Sobuj Kumar Sarkar

Sobuj Kumar Sarkar "আমি ঘর ছাড়িয়া বাহির হইয়া,
জোছনা ধরিতে যাই।
হাত ভর্তি চাঁদের আলো,ধরতে গেলেই নাই"

15/09/2024

মানুষ সবচেয়ে বেশি প্রেমে পড়ে কিসের জানেন?

কথার। শব্দ চয়ন, অভিব্যক্তি, গলার স্বর, মননশীলতা ইত্যাদি। এই আকর্ষণ এক অদ্ভুত চুম্বক। শুনতে না চাইলেও শুনতে বাধ্য। নিশির ডাকের মতো। মানুষ চলে যাবে, সংযোগ শেষ হয়ে যাবে কিন্তু সে কথাগুলো কানে বেজেই চলবে। সারাজীবন। শব্দ। শুধু শব্দ দিয়ে কাউকে মেরে ফেলা যায়। শব্দ দিয়ে স্বপ্ন দেখানো যায়। শব্দ দিয়ে একটা যুদ্ধ বাধিয়ে ফেলা যায়।

“তুমি বলো, তুমি বৃষ্টি ভালোবাসো, কিন্তু তার তলে তুমি ছাতা নিয়ে হাঁটো।তুমি বলো, তুমি সূর্য ভালোবাসো, কিন্তু রোদের দিনে তু...
09/04/2024

“তুমি বলো, তুমি বৃষ্টি ভালোবাসো,
কিন্তু তার তলে তুমি ছাতা নিয়ে হাঁটো।
তুমি বলো, তুমি সূর্য ভালোবাসো,
কিন্তু রোদের দিনে তুমি ছায়া খোঁজো।
তুমি বলো, তুমি বাতাস ভালোবাসো,
কিন্তু যখন সে আসে তুমি জানালা বন্ধ করে দাও।
তাই আমি ভয় পাই
যখন তুমি বলো, তুমি আমাকে ভালোবাসো।”

১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে ছিলো, একটা ছেলে যদি একজন মেয়ের সাথে কথা বলতে চায়, তবে তাকে প্রক্টর বরাবর দরখা...
20/02/2024

১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে ছিলো, একটা ছেলে যদি একজন মেয়ের সাথে কথা বলতে চায়, তবে তাকে প্রক্টর বরাবর দরখাস্ত দিতে হবে। শুধুমাত্র প্রক্টর অনুমতি দিলেই সে কথা বলতে পারবে। এছাড়া নয়। এমনকি তার ক্লাসের কোন মেয়ের সাথেও না।

ডিসেম্বর ১৯২৭, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাত্র ৬ বছর পর। একদিন কোলকাতা থেকে একজন যুবক এলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে দেখবেন। কয়েকজন বন্ধু বান্ধব নিয়ে সে ঘুরতে বের হলো। তখন কার্জন হল ছিলো বিজ্ঞান ভবন। ঘুরতে ঘুরতে যখন কার্জন হলের সামনে এসে পড়লো তারা, সে যুবক দেখলো দূরে একটা থ্রী কোয়ার্টার হাতার ব্লাউজ আর সুতির শাড়ি পরা এক মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সে তার বন্ধুদের জিজ্ঞেস করলেন, এই মেয়েটি কে? তখন তার বন্ধুরা বলল, এ হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম নারী ছাত্রী। তখন সেই যুবক বলে, সত্যি? আমি এই মেয়ের সাথে কথা বলব। তখন সে যুবক মেয়েটির সাথে কথা বলার জন্য একটু এগিয়ে গেলে তার বন্ধুরা তাকে বাঁধা দেয়। বলে, না তুমি যেওনা। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের সাথে কথা বলার অনুমতি নেই। তুমি যদি ওর সাথে অনুমতি ছাড়া কথা বলো তবে তোমার শাস্তি হবে। সেই যুবক বলল, "আমি মানি নাকো কোন বাঁধা, মানি নাকো কোন আইন।"

সেই যুবক হেঁটে হেঁটে গিয়ে সেই মেয়েটির সামনে দাঁড়ালো। তারপর তাকে বলল, আমি শুনেছি আপনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম নারী ছাত্রী। কি নাম আপনার? মেয়েটি মাথা নিচু করে বলল, ফজিলাতুন্নেছা। জিজ্ঞাসা করলো, কোন সাবজেক্টে পড়েন? বলল, গণিতে। গ্রামের বাড়ি কোথায়? টাঙ্গাইলের করোটিয়া। ঢাকায় থাকছেন কোথায়? সিদ্দিকবাজার। এবার যুবক বললেন, আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম নারী ছাত্রী, আপনার সাথে কথা বলে আমি খুব আপ্লুত হয়েছি। আজই সন্ধ্যায় আমি আপনার সাথে দেখা করতে আসবো।

