M.C. College,Sylhet

M.C. College,Sylhet Murari Chand College(মুরারি চাঁদ কলেজ) usually referred to MC College

শুভ জন্মদিন প্রিয় ক্যাম্পাস 💞১২৮ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস।
27/06/2020

শুভ জন্মদিন প্রিয় ক্যাম্পাস 💞

১২৮ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস।

23/11/2019

কপি পোস্ট। শেয়ার করতে পারেন, আপনার পরিচিত কারো হ্যাল্প হলেও হতে পারে।
এইচএসসি পরীক্ষা ২০২০ ইং

যাদের টেস্ট পরীক্ষা শেষ তাদের সামনের ডিসেম্বব ও জানুয়ারী মাসের পড়ার সুপার প্যারাসিটামল রুটিন-

খুব সহজ একটা টেকনিক বলে দিবো তোমাদের জন্য। এখন আর চোখ খুলে দিনরাত পড়লেই হবেনা। মাথাটাকেও খুলতে হবে। আর একটু প্ল্যান অনুযায়ী পড়তে হবে।

অনেকেই ইনবক্সে জিজ্ঞেস করো সামনে কটা দিন কিভাবে পড়ব , বই শেষ হয়নি। কিছুই পড়া হয়নি। খুব হতাশায় আছি ইত্যাদি । তোমাদের সবাইকে বলা , প্লাস পাওয়া খুব সহজ। একটা ট্রিক ব্যবহার করতে পারো। বিষয় অনুযায়ী বলছি।

মাথা ঠান্ডা করে একবার পড়। আমি যেহেতু বিজ্ঞানের তাই বিজ্ঞানের বিষয়গুলোই দিলাম। কিন্তু একই ট্রিকস সব বিভাগ(মানবিক,ব্যবসা) বিষয়েই খাটাতে পারো।
-------------------------------------------------
★ উচ্চতর গণিত---
■ [১ম ও ২য় পত্র ] (১-১০) অধ্যায় -প্রতিটা অধ্যায় থেকে ৫ টা করে সৃজনশীল করো , পাঁচটা যেন ৫ টাইপের হয়। টেস্টপেপার কিংবা বই যেখান থেকে পারো করো। ইচ্ছে করলে তোমার যে চ্যাপ্টারগুলো কঠিন লাগে ১ টা ২ টা বাদ দিতে পারো। ক্যালকুলাসে টাইপ একটু বেশী তাই ১০ টা করে করবা, এতে কোনো রিস্ক থাকবেনা ।

তাহলে মোট হয় দুইপত্র মিলিয়ে হলো ১১০ টা প্রশ্ন। কয়েকটা অধ্যায় খুব সহজ। ম্যাট্রিক্স - ভেক্টর - ফাংশন- বাস্তব সংখ্যা-যোগজীকরণ তুমি পারো। তবুও পাঁচটা করে সৃজনশীল কর। এই ১০০ টা নিয়ে একটা নোট তৈরি কর। দুই তিনদিন লাগবে একশটা করতে। যদি ভালো ভাবে বুঝে করতে পারো । তাহলে সৃজনশীল নৈর্বক্তিক দুইটাই কাভার করবে। কমন পাবাই।

তবে হ্যা। এই ১১০ টা করলেই সব শেষনা। তুমি এই ১১০ টাকে বেইজ করে আগাতে পারো। নোট করে নিবে। তারপর মাঝে মাঝে দেখবে। পরীক্ষার আগে যে দুইতিনদিন সময় পাবা তার মাঝে যে অধ্যায়গুলাতে আরো টাইপের অংক আছে ঐগুলা করবা। কিন্তু এইগুলা প্রথমে আয়ত্তে আনবা.

------------------------------------------------
★রসায়ন
১ম পত্র---- ২,৩,৪ অধ্যায়গুলো থেকে দশটা করে সৃজনশীল পড়বা।
১,২ এই দুইটা থেকে পাঁচটা করে দশটা পড়বা।
২য় পত্র--- ১,২,৩,৪অধ্যায়গুলো থেকে দশটা করে পড়বা
৫ থেকে পাঁচটা

মোট হলো ৯০ টা। এই নব্বইটা প্রশ্নও নোট করে নিবা। সৃজনশীল ফুল কমন।
------------------------------------------------
★পদার্থবিজ্ঞান

একই সিস্টেম এই বিষয়েও।
১ম- ১ অধ্যায় সৃজনশীল লাগবেনা
২য় পত্র- ১১ অধ্যায় সৃজনশীল লাগবেনা

