঝিল্লি- ৭টি
iii. প্লাস্টিড- ৬টি
iv. মাইটোকন্ড্রিয়া- ৫টি
v. ক্রোমোসোম- ৫টি
vi. আবরণযুক্ত ও আবরণহীন অঙ্গাণু- ৪টি
vii. রাইবোসোম- ৪টি
viii. গলগি বডি- ৩টি
ix. লাইসোজোম- ৩টি
x. জিন- ৩টি
xi. রেপ্লিকেশন, ট্রান্সক্রিপশন, ট্রান্সলেশন- ২টি
xii. সাইটোস্ক্যালিটন- ২টি
xiii. সেন্ট্রিওল- ১টি
xiv. নিউক্লিয়াস- ১টি

▪️কোষ ও কোষের গঠন থেকে যে যে টপিক পড়তে হবেঃ
১. বৈশিষ্ট্য
i. বিভিন্ন অঙ্গাণুর বোল্ড লাইন
ii. Watson & Crick Model
iii. জিনের বৈশিষ্ট্যাবলি

২. কাজ
i. কোষঝিল্লির কাজ
ii. কোষীয় অঙ্গাণুসমূহের কাজ(কেবল আনকমন কাজগুলো)
iii. DNA ও বিভিন্ন প্রকার RNA এর কাজ
iv. নিউক্লিওটাইডগুলোর কাজ

৩. সংখ্যাসূচক (অসংখ্য সাল দেওয়া আছে, ওইগুলা পড়ার দরকার নেই। কেবল গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যাগুলো পড়তে হবে)

৪. পার্থক্য/ ছক
i. মসৃণ ও অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম পার্থক্য
ii. বৈজ্ঞানিক নাম ও ক্রোমোজোম সংখ্যা ছক
iii. DNA ও RNA পার্থক্য
iv. অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগে ট্রান্সলেশন এর বিঘ্ন সৃষ্টিকারী পর্যায়
v. বিভিন্ন রেপ্লিকেশন এনজাইমের কাজ

৫. বিভিন্ন বিজ্ঞানীর সম্পর্কিত তথ্য
i. প্রকাশিত মতবাদ,
ii. আবিষ্কার,
iii. নামকরণ,
iv. তাদের প্রকাশিত গ্রন্থের নাম

৬. অংশ/ গাঠনিক উপাদান/ ভৌত গঠন (কেবল বোল্ড করা নামগুলো মুখস্থ রাখলেই হবে)
i. ফ্লুইড মোজাইক মডেল অনুযায়ী কোষঝিল্লির গাঠনিক উপাদান
i. মাইটোকন্ড্রিয়া ও প্লাস্টিড এর ভৌত গঠন
ii. সেন্ট্রিওল এর ভৌত ও রাসায়নিক গঠন
iii. ক্রোমোসোম ভৌত গঠন
iv. অপেরন এর চারটি অংশের নাম ও কাজ
v. নিউক্লিয়াস

৭. উদাহরণ
i. সাইক্লোসিস বা আবর্তন
ii. কোষীয় কঙ্কাল/ Cytoskeleton
iii. ক্রোমোসোমের উদাহরণ

৮. প্রকারভেদ
i. প্লাস্টিড, গলগি বডি ও লাইসোজোম এর প্রকারভেদ (কেবল বোল্ড করা নামগুলো)
ii. বিভিন্ন প্রকার জিন
iii. জিনেকে বিভিন্ন এককরুপে প্রকাশ
iv. RNA এর প্রকারভেদ

৯. বিভিন্ন প্রসেস বা প্রক্রিয়ার উপকরণ
i. Replication, Transcription, Translation প্রক্রিয়ার প্রয়োজনীয় উপকরণগুলোর নাম

১০. সবচেয়ে বড়/ছোট, সবচেয়ে কম/বেশি, একেবারেই থাকে না

🏆🏆 Confusing information:

