Varendra University Dept. Of Law & Human Rights-8th Batch

Varendra University Dept. Of Law & Human Rights-8th Batch We think critically about the current workings of the justice system and identify potential areas for reform this.

30/03/2016

নামজারী/মিউটেশন/খারিজ কি?

ভূমি ব্যবস্থাপনায় মিউটেশন বা নামজারী একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। জমি ক্রয় বা অন্য কোন উপায়ে জমির মালিক হয়ে থাকলে হাল নাগাদ রেকর্ড সংশোধন করার ক্ষেত্রে মিউটেশন একটি অপরিহার্য নাম। ইংরেজী মিউটেশন (Mutation) শব্দের বাংলা অর্থ হলো পরিবর্তন। আইনের ভাষায় এই মিউটেশন শব্দটির অর্থই হলো নামজারী। নামজারী বা নাম খারিজ বলতে নতুন মালিকের নামে জমি রেকর্ড করা বুঝায়। অর্থাত্‍‍ পুরনো মালিকের নাম বাদ দিয়ে নতুন মালিকের নামে জমি রেকর্ড করাকে নামজারী/নাম খারিজ বলে। ভূমি মালিকানার রেকর্ড বা খতিয়ান বা স্বত্বলিপি হালকরণের জন্য জরিপ কার্যক্রম চূড়ান্ত করতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। যে সময়ের মধ্যে উত্তরাধিকার সূত্রে, এওয়াজ সূত্রে বিক্রয়, দান, খাস জমি বন্দোবস্ত ইত্যাদি ভূমি মালিকানার পরিবর্তন প্রতিনিয়ত ঘটতে থাকে। যে কারণে প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ভূমি মালিকানার রেকর্ড হালকরণের সুবিধার্থে জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর ১৪৩ ধারায় কালেক্টরকে (জেলা প্রশাসক) ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই ক্ষমতা বলে জমা, খারিজ ও নামজারী এবং জমা একত্রিকরণের মাধ্যমে রেকর্ড হাল নাগাদ সংরক্ষণ করা হয়।

কমিশনার (ভূমি) ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়েল ১ঌঌ০ এর ২০ অনুচ্ছেদ বলে নামজারী বা মিউটেশনের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। পূর্বে নামজারীর বা মিউটেশনের দায়িত্ব উপজেলা রাজস্ব বা অফিসার বা সার্কেল অফিসার (রাজস্ব) পালন করতেন।

নামজারীর বিভিন্ন পদ্ধতি:

ভূমির মালিকানা যেমন বিভিন্ন ভাবে অরর্র্জিত হয় তেমনি নামজারীর ধরনও বিভিন্ন পদ্ধতিতে হয়ে থাকে।

যেমন:

হস্তান্তর দলিল (এল.টি নোটিশ) মূলে নামজারী

সার্টিফিকেট মূলে নামজারী

এল.এ মোকদ্দমার ভিত্তিতে নামজারী

আদালতের ডিক্রি মূলে নামজারী

উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির নামজারী

আবেদনের ভিত্তিতে নামজারী

হস্তান্তর দলিল (এল.টি.নোটিশ) মূলে নামজারী: দলিল রেজিস্ট্রির পর হস্তান্তর নোটিস (এল.টি. নোটিস) সহকারী ভূমি কমিশনারের অফিসে পাঠাতে হবে। উক্ত নোটিস পাবার পর সহকারী ভূমি কমিশনার তার অফিসে একটি নামজারী কেস নথি খুলে তা তদন্তের জন্য তহসিল অফিসে পাঠাবেন। তহসীলদার সরেজমিনে ও রেকর্ড যাচাই করে বাংলাদেশ ফরম নং ১০৭৮ এ প্রতিবেদন দিবেন।

সার্টিফিকেট মূলে নামজারী:সার্টিফিকেট মূলে কোন খবর সম্পত্তির নিলাম ক্রেতা নামজারীর আবেদন করলে নিলামের বায়না ও দখলনামার ভিত্তিতে নামজারী আবেদন মঞ্জুর করা যাবে। নিলাম ক্রেতা সরকার হলে, 'রেজিষ্ট্রার' (i) I (ii) সংশোধন করতে হবে এবং রেজিষ্ট্রার (Viii) এর খন্ড সংশোধন করতে হবে।