মেয়েটি চলে গেলো। এই সব কিছু দূরে দাঁড়িয়ে এসিস্ট্যান্ট প্রক্টর স্যার দেখছিলেন। তার ঠিক তিনদিন পর। ২৯ ডিসেম্বর ১৯২৭, কলা ভবন আর বিজ্ঞান ভবনের নোটিশ বোর্ডে হাতে লেখা বিজ্ঞপ্তি টানিয়ে দেয়া হলো যুবকের নামে। তার নাম লেখা হলো, তার বাবার নাম লেখা হলো এবং বিজ্ঞপ্তিতে বলা হলো, এই যুবকের আজীবনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ।

তারপরে এই যুবক আর কোনদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেননি। সেইদিনের সেই যুবক, বৃদ্ধ বয়সে ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট মৃত্যুবরণ করলেন। যে যুবকটা আর কোনদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ করেননি, তার মৃত্যুর পরে তার কবর হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সেই যুবকের নাম, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

পুনশ্চ: মেয়েটি
ফজিলাতুন্নেসা জোহা,
কবি নজরুল ওনাকে নিয়ে 'বর্ষা বিদায়' কবিতা লেখেন।

©️সংগৃহীত

20/02/2024

সম্পর্কগুলো শেষ হয় যত্নের অভাবে।
একটা মানুষের সাথে সম্পর্কে জড়ানোর প্রথম মুহূর্তগুলো সত্যিই খুব সুন্দর হয়।
সেই সময়টায় তিন বেলা নিয়ম করে মানুষটার খোঁজ নিতে ভালো লাগে, কেয়ার নিতে ভালো লাগে, তার গলার আওয়াজ ভালো লাগে, ঝগড়া, ন্যাকামি, বাবু-সোনা টাইপ সব কথাই ভালো লাগে।
কিন্তু সম্পর্কের বয়স বেড়ে গেলে আস্তে আস্তে সব কিছু স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

মানুষটা একসময় অভ্যাসে পরিনত হয়ে যায়। প্রতিদিন একই মুখের প্রতি নতুন কিছু না খুঁজে পেয়ে, একসময় মানুষটার মাঝে আর মুগ্ধতা খুঁজে পাওয়া যায় না।
খুঁজে পাওয়া যায় না বললে ভুল হবে, আমরা নিজেরাই খুঁজে দেখি না।
এই সময়টাতেই আমরা সবচেয়ে বড় ভুলটা করে ফেলি।
আমরা অল্প অল্প করে মানুষটার যত্ন নেওয়া কমিয়ে দিই।
সচেতন ভাবে হোক আর অবচেতন ভাবেই হোক, আমরা এটা করি।

ধরুন আপনার কুকুরটা খুবই প্রভুভক্ত।
আপনি যদি হুট করে একদিন কুকুরটাকে খাবার দেওয়া বন্ধ করে দেন, তাহলে কুকুরটা একদিন কিংবা দুদিন সহ্য করে তিন দিনের দিন অন্য কারোর কাছে খাবারের সন্ধান করবে।
যত্নের অভাবে সবচেয়ে প্রভুভক্ত প্রানীটাও তার প্রভুকে ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়।
আর আমরা তো মানুষ।
আমরা অত্যন্ত আদরপ্রিয়।
আমরা কারো কাছ থেকে যত্ন পেতে ভালোবাসি।
যত্নহীনতায় চারাগাছও বাঁচে না, আর আমরা তো মানুষ।

যত্ন হলো সম্পর্কের খাদ্য।
যত্ন কমে গেলে সম্পর্কে দূরত্ব সৃষ্টি হতে শুরু করে।
এই দূরত্ব মাঝে মাঝে বিচ্ছেদের রূপ নেয়।
শুধু মাত্র যত্নের অভাবে একসময়ে খুব ভালোবাসার মানুষটার সাথেও একই ছাদের নিচে থাকা হয় না।
এক ছাদের নীচে থাকার কথা ছিলো যে দুটো মানুষের, শুধু মাত্র যত্নের অভাবে ভিন্ন ছাদের নীচে আশ্রয় নিতে হয়।