★★ সেন্ট্রিওল ছত্রাকে থাকে নাকি থাকে না?
১ম অধ্যায়ে সেন্ট্রিওল কোন কোন উদ্ভিদে থাকে তার উদাহরণে ছত্রাকে সেন্ট্রিওল আছে দেওয়া। আবার ৫ম অধ্যায়ে ছত্রাকের বৈশিষ্ট্যে কোন সেন্ট্রিওল থাকে না লিখা।
সঠিক উত্তরঃ ছত্রাকে সেন্ট্রিওল থাকে না।

🍁🍁 এগুলো বিশ্লেষণ করে দেওয়ার পেছনে একটাই উদ্দ্যেশ্য যাতে কোন কোন তথ্যগুলো পড়তে হবে সেগুলো ভালোভাবে জেনে নিতে পারে। মাঝে কিছু বিশ্লেষণ করেও দেওয়া হয়েছে যাতে বুঝতে আরো সুবিধা হয়। যেগুলো পড়তে বলা হয়েছে অনেকেই এগুলো বাদ দিয়ে যায়, তাই সেগুলোকে উল্লেখ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করি কেউ আর এই টপিকগুলো ইগনোর করবে না।
সবার জন্য শুভ কামনা রইলো 💝💝💝

এইম ভাইয়া

15/01/2021

কালকে ইনশাল্লাহ, আমাদের নবিন বরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে
প্যারিস বার্গেট রেস্টুরেন্ট এ
❤️❤️❤️
exclusive family❤️❤️❤️❤️❤️

18/12/2020
10/12/2020



আসসালামু আলাইকুম 😊
আজকের বিষয়ঃমানব শরীরতত্ত্ব-পরিপাক ও শোষণ

এ অধ্যায় থেকে আমাদের সবচেয়ে বেশি যা পড়তে হবে-
1️⃣পরিপাকে অংশগ্রহণকারী এনজাইমগুলোর নাম****
2️⃣অগ্ন্যাশয়ের ক্ষরণ**
3️⃣পরিপাক গ্রন্থির গঠন ও কাজ***
4️⃣পরিপাকে হরমোনের নাম,উৎস ও কাজ****
5️⃣যকৃত,পাকস্থলী ও অগ্ন্যাশয়ের গঠন*
6️⃣বিএম আই

এ অধ্যায়ের কয়েকটা জিনিস খুব ঝামেলা লেগে যায় আমাদের।এভাবে গুছিয়ে পড়লে আশা করা যায় সব ঝামেলা দূর হবে।

🌿লালারসঃ
পানিঃ৯৯.৫%
pH:৬.২-৭.৪(সামান্য অম্লীয়)
দৈনিক ক্ষরণঃ১২০০-১৫০০ml

🌿পিত্তরসঃ
পানিঃ৯৭-৯৮%
pH:৮-৮.৬
দৈনিক তৈরি হয়ঃ৪০০-৮০০ml

🌿গ্যাস্ট্রিক জুসঃ
পানিঃ৯৯.৪৫%
pH:০.৯-১.৫
দৈনিক ক্ষরণঃ২লিটার

🌿আন্ত্রিক জুসঃ
পানিঃ৯৮.৫%
pH:৬.৩-৯/গড়ে ৮.৩
দৈনিক ক্ষরণঃ১-২লিটার

🌿অগ্ন্যাশয় রসঃ
পানিঃ৯৮%
pH:৮-৮.৩

🌿স্বাদকোরকের অবস্থানঃ
💊জিহ্বার অগ্রভাগে-মিষ্টি
💊অগ্রভাগের দুপাশে-লবনাক্ততা
💊পশ্চাৎভাগের দুপাশে-অম্লতা বা টক
💊পশ্চাৎভাগে-তিক্ততা

🌿ক্ষুদ্রান্ত্রঃ৩টি অংশ।
(Mnemonic-DJ আলী।)

D-ডিওডেনাম
J-জেজুনাম
আলী-ইলিয়াম।এটি ক্ষুদ্রান্রের বৃহৎ অংশ(ক্ষুদ্রান্তের মোট দৈর্ঘ্যের তিন-পঞ্চমাংশ)

