Bogra polytechnic institute, Power Technology.

Bogra polytechnic institute, Power Technology. আমরা পাওয়ার এর পোলাপান।

01/11/2022

👉👉ABC লাইসেন্স ভাইভা প্রস্তুতি 👈👈

১। ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স এর মান সর্বনিম্ন কত হওয়া উচিত ?
উঃ 50 মেগাওহম।
২। তারের ইন্সুলেশন গ্রেট কিসের উপর নির্ভরশীল ?
উঃ ভোল্টেজ এর উপর নির্ভরশীল।
৩।‌ ফিশ ওয়্যারের এর কাজ কি ?
উঃ পাইপের মধ্যে তার টানার কাজে ব্যবহার করা হয় ।
৪। শিল্প ক্ষেত্রে কোন ধরনের ওয়্যারিং ব্যবহার করা হয় ?
উঃ সারফেস কন্ডুইট ওয়্যারিং।
৫। হাউজ ওয়ারিং প্রধানত কত প্রকার ?
উঃ ৫ প্রকার।
৬। লাইটিং সার্কিট এ কত এম্পিয়ার লোডের জন্য একটি সাব সার্কিট ধরা হয় ?
উঃ 800w বা 5 amp 10 পয়েন্টের জন্য একটি সার্কিট ধরা হয় ।
৭। জয়েন্ট কত প্রকার ?
উঃ প্রধানতো ৬ প্রকার । এছাড়াও আরো কিছু জয়েন্ট আছে ।
৮। পাহাড়ি এলাকায় আর্থ রেজিস্ট্যান্স কত হওয়া উচিত?
উঃ ৮ ওহম
৯। সমতল ভূমিতে আর্থ রেজিস্ট্যান্স এর মান সর্বোচ্চ কত হওয়া উচিত?
উঃ ৫ ওহম।
১০। রড আর্থিং এর রডের সাইজ কত হওয়া উচিত ?
উঃ ইস্পাতের রড 16 মিলিমিটার এবং তামার রড 12.5 মিলিমিটার।
১১। ট্রান্সফরমারের ওয়েল এর কাজ কি ?
উঃ ট্রান্সফর্মার কে শীতলীকরণ এর জন্য এবং ইনসুলেটর হিসেবেও কাজ করে ।
১২। ট্রান্সফর্মার ওয়েল এর বাণিজ্যিক নাম কি ?
উঃ পাইরোনাল
১৩। ব্রিদার কি ?
উঃ ট্রান্সফরমারের শুষ্ক বাতাস প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা হয় ।
১৪। সিলিকা জেল কেন ব্যবহার করা হয় ?
উঃ বাতাস থেকে জলীয়বাষ্প দূরীকরণে ব্যবহার করা হয় ।
১৫। এরিয়াল কেবল কি ?
উঃ হালকা ইনসুলেশন এর আবরণযুক্ত তার কে এরিয়াল কেবল বলে । এটি সাধারণত সার্ভিস কানেকশন এবং পল্লী বিদ্যুতে ব্যবহার করা হয় ।
১৬। স্টার্টার মোটর স্টার্ট দেওয়া ছাড়া আর কি কি কাজ করে ?
উঃ মোটর কে প্রটেকশান করে ।
১৭। মোটর উল্টো ঘুরলে কি করতে হবে?
উঃ পাশাপাশি দুইটা ফেজ পরিবর্তন করে দিতে হবে ।
১৮। কোন মোটর এসি ডিসি উভয় সাপ্লাইয়ের চলে ?
উঃ ইউনিভার্সাল মোটর।
১৯। জাম্পার কি ?
উঃ দুটি কন্টাকটার কে সংযুক্ত করতে জাম্পার ব্যবহার করা হয় ।
২০। আর্থিং এর উপাদান গুলো কি কি ।
উঃ আর্থ ইলেকট্রোড , আর্থ লিড, আর্থ কন্টিনিউটি তার ।
২১। এডি কারেন্ট লস কাকে বলে ?
উঃ এডি কারেন্টের কারনে চৌম্বক পদার্থে ইলেক্ট্রনগুলো যে গতিশক্তি প্রাপ্ত হয় তা তাপের উদ্ভব ঘটায় যা ট্রান্সফর্মারের সেকেন্ডারী অংশে শক্তি সরবরাহে কোন ভূমিকা পালন করেনা। তাই এই অপ্রয়োজনীয় তাপ উপাদনকারীকে এডি কারেন্ট লস বলে।
২২। ট্রান্সফর্মার রেশিও কাকে বলে ?
উঃ ট্রান্সফরমারের সেকেন্ডারি ওয়াইন্ডিং এবং প্রাইমারি ওয়াইন্ডিং এর পাক সংখ্যার অনুপাতকেই ভোল্টেজ ট্রান্সফরমেশন রেশিও বলে।
২৩। আইসোলেটর কি ?
উঃ আইসোলেটর এক ধরনের সুইচ, যা অফলাইনে অপারেটিং করা হয়। বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি বিশেষ করে ট্রান্সফরমারকে নো-লোড অবস্থায় বা সামান্য লোড অবস্থায় লাইন হতে বিচ্ছিন্ন করার জন্য আইসোলেটর ব্যবহার করা হয়। “ আইসোলেটর হচ্ছে এমন একটি সুইচ, যাকে যান্ত্রিক বিনা লোডে অন বা অফ করা হয়।
২৪। থ্রি ফেজ মোটর এর গতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কি ব্যাবহার করা হয়
উঃ VFD ব্যাবহার করা হয়।

 #গুরুত্বপূর্ণ_পোস্ট ইঞ্জিন বিষয়ে ৬৬ প্রশ্ন ও উত্তর। ০১। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন কাকে বলে ?উত্তরঃ ইঞ্জিন বলতে মূলত সয়ংক্রিয় যন্ত্...
26/09/2021

#গুরুত্বপূর্ণ_পোস্ট
ইঞ্জিন বিষয়ে ৬৬ প্রশ্ন ও উত্তর।

০১। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন কাকে বলে ?

উত্তরঃ ইঞ্জিন বলতে মূলত সয়ংক্রিয় যন্ত্র কে বুঝায়। যা জ্বালানি দহনের মাধ্যমে তাপ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজে চলে এবং যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে অন্যান্য যন্ত্রাদি কে চালায় তাকে ইঞ্জিন বলে।

০২। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন কত প্রকার কি কি?

উত্তরঃ ইঞ্জিন দুই প্রকারঃ

১. আই সি ইঞ্জিন বা অন্তর্দহ ইঞ্জিন ( Internal Combustion Engine)।

যে ইঞ্জিনের সিলিন্ডারের দহন প্রকোষ্ঠে বা অন্তর্দেশে বাতাস ও জ্বালানির মিশ্রণ কে দহন ঘটিয়ে শক্তি উৎপাদন করে তাকে অন্তর্দহ ইঞ্জিন বলে।

২. ই সি ইঞ্জিন বা বহির্দহ ইঞ্জিন (External Combustion Engine)।

বহির্দেশে বাতাস ও জ্বালানির মিশ্রণ কে দহন ঘটানো। (Its Impossible).