শুধু ভালোবাসলেই হয় না,
শুধু নিয়ম করে সংসার করে গেলেই হয় না,
ভালোবাসলে যত্ন নিতে জানতে হয়।
মানুষটা পুরোনো হয়ে গেলেও মাঝে মাঝে তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলতে হয়-
"মোটা করে কাজল পড়লে, তোমায় অসহ্য রকমের সুন্দরী লাগে!"
মানুষটা পুরোনো হয়ে গেলেও, একদিন সময় নিয়ে মানুষটার কথা শুনতে হয়।
ভীষন ব্যস্ততার মাঝেও মানুষটার জন্য একটু সময় বের করতে হয়।
যত্নের অভাবে একবার দূরত্ব সৃষ্টি হয়ে গেলে, আর কাছে আসা যায়না।
অযত্নে সম্পর্করা শ্বাস নিতে পারে না।
যত্নহীনতায় সম্পর্কগুলোতে অল্প-অল্প করে দূরত্ব তৈরী হয়ে যায়।

এমনি এমনি সম্পর্কগুলো মরে না, সম্পর্করা মরে যায় যত্নের অভাবে।
বিপরীত মানুষটার খেয়াল রাখুন, যত্ন নিন।
দিনের শেষে মানুষটার হাত ধরে বসে থাকুন, মাথার চুলে দু-মিনিট বিলি কেটে দিতে দিতে, তাকে সাহস যোগান।
হাসির কথা বলুন, আর সে না হাসলে..
তাকে গেয়ে শোনান-

"অলিরও কথা শুনে বকুল হাসে,
কই তাহার মতো, তুমি আমার কথা শুনে হাসো না তো!"

17/02/2024

SSC EXAM 2024🌱
অতিথি পরীক্ষার্থীর সাথে এমন করা মোটেও উচিত হয়নি😊

❝প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়।❞শুদ্ধতম কবি জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিটিশ ভারতের ...
17/02/2024

❝প্রেম ধীরে মুছে যায়,
নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়।❞

শুদ্ধতম কবি জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিটিশ ভারতের বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ঝরা পালক, ধূসর পান্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহা পৃথিবী, বেলা অবেলা কালবেলা, রূপসী বাংলা। জীবনানন্দ ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র ছিলেন। রূপসী বাংলার কবিখ্যাত এই মানুষটা খুবই প্রচার বিমুখ ছিলেন। সেজন্য বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দকে 'নির্জনতম কবি' বলে আখ্যায়িত করেছেন। তাঁর অনেক লেখাই মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়েছিল।

বিংশ শতাব্দীর আধুনিক কবিতার পথিকৃত কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মদিনে বইয়ের শহর পরিবারের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাই।

হুমায়ূন আহমেদ তাঁর লীলাবতী উপন্যাস জীবনানন্দ দাশকে উৎসর্গ করে বলেছিলেন-
"শুদ্ধতম কবি জীবনানন্দ দাশ
কবি, আমি কখনো গদ্যকার হতে চাইনি। আমি আপনার মতো একজন হতে চেয়েছি। হায়, এত প্রতিভা আমাকে দেয়া হয়নি!"

জীবনানন্দ,
আবার আসিও তুমি, আসিবার যদি ইচ্ছা হয়।

বইয়ের নাম: দেবদাস লেখক: শ্রী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৫মুদ্রিত মূল্য: ১৮০ টাকাআমার প্রথম পঠিত বই।কিছু কিছু...
28/10/2023

বইয়ের নাম: দেবদাস
লেখক: শ্রী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৫
মুদ্রিত মূল্য: ১৮০ টাকা
আমার প্রথম পঠিত বই।

কিছু কিছু বন্ধুত্ব জীবনে এমনই প্রবল হয়ে যায় যে আলাদা করে আর প্রেমের জন্য জায়গা থাকে না। বন্ধুত্বের শেকড়ে গাঁথা বাল্যকালের প্রেমের গল্প, জীবনশেষে কী পরিণতি হয় তার? সবচেয়ে শুদ্ধ, সবচেয়ে গভীর প্রেম হয় জীবনের প্রথম প্রেমটি। সবকিছুর পরেও মনে স্থায়ী দাগ ফেলে দেয় প্রথম মন দেয়া-নেয়া। দেবদাস-পার্বতীর ক্ষেত্রেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। শরৎচন্দ্রের ‘দেবদাস’ উপন্যাসে বাল্যকালের এমনই এক করুণ প্রেমের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। এতে ফুটে উঠেছে প্রথম ব্যথা, প্রথম সুখ এবং প্রথম কারো জন্য নিজেকে ভুলে যাওয়ার গল্প।