🌿বৃহদান্ত্রঃ৩টি অংশ।
(Mnemonic-সিকাম😁)

সি-সিকাম
কা-কোলন
ম-মলাশয়

🍁সিকাম এর দৈর্ঘ্যের চেয়ে প্রস্থ বেশি।এমন আরও কয়েকরা অর্গান আমাদের শরীরে রয়েছে--PC
P-প্রস্টেট,পনস,পিটুইটারি গ্রন্থি
C-সেরেবেলাম,সিকাম

🍁সিকামের সাথে অ্যাপপনডিক্স নামে বদ্ধ থলি যুক্ত থাকে,যাকে উপকারী জীবাণুর ভান্ডার বলা হয়।

🌿দন্তসংকেতঃ

🍁স্থায়ী দাঁতের ক্ষেত্রে -I2C1P2M3/I2C1P1M3(2123)
🍁৩-৬বছর বয়সের শিশুর -I2C1M2/I2C1M2
অর্থাৎ বাচ্চাদের ক্ষেত্রে প্রিমোলার/অগ্রপেষণ দাঁত অনুপস্থিত।

🌿কয়েকটা টার্ম আমাদের ঝামেলা কমনলি লেগে যায়-

🍁গ্লাইকোজেনেসিস-গ্লুকোজ থেকে গ্লাইকোজেন তৈরি।
🍁গ্লাইকোজেনোলাইসিস-গ্লাইকোজেনকে ভেংগে গ্লুকোজে রুপন্তর
🍁গ্লুকোনিওজেনেসিস-ননকার্বোহাইড্রেট উৎস(অ্যামিনো এসিড ও গ্লিসারোল) থেকে গ্লুকোজ তৈরি।
🍁ডি-অ্যামিনেশনঃঅ্যামিনো এসিড থেকে ইউরিয়া উৎপাদন(অরনিথিন চক্রের মাধ্যমে)
🍁ট্রান্স-অ্যামিনেশনঃঅ্যামিনো এসিড ও অন্য একটি অর্গানিক এসিডের মধ্যে রাসায়নিক গ্রুপ(অ্যামিনো গ্রুপ)এর বিনিময়

🌿পাকস্থলীঃ

🍁মসৃন পেশির ৩টি স্তর নিয়ে পাকস্থলী গঠিত।
🍁গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি ৪ ধরনের কোষ নিয়ে গঠিত -
১.অক্সিনটিক/প্যারাইটাল কোষ-এটি HCl তৈরি করে।
২.আর্জেন্টাফাইন কোষ-এরা গ্যাস্ট্রিক ইনহিবিটরি ফ্যাক্টর তৈরি করে।
৩.জাইমোজেনিক/পেপটিক/চীফ কোষ-পেপসিনোজেন উৎপন্ন করে।
৪.গ্যাস্ট্রিন/জি-কোষঃগ্যাস্ট্রিন হরমোন ক্ষরন করে।এরা গ্যাস্ট্রিক জুস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে

🌿যকৃতঃ

-সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি
-৪টি অসম্পূর্ণ খন্ডে বিভক্ত।
১।ডান খন্ড(সবচেয়ে বড় খন্ড)
২।বাম খন্ড
৩।কোয়াড্রেট লোব
৪।কডেট(কর্ডেট নয়😁)

🌿অগ্ন্যাশয়ঃ
অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যানসে ৪ধরনের কোষ থাকে-
১.আলফা কোষ-গ্লুকাগন হরমোন ক্ষরন করে।এটি রক্তে গ্লুকোজের পরিমান বাড়ায়।
২.বিটা কোষ-ইনসুলিন ক্ষরণ করে।এটি রক্তে গ্লুকোজ কমায়।
৩.ডেল্টা কোষ-সোমাটোস্ট্যাটিন রিলিজ করে,যা আলফা ও বিটা কোষের ক্ষরণ কমায়।
৪.গামা/পিপি কোষ-এটি প্যানক্রিয়েটিক পলিপেপটাইড ক্ষরণ করে,যা অগ্নাশয় রস ক্ষরণে বাধা দেয়।