বাকীগুলো থেকে পাঁচটা করে সৃজনশীল ভালোভাবে পড়।

টোটাল ৯৫ টা।
-----------------------------------------------
★জীববিজ্ঞান

১ম পত্র----২,৩,৮,৯,১০,১১- এই অধ্যায়গুলো থেকে পাঁচটা করে।
২য় পত্র ----- ১,২(হাইড্রা), ৪, ৬,৭,১০,১১ অধ্যায়গুলো থেকেও পাঁচটা করে।

অন্যগুলো পড়ে সময় পেলে পড়বা।
----------------------------------------------
★ইংরেজি+বাংলা

কিচ্ছু বলার নাই। আগের বছরের বোর্ড আর দশ পনেরটা কলেজ।
----------------------------------------------
★আইসিটি

(১,২,৬)অধ্যায়গুলো থেকে----৫ টা করে সৃজনশীল পড়বে
(৩,৪,৫)অধ্যায়গুলো থেকে----১০টা করে সৃজনশীল পড়বে

★ এবার আসো এমসিকিউ --- প্রত্যেকদিন প্রত্যেক বিষয়ের একটা করে মডেল করো। ৩০ দিন পর হবে ৩০ টা।
আর এই দিনে তোমার সব বিষয়ের সৃজনশীল মোটামুটি শেষ।

এখন সামনের জানুয়ারি মাসে নোট করা সৃজনশীলগুলো রিভিশন দাও। Mcq যে ত্রিশটা করেছ সেগুলোও রিভিশন দাও।
আর হ্যা Mcq পড়ার সময় অবশ্যই কঠিনগুলো টুকে রাখবে আলাদা একটা খাতায়। রিভিশনে অনেক সুবিধে হবে।

☆☆☆ কমার্স , আর্টস ও এই সিস্টেম ফলো করো। সব বিষয়ের অধ্যায়গুলো জন্য গুরুত্ব বুঝে সৃজনশীল পড়।

★ এই কাজগুলো শেষ করতে ৩০ দিনের বেশী লাগবেনা আশা করি। সুন্দর একটা রুটিন করে শুরু করে নাও। আর হ্যা তোমার রুটিন তুমিই করবা

যাই হোক প্রত্যেকটা অধ্যায় থেকেই সৃজনশীল করতে বললাম এই কারণে যে এর সাথে যেন নৈর্বক্তিক ও একটু কাভার হয়। জানিনা কতটুকু উপকার হবে। তবে আমি এই ট্রিকসটাই ব্যবহার করেছিলাম আমার বেলায়। তোমাদের কথা আলাদা, তবে অন্ধকারে পথ খোঁজার চেয়ে একটু আলোয় হাঁটা ভালো নয়কি???

16/07/2019

প্রখ্যাত শিক্ষার্থীবৃন্দ

★আবু তাহের, বীর উত্তম, মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ও বামপন্থি রাজনীতিবিদ
★এম. সাইফুর রহমান, বাংলাদেশের সাবেক অর্থমন্ত্রী
★আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাংলাদেশের সাবেক অর্থমন্ত্রী
★দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, দার্শনিক, সাহিত্যিক ও সমালোচক ।
★আলতাফ হোসেইন, সাংবাদিক, পাকিস্তানের শিল্পমন্ত্রী-১৭ আগস্ট ১৯৬৫ – ১৫ মে ১৯৬৮।
★নুরুল ইসলাম নাহিদ , বাংলাদেশের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী
★জয় ভদ্র হগজর, (১৯১৪–১৯৭৩) ভারতের সাবেক এমপি ; প্রাক্তন ভেটেরিনারি মন্ত্রী, আসাম সরকার।
★নীহার রঞ্জন রায় , বিখ্যাত ঐতিহাসিক
★মোহাম্মদ আতাউল করিম, বাংলাদেশী পদার্থবিজ্ঞানী
★এম এ রশীদ , বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রথম উপাচার্য
★মোহাম্মদ আতাউল করিম, (জন্ম: ৪ মে, ১৯৫৩) বাংলাদেশী-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার নরফোকে অবস্থিত ওল্ড ডোমিনিয়ন ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট (গবেষণা) হিসেবে কর্মরত এই বিজ্ঞানী ইলেক্টো-অপটিক্সের গবেষণায় অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে গণ্য।
★আব্দুল মালিক, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, জাতীয় অধ্যাপক
★খলিল উল্লাহ খানমুফতি নুরুন্নেছা খাতুন, উদ্ভিদবিজ্ঞানী, শিক্ষক এবং উদ্যানবিদ্যাবিদ
★নীহাররঞ্জন রায়, ইতিহাসবেত্তা, সাহিত্য সমালোচক
★ময়নুল হক চৌধুরী , (১৯২৩-১৯৭৬) আসাম মন্ত্রী সভায় প্রভাবশালী মন্ত্রী ছিলেন।
★সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, গল্পকার সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক। ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে তাঁকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান করা হয়
★শানারেই দেবী শানু, অভিনেত্রী ও মডেল, লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার মুকুট বিজয়ী