আই সি ইঞ্জিন এর প্রকারভেদঃ

জ্বালানি অনুসারে ৩ প্রকার

ক) পেট্রোল বা গ্যাসোলিন ইঞ্জিন

খ) ডিজেল ইঞ্জিন

গ) গ্যাস ইঞ্জিন।

প্রজ্জলন অনুসারে ২ প্রকার

ক) স্পার্ক ইগনেশন

খ) কমপ্রেশন ইগনেশন

স্ট্রোক এর সংখ্যা এর উপর ২ প্রকার

ক) দুই স্ট্রোক

খ) চার স্ট্রোক

ভালভ এর অবস্থান অনুসারে ৪ প্রকার

ক) L Head বা সাইড ভালভ ইঞ্জিন।

খ) I-Head বা ইনলাইন ভালভ ইঞ্জিন।

গ) F-Head ইঞ্জিন।

ঘ) T-Head ইঞ্জিন।

সংক্ষেপে LIFT বলে।

সিলিন্ডারের সংখ্যা অনুযায়ী ইঞ্জিনকে নিম্ন লিখিত ভাগে ভাগে করা যায়।যথাঃ-

১) এক সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

২) দুই সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

৩) তিন সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

৪) চার সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

৫) ছয় সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

৬) আট সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

কুকিং সিস্টেম অনুযায়ী ইঞ্জিন দুই প্রকার।যথাঃ-

১)এয়ার কুলিং ইঞ্জিন।

২)ওয়াটার কুলিং ইঞ্জিন।

সিলিন্ডার এবং বিন্যাশ অনুযায়ী ইঞ্জিন কে নিম্ন লিখিত ভাগে ভাগ করা যায়।যথাঃ-

১)ইনলাইন ইঞ্জিন।

২)ভি-টাইপ ইঞ্জিন।

৩)রেডিয়েল টাইপ ইঞ্জিন।

৪)অপজাড সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

৫)রেডিয়াল সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

০৩। প্রশ্নঃ ডিজেল ইঞ্জিন কি?

হাই কম্প্রেশন-ইগনিশন ইন্টারনাল কম্বাশন ইঞ্জিন৷ সিলিন্ডারের ভিতরে শুধু হাওয়াকে কম্প্রেশন করিয়া অত্যাধিক উত্তাপ সৃষ্টি করিয়া থাকে ৷ হাই স্পীডে ডিজেল ফুয়েলকে জালাইয়া তাপ শক্তি উৎপন্ন করে৷

০৪। প্রশ্নঃ ডিজেল ইঞ্জিন আবিস্কার হয় কত সালে? আবিস্কারকের নাম?

উত্তরঃ ডঃ রুডলফ ডিজেল এবং 1893

০৫। প্রশ্নঃ পেট্রোল ইঞ্জিন কি?

উত্তরঃ

০৬। প্রশ্নঃ সি.আই.ই(CIE) ও এস.আই.ই(SIE) বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ CIE = Compression Ignition Engine.

(ডিজেল ইঞ্জিনকে বোঝায় ) ও

SIE= Spark Ignition Engine (পেট্রোল ইঞ্জিনকে বোঝায়)

০৭। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন কী?

উত্তরঃ ইঞ্জিন হলো বহু যন্ত্রাংশের সহযোগে গঠিত একটি বিশেষ যন্ত্র। যেটি নিজে চালিত হয়ে তাপশক্তিকে গতিশক্তিতে রুপান্তরিত করে।

০৮। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনের পাওয়ার কি?

একক সময়ে ইঞ্জিন সিলিন্ডারের অভ্যান্তরে উৎপাদিত কাজকে ক্ষমতা (POWER) বলে৷আবার কাজ করার হারকে ক্ষমতা (POWER) বলে৷ক্ষমতার একক ওয়াট (WATT) ৷ইঞ্জিনের ক্ষমতা নিভর করে টকের উপর।

০৯। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন ইফিসিয়েন্সি বলতে কি বুজায়?

উত্তর: ইঞ্জিনের ইফিসিয়েন্সি বলতে উহার কজের দক্ষতা বুঝায়।কাজের দক্ষতা শব্দের অথ প্রয়োগকৃত কাজ এবং উহা হতে প্রাপ্ত কাজের মধ্যে সম্পক বা অনুপাতকে বুঝায় । ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে কোন ইঞ্জিন হতে যে পরিমান কাজ পাওয়া যায়(BHP) এবং ইঞ্জিন যে পরিমান কাজ সরবরাহ করে এই দুইয়ের অনুপাতকে ইঞ্জিন ইফিসিয়েন্সি বলে৷(BHP=Break horse power)

১০। প্রশ্নঃ ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স কেন রাখা হয়?

উত্তরঃ ইঞ্জিন চলাকালীন তাপে বর্ধিত Valve Stem এর জন্য বাড়তি জায়গার প্রয়োজন হয় তাই এই ক্লিয়ারেন্স রাখা হয়।

খ) ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ Valve Tip ও Rocker Tip এর মধ্যবর্তী ফাঁকা

স্থানকে Tappet Clearance বলে।

১১। প্রশ্নঃ সাইকেল বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ Crankshaft ঘুরে ঘুরে সিলিন্ডারের ভিতরে

পর পর যে কার্য সম্পাদন করে তাকে Cycle বলে ।

১২। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনে সুপার চার্জার কেন ব্যবহার করা হয়?/সুপার চার্জার এর কাজ কী?

উত্তরঃ ইঞ্জিনের Volumetric Efficiency বৃদ্ধির জন্য বায়ুমন্ডলীয় চাপের চেয়ে অধিক চাপে সিলিন্ডারে বাতাস প্রবেশ করানো Super Charger এর কাজ।

১৩। প্রশ্নঃ প্রাইমিং কাকে বলে?

উত্তরঃ ইঞ্জিন চালানোর পুর্বে উহার বিভিন্ন যন্ত্রাংশকে (Bearing, Valve Mechanism) Lubrication করার পদ্ধতিকে Priming বলে। এতে Moving Parts এর Sticky ও ঘর্ষণজনিত ক্ষয়রোধ হয়।

১৪। প্রশ্নঃ অয়েল স্ক্রেপার রিং এর কাজ কী?

উত্তরঃ সিলিন্ডার ওয়াল হতে অতিরিক্ত L**e Oil কে Scrapping করে Crankcase এ ফেরত পাঠানোর কাজে Oil Scrapper Ring or Oil Control Ring ব্যবহার করা হয়।

১৫। প্রশ্নঃ একটি ইনজেকটরের পাঁচটি অংশের নাম লেখ।

উত্তরঃ Nozzle, Nozzle Valve, Nozzle Valve Spindle, Nozzle Valve Spring, Pressure Adjusting Screw.

১৬। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনের কানেকটিং রডের কাজ লেখ।

উত্তরঃ ইহা Piston এর Reciprocating Motion কে Crankshaft এর Rotary Motion এ রুপান্তরিত করে

এবং Combustion Chamber এ উৎপাদিত শক্তি ইহার মাধ্যমে Crankshaft এ স্থানান্তরিত হয়।

১৭। প্রশ্নঃ দ্বিঘাত এবং চতুর্ঘাত ইঞ্জিনের পার্থক্য লেখ।

উত্তরঃ Two Stroke এবং Four Stroke ইঞ্জিনের পার্থক্যঃ Two Stroke Four Stroke Crankshaft এর এক ঘূর্ণনে (360°) একটি Cycle সম্পন্ন হয়।

Crankshaft এর দুই ঘূর্ণনে (720°) একটি Cycle সম্পন্ন হয়।

Intake Port ও Exhaust Port/Valve থাকে । Intake

Valve ও Exhaust Valve থাকে ।

সাধারণত Beveled Piston ব্যবহৃত হয়।

সাধারণত Flat, Concave ও Crown Piston ব্যবহৃত হয়।

Fuel ও L**e Oil Consumption বেশি।

Fuel ও L**e Oil Consumption তুলনামূলক কম।

১৮। প্রশ্নঃ লুব অয়েল সিস্টেমের কয়েকটি উদ্দেশ্য লেখ।

উত্তরঃ Lubricating, Cooling, Cleaning, Sealing and Noise Reducing.

১৯। প্রশ্নঃ এয়ার ইনটেক সিস্টেমের উদ্দেশ্য সমুহ লেখ।

উত্তরঃ সিলিন্ডারে পরিস্কার ও ঠান্ডা বাতাস সরবরাহ করা, চাপ প্রয়োগে বাতাস সরবরাহ করা,সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশ ঠান্ডা করা, শব্দ কমানো এবং অবশিষ্ট পোড়া গ্যাস বের করে দেওয়া।

২০। প্রশ্নঃ স্ক্যাভেঞ্জিং বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ ইন্টেক এয়ারের সাহায্যে Combustion Chamber হতে Exhaust Gas কে ধাক্কা দিয়ে বের করার পদ্ধতিকে Scavenging বলে।

২১। প্রশ্নঃ স্ক্যাবেনজিং কি,কেন দরকার হয় এবং কিভাবে হয় ?