এল. এ. মোকদ্দমার ভিত্তিতে নামজারী: কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান ভূমি অধিগ্রহণ করে নামজারীর আবেদন না করলে কালেক্টরের এল.এ. শাখা হতে ভূমি অধিগ্রহণের (এল.এ) মোকদ্দমার নম্বর ও তফশিল সংগ্রহ করে ঐ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে তাদের নিজ নামে হোল্ডিং খোলার জন্য নোটিশ আবেদন পাওয়া গেলে পেশকৃত কাগজ পত্র যাচাইক্রমে সংশ্লিষ্ট সংস্থার নামে হোল্ডিং খুলে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করতে হবে।

আদালতের ডিক্রিমূলে নামজারী: আদালতের ডিক্রি মূলে সরকারী খাস জমি এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির নামজারী করা যায় এরূপ ডিক্রির (একতরফা/দোতরফা) এরপর উক্ত জমি পুনরায় রেজিস্ট্রির প্রয়োজন ন।(ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়েল এর ৩২১ অনুচ্ছেদ)

তবে এরূপ ডিক্রি মূলে প্রাপ্ত খাস জমির নাম জারীর আবেদন পাওয়া গেলে একটি নামজারী মোকদ্দমা চালু করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র মতামতের জন্য তা কালেক্টরের (ডি.সি) এর নিকট প্রেরণ করতে হবে।

উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির নামজারী: কোন হোল্ডিং এর মালিকের মৃত্যুতে (যদি তিনি তার সম্পত্তি নিজ নামে আলাদা হোল্ডিং করে গিয়ে থাকেন) তার উত্তরাধিকারীগণ নিজেদের নাম ঐ হোল্ডিং ভূক্ত করার জন্য সহকারী ভূমি কমিশনারের নিকট দরখাস্ত করতে হবে এবং উক্ত দরখাস্তের সাথে সাকশেসন সার্টিফিকেট প্রদান করতে হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) গণের বরাবরে প্রেরিত ভূমি প্রশাসন বোর্ডের ১৮-৭-১৯৮৪ ইং তারিখের ২০-এ.এস-১৭/৮৪ (১৪০) নং স্মারকের ৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দরখাস্তকারীকে ম্যাজিষ্ট্রেট/প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/সংসদ সদস্যের মত জন প্রতিনিধি কর্তৃক প্রদত্ত সাকশেসন সার্টিফিকেট প্রদান করতে হবে।

উত্তরাধিকারী আবেদনকারী সাকশেসন সার্টিফিকেট সহ নামজারীর জন্য সহকারী ভূমি কমিশনারের নিকট দরখাস্ত দাখিল করলে ভূমি সহকারী কমিশনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে নামজারীর আদেশ দিবেন। এক্ষেত্রে নতুন কোন হোল্ডিং না খুলে মৃত ব্যক্তির নাম কর্তন করে, ফারায়েজ অনুযায়ী হিস্যা/জমির ভাগ বন্টন করে উত্তরাধিকারীদের নাম পূর্বের হোল্ডিং এর জায়গায় হোল্ডিংভুক্ত করলেই চলবে।
Copied

28/03/2016

২ বছর মেয়াদী এলএলবি কোর্সে নিবন্ধন দিবেনা বার কাউন্সিল
আইনজীবী অন্তর্ভুক্তি পরীক্ষায় (এনরোলমেন্ট) বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুই বছর মেয়াদী এলএলবি (পার্স) কোর্সে উত্তীর্ণদের নিবন্ধন করবে না বার কাউন্সিল।
একইসঙ্গে যেকোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে এলএলবি (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি করলে তাদেরও অর্ন্তভুক্তি পরীক্ষায় (এনরোলমেন্ট) অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, উচ্চ আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকায় তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি কোর্সে উত্তীর্ণদের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করেছে বার কাউন্সিল।
তিন বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে- দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়, আমেরিকা বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, বেসরকারি অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে আরও তদন্ত প্রয়োজন। এজন্য ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি উত্তীর্ণদেরও রেজিস্ট্রেশন প্রদান স্থগিত রাখা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বলেন, কতিপয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢালাওভাবে শিক্ষার্থীদের আইনের ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে। এতে আইন শিক্ষার মান সম্পর্কে বার কাউন্সিল ও জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে বার কাউন্সিল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৪ সালে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের তালিকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে আইন শিক্ষার অনুমোদন বার কাউন্সিলে প্রেরণের গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।
এ বিজ্ঞপ্তি জারির পর ৩৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বার কাউন্সিলে জমা দেয়। কাউন্সিলের লিগ্যাল এডুকেশন কমিটি এরমধ্যে সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে আপত্তি উত্থাপন করে।
পরে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে শুনানির ব্যবস্থা করা হয়। শুনানি শেষে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও

Source: Banglalive24.com

18/03/2016

♦মুটিং♦

★ মুটিং কী?

মুটিং চেম্বারস্ ডিকশনারি অনুসারে মুট হলো কোন বিষয়ে আলোচনার প্রস্তাব দেয়া বা কোন কিছু প্রাকটিস করার প্রস্তাব দেয়া। আবার অক্সফোর্ড ডিকশনারি অনুসারে মুট হলো চর্চার খাতিরে কাল্পনিক মামলার বা কেসের উপর আলোচনার সমাবেশ।মূলত মুট কোর্ট বা মুটিং হচ্ছে একটি কাল্পনিক কেসে আইনের পক্ষে বিপক্ষে যুক্তি তর্ক উপস্থাপন করা।

★মুট কোর্টের গঠনঃ

এটি হয়ে থাকে একটি কাল্পনিক কোর্ট যেখানে বিজ্ঞ জাজের আসনে বসেন বিচারকগণ।সাধারণত একটি টিমে তিনজন থাকেন, দু জন মুটার এবং একজন রিসার্চার থাকেন, এবং দুটি টিম থাকে, একাধিক বিচারক থাকেন এবং একজন বেঞ্চ অফিসার ও একজন সহকারী থাকেন। রিসার্চার সাধারণত প্রয়োজনীয় দলিলপত্র সময় সাপেক্ষে বিচারককে প্রদর্শনের জন্য বেন্চ্ অফিসার কে এবং প্রয়োজনমত দলীল মুটারকে সরবরাহ করে থাকেন।মজার বিষয় হল দুটি টিমকেই নিজেদের পক্ষে ও বিপক্ষে তৈরি করতে হয় কারণ তারা তাদের অবস্থান (পক্ষে না বিপক্ষে) জানতে পারেন মাত্র পাঁচ কি দশ মিনিট আগেই!! আর কে পিটিশনার, কে রেসপন্ডেন্ট তা সাধারনত নির্ধারণ হয় টসের মাধ্যমে।

★সময়ঃ

মুটার যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ১০ মিনিট ও রিভাইটাল বা যুক্তি খন্ডনের জন্য ৫ মিনিট হারে সময় পেয়ে থাকেন।

★নিয়মাবলীঃ

মুট কোর্ট এমন একটি প্রতিযোগিতা যেখানে প্রতিযোগীদের এবং বিচারকদের খুব বেশি নিয়ম নীতি মেনে চলতে হয়। সাধানত উচ্চ আদালতে যেমন করে একটি মামলা পেশ করা হয় ও বিচার করা হয় তেমনি মুটিং এর সময়েও এ সব নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়।
*মুট কোর্ট রুমে প্রবেশের ও বের হবার পূর্বে বিচারককে বো ( বুকে হাত দিয়ে কিছুটা নিচু হয়ে সম্মান প্রদর্শন করা) করতে হয়।
* বিচারকের আসন গ্রহন ও প্রস্হানের সময় সকলকে আসন থেকে উঠে দাড়ানো।
* মুটার যুক্তি উপস্থাপন ও শেষ করার পূর্বে বিচারককে বো করতে হবে।
* রিসার্চার ডকুমেন্ট বিচারককে প্রদর্শনের জন্য বেন্চ অফিসার বা মুটারকে প্রদান এর পূর্বে ও পরে বিচারককে বো করে আসন গ্রহন করতে হবে।
* মুটার যুক্তি,ইস্যু,কেস রেফারেন্স বিচারকের অনুমতি নিয়ে উপস্থাপন করবেন।

