15/08/2023
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ২০২৩ সকল তথ্য দেখুন
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ২০২৩ এর যোগ্যতা কত?
দেশের যেকোন শিক্ষা বোর্ড থেকে ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ সালের এসএসসি বা দাখিল বা এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী (নীতিমালার অন্যান্য শর্ত সাপেক্ষে) যেকোন কলেজ বা সমমান (মাদরাসা, কারিগরি) প্রতিষ্ঠানের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে।
আর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ সালের এসএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাও জেনারেল কলেজ বা সমমান যেকোন প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবে। তবে তাদেরকে বোর্ডে ম্যানুয়ালি (সরাসরি কাগজে কলমে) আবেদন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তাদের বয়সের কোনো বাধা-নিষেধ নেই।
কোন কলেজে ভর্তি হতে কত পয়েন্ট লাগবে?
একাদশ শ্রেণিতে এবার প্রায় ৭ লক্ষ্য সিট খালি থাকবে। কিন্তু এবার জিপিএ-৫ এর হার সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এবার ভালো কলেজে চান্স পাওয়া অনেক চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে যেহেতু ১০টি কলেজে আবেদন করা যাবে সেহেতু ৩-৪ টা ভালো কলেজ চয়েজ দিতেই পার। এভাবে সবাই ১ থেকে ১০ পর্যন্ত কলেজ চয়েজ দিবা।
কয়টি কলেজে আবেদন করা যাবে?
একাদশ শ্রেণিতে সর্বনিম্ন ০৫ টি ও সর্বোচ্চ ১০ টি কলেজে আবেদন করা যাবে। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম।
আবেদন ফি কত?
একাদশ শ্রেণিতে প্রাথমিক আবেদন ফি ১৫০ টাকা। এতে তুমি ০৫ টি কলেজে আবেদন কর অথবা ১০ টি কলেজে আবেদন কর, আবেদন ফি ১৫০ টাকা একবারই দিতে হবে। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম।
অনলাইনে আবেদন করতে কি কি লাগবে?
• এসএসসি রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর।
• এসএসসি পাশের সাল ও বোর্ডের নাম।
• একটি সচল মোবাইল নম্বর।
• আবেদন ফি ১৫০ টাকা।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়া ২০২৩
এই ভর্তি কার্যক্রমে ৩ বার প্রাথমিক আবেদন, ৩ বার ভর্তি রেজাল্ট, ৩ বার ভর্তি নিশ্চায়ন এবং ১ বার চূড়ান্ত ভর্তির সময় দিবে। তবে ভর্তি নিশ্চায়ন একবারই করতে হবে। সবশেষে সরাসরি কলেজে গিয়ে ভর্তি ফি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে ভর্তি হতে হবে।
১ম পর্যায়ে আবেদন
সর্বপ্রথম সবাইকে প্রাথমিক আবেদন করতে হবে। যারা ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করবে তাদেরকেও ঐ সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। এরপর “আবেদন যাচাই বাচাই” এর জন্য সময় দেওয়া হবে। এরপর যাদের বোর্ড চ্যালেঞ্জে রেজাল্ট পরিবর্তিত হবে, তারা আবার আবেদন করতে পারবে। তাছাড়া আবেদন করার পর কলেজ তালিকা বা পছন্দক্রম পরিবর্তন করার দরকার হলে করা যাবে। তবে সর্বোচ্চ ৫ বার ১ম পর্যায়ের আবেদনের পছন্দক্রম পরিবর্তন করা যাবে। এবার ৪-৫ দিন পর ১ম পর্যায়ের রেজাল্ট দিবে। যাদের পছন্দমত কলেজ আসবে অথবা যাদের আসবে না, তাদের সবাইকে সাথে সাথে ভর্তি নিশ্চায়ন করে নিতে হবে। কেননা ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে ১ম পর্যায়ের রেজাল্ট ও আবেদন উভয়ই বাতিল হয়ে যাবে। এরপর সবাইকে চূড়ান্ত ভর্তির জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
একাদশ শ্রেণিতে চূড়ান্ত ভর্তির জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে
তবে যারা পছন্দের কলেজ না আসা সত্তেও ভর্তি নিশ্চায়ন করবে তাদের অটো-মাইগ্রেশন চালু হয়ে যাবে এবং মাইগ্রেশনের রেজাল্ট দুইবার দিবে। ফলে পরবর্তীতে সে মাইগ্রেশনের মাধ্যেমে যেই কলেজে চান্স পাবে, তাকে সেই কলেজে ভর্তি হতে হবে।
আর তারা যদি মাইগ্রেশন বা ভর্তি নিশ্চায়ন করতে না চায় তাও পারবে। ফলে তাদেরকে ২য় পর্যায়ে নতুন করে আবেদন ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে। কিন্তু একবার নিশ্চায়ন করার পরে রেজাল্ট পরিবর্তিত হলে অর্থাৎ অটো-মাইগ্রেশন হলে পূণরায় ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে না।
ভর্তি নিশ্চায়ন করবে নাকি আবেদন করবে?