ডিজেল ইঞ্জিনে সিলিন্ডারের এ্যাডজস্ট গ্যাস বাহির করিয়া,ফ্রেস এয়ার পূন(fill) করার নাম স্ক্যাবেনজিং (Scavenging)।

স্ক্যাবেনজিং এয়ার ,এ্যাগজস্ট ও ইনলেট পোট , পিস্টন , সিলিন্ডার লায়নার , ভালব ইত্যাদি ঠান্ডা রাখিতে সাহায্য করে ।ইঞ্জিনের দক্ষতা বা এফিসিয়েন্সি প্রায় ৩০ ভাগ বাড়িয়ে দেয়।

২২। প্রশ্নঃ ক্লিয়ারেন্স ভলিউম কাকে বলে?

উত্তরঃ পিস্টন TDC তে অবস্থান কালে উহার Top

Level হতে সিলিন্ডার হেডের তলা পর্যন্ত মধ্যবর্তী

স্থানের আয়তনকে Clearance Volume বলে।

২৩। প্রশ্নঃ ব্লো বাই বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ লাইনার অথবা পিস্টন রিং ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ায় Combustion Chamber হতে Compression Leak বা Exhaust Gas Leak হয়ে সাম্পে প্রবেশ করলে তাকে Blow By বলে।

২৪। প্রশ্নঃ ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স বেশি হলে ইঞ্জিনে কী

কী অসুবিধা হতে পারে?

উত্তরঃ Valve নির্দিষ্ট সময়ের পরে খুলবে, সিলিন্ডারে বাতাস কম প্রবেশ করবে, কম্প্রেশন প্রেসার কম হবে, Fuel সম্পূর্নভাবে জ্বলবে না, পিস্টনের মাথায় কার্বন

জমবে, সিলিন্ডার হতে এগজস্ট গ্যাস সম্পূর্ন বের হবে না।

২৫। প্রশ্নঃ ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স কম হলে ইঞ্জিনে কী কী

অসুবিধা হতে পারে?

উত্তরঃ Valve নির্দিষ্ট সময়ের আগে খুলবে এবং বেশি সময় খোলা থাকবে, Valve Lid বেঁকে বা ভেঙ্গে যেতে পারে, Push Rod অথবা Rocker Arm বেঁকে যেতে পারে, Piston Head এ আঘাত হতে পারে।

২৬। প্রশ্নঃ বাম্পিং ক্লিয়ারেন্স কী?

উত্তরঃ পিস্টন TDC তে অবস্থান কালে উহার Top Level হতে সিলিন্ডার হেডের তলা পর্যন্ত মধ্যবর্তী

স্থানের দূরত্বকে Bumping Clearance বলে।

২৭। প্রশ্নঃ ক্লাচ বলতে কি বুঝায় ?

একটি চালিত শ্যাফকে অন্য আরেকটি চালক শ্যাফটের সাথে ইচ্ছামাফিক সংযোজন ও বিচ্ছিন্ন করার জন্য যে যান্তিক অংশ ব্যবহার করা হয় তাকে ক্লাচ বলে৷

২৮। প্রশ্নঃ তাপ ও তাপমাত্রার চারটি পার্থক্য লেখ?

উত্তরঃ তাপ এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা বা গরমের অনুভূতি জাগায়।

তাপমাত্রা বস্তুর তাপীয় অবস্থা।

তাপ হল শক্তির নিদর্শন।

তাপমাত্রা শক্তির বহিঃপ্রকাশ।

তাপ পরিমাপের যন্ত্রের নাম ক্যালরিমিটার।

তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্রের নাম থার্মোমিটার।

তাপের একক বিটিইউ, ক্যালরি, জুল ইত্যাদি।

তাপমাত্রার একক ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডিগ্রি

ফারেনহাইট, ডিগ্রি রোমার ইত্যাদি।

২৯। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনে কালো ধোঁয়া উৎপন্ন হওয়ার কারণ

সমূহ লেখ।

উত্তরঃ ইঞ্জিন Over Load or Low Load এ চললে,

Compression Pressure কম হলে, Piston Ring ও

Liner ক্ষয়প্রাপ্ত হলে, Fuel Injection Timing সঠিক

না হলে, Valve Timing সঠিক না হলে, Tappet Clearance সঠিক না হলে, Injector ত্রুটিযুক্ত হলে।

৩০। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনে সাদা ধোঁয়া উৎপন্ন হওয়ার কারণ সমূহ লেখ?

উত্তরঃ Combustion Chamber এ পানি প্রবেশ করলে, Fuel Contamination হলে, Engine Temperature মাত্রাতিরিক্ত হলে, Fuel Injection Timing Advanced হলে।

৩১। প্রশ্নঃ পার্জিং বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ ইঞ্জিনের কোন Liquid System এ আটক বা

জমাকৃত বাতাস বা গ্যাস বের করে উহাকে Liquid

দ্বারা পূর্ণ করার পদ্ধতিকে Purging বলে। যেমন- L**e Oil System, Fuel System ইত্যাদি।

৩২। প্রশ্নঃ কার্বুরেটর বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ কার্বুরেটরকে পেট্রোল ইঞ্জিনের হার্ট বলা হয়। ইহা ইঞ্জিনের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন অনুপাতে Air-Fuel Mixture তৈরি করে ইঞ্জিন সিলিন্ডারে সরবরাহ করে।

৩৩। প্রশ্নঃ প্লাঞ্জার এর কাজ লেখ।

উত্তরঃ Fuel Injection Pump এ Barrel এর মধ্যে

Plunger এর অবস্থান। ইহা Cam এর ধাক্কায় Reciprocating Motion এ কাজ করে এবং এর গায়ে

তিন ধরনের Slot বা খাঁজ কাটা থাকে যা দ্বারা ফুয়েল সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। (Vertical, Helical and Round Slot)

৩৪। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনের লুব অয়েল প্রেসার কম হওয়ার

কয়েকটি কারণ লেখ।

উত্তরঃ Main এবং Big End Bearing এর ক্লিয়ারেন্স

বেশী, লুব অয়েল সিস্টেমে বাতাস প্রবেশ, লুব অয়েল ফিল্টার আংশিক বন্ধ, লুব অয়েল ঠিকমত কুলিং না হলে, Pressure Regulating Valve ত্রুটিপূর্ণ, Dilution

হলে, L**e Oil Grade সঠিক না হলে।

৩৫। প্রশ্নঃ কমপ্রেশন প্রেসার কম হওয়ার কয়েকটি কারণ লেখ?

উত্তরঃ কারণসমুহ- Valve Seats Pitted,Valve Deformity, Blown Head Gaskets, Extensive Piston Ring and Cylinder Wear.

৩৬। প্রশ্নঃ কার্বুরেটর কোন ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃ পেট্রোল ইঞ্জিনে।

৩৭। প্রশ্নঃ টিডিসি ও বিডিসি এর অর্থসহ অবস্থান উল্লেখ কর?

উত্তরঃ TDC = Top Dead Center ,

BDC =Bottom Dead Center Liner এর ভিতর Piston এর সর্বোচ্চ অবস্থানকে TDC এবং সর্বনিম্ন অবস্থানকে BDC বলে।

৩৮। প্রশ্নঃ ফুয়েল ইনজেকটরের কাজ কী? / ইনজেকটর কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃ Injector এর কাজ Atomized Condition এ

Fuel কে Combustion Chamber এ স্প্রে করা। তাই ইহাকে Atomizer ও বলা হয়ে থাকে।

৩৯। প্রশ্নঃ বিয়ারিং কাকে বলে?কত প্রকার কি কি?