★ মুটিং এ ভালো করার উপায়ঃ

* ইংরেজী বলার ক্ষেত্রে সঠিক উচ্চারণ ও সাবলীলতা বজায় রাখা।
* মেমোরিয়ায়াল এর সাহায্যে বিচারকের সাথে আই কন্ট্যাক্ট বজায় রেখে আত্মবিশ্বাসী হয়ে যুক্তি উপস্থাপন।
* কেসের পিটিশন ও রেসপন্ডেন্ট উভয় মেমোরিয়াল এর যত রকম প্রশ্ন হতে পারে তা সংশ্লিষ্ট আইনী ধারা সহকারে পূর্বেই চিত্রকল্প সাজিয়ে সমাধান করে নেয়া।
* নিজের মেমোরিয়াল এর ফ্যাক্ট ও ইস্যুর বিপরীতে কি প্রশ্ন হতে পারে তা খুজে বের করে সমাধান করা।
* বিষয়কে বর্ণনাদীর্ঘ না করে মূল বিষয়ে ফোকাস করা।

★ মুটিং এর গুরুত্বঃ

প্রায় সব জব সার্কুলার (circuler) এ দেখি বাস্তব অভিজ্ঞতা চায়,যেটা যে কোন কাজের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ন ও এডভান্স পয়েন্ট। এডভোকেসির মত কাজে সেটি আরও বেশী প্রয়োজন। তাই পড়াশুনা শেষ করার আগেই মুটিং আইনের ছাত্রদের বাস্তব অভিজ্ঞতার সেই সুযোগ করে দিচ্ছে।মুটের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে একজন ছাত্রের গবেষণা ও উপস্থাপন দক্ষতার উন্নতি হয়। Fact গুলো ভালো করে বুঝতে হয়, Issue তৈরি করতে হয়, সর্বোপরি পক্ষ বিপক্ষে দু পক্ষেই নিজের যুক্তি উপস্থাপন ও আপর পক্ষে যুক্তি খণ্ডন করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হয়। অন্য দিকেউপস্থাপন ভঙ্গি, কমিউনিকেশন মেথড (Communication Method) এ ছাত্রটি বেশ দক্ষতা অর্জন করে। যেটা শুধু মাত্র বই পড়ে বা পরীক্ষায় লিখে আয়ত্ত করা কখনই সম্ভব নয়। এ দক্ষতা একজন ছাত্রের জন্য সারা জীবন আশীর্বাদ স্বরূপ কাজ করে।

লেখকঃ টিস্যু পেপার

13/03/2016

পাওয়ার-অব-এটর্নি বা আম-মোক্তারনামা কি?

পাওয়ার-অব-এটর্নি বা আম-মোক্তারনামা একটি সম্পূর্ণ আইনী দলিল। ষ্ট্যাম্প এক্ট ১৮৯৯ এর ২(২১) উপ ধারা অনুসারে যে দলিল দিয়ে কোনো ব্যাক্তিকে অপর কোনো ব্যাক্তির পক্ষে হাজির হয়ে কার্য সম্পাদন বা কোনো ডিক্রি/রেজিস্ট্র্রি সম্পাদন তত্বাবধান ইত্যাদি বিষয়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করার ক্ষমতা দেয়া হয় তাকে মোক্তারনামা বলে।

সাধারণত: স্থাবর সম্পত্তি তথা জমিজমা দান, বিক্রয়, হস্তান্তর, রক্ষনাবেক্ষন, বন্ধক রাখা, ঋন গ্রহন, খাজনা প্রদান ইত্যাদি কাজে মোক্তার বা এটর্নী বা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হয়। তবে অস্থাবর সম্পত্তির বিষয়েও মোক্তার নিয়োগ করা যায়।

পাওয়ার অফ এটর্নী দু প্রকার যথা:

ক) জেনারেল পাওয়ার অফ এটর্নী
খ) স্পেশাল পাওয়ার অফ এটর্নী

যে আম-মোক্তারনামায় মোক্তার দাতার পক্ষে জমি-জমা ক্রয়-বিক্রয়, রক্ষণাবেক্ষন, চুক্তিপত্র করা, মামলা মোকাদ্দমা পরিচালনা করা সহ যাবতীয় কাজের ক্ষমতা মোক্তারকে দেওয়া হয় তাকে জেনারেল পাওয়ার অফ এটর্নী বলে ।