২য় পর্যায়ে আবেদন
যারা ১ম পর্যায়ে আবেদন করতে পারেনি অথবা যারা ১ম পর্যায়ে ভর্তি নিশ্চায়ন করেনি, তাদের সবাইকে আবেদন ফি দিয়ে সতর্কতার সাথে আবেদন করতে হবে। কেননা এবার কেউ “আবেদন যাচাই বাচাই” এবং “পছন্দক্রম পরিবর্তন” করার সুযোগ পাবে না। এবার দুই দিন পরই তাদের ও ১ম পর্যায়ে নিশ্চায়নকারীদের ১ম মাইগ্রেশনের রেজাল্ট দিবে। এরপর যারা নতুন করে চান্স পাবে শুধু তাদেরকেই ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। আর যাদের মাইগ্রেশন হবে না, তাদেরকে ২য় মাইগ্রেশনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
৩য় পর্যায়ে আবেদন
এখনও যারা একাদশে আবেদন করতে পারেনি এবং যারা ২য় পর্যায়ে ভর্তি নিশ্চায়ন করেনি, তাদের সবাইকে আবেদন ফি দিয়ে সতর্কতার সাথে আবেদন করতে হবে। কেননা এবারও “আবেদন যাচাই বাচাই” এবং “পছন্দক্রম পরিবর্তন” করার সুযোগ থাকবে না। দুই দিন পরই তাদের এবং ২য় ও ১ম পর্যায়ে নিশ্চায়নকারীদের মাইগ্রেশনের রেজাল্ট বের হবে। এরপরের কাজ ঠিক আগের মত। তবে এই পর্যায়ে যে যেই কলেজে চান্স পাবে তাকে সেই কলেজে ভর্তি হতে হবে। কেননা এরপর আর নতুন করে আবেদন বা মাইগ্রেশনের সুযোগ নাই।
যারা ৩য় পর্যায়ে চান্স পাইছ তাদের করণীয়
একাদশ শ্রেণীর ভর্তি ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে “নীতিমালা অনুযায়ী এই বছর আর ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে না”। এটা বোর্ড ই ভালো জানে। কেননা গত বছর তারা নীতিমালা মানে নি। বরং ৫ বার আবেদন করার সুযোগ দিয়েছিল। তাই রিস্ক থেকে মুক্তি থাকার জন্য যারা চান্স পাবে নিশ্চায়ন করে নিবে। কেননা পরে তোমরা কলেজ পরিবর্তন করার সুযোগ পাবে।
চূড়ান্ত পর্যায়ে ভর্তি
১ম, ২য় ও ৩য় পর্যায়ে যারা চান্স পেয়ে ভর্তি নিশ্চায়ন করেছে শুধু তারাই এখন তাদের চান্স পাওয়া কলেজে ভর্তি হতে পারবে। এ জন্য চূড়ান্ত ভর্তির সময়ে নিম্নোক্ত কাগজপত্র নিয়ে যেতে হবে। ২-৪ দিনের মত সময় দেয়া হবে। তাই আগে বাগে কাগজগুলো রেডি করে রাখবে এবং ভর্তি ফিও। এই হলো একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার গাইডলাইন। এছাড়া ভর্তি সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো নিম্নে আলোচনা করা হলো।
যারা ৩য় পর্যায়েও চান্স পাও নি তাদের করণীয়
একাদশ শ্রেণী ভর্তি কার্যক্রমে যারা ৩য় পর্যায়েও কোন কলেজে চান্স পাবে না তাদের করণীয় হচ্ছে অপেক্ষা করা। কেননা গতবার ৫ বার আবেদন করার সুযোগ দিয়েছিল শিক্ষাবোর্ড। তাই হতাশ না হয়ে অপেক্ষা কর। আর হ্যা, যদি ৪র্থ পর্যায়ের আবেদন চূড়ান্ত ভর্তি শেষ হওয়ার পর শুরু হবে।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির রেজাল্ট ২০২৩ যেভাবে দেখবেন
২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীর ভর্তি রেজাল্ট দুইভাবে দেখা যায়। তথা : এসএমএস ও ওয়েবসাইট। এসএমএস এর মাধ্যমে বোর্ড সময়মত শিক্ষার্থীর মোবাইলে ফল জানিয়ে দিবে। তাছাড়া শিক্ষার্থী ওয়েবসাইট থেকে তার ভর্তি ফল জানতে পারবে। উল্লেখ্য যে রেজাল্ট, নির্ধারিত তারিখের রাত ৮ টায় প্রকাশিত হবে।
একাদশ শ্রেণিতে মাইগ্রেশন করব কিভাবে?