উত্তরঃ বিয়ারিং হলো এমন একটা ডিভাইস যাহা নিজে ঘোড়ে এবং ঘূনয়মান অবস্থায় লোড স্থানান্তর করে৷

বিয়ারিং দুই প্রকার:

1:বল বিয়ারিং

2:রোলার বিয়রিং

৪০। প্রশ্নঃ বিয়ারিং ক্লিয়ারেন্স কাকে বলে?

উত্তরঃ Crankshaft এর Main Journal এর আউটার

ডায়ামিটার এবং Bearing Shell এর ইনার ডায়ামিটারের পার্থক্যের অর্ধেক কে Bearing Clearance বলে।

৪১। প্রশ্নঃ হাই প্রেসার পাম্প (Fuel Injection Pump)

এর কাজ কী?

উত্তরঃ ফায়ারিং অর্ডার অনুসারে ফুয়েলকে উচ্চ

চাপে ইনজেক্টরে সরবরাহের মাধ্যমে কার্যকরী

সিলিন্ডারে স্প্রে করানো।

৪২। প্রশ্নঃ ডিকম্প্রেশন লিভারের কাজ কী?

উত্তরঃ The Decompression lever for the easy

cranking herewith it completes blow-through

also. It usually locates with the exhaust valve.

৪৩। প্রশ্নঃ ডিজেল ইঞ্জিনে কী ধরনের ফুয়েল ফিল্টার

ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃ Pre-filter or Primary filter and secondary

filter. এদের গঠন Duplex হলে একটি স্ট্যান্ডবাই রেখে অন্যটি ব্যবহার করা যায়।

৪৪। প্রশ্নঃ বাষ্পীয় ইঞ্জিন কোন সালে এবং কে আবিষ্কার করে?

উত্তর: বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন ইংল্যান্ডের বিজ্ঞানী জ্যামস ওয়াট 1778 খৃষ্টাব্দে এবং ফ্রান্সের বিজ্ঞানী ক্যাপ্টেন নিকোলাস কাগনট বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন1769 খৃষ্টাব্দে।

৪৫। প্রশ্নঃ রকার আর্মের কাজ কী?

উত্তরঃ রকার আর্ম লিভারের ন্যায় কাজ করে। এটি Cam lobe, Valve lifter ও Push rod দ্বারা Pivot প্রান্তে ধাক্কা প্রাপ্ত হয়ে Rocker Tip প্রান্ত দ্বারা ভালভ স্টেমকে Depress করে ভালভ ওপেন করে।

৪৬। প্রশ্নঃ পাম্প টাইমিং করতে হলে কী করা প্রয়োজন?

উত্তরঃ Fuel Injection Pump গিয়ার ট্রেন হতে বিযুক্ত অবস্থায় POPC (Point Of Port Closer) করে ১ নং পিস্টনকে কম্প্রশন স্ট্রোক (BTDC নির্দিষ্ট ডিগ্রিতে) রেখে পাম্প টি গিয়ার ট্রেনের সাথে যুক্ত করতে হবে।

৪৭। প্রশ্নঃ ব্যারেলের অবস্থান কোথায়?

উত্তরঃ Fuel Injection Pump এর ফুয়েল গ্যালারিতে।

৪৮। প্রশ্নঃ রেডিয়েটরের pressure cap কেন use করা হয় এবং কি কাজ?

রেডিয়েটরের cape দুইটা ভালভ আছে একটা pressure valve & vacuum valve ।

আমরা জানি পানির বাসপীয় temperature 100 degree centigrade but এটা হলো খোলা অবসথায়।

তাই রেডিয়েটরের pressure cap এর 100 degree centigrade temperature বাষপ হয়না ।

সেই সময় দেখা যায় 115 degree. Centigrade বা এর কম / বেশিতে বাষপ হয় ।

বাষপ হওয়ার কারনে pressur cap খুলে রিজাভ tank এ জমা হয়।

আবার যখন engine cold হয় তখন engine এর ভিতরে নেগেটিভ pressure হয় তখন রেডিয়েটরের vacuum valve open হয় এবং পানি শূনতা পুরন করে।

৪৯। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন ইমিসন কন্ট্রোল কি?

উত্তরঃ ইঞ্জিন হতে নিরগত ক্ষতিকারক পদার্থকে নিওন্ত্রন করাকে ইঞ্জিন ইমিসন কন্ট্রোল বলা হয়।

৩৭। ফ্রিকশনাল হর্স পাওয়ার (F.H.P) কি?

উত্তরঃ ইঞ্জিন সিলিন্ডারের অভ্যন্তরে উৎপাদিত শক্তি বিভিন্ন অংশের মাধ্যমে ফ্লাই হুইলে পৌছানোর পথে ঘষন জিনত কারনে যে ক্ষমতার অপচয় হয় তাকে ফ্রিকশনাল হস পাওয়ার (F.H.P) বলে।

সূএ, F.H.P=I.H.P - B.H.P

৫০। প্রশ্নঃ ব্রেক হর্স পাওয়ার (B.H.P)

কোন একটি ইঞ্জিনের ফ্লাই হুইল হতে ব্যবহার উপযোগী যে ক্ষমতা পাওয়া যায় তাকে ব্রেক হস পাওয়ার বলে।কখনো একে Shaft horse power বা Delivered horse power বলে।

ব্রেক হস পাওয়ার নিনয়ের সূএ

B .H.P=2pNT%4500

N=প্রতি মিনিটে CRANK SHAFT ঘূনন গতি

T=পরিক্ষিত টক kg-m

এখানে,

T=PR

P=লোড কেজি

R=রেডিয়াস দূরত্ব ,m

৫১। প্রশ্নঃ ইন্ডিকেটেড হর্স পাওয়ার (I.H.P)

জালানি প্রজ্জলন করে ইঞ্জিন সিলিন্ডারের অভ্যন্তরে উৎপাদিত সবমোট হস পাওয়ারকে ইন্ডিকেটেড হস পাওয়ার বলে। ইঞ্জিন নিদেশক (Engine indicator) নামের এক প্রকার যন্ত্র দ্বারা ইহা পরিমান করা হয় । সে জন্য এর নাম ইন্ডিকেটেড হস পাওয়ার। ইন্ডিকেটেড হস পাওয়ার নিনয়ের সূএ

ইন্ডিকেটেড হস পাওয়ার (I.H.P) =PLANK%4500 (For two stroke )

PLANK%4500*2 ( For four stroke )

এখানে,

P=গড় কাযকারী চাপ,kg/cm sq

L= স্টোকের দৈঘ্য , মিটার (m)

A=সিলিন্ডারের ক্ষেএফল,cm sq

N=প্রতি মিনিটে crank shaft ঘূনন গতি

K=সিলিন্ডার সংখ্যা।

৫২। প্রশ্নঃ স্ক্যাভেনজিং কি? কেন দরকার হয় এবং কিভাবে হয় ?

ডিজেল ইঞ্জিনে সিলিন্ডারের এ্যাডজস্ট গ্যাস বাহির করিয়া, ফ্রেস এয়ার পূর্ন (fill) করার নাম স্ক্যাভেনজিং (Scavenging)।

স্ক্যাভেনজিং এয়ার ,এ্যাগজস্ট ও ইনলেট পোট , পিস্টন , সিলিন্ডার লায়নার , ভালব ইত্যাদি ঠান্ডা রাখিতে সাহায্য করে । ইঞ্জিনের দক্ষতা বা এফিসিয়েন্সি প্রায় ৩০ ভাগ বাড়িয়ে দেয়।

৫৩। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনে ভাল্ব সিট এ্যাঙ্গেল কত থাকে?

উত্তরঃ ইনটেক ৪৫° আর এগজষ্টে ৩০° থাকে।

৫৪। প্রশ্ন: গাড়িতে কাম্বার এ্যাংগেল কত থাকে?

উত্তর : POINT 5 ডিগ্রি

৫৫। প্রশ্নঃ Horse power বের করার পদ্ধতি কি?

উত্তরঃ P*l*A*N*n%4500*2=I.H.P

Only for four stroke.

