09/05/2015
আল কোরআনের অলৌকিকত্ব:
(অবশ্যই পড়বেন)
জ্যোতিষ শাস্ত্র
বিশ্ব সৃষ্টি ও মহা বিস্ফোরণ (বিগ
ব্যাংগ)
বিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কে
জ্যোতিবিদের প্রদত্ত ব্যাখ্যা
ব্যাপকহারে গ্রহণযোগ্যতা লাভ
করেছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে
নভোচারী ও জ্যোতিবিদদের
সংগৃহীত ও পর্যবেক্ষণ ও
পরীক্ষামূলক উপাত্ত দ্বারাও তা
সমর্থিত হয়েছে। মহা বিস্ফোরণ
তত্ত অনুযায়ী মহাবিশ্ব ছিল
প্রথমে একটি বিশাল
নীহারিকা। পরে ২য় পর্যায়ে
তাতে এক বিরাট বিস্ফোরণ
ঘটে। ফলে ছায়া পথ তৈরী হয়।
এগুলো পরে তারকা, গ্রহ, সূর্য ও
চন্দ্র ইত্যাদিতে রুপান্তরিত হয়।
বিশ্বের সূচনা বিষ্ময়কর এবং
দৈবক্রমে তা ঘটার সম্ভাবনা শূন্য
পর্যায়ে।
পবিত্র কোরআন মহাবিশ্বের
সৃষ্টি সম্পর্কে নিম্নোক্ত
আয়াতে বলেছে,
“কাফেররা কি ভেবে দেখে
না যে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর
মূখ বন্ধ ছিল, তারপর আমি ঊভয়কে
খুলে দিলাম।” - সূরা আম্বিয়া-৩০
ছায়াপথ সৃষ্টির আগে প্রাথমিক
গ্যাস পিন্ড
বিজ্ঞানীরা একমত যে ,মহা
বিশ্বে ছায়াপথ তৈরীর আগে
আকাশ সম্পর্কিত পদার্থগুলো
গ্যাস জাতীয় জিনিস ছিল।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, বিপুল
সংখ্যক গ্যাসজাতীয় পদার্থ
কিংবা মেঘ, ছায়া পথ তৈরীর
আগে বিদ্যমান ছিল।আকাশ
সম্পর্কিত প্রাথমিক পদার্থকে
গ্যাস অপেক্ষা ধুঁয়া বলা বেশী
সঙ্গত।কোরআন মজীদ ধুঁয়া দ্বারা
মহাবিশ্ব সৃষ্টির ঐ অবস্থার প্রতি
ইঙ্গিত দিয়েছে। আল্লাহ
বলেনঃ
“তার পর তিনি আকাশের দিকে
মনোযোগ দিলেন যা কিছু
ধূঁম্রকুঞ্জ, অতঃপর তিনি তাকে ও
পৃথিবী বললেন, তোমরা উভয়ে
আস ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়।
তারা বলল আমরা সেচ্ছায়
আসলাম। - সূরা হা-মীম
সাজদাহ-১১
এটা স্বতঃসিদ্ধ যে, এ অবস্থায়
মহাবিস্ফোরণেরই ফল এবং
মহানবী মোহাম্মদ (ছঃ) এর আগে
এ বিষয়টি কারো জানা ছিল
না।তাহলে প্রশ্ন জাগে, এ
জ্ঞানের উৎস কি ?
পৃথিবীর আকার গোল
প্রথম যুগে মানুষ বিশ্বাস করত যে,
পৃথিবী চেপ্টা ছিল।বহু শতাব্দী
ব্যাপী মানুষ দূরে সফরে যেতে
ভয় পেত কি জানি পৃথিবীর
কিনারা থেকে পড়ে যায়
কিনা।স্যার ফ্রনকিস ড্র্যাক প্রথম
প্রমান করেন যে, পৃথিবী
গোলাকার । তিনি ১৫৯৭ সনে
পৃথিবীর চারপাশে নৌভ্রমন
করেন।আমরা দিবা রাত্রির
আবর্তনের ব্যাপারে কোরআনের
নিন্মোক্ত আয়াতটি বিবেচনা
করতে পারি।
“আপনি কি দেখেনা আল্লাহ
রাতকে দিনের মধ্যে এবং
দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ
করান? -সূরা লোকমান - ২৯
অর্থাৎ রাত আস্তে আস্তে এবং
ক্রমান্বয়ে দিনে রূপান্তরিত হয়,
অনুরূপভাবে দিন ও আস্তে আস্তে
এবং ক্রমান্বয়ে রাতে
পরিবর্তিত হয়। পৃথিবী
গোলাকৃতির