16/07/2019

ক্যাম্পাস-
১২৪ একর ভূমির উপর অবস্থিত মুরারিচাঁদ কলেজের সুবিশাল ক্যাম্পাসে রয়েছে একটি ক্যান্টিন, একটি মসজিদ, ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসিক হোস্টেল, বিভিন্ন বিভাগীয় ভবন এবং একটি খেলার মাঠ রয়েছে। ক্যাম্পাসের পুর্বে রয়েছে সিলেট সরকারি কলেজ এবং উত্তরে রয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ওসিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। এছাড়াও কলেজের পাশেই রয়েছে টিলাগড় ইকো পার্ক। কলেজের ভিতরে একটি পুকুরও রয়েছে।

16/07/2019

সিলেট মুরারি চাঁদ কলেজের ইতিহাসের এক মহান নায়ক সৈয়দ আব্দুল মাজিদ (কাপ্তান মিয়া) । ১৮৯৭ সালের বিরাট ভূমিকম্পের ফলে রাজার বাড়ি ঘর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহ ধংস হয়ে যায়। তিনি ঋণ গ্রহণ করে তা পুনর্নির্মাণ করতে যেয়ে ধিরে ধিরে আর্থিক অনটনে পতিত হন। ১৯০৮ সালে রাজা গিরিশ চন্দ্রের মৃত্যুর পর এইডেড প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। বাবু দুলাল চন্দ্র দেব এবং কাপ্তান মিয়ার উদ্যোগে কলেজটি নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পায়। সেই সময় মুরারিচাঁদ কলেজ সিলেট শহরের ভিতর ছিল এবং প্রথম শ্রেণীর ডিগ্রি কলেজের উপযুক্ত পরিবেশ এবং দালান কোঠা সেখানে ছিলনা। তিনি শহর থেকে তিন মাইল দূরে ১২০ একর জমি অধিগ্রহণ করে বর্তমান মুরারিচাঁদ কলেজ প্রাঙ্গণের ভিত্তির সূচনা। কাপ্তান মিয়া কলেজের নুতুন কোনো নাম বা নিজের নাম না দিয়ে এই নুতুন প্রাঙ্গনে কলেজটিকে মুরারিচাঁদ কলেজের নামই রাখেন। রাজা গিরিশ চন্দ্রে যে বীজ বপন করেছিলেন কাপ্তান মিয়া সেটাকে মহিরুহুতে পরিনিত করেন। বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ১৯১৯ সালে সিলেট আগমন করলে তাকে যে বিরাট সম্বর্ধনা দেয়া হয় আব্দুল মাজিদ কাপ্তান মিয়া ছিলেন সেই অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি।

16/07/2019

মুরারিচাঁদ কলেজ ১৮৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় তৎকালীন সিলেটের প্রখ্যাত শিক্ষানুরাগী রাজা গিরিশচন্দ্র রায় (১৮৪৫ - ১৯০৮) -এর অনুদানে। কলেজটির নামকরণ করা হয় তাঁর প্রমাতামহ মুরারিচাঁদ এর নামে। পূর্বে কলেজটি সিলেটের বন্দর বাজারের নিকট রাজা জি. সি. উচ্চ বিদ্যালয় এর পাশে অবস্থিত ছিল। ১৮৯১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কলেজটিতে এফ. এ. ক্লাশ খোলার অনুমতি দিলে ১৮৯২ সালের ২৭ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে মুরারিচাঁদ কলেজের যাত্রা শুরু হয়। সেসময় ছাত্রদের বেতন ছিল ৪ টাকা এবং ১ম বিভাগে এন্ট্রান্স পাশকৃতদের জন্য বিনা খরচে পড়ার ব্যবস্থা ছিল।