৫৬। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনের সি সি বলতে কি বোজায়?

উত্তর : সিসিকে পিষ্টন ডিসপ্লেসমেন্ট বলা হয়,অথবা ভলিউম ডিসপ্লেড অফ পিষ্টন।

সহজভাবে একটা পিষ্টন যে জায়গাটাতে ওঠানামা করে তার পুরো জায়গাটাকে সিসি বলে।বের করার নিয়ম

Bore (mm) X Bore (mm) X Stroke (mm) X 3.1416"/4 = Engine cc

এটা হলো একটা সিলিন্ডারের ক্ষে্ত্রে।

৫৭। প্রশ্নঃ অটো ইলেকট্রিসিটি বলতে কি বোঝায়?

উত্তরঃ মোটরগাড়িতে বিভিন্ন ধরনের বাতি, হর্ন,ব্যাটারি চার্জ,ইঞ্জিন চালু করন,পেট্রোল ইঞ্জিনে হাই ভোলটেজ ইলেক্ট্রিক স্পার্ক তৈরী করন এবং বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞজামাদি পরিচালনার জন্য যে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা থাকে, তাকে অটোমোটিভ বা অটো ইলেকট্রিসিটি বলে।

৫৮। প্রশ্নঃ একটি মোটর গাড়িতে কি কি ইলেকট্টিক্যাল আইটেম থাকে?

উত্তরঃ প্রধানত যে সকল ইলেকট্টিক্যাল আইটেম থাকে তা হলো :

*ব্যাটারি

*অল্টারনেটর

*স্টাটার মটর/সেলফ স্টাটার

*হন্

*উইপার এবং

*লাইট(হেড লাইট,ইন্ডিকেটর,পাকিং) ইত্যাদি

৫৯। প্রশ্নঃ Rocker arm কাজ কি?

উত্তরঃ রকার আম পুশ রডের মাধ্যমে ক্যাম দ্বারা শক্তি নিয়ে ভালব খোলা এবং বন্ধ করার কাজ করে।

৬০। প্রশ্নঃ টক( TORQUE ) কি?

ইঞ্জিন সিলিন্ডারের মধ্যে জালানি প্রজ্জলনের ফলে যে শক্তি উৎপন্ন হয় তা পিষ্টণকে ধাক্কা দেয় এবং এর ফলে crankshaft এর মধ্যে ঘূননের সৃষ্টি হয়,উহাকে টক( TORQUE ) বলে।

টক(T)=W*r

এখানে,W=লোড

r=ব্যসাধ

৬১। প্রশ্নঃ গড়মীন ইফেকটিভ প্রেসার(Mean effective pressure)

উত্তরঃ কোন ইঞ্জিনের গড় কাযকরী চাপ বলতে কাযকারী স্ট্রোকে পিষ্টনের উপর আরোপিত গড় চাপকে বুঝায়।এর একক

৬২। প্রশ্নঃ হইড্রোষ্ট্যাটিক লক

একটি ফোর ষ্ট্রোক ইঞ্জিনে চারটি ষ্ট্রোক থাকে যথা সাকশান,কম্প্রেশন,পাওয়ার এবং এ্যাগজষ্ট।

সাকশান ষ্ট্রোকে কম্প্রেশন চেম্বারে বাতাস নিগত হওয়ার সাথে অথবা শুধু লিকুইড প্রবেশ করলে

হইড্রোষ্ট্যাটিক লক হয়।কারন লিকুইড কম্প্রেশড হয় না।হইড্রোষ্ট্যাটিক লক হওয়ার কারনে যে সকল যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে তা নিম্নরুপ:

পিষ্টন,কানেকটিং রড,পুশ রড,ক্র্যাংশ্যাফট,ভালভ ইত্যাদি।

৬৩। প্রশ্নঃ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এর কাজ কি?

টেকনিক্যালি, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং হল কোনও বস্তুর জন্য ডিজাইন থেকে উত্পাদন পর্যন্ত বাজার থেকে নীতিনির্ধারক এবং সমস্যা সমাধান প্রযুক্তি প্রয়োগ। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা গতি, শক্তি এবং বলের নীতিমালা ব্যবহার করে তাদের কাজকে বিশ্লেষণ করে - এই নকশাগুলি একটি প্রতিযোগিতামূলক খরচে সবগুলি নিরাপদে, দক্ষতা এবং নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করে তা নিশ্চিত করে।

৬৪। প্রশ্নঃ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা একটি পার্থক্য করতে পারেন। যেহেতু মানুষের প্রয়োজন মেটাবার জন্য প্রযুক্তি তৈরির জন্য মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যারিয়ার সেন্টার। আধুনিক জীবনের কার্যত প্রতিটি পণ্য বা সেবা সম্ভবত একটি যান্ত্রিক প্রকৌশলী দ্বারা মানবতার সাহায্য করতে স্পর্শ করা হয়েছে।

৬৫। প্রশ্নঃ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কি ও কেন ?

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা যন্ত্রকৌশল পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ও বিস্তৃত ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্র। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংকে বলা হয় মাদার অফ ইঞ্জিনিয়ারিং। যন্ত্র প্রকৌশল প্রকৌশলের একটি বিষয় যাতে যান্ত্রিক ব্যবস্থাসমূহ রক্ষণাবেক্ষণ,নকশা,উৎপাদন এবং বিশ্লেষণের জন্য পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলো ব্যবহার করা হয়।বলবিজ্ঞান, গতিবিজ্ঞান, তাপগতিবিজ্ঞান এবং শক্তি সম্বন্ধে একটি সুস্পষ্ট জ্ঞান এই প্রকৌশল অধ্যয়নের জন্য প্রয়োজনীয়। যন্ত্র প্রকৌশলীরা মোটরগাড়ি,বিমান,শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা,শিল্প কারখানার যন্ত্রপাতি নির্মাণ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের যন্ত্রাদি নির্মাণে এই জ্ঞান ব্যবহার করেন।

একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের কাজঃ

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা ছোট পার্টস থেকে শুরু করে অনেক বড় বড় মেশিন, যন্ত্রপাতি বা যানবাহন ডিজাইন ও সেই পণ্য উৎপাদনের পুরো পদ্ধতিকে অধিক কর্মক্ষম করার জন্য কাজ করে থাকেন। তারা একটা পণ্য তৈরির সকল পর্যায়ে (গবেষণা,নকশা, উতপাদন, ইনস্টলেশন এবং চূড়ান্ত চালু) কাজ করতে পারেন।

তাদের কাজগুলো সাধারণত নিম্নরূপ:

আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও টেকশই সরঞ্জাম ডিজাইন ও তৈরি করা।অন্যান্য শ্রেণীর ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে আলোচনা করে কোন প্রজেক্টের জন্য প্রয়োজনীয় দিকগুলো বাছাই করা।তাত্বিক ডিজাইনের কার্যকারিতা জানার জন্য সিমুলেশন করা ও সেই অনুয়াযী ডিজাইনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা।পণ্য সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের জন্য উৎপাদন বিভাগের লোকজন, সরবরাহকারী এবং গ্রাহকদের সঙ্গে আলোচনা করা।প্রকৌশল ও অন্যান্য খাতের পেশাদারদের সঙ্গে কাজ করা।যন্ত্রপাতির মেইনটেনেন্সের দায়িত্ব পালন করা।

৬৬। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন ওভার রানিং কখন হয় এবং হলে কি হয়?

