الجامعة الطيبة সুলতানপুর মহিলা মাদ্রাসা

  • Home
  • Bangladesh
  • Sylhet
  • الجامعة الطيبة সুলতানপুর মহিলা মাদ্রাসা

الجامعة الطيبة  সুলতানপুর মহিলা মাদ্রাসা বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ কওমী-মহিলা মাদ্?

মুহিউস সুন্নাহ ভবনের বেইসমেন্টের ফ্লোর ২য় পর্বে ৪০০০ ফুট ঢালাই চলতেছে।  আলহামদুলিল্লাহ।আল্লাহ সাহায্য করুন এবং কাজকে সম্...
21/07/2025

মুহিউস সুন্নাহ ভবনের বেইসমেন্টের ফ্লোর ২য় পর্বে
৪০০০ ফুট ঢালাই চলতেছে। আলহামদুলিল্লাহ।
আল্লাহ সাহায্য করুন এবং কাজকে সম্পন্ন করুন, আমিন।

19/11/2024
07/09/2024

শহীদ মিনারে কবি আল মাহমুদের মরদেহ নেওয়ার অনুমতি দেয়নি ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার।
যে আল মাহমুদ একদা সুশীল ছিলেন পরে শুধু ইসলামের দিকে ঝুকে যাওয়ায় হেন কোনো অবহেলার শিকার হননি!মারা যাওয়ার পরে তার লাশটা পর্যন্ত শহীদ মিনারে নিতে দেয়নি!
সং্খ্যালঘু খুজতে আল মাহমুদের উদাহরণ কি যথেস্ট নয়?

মজার কথা হলো আল মাহমুদকে মুছে ফেলার এতো চেস্টার পরেও আজকে আজাদী মঞ্চে আল মাহমুদের কবিতা পোলাপান মুখস্থ পড়ছে।

আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি!এতো শোষন শাসনের পরেও গত পনেরো বছরে তারুণ্যকে ধংস করতে পারেনি ওরা।এই বাংলাদেশকে নিয়ে আমরা কেন হতাশ হই?

এই কবিতা আমরা আমাদের বাচ্চাদেরও শেখাবো।ওরাও জানবে আমরা কোন কাফেলায় কেন পথ চলছি....

"আমাদের এ মিছিল নিকট অতীত থেকে অনন্ত কালের দিকে
আমরা বদর থেকে ওহুদ হয়ে এখানে,
শত সংঘাতের মধ্যে এ শিবিরে এসে দাঁড়িয়েছি।
কে প্রশ্ন করে আমরা কোথায় যাবো ?
আমরা তো বলেছি আমাদের যাত্রা অনন্ত কালের।
উদয় ও অস্তের ক্লান্তি আমাদের কোনদিনই বিহবল করতে পারেনি।
আমাদের দেহ ক্ষত-বিক্ষত,
আমাদের রক্তে সবুজ হয়ে উঠেছিল মূতার প্রান্তর।
পৃথিবীতে যত গোলাপ ফুল ফোটে তার লাল বর্ণ আমাদের রক্ত,
তার সুগন্ধ আমাদের নিঃশ্বাসবায়ু।

আমাদের হাতে একটি মাত্র গ্রন্থ আল কুরআন,
এই পবিত্র গ্রন্থ কোনদিন, কোন অবস্থায়, কোন তৌহীদবাদীকে থামতে দেয়নি।
আমরা কি করে থামি ?

আমাদের গন্তব্য তো এক সোনার তোরণের দিকে যা এই ভূ-পৃষ্ঠে নেই।
আমরা আমাদের সঙ্গীদের চেহারের ভিন্নতাকে গ্রাহ্যের মধ্যে আনি না,
কারন আমাদের আত্মার গুন্জন হু হু করে বলে
আমরা একআত্মা, এক প্রাণ।
শহীদের চেহারার কোন ভিন্নতা নেই।
আমরা তো শাহাদাতের জন্যই মায়ের উদর থেকে পৃথিবীতে পা রেখেছি।
কেউ পাথরে, কেউ তাঁবুর ছায়ায়, কেই মরুভূমির উষ্মবালু কিংবা সবুজ কোন ঘাসের দেশে।
আমরা আজন্ম মিছিলেই আছি,
এর আদি বা অন্ত নেই।

