13/08/2015
একজন শিক্ষার্থীর পরিবেশ পরিস্থিতি
তথা ব্যক্তিগত, পারিবারিক কিংবা
সামাজিক কোনও অনাকাক্সিক্ষত
ঘটনাবলীর কারণে এসএসসিতে আশানুরূপ
রেজাল্ট নাও হতে পারে । এমতাবস্থায়
ছাত্র/ছাত্রী যখন ২/৩ বার রেজাল্ট
খারাপ করে অথবা কাঙ্ক্ষিত জিপিএ না
পায়, তখন তার মানসিক অবস্থা আরো
খারাপ হয়ে যায়। তখন দরকার পরিবার তথা
সমাজ ও রাষ্ট্রের তার পাশে দাঁড়ানো।
তাকে এমন কোনও আশার-আলো দেখানো,
যাতে তার জীবনটা আবারও আলোয়
আলোয় হয়ে ওঠে পরিপূর্ণ দীপ্তিময়।
এমনই চিন্তা মাথায় রেখে গণপ্রজাতন্ত্রী
বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশ কারিগরি
শিক্ষা বোর্ড প্রণয়ন করছে যুগান্তকারী এক শিক্ষা
ব্যবস্থা যার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী খুব সহজেই
তার কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে। এমনই
একটি শিক্ষাক্রম হলো এইচ.এস.সি বিজনেস
ম্যানেজমেন্ট।
এইচ,এস,সি, (বিজনেস ম্যানেজমেন্ট) কি ধরনের?
এই শিক্ষাক্রমটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা
বোর্ডের অধীনে সাধারণ এইচ,এস,সি, সমতুল্য একটি
শিক্ষাক্রম । সাধারণ এইচ,এস,সি-এর সাথে এই
শিক্ষা ব্যবস্থা বা মানের কোনও পার্থক্য নেই, বরং
এইচ,এস,সি ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন করে বিবিএ/
কম্পিউটার বিষয়ে অনার্স/মাষ্টার্স ডিগ্রি
অর্জনকারীদের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সুযোগ
অত্যন্ত বেশি। কারণ শিক্ষাক্রমটি অধিকতর কর্মমুখী
ও যুগোপযোগী।
শিক্ষাক্রমের বিবরণ : কোর্সের মেয়াদকাল ২ বছর, ১
বছর অন্তর ২টি সেমিস্টারে বিভক্ত।
সুবিধাদি : বাণিজ্য বিভাগের সব বিষয়ের
পাশাপাশি বেসিক কম্পিউটার ও কম্পিউটার
প্রোগ্রামিং বিষয় শিক্ষা দান করা হয়।
শিক্ষাক্রম শেষে শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক
বাস্তব প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।
শিক্ষাক্রমটি দুটি সেমিস্টারে বিভক্ত বিধায়
শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর বোর্ড পরীক্ষায়
অংশগ্রহণ করতে হয়, তাই পাসের হার বেশি। এই
শিক্ষাক্রম ব্যবসায় ব্যবস্থাপনার ওপর জোর
দেওয়ায় বর্তমানে প্রচলিত শিক্ষা ধারার সাথে
অত্যন্ত মানানসই বিধায় খুবই দ্রুত কর্মক্ষেত্রে
প্রবেশের পথ উন্মুক্ত করে দেয়।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যশনাল ইউনিভার্সিটিতে
উচ্চশিক্ষায় আর্থিক সুবিধাসহ ভর্তির সুযোগ।
ভর্তির যোগ্যতা ও নিয়মাবলী : যে কোনও সালের
এসএসসি পাস ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা কলেজ
অফিস থেকে ফরম সংগ্রহ করে যথাযথভাবে পূরণ
করে জমা দিতে হবে।
এস.এস.সি পরীক্ষার মূল একাডেমিক ট্রান্সক্রীপ্ট ও
এর ফটোকপি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে
হবে।