অন্যদিকে একটি নির্দিষ্ট বা কোনো বিশেষ কাজের ক্ষমতা মোক্তারকে দিয়ে তৈরি মোক্তার নামাকে স্পেশাল পাওয়ার অফ এটর্নী বলে ।

08/03/2016

UDHR

The Universal Declaration of Human Rights (UDHR ) is a declaration adopted by the United Nations General Assembly on 10 December 1948 at the Palais de Chaillot, Paris. The Declaration arose directly from the experience of the Second World War and represents the first global expression of rights to which all human beings are inherently entitled. The full text is published by the United Nations on its website. [1]
The Declaration consists of thirty articles which have been elaborated in subsequent international treaties, regional human rights instruments, national constitutions, and other laws. The International Bill of Human Rights consists of the Universal Declaration of Human Rights, the International Covenant on Economic, Social and Cultural Rights , and the International Covenant on Civil and Political Rights and its two Optional Protocols. In 1966, the General Assembly adopted the two detailed Covenants, which complete the International Bill of Human Rights. In 1976, after the Covenants had been ratified by a sufficient number of individual nations, the Bill took on the force of
international law .

03/03/2016

★ মানহানি সম্পর্কিত ধারা :

ধারা ৪৯৯। মানহানি
ধারা ৫০০। মানহানির শাস্তি,
ধারা ৪৯৯। মানহানি
যে ব্যক্তি এইরূপ অভিপ্রায়ে বা এইরুপ জানিয়া বা এইরুপ বিশ্বাস করিবার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পাঠের জন্য অভিপ্রেত শব্দাবলী বা চিহ্নাদি বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে যে অনুরূপ নিন্দাবাদ অনুরূপ ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করিবে, সেই ব্যক্তি অতঃপর ব্যতিক্রান্ত ক্ষেত্রসমূহ ব্যতিত উক্ত ব্যক্তির মানহানি করে বলিয়া গণ্য হইবে।
ধারা ৫০০। মানহানির শাস্তিঃ
যে ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির মানহানি করে সেই ব্যক্তি বিনাশ্রম কারাদন্ডে-যাহার মেয়াদ দুই বৎসর পর্যন্ত হইতে পারে বা অর্থদন্ডে বা উভয়বিধ দন্ডে দন্ডিত হইবে।

03/03/2016

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা মোতাবেক পুলিশ বিনা পরোয়ানায় ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়াই ৯টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে যেকোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে ।

১.কোন ব্যক্তি কোন মামলাযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত থাকলে বা জড়িত বলে বিশ্বাসযোগ্য খবর বা অভিযোগ থাকলে পুলিশ তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করতে পারে।

২.আইনগত কোন অজুহাত (যুক্তি) ছাড়া কারো কাছে ঘর ভাঙার সরঞ্জাম থাকলে তাকে গ্রেফতার করা যেতে পারে।

৩.আইন অনুসারে বা সরকার আদেশ দ্বারা কাউকে অপরাধী বলে ঘোষণা করলে তাকে গ্রেফতার করা যায়।

৪.কারো কাছে থাকা মালপত্র চোরাই বলে সন্দেহ করার যুক্তি সঙ্গত কোন কারণ থাকলে।

৫.পুলিশের কাজে বাধা দিলে, বা কেউ পলায়ন করলে বা করার চেষ্টা করলে।

৬.বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনী হতে পলায়ন করেছেন এই মর্মে যৌক্তিক সন্দেহ থাকলে।

৭.যে কাজ বাংলাদেশে করা হলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে বিবেচনা করা হত তা বাংলাদেশের বাইরে করে থাকলে বা করেছেন এই মর্মে নির্ভরযোগ্য তথ্য বা যুক্তিসঙ্গত তথ্য সন্দেহ থাকলে।

৮.মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী কাঃ বিঃ ৫৬৫ (৩) উপধারার নিয়ম লংঘন করলে। এই নিয়মানুযায়ী জেল থেকে মুক্তির পর ৫ বছর পর্যন্ত সদব্যবহারের নিয়ম রয়েছে।

৯.কাউকে গ্রেফতারের জন্য অন্য কোন পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে রিকুইজিশন পাওয়া গেলে।