পনের শত বছর ধরে সভ্যতার উথ্থান-পতনে আমাদের পদশব্দ একটুও থামেনি।
আমাদের কত সাথীকে আমরা এই ভূ-পৃষ্ঠের কন্দরে কন্দরে রেখে এসেছি-
তাদের কবরে ভবিষ্যতের গুন্জন একদিন মধুমক্ষিকার মত গুন্জন তুলবে।
আমরা জানি,
আমাদের ভয় দেখিয়ে শয়তান নিজেই অন্ধকারে পালিয়ে যায়।
আমাদের মুখয়বয়ে আগামী ঊষার উদয়কালের নরম আলোর ঝলকানি।
আমাদের মিছিল ভয় ও ধ্বংসের মধ্যে বিশ্রাম নেয়নি, নেবে না।
আমাদের পতাকায় কালেমা তাইয়্যেবা,
আমাদের এই বাণী কাউকে কোনদিন থামতে দেয়নি
আমরাও থামবো না।

জয়তু কবি আল মাহমুদ. Copy

15/11/2023

গাজার শহীদদের কাফন পরান যিনি
মারাম হুমাইদ

দেইর আল-বালাহ, গাজা স্ট্রিপ। সাদা টাইলসে মোড়া ছোট একটি কামরা। ভেতরে একজন প্রৌঢ় ব্যক্তি মনোযোগ দিয়ে কাজ করছেন। ঘরের বাইরে রেলিংয়ে ঝুলছে ছোট-বড় সাদা কাফনের কাপড়।

৫৩ বছর বয়সী লোকটির নাম আবু সাহের আল-মাঘারি। একমাস ধরে গাজার আল-আকসা শহীদ হাসপাতালের এই ছোট কামরাটিতে দিন-রাত কাজ করে চলেছেন বিরামহীন। এ কাজ অবশ্য তার জন্য নতুন নয়, ১৫ বছর ধরে তিনি আল-আকসা হাসপাতালে মৃত ব্যক্তিদের গোসল ও কাফনের কাজ করেন। তবে ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর তিনি যেন লাশের স্তূপের নিচে চাপা পড়ে যাচ্ছেন। আর যখন ক্ষতবিক্ষত, থেঁতলে যাওয়া, বোমায় উড়ে যাওয়া শরীরের অবশিষ্টাংশ নিয়ে কোনো লাশ আসে, তিনি নিজেকে ধরে রাখতে পারেন না। প্রতিদিন তার কাছে নিয়ে আসা লাশগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে আল-মাঘারি কান্নাভেজা সাদা দাড়ি মুছে বলেন, ‘আমার জীবনে আমি এত ভয়াবহ পরিস্থিতি কখনো দেখিনি। হাসপাতালের লাশ ধোয়া ও কাফন পরানোর কাজের জন্য এমনিতে প্রতিদিনই আমার কাছে ২০-৩০টি লাশ আসে। কখনো বড়জোর ৫০।

গতবার ইসরায়েলি হামলার সময়ও সর্বোচ্চ ৬০টি লাশের কাফন দিতে হয়েছিল। কিন্তু এখন আমাকে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ লাশের কাফন দিতে হয়। ইসরায়েলি হামলার ভয়াবহতায় কখনো তা ২০০ ছাড়িয়ে যায়।’

আল-মাঘারি বলছিলেন, ‘যুদ্ধবিধ্বস্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে যে লাশগুলো আসে, সেগুলোর অবস্থা ভয়াবহ। ছিন্ন পা, পেট-বুকে গভীর ক্ষত, কোনো লাশের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ছিন্নভিন্ন। এমন নৃশংসতার অভিজ্ঞতা এর আগে আর দেখিনি আমি।’

ফুলশিশুদের ছিন্ন দেহ

গাজার এই আল-আকসা শহীদ হাসপাতালটিতে এখন বেশি আসে নারী ও শিশুদের লাশ। আর তাদের মৃতদেহে বিক্ষত আঘাতগুলো এতটাই অবর্ণনীয়, আল-মাঘারি কথা বলতে পারেন না। ‘শিশুদের লাশগুলো যখন কাফনে মোড়াই, আমার হাত অবশ হয়ে যেতে চায়। কোনো শিশুর ছিন্ন পা’টা তার কাফনের ভেতরে গুঁজে দিই যাতে সেটা তার সঙ্গে কবরে যেতে পারে। ইসরায়েলিদের বর্বরতা আর কত দেখব?’

যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১০,৮০০ জন ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছে। এর মধ্যে ৪,৪০০ শিশু এবং ২,৯০০ নারী। জাতিসংঘের মহাসচিব শিশুদের জন্য গাজাকে তুলনা করেছেন কবরস্থানের সঙ্গে। গাজার আল-আকসা শহীদ হাসপাতালের মুখপাত্র মুহাম্মদ আল-হাজ জানান, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত ২,৪৭৬ জন ফিলিস্তিনির মৃতদেহ গ্রহণ করেছে হাসপাতালটি। ২০০ শয্যার হাসপাতালটিতে তিল ধারণের জায়গা নেই। এ পর্যন্ত আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ৫,৩০০ জন ফিলিস্তিনি।

জোহরের নামাজের ছোট্ট বিরতিতে আল-মাঘারি আল বলেন, ‘ভোর ৬টা থেকে আমি শহীদদের লাশগুলো কাফন পরাতে শুরু করি, একটানা রাত ৮টা পর্যন্ত, কোনো বিরাম নেই। কয়েকদিন ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে থেকে কোনো কোনো লাশ পচে-গলে যায়, হাড় বের হয়ে যায়। কোনো লাশ খণ্ড-বিখণ্ড, কোনো লাশ এমনভাবে পুড়ে গেছে যে চেনার উপায় নেই। কোনো কোনো লাশের আঘাতগুলো একদম নতুন, আগে কখনো দেখিনি। ইসরায়েলিরা হয়তো তাদের মিসাইল ও বিস্ফোরকের মধ্যে নতুন কোনো মারণঘাতী কেমিক্যাল ব্যবহার শুরু করেছে।’

বিদায়ের হৃদয়বিদারক মুহূর্তগুলো

প্রতিদিনের মর্মন্তুদ দৃশ্যকে পেছনে ফেলে আল-মাঘারিকে চালিয়ে যেতে হয় তার কাজ। তিনি জানেন, কাফনে মোড়া এই দেহগুলোকে বিদায় জানানোর জন্য অপেক্ষা করছে তাদের স্বজনরা। তিনি বলতে থাকেন, ‘আমার কাজ প্রায়ই আমাকে মর্মান্তিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করে। আমি জানি, আমার কামরার বাইরে সন্তানহারা দুঃখ-বেদনায় চিৎকার করে কাঁদছে মৃত শিশুটির মা-বাবা-স্বজনরা। তাদের কান্না ছাপিয়ে আমি চেষ্টা করি তাদের সন্তানের দেহটাকে উপস্থাপনের যোগ্য করে কাফনে মুড়ে দিতে, যাতে তারা তাদের সন্তানকে শেষ বিদায় জানাতে পারে।’

কান্না, রক্ত, ছিন্নভিন্ন দেহের ব্যথাভরা ভারাক্রান্ত হৃদয় একপাশে সরিয়ে রেখে আল-মাঘারিকে অফিশিয়াল কাজগুলো আঞ্জাম দিতে হয়, কাফনের গায়ে লিখতে হয় শহীদ শিশুর নাম-পরিচয়। কাফনে মোড়া শহীদ শিশুর ছিন্নভিন্ন মৃতদেহটি তুলে দেওয়া হয় তার জীবিত স্বজনের হাতে। আল-মাঘারি বলেন, ‘মৃতদেহ বিদায় জানানোর মুহূর্তগুলো সবসময় হৃদয়বিদারক আর নিষ্ঠুর হয়। কখনো কখনো আমি এমন মৃতদেহ কাফনে মুড়াই, বোমা ও শ্রাপনেলের আঘাতে যেগুলো মানুষের মৃতদেহ বলে শনাক্ত করতে কষ্ট হয়। তখন এসব মৃতদেহের কাফনের মুখ বন্ধ করে তুলে দিই তার স্বজনের হাতে।’

আল-মাঘারিকে কখনো কখনো অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই কোনো কোনো মৃতদেহে কাফনে মোড়াতে হয়। কেননা শহীদের শরীরগুলো বোমার আঘাতে এতটাই বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকে, সেগুলো একত্র করে তাকে হাসপাতালের কাফন-ঘরে নেওয়াও সম্ভব হয় না।