১৮৯২ সাল থেকে ১৯০৮ সাল পর্যন্ত রাজা গিরিশচন্দ্র রায় নিজেই কলেজটির সকল খরচ বহন করেন। ১৯০৮ সালে রাজা মারা গেলে কলেজটি সরকারী সহায়তা চায়। তখন থেকে কলেজটি সরকারী সহায়তায় পরিচালিত হতে থাকে। এরপর ১৯১২ সালে কলেজটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি কলেজ রুপে আত্মপ্রকাশ করে। একই বছর তৎকালীন আসামের চিফ কমিশনার স্যার আর্চডেল আর্ল কলেজটিকে ২য় শ্রেণীর কলেজ থেকে ১ম শ্রেণীর কলেজে উন্নীত করেন । ১৯১৩ সালে কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক বিজ্ঞান ক্লাস চালু হয়। পরবর্তীতে জননেতা আব্দুল মজিদ (কাপ্তান মিয়া) সহ আরো অনেকে মিলে ১৮০০০ টাকা অনুদান দিলে কলেজটিতে স্নাতক শ্রেণী চালু হয়।

১ম বিশ্বযুদ্ধ ও অন্যান্য নানা সমস্যার কারনে কলেজের ক্যাম্পাস পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখা দেয়। তখন কলেজ থেকে ৩ কি. মি. দুরে থ্যাকারে টিলায় (বর্তমান টিলাগড়) ১২৪ একর ভুমি নিয়ে বিশাল ক্যাম্পাসে কলেজ স্থানান্তর করা হয়। সে সময় কলেজের ছাত্রসংখ্যা ছিল ৫৬৮ জন। ১৯২১ সালে তৎকালীন আসামের গভর্ণর স্যার উইলিয়াম মরিস কলেজের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯২৫ সালে ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হলে তা উদ্বোধন করেন তৎকালীন আসামের গভর্ণর স্যার উইলিয়াম রীড।

১৯৪৭ এর দেশ বিভাগের পূর্ব পর্যন্ত কলেজটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল। দেশ বিভাগের পর এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আসে। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে ১৯৬৮ সালে কলেজটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়, এবং সর্বশেষ ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এর মত মুরারিচাঁদ কলেজটিকেও বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অধিভুক্ত করা হয় এবং অধ্যাবধি রয়েছে।

23/06/2019

M C College was established on 27 June 1892 by a local nobleman, Raja Girish Chandra Roy of Roynagar, Sylhet with four teachers and 18 students. The college was named after his maternal grandfather, Murari Chand Roy. It was located beside the present Raja G C School. At the beginning it was a proprietary college. Raja himself used to fund the college. From 1892 to 1908 (16 years) until the death of the Raja it remained proprietary. In 1897, the original college building collapsed in a devastating earthquake, of which Raja Girish Chandra himself was a victim. Though he survived the quakes, the calamity made him financially vulnerable. It was not possible for him to run the college from his own resources from thereon. He urged the government to take over the college so that it could continue as an educational institution. The government took over the college in 1908 after the death of Girish Chandra. Then it became an 'aided' college. For four years it remained 'aided'. On 1 April 1912 the college become fully government administered and was considered as an affiliated college of the University of Calcutta.

In 1916, Syed Abdul Majid upgraded Murari Chand College's status to first grade degree level and laid the school's foundation stone in Thackeray Hills alongside William Sinclair Marris in 1921.[1].[2][3][4][3]

In 1925 the college moved to its current campus at Thackarey Hills (now Tilagarh). It is spread on an area of 112 acres of land of a beautiful natural set-up.

In 1942 the Golden Jubilee of the college was observed by the publishing of theMurari Chand College Golden Jubilee Volume.

In 2001, the college had 130 teachers and 6,000 students. There are seven residential hostels for students, which is one of the best residential arrangements of students at the college level in Bangladesh.

In 2000, the college won the national award as the best educational institution.

The library of M C College is famous for its collection of books, which numbers around 100,000.[5]

Currently, all the students of HSC first year obtained GPA 5 in SSC.

23/06/2019

Established:1892
Affiliation: Bangladesh National University
Students: 6,000+(2001)
Location: Sylhet,Bangladesh. 24.9045°N 91.9008°E (Tilagor,Sylhet-3100)
Campus: Urban 120 acres
Website: http://www.mccollege.edu.bd

23/06/2019

Murari Chand University College (মুরারি চাঁদ কলেজ) (usually referred to as M C College) was the first college in Sylhet. It was established in 1892. Since then it has played an important role in the educational, cultural, and political spheres of greater Sylhet.

Address

Tilagor
Sylhet

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

01729304801

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M.C. College,Sylhet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share