🌿পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন- ভিটামিন B,C(WBC)
W-Water,BC-ভিটামিন B,C

🌿পিত্তরসে কোনো এনজাইম বা উৎসেচক থাকে না।তবুও এটি আমাদের পরিপকে সহায়তা করে।

🌿স্থুলতাঃ

🍁স্থুলতার কারনে -
১.করোনারি হৃদরোগ
২.টাইপ-২ ডায়াবেটিস (টাইপ-১ নয়😁)
৩.ক্যান্সার(স্তন ও কোলন)
৪.উচ্চরক্তচাপ, স্ট্রোক,স্লিপ অ্যাপনিয়া
৫.যকৃত ও পিত্তথলির অসুখ
৬.বন্ধ্যাত্ব,অস্টিও-আর্থাইটিস
ইত্যাদি হয়ে থাকে।

🌿🌿কুইজ🌿🌿

১।নিচের কোনটি লালাগ্রন্থি নয়-
ক.প্যারোটিড খ.সাবম্যাক্সিলারি
গ.সাবলিঙ্গুয়াল
ঘ.সাবম্যান্ডিবুলার
২।নিচের কোন তথ্যটি মিথ্যা নয়-
ক.জিহ্বার অগ্রভাগের স্বাদকোরক টক অনুভব করে
খ.এপেনডিক্স সিকামের অংশ নয়
গ.মানুষের এপেনডিক্স একটি সক্রিয় অঙ্গ
ঘ.অন্ননালীর দৈর্ঘ্য ২৫সে.মি.
৩।নিচের কোনটি লালাগ্রন্থি কর্তৃক নিঃসৃত হয় না-
ক.টায়ালিন
খ.মল্টেজ
গ.লিউসিন
ঘ.মিউসিন
৪।নিচের কোনটি ভিন্ন-
ক.অগ্নাশয়
খ.শুক্রাশয়
গ.ডিম্বাশয়
ঘ.যকৃত
৫।পাকস্থলীতে কোন জাতীয় খাদ্যের পরিপাক হয় না?
ক.কার্বোহাইড্রেট
খ.প্রোটিন
গ.লিপিড
ঘ.প্রোটিন ও লিপিড উভয়ই

সংগ্রহীত।

08/12/2020

টার্সাল অস্থিঃ ৭ টি
শর্টকাটঃ "কালকে টাকা নিবি"

কালকে=ক্যালকেনিয়াস
টা=ট্যালাস
কা=কিউবয়েড
কা=কুনিফর্ম (৩টি)
নিবি=নেভিকুলার

15/11/2020

🔰 স্বপ্ন যাদের মেডিকেল🔰

🔴 মেডিকেলের প্রশ্ন সহজ হয়। পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে হয়ে অনেকেই খুশিতে বগল বাজায়। ৮০ বা ৯০ এর নিচে মার্ক পাবেই না। রেজাল্টে এদের কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায় না।

🤔 কারণ কী?

- প্রশ্ন আসলেই সহজ। তাহলে কেন ভুল হয়? কারণ প্রশ্ন বেসিক থেকে আসে। যার যত বেসিক তার কনফিডেন্স তত বেশি। তার প্রশ্ন কারেক্ট করার পরিমাণও তত বেশি।

শুধু গুরুত্বপূর্ণ অংশ দাগালেই হবে না। পুরো ব্যাপারে দক্ষতা জরুরি। টার্গেট যদি জাতীয় মেধায় ফার্স্ট না হওয়ার প্ল্যান থাকে তবে মেডিকেলে চান্স পেলেও অনেক পেছনে যেতে হবে। টার্গেট হবে- জাতীয় মেধায় ফার্স্ট হবো। এই টার্গেট ছাড়া পড়ো না।

🔴 আগে থেকে বায়োলজিতে দক্ষতা কম ছিলো? কম জানতে? সমস্যা কী?

