16/05/2019
আলোর স্বপ্নযাত্রা
প্রচ্ছদ
সুর্যাস্ত দিয়ে মুলত একটি রাতের আগমন বার্তা বুঝানো হয়েছে। যদিও স্বপ্ন দেখার বাঁধাধরা কোন সময় নেই, তবুও রাতটা বেশী প্রাসঙ্গিক। রাতে আমরা একটু অবসর পাই। একটু বিশ্রাম নেই। সেই বিশ্রামের মধ্যে আমরা স্বপ্ন দেখতে শুরু করি......
কেউ নতুন জামা পড়ি, কোন নতুন জায়গায় বেড়াতে যাই, নতুন কিছু করি...অথবা গতানুগতিক কিছু...।
বিজ্ঞানের যুক্তিতে আলোর উৎসটি বিশ্রাম নেয়না...।
কিন্তু সাহিত্য, কল্পনা এগুলো বিজ্ঞানের সীমা ছাড়িয়ে আর একটু এগিয়ে যায়। বিজ্ঞান যেখানে এখনো পৌছেনি, কল্পনা, সাহিত্য সেখানে চায়ের কাপে চুটিয়ে ঝড় তুলে...।
তাই আপাতদৃষ্টে জাগতিক আলোর উৎসটিকে আমরা ছুটি দিয়ে দুহাত বাড়িয়ে স্বাগত জানাচ্ছি একটি স্বপ্নের ভুবনকে......। যেখানে আমরা খুঁজে পাব অন্য কিছু আলোর উৎস- মানবতা, দেশপ্রেম, জীবনের কিছু দায় শোধ, শৈশবের চাওয়া পাওয়া......
জগতের বড় বড় পরিবর্তন এসেছে মানুষের হাত ধরেই......তাই একজন মানুষের ছবি প্রতিকী অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে প্রচ্ছদে......
কিভাবে লিখাগুলো বই এর অবয়ব পেল?
ওদের বাবা-মা আছে, চাচা, মামারা আছেন......
ওরা কোনদিন মানুষ হবে ...দুঃখিত, বই হবে, তা ওরা ভাবতে পারেনি...।
ওদের জন্ম অজ পাড়া গায়ে...। জীর্ন শীর্ন পিতার সন্তান হয়ে সকাল সন্ধ্যা এলোমেলো সময় কেটে যাচ্ছিলো... ফেসবুকের দেয়ালে দেয়ালে...।
কোন একদিন কিছু দয়ালু নিকটাত্মীয় মানুষের দয়া মায়ায় ওরা স্কুলে ভর্তি হয়। স্কুল ড্রেস বানানো হলো। নেম প্লেট তৈরী হয়। আইডি কার্ড গলায় ঝুলে......
তারপর স্কুলে প্রথম দিন...... কত অনুভুতি...... অজানার পথে ছোট ছোট পা ফেলে আবারও স্বপ্ন দেখা...
কি আছে বইটির ভিতর?
চকলেট, চুইংগাম, টিফিন বক্স, পানির বোতল......এই আর কি...?
আর আছে জীবন ঘনিষ্ঠ কিছু বার্তা গল্পের ছলে...।
বইটির দাম?........
আমার মানে বইটির কাম?
দেখতেই পাচ্ছেন ......আপাতত মানুষের সময় অপচয় করা......
কিছু কথা...যা আমি বলতে চেয়েছি......
-প্রত্যেক মানুষের জীবনই একটা গল্পের মতো
-স্কুলকে বানাতে চাই মজার কিছু জানার বাড়ি
-পৃথিবীর বহু কালজয়ী মানুষের উত্থান হয়েছে একেবারে সাধারণ পর্যায় থেকে
-পৃথিবীর সবকিছু রাতারাতি বদলে ফেলতে হবেনা...সৃষ্টিকর্তা অনেক যত্ন করে এতকিছু বানিয়েছেন ......এগুলোর মাঝে কিছু উপশমকারী উপাদান দিয়েছেন...আমাদের সব দুঃখ কষ্ট শুষে নিতে......ওদেরকে জানতে হবে...কাজে লাগাতে হবে...।।