উত্তরঃ আপনি যদি গাড়ি চালিয়ে 2nd গিয়ার লাগিয়ে ব্রীজে ওঠেন আর ৫th গিয়ার লাগিয়ে ব্রীজ থেকে নামেন তা হলে যেটা হওয়ার সম্বাভনা হবে তা ইঞ্জিন ওভার রানিং। সহজ কথায় গাড়ির চাকায় যদি ইঞ্জিন ঘুরায় তা হলে ইঞ্জিন ওভার রানিং হয়।

***পাওয়ার ফ্যাক্টর***1. পাওয়ার ফ্যাক্টর কি বা কাকে বলে বিস্তারিত?2. পাওয়ার ফ্যাক্টরের প্রকারভেদ।3. পাওয়ার ফ্যাক্টর ১ অথব...
18/09/2021

***পাওয়ার ফ্যাক্টর***

1. পাওয়ার ফ্যাক্টর কি বা কাকে বলে বিস্তারিত?
2. পাওয়ার ফ্যাক্টরের প্রকারভেদ।
3. পাওয়ার ফ্যাক্টর ১ অথবা ০.৬ মানে কি বুঝায়?
4. ল্যাগিং, লিডিং এবং ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
5. পাওয়ার ফ্যাক্টর কারেকশন কি?
6. পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান কম হলে সিস্টেমে কি কি অসুবিধা হয়?
7. অর্থনৈতিক পাওয়ার ফ্যাক্টর কি এবং এর সূত্রটি।
8. এসি সিরিজ সার্কিটে রেজোন্যান্স অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান কত?
পাওয়ার ফ্যাক্টর কি বা কাকে বলে?
পাওয়ার ফ্যাক্টর হলো সাধারণত ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যবর্তী কোসাইন কোণ। অন্যভাবে বলতে গেলে একটিভ পাওয়ার এবং এপারেন্ট পাওয়ারের অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। পাওয়ার ফ্যাক্টর কে সাধারণত cosθ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ইহার কোন একক নেই এবং ইহাকে শতকরা হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
বিস্তারিত: পাওয়ার ফ্যাক্টর নির্দেশ করে থাকে যে শতকরা কতভাগ বিদ্যুৎ আমরা প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করতে পারি। পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান (০-১) পর্যন্ত হয়ে থাকে।
আমরা জানি যে cosθ দ্বারা পাওয়ার ফ্যাক্টরকে প্রকাশ করা হয় কিন্তু θ দ্বারা কারেন্ট এবং ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণকে বুঝায়।
সুতারাং এভাবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে “ কারেন্ট এবং ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণের কোসাইন মানকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে“।
পাওয়ার ফ্যাক্টরের সঠিক হিসাব জানা না থাকলে একে আদর্শ মান ৮০% ধরে অর্থাৎ ০.৮% ল্যাগিং ধরে হিসাব করা হয়। একটিভ পাওয়ার কিলোওয়াটে পরিমাপ করা হয়ে থাকে এবং এপারেন্ট পাওয়ার ভোল্ট-এম্পিয়ারে(KVA) পরিমাপ করা হয়ে থাকে।
একটিভ পাওয়ার (kW)=VIcosθ
এপারেন্ট পাওয়ার (kVA)=VI
পাওয়ার ফ্যাক্টর, cosθ=kW/kVA
পাওয়ার ফ্যাক্টরের প্রকারভেদ
পাওয়ার ফ্যাক্টর সাধারণত তিন প্রকার হয়ে থাকে
ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর।
লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর।
ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর।
পাওয়ার ফ্যাক্টর ১ অথবা ০.৬ মানে কি বুঝায়?
পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান ১ মাণে আমরা বুঝি যে ১০০ kVA সাপ্লাই দিলে ১০০ kW একটিভ পাওয়ার পাওয়া যাবে। আর পাওয়ার ফ্যাক্টরের (cosθ) মান ০.৬ মানে হল আমরা ১০০ kVA সাপ্লাই দিলে ৬০ kW একটিভ পাওয়ার পাব।
ল্যাগিং, লিডিং এবং ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর: ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর হলো যখন কারেন্ট ভোল্টেজের থেকে পিছিয়ে থাকে বা এসি সার্কিটে ক্যাপাসিটিভ লোডের চেয়ে ইন্ডাক্টিভ লোড বেশী হলে তাকে ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। যেমন ৮০ ডিগ্রী ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলতে বুঝায় কারেন্ট ভোল্টেজের সাপেক্ষে ৮০ ডিগ্রী পিছিয়ে আছে।
লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর: এসি সার্কিটে ইন্ডাক্টিভ লোডের চেয়ে ক্যাপাসিটিভ লোড বেশি হলে অর্থাৎ কারেন্ট ভোল্টেজের চেয়ে এগিয়ে থাকলে তাকে লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। যেমন ৮০ ডিগ্রী লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর হলো কারেন্ট ভোল্টেজে চেয়ে ৮০ ডিগ্রী এগিয়ে থাকবে।
ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর: সার্কিটে কারেন্ট এবং ভোল্টেজ যখন একই সাথে অবস্থান করে অর্থাৎ সার্কিটে ইন্ডাক্টিভ এবং ক্যাপাসিটিভ লোড যখন সমান হয় তখন তাকে ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
ফেজর ডায়াগ্রাম
পাওয়ার ফ্যাক্টর কারেকশন কি?
একটি সিস্টেমে রি-একটিভ পাওয়ারের পরিমান কমিয়ে একটিভ পাওয়ারের পরিমান বাড়ানোকে পাওয়ার ফ্যাক্টর কারেকশন বলে থাকে। ক্যাপাসিটর ব্যাংক অথবা সিনক্রোনাস মোটর ব্যবহার করে পাওয়ার ফ্যাক্টর কারেকশন এবং উন্নতি করা হয় । বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে ক্যাপাসিটর ব্যাংক ব্যবহার করে পাওয়ার ফ্যাক্টর কারেকশন করা হয়।
পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান কম হলে সিস্টেমে কি কি অসুবিধা হয়?
পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান কম হলে সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়ে থাকেঃ
লাইন লস বৃদ্ধি হয়ে থাকে।
তারের ক্যাবলের আয়তন অনেক বেশি প্রয়োজন হয়।
পাওয়ার সিস্টেমের দক্ষতা কমে যায়।
প্রাথমিক খরচ বেড়ে যায় এতে করে পার ইউনিট কস্ট বেশি হয়
অর্থনৈতিক পাওয়ার ফ্যাক্টর কি এবং এর সূত্রটি
পাওয়ার ফ্যাক্টর যে মানে উন্নতি করলে বাৎসরিক সর্বোচ্চ সাশ্রয় হয় উক্ত পাওয়ার ফ্যাক্টর কে অর্থনৈতিক পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
সুত্র:
এসি সিরিজ সার্কিটে রেজোন্যান্স অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান কত?
এসি সিরিজ সার্কিটে রেজোন্যান্স অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান ১ বা ইউনিটি হয়ে থাকে। এসি সিরিজ সার্কিটে রেজোন্যান্স অবস্থায় ইন্ডাক্টিভ রিয়্যাক্ট্যান্স এবং ক্যাপাসিটিভ রিয়্যাক্ট্যান্স সমান থাকে X = X এমন অবস্থায় মোট ইম্পিডেন্স Z = R+ J(X -X ) = R হয়।পাওয়ার ফ্যাক্টর, Cosθ= R/Z = R/R = 1 হয়। আবার θ = Cos 1 = 0 হয়। এ থেকে বুঝা যায় রেজোন্যান্স অবস্থায় কারেন্ট এবং ভোল্টেজের মাঝে ফেজ কোণ শুন্য হয়।

Very Very important diagram for Electrical and  Electronic EngineeringAll Block Diagram (EEE)Credit goes to Md. Habib Sh...
29/07/2021

Very Very important diagram for Electrical and Electronic Engineering
All Block Diagram (EEE)
Credit goes to Md. Habib Shekih brother

ট্রান্সফরমার কি বা কাকে বলে?ট্রান্সফরমার একটি স্থির বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা বিদ্যুৎ শক্তিকে একটি বৈদ্যুতিক বর্তনি (সার্কিট) ...
07/07/2021

ট্রান্সফরমার কি বা কাকে বলে?
ট্রান্সফরমার একটি স্থির বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা বিদ্যুৎ শক্তিকে একটি বৈদ্যুতিক বর্তনি (সার্কিট) থেকে অপর একটি বৈদ্যুতিক বর্তনিতে ফ্রিকুয়েন্সিকে কোন প্রকার পরিবর্তন না করে স্থানান্তর করে।