- তিন মাস দীর্ঘ সময়। আড়াই মাস দীর্ঘ সময়। ঠিকঠাক দিকনির্দেশনা মানলে, প্রতিদিন প্রতিদিনের পড়া কমপ্লিট করলে আর চিন্তা নাই। শূন্য থেকেও টপে আসা পসিবল। এমনই হয়। এজন্যই দেখবে তুলনামূলকভাবে গ্রামের ছেলেরা, দরিদ্র ছেলেরা (যারা ঠিকঠাক পড়ার সুযোগ পায়নি) মেধা তালিকায় টপে চলে আসে। কেন? কারণ এরা এই সময়টা সবচেয়ে ভালোভাবে স্পেন্ড করে। এদের হারানোর কিছু নাই। এরা স্রোতের প্রতিকূলে যেতে যা করতে হয় সব করে।

🔴 এর সাথে যুক্ত করতে হবে সর্বাধিক প্রশ্ন সলভ করা।
এতবেশি প্রশ্ন সলভ করে যেন মনে হয়- বাংলাদেশে তোমার চেয়ে কেউ বেশি প্রশ্ন সলভ করেনি। সেরা ফলাফলের কনফিডেন্স পেতে হলে প্রশ্ন সলভের দিকে নজর দিতে হবে।
যেখানেই কোচিং করো- নিজের কোয়ালিটির সাথে কম্প্রোমাইজ করবে না। যেখানেই প্রাইভেট পড়ো, নিজের লাভের সাথে কম্প্রোমাইজ করবে না। কচ্ছপের মতো লেগে থাকবে। সেরা হতেই হবে। এর বাইরে কোনো কথা নাই। আফসোস যেন করতে না হয়- আরেকটু ভালো করে পড়লে মেডিকেলে চান্স পেতাম কিংবা আরেকটু কৌশুলি হলে টপলিস্টে চলে আসতাম।

🔴 জীবন একটা, সুযোগ একবারই। ট্রেন স্টেশনে থামার আগেই উঠে পড়তে হবে। পরের ট্রেন কবে আসবে, আদৌ আসবে কী না কে জানে!!

শুভ কামনা রইলো 💞💞
দেখা হবে বিজয়ে 😍

©Dr. Razib Hossain Sarker Sir

12/11/2020

মেডিকেল / ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা প্রস্তুতি

টেকনিকে মনে রাখুন ৮ দিয়েঃ

১. বর্তমান বিভাগ ৮ টি।

২. মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর ছিল> ৮নং সেক্টর।

৩. মাটি থেকে ভলিবল নেটের দূরত্ব> ৮ ফুট।

৪. পারমানবিক শক্তিধর অধিকারী বিশ্বের মোট>
৮টি দেশ।

৫. সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো
আসতে সময় লাগে> ৮মিনিট ২০সেকেন্ড।

৬. বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস> ৮সেপ্টেম্বর।

৭. D-8 এর সদস্য দেশ মোট> ৮টি।

৮. SAARC এর সদস্য দেশ মোট> ৮টি।

৯. আন্তর্জাতিক নারী দিবস> ৮ মার্চ

১০. রংপুর এবং রাজশাহী বিভাগে জেলা আছে
মোট> ৮টি করে।

১১. সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন> ৮ বর্গ কি
মি.।

১২. MDG (Millennium Development Goal)-এর
মোট লক্ষ্য হচ্ছে> ৮টি।

১৩. বিশ্ব রেডক্রস দিবস> ৮মে।

১৪. বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ> ৮টি।

১৫. মাকড়সার পা মোট> ৮টি।

১৬. বাংলাদেশে মোট সার কারখানা আছে> ৮টি।

07/11/2020

শীতের শুষ্ক ও ঠাণ্ডা আবহাওয়ার প্রভাব শুধু শরীরের ওপরই পড়ে না,ঠোঁটের ওপরও পড়ে ভীষণভাবে। এতে এ সময় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবারই ঠোঁট শুষ্ক থাকে এবং ঠোঁট ফাটতে দেখা যায়। অনেকের আবার শুধু শীতকালই নয়, সারা বছরে ঠোঁট শুষ্ক থাকে ও ফাটে।