মাইগ্রেশন করতে চাও? কলেজ পরিবর্তন করতে চাও? তাহলে শুধু ভর্তি নিশ্চায়ন করো, অটো মাইগ্রেশন চালু হয়ে যাবে। তবে এটা বন্ধ করার কোনো উপায় নেই, যদি নিশ্চায়ন করো।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে কি কি কাগজপত্র লাগবে?
চূড়ান্ত ভর্তি হওয়ার সময় নিম্নোক্ত কাগজপত্রের মূল কপি সহ প্রত্যেকটির ২ কপি ফটোকপি নিয়ে কলেজে উপস্থিত হতে হবে। তারপর কলেজের নিজস্ব ভর্তি ফরম সংগ্রহ করে, তা সঠিক ও সতর্কতার সাথে পূরণ করে উক্ত কাগজপত্রসমূহ সহ ভর্তি ফি জমা দিয়ে ভর্তি হতে হবে। উল্লেখ্য এখানে শুধু এসএসসি’র কথা বললেও দাখিল ও কারিগরি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও এগুলো প্রযোজ্য।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে কি কি কাগজপত্র লাগবে বিস্তারিত এখানে দেখ
1. ভর্তি ফরম। এটা ভর্তি হওয়ার সময় কলেজ থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
2. এসএসসি মূল মার্কশীট বা একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট – মূল কপি সহ ফটোকপি ২ কপি।
3. এসএসসি মূল প্রসংশাপত্র বা টেস্টিমোনিয়াল – মূল কপি সহ ফটোকপি ২ কপি।
4. এসএসসি মূল প্রবেশপত্র বা এডমিট কার্ড – মূল কপি সহ ফটোকপি ২ কপি।
5. এসএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ড– ফটোকপি ২ কপি।
6. পিতা ও মাতার ভোটার আইডি কার্ড– ফটোকপি ২ কপি।
7. শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন কার্ড– ফটোকপি ২ কপি।
8. শিক্ষার্থীর পাসপোর্ট সাইয এবং স্ট্যাম্প সাইয ছবি– ৪ কপি।
9. অভিভাবকের পাসপোর্ট এবং স্ট্যাম্প সাইয ছবি– ২ কপি।
10. সিকিউরিটি কোড। আবেদনের সময় এটা মেসেজে পাওয়া যাবে।
11. একটি সচল মোবাইল নম্বর।
12. শিক্ষা বিরতির মূল সনদপত্র (যারা ২০২১ ও ২০২২ সালে ssc পাশ করেছে)
13. কোটার মূল সনদপত্র (যারা কোটায় আবেদন করেছে, তাদের জন্য)
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নিয়ম বিস্তারিত
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ২০২৩ এ শুধু তারাই হতে পারবে, যারা মেধাতালিকায় উত্তীর্ণ হয়ে ভর্তি নিশ্চায়ন করেছে। কলেজে চূড়ান্তভাবে ভর্তি হওয়ার জন্য উপরিউক্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে সরাসরি কলেজে যেতে হবে। চূড়ান্ত ভর্তির সময় ২৬/০৯/২০২৩ তারিখ হতে ০৫/১০/২০২৩ তারিখ পর্যন্ত।
কলেজে গিয়ে প্রথমে ভর্তি ফরম পূরণ করতে হবে। কোন কোন কলেজে অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হয়। তাই আগে কলেজের বিজ্ঞপ্তি থেকে জেনে নিতে হবে। অনলাইনের ফরম পূরণ চাইলে নিজে নিজেও করতে পারবে নতুবা কোন কম্পিউটাররে দোকান থেকে করে নিয়ে ২ টা ফরম প্রিন্ট করে আনবে। এছাড়া হাতে ফরম পূরণ করবে তারাও পূরণকৃত ফরমের ১ কপি ফরমের ফটোকপি করে নিবে। ভবিষ্যতে কাজে লাগতে পারে।
মনে রাখবে ভর্তি ফরম পূরণ করার সময় বিষয় নির্বাচন করতে খুভ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সে জন্য আগে বাগে বাড়িতে একটা লিস্ট তৈরি করে নিবে যে তুমি কি কি বিষয় নিয়ে পড়তে চাও। যে বিষয় নিলে তুমি মার্ক সহজে তুলতে পারবে সেগুল নিবে। যেমন: ভূগোল, যুক্তিবিদ্যা , ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ইত্যাদি।