কান্নার সময় নেই

‘প্রতিদিন এমন ছিন্নভিন্ন ও ভস্মিত মৃতদেহের কাফন পরানো, যাদের অধিকাংশই শিশু, এর জন্য কঠিন মানসিক শক্তি প্রয়োজন। যা অধিকাংশ মানুষেরই হয়তো নেই। অথচ আমাকে প্রতিদিন এই মর্মান্তিক অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। এখানে কান্না করা বা ভেঙে পড়ার সুযোগই নেই। যদিও আমি আর দশজনের মতো সাধারণ মানুষই।’

মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক আর হৃদয়ের মর্মন্তুদ অভিজ্ঞতার এই কাজের মধ্যে থেকে আল-মাঘারি তার পরিবারের কথা ভাবার সুযোগই পান না, যারা মধ্য গাজা সিটির নুসাইরাত রিফিউজি ক্যাম্পে যুদ্ধের ভয়াবহতার মধ্যে দিন গুজরান করছে। পাঁচ সন্তানের বাবা আল-মাঘারি পরিবার সম্পর্কে বলেন, ‘প্রত্যেক বাবার মতো আমিও আমার পরিবারের ব্যাপারে দুশ্চিন্তায় থাকি। কিন্তু রাতে যখন আমি কাজ শেষ করে তাদের কাছে যাই তখন তাদের সঙ্গে কথা বলার মতো সাহস পাই না। আমি তাদের শুধু বলি, আমাকে একা থাকতে দাও। যদিও জানি তারা আমাকে সারা দিন মিস করেছে, কিন্তু তাদের স্নেহ-ভালোবাসা দেওয়ার মতো আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না আমার হৃদয়ে।’

ইসরায়েলি মিসাইল ও বোমা হামলা প্রতিনিয়ত চলছে। আল-মাঘারি জানেন, ইসরায়েলি হামলা যে কোনোদিন হয়তো তার পরিবারের ওপরও উড়ে আসতে পারে। তিনি বলেন, ‘কখনো কখনো আমি চিন্তা করি, বোমা হামলায় হয়তো আমার সন্তান নিহত হলো আর তার ছিন্নভিন্ন দেহ নিয়ে আসা হলো আমার কাছে। তাকে কাফনে মুড়িয়ে কবরে শুইয়ে দিয়ে আসব। এমনটা হতেই পারে। কেননা ব্যতিক্রম বাদে, গাজায় সবাই ইসরায়েলের নিশানায় সমান।’

আলজাজিরা থেকে ভাষান্তর : সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর

09/11/2023

সূরা কাহাফ ও দুরুদ শরীফের আমল ব্যাপকভাবে করা হোক। দাজ্জালের ফিতনা ও দাজ্জালি ফিতনা থেকে আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন এই আমলের বরকতে। যা সওয়াব হয় তা পৌঁছে দিন গাজার সমস্ত শহীদ ও মু*জা*হিদদের রুহে। আল্লাহ যেন সূরা কাহাফের বরকতে তাদেরকে দুশমনের দৃষ্টি থেকে হেফাজত করেন। যেভাবে আসহাবে কাহাফকে হেফাজত করেছিলেন।

আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ

চলিত বৎসর জায়গা স্বল্পতার কারণে মহিলা বিভাগে ভর্তি সীমিত করা হয়েছে, ভর্তির নির্ধারিত কোটা পূরণ হয়েগেলে আর নতুন-পুরাতন কা...
23/04/2023

চলিত বৎসর জায়গা স্বল্পতার কারণে মহিলা বিভাগে ভর্তি সীমিত করা হয়েছে,
ভর্তির নির্ধারিত কোটা পূরণ হয়েগেলে আর নতুন-পুরাতন কাউকেই ভর্তি করা হবে না,
ভর্তি শুরু হবে ২মে মঙ্গলবার থেকে, চলবে পরবর্তি মঙ্গলবার পর্যন্ত।
কোটা পূর্ণ হয়েগেলে (মহিলা বিভাগে) নির্ধারিত সময়ের আগেই ভর্তি বন্ধ হয়ে যাবে।
তাই ভর্তিচ্ছুকরা ভর্তি শুরুর সাথে সাথেই ভর্তি হয়ে যান।

Address

Sylhet
3128

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when الجامعة الطيبة সুলতানপুর মহিলা মাদ্রাসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The University

Send a message to الجامعة الطيبة সুলতানপুর মহিলা মাদ্রাসা:

Share