কিছু মানুষ যারে যারা মনে করে শুধুমাত্র শীতে চামড়ার শুষ্কতার জন্য বুঝি ঠোঁট ফাটে। যার কারনে তারা বারবার জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে রাখেন। কিন্তু এতে ঠোঁট ফাটা বন্ধ হয় না, বরং আরও বাড়ে।

সিবেসিয়াস গ্রন্থি(Sebaceous glands) নামক আণুবীক্ষণিক এক্সক্রনিক গ্রন্থি রয়েছে আমাদের ত্বকে বা চামড়ায়। যা থেকে একধরনের তৈলাক্ত(মেদ) বা মোমের মত রস ক্ষরিত হয় যাকে বলে সিবাম(sebum), যা আমাদের ঘামের সাথে মিশে পুরো চামড়ায় ছড়িয়ে যায় এবং চামড়াকে মসৃণ ও জলরোধী রাখে। এর ফলে চামড়া ফাটে না।

ঠোঁট ফাটার অন্যতম আরেকটি কারণ হচ্ছে ঠোঁট ও শরীরে আর্দ্রতার ভারসাম্যের অভাব। শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে বলে ঠোঁট আর্দ্রতা হারায় খুব তাড়াতাড়ি। খেয়াল করে দেখবেন, কোনো কারণে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়লে যে কোনো ঋতুতেই ঠোঁট ফেটে থাকে আমাদের। শীতের আগের মৌসুমী ঠান্ডা হাওয়া ছাড়াও আরও কিছু বিষয় আছে, যা ঠোঁট ফাটাকে ত্বরান্বিত করে বা বাড়িয়ে দেয়। যেমন বারবার জিব দিয়ে ঠোঁট চাটার অভ্যেস, পুষ্টিহীনতা ও ভিটামিনের অভাব, প্রখর সূর্যের তাপ ও পানিশূন্যতা, বিভিন্ন প্রকার ওষুধ সেবন।
©রোর

