01/12/2022
দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের প্রতি
অভিনন্দন
এবং একটি নসীহাহ :
••••••••
দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে
কিছু শিক্ষার্থীকে দেখা যায় যে, তারা
দাখিল পরীক্ষায় (সাধারণ বিভাগে)
GPA - 5.00/ 4.00 পেয়ে অতি উৎসাহে কলেজে ভর্তি হওয়াকে প্রাধান্য দেয়। হয়তো বা তারা এটাকে স্মার্টনেস অথবা উচ্চ শিক্ষা হিসেবে গণ্য করে থাকে।
আমি মনে করি, এটা মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
কারণ:
🌻 মাদরাসা শিক্ষার্থীর দাখিল পাশ করার পর মাদরাসাতেই আলিম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া মানে নিজের শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রকে প্রশস্ত করা। পক্ষান্তরে তার কলেজে ভর্তি হওয়া মানে নিজের শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রকে সংকীর্ণ করে দেয়া।
যেহেতু, সে মাদরাসায় আলিম পাশ করে যেমন ফাজিল (পাস/অনার্স) শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে,
অনুরূপভাবে যে কোন সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি/ ইসলামী শিক্ষা সহ অন্য সব বিষয়ে (পাস/অনার্সে) ভর্তি হতে পারবে
কিন্তু কলেজে এইচ এস সি পাশ করে তার জন্য সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সব বিষয়ে ও বিভাগে (পাস/অনার্সে) ভর্তি হওয়ার সুযোগ থাকলেও মাদরাসায় এসে ফাজিল (পাস/অনার্সে) ভর্তি হবার অথবা সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি/ ইসলামী বিষয়ে/ বিভাগে ভর্তি হয়ে স্বাচ্ছন্দে লেখাপড়ার সুযোগ থাকবে না।
🌻 একজন মাদরাসা শিক্ষার্থীর জন্য কলেজে এইচ এস সি এর নতুন নতুন বিষয়গুলোর চাইতে আলিম শ্রেণির আরবি ও ইসলামী জ্ঞান ভিত্তিক বিষয় গুলো অনেক বেশি পরিচিত ও সহজবোধ্য বলে বিবেচিত হবে। ফলে তার জন্য এইচ এস সি এর তুলনায় আলিম পরীক্ষায় বেশি ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হবে, যা তার পরবর্তী শিক্ষা জীবনের উন্নতির পথ প্রশস্ত করবে।
🌻 অভিভাবক তাদের সন্তানদের আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি দ্বীনি শিক্ষা অর্জনের জন্য মাদরাসায় ভর্তি করায়।একজন শিক্ষার্থী দাখিল পাশ করার পর আলিম শ্রেণিতে অধ্যয়ন করলে তার জন্য অধিকতর দ্বীনি শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
🌻 দাখিল পাশ করার পর আলিম শ্রেণিতে ভর্তি না হয়ে কলেজে ভর্তি হওয়া অনেক শিক্ষার্থীকে দেখা গেছে যে, তারা নিয়মতান্ত্রিক লেখাপড়ার খেই হারিয়ে ফেলেছে, আবার অনেককে দেখা গেছে যে, তারা একসময় মাদরাসায় আলিম শ্রেণিতে না পড়ার জন্য আক্ষেপ করছে।