এদের প্রেমের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় সেই চিরাচরিত সমাজ এবং পার্বতীর আত্মসম্মান। দেবদাস পার্বতীকে প্রত্যাখ্যান করে তার পরিবার ও সমাজের জন্য, আদতে যারা শেষপর্যন্ত তার আপন হতে পারেনি। পার্বতী ঠিক একই কাজ করে আত্মসম্মান থেকে। যে রাতে পার্বতী সবকিছুর পরোয়া না করে শুধুমাত্র তার দেবদাদার টানে চলে গিয়েছিলো, দেবদাস তার মূল্য দিতে পারেনি। এবং অন্যের অপমান যতটা সহজে সহ্য করা যায়, যার জন্য সব অপমান সহ্য করে গিয়েছে পার্বতী, তার কাছ থেকে অপমান সে নিতে পারেনি। তাই জবাব দিয়েছে পাল্টা আঘাতে। সেই আঘাত তাদের দুজনের জন্যই ছিল অনেক কঠিন, কিন্তু আত্মসম্মানটা একেবারে ছুঁড়ে ফেলে দিতে পারেনি সে।

11/10/2023

মটকা চা ☕🤎❣️
মন ভালো করার জন্য এমন এক কাপ চা ই যথেষ্ট 😍

খুব সম্ভবত ক্লাস নাইন টেনের বইয়ে একটা গল্প পড়েছিলাম! "নিমগাছ"আশ্চর্যজনক ভাবে গল্পটা আমি বার বার পড়েছি শুধু মাত্র শেষের দ...
07/09/2023

খুব সম্ভবত ক্লাস নাইন টেনের বইয়ে একটা গল্প পড়েছিলাম! "নিমগাছ"
আশ্চর্যজনক ভাবে গল্পটা আমি বার বার পড়েছি শুধু মাত্র শেষের দুটো লাইনের জন্য!
"নিমগাছটার ইচ্ছা করলো লোকটার সাথে চলে যেতে কিন্তু পারলো না! মাটির ভেতর শেকড় যে অনেক দূর চলে গেছে"!
চাইলেই আসলে ছেড়ে আসা যায়, শেকড় উপড়ে চলেও আসা যায় কিন্তু গাছের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য মনে হয় মাটির সাথে আঁকড়ে থাকা!!

"আমার সোনার বাংলা" in Lahore, Pakistan.🥰
03/09/2023

"আমার সোনার বাংলা" in Lahore, Pakistan.🥰

জানো কল্যাণী🌻আমি রবী ঠাকুরের "শেষের কবিতার" অমিত হতে চাই না,আমি চাই না মাঝপথে তোমার হাতটা ছেড়ে দিতে।আমি শরৎচন্দ্রের দেবদ...
01/09/2023

জানো কল্যাণী🌻

আমি রবী ঠাকুরের "শেষের কবিতার" অমিত হতে চাই না,
আমি চাই না মাঝপথে তোমার হাতটা ছেড়ে দিতে।
আমি শরৎচন্দ্রের দেবদাস হতে চাই না,
আমি চাই না তুমিও আমার চোখের সম্মুখে অন্য কারো হয়ে যাও।

আমি হুমায়ুন আহমেদ এর হিমুও হতে পারবো না,
এক অজানা অপেক্ষায়,তোমায় আমি বসিয়ে রাখতে পারবো না।
আমি শীর্ষেন্দুর হেমাঙ্গও হতে পারবো না,
এক জটিল প্রেম যন্ত্রণায় তোমায় ভোগাতে পারবো না।

তবে আমি আজকের "তুমি" টা হতে পারবো।
বিনা শর্তে,বিনা দ্বিধায় তোমায় নিজের কাছে আগলে রাখতো পারবো।
তোমায় বেশি অপেক্ষা করাবো না গো,তোমার চোখের জলে আকাশ ভিজতে দিবো না।
তোমার হাতে হাত রেখে আমি গল্পে ডুবে যাবো,
কখনো কালজয়ী উপন্যাস হবো আবার কখনো প্রিয় কবিতা।
তবুও তোমায় হারাতে পারবো না।
একাবিংশ শতাব্দীতে আমি এমন কবি হবো,
যেখানে তুমি হবে আমার কালজয়ী প্রেমের উপন্যাস।💚

19/08/2023

Address

Bornil Coaching, Rothghor
Pabna
6600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sobuj Kumar Sarkar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share