06/11/2020

মেডিকেল / ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা প্রস্তুতি

১২ জোড়া করোটিক স্নায়ুর নাম ও কাজ মনে রাখার শর্টকাট উপায়

প্রথমেই আমরা করোটিক স্নায়ুগুলোর নাম জেনে নেই
মানুষের ১২ জোড়া করোটিক স্নায়ুর নামঃ
১) অলফ্যাক্টরি স্নায়ু(Olfactory Nerve)
২)অপটিক স্নায়ু(Optic Nerve)
৩) অকুলামোটর স্নায়ু (Oculomotor Nerve)
৪)ট্রকলিয়ার স্নায়ু(Trochlear Nerve)
৫)ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু(Trigeminal Nerve)
৬)অ্যাবডুসেন্স স্নায়ু (Abdusense Nerve)
৭)ফেসিয়াল স্নায়ু (Facial Nerve)
৮)অডিটরী স্নায়ু (Auditory Nerve)
৯)গ্লোসোফ্যরিন্জিয়াল স্নায়ু (Glossopharyngeal Nerve)
১০)ভেগাস স্নায়ু (Vagus Nerve)
১১)স্পাইনাল অ্যাকসেসরি স্নায়ু(Spinal Accessory Nerve)
১২)হাইপোগ্লোসাল স্নায়ু(Hypoglossal Nerve)
নামগুলো মনে রাখার জন্য
ওহে অপু ওঠ,
অলফ্যাক্টরি স্নায়ু অপটিক স্নায়ু অকুলামোটর স্নায়ু
তামাক টিকা আন
ট্রকলিয়ার স্নায়ু ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু অ্যাবডুসেন্স স্নায়ু
ফেলে আন জল,
ফেসিয়াল স্নায়ু অডিটরী স্নায়ু গ্লোসোফ্যরিন্জিয়াল স্নায়ু
ভরে আন হুকা
ভেগাস স্নায়ু স্পাইনাল অ্যাকসেসরি স্নায়ু হাইপোগ্লোসাল স্নায়ু
এখন আমরা মানুষের ১২ জোড়া করোটিক স্নায়ুর কাজ শিখব গল্পের মাধ্যমে
এক চোর যায় হেটেঁ যাচ্ছে
১)হঠাৎ বিরিয়ানীর গন্ধ তার নাকে এসে লাগল
কার্যকর স্নায়ু : অলফ্যাক্টরি স্নায়ু
কাজ:ঘ্রান অনুভূতি মস্তিষ্কে প্রেরণ
২) দেখল রাস্তার পাশেই এক বাড়ির জানালা খোলা
কার্যকর স্নায়ু: অপটিক স্নায়ু
কাজ: দর্শন অনুভূতি মস্তিষ্কে প্রেরণ (অবশ্য অপটিক নাম দিয়েই এর কাজ বুঝা যায়)
৩)খুব সাবধানে জানালার কাছে গিয়ে শুধু চোখ ঘুরিয়ে এদিক সেদিক দেখল
কার্যকর স্নায়ু: তিনটি - অকুলামোটর স্নায়ু, ট্রকলিয়ার স্নায়ু, অ্যাবডুসেন্স স্নায়ু
কাজ:অক্ষিগোলকের সন্চালন
৪)তারপর জানালার শিক কেটে রান্নাঘরে ঢুকে পাতিলের ঢাকনা তুলতে গিয়ে হাতে ছ্যাঁকা খেলো
কার্যকর স্নায়ু: ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু
কাজ:সংশ্লিষ্ট অঙ্গগুলোর সন্চালনে সহায়তা এবং চাপ , তাপ, স্পর্শ ইত্যাদি অনুভূতি গ্রহন
৫)কোন মতে ছ্যাঁকা সামলে স্বাভাবিক হতেই বিরিয়ানীর গন্ধে মুখ ভরে গেলো লালাতে, ধোয়া চোখে লেগে বেরোল অশ্রু
কার্যকর স্নায়ু: ফেসিয়াল স্নায়ু
কাজ:মুখবিবরের সন্চালন, লালাক্ষরন, অশ্রুক্ষরন, ইত্যাদি এবং আস্বাদন ও ত্বকের অনুভূতিতে সহায়তা
৬)খেতে গিয়ে শুধুই বাঁধা , ধুপ করে এক বেড়াল পড়ল সানসেড দিয়ে।শব্দ শুনে ভড়কে গেল চোর
কার্যকর স্নায়ু:অডিটরী স্নায়ু
কাজ:শ্রবন ও ভারসাম্য রক্ষা
৭)অবশেষে চামচ দিয়ে বিরিয়ানী নিল মুখে, "আহা! কি স্বাদ!"
কার্যকর স্নায়ু:গ্লোসোফ্যরিন্জিয়াল স্নায়ু
কাজ:স্বাদগ্রহন ও জিহ্বার সন্চালন
৮)খেতে খেতে হঠাৎ বুঝতে পারল আর খেলে মনে হয় তার পেটটা ফেটে যাবে
কার্যকর স্নায়ু:ভেগাস স্নায়ু
কাজ:হৃদপিন্ড,ফুসফুস,স্বরনালী ও পাকস্থলীর সন্চালনএবং অনুভূতি গ্রহন
৯)খাওয়া শেষে কাঁধ ঝাকিয়ে নিল বেশ, হল একটু ফ্রেশ।
কার্যকর স্নায়ু:স্পাইনাল অ্যাকসেসরি স্নায়ু
কাজ: মাথা ও কাঁধের সন্চালন
১০)সবশেষে চোর বেটা জিব দিয়ে ঠোঁট চেটে, শিষ দিতে দিতে চলে গেল।
কার্যকর স্নায়ু:হাইপোগ্লোসাল স্নায়ু
কাজ:জিহ্ববার সন্চালন

Address

College Road, Chasara
Narayanganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Exclusive Education Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Exclusive Education Zone:

Share