01/03/2016

“Public interest law” is a term that became widely adopted in the United States during and after the social turmoil of the 1960s. It built upon a tradition exemplified by Louis Brandeis , who before becoming a U.S. Supreme Court justice incorporated advocacy for the interests of the general public into his legal practice. In a celebrated 1905 speech, Brandeis decried the legal profession, complaining that “able lawyers have to a large extent allowed themselves to become adjuncts of great corporations and have neglected their obligation to use their powers for the protection of the people.” [5] In the late 1960s and 1970s, large numbers of American law school graduates began to seek “relevance” in their work—wishing to have an impact on the social issues that were so visibly and hotly debated within American society at that time. They defined themselves as public interest lawyers in order to distinguish themselves from the “corporate adjuncts” referred to by Brandeis. [6]
Public interest law does not describe a body of law or a legal field; the term was adopted to describe whom the public interest lawyers were representing, rather than what matters they would work on. Instead of representing powerful economic interests, they chose to be advocates for otherwise underrepresented individuals. Consequently, a significant current in public interest lawyering has always emphasized the need to provide legal services to those living in poverty. The term has grown, however, to encompass a broader range of activities of lawyers and non-lawyers working toward a multitude of objectives, including civil rights, civil liberties, women’s rights, consumer rights, environmental protection, and so on. Nevertheless, a common denominator for public interest lawyers in the United States and in a growing number of countries remains the ethic of “fighting for the little guy”—that is, representing the underrepresented and vulnerable segments of society. [7]

28/02/2016

★ জেলা জজের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি প্রসঙ্গ

দেওয়ানি মামলার আপিল শুনানিতে জেলা জজের আর্থিক এখতিয়ার পাঁচ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া এ ধরনের মামলায় সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার দুই লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ লাখ টাকা এবং জ্যেষ্ঠ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার চার লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। তবে যুগ্ম জেলা জজের আর্থিক এখতিয়ারে কোনো পরিবর্তন হয়নি। কারণ তিনি যেকোনো মূল্যের জমি সংক্রান্ত দেওয়ানি মামলার বিচার করতে পারেন।
এই পরিবর্তনসহ দ্য সিভিল কোর্টস (সংশোধিত) অধ্যাদেশ-২০১৫-এর খসড়া মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে।১৫ ই সেপ্টেম্বর ২০১৫ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, এ সংশোধনীর ফলে দেওয়ানি মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি হবে। সম্পত্তির মূল্য কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় তার সঙ্গে সংগতি রেখে দেওয়ানি আদালতের এসব এখতিয়ার বাড়ানো হয়েছে। আপিল মামলার শুনানি করতে জেলা জজের এখতিয়ার পাঁচ কোটি টাকা করায় এখন প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মানুষকে হাইকোর্টে কম আসতে হবে।

26/02/2016

১। বন্দী প্রদর্শন রিট:Habeas corpus
কোনো ব্যক্তিকে সরকার বা অন্য কেউ আটক করলে কি কারণে তাকে আটক করা হয়েছে তা জানার জন্য বন্দীকে আদালতে হাজির করার যে নির্দেশ দেওয়া হয় তাই বন্দী প্রদর্শন রিট।
২। পরমাদেশ বা হুকুমজারি রিট:Mandamus
কোনো অধ:স্তন আদালত, ট্রাইব্যুনাল, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি তার আইনগত দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করে কিংবা ব্যর্থ হয় তাহলে উচ্চতর আদালত যে আদেশের মাধ্যমে উক্ত আইনগত দায়িত্ব পালন করতে উক্ত আদালত বা ট্রাইব্যুনালকে বাধ্য করে তাকে হুকুমজারী রিট বা পরমাদেশ বলে।
৩। নিষেধাজ্ঞামূলক রিট:Prohibition
কোনো অধস্তন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কোনো কর্তৃপক্ষ, সংস্থা বা ব্যক্তি তার এখতিয়ার বর্হিভূত কাজ করতে উদ্দ্যত হয়েছে কিংবা ন্যায় নীতি ভঙ্গ করতে যাচ্ছে। এ অবস্থায় উচ্চতর আদালত যে আদেশের মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে ঐ কাজ করা থেকে বিরত রাখেন তাকে নিষেধাজ্ঞামূলক রিট বলে। নিষেধাজ্ঞামূলক রিটকে বিচার বিভাগীয় রিটও বলা হয়।
৪। উৎপ্রেষণ রিট:Certiorari
দুটি উদ্দেশ্যে উচ্চতর আদালত উৎপ্রেষণ রিট জারী করতে পারে- ক) অধ:স্তন কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা ব্যক্তি বা সংস্থা কর্তৃক কৃত ক্ষমতা বহির্ভূত কাজকে বাতিল বা নাকচ করে দেয়া। খ) অধ:স্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের কোনো মামলা শুনানীর জন্য উচ্চতর আদালত নিজেই গ্রহণ করে এ রিট জারী করতে পারে।
৫। কারণ দর্শাও রিট:Quo-warranto
কোনো ব্যক্তি যদি এমন কোনো সরকারি পদ দাবী করে, যে পদের যোগ্যতা তার নাই অথবা অবৈধভাবে যদি কোনো সরকারি পদ দখল করে বসে থাকে, তাহলে উচ্চতর আদালত যে আদেশের মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তিকে তার পদ দখলের বা দাবীর কারণ দর্শাও নির্দেশ দিয়ে থাকে তাকে কারণ দর্শাও রীট বলে।