রিলে

রিলে এক প্রকার ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক যন্ত্র বা তড়িৎ চুম্বকীয় যন্ত্র বিশেষ। এতে একটি কয়েল থাকে যেখানে বিদ্যুৎ সাপ্লায় দেওয়ার সাথে একটি অস্থায়ী বৈদ্যুতিক চুম্বক সৃষ্টি হয় এবং সুইচটি অন/অফ করতে পারে। সুতারাং এতে দুটি অংশ থাকে।

সুইচিং অংশ
বিদ্যুৎ চুম্বকীয় অংশ

রিলে একটি প্রোটেকটিভ বা প্রতিরক্ষামূলক ডিভাইস যা বৈদ্যুতিক পাওয়ার সিস্টেমে কোন পূর্বনির্ধারিত বৈদ্যুতিক অবস্থার পরিবর্তনে সাড়া দিয়ে সার্কিটে সংযুক্ত প্রোটেকটিভ ডিভাইস (সার্কিট ব্রেকার ও ট্রিপ কয়েল) সমূহকে অপারেট করতে সাহায্য করে থাকে।

যখন কোন সিস্টেমে ক্রটি দেখা দেয় তখন Relay ক্ষতির হাত থেকে পুরো সিস্টেম কে রক্ষা করে। রিলেকে প্রহরীও বলা যেতে পারে যে সব সময় কাজে নিয়োজিত থাকে।

06/07/2021
30/05/2021

১। ইম্পিড্যান্স কি?
উত্তরঃ R-L-C সার্কিটের রেজিস্ট্যান্স ও রিয়্যাকটেন্সজনিত বাধাকে ইম্পিড্যান্স বলে। একে Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এর একক Ω । ইম্পড্যান্স,

২। কন্ডাকট্যান্স বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ AC সার্কিটের প্রতি একক ভোল্টে কারেন্টের ইনফেজ উপাংশকে কন্ড্যাকট্যান্স বলে। এর প্রতীক G ।

৩। Power Factor কাকে বলে?
উত্তরঃ AC সার্কিটের Active Power এবং Apparent Power -এর অনুপাতকে Power Factor বলে। Power Factor, CosΘ= R/Z .
৪। লিডিং power factor কাকে বলে?
উত্তরঃ ক্যাপাসিটিভ সার্কিটে কারেন্ট ভোল্টেজের আগে যে কৌণিক দূরত্ব বিদ্যমান থাকে তার কোসাইন মানকে লিডিং power factor বলে।

৫। ল্যাগিং power factor কাকে বলে?
উত্তরঃ RL বা ইন্ডাক্টিভ সার্কিটের কারেন্ট এবং Voltage এর মধ্যে যে কৌণিক দূরত্ব বিদ্যমান তার কোসাইন মানকে ল্যাগিং Power Factor বলে।

৬। AC সার্কিটের কোন প্যারামিটারে কারেন্ট ভোল্টেজ এর 90º পেছনে থাকে?
উত্তরঃ ইন্ডাকটিভ সার্কিটে কারেন্ট ভোল্টেজের পেছনে থাকে।
৮। RLC সিরিজ সার্কিটের Vestor Diagram অংকন করার সময় কোন উপাদানকে রেফারেন্স হিসাবে ধরা হয় এবং কেন?
উত্তরঃ RLC সিরিজ সার্কিটের Vector Diagram অংকন করার সময় “কারেন্টকে” রেফারেন্স হিসাবে ধরা হয়, কারণ সিরিজ সার্কিটে প্রত্যেকটি Element এর কারেন্ট একই থাকে।
৯। ইম্পিডেন্স ত্রিভুজ বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ AC সার্কিটের রেজিস্ট্যান্স, ক্যাপাসিটিভ রিয়্যাকট্যান্স এবং ইম্পিডেন্স এর সমন্বয়ে গঠিত ত্রিভুজকে ইম্পিডেন্স ত্রিভুজ বলে।
১০। ইন্ডাকটিভ রিয়্যাকট্যান্স কাকে বলে?
উত্তরঃ ইন্ডাকট্যান্সের কারণে AC প্রবাহ পথে বাধাকে ইন্ডাকটিভ রিয়্যাকট্যান্স বলে। এর একক Ω ।
১১। সাসসেপট্যান্স কাকে বলে? এর একক লিখ।
উত্তরঃ AC সার্কিটের কারেন্টের Reactive উপাংশ এবং ভোল্টেজের অনুপাতকে সাসসেপট্যান্স বলে। একে ‘B’ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এর আধুনিক একক সিমেন্স (siemens) যাকে সংক্ষেপে “S” দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
১২। Admittance কাকে বলে? এর একক লিখ।
উত্তরঃ AC সার্কিটের প্রতি একক ভোল্টের কারেন্টকে Admittance বলে। একে “Y” দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এর একক ( ) মোহ।
১৩। বিশুদ্ধ রোধ সংযুক্ত সার্কিটে কারেন্ট ও ভোল্টেজ এর মধ্যকার সম্পর্ক কী?
উত্তরঃ বিশুদ্ধ রোধ সংযুক্ত সার্কিটে কারেন্ট ও ভোল্টেজ একই ফেজে অবস্থান করে।
১৪। কোন ধরনের লোডে নিউট্রাল কারেন্ট শূন্য হয়?
উত্তরঃ রেজিস্টিভ লোডে নিউট্রাল কারেন্ট শূন্য হয়।

Collect this Post.please save.
27/05/2021

Collect this Post.please save.

****       ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক ইন্জিনিয়ার দের জন্য     ****
08/04/2021

**** ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক ইন্জিনিয়ার দের জন্য ****

19/03/2021

“আসসালামুআলাইকুম, বন্ধুরা, আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজকে আমরা পাওয়ার ফ্যাক্টর সম্পর্কে আলোচনা করবো”।

১. পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
“পাওয়ার ফ্যাক্টর হল একটিভ পাওয়ার অর্থাৎ যে পাওয়ার আমরা ব্যবহার করতে পারি এবং এ্যপারেন্ট পাওয়ারের অনুপাত। ইহাকে cosθ দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যার মান 0 হতে 1 পর্যন্ত। পাওয়ার ফ্যাক্টর নির্দেশ করে শতকরা কত ভাগ electricity আমরা প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করতে পারি। একটিভ পাওয়ার কিলোওয়াট (kW) এ পারিমাপ করা হয় এবং এ্যাপারেন্ট পাওয়ার ভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার(KVA)এ পরিমাপ করা হয়।
একটিভ পাওয়ার (kW)=VIcosθ,
এ্যপারেন্ট পাওয়ার (kVA)=VI
পাওয়ার ফ্যাক্টর, cosθ =kW/kVA,
এখানে θ হল কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণ।

(Power Factor - P.F): ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যবর্তী কোসাইন কোণ (Cosϴ) কে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে৷ অন্যভাবে বলা যায়- রেজিস্ট্যান্স এবং ইম্পিড্যান্স এর অনুপাত অথবা প্রকৃত শক্তি (Real Power) এবং আপাত শক্তির (Apparent Power) অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর (P.F) বলে৷
ইহার কোন একক নাই, শতকরা (%) হিসাবে প্রকাশ করা হয় ৷সঠিক পাওয়ার ফ্যাক্টর (p.f) এর মান জানা না থাকলে, হিসেব করার সময় আদর্শ মান হিসেবে পাওয়ার ফ্যাক্টর ৮০% ধরে অর্থাৎ p.f = 0.8 (ল্যাগিং) ধরে হিসাব করা হয়৷

২.***পাওয়ার ফ্যাক্টর তিন প্রকার***
যথা-
• ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Lagging Power Factor)
• লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Leading Power Factor)
• ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর (Unity Power Factor)

#ল্যাগিং, লিডিং এবং ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলতে কি বোঝায়?