ফরম পূরণ করা হয়ে গেলে ভর্তি ফি দিয়ে রশিদ সংগ্রহ করতে হবে। এবার ফরমের ডান পাশে তোমার একটা ছবি লাগাতে হবে এবং বাকি কাগজপত্র সহ ছবি একটি খামের মধ্যে দিয়ে জমা দিতে হবে। এবার তোমার দেওয়া মোবাইল নম্বরে একটি কনফার্মেশন মেসেজ আসবে। তবেই তোমার ভর্তি সম্পন্ন হবে।
সরকারি কলেজে ভর্তি হতে কত টাকা লাগে
সরকারি কলেজে ভর্তি ফি কত ২০২৩ তার উত্তর জায়গা ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। নিম্নে ৪ জায়গার ৪ ধরণের ভর্তি দেয়া হলো :
♥→১) ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত (সরকারি) কলেজে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভার্সনে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে সেশন ফি ও ভর্তি ফি ৫,০০০ + (আনুষঙ্গিক খরচ ৩-৫ হাজার) সহ মোট প্রায় ৮-১০ হাজার টাকার মত লাগবে।
♥→২) আর ঢাকা ব্যতীত অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় অর্থাৎ চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল এসব এলাকার সরকারি কলেজে বাংলা ও ইংরেজি উভয় মাধ্যমে ৩,০০০ + (আনুষঙ্গিক খরচ ২.৫-৪ হাজার) সহ মোট প্রায় ৫.৫-৭ হাজার টাকার মত লাগবে।
♥→৩) জেলা এলাকায় এমপিওভুক্ত (সরকারি) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভার্সনে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ২,০০০ + (আনুষঙ্গিক খরচ ১.৫-২ হাজার) সহ মোট প্রায় ৩.৫-৪ হাজার টাকার মত লাগবে।
♥→৪) আর মফস্বল / উপজেলা / গ্রাম এলাকার এমপিওভুক্ত (সরকারি) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভার্সনে সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে ১,৫০০ + (আনুষঙ্গিক খরচ ১-২ হাজার) সহ মোট প্রায় ২.৫-৩.৫ হাজার টাকার মত লাগবে।
বেসরকারি কলেজে ভর্তি ফি কত
♥→১) ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার নন-এমপিওভুক্ত (বেসরকারি) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা ভার্সনে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে উন্নয়ন ফি, সেশন ফি ও ভর্তি ফি ৭,৫০০ + (আনুষঙ্গিক খরচ ৫-৭ হাজার) সহ মোট প্রায় ১২-১৫ হাজার টাকার মত লাগবে। আর ইংরেজি ভার্সনে শুধু ভর্তি ফি ১,০০০/- টাকা বেশি লাগবে। অর্থাৎ ৮,৫০০ টাকা আসবে আর বাদ বাকি বাংলা মিডিয়ামের মত।
♥→২) ঢাকা ব্যতীত অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় অর্থাৎ চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল এসব এলাকার বেসরকারি কলেজে বাংলা মিডিয়ামে উন্নয়ন ফি সহ ভর্তি ফি ৫,০০০ + (আনুষঙ্গিক খরচ ২.৫-৪ হাজার) সহ মোট প্রায় ৭.৫-৯ হাজার টাকার মত লাগবে। আর ইংরেজি ভার্সনে শুধু ভর্তি ফি ১,০০০/- টাকা বেশি লাগবে। অর্থাৎ ৬,০০০ টাকা আসবে আর বাদ বাকি বাংলা মিডিয়ামের মত।
♥→৩) জেলা পর্যায়ের বেসরকারি কলেজে বাংলা মিডিয়ামে উন্নয়ন ফি সহ ভর্তি ফি ৩,০০০ + (আনুষঙ্গিক খরচ ১.৫-২ হাজার) সহ মোট প্রায় ৪.৫-৫ হাজার টাকার মত লাগবে। আর ইংরেজি ভার্সনে শুধু ভর্তি ফি ১,০০০/- টাকা বেশি লাগবে। অর্থাৎ ৪,০০০ টাকা আসবে আর বাদ বাকি বাংলা মিডিয়ামের মত।
♥→৪) আর উপজেলা / গ্রাম এলাকার বেসরকারি কলেজে বাংলা মিডিয়ামে উন্নয়ন ফি সহ ভর্তি ফি ২,৫০০ + (আনুষঙ্গিক খরচ ১.৫-২ হাজার) সহ মোট প্রায় ৪-৪.৫ হাজার টাকার মত লাগবে। আর ইংরেজি ভার্সনে শুধু ভর্তি ফি ৫০০/- টাকা বেশি লাগবে। অর্থাৎ মোট ভর্তি ফি আসবে ৫-৬.৫ এর মত।