01/09/2023
সদ্বীপের শিক্ষা জাগরণের অগ্রদূত,স্মরণীয় ও বরণীয় ব্যক্তিত্ব, ক্ষণজম্মা মহতী পুরুষ " হাজী আবদুল বাতেন সওদাগরের" আজ ৫২ তম মৃত্যুবার্ষিকী।১৯৭১ সালের ১লা সেপ্টেম্বর তিনি ইন্তেকাল করেন।শিক্ষা, স্বাস্হ্য,সহ সমাজের সকল স্তরে আলোজাগরণের এই অগ্রনায়ক সত্যিই মানবতার দ্যুত হিসেবে জম্মেছিলেন।
কীর্তিমানের মৃত্যু নাই।
এই মহতী ব্যক্তির চলে যাওয়ার আজ ৫২তম বর্ষ পেরিয়ে ৫৩ বছরে পড়ল।কতটুকুই বা তাকে আমরা স্মরণ করি তাকে?কিংবা কতটুকুই বা স্মরণ করা হয় তার প্রতিষ্ঠিত দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে?
বংশের সিংহ পুরুষদের স্মরণ না করলে কিংবা তাদের অমর্যাদা করলে নাকি বংশে নাকি সিংহ পুরুষ জম্মায়না।
আমি নিজেকে সত্যিই অনেক ভাগ্যবান মনে করছি এই কীর্তিমান ব্যক্তির চতুর্থ প্রজম্ম হিসেবে।মানুষ নাকি তিন পুরুষের বেশি মনে রাখেনা।আমার অবশ্যই ৫ম পুরুষ পর্যন্ত মুখস্থ ।আমি এখনও গ্রামে গেলে আমার প্রপিতামহের কবর(স্থানান্তরিত) জিয়ারতের চেষ্টা করি।ক্ষণজম্মা এই মহতী পুরুষটি নিজের এই স্বল্প জীবনের পূরোটাই ব্যয় করেছেন মানুষের কল্যাণে।সন্দ্বীপের একমাত্র সরকারি কলেজ "হাজী আবদুল বাতেন কলেজ" এর প্রতিষ্ঠাতা তিনি, প্রতিষ্ঠা করেছেন একটি এমপিওভুক্ত স্কুল যা তারই নামে নামকরণকৃত " হাজী আবদুল বাতেন হাইস্কুল"।
স্বাস্থ্য সেবা বৃদ্ধির জন্য নিজ অর্থায়নে সরকারি হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডও করেছিলেন যা তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ তার নামে নামকরণ করা হয়।
অন্যদের গড়া প্রতিষ্ঠানেও নিজের দানকে ছড়িয়ে দিয়েছেন।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ পেয়েছেন বৃটিশ রৌপ্যপদকও।
এই ক্ষণজম্মা পুরুষ আমার প্রপিতামহ এটা ভেবে যেমন গর্ব হয়, তেমনি ঈর্ষাও হয়।আমরা কি পারব তার পথ অনুসরণ করতে?নিজের কষ্টার্জিত বিত্ত বৈভব তার প্রসারিত চিত্তের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন মানব কল্যাণে।
© Mahidul Mukut
এডভোকেট মাহিদুল মাওলা মুকুট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
প্রপৌত্র- ( মরহুম হাজী আব্দুল বাতেন সওদাগর )