(a)লিডিং পাওয়ার: লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর হল যখন কারেন্ট ভোল্টেজ এর থেকে এগিয়ে থাকে। যেমনঃ ৯০ ডিগ্রী লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলতে বোঝায় কারেন্ট ভোল্টেজের সাপেক্ষে ৯০ ডিগ্রী এগিয়ে আছে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
I C E
কারেন্ট(I) ক্যাপাসিটর(C) ই.এম.এফ.(E)
C তে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।
ক্যাপাসিটিভ সার্কিটে কারেন্ট আগে, ভোল্টেজ পরে।

(b)ল্যাগিং পাওয়ার: ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর হল যখন কারেন্ট ভোল্টেজ এর থেকে পিছিয়ে থাকে। যেমনঃ ৯০ ডিগ্রী ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলতে বোঝায় কারেন্ট ভোল্টেজের সাপেক্ষে ৯০ ডিগ্রী পিছিয়ে আছে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
E L I
ই.এম.এফ.(E) ইন্ডাক্টর(L) কারেন্ট(I)
L তে ইন্ডাকটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।
ইন্ডাকটিভ সার্কিটে ভোল্টেজ আগে, কারেন্ট পরে।

(c)ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর :যখন কোন সার্কিট রেজিস্টিভ সার্কিটের ন্যায় আচরন করে, তখন উক্ত সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। এ অবস্থায় কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যে কোন কৌণিক ব্যবধান থাকেনা, অর্থাৎ কারেন্ট ও ভোল্টেজ ইনফেজে থাকে।

“যদি লোড Capacitive হয় তাহলে পাওয়ার ফ্যাক্টর লিডিং হয় আর যদি লোড Inductive হয় তাহলে পাওয়ার ফ্যাক্টর ল্যাগিং হয়। লোড Resistive হলে পাওয়ার ফ্যাক্টর Unity হয়, অর্থাৎ 'এক'” ।

৩. পাওয়ার ফ্যাক্টর ৮০% বলতে কি বুঝ?
পাওয়ার ফ্যাক্টর ৮০% অর্থাৎ Cosθ= ০.৮ বলতে বুঝি ১০০ kVA সাপ্লাই পাওয়ার হলে ৮০ কিলোওয়াট একটিভ পাওয়ার পাওয়া যাবে। পাওয়ার ফ্যাক্টর লোড এর উপর র্নিভর করে।

৪.পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান কম হলে সিস্টেমে কি অশুবিধা হয়?
কোন এসি সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টর যে হারে কমতে থাকে, সার্কিট দিয়ে প্রবাহিত কারেন্টের পরিমান ও সেই হারে বাড়তে আরাম্ভ করে। এতে সরবরাহ লাইনের পরিবাহী আর জেনারেটর, ট্রান্সফরমার প্রভৃতি মেশিনে উত্তাপজনিত বৈদ্যুতিক শক্তির অপচয় বহুগুণে বেড়ে যায়। কারন, কোন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের ফলে সেই পরিবাহী গরম হয়ে যে পরিমান তড়িৎ শক্তির অপচয় ঘটায় তাহা তড়িৎ প্রবাহের বর্গফলের সমানুপাতিক হয়।
শক্তির অপচয়ের এই বৃদ্ধিতে সরবরাহ লাইনের এবং জেনারেটর, ট্রান্সফরমার প্রভৃতি মেশিনের কর্মদক্ষতা অনেকখানি কমে যায়। তাছাড়া মেশিনগুলিও অপেক্ষাকৃত অল্প সময়ের মধ্যে কাজের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে সরবরাহকারী আর গ্রাহক উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হন।
সরবরাহ লাইন দিয়ে যখন কারেন্ট প্রবাহিত হয় তখন লাইনে ভোল্টেজ ড্রপ হয়। লাইনের ইম্পিডেন্স কে কারেন্ট দিয়ে গুন করলে যত হয়, ভোল্টেজ ড্রপের পরিমান ঠিক তত ভোল্ট হয়। সুতারাং পাওয়ার ফ্যাক্টর কমে যাওয়ার ফলে লাইন দিয়ে যখন অপেক্ষাকৃত বেশি কারেন্ট প্রবাহিত হতে থাকে, তখন স্বাভাবিক কারনেই লাইনে ভোল্টেজ ড্রপের পরিমান বৃদ্ধি পায়, আর সেই সঙ্গে লোড সার্কিটের টার্মিনাল ভোল্টেজ কমে যায়। এতে কেবল মাত্র যে, আলো গুলি কম জোরে জ্বলে বা পাখা গুলি আস্তে আস্তে ঘোরে তাই নয়, লোড সার্কিটে যে সমস্ত বৈদ্যুতিক মোটর লাগানো থাকে, সেই গুলি বিশেষ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এইসব কুফল দেখা দেয় বলেই এসি সার্কিটে পাওয়ার ফ্যাক্টরের অবনতি ঘটলে তার মান উন্নত করা একান্ত ভাবে আবশ্য ।

“পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান কম হলে অনেক বেশি আয়তনের পরিবাহীর প্রয়জন হয়, লাইন লস বৃদ্ধি পাওয়ায় সিস্টেমের দক্ষতা কমে যায় , প্রাথমিক খরচ বেড়ে যায় তাই পার ইউনিট কষ্ট বেশি হয়”।

৫.পাওয়ার ফ্যাক্টর কারেকশন কি এবং কিভাবে করা হয়?
পাওয়ার ফ্যাক্ট্রর Correction বলতে আমরা সহজে বুঝি কোন একটা সিস্টেমে Reactive পাওয়ার এর পরিমান কমিয়ে Active পাওয়ার এর পরিমান বাড়ানো। আমরা সাধারনত ক্যাপাসিটর ব্যাংক অথবা সিংক্রোনাস মোটর ব্যবহার করে পাওয়ার ফ্যাক্টর Correction ও improve করে থাকি। ইন্ডাস্ট্রিতে Capacitor Bank ব্যবহার করে পাওয়ার ফ্যাক্টর Correction করা হয়। আমরা এক যায়গায় বড় ক্যাপাসিটর ব্যাংক ব্যবহার না করে প্রত্যেক লোডে ক্যাপাসিটর ব্যাংক ব্যবহার করতে পারি। অথবা যে সব লোড লো পাওয়ার ফ্যাক্টর এর জন্য দায়ী সে সব লোড এর ব্যবহার কমিয়েও পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রভ করতে পারি।

৬. এসি সিরিজ সার্কিটে রেজোন্যান্স অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান কত? কেন?
এসি সিরিজ সার্কিটে রেজোন্যান্স অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান ইউনিটি বা 1 হয় ।
এসি সিরিজ সার্কিটে রেজোন্যান্স অবস্থায় ইন্ডাকটিভ রিয়াক্ট্যান্স (XL) এবং ক্যাপাসিটিভ রিয়াক্ট্যান্স (XC)সমান (XL = XC) হয়। এ অবস্থায় মোট ইম্পিড্যান্স Z = R+ J(XL-XC) = R হয়। তখন পাওয়ার ফ্যাক্টর, Cosθ= R/Z = R/R = 1 হয়। আবার θ = Cos-1 1 = 00 হয় অর্থাৎ রেজোন্যান্সের সময় সার্কিটের কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যে ফেজ কোন শুন্য হয় অর্থাৎ পাওয়ার ফ্যাক্টর ইউনিটি হয়।

৭. অর্থনৈতিক পাওয়ার ফ্যাক্টর কাকে বলে?
পাওয়ার ফ্যাক্টর যে মানে উন্নিত করলে বাৎসরিক সর্বোচ্চ সাশ্রয় হয়, উক্ত পাওয়ার ফ্যাক্টরকে সর্বোত্তম পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।

সংগৃহীত

Address

Puran Bogra

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bogra polytechnic institute, Power Technology. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Bogra polytechnic institute, Power Technology.:

Share