আইনের কথা হিন্দু পারিবারিক আইন
25/02/2016

আইনের কথা হিন্দু পারিবারিক আইন

24/02/2016

বিচারক নিয়োগ পরীক্ষায় পরিবর্তন

সহকারী জজ/জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগে পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পাস নম্বর কমানো ছাড়াও লিখিত পরীক্ষায় পাসে শর্ত বেঁধে দিয়ে 'বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের প্রবেশপদে নিয়োগ আদেশ-২০০৭' সংশোধন করেছে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন।কমিশনের সচিব পরেশ চন্দ্র শর্ম্মা মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে জানান, দশম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা থেকেই নতুন এই নিয়ম কার্যকর হবে।বিচারক নিয়োগে সহসাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।সংশোধিত আদেশ অনুযায়ী, প্রিলিমিনারিতে কেউ ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেলে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন, আগে যা নির্ধারিত ছিল ৫৫ শতাংশ।পরেশ শর্ম্মা বলেন, নতুন নিয়মে প্রিলিমিনারিতে আগের মতো ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা হলেও প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর করে কাটা হবে, তাই পাস নম্বর কমানো হয়েছে। আগে প্রিলিমিনারি ভুল উত্তরের জন্য কোনো নম্বর কাটা হতো না।সংশোধিত আদেশ অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় কোনো বিষয়ে ৩০ শতাংশের কম নম্বর পেলে তিনি লিখিত পরীক্ষায় অকৃতকার্য হবেন। মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য লিখিত পরীক্ষায় গড়ে ৪৫ শতাংশনম্বর পেতে হবে।আগে কেউ লিখিত পরীক্ষার কোনো বিষয়ে ২৫ শতাংশের কম নম্বর পেলে ওই বিষয়ে তার কোনো নম্বর যোগ হত না (নির্ধারিত নম্বরের কম পেলে ফেলহিসেবে গণ্য হত না)। তবে অন্যসব বিষয়ের (যেসব বিষয়ে কমপক্ষে ২৫ শতাংশ নম্বর পেয়েছে) মোট নম্বরের গড় ৪৫ শতাংশ হলে সে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারতো।দশম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা থেকে আবশ্যিক আইন বিষয়ে প্রার্থীদের ৫০০ নম্বরের পাঁচটি বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে। আগে চারটি বিষয়ে ৪০০ নম্বরের এই পরীক্ষা হত। আগে ২০০ নম্বরের দুটি ঐচ্ছিক আইন বিষয়ে পরীক্ষা নেয়া হলেও এখন ১০০ নম্বরের একটি পরীক্ষাহবে।আবশ্যিক সাধারণ বিষয়ের লিখিত পরীক্ষার নম্বর আগের মতোই ৪০০ রাখা হয়েছে। আবশ্যিক সাধারণ, আবশ্যিক আইন এবং ঐচ্ছিক আইন বিষয়ে এক হাজার নম্বরের পরীক্ষা হবে। আর মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০০।
সূত্রঃ কালের কন্ঠ

Address

Kazla, Motihar
Rajshahi
6204

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Varendra University Dept. Of Law & Human Rights-8th Batch posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to Varendra University Dept. Of Law & Human Rights